Hidayat-হিদায়েত
Open in Telegram
6 662
Subscribers
-224 hours
-207 days
-6630 days
Data loading in progress...
Similar Channels
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Tags Cloud
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Incoming and Outgoing Mentions
---
---
---
---
---
---
Attracting Subscribers
August '26
August '26
+58
in 1 channels
July '26
+76
in 0 channels
Get PRO
June '26
+118
in 0 channels
Get PRO
May '26
+127
in 1 channels
Get PRO
April '26
+169
in 0 channels
Get PRO
March '26
+137
in 0 channels
Get PRO
February '26
+249
in 1 channels
Get PRO
January '26
+102
in 0 channels
Get PRO
December '25
+138
in 0 channels
Get PRO
November '25
+205
in 1 channels
Get PRO
October '25
+257
in 0 channels
Get PRO
September '25
+283
in 0 channels
Get PRO
August '25
+468
in 0 channels
Get PRO
July '25
+350
in 0 channels
Get PRO
June '25
+162
in 0 channels
Get PRO
May '25
+145
in 0 channels
Get PRO
April '25
+250
in 0 channels
Get PRO
March '25
+761
in 1 channels
Get PRO
February '25
+257
in 0 channels
Get PRO
January '25
+286
in 0 channels
Get PRO
December '24
+405
in 0 channels
Get PRO
November '24
+195
in 0 channels
Get PRO
October '24
+331
in 1 channels
Get PRO
September '24
+640
in 0 channels
Get PRO
August '24
+2 236
in 1 channels
| Date | Subscriber Growth | Mentions | Channels | |
| 31 August | +2 | |||
| 30 August | +1 | |||
| 29 August | 0 | |||
| 28 August | 0 | |||
| 27 August | 0 | |||
| 26 August | 0 | |||
| 25 August | +4 | |||
| 24 August | +2 | |||
| 23 August | 0 | |||
| 22 August | 0 | |||
| 21 August | 0 | |||
| 20 August | +2 | |||
| 19 August | +2 | |||
| 18 August | +6 | |||
| 17 August | +4 | |||
| 16 August | +2 | |||
| 15 August | +3 | |||
| 14 August | +3 | |||
| 13 August | 0 | |||
| 12 August | +4 | |||
| 11 August | +1 | |||
| 10 August | +3 | |||
| 09 August | 0 | |||
| 08 August | +2 | |||
| 07 August | +3 | |||
| 06 August | +3 | |||
| 05 August | +3 | |||
| 04 August | +3 | |||
| 03 August | +2 | |||
| 02 August | +3 | |||
| 01 August | 0 |
Channel Posts
| 2 | আমার জীবনে সবচেয়ে ভালো কাজ ছিল আমার ব্যক্তিগত জীবন মানুষকে না বলা শুরু করা! | 170 |
| 3 | জ্বি হয়েছি! ~ | 220 |
| 4 | চেহারা ভাল না, ভালভাবে গুছিয়ে কথা বলতে পারে না, টাকা পয়সা নাই - এসমস্ত মানবিক দূর্বলতার কারনে কত গুনাহ থেকে একজন মানুষ বেঁচে যায়। বাটপারী করতে পারে না, ধোঁকা দিতে পারে না, খোঁচার জবাবে খোঁচা দিতে জানে না, এসমস্ত ত্রুটিগুলোর জন্য সে হয়তো সারাজীবনই ধাক্কা খেয়ে যায়। হীনমন্যতায় ভোগে। অথচ এটাই একসময়ে তার চরম সৌভাগ্যের কারন হবে।
কিয়ামতের দিনের এক অদ্ভুত শিরোনাম আল্লাহ দিয়েছেন-
“হার-জিতের দিন”
বিজয়ের গর্বে গর্বিত বহু মানুষই সেদিন পরাজিত নত মস্তকে দাঁড়িয়ে থাকবে। সারাজীবন অবজ্ঞার পাত্র হয়ে থাকা মানুষগুলো হয়তো সেদিন হাসতে হাসতে পার হয়ে যাবে।..
- রিজওয়ানুল কবির হাফি. | 256 |
| 5 | প্রিয় নবীজি ﷺ-এর রওজা মোবারকের পাশ থেকে চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করে। তারা কোনো কথা না বলেই সাথে সাথে যুবকটির পেছনে দড়ি দিয়ে তার দু’হাত বেঁধে ফেলে। যুবকটি পুলিশদের জিজ্ঞেস করতে লাগল, তোমাদের কী হয়েছে? আমিতো চোরও নই, ডাকাতও নই, তাহলে আমার সাথে এমন আচরণ করছ কেন?!
দূর থেকে একজন বয়স্ক মুরব্বি পুরো বিষয়টি লক্ষ্য করছিলেন। তখন তিনি কাছে এসে পুলিশদের বললেন, “আমি এই যুবককে চিনি।”
পুলিশরা তাকে বলল: আপনি তাকে কীভাবে চিনেন?
মুরব্বি বললেন: আমি তাকে দেখি, সে সব সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রওজার সামনে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে, বসে-বসে দরূদ পড়ে, সালাম দেয়, কান্নাকাটিও করে। তোমরা তাকে গ্রেফতার করেছ কেন? সে কি চোর?
যুবকটি ছিল আলবেনিয়ার নাগরিক, বয়স ৩৫ অথবা ৩৬ হবে। তার মাথাভর্তি ঘাড় বাবরি চুলে আর মুখভর্তি হালকা দাড়িতে।
পুলিশ বলল: না, সে চোর নয়। এই যুবক আলবেনিয়ার অধিবাসী। সে মদিনায় ছয় বছর ধরে বসবাস করছে, অথচ এখানে তার কোনো বসবাসের কাগজপত্র নেই। আমরা তাকে ধরে আলবেনিয়ায় পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছি ছয় বছর যাবৎ। কিন্তু প্রতিবারই তাকে ধরার পর সে আমাদের কাছ থেকে পালিয়ে যায়। আমরা তাকে প্রতিবারই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ থেকে ধরি। এবারও তাই হলো। তাকে এবার পাওয়ামাত্রই সাথে সাথে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় ছিল না!
মুরব্বি পুলিশদের বললেন: এখন তোমরা তাকে নিয়ে কী করবে?
তারা বলল: রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ করব। আমরা তাকে এখন ধরে নিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দেব, তারপর সে আলবেনিয়ায়...
যুবকটি তখন কাঁদছিল আর ভাবছিল, এবার মনে হয় তাকে সত্যি সত্যিই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ ছেড়ে যেতে হবে! রাসূলের স্মৃতিবিজড়িত মদিনা শহর ছেড়ে যেতে হবে!
কিছুক্ষণ ভেবে যুবকটি পুলিশদের বলতে লাগল: দেখুন ভাই, আমি এখানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও কারও সাথে প্রতারণা করি না। আমি এখানে এসেছি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসার টানে। এছাড়া অন্য কোনো দুনিয়াবি উদ্দেশ্য আমার নেই।
পুলিশরা বলল: না, এটা গ্রহণযোগ্য কথা নয়। আপনাকে অবশ্যই দেশে ফিরে যেতে হবে। বহিরাগতদের রাষ্ট্রীয় আইনে এখানে থাকার সুযোগ নেই।
পুলিশরা যুবককে নিয়ে মসজিদে নববী থেকে বের হয়ে গেল। যুবক পথিমধ্যে তাদের বলল: আমার একটি শেষ অনুরোধ রাখবেন?
পুলিশরা তার অনুরোধ শুনল এবং সুযোগ দিল।
যুবকটি তখন সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে আবেগতাড়িত কণ্ঠে বলল:
هل هكذا كان الاتفاق بيننا؟!
“ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাদের মধ্যে চুক্তিটা কি এমন হয়েছিল!
হে রাসূল! আপনার প্রতিবেশী হব, তাই আমি আমার দোকান, ব্যবসা, মা-বাবাকে ছেড়ে এখানে এসেছি। কিন্তু তারা আমাকে আর থাকতে দিচ্ছে না।”
এই কথা বলতে বলতে যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।
পুলিশরা বলেছে: আমরা ভাবলাম, যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে। সে জ্ঞান হারানোর ভান করছে, হয়তো আবার পালানোর পাঁয়তারা করছে।
পুলিশ সদস্যরা কিছুক্ষণ পর যুবককে মাটি থেকে টেনে উঠাল। দেখল, সে সত্যিই অচেতন। মুখে পানি ঢেলে দিলেও যুবক আর নড়ছে না। তাদের মধ্যে একজন বলল: তার হয়তো স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। এক্ষুণি অ্যাম্বুলেন্স আনো।
অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল এবং যুবককে হাসপাতালেও নেওয়া হয়েছিল। ডাক্তার তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বললেন: আরও দেড় ঘণ্টা আগে যুবক এই পৃথিবী থেকে চলে গেছে, সে বেঁচে নেই।
পুলিশ সদস্যরা তখন কান্নায় ভেঙে পড়েছিল এবং বলছিল: আল্লাহর শপথ, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসার নমুনা অনুভব করতে পারিনি।
এরপর গোসল ও জানাযা শেষে যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে করে জান্নাতুল বাকিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়।
আলবেনিয়ার পথে রওনা দেওয়া যুবক, জান্নাতুল বাকিতে চলে গেলেন। রেখে গেলেন পৃথিবীবাসীর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভালোবাসার অনুপম উপমা।
~ আরবি থেকে অনূদিত | 270 |
| 6 | No text... | 223 |
| 7 | স্বামী-স্ত্রী উভয়েই “দ্বীনদার” কিন্তু সংসার করতে পারে না, এমন অনেক কেসই এখন দেখা যাচ্ছে। এমনটা হওয়ার কারণ কী?
বেশ কয়েকটা কেস দেখে আমি একটা প্যাটার্ন খুঁজে পেয়েছি প্রত্যেক দম্পতির মধ্যে। সেই হিসেবে জাস্ট আমার অবজারভেশনটা শেয়ার করি।
[১] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ স্বামীর অনুগত হওয়াকে দ্বীনের অংশ মনে করে না।
[২] “স্বামী” দ্বীনদার অথচ সে চায় স্ত্রী পরিবারে আর্থিক কন্ট্রিবিউশন রাখুক। মুখে না বললেও আচরণে এমনটা বুঝিয়ে দেয়।
[৩] “স্বামী” দ্বীনদার অথচ পুরুষ হিসেবে যেসব দায়িত্ব পালন করা উচিত সেগুলোর ব্যাপারে উদাসীন।
[৪] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ জবান লাগামহীন। সংসারের স্বার্থে অনেক কিছু করলেও জবান দ্বারা স্বামীকে এমনভাবে আঘাত করে যেটা মেনে নিয়ে সংসার করা সম্ভব হয় না।
[৫] “স্বামী” দ্বীনদার অথচ স্ত্রীর হক এবং পিতামাতার হকের মধ্যে ভারসাম্য করতে ব্যর্থ হওয়া।
[৬] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ। অথচ দ্বীনদারিতা স্বল্পে তুষ্টির ব্যাপারে সচেতন করার কথা।
[৬] “স্বামী” চায় স্ত্রী স্বপ্লে তুষ্ট হোক, পরিবারের বেলায় কৃপণতা করে অথচ অন্যান্য ক্ষেত্রে অপচয় করে।
[৭] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ সফট ফেমিনিজমে আক্রান্ত। সংসারের জন্য কীভাবে পরাধীনতাকে বরণ করে নিয়েছে, স্বাধীন জীবন কেন বেটার এসব জিনিস স্বামীকে কথা, কাজে বুঝিয়ে দেয়া।
[৮] “স্বামী” দ্বীনদার অথচ “সমান অধিকারের” বয়ান সামনে এনে স্ত্রীকে কটু কথা শোনায়। অথচ যে সমান অধিকার চায়, চাওয়া উচিত মনে করে, তাদেরকে ছাড়া বাকি নারীদেরকে শরীয়াহ যেসব এক্সট্রা ফ্যাসিলিটি দিয়েছে সেগুলো কোনো খোঁটা ছাড়াই প্রদান করতে হবে।
[৯] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ কথায় কথায় স্বামীর কাছে তালাক চায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেলে এই চাওয়া ভুলে যায়। অথচ বারবার তালাক চাওয়ার মাধ্যমেই কখনো স্বামীর আস্থাভাজন হতে পারে না।
[১০] ওয়াহিদার প্রতি দায়িত্ব, কর্তব্য ঠিকমতো পালন না করেই মাসনার ব্যাপারে বারবার চাপাচাপি করা। যদিও বাস্তবে এই কাজ করতে পারে না, তবুও বিষয়টাকে ঘিরে অবাস্তব ফ্যান্টাসি থেকে মনমালিন্যতা তৈরি করে।
বাহ্যিকভাবে দ্বীনদার হলেও, দ্বীনের দিক থেকে, প্র্যাকটিসের দিক থেকে অনেকভাবে আগানো হলেও সাংসারিক জীবনে অনেক সমস্যা দ্বীনকে পরিপূর্ণ ধারণ না করার কারণেই হয়ে থাকে। সমাধানের জন্য কুরআন সুন্নাহর পথ বাদ দিয়ে হাঁটার কারণে জটিলতা বাড়তে থাকে।
- মেরাজ হোসেইন | 328 |
| 8 | "তোমাদের প্রত্যেকেই যেন তার প্রতিটি অভাব পূরণের উদ্দেশ্যে তার রবের নিকট প্রার্থনা করে, এমনকি তার জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলে তাও যেন তাঁর নিকটে চায়।"
.
[জামে আত-তিরমিজি, ৩৬০৪] | 328 |
| 9 | হজরতওয়ালা করাচি রাহিমাহুল্লাহ তার সঙ্গী-সাথিদের নিয়ে হারামের চত্বরে বসে আছেন। এরমধ্যে একজন বলে উঠলেন, (সাদা হিজাব আর সাদা বোরকা পরিহিত তাওয়াফরত নারীদের দিকে তাকিয়ে) সুবহানাল্লাহ, মনে হচ্ছে এক ঝাঁক সাদা কবুতর আল্লাহর ঘরের তাওয়াফ করছে!!
কথাটা শুনে হজরতওয়ালা করাচি রাহিমাহুল্লাহ বললেন, 'তওবা করুন। এটাও কুদৃষ্টি। কাবার চত্বরে বসে আপনি নুরানি ধোঁকায় পড়েছেন। এখনই দিল থেকে এর জন্য তওবা-ইসতিগফার করুন!
- মেহেদী হাসান সৈকত | 359 |
| 10 | রাদিয়াল্লাহু আনহা। 🍂 | 353 |
| 11 | বারবার ফিরে আসা আল্লাহর প্রিয় বান্দা! 🤍 | 374 |
| 12 | দু'আ, সবর & অপেক্ষা! | 399 |
| 13 | যুবক বয়সের ইবাদাত আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়! | 402 |
| 14 | সিরিয়ার প্রাজ্ঞ ও প্রখ্যাত মুহাদ্দিস বদরুদ্দীন আল হাসানি রহমতুল্লাহি তা'আলা 'আলাইহিকে একবার ছাত্ররা জিজ্ঞাসা করেছিলো, 'শায়খ! আমরা কি ওই যুগে বাস করছি যার সম্পর্কে সুনানে তিরমিজির হাদিসে এসেছে- "দ্বীনকে আঁকড়ে ধরা জ্বলন্ত অঙ্গার হাতের মুঠোয় রাখার মতো কঠিন হয়ে যাবে।?"
প্রত্যুত্তরে শায়খ বললেন, 'সেই যামানা তো অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। এখন আমরা বাস করছি সহিহ মুসলিমের ওই হাদিসের সময়ে- "যখন মানুষ সকালে ঈমানদার, বিকালে কাফির কিংবা বিকালে ঈমানদার, সকালে কাফির হতে থাকবে!"
Ashraful Alam হাফিঃ | 407 |
| 15 | যে ব্যক্তি এমন কিছু প্রচার করে যেটার মাধ্যমে মানুষের উপকার হয়, তাহলে উপকৃত ব্যক্তি যতটুকু প্রতিদান পাবে, প্রচারকারী ব্যক্তিও অনুরূপ প্রতিদান পাবে।
— শায়খ আব্দুল আযিয ইবনে বায (রহি.)
[সূত্র : মাজমুউল ফতওয়া, ০৬/১৭৯] | 390 |
| 16 | এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে এসেছিলো কিছু সম্পদ লাভের আশায়। সে রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে সম্পদ চেয়েও ফেললো!
রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকে ছাগল দান করলেন।
একটি-দুটি ছাগল না। হাদীসে উল্লেখ আছে- “তাকে এত বেশী ছাগল দিলেন যাতে দু’উপত্যকার মাঝামাঝি স্থান পরিপূর্ণ হয়ে যাবে।”
এখন চিন্তা করুন, দুই উপত্যকার মাঝামাঝি স্থান পূর্ণ হয়ে যাবে, এরকম কতো ছাগল লাগতে পারে?
৫০০? ১০০০ ছাগল? সংখ্যা শখানেক হোক বা হাজার, কিন্তু এটা স্পষ্ট যে, অনেক ছাগল দেয়া হয়। যা সে ভাবতেও পারেনি!
একসাথে এতো সম্পদ পেয়ে সেই বেদুইনের প্রতিক্রিয়া কী ছিলো জানেন?
সে খুশিতে আত্মাহারা হয়ে তার গোত্রে চলে গেলো চিৎকার করতে করতে- “হে আমার জাতির ভাইয়েরা! তোমরা ইসলাম গ্রহণ করো। কারণ মুহাম্মদ ﷺ অভাবের আশঙ্কা না করে এতো দান করতে থাকেন (তোমরা ভাবতেও পারবে না)!” (সহীহ মুসলিম: ৫৯১৪)
.
এই হাদীসের ব্যাখ্যায় ইমাম নববী রাহিমাহুল্লাহ বলেন- “এই বেদুঈন প্রথমে কেবল দুনিয়াবি লাভের আশায় নবী ﷺ–এর কাছে এসেছিলেন। কিন্তু রাসূল ﷺ–এর অসাধারণ উদারতা ও দানশীলতা দেখে তাঁর অন্তর ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং তিনি আন্তরিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর তাঁর গোত্রও ইসলাম গ্রহণ করে।”
.
জীবনের প্রথম পরিচয়ে যে বেদুঈনের কাছে মনে হলো- রাসূলুল্লাহ ﷺ গরীব নন, তিনি অভাবের আশঙ্কা করেন না, তিনি দুহাত খুলে দান করেন, আর সেই রাসূল ﷺ সম্পর্কে আমরা কী মন্তব্য করি?
যেই নবী ﷺ একটি সুন্দর জামা পরে আসলে কেউ যদি বলতো জামাটা আমাকে দিবেন? তিনি সাথে সাথে জামা খুলে দিতেন, সেই নবীর অর্থনৈতিক জীবন বলতে গিয়ে আমরা শুধু তাঁর দারিদ্র্যের গল্প শুনাই?
আমাদের সময়ের প্রেক্ষাপটে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর জীবনে কোটি কোটি টাকা দান করেছেন। সেই রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর ইমেইজ দাঁড় করানো হয়েছে কেবল ৩ মাস চুলোয় আগুন জ্বলেনি এই থিমের ওপর!
অথচ আমার রাসূলকে দুনিয়া অফার করা সত্ত্বেও তিনি দুনিয়া বেছে নেননি, তারপরও দুনিয়া তাঁর কাছে এসেছিলো। সেই দুনিয়াটাও তিনি গ্রহণ না করে দান করে গেছেন।
যার দানশীলতা দেখে একজন-দুজন না, একেকটা গোত্র ইসলাম গ্রহণ করতো, মক্কার কাফিররা যারা মক্কা বিজয়ের পরও মনে প্রাণে ইসলাম গ্রহণ করেনি, তাঁর দানশীলতা দেখে মুগ্ধ হয়ে পরবর্তীতে তাদের মন জয় হয়।
সেই রাসূলকে কিনা বলা হয় গরীব ছিলেন! অনাহারে থাকতেন।
.
রাসূলুল্লাহ ﷺ –কে ভালোবাসতে তাঁকে সম্পূর্ণভাবে জেনেই ভালোবাসতে হবে। আপনার কল্পিত ধারণা অনুযায়ী যে ইমেইজ দাঁড় করাতে চাচ্ছেন, সেভাবে না। বরং তিনি যেমন ছিলেন, ঠিক তেমনভাবেই তাঁকে চিন্তা করুন।
জোর করে ভালোবাসতে হবে না। ঐ ঘটনাগুলো পড়লে এমনিতেই ভালোবাসা জন্মাবে।
© আরিফুল ইসলাম | 401 |
| 17 | যিনি হেদায়েত দানের মালিক, তিনি কি রিযিক দানের মালিক নন? | 349 |
| 18 | সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 🤍 | 403 |
| 19 | সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 🤍 | 1 |
| 20 | 'বিদায় হজ্জ' নামটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ই এমন নাম ছিলো।
সাহাবীরা বুঝতে পারেননি কেনো এটাকে বিদায় হজ্জ বলা হচ্ছে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকালের পর তারা সত্যিকারার্থে নামকরণ বুঝতে পারেন!
হজ্জের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্তত ৩ বার তাঁর ইন্তেকালের কথা বলেন!
.
"হে লোকসকল! আমার কথা শোনো। আমি জানি না এই বছরের পর এই স্থানে তোমাদের সাথে আমার আর কখনো দেখা হবে কি না।"
.
"তোমরা শীঘ্রই তোমাদের রবের সাথে মিলিত হবে... সাবধান! আমার প্রস্থানের পর তোমরা আবার পথভ্রষ্ট হয়ে একে অপরের গর্দান ছেদন করো না।"
.
"তোমরা আমার কাছ থেকে হজ্জের নিয়মাবলী শিখে নাও, কারণ আমি জানি না এরপর আমি আর হজ্জ করতে পারব কি না।"
~ আরিফুল ইসলাম | 434 |
