Reality Check BD
رفتن به کانال در Telegram
5 062
مشترکین
+424 ساعت
-27 روز
+2130 روز
آرشیو پست ها
5 062
Dhaka University Medam Correction
ডেটা দিয়েছি, অ্যাকাডেমিক রেফারেন্সও দিয়েছি, Come prove us wrong!
ভিডিওটি কি আপনার কাছে ভালো লেগেছে? তাহলে শেয়ার করুন, ট্যাগ করুন বন্ধুদের সাথে।
#আমরাই_আমাদের_মিডিয়া।
5 062
এই নিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। হিজাব পরা ছাত্রীরা স্কুলে ঢুকতে না পেরে রাস্তায় বসে ক্লাস নেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু প্রতিবাদকারীদের ওপর নেমে এসেছে পুলিশি দমন। ১৩ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হলো- হিজাব নিষিদ্ধ করা কি সত্যিই “liberal values”, নাকি এটা আরেক রূপে “Islamophobia”?
.
আপনি কি মনে করেন, একটি মেয়েকে তার ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে ক্লাসরুম থেকে বাদ দেওয়া কোনোভাবেই ন্যায্য?
পশ্চিমা দেশগুলো আফগানিস্তানে মেয়েদের শিক্ষা নিয়ে প্রতিনিয়ত কথা বলে। তারা বলে, “Girl's education is a fundamental right.” কিন্তু আজারবাইজানে যখন হিজাব পরা মেয়েদের ক্লাসে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, তখন তাদের সেই কণ্ঠস্বর কোথায়? তারা কি শুধু তাদের রাজনৈতিক স্বার্থের দেশগুলোর জন্যই নারীর অধিকারের কথা বলে?
জাতিসংঘ কোথায়? যেখানে একটি মেয়েকে তার ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে ক্লাসরুম থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, সেখানে জাতিসংঘের নীরবতা কেন? মানবাধিকার সংগঠনগুলো কোথায়? তারা কি শুধু নির্দিষ্ট দেশ ও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্যের জন্যই “human rights & women rights”-এর কথা বলে?
.
ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ইসলামকে জনজীবন থেকে সরিয়ে দিতে চায়। হিজাব একজন মুসলিম নারীর ধর্মীয় অধিকার; এটিকে নিষিদ্ধ করা ইসলামের ওপর আক্রমণ।
যখন হিজাব পরার কারণে একটি মেয়েকে তার ক্লাসরুম থেকে বাদ দেওয়া হয়, তখন পশ্চিমা দেশ, জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো কেন নীরব?
আপনার মতামত কী? আপনি কি মনে করেন এটা সো কোল্ড "Liberal Values" নাকি Islamophobia?
–
5 062
আপনি কি জানেন, আজারবাইজানে এখন হিজাব পরা মেয়ে ও শিক্ষিকাদের স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না?
সরকার বলছে, এটা “ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষার নীতি” মেনে চলার জন্য। ২১ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভা একটি নতুন পোশাক নিয়ম জারি করে। নিয়মে বলা হয়েছে, স্কুলের পোশাক ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারবে না। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, নিয়মে সরাসরি “হিজাব” শব্দটিই নেই। তবু বাস্তবে হিজাব পরা ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের ক্লাসে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
একটি মেয়ে তার ধর্মীয় পরিচয় মেনে চলার জন্য স্কুলের গেটে দাঁড়িয়ে আছে। তাকে বলা হচ্ছে, হিজাব খুলে তবেই ক্লাসে ঢুকতে পারবে।
.
এখন আপনিই ভাবুন - এটা কি শুধু একটা পোশাকের বিষয়? নাকি এটা শিক্ষার অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা আর রাষ্ট্রের সীমা নিয়ে একটা বড় প্রশ্ন?
5 062
Ref:
[১] Abuse of Rights (Abus de droit): A civil law doctrine establishing that the malicious or purely spiteful exercise of a legal right is invalid.
https://en.wikipedia.org/wiki/Abuse_of_rights
[২] Social Action Theory (Max Weber): The sociological framework distinguishing actions based on intent, specifically normal instrumental actions versus purely reactionary actions.
https://www.britannica.com/topic/theory-of-social-action
5 062
সবচেয়ে বড় সমস্যাটা হলো সমতার সংজ্ঞায়। তারা দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতাকে এক পাল্লায় মাপার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশে গরুর গোশত খাওয়াটা কোনো বিচ্ছিন্ন ইভেন্ট বা হঠাৎ গজিয়ে ওঠা কোনো প্রোভোকেশন নয়। এটি এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের অংশ, উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ এবং বৃহত্তর কালচারাল নর্মসের অংশ। বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, ফুড হ্যাবিট এবং এমনকি চিন্তার দর্শনেও গরুর গোশত কোনো ট্যাবু নয় বরং প্রথা, রেওয়াজ কিংবা কালচারাল কাস্টম; এটি কোনো আরোপিত দাবি নয়, এটি গভীরভাবে প্রোথিত। অপরদিকে একটি গ্রহণযোগ্য নর্মস এর সাথে একটি কাল্পনিক ও রিঅ্যাকশনারি দাবির তুলনা লজিকের দুনিয়ায় কখনোই সমান হতে পারে না। অ্যাকাডেমিক্যালি একেই বলা হয় 'False Equivalence'
.
যেকোনো সোশ্যাল কাজের পেছনের 'ইন্টেন্ট' বা উদ্দেশ্যটা বোঝা খুব জরুরি। আইনবিজ্ঞানে ‘ইন্টেন্ট’ এর ইমপ্লিকেশন অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। লিগ্যাল ফিলোসফিতে একটি পরিষ্কার ভিত্তি আছে যে, উদ্দেশ্য কীভাবে একটি আপাত বৈধ কাজকেও পুরোপুরি প্রশ্নবিদ্ধ বা অবৈধ করে দিতে পারে। আপনি হয়তো থিওরিটিক্যালি কোনো কাজ করার অধিকার রাখেন, কিন্তু সেই অধিকারের চর্চা যদি স্রেফ অন্যকে আঘাত করা, উসকানি দেওয়া বা ডমিনেট করার উদ্দেশ্যে (Malicious intent) করা হয়, তবে আইন ও দর্শনের চোখে সেটি আর 'অধিকার' থাকে না; সেটি হয়ে যায় 'Abuse of Rights' বা অধিকারের অপব্যবহার। [১]
এর একটি ক্লাসিক রিয়েল-ওয়ার্ল্ড লিগ্যাল উদাহরণ হলো প্রপার্টি ল-এর 'Spite Fence' বা আক্রোশমূলক দেয়াল। ধরুন, নিজের কেনা জমিতে দেয়াল তোলার আইনি অধিকার আপনার শতভাগ রয়েছে। কিন্তু আপনি যদি স্রেফ আপনার প্রতিবেশীর বাড়ির আলো, বাতাস আটকে দেওয়া বা তাকে মানসিক যন্ত্রণায় ফেলার উদ্দেশ্যে একটি বিশাল ও অপ্রয়োজনীয় দেয়াল তুলে বসেন, তখন কোনো সভ্য দেশের আদালত সেটাকে আপনার 'প্রপার্টি রাইট' হিসেবে প্রটেকশন দেবে না। আদালত বলবে, আপনি আপনার অধিকারকে অন্যকে আঘাত করার 'অস্ত্র' হিসেবে ব্যবহার করেছেন। [২]
.
জবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যখন নিজেদের টাকায় গরু কিনলো, তাদের উদ্দেশ্য ছিল উৎসব করা এবং সবাই মিলে খাওয়া। এটি একটি স্বাভাবিক কাজ। কিন্তু ক্যাম্পাসে শুকর কাটার দাবিটা ক্ষুধা নিবারণ বা উৎসব করার জায়গা থেকে আসেনি; এর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো সংখ্যাগরিষ্ঠের সেন্টিমেন্টে আঘাত করা এবং একটি প্রতিষ্ঠিত কালচারাল প্র্যাকটিসকে রেডিকিউল করা।
সমান অধিকারের দোহাই দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য নর্মসকে চ্যালেঞ্জ করা বা বাধা দেওয়া - এই স্পৃহা আদতে একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উসকানি ছাড়া আর কিছুই নয়। অনেক সেক্যুলার আইনেই নগ্নতা আপনার অধিকার হতে পারে, কিন্তু আপনি চাইলেই আপনার ইচ্ছেমতো রাস্তাঘাটে বা যেকোনো জায়গায় সেই রাইট এক্সারসাইজ করতে পারবেন না। কারণ তখন সেটি অন্যের স্বাভাবিক স্পেস বা পাবলিক নর্মসকে বিঘ্নিত করার পর্যায়ে পড়ে।
ক্যাম্পাসে গরুর কারণে যদি শূকর কাটার দাবি যৌক্তিক হয় তবে, এই একই দাবী বাংলাদেশের হাট বাজারে অবস্থিত প্রতিটি গরুর গোশতের দোকানের জন্য একটি করে শুকর কাটার জায়গা দাবী করতেই হবে। যদি যৌক্তিক ভাবে এই দাবী না করা যায় বা এই দাবী না টিকে তখনই প্রমানিত হয় - ভার্সিটি পরিমন্ডলে গরুর বদলে শুকরের দাবিটি আসলে কতই না মিসকিন!
.
What it really means: সেক্যুলারদের এই আর্গুমেন্টের মূল লক্ষ্য কখনোই 'সমান অধিকার' নিশ্চিত করা নয়। তাদের আসল উদ্দেশ্য হলো মেজরিটির কালচারাল অটোনমি এবং আইডেন্টিটিকে সাইকোলজিক্যালি প্রশ্নবিদ্ধ করা। গরুর বদলে শুকর" - এটি কোনো অধিকার আদায়ের আলোচনা নয়, এটি মূলত একটি কালচারাল স্টান্টবাজি যার একমাত্র কাজ হলো সমতার মোড়কে সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত নর্মসকে চ্যালেঞ্জ করা! এবং এর কারণ -
এটি অধিকার নয়, এটি এজেন্ডা!
5 062
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক একটি ঘটনা দেশে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিজেদের টাকায় কেনা গরু দিয়ে ক্যাম্পাসে গণভোজের আয়োজন, এবং এর পাল্টা জবাব হিসেবে একটি নির্দিষ্ট সেক্যুলার মহল থেকে আসা চটকদার যুক্তি - "ক্যাম্পাসে গরু জবাই গেলে সমান অধিকারের ভিত্তিতে শুকরও কাটা যেতে পারে"।
যুক্তিটা শুনতে প্রথম ধাক্কায় বেশ লাগে, মনে হয় যেন বেশ একটা 'Equal Rights' বা সমান অধিকারের আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু এই তথাকথিত লজিকের গভীরে একটু তাকালেই বোঝা যায়, এর পুরোটাই আসলে একটা স্টান্টবাজি।
5 062
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক একটি ঘটনা দেশে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিজেদের টাকায় কেনা গরু দিয়ে ক্যাম্পাসে গণভোজের আয়োজন, এবং এর পাল্টা জবাব হিসেবে একটি নির্দিষ্ট সেক্যুলার মহল থেকে আসা চটকদার যুক্তি - "ক্যাম্পাসে গরু জবাই গেলে সমান অধিকারের ভিত্তিতে শুকরও কাটা যেতে পারে"।
যুক্তিটা শুনতে প্রথম ধাক্কায় বেশ লাগে,
5 062
বিci নিয়ে বাণিজ্য করা, বিciমিন কিংবা বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বে-আইনি, বিকৃত সমকামিতার মত বিষয়কে ‘অন্তর্ভুক্তি মূলক’ জার্গন ব্যবহার করে সোচ্চার হওয়া জোনায়েদ সাকি গার্মেন্টস কর্মী সুমি আক্তারের মর্মান্তিক ঘটনা নিয়ে কোন আওয়াজ করেন নি - কেন? অথচ তিনি নিজেকে জাহির করেন শ্রমিক অধিকার নিয়ে সোচ্চার হিসেবে।
5 062
ব্যাক্তি সালমান মুক্তাদিরের মৌলিক নীতি, বিশ্বাস, আদর্শ, জীবনদর্শন এবং জীবনযাপন পদ্ধতির সাথে আমাদের দুরত্ব অনেক তবে সুনির্দিষ্ট ভাবে সালমান যে প্রশ্নটি রাষ্ট্র কাঠামোর সামনে রেখেছেন তা কেবল সালমানের একার কথা নয় বরং বাংলাদেশের নাম না জানা লক্ষ, লক্ষ নাগরিকের অব্যক্ত কথা!
এই আলোকপাত কেবল আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কথা নয় বরং ইসলাম’ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় এই নীতিকেই প্রতিষ্ঠিত করেছে। ইসলামে নাগরিকের নিরাপত্তা কোনো ঐচ্ছিক বিষয় বা করুণা নয়, বরং তা শাসকের ওপর সরাসরি আল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া এক আমানত।
রাসূলুল্লাহ ﷺ নেতৃত্বের এই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ব্যাপারে বলে গেছেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন-
“সাবধান! তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের ব্যাপারে জবাবদিহি করতে হবে। একজন শাসক তার জনগণের অভিভাবক, তাকে তার প্রজাদের ব্যাপারে জবাবদিহি করতে হবে...”
— (সহীহ বুখারী: ৭১৩৮)
.
ইসলামের ইতিহাসে খলিফাদের শাসনকাল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, নাগরিকের দায়ভার তাঁরা কীভাবে নিজেদের কাঁধে তুলে নিতেন। আমিরুল মুমিনীন হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু রাতে ছদ্মবেশে মদিনার অলিতে-গলিতে ঘুরে বেড়াতেন এই ভয়ে যে কোনো নাগরিক কষ্টে আছে কি না। তাঁর সেই ঐতিহাসিক বাক্য আজও আমাদের জন্য রাষ্ট্র নেতাদের মুল্যায়ন প্রসঙ্গে প্রাসঙ্গিকঃ
“ফোরাত নদীর তীরে যদি একটি কুকুরও পথ হারিয়ে বা না খেয়ে মারা যায়, তবে আমি উমর ভয় পাই—কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা আমাকেই তার জন্য কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে জবাবদিহি চাইবেন।”
জনগণের কষ্টকে নিজের কষ্ট মনে করার অনন্য দৃষ্টান্ত গড়েছিলেন তিনি। দুর্ভিক্ষের বছর মদিনার মানুষ যখন অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছিল, তখন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ঘি ও গোশত খাওয়া সম্পূর্ণ বর্জন করেন। তিনি বলেছিলেন, "যতক্ষণ না অন্য মুসলিমরা পেট ভরে খেতে পারছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি কীভাবে সুস্বাদু খাবার গ্রহণ করতে পারি?" একজন শাসকের মানসিকতা এমন ছিল বলেই কোনো নাগরিককে নিজের অধিকার চাইতে গিয়ে ক্ষমতার দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়নি।
.
এমনকি অমুসলিম নাগরিকদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও ইসলামের ইনসাফ ছিল নজিরবিহীন! খলিফা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর আমলে রোমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় মুসলিম সেনাপতি আবু উবাইদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তাঁর বাহিনী সহ খালিদ উবনুল ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে মূল বাহিনীতে যোগ দিতে বলা হয়। আবু উবাইদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন বুঝতে পারলেন - এখান থেকে মুসলিম বাহিনী চলে গেলে সম্ভাব্য কোন আক্রমন থেকে হিমসবাসীদের তারা রক্ষা করতে পারবেন না, তখন তিনি অমুসলিম নাগরিকদের থেকে নেওয়া পুরো জিজিয়া ফেরত দিয়ে দেন।
মুসলিম বাহিনীর বার্তা ছিল: “আমরা আপনাদের রক্ষার বিনিময়ে জিজিয়া নিয়েছিলাম। যেহেতু এখন আপনাদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে পারছি না, তাই আপনাদের এই অর্থ আমাদের কাছে রাখার কোনো অধিকার আমাদের নেই।”
যেখানে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলে জিজিয়া পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হতো, সেখানে আজ নাগরিকের ওপর প্রকাশ্যে জুলুম হওয়ার পরও রাষ্ট্রযন্ত্র যখন বিভিন্ন ফিরিস্তি, বয়ান সামনে নিয়ে আসে তখন কেবলমাত্র সেটিই নতুন আরেক জুলুম!
.
রামিশা ইস্যু নিয়ে এক মাসের মধ্যে যে বিচার নিশ্চিত হবে এমন আশ্বাস এসেছিল সেই “আশ্বাস“ বাস্তবায়ন অবশ্যই হয়নি এবং এর’ই মাঝে আরো অনেক রামিশার জীবন শেষ হয়ে গেছে!
লক্ষ্য করুন, আমরা এগুলোই আমাদের জীবনের নিউ নরমাল হিসেবে মেনে নেই, ইস্যু আসলে সরব হই, এরপরে আবার আগের “নরমালে” ফিরে যাই, আমাদের এই মানসিকতা রাষ্ট্র খুব ভালো ভাবেই জানে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব অবশ্যই আছে, তবে সেই দায়িত্বের ব্যাপারে রাষ্ট্রের অবহেলা আমাদের দায়িত্ব নাই করে দেয় না!
.
ইসলাম বলে, ক্ষমতা কোনো ভোগের বস্তু নয়, ক্ষমতা হলো চরম জবাবদিহিতা। অপরাধীর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রই হবে তার বিরুদ্ধে প্রধান বাদী, মাজলুমের হয়ে ইনসাফ এবং বিচার নিশ্চিত করাই হবে রাষ্ট্রের মূল কাজ।
ইসলাম এটাও বলে, নায্য অধিকার আদায় করে নেয়া বা জুলুম প্রতিহত করা, জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলা কোন অপশন নয় বরং দায়িত্ব, আল্লাহর স্পষ্ট আদেশ!
এ ব্যাপারে আপনারা কী ভাবছেন?
5 062
নিরাপত্তা - নাগরিকের অধিকার, রাষ্ট্রের অনুগ্রহ নয়!
–
সম্প্রতি নিজের স্টুডিওতে সন্ত্রাসী হামলার পর কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির অত্যন্ত বাস্তবমুখী একটি প্রসঙ্গ এনেছেন এবং তার প্রসঙ্গের যৌক্তিকতা নিয়ে সাধারণ জনগণ সরব হয়েছেন কারণ বিষয়টি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। সালমান মুক্তাদির তার অবস্থান থেকে কোন কথা বললে তা যেভাবে মিডিয়া কাভারেজ পায়, বাংলাদেশের লক্ষ-কোটি সাধারণ জনগণের সে সুবিধা নেই। এজন্য সালমানের কথা যেন তাদেরই কথা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সালমানের বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তু ছিল — নাগরিকের জান-মালের নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের প্রাথমিক দায়িত্ব, একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মূল কাজই তো দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এই নিশ্চিত করা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিংবা প্রশাসন ব্যবস্থা কতটুকু রেডি? তাদের ইন্টেন্ট/সদিচ্ছা কতটুকু রেডি?
কথিত “গণতান্ত্রিক” এই রাষ্ট্র কি - নাগরিক ফার্স্ট নীতিতে চলে? নাকি আড়ালে রয়েছে প্রথাগত গৎবাঁধা পলিটিক্স ফার্স্ট নীতি?
5 062
দুনিয়াতে জালিমের পরিণতি দেখতে পাওয়া, আল্লাহর পক্ষ থেকে মাজলুমের জন্য অন্তরের এক প্রশান্তি!
5 062
গাজায় হাজার হাজার নিষ্পাপ শিশুর রক্ত, চোখের সামনে ঘটে যাচ্ছে জেনোসাইড! আর সেই জেনোসাইডের মূল শয়তান নেতানিয়াহু কিনা বুক ফুলিয়ে স্পিচ দিচ্ছে খোদ UN-এর মঞ্চে!
যে জাতিসংঘের জন্মই হয়েছিল এই ধরনের জঘন্য গণহত্যা ঠেকানোর জন্য, তারা আজ নির্লজ্জের মতো গণহত্যার জন্য দায়ীদের স্পেস দিচ্ছে!
মঞ্চে দাঁড়িয়ে 'বিপার' হামলার প্রচ্ছন্ন থ্রেট দিচ্ছে নেতানিয়াহু, আর তার অ্যাটাশে ঘুরে ঘুরে সবার নাম নোট করছে! কে শুনছে, কে শুনছে না— লিটারেলি ওপেন থ্রেট দেওয়ার ভাইব!
তবে সবচেয়ে আইকনিক দৃশ্য কোনটা জানেন? অভিশপ্ত বানর/শূকরের ভাই যখন স্পিচ দিচ্ছে, তার প্রতিবাদে একের পর এক দেশের প্রতিনিধিরা ওয়াকআউট করে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। আর সেখানে প্রায় ফাঁকা হলে বসে একা নির্লজ্জের মতো হাততালি দিচ্ছে তার বউ!
পুরো ঘটনার সামারি করলে দিনশেষে একটাই লাইন মাথায় আসে:
শয়তান কথা বলে, বউ তালি বাজায় আর ইউ এন এই আয়োজনের স্পন্সর!
𝐃𝐞𝐯𝐢𝐥 𝐭𝐚𝐥𝐤𝐬, 𝐰𝐢𝐟𝐞 𝐜𝐥𝐚𝐩𝐬 - 𝐔𝐍 𝐬𝐩𝐨𝐧𝐬𝐨𝐫𝐬!
5 062
ভিডিওটি কেমন লাগলো আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন, শেয়ার করুন, বন্ধুদের সাথে ট্যাগ করুন।
5 062
সাবেক চীফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম পোস্ট করেছেন - “আওয়ামী আমলের “রডের বদলে বাঁশ/ কঞ্চি” পদ্ধতি এখনো চালু!? এতো রক্ত দিয়ে ফ্যাসিস্ট হটিয়ে অর্জন কি তাহলে?“
অর্জনের প্রশ্নটিই ভুল, কারণ অবশ্যই ফ্যাসিস্ট পালিয়ে গেছে কিন্তু কারখানা রয়ে গেছে। So the question is a fantasy! কখনো এই প্রশ্নগুলো আমাদের সস্তা সুখ দেয়- “দ্যাখো এই যে আমরা… বেশ গভীর সব প্রশ্ন-ট্রশ্ন করতে পারছি”। যেমন মনে করা যাক- “ফ্যাসিস্ট হটিয়ে অর্জন কি?”
এটি কেমন বিলাসিতা আমরা বুঝে উঠতে পারিনা, ফ্যাসিস্ট যে সিস্টেম থেকে তৈরি হয় সেই সিস্টেম ইন্ট্যাক্ট রেখে- অর্জন নিয়ে প্রশ্ন করার অর্থ কি?
এই প্রশ্ন-গুলো সাময়িক কিছু মেকি সুখ হয়ত দিতে পারে, কিন্তু বাস্তবতার ক্ষেত্রে তা কচুপাতার উপরে বৃষ্টির পানি!
5 062
So your job is to "condenm" only! and by the way - since when the role has been changed from sanction to "condenm"?
5 062
রেফারেন্সঃ
[১] "The Terrible Costs of a Phone-Based Childhood" — Jonathan Haidt, The Atlantic, March 13, 2024.
https://www.theatlantic.com/technology/archive/2024/03/teen-childhood-smartphone-use-mental-health-effects/677722/
[২] "Teens and Pornography" — Robb, M.B., & Mann, S. (2023), Common Sense Media National Survey Report.
https://www.commonsensemedia.org/sites/default/files/research/report/2022-teens-and-pornography-final-web.pdf
[৩] Quran.com
https://quran.com/an-nur/30-31
[৪] "Extramarital relationships are main reason for divorce" — Prothom Alo (English), Feb 9, 2024, citing Bangladesh Sample Vital Statistics-2022 (BBS). https://en.prothomalo.com/bangladesh/bi48k3yakr
[৫] Quran.com https://quran.com/ar-rum/21
[৬] Quran.com https://quran.com/al-araf/80-84
[৭] "Ibn Khaldun on Luxury and the Destruction of Civilizations" — Fountain Magazine, Issue 117, May-June 2017. https://fountainmagazine.com/all-issues/2017/issue-117-may-june-2017/ibn-khaldun-on-luxury-and-the-destruction-of-civilizations/
[৮] "Elite Sex Trafficking as a Crime of the Powerful: A Comparative Case Study of Jeffrey Epstein and Peter Nygard's Alleged Trafficking Enterprises" — Thomas Volscho, Deviant Behavior (CUNY), 2025. http://files.commons.gc.cuny.edu.s3.amazonaws.com/wp-content/blogs.dir/14913/files/2025/07/Corrected-Proof-Volscho-2025-Deviant-Behavior.pdf
[৯] "We Need a Politics Grounded in Human Nature to Heal Our Divisions" — Renovatio (Zaytuna College), April 1, 2026, citing Pew Research https://renovatio.zaytuna.edu/article/we-need-a-politics-grounded-in-human-nature-to-heal-our-divisions
5 062
এভাবেই ঘুরে ঘুরে রাত আসে, দিন আসে – আর আমাদের পরিবার থেকে খুবলে খুবলে তুলে নিয়ে যায় আমাদের পরিচিতি, আমাদের বিশ্বাস, আমাদের আদর্শ! এরপরে হঠাত কোন এক রাতে আমরা খুঁজে ফিরি আমি কে? কি আমার পরিচিতি? কি আমাদের উদ্দেশ্য? গভীর রাত স্ক্রিনের নীল আলো ব্যতিত আর কোন উত্তর দিতে পারেনা!
.
প্রশ্নটা তাই সহজ, কিন্তু ভয়ংকর! আমরা কি ফিতরাতের দিকে ফিরব, নাকি স্রোতে ভেসে যাবো? স্রোত যেন একটা শূন্যতা, যা আমাদের হতাশার কোন উত্তর দেয়না বরং জোর করে মুখটা স্ক্রীনে ডুবিয়ে দেয়, আর ভুলিয়ে দেয় - আমি কে?
