Hidayat-হিদায়েত
رفتن به کانال در Telegram
6 582
مشترکین
-524 ساعت
-207 روز
-5330 روز
در حال بارگذاری دادهها
کانالهای مشابه
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
اکتبر '26اکتبر '26
اکتبر '26
+41
در 1 کانالها
سپتامبر '26
+62
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '26
+58
در 1 کانالها
Get PRO
ژوئیه '26
+76
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '26
+118
در 0 کانالها
Get PRO
مه '26
+127
در 1 کانالها
Get PRO
آوریل '26
+169
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '26
+137
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '26
+249
در 1 کانالها
Get PRO
ژانویه '26
+102
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '25
+138
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '25
+205
در 1 کانالها
Get PRO
اکتبر '25
+257
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '25
+283
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '25
+468
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '25
+350
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '25
+162
در 0 کانالها
Get PRO
مه '25
+145
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '25
+250
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '25
+761
در 1 کانالها
Get PRO
فوریه '25
+257
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '25
+286
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '24
+405
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '24
+195
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+331
در 1 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+640
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '24
+2 236
در 1 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 21 اکتبر | 0 | |||
| 20 اکتبر | +1 | |||
| 19 اکتبر | +2 | |||
| 18 اکتبر | +5 | |||
| 17 اکتبر | +2 | |||
| 16 اکتبر | +2 | |||
| 15 اکتبر | 0 | |||
| 14 اکتبر | +2 | |||
| 13 اکتبر | +2 | |||
| 12 اکتبر | +1 | |||
| 11 اکتبر | +2 | |||
| 10 اکتبر | +2 | |||
| 09 اکتبر | 0 | |||
| 08 اکتبر | +4 | |||
| 07 اکتبر | +2 | |||
| 06 اکتبر | +5 | |||
| 05 اکتبر | +3 | |||
| 04 اکتبر | +3 | |||
| 03 اکتبر | +1 | |||
| 02 اکتبر | +2 | |||
| 01 اکتبر | 0 |
پستهای کانال
| 2 | একদম! | 126 |
| 3 | নির্বোধ মুসলিম!
কোরবানির মাংস রান্না করে তুমি কী প্রতিবেশী হেদুদের ঘরে পাঠাও?
তখন ঠিকই তোমার বিবেকে বাধে কুরবানী তো তাদের উৎসব না।
তুমি কী কখনো দেখেছো কোনো হেদু দাঁড়িয়ে থেকে কুরবানীর গরু জ°বাই উপভোগ করেছে?
কখনো কী তুমি বলেছো আমার ইফতার উৎসবে তুমি আসো?
তখন ঠিকই তোমার ঘিলু কাজ করে৷
আর শি'রকের উৎসবে তুমি হয়ে উঠো একটা চিন্তাগত মু-শ্রিক৷
এখন তোমার ঘিলুও নাই,মাথাও নাই। তুমি একটা অপদার্থ বনমানুষ। | 197 |
| 4 | সূরা কাফিরুন! 🔥 | 222 |
| 5 | প্রথম বেতন হাতে পাওয়ার সময় আমার বয়স ছিল তেইশ বছর। বাবা আমাকে বললেন, “প্রতি মাসে আমাকে একশ টাকা করে পাঠাবে।” আমি বললাম, “কেন, বাবা?”
তিনি বললেন, “তোমাকে মানুষ করার খরচ।”
আমি হাসলাম। কিন্তু বাবা হাসলেন না।
সেই দিন থেকে প্রতি মাসের সাতাশ তারিখে, বেতন জমা হওয়ার পর, আমি বাবাকে একশ টাকা পাঠাই। আর টাকা পাঠানোর সময় বিবরণে লিখি—‘প্রতিপালনের মূল্য’।
প্রতিবার বাবা উত্তর দেন, “পেয়েছি। আল্লাহ তোমার রিজিকে বরকত দিন।”
এর বেশি একটি কথাও বলেন না।
অবিবাহিত থাকাকালেও টাকা পাঠিয়েছি। বিয়ের মাসেও পাঠিয়েছি, যখন ঋণের বোঝায় আমি জর্জরিত। আমার ছেলের জন্মের মাসেও পাঠিয়েছি—যে মাসে আমার ব্যাংক হিসাবে অবশিষ্ট ছিল মাত্র একশ চল্লিশ টাকা।
আমার স্ত্রী ও বন্ধুরা প্রায়ই জিজ্ঞেস করত, বাবা এই একশ টাকা দিয়ে কী করেন?
আমি বলতাম, “বাবা এমনই। তাঁর কিছু নিজস্ব স্বভাব আছে।”
একবার টাকা পাঠাতে এক দিন দেরি হয়ে গেল। পরদিন সকাল সাতটায় বাবা ফোন করে বললেন, “তোমার কোনো বিপদ হয়নি তো?”
আমি হেসে হেসে টাকা পাঠালাম আর মনে মনে বললাম, লোকটা টাকাপয়সার ব্যাপারে সত্যিই ভীষণ হিসাবি!
এভাবে বারো বছর কেটে গেল।
তিন মাস আগে কোম্পানি আমাকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করল। কাউকে জানালাম না, এমনকি স্ত্রীকেও নয়।
প্রতিদিন সকাল সাতটায় পোশাক পরে বাড়ি থেকে বের হতাম। দুপুর পর্যন্ত একটি ক্যাফের কাছে গাড়িতে বসে থাকতাম। তারপর এমনভাবে বাড়ি ফিরতাম, যেন অফিস থেকে ফিরছি।
একদিন সাতাশ তারিখ এল। কিন্তু সেদিন বেতন জমা হলো না।
বারো বছরের মধ্যে এই প্রথম বাবাকে কিছু পাঠাতে পারলাম না।
রাতের খাবারের পর ফোন বেজে উঠল। বাবা ফোন করেছেন।
তিনি বললেন, “আমার কাছে তো কিছু এসে পৌঁছায়নি।”
আমি বললাম, “ভুলে গেছি, বাবা। ইনশা আল্লাহ, কাল পাঠিয়ে দেব।”
কিছুক্ষণ নীরব থেকে বাবা বললেন, “এখনই চলে এসো। আমি অপেক্ষা করছি।”
বাবার বৈঠকখানায় ঢুকে দেখলাম, তিনি বসে আছেন। সামনে একটি পুরোনো খাতা আর একটি খাম।
তিনি খাতাটি আমার হাতে দিয়ে বললেন, “খোলো।”
খাতার প্রতিটি লাইনে একটি তারিখ, একশ টাকার হিসাব আর আমার নাম লেখা। আর প্রতিটি হিসাবের পাশে উল্লেখ করা—টাকাটি কোথায় ব্যয় করা হয়েছে।
কোথাও লেখা, ‘এতিমের ভরণপোষণ’; কোথাও, ‘রমজানের খাদ্যসামগ্রী’; আবার কোথাও, ‘শ্রমিকদের পানির ব্যবস্থা’।
এভাবে মোট একশ চুয়াল্লিশটি হিসাব।
বাবা বললেন, “তোমার পাঠানো একটি টাকাও আমার পকেটে ঢোকেনি।”
এরপর তিনি আমাকে একটি পানির কুলারের ছবি দেখালেন। একটি মসজিদের পাশে স্থাপন করা হয়েছে সেটি। কুলারের গায়ে ছোট্ট একটি ফলকে লেখা—
‘আমার সন্তানের পক্ষ থেকে সদকা। আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন।’
আমি সঙ্গে সঙ্গে চিনতে পারলাম।
এ তো সেই পানির কুলার, যেখান থেকে আমি প্রতিদিন দুপুরে পানি পান করতাম!
কত বছর ধরে বাবার পক্ষ থেকে আমার নামে করা সদকার পানি পান করে এসেছি, অথচ কিছুই জানতাম না।
এরপর বাবা খামটি আমার হাতে দিলেন।
খাম খুলে দেখি, তার ভেতরে বাহাত্তর হাজার টাকা।
বাবা বললেন, “তোমার প্রথম বেতন পাওয়ার পর থেকেই প্রতি মাসে আমি এখানে পাঁচশ টাকা করে জমিয়েছি। মনে মনে ভাবতাম, একদিন এমন সময় আসবে, যেদিন তুমি আমাকে টাকা পাঠাতে পারবে না। আর সেদিন তোমার আমার সাহায্যের প্রয়োজন হবে।”
আমি কোনো কথা বলতে পারলাম না।
বাবা বললেন, “আমি কোনো দিনই ওই একশ টাকা চাইনি। আমি শুধু প্রতি মাসে নিশ্চিত হতে চেয়েছি যে তুমি ভালো আছ।”
দুই মাস পর আমি নতুন একটি চাকরি পেলাম।
এরপর প্রথম সাতাশ তারিখেই বাবাকে একশ টাকা পাঠালাম। বিবরণে লিখলাম—‘প্রতিপালনের মূল্য’।
বাবা উত্তর দিলেন, “পেয়েছি। আল্লাহ তোমার রিজিকে বরকত দিন।”
এক মিনিট পর তাঁর আরেকটি বার্তা এল— “এরপর থেকে আর কখনো আমার কাছে কিছু লুকাবে না।”
অনুবাদ: খালিদ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ হাফি. | 281 |
| 6 | بدون متن... | 238 |
| 7 | লাউড এন্ড ক্লিয়ার!🔥 | 273 |
| 8 | মন ভালো নেই, সংসারে মিল নেই, আমলে মতি নেই, কাজে-কর্মে আগ্রহ নেই। তাহলে নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে, আমি ‘সালাতে’ যথাযথ সময় দিতে পেরেছি?
~ শায়খ আতিক উল্লাহ (হাফি.) | 337 |
| 9 | একদম! | 340 |
| 10 | ক্লিয়ার! 🔥 | 356 |
| 11 | তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন
আমাদের জন্য আমাদের দ্বীন! 🔥 | 385 |
| 12 | তিনটি নেয়ামত যে পেলো, সে দুনিয়ায় সকল নিয়ামত একসাথে পেয়ে গেলো। রাসুল ﷺ বলেন
«مَنْ أَصْبَحَ مِنْكُمْ آمِنًا فِي سِرْبِهِ مُعَافًى فِي جَسَدِهِ عِنْدَهُ قُوتُ يَوْمِهِ فَكَأَنَّمَا حِيزَتْ لَهُ الدُّنْيَا
তোমাদের মধ্যে যে সকাল অতিক্রম করবে এমতাবস্থায়:
শারীরিকভাবে সুস্থ, পরিবার নিয়ে নিরাপদ, একদিনের প্রয়োজনীয় খাবার আছে।তাহলে সে পুরো দুনিয়ায় সকল নেয়ামত একসাথে পেয়ে গেলো। (তিরমিযি:২৩৪৯)
আলহামদুলিল্লাহ! | 396 |
| 13 | আল্লাহুম্মাগফিরলী💔 | 399 |
| 14 | আজ রাস্তা ধরে আসার সময় অনেকগুলো পূজামণ্ডপ চোখে পড়ল। যারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঢোলের বাদ্য ও পূজার মন্ত্রপাঠ শুনছে, বেশিরভাগই মনে হলো মুসলিম ঘরের। কিভাবে যেন তাদের কাছে শির্কটাও চরম উপভোগ্য হয়ে উঠেছে!!!
.
শির্কের মতো গর্হিত অপরাধকে উপভোগ্য মনে করার পরেও আমাদেরকে যে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে না, এটা নিতান্তই আল্লাহর করুণা। হে আল্লাহ, এই জনপদকে তুমি সুমতি দাও, ক্ষমা করো।
- জাকারিয়া মাসুদ (হাফি.) | 395 |
| 15 | রঠার গ্রাফিতি তে কালো দাগের প্রতিবাদে সমস্ত রাম-বাম জেগে উঠলেও।
আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইজ্জতের ব্যাপারে কেউ কথা বলে না৷
এত লেখক,এত বই,এত সীরাহ দরদ। সব গুলোই নিফাকীর চাদরে আবৃত হয়ে আছে৷
সাহাবারা জীবিত আছে আর কেউ আল্লাহর রাসূলের শানে বেয়াদবি করবে সেই ক্ষমতা কারো ছিলো না।
এই উম্মাহ আজ মৌখিক প্রতিবাদ টাও করছে না৷
আল ইন্তিফাদা | 382 |
| 16 | সত্যিকারের গায়রতবান পুরুষ,
ফেসবুকে মেয়েদেরকে খুঁজে খুঁজে ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠায় না! | 360 |
| 17 | নির্জনতা কতই না সুন্দর! এর মাধ্যমে মানুষ গীবত, লোক দেখানো, রিয়া বা প্রদর্শনেচ্ছার ক্ষতি, অন্তরের গোপন বিদ্বেষ এবং সময়ের অপচয় থেকে নিরাপদ থাকতে পারে।
মানুষের সঙ্গে অতিরিক্ত মেলামেশার যে মানসিক চাপ, তা থেকে হৃদয় মুক্ত থাকে। ফলে মানুষ তার দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য যা প্রয়োজন, সেদিকে মনোযোগ দিতে পারে।
— ইমাম ইবনুল জাওযী (রহ.)
[সূত্র : সাইদুল খাতির, ৫৮১/৮২] | 414 |
| 18 | সুবহানাল্লাহ! 🔥
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 🤍 | 416 |
| 19 | হারাম রিজিক ঘরে ঢুকলে– ঘরের বাতাস বদলে যায়, নামাজ ভারী লাগে, কুরআন দূরে সরে যায়, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া বাড়ে, সন্তান বেয়াড়া হয়।
হারাম কখনো একা আসে না।
— শায়খ উসামা আল-শুরাফা | 403 |
| 20 | অমুসলিমদের পূজা-পার্বণ উপলক্ষে একজন মুমিন যা করতে পারে না—
১) অমুসলিমদের পূজা-পার্বণে আনন্দিত হতে পারে না।
২) শুভেচ্ছা, অভিনন্দন জানাতে পারে না। চিঠি, বার্তা বা উইশ পাঠিয়ে তাদের আনন্দিত করতে পারে না।
৩) কোনোরূপ সমর্থন, সহযোগিতা করতে পারে না।
৪) টাকা-পয়সা বা কোনো কিছু দান করতে পারে না। এমনকি পূজার কাজে এক টাকাও দান করাও গুনাহ। তবে আর্তমানবিক সাহায্য দিতে কোনো অসুবিধা নেই।
৫) শুধু পূজার কাজে ব্যবহৃত হয়, এমন জিনিস যোগান বা বিক্রি করতে পারে না। যেমন : পূজা উপলক্ষে আতশবাজির দোকান খোলা বা বিক্রি করা ইত্যাদি।
৬) প্রতিমা তৈরি বা বিক্রি করতে পারে না।
৭) পূজামণ্ডপ তৈরি, ডেকারেশন ইত্যাদি করতে পারে না। এগুলোতে শ্রমিক হিসাবে কাজ করতে পারে না।
৮) পূজা-অনুষ্ঠান উপভোগ করার জন্য দেখতে যেতে পারবে না।
৯) পূজানুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারে না।
১০) তাদের অনুকরণে নিজেরাও কোনো কাজ করতে পারবে না। যেমন : ফটকা ফুটানো, আতশবাজি করা, রংছিটানো, তাদের সৌজন্যে নতুন জামা-কাপড় পরা ইত্যাদি।
১১) তাদের নিমন্ত্রণ গ্রহণ করা যাবে না।
১২) তাদের য*বাই করা কোনো জিনিস বিলকুল খাওয়া যাবে না।
১৩) হাতে তৈরি পিঠা-পায়েশ ও অন্যান্য জিনিসও পরিহার করা উচিত। যদিও এগুলো হারাম নয়, তথাপি যেহেতু দেবদেবীর পাদপ্রান্তে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এগুলো তৈরি করা হয়, সেহেতু তা পরিহার করা জরুরী।
১৪) মুসলিম ব্যবসায়ী পূজা উপলক্ষে তাদের সৌজন্যে বিশেষ ছাড় বা অফার ঘোষণা করতে পারে না। বরং, ইসলামের প্রতি আগ্রহসৃষ্টির জন্য এসব ছাড় ও অফারের ঘোষণা ঈদ, রমাযান ও অন্য কোনো উপলক্ষে করতে পারে।
১৫) মুসলিম কর্মচারী বা লেবার তার অমুসলিম মালিক পক্ষের পূজার কাজে সহযোগিতা করতে পারে না। যেমন : পূজার ফুল পানি এগিয়ে দেওয়া, সান্ধ্যবাতি বা ধোনি দেওয়া ইত্যাদি।
উপরোক্ত বিষয়গুলোর কোনো কোনোটি দ্বারা ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে এবং মু'শরিক হয়ে যাবে। আর কোনো কোনোটি হারাম ও কবীরা গোনাহ। কোনোটি মাকরূহ ও নিন্দনীয়। আত্মমর্যাদাবান কোনো মুমিন এগুলোতে জড়াতে পারে না। বরং এসব কু*ফরী-শি'রকী কর্মকাণ্ডের প্রতি থাকবে তার প্রচণ্ড ঘৃণাবোধ। পাশাপাশি ওসব মু'শরিকদের প্রতি থাকবে দাঈসুলভ করুণা ও দরদ, যা তাদেরকে শিরকমুক্ত করার চেষ্টা সাধনা করতে মুসলিমকে উদ্বুদ্ধ করবে।
কা*ফির-মু'শরিকদের ধর্মীয় আচার ও পূজা-পার্বনের ব্যাপারে আমাদের অবস্থান হবে ঠিক হযরত ইবরাহীম (আ)- এর অনুরূপ। তিনি একদিকে তাদের কর্মকাণ্ডের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করেছেন, তাদের সাথে ধর্মীয় সস্পর্ক প্রকাশ্য ছিন্ন করেছেন, অপরদিকে তাদেরকে তাওহীদের দাওয়াত দেওয়ার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করেছেন এবং তাদেরকে শিরকমুক্ত করার জন্য ব্যাকুল ছিলেন।
মুসলিম তার ঈমান ইসলামের ওপর অটল অবিচল থাকতে হলে এ ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ করতে হবে। একদিকে থাকবে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ঈমান ও আস্থা, অপরদিতে তা*গুত ও দেবদেবীর প্রতি থাকবে প্রচণ্ড ঘৃণা ও ধর্মবিশ্বাসের প্রতি অস্বীকৃতি। কা*ফেরদের সাথে ধর্মগত সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে পরিপূর্ণভাবে। এটি মুমিনকে ঈমানী অবিচলতা দান করবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তা'আলা বলেন :
لَاۤ اِکۡرَاہَ فِی الدِّیۡنِ ۟ۙ قَدۡ تَّبَیَّنَ الرُّشۡدُ مِنَ الۡغَیِّ ۚ فَمَنۡ یَّکۡفُرۡ بِالطَّاغُوۡتِ وَ یُؤۡمِنۡۢ بِاللّٰہِ فَقَدِ اسۡتَمۡسَکَ بِالۡعُرۡوَۃِ الۡوُثۡقٰی ٭ لَا انۡفِصَامَ لَہَا ؕ وَ اللّٰہُ سَمِیۡعٌ عَلِیۡمٌ ﴿۲۵۶﴾
“দ্বীন গ্রহণের ব্যাপারে কোন জোর-জবরদস্তি নেই; সত্য পথ সুস্পষ্ট হয়েছে ভ্রান্ত পথ থেকে। অতএব, যে তা*গূতকে অস্বীকার করবে ও আল্লাহ্র উপর ঈমান আনবে, সে এমন এক দৃঢ়তর রজ্জু ধারন করল যা কখনো বিচ্ছিন্ন হবে না। আর আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।” (সূরা বাকারা, আয়াত : ২৫৬)
উল্লেখ্য, কোনো মুমিনের পক্ষে যেমন বিধর্মীদের উপরোক্ত কাজগুলোতে জড়ানো সম্ভব নয়, তেমনি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অনুমতিপ্রাপ্ত এসব কা*ফিরদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অহেতুক হা'মলা বা আ'ক্রমণ করাও উচিত নয়। ঈমানী নিরাপত্তার স্বার্থে যেমন প্রথমোক্ত বিষয়গুলো থেকে আমরা সর্বাত্মক আত্মরক্ষার চেষ্টা করবো, তেমনি জানমাল ও সামাজিক নিরাপত্তার স্বার্থে দ্বিতীয়টি থেকেও বিরত থাকবো। আল্লাহই একমাত্র তাওফীকদাতা।
লেখা : সাইফুদ্দিন গাজী (হাফি.) | 441 |
