দ্বীনি-Mohol
'আলো, ছড়াই দ্বীনের পথে... আমাদের ফেইসবুক পেজ লিংক: www.facebook.com/DeeniMohol67
نمایش بیشتر📈 تحلیل کانال تلگرام দ্বীনি-Mohol
کانال দ্বীনি-Mohol (@deenimohol67) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 10 253 مشترک است و جایگاه 8 997 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 330 را در منطقه بنغلاديش دارد.
📊 شاخصهای مخاطب و پویایی
از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 10 253 مشترک جذب کرده است.
بر اساس آخرین دادهها در تاریخ 19 اکتبر, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 11 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -2 بوده و همچنان دسترسی گستردهای حفظ شده است.
- وضعیت تأیید: تأیید نشده
- نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 7.09% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 3.45% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب میکند.
- دسترسی پستها: هر پست به طور میانگین 727 بازدید دریافت میکند. در اولین روز معمولاً 354 بازدید جمعآوری میشود.
- واکنشها و تعامل: مخاطبان بهطور فعال حمایت میکنند؛ میانگین واکنش به هر پست 17 است.
📝 توضیح و سیاست محتوایی
نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاههای شخصی توصیف میکند:
“'আলো, ছড়াই দ্বীনের পথে...
আমাদের ফেইসবুক পেজ লিংক: www.facebook.com/DeeniMohol67”
به لطف بهروزرسانیهای پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 20 اکتبر, 2026)، کانال همواره بهروز و دارای دسترسی بالاست. تحلیلها نشان میدهد مخاطبان بهطور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کردهاند.
در حال بارگذاری دادهها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 20 اکتبر | +4 | |||
| 19 اکتبر | +1 | |||
| 18 اکتبر | 0 | |||
| 17 اکتبر | +6 | |||
| 16 اکتبر | +5 | |||
| 15 اکتبر | +2 | |||
| 14 اکتبر | +2 | |||
| 13 اکتبر | +3 | |||
| 12 اکتبر | +3 | |||
| 11 اکتبر | 0 | |||
| 10 اکتبر | +4 | |||
| 09 اکتبر | +7 | |||
| 08 اکتبر | 0 | |||
| 07 اکتبر | 0 | |||
| 06 اکتبر | +4 | |||
| 05 اکتبر | +2 | |||
| 04 اکتبر | +1 | |||
| 03 اکتبر | +3 | |||
| 02 اکتبر | +5 | |||
| 01 اکتبر | +5 |
| 2 | 20261018_230406.jpg | 54 |
| 3 | "প্রতিটি জাতির হৃদপিণ্ড তরুণ প্রজন্ম। কোনো জাতিকে ধ্বংস করতে চাইলে—তাদের যুবসমাজকে বিপথগামী করাই যথেষ্ট!"
লেখক: আদিব সালেহ
বই: 'ফিতনার মোহজাল থেকে আত্মার সুরক্ষা'
@DeeniMohol67 | 165 |
| 4 | “নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের শত্রু। সুতরাং তাকে শত্রু হিসেবেই গ্রহণ করো। সে তার অনুসারীদের কেবল এ জন্যই আহ্বান করে, যাতে তারা জাহান্নামবাসী হয়ে যায়।”
📖 সূরা: ফা-ত্বির (فَاطِر)
📌 আয়াত নম্বর: ৬
🔢 সূরা নম্বর: ৩৫
@DeeniMohol67 | 222 |
| 5 | যদি আল্লাহ গুনাহগুলো প্রকাশ করে দেন!!!
•
এই চিন্তা করবেন যে, আমি যে গোপনে পর্ন-মুভি দেখি, ইউটিউবে হিন্দি ফিল্ম দেখি, ফেইসবুকে বিভিন্ন ফিল্মের রিভিউ দেখি, পরনারীর সঙ্গে চ্যাট করি- যদি আমার এ সকল গোপনকাণ্ড যারা আমাকে ভালো মানুষ মনে করে সম্মান করে, তারা জেনে ফেলে তাহলে আমার ইজ্জতের কেমন ফালুদা হবে?
•
এরপর চিন্তা করবেন- আল্লাহ তা'আলার একটা অভ্যাস আছে। তিনি প্রথম প্রথম বান্দার গুনাহ গোপন রাখেন। কেন? এ এজন্য যে, তিনি অপেক্ষা করেন, বান্দা গুনাহ করেছে গোপনে, সুতরাং আমার কাছেও মাফ চেয়ে নিবে গোপনে। আর আমিও তাকে গোপনে মাফ করে দিবো।
•
কিন্তু এরপরেও যদি বান্দা মাফ না চায়, তাওবা না করে, উপরন্ত গুনাহ-টা করেই যায় তাহলে তিনি সবটা নয়; বরং গুনাহের কিছু অংশ প্রকাশ করেন।
•
এর মাধ্যমে মূলত আল্লাহ বান্দাকে সতর্ক করতে চান যে, দেখো বান্দা! তুমি গুনাহ করেছিলে এক সাগর। আর আমি সেখান থেকে প্রকাশ করেছি মাত্র এক আঁজলা। গুনাহ করেছিলে এক পাহাড় আর বাইরে এনেছি মাত্র একটি কঙ্কর। এরপরেও তোমার ইজ্জতের কেমন ফালুদা হয়ে গেল! অথচ আমি চাইলে তো পুরাটাই প্রকাশ করে দিতে পারি।
•
এভাবে মাঝে মধ্যে চিন্তা করবেন যে, আল্লাহ যদি আমার গুনাহ প্রকাশ করে দেন। দেখবেন এই চিন্তা আপনাকে গুনাহ থেকে কিছুটা হলেও বিরত রাখবে।
খুতুবাত-১
~শাইখ উমায়ের কোব্বাদী
#deenimohol67 | 336 |
| 6 | 20261019_150447.jpg | 394 |
| 7 | দুনিয়া নামক ধোঁকা আমাকে এমন ভাবে গ্রাস করেছে, আমরা এমন ভাবে চলাফেরা করি, যেন মনে হয় আমার কখনো মৃ*ত্যুই হবে না!
কথা : সংগৃহীত
#DeeniMohol67 | 399 |
| 8 | তুমি বলে দাও,
“আমাদের জীবনে যা কিছু ঘটে, তা আল্লাহ আমাদের জন্য যা নির্ধারণ করে রেখেছেন, তার বাইরে নয়। তিনিই আমাদের অভিভাবক। আর মু'মিনদের উচিত আল্লাহর উপরই ভরসা করা।”
📖 সূরা: আত-তাওবাহ্ (التوبة)
📌 আয়াত নম্বর: ৫১
🔢 সূরা নম্বর: ৯
@DeeniMohol67 | 437 |
| 9 | এই নশ্বর পৃথিবীতে মানুষের আগমন ক্ষণস্থায়ী; সময়ের বিশাল প্রবাহে তার অস্তিত্ব কেবল এক মুহূর্তের অতিথিমাত্র। আগমনের পর মানুষ পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত হয়, পরিচয় থেকে জন্ম নেয় সখ্য, আর সেই সখ্যই একসময় গভীর সম্পর্কের ভিত্তি নির্মাণ করে। কিন্তু নিয়তির অনিবার্য বিধান একদিন সমস্ত বন্ধনকে ছিন্নভিন্ন করে দেয়; মানুষ হঠাৎ করেই অদৃশ্য হয়ে যায়, যেন কখনো ছিলই না।
এটাই দুনিয়ার চিরন্তন বিধান। এখানে কোনো সম্পর্ক স্থায়ী নয়, কোনো সান্নিধ্য চিরকালীন নয়, কোনো প্রাপ্তিই অবিনশ্বর নয়। অতএব যে হৃদয় ক্ষণস্থায়ী মানুষের ওপর নির্ভরতা নির্মাণ করে, তার জন্য বিচ্ছেদের বেদনা অবশ্যম্ভাবী।
বরং এমন এক সত্তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলুন, যিনি কখনো পরিত্যাগ করেন না, কখনো অনুপস্থিত হন না, কখনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না। আপনার সখ্যতা হোক একমাত্র রবের সঙ্গে। তখন মানুষের আগমন কিংবা প্রস্থান, প্রাপ্তি কিংবা অপ্রাপ্তি কোনোটিই আর অন্তরকে বিপর্যস্ত করতে পারবে না। কারণ যে হৃদয় আল্লাহর সান্নিধ্যে পরিপূর্ণ হয়ে যায়, তার কাছে দুনিয়ার শূন্যতাও পরিপূর্ণতারই আরেক নাম~
'কলমে: তাবাসসুম ইসলাম
#deenimohol67 | 434 |
| 10 | "পুরুষেরও পর্দা আছে।
পুরুষেরা ও দৃষ্টির হিফাযত করবে এবং শালীন পোশাক পরিধান করবে।
কিন্তু দুঃখের ব্যাপার হলো, পর্দার আয়াতে যেখানে আগে আমাদেরকে উদ্দেশ্য করেই কথা বলা হয়েছে, সেখানে আমরা পর্দার যাবতীয় হুকুম যেন নারীকুলের উপরে চাপিয়ে দিতে পারলেই বেঁচে যাই।"
লেখক: আরিফ আজাদ
বই: 'এবার ভিন্ন কিছু হোক'
অধ্যায়: গাহি নতুনের গান
#deenimohol67 | 490 |
| 11 | 20261018_192103.jpg | 498 |
| 12 | স্ত্রী গরমে ঘেমে অনেক সময় নিয়ে চা-নাশতা বানিয়ে নিয়ে এসেছে।
শ্বশুর, শাশুড়ি সবাই বসে খাচ্ছে।
স্বামী চায়ে চুমুক দিয়ে বিরক্ত হয়ে বললো,“নাহ, এখনও তুমি মায়ের মতো চা বানাতেই শিখলে না। কতবার বললাম মায়ের কাছ থেকে দেখো কতটুকু লিকার দিতে হয় শিখো।
মা! ওকে দেখিয়ে দিয়েন তো কীভাবে চা বানাতে হয়।”
—এ হচ্ছে “লুমাযাহ”।
এরা সুযোগ পেলেই মানুষের মুখের উপর তার বদনাম করে।
কারও কোনো দোষ ধরার সুযোগ পেলে সহজে ছেড়ে দেয় না।
সারাদিন একে ধমকানো, ওকে খোঁচা মারা, একে গালি দেওয়া, ওকে ব্যঙ্গ করা, এগুলো হচ্ছে এদের স্বভাব।
এদের নিজেদের দোষের কোনো শেষ নেই।
নিজের দোষ ঢাকার জন্য এরা সবসময় অন্যের দোষ নিয়ে ব্যস্ত থাকে।
এদের জিহ্বা হচ্ছে একটা “ধারালোঅস্ত্র।”
এই অস্ত্র দিয়ে সারাদিন এরা একের পর এক মানুষের হৃদয় ক্ষ"তবি'ক্ষত করতে থাকে।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
"মুসলমান সে, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে।"
[বুখারী: ১০, মুসলিম: ৪০]
আত্মীয় বেড়াতে এসেছে।
গল্প করার ফাঁকে জিজ্ঞেস করলো, “আপনার মেয়ে কেমন আছে? ওর বাচ্চাগুলো ভালো আছে?”
মা উত্তর দিলেন, “গত সপ্তাহে শুনলাম ওরা অসুস্থ। দেখি শুক্রবারে ফোন করলে বুঝতে পারবো কী অবস্থা?”
আত্মীয় অবাক হয়ে বললেন, “শুক্রবারে?
আপনার মেয়ে প্রতিদিন আপনাকে ফোন করে না?
আর আমার মেয়ে প্রতিদিন সকালে ফোন করে সবার আগে আমার খোঁজ খবর নেয়।
আপনি এত কষ্ট করে মেয়ে বড় করে বিয়ে দিলেন, আর মেয়েটা আপনাকে দিনে একটা ফোনও করতে পারে না!”
মা আমতা আমতা করে বললেন, “না, না, ব্যাপারটা আসলে সেরকম না।
ও ঘর-সংসার, চাকরি নিয়ে অনেক ব্যস্ত থাকে।
প্রতিদিন কি আর ফোনে কথা বলা যায়?”
আত্মীয় তার নিজের মেয়ের সাথে আরও কিছু তুলনা করে চলে গেলেন।
তারপর মা সারাদিন ‘বিষণ্ণতায় ভুগলেন’ আর বাবার কাছে অভিযোগ করতে থাকলেন,
“দিনে একটা ফোনও করতে পারে না! এই মেয়ের জন্য আমি রক্ত পানি করেছি?
কেন একে আমি নয় মাস পেটে ধরেছি!
নিজের বাবা-মা’র থেকে ওর সংসার আজ বেশি বড় হয়ে গেলো?”
—হ্যাঁ সেই আত্মীয় হচ্ছে “হুমাযাহ।
এরা মানুষে-মানুষে সম্পর্ক বিষিয়ে দিতে পেশাদারি দক্ষতা অর্জন করেছে।
এদের বিষাক্ত জিভের ছোবলে সুখী পরিবারের মধ্যেও মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায়।
"দুর্ভোগ প্রত্যেকের, যে পশ্চাতে ও সম্মুখে লোকের নিন্দা করে।"
[সূরা হুমাযাহ: ১]
"কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে হুতামায়।"
"আর আপনি কি জানেন হুতামা কি? তা আল্লাহর প্রজ্বলিত আগুন।"
[সূরা হুমাযাহ: ৪-৬]
রসূল ﷺ বলেছেন:
"তোমরা কি জানো গীবত কী? সাহাবীরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেন, তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছু বলা যা সে অপছন্দ করে।"
[মুসলিম: ২৫৮৯]
এবার আসুন জেনে নেই হুমাযাতিল লুমাযাহ কারা?
জি তারা হচ্ছে এমন এক ধরনের মানুষ,
১. যে অন্যকে তুচ্ছ, তাচ্ছিল্য করে।
২. মানুষের দিকে তাচ্ছিল্য ভরে আঙ্গুল দেখায়।
৩. চোখের ইশারা করে ব্যাঙ্গ করে।
৪. কারও চরিত্রের কোনো দিক নিয়ে ব্যঙ্গ করে।
৫. কারও মুখের উপর তার বিরুদ্ধে মন্তব্য করে।
৬. কারও পেছনে তার দোষ বলে বেড়ায়।
৭. এর নামে ওর কাছে কথা লাগায়।
এটা তারা একবার দুইবার করে না।
এমন করে তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে।
এরা হচ্ছে হুমাযাতিল লুমাযাহ্।
এদের জন্য রয়েছে কঠিন শা*স্তির ব্যবস্থা।
— আল্লাহুম্মাগ-ফিরলী।
মোটকথা লুমাযাহ হলো
কর্মক্ষেত্রে বা পারিবারিক বা বন্ধু মহলে আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা বুক ফুলিয়ে বলেন, “আমি উচিৎ কথা বলতে কাউকে ছাড়ি না। আমি উচিৎ কথা মুখের উপর বলে দেই। আমি অনেক স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড! যা মনে আসে তাই বলি।”
সব মহলে ঠোটকাটা স্বভাবের হিসেবে আপনি পরিচিত! সবাইকে একদম সামনেই ধুয়ে দেন এবং এটা নিয়ে আপনি বেশ গর্বও করেন! ইসলাম ধর্মে এটাকেই“লুমাযাহ”বলা হয়।
আল্লাহ্ এই মানুষদেরকে পরিবর্তন হতে বলেছেন ‘সূরা হুমাজাহ’তে। নয়তো তাদের জন্য অনিবার্য ধ্বং*সের সতর্ক বাণী দিয়েছেন। আল্লাহ তাদের প্রতি কঠোর লানত করেছেন।আল্লাহুম্মাগফিরলী।
আসুন, আমরা একটু নরম হই, একটু সহনশীল হই, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করি। মনে রাখবেন- আল্লাহ যাকে নম্রতা দিয়েছেন, তিনি দুনিয়ার সেরা নিয়ামাহ পেয়ে গেছেন। হয়তো আমিও লুমাজার অন্তর্ভুক্ত, তবে চেষ্টা করছি নিজেকে বাঁচাতে। আল্লাহ তৌফিক দান করুন, আমিন।
লেখা: উখতি
ছবি: দ্বীনি-মহল
#deenimohol67 | 502 |
| 13 | بدون متن... | 409 |
| 14 | 20261018_192103.jpg | 1 |
| 15 | কেউ আল্লাহকে ভয় করে চললে তার প্রতিদান হিসেবে কি পাবে? স্বয়ং আল্লাহ তা'আলাই এর পাঁচটি প্রতিদানের ওয়া'দা দিয়েছেন একটি সুরাহ্তেই!
"...যে কেউ আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য (সমস্যা থেকে উদ্ধার পাওয়ার) কোন না কোন পথ বের করে দিবেন।"
(QS. At-Talaq 65: Verse 2)
"আর তাকে রিযক দিবেন (এমন উৎস) থেকে যা সে ধারণাও করতে পারে না।..."
(QS. At-Talaq 65: Verse 3)
"...যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন।"
(QS. At-Talaq 65: Verse 4)
"...যে কেউ আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার পাপ মোচন করে দিবেন, আর তার প্রতিফলকে বিশাল বিস্তৃত করে দিবেন।"
(QS. At-Talaq 65: Verse 5)
@DeeniMohol67 | 471 |
| 16 | "সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে,
তার মা ও বাবা থেকে,
তার স্ত্রী ও সন্তানদের থেকেও।
সেদিন তাদের প্রত্যেকেরই এমন এক অবস্থা হবে, যা তাকে অন্য সবার ব্যাপারে উদাসীন করে রাখবে। (অর্থাৎ, নিজের পরিণতি নিয়ে সে এতটাই ব্যস্ত থাকবে যে অন্যদের কথা ভাবার অবকাশ থাকবে না।)"
📖 সূরা: 'আবাসা (عبس)
📌 আয়াত নম্বর: ৩৪–৩৭
🔢 সূরা নম্বর: ৮০
@DeeniMohol67 | 465 |
| 17 | সমাজে বহুল প্রচলিত কিছু ভ্রান্ত বিশ্বাস:
– কাউকে দেখে বলা- আপনার কথা হচ্ছিল, আপনার হায়াত আছে।
– কোন বিশেষ পাখি ডাকলে/হাত থেকে থালাবাসন পড়ে গেলে আত্মীয় আসবে মনে করা।
– খাবার সময় হেচকি উঠলে কেউ স্মরণ করছে মনে করা।
– বৃষ্টির সময় রোদ দেখা দিলে শিয়ালের বিয়ে হয়।
– পরীক্ষা পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। খেলে পরীক্ষায় ডিম (শুন্য) পায়।
– ভাঙ্গা আয়না দিয়ে চেহারা দেখলে অমঙ্গল হয়।
– ভাঙা প্লেট/ বাটিতে খাওয়া যাবেনা।
– ডান হাতের তালু চুলকালে টাকা আসবে। আর বাম হাতের তালু চুলকালে বিপদ আসবে।
– কালি পূজায় মূর্তি ডোবানোর দিন সন্ধ্যার পর বাইরে থাকতে হয় না। (নাহলে মূর্তি এসে ক্ষতি করতে পারে)
– বাচ্চাদের শরিরে লোহা বা তাবিজ রাখতে হয়।
– সন্ধ্যার পর ঘর ঝাড়ু দিতে হয় না। সন্ধ্যার পর গাছের পাতা, ফল, সবজি ছিঁড়তে হয় না। রাতে নখ কাটতে হয়না।
– স্ত্রী নাকে নাক ফুল না রাখলে/ না পরলে স্বামীর অমঙ্গল হয়।
– মৃত ব্যক্তির জন্য চল্লিশা, মৃত্যু বার্ষিকী না করলে মৃতের আত্মা কষ্ট পায়।
– শিশুর কপালে টিপ দিলে নজর লাগেনা।
– কেউ হঠাৎ ভয় পেলে বুকে থুথু দিতে হয়।
– পীর-দরবেশদের হিসাব আলাদা, তাদের সাধারন মানুষদের মত নামাজ-রোজা লাগেনা; পীর বাবা সন্তানহীনকে সন্তান দিতে পারে; আল্লাহর কাছে সরাসরি দুয়া না করে পীরের মাধ্যমে/ পীরের নাম স্মরণ করে দুয়া করলে কবুল হয়; পীরেরা কবরে জীবিত, তারা মুরিদদের বিপদে সাহায্য করে; হাশরের দিন পীরগন মুরিদের জন্য সাফায়াত করবে- ইত্যাদি বিশ্বাস করা।
কুলক্ষণ বিষয়ে ইসলামী বিশ্বাস:
কুলক্ষণ সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
فَإِذَا جَآءَتۡهُمُ ٱلۡحَسَنَةُ قَالُواْ لَنَا هَٰذِهِۦۖ وَإِن تُصِبۡهُمۡ سَيِّئَةٞ يَطَّيَّرُواْ بِمُوسَىٰ وَمَن مَّعَهُۥٓۗ [الاعراف: ١٣١]
“যখন তাদের (ফির‘আউন ও তার প্রজাদের) কোনো কল্যাণ দেখা দিত তখন তারা বলত, এটা আমাদের জন্য হয়েছে। আর যদি কোনো অকল্যাণ হতো, তারা তখন মূসা ও তার সাথীদের অলুক্ষণে বলে গণ্য করত”।
[সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ১৩১]
আরবরা যাত্রা ইত্যাদি কাজের প্রাক্কালে পাখি উড়িয়ে দিয়ে তার শুভাশুভ নির্ণয় করত। পাখি ডান দিকে গেলে শুভ মনে করে সে কাজে নেমে পড়ত। আর বাম দিকে গেলে অশুভ মনে করে তা থেকে বিরত থাকত। এভাবে শুভাশুভ নির্ণয়ের বিধান প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
الطِّيَرَةُ شِرْك
“কুলক্ষণে বিশ্বাস করা শির্ক”।
[সুনান আবু দাউদ; তিরমিযী; মিশকাত, হাদীস নং ৪৫৮৪।]
যারা কুলক্ষণে বিশ্বাসী, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে তাঁর উম্মতের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করেন নি। ইমরান ইবন হুছাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَطَيَّرَ وَلَا تُطُيِّرَ لَهُ، وَلَا تَكَهَّنَ وَلَا تُكُهِّنَ لَهُ. أَظُنُّهُ قَالَ: أَوْ سَحَرَ أَوْ سُحِرَ لَهُ
“যে ব্যক্তি নিজে কুলক্ষণে বিশ্বাস করে ও যার কারণে অন্যের মাঝে কুলক্ষণের প্রতি বিশ্বাসের প্রবণতা সৃষ্টি হয় এবং যে ব্যক্তি ভাগ্য গণনা করে ও যার জন্য ভাগ্য গণনা করা হয় এবং যে জাদু করে ও যার কারণে জাদু করা হয় সে ব্যক্তি আমাদের দলভুক্ত নয়”।
[ত্বাবরাণী; সিলসিলা সহীহাহ, হাদীস নং ২১৯৫]
📌 কেউ কোনো বিষয়ে কুলক্ষণে নিপতিত হলে তাকে এজন্য কাফ্ফারা দিতে হবে। আব্দুল্লাহ ইবন আমর বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা বললেন-
কুলক্ষণ যে ব্যক্তিকে কোনো কাজ থেকে ফিরিয়ে রাখে, নিশ্চয় সে শির্ক করে।
সাহাবীগণ আরয করলেন- ইয়া রাসূলুলাল্লাহ! তার কাফফারা কী হবে?
তিনি বললেন- ঐ ব্যক্তি বলবে:
اللهُمَّ لَا خَيْرَ إِلَّا خَيْرُكَ، وَلَا طَيْرَ إِلَّا طَيْرُكَ، وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ.
“হে আল্লাহ! আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই। আপনার সৃষ্ট কুলক্ষণ ছাড়া কোনো কুলক্ষণ নেই। আর আপনি ছাড়া কোনো (হক) মা‘বুদও নেই”।
[মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ৭০৪৫; সিলসিলা সহীহাহ, হাদীস নং ১০৬৫]
📌তবে সুলক্ষণ-কুলক্ষণের ধারণা মনে জন্ম নিলে তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা নির্ভর করা। যেমন, ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেছেন,
“আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে, মনে কুলক্ষণ সংক্রান্ত কিছুই উঁকি দেয় না। কিন্তু তাওয়াক্কুল (আল্লাহর ওপর নির্ভরতা) দ্বারা আল্লাহ তা‘আলা তা দূর করে দেন”।
[সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৯১০; মিশকাত, হাদীস নং ৪৫৮৪]
-নিশাত তামমিম | 468 |
| 18 | কাউকে আঘাত দিয়ে বলা একটি কঠিন বাক্য— আল্লাহর দরবারে পর্বতের মতো গুনাহ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই কথা বলুন নরমভাবে, হৃদয় ভেঙে যায় এমন আচরণ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।
লেখা : মাহমুদুল হাছান
#DeeniMohol67 | 502 |
| 19 | 20261017_100345.jpg | 548 |
| 20 | জর্ডানিয়ান একজন ইসলামি ইনফ্লুয়েন্সার আছেন। নাম হলো ওসামা আল শুরাফা।
তার একটা ভিডিও বেশ ভাইরাল হয়েছিলো। সে বলেছিলো, "আপনি যদি কোনো সিরিয়াস সিচুয়েশনে থাকেন বা আপনার খুব টাকার প্রয়োজন হয় তবে আপনি প্রতিদিন ১০ হাজার বার ইস্তেগফার করুন। বেশী না, সপ্তাহে ৭ দিন। ১০ হাজার কমপক্ষে। দ্রুত ফলাফল পেতে ৩০ হাজারবারও করতে পারেন। তাহলে আরও দ্রুত ফলাফল পাবেন।"
তার এই ক্লিপ দেখার পরে আমি আসলে দলীল খুঁজেছিলাম এতোবার ইস্তেগফারের পক্ষে কিছু আছে কিনা।
যাইহোক, ইস্তেগফার নিয়ে ডেডিকেটেডলি ভিডিও আপলোড করে আরেকজন বান্দা আছেন। নাম হলো এডাম আব্দুল্লাহ।
ইন্সটা, টিকটক, ইউটিউব তিন জায়গায় তার শর্ট কন্টেন্ট এভেইলেবল।
ইস্তেগফারের ব্যাপারে কন্সিসটেন্ট থাকার জন্য তার বক্তব্য হলো, "আপনাকে অবশ্যই অনবরত ইস্তেগফার করে যেতে হবে৷ ৫ হাজার, ১০ হাজার, ৩০ হাজার, ৫০ হাজার"। এডাম আব্দুল্লাহর লেটেস্ট কাউন্ট ছিলো ৭০ হাজারবার। এক সিটি থেকে আরেক সিটিতে যাওয়ার সময় ড্রাইভিং করা অবস্থায় সে অনবরত করে গেছে ইস্তেগফার।
তার আরেকটি ভাষ্য যেটা আমার সবচেয়ে বেশী ভালো লেগেছে তা হলো- অনেকে অমনোযোগী ইস্তেগফার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন যে, বিড়বিড় করে অমনোযোগী ইস্তেগফার করার চেয়ে খালেস দিলে অল্প ইস্তেগফার ভালো। হ্যাঁ, এটা সত্যি যে ইস্তেগফারের কোয়ালিটি ইম্পর্ট্যান্ট। তবে এখানে একটা ব্যাপার আছে। যে ব্যক্তি ১০ হাজার থেকে শুরু করে আরও বেশী ইস্তেগফার করার জন্য পুরো দিন জবানকে ব্যস্ত রাখবে, তার পক্ষে গীবত করার সময় থাকবে না, অপ্রয়োজনীয় কথার সময় থাকবে না, হারাম কাজে ব্যস্ত হওয়ার সুযোগ থাকবে না। তার চিন্তা থাকবে একমাত্র কিভাবে ১০ হাজারবার "আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়া যায়। তাই অমনোযোগী হলেও ইস্তেগফার করতে থাকুন, উঠতে-বসতে, চলতে-ফিরতে সবসময়। এবং যারা ১০ হাজারবার করেছে তাদের স্টোরিগুলোও অসাধারণ। 10 thousand যেন এটা একটা হিডেন কোড।
ইস্তেগফারের কারণে কল্পনাতীত জায়গা থেকে রিজিকের ব্যবস্থা হবে। সব সংকীর্ণতা দূর হবে।
~সংগৃহীত
#DeeniMohol67 | 567 |
