fa
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

رفتن به کانال در Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah bin bashir

کانال Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 11 300 مشترک است و جایگاه 8 141 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 028 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 11 300 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 23 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 85 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر 5 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 19.42% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 7.99% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 2 194 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 903 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 48 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 24 ژوئن, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

11 300
مشترکین
+524 ساعت
+357 روز
+8530 روز
آرشیو پست ها
মুসলিম উম্মাহের মুক্তির পথের অন্যতম একটি হলো এই কথাকে সঠিকভাবে অনুধাবন করা এবং এটাকে সামনে রেখেই নিজের কর্মপন্থা সাজানো।
মুসলিম উম্মাহের মুক্তির পথের অন্যতম একটি হলো এই কথাকে সঠিকভাবে অনুধাবন করা এবং এটাকে সামনে রেখেই নিজের কর্মপন্থা সাজানো।

পাকিস্তানের বেশ জনপ্রিয় আলেম যিনি আওয়ামদের নিয়ে প্রচুর কাজ করেন, মাওলানা সৈয়দ আদনান কাকাখিল হাফিজাহুল্লাহ। উনার একটি বয়ান ‘লিবারেল ও সেকুলার শিক্ষা আমাদের কী ক্ষতি করেছে’ -এর বাংলা সাবটাইটেল যুক্ত করেছে রিসালাহ ইউটিউব চ্যানেল। আলোচনাটি শুনতে পারেন৷ https://youtu.be/t-fHYsRPx-w?si=eXPohPkCr4zX5ezC

ইসলামি খিলাফত নিয়ে পড়ছি বেশকিছু দিন হয়েছে। কিন্তু এখনো এই বিষয়ে বহু বিষয় পড়ার বাকি আছে। তাই অনেকের আহবান সত্ত্বেও কিছু বলা হয় না। কিন্তু বাজারে যারা খিলাফত নিয়ে আলোচনা করে তাদের আলোচনার স্তর দেখলে মনে হয়, যতটুকু পড়েছি, বাস্তবতার বিবেচনায় তা পর্যাপ্ত না হলেও এগুলোর থেকে বহুগুণ বেশি ও ফলাফলের বিবেচনায় সঠিক, এই বিষয় কিছু আলোচনা করি। অতপর নিজেকে সংবরণ করি। যাইহোক, গত বছর সম্ভবত উস্তাদের পরামর্শে অনলাইনে কিছু ভাইদের জোরাজোরিতে খিলাফত নিয়ে একটা আলোচনা করেছিলাম। শুনে দেখতে পারেন। আশা করি ফায়দা হবে। . সামনে কেউ নাই, শুধু মোবাইলের দিকে তাকিয়ে কথা বলাটা প্রচুর বিরক্ত লাগে এবং কথাও আসে না মুখ দিয়ে। আবার সেটা ছিলো জীবনে প্রথম। তাই খুবই খারাপ হয়েছে। তাই বিষয়টা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। . আলোচনার অডিও: https://youtu.be/UxpHB8FMO8A?feature=shared

ঢাকা শহরের বৃষ্টি বিলাস...🙂

এফবিআইয়ের সাবেক এজেন্ট কামরান ফরিদির সাক্ষাতকার থেকে . কায়দা কাউকে তাজকিয়া ছাড়া অর্থাৎ পূর্বের বিশ্বস্ত কোনো রেফারেন্স ছাড়া তাদের দলে নেয় না। কিন্তু দায়েশ এমন না। তারা যারে পায় তাকে নিয়ে নেয়। . যারা বাস্তবই দীনের বুঝ রাখে তারা কায়্যায় যুক্ত হয়। আর যাদের দীন নিয়ে ফ্যান্টাসিতে ভুগে তারা গিয়ে দায়েশে যুক্ত হয়। . পৃথিবীতে মানুষ কায়দায় এজন্য যুক্ত হয়, কারণ এটাই একমাত্র জামাত যারা বাস্তবিক অর্থেই আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং আমেরিকার এমন ক্ষতি করতে পেরেছে যা আর কেউ পারেনি। আপনি নাইন-ইলেভেনের আক্রমন বলেন, লন্ডন, স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স, সব জায়গায় তারা এমন সব আক্রমণ করেছে যা আমেরিকাকে একদম নেড়ে ফেলছে। . আবু জাফর, কায়দার একজন বড় লিডার। কে সে? কি তার পরিচয়? এটা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করেছে এফবিআইয়ের এজেন্ট কামরান ফরিদি। তবে এই লোক প্রচুর চাপা মারে। যেটা শুনলেই অনেকে বুঝবেন। এখন কোনকথা চাপা আর কোনটা সঠিক তা বুঝার তেমন সুযোগ নাই। বাকি যারা অলস সময় কাটাচ্ছেন তারা এই পডকাস্ট শুনতে পারেন। . https://youtu.be/gCyniWCUWBI?si=GbA5uAtoqaiikSei

আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ

সোমালিয়ায় শাবাব আর আফগানে তালেবদের যুদ্ধের প্যাটার্নটা অনেকটা একই মনে হচ্ছে। খুলে বলি। . তালেবদের আমেরিকার সাথে যুদ্ধে দুইটা কমন বিষয় দেখেছি। এক. শহর অঞ্চলগুলোর আগে গ্রামাঞ্চলগুলোকে প্রথমে পূর্ণ দখলে নিয়ে এসে সেখানে শক্তিশালী হওয়া। দুই. আর এই শক্তিশালী হওয়ার জন্য শক্তিনুপাতে পূণর্দখল করা গ্রামগুলোতে শরিয়া আইম বাস্তবায়ন করা। আর এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী যে কাজটা তালেবরা করতো, তা হলো শরীয়া আদালত। তালেবদের শরীয়া আদলতগুলো এত কার্যকরী ছিলো যে, তাদের দখলে না থাকা গ্রামগুলোর মানুষজনরাও ন্যায় বিচারের আশায় তালেবদের আদালতে আসতো বিচারের জন্য। তালেবরা দিনে বেলা বিচার শুনতো, যেগুলো তৎক্ষনাৎ কার্যকর করা সম্ভব করে ফেলতো। আর যেগুলোর জন্য অস্ত্রের।প্রয়োজন হতো, সেগুলো রাত্রে গুপ্ত হামলা করে করে ফেলতো। এত অল্প সময়ে বিচার পাওয়ার ফলে মানুষরা তালেবদের সাথে সহজে কানেক্ট হয়ে যেতো।, বিপরীত দিকে ব্রিটিশ আইনের গোলকধাঁধায় পড়ে অন্যরা ছিলো বিরক্ত। সাধারণ থেকে সাধারণ বিচারের জন্যও মাসের পর মাস কোর্টে চক্কর লাগানো লাগতো। . সোমালিয়ায় শাবাবদের পুরো কার্যক্রমও সেম একই আন্দাজে চলছে। . শাবাবরা সোমালিয়ার প্রায় ৭৫% গ্রামাঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় যোদ্ধাসহ ট্যাক্স আদায় করে। রিপোর্ট মতে শাবাব যে পরিমান বাৎসরিক রেভিনিউ আদায় করে তা সোমালি সরকার থেকেও বেশি। ২০২৩ এর মার্চ মাসে হার্ভার্ড ইন্টারন্যাশনাল রিভিউ (HIR) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে No Justice, No Peace: Al-Shabaab's Court System। সেখানে অসংখ্য মিথ্যার মাঝে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। প্রতিবেদনে দেখানো হয় শাবাব কীভাবে তাদের দখল করা অঞ্চলগুলোতে শরিয়ানুযায়ী আদলত পরিচালনা করে এবং কত দ্রুত বিচার কার্যকর করে। . প্রতিবেদনটির শুরুতেই একটি চমৎকার ঘটনা উল্লেখ করা হয়। ৫৬ বছর বয়সী হুসেম নামক এক লোক উত্তরাধিকার সূত্রে কিছু জমি পান। পরে জমির ঝামেলা হলে তিনি কোর্টে মামলা করেন। কিন্তু ২৭ হাজার মার্কিন ডলার খরচ করার পরও সে উক্ত মামলাটি জিততে পারেনি। উলটো, যাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তারা তার বাড়িয়ে আক্রমণ করে এবং পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে। দুই বছর এভাবে সে নিজের মামলা লড়ে হতাশ হয়ে অত:পর এক ব্যতিক্রমী কাজ করে বসেন। শাবাবদের শরীয়া আদালতের দারস্ত হয় ৫৬ বছর বয়সী মুহাম্মদ। এরপর.... প্রতিবেদনের একটি জায়গা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, //আল শাবাব দক্ষিণ ও মধ্য সোমালিয়ার প্রায় ৭০% নিয়ন্ত্রণ করে । তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায়, আল শাবাব একটি সাধারণ সরকারের সমস্ত মৌলিক কার্য সম্পাদন করে: এটি বাসিন্দাদের উপর কর আরোপ করে, নিরাপত্তা প্রদান করে এবং এমনকি অভাবী জনগোষ্ঠীর কল্যাণও প্রদান করে। করের মাধ্যমে, আল শাবাব মাসে প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে - প্রায় বৈধ সোমালি সরকারের সমান।// আরেকটি অংশ দেখুন, //আল শাবাব দেশজুড়ে আদালতের একটি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেছে। এই "ছায়া আদালত" বিভিন্ন ধরণের বিরোধ পরিচালনা করে। সোমালি গবেষক হুসেন ইউসুফ আলী উল্লেখ করেছেন যে আল শাবাব ন্যায়বিচারের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করে , বিশেষ করে প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে তর্ক, বাণিজ্যিক মতবিরোধ এবং গোষ্ঠী বৈষম্যের অভিযোগ। ভূমি বিরোধগুলিও প্রায়শই আল শাবাব দ্বারা পরিচালিত হয়: বাইদোর একজন বাসিন্দা অনুমান করেছেন যে "৮০% জমি বিরোধ আল শাবাবে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সম্ভবত ২০% আনুষ্ঠানিক আদালতে যায়।" আল শাবাব আদালত এমনকি চাঁদাবাজি, গোষ্ঠী বৈষম্য, দুর্নীতি এবং বেআইনি গ্রেপ্তারের বিষয়গুলিও পরিচালনা করে , যার অর্থ আল শাবাব সরকার এবং আইন প্রয়োগকারী এজেন্টদের পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিকদেরও বিচার করতে পারে।// প্রতিবেদনের আরেকটি মজার অংশ হলো, সোমালি সরকারের পুলিশ ও সেনা সদস্যরাও ন্যায়বিচার না পেয়ে শাবাবদের আদলতে নিচার চাইতে হাজির হয়। (পিও গণতন্ত্র🤣) //হাজার হাজার মানুষ এখন তাদের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আল শাবাবের দিকে ঝুঁকছেন - এমনকি যারা সরকার নিয়ন্ত্রণে বাস করে -। সরকার নিয়ন্ত্রিত রাজধানী মোগাদিশুর বাসিন্দারা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য নিকটবর্তী আল শাবাব এলাকায় ভ্রমণ করেন। কিছু কাহিনী অনুসারে, এমনকি পুলিশ এবং সামরিক কর্মকর্তারাও সরকারের পরিবর্তে আল শাবাবের কাছ থেকে ন্যায়বিচার চান বলে জানা যায় ।// . যাক, মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা ইসলামি বিচারকার্য নিয়ে নিজেদের পড়াশোনা বাড়ান। ধরেন আজকে যদি বাংলাদেশে শরীয়া আদালতের দাবী উঠে তাহলে আমরা পুরো দেশ জুড়ে কতজন কাজি দিতে পারবো? তাই, এই বিষয়ে এখন থেকেই পর্যাপ্ত পড়াশোনা বাড়ান।

আমি মুতাদিল আলেম। . টিটিকে আমি সন্ত্রাসী মনে করি না। যারা মনে করি আমি তাদের সন্ত্রাসী মনে করি তাদের উপর আল্লাহর লানত। তবে তাদের বিরুদ্ধে ও পাক আর্মির পক্ষে পাকিস্তানি আলেমদের ফতোয়াকে সঠিক মনে করি। এদিকে আবার আমি পাক আর্মিকে পছন্দও করি না। . আলহামদুলিল্লাহ।

আমাদের সকলের প্রিয় ও পরিচিত মাওলানা ইমরান রাইহান ভাই এখন থেকে টেলিগ্রামে নিয়মিত হবেন। আমরা সকলেই যুক্ত হয়ে যেতে পারি ইনশাআল্লাহ। https://t.me/imranraihan

যেহেতু গণতন্ত্র বিষয়ক আকাবীরদের নাম উঠেই এসেছে, তাহলে আসুন একজন আকাবীরকে চিনি। যিনি গণতান্ত্রিক রাজনীতি করে পার্লামেন্টের সদস্যও ছিলেন, আবার আফগান মুজা হিদও ছিলেন। আফগান জি হাদের পক্ষে উর্দু ভাষায় সর্বপ্রথম লিখিত কিতাব যিনি লেখেছেন, তিনি হলেন শহীদ মুফতি নূর মুহাম্মদ ওয়াজিরিস্তানি রহিমাহুল্লাহ। পাকিস্তানের কাবায়েলী অঞ্চলের অন্যতম সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম। (হযরতের পরিচয় বিস্তারিত জানতে বানুরীটাউনের একটি লেখা ও আবু আম্মার যাহেদ খান রাশেদি সাহেবের একটি লেখা কমেন্টে দিবো, সেখান থেকে বুঝে নিবেন পাকিস্তানের কতটা বড় ও নির্ভরযোগ্য আলেম তিনি ছিলেন।) যেই আকাবীরদের কর্মপন্থা দিয়ে গণতন্ত্রকে বৈধ বানানো হচ্ছে সেই আকাবীরদের গণতন্ত্র ও তার রাজনীতি সম্পর্কে কী দৃষ্টিভঙ্গি ছিলো, গণতন্ত্রকে তারা কী মনে করতো তা দেখার আমাদের সময় হবে না৷ . একজীবন গণতান্ত্রিক রাজনীতি করলেও গণতন্ত্রকে কোন দৃষ্টিতে উনি দেখেছেন, এবং গণতন্ত্রের ব্যাপারে কী মনে করতেন, তা জানতে আপনার বইটি দেখা লাগবে। আমি উনার কয়েকটি মাওকিফ এখানে স্পষ্ট দিয়ে দিবো। তার আগে এই বই সম্পর্কে মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেবের মাওকিফটি বলি, মুফতি সাহেব এক প্রবন্ধে এই বইয়ের উদ্ধৃতিতে একটি কথা উল্লেখ করার পর লেখেন, //এই কিতাবটি অত্যান্ত উপকারী ও উক্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ লিখিত গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি। মুহতারাম লেখক তার ঐতিহ্যবাহী জাওক ও মেজাজ অনুযায়ী বিস্তারিত গণতন্ত্র ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট সবগুলো বিষয়কে তুলে ধরেছেন। এবং নিজের মজবুত ইলমের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সমালোচনা করেছেন। হায়! কোনো আহলে ইলম যদি উক্ত বইটি তাহকিক করে নতুন ছাপাতো!!// . লেখক বইয়ের শুরুতে উক্ত বই লেখার কারণ হিসেবে লেখেন, ‘যে সকল গোমরাহির সূচনা ইবলিস শুরু করেছিলো, আজ সেটাকে তা*গু*তি শক্তিরা একটি শাস্ত্রীয় রূপ দিয়েছেন। সেই শাস্ত্রের ব্যক্তিদের কথা হলো আজ কোনো বিষয়কে গ্রহণযোগ্য ও গ্রহণীয় করে তুলতে হলে আগে অধিকাংশের নিকট তা গ্রহণীয় করিয়ে তুলতে হবে... তা*গু*তি শক্তি এই বিষয়টির (গণতন্ত্রের) সফলতা এই যে, আজ নিরেট ইসলামি ভূখণ্ডগুলোতেও যদি কেউ জনসমর্থন আদায় করতে চায় তাহলে তাকে অবশ্যই গণতন্ত্রের প্রশংসা করতে হবে। শুধু তাই নয়, কেউ কেউ তো ইসলামের পরিচয় ও ভালোদিকগুলোকে পশ্চিমের কাছে এমনভাবে প্রচার করে যে, ইসলামের মধ্যেও গণতন্ত্র রয়েছে! মুসলমানদের হীনমন্যতার সীমা তো দেখুন! এরা সমস্ত সমস্যার মূল গণতন্ত্রকে যাবতীয় ভালোর উৎস ও চূড়ান্ত কল্যাণ মনে করে যে, এতে কোনো সন্দেহ বা প্রশ্নের অবকাশই রাখে না। ফলে ইসলামকে একটি গুণসম্পন্ন ও সুন্দর ধর্ম প্রমাণ করার সহজ উপায় হিসেবে তারা এটিই খুঁজে পেয়েছে—ইসলামকে গণতান্ত্রিক বলে দাবি করা হোক, কিংবা অন্তত গণতন্ত্রের সাথে তার মিল খোঁজা হোক। আজকাল কিছু লোক ‘ইসলামী গণতন্ত্র’ নামক স্লোগান তুলে ধরছে। বোঝা যাচ্ছে না, এরা কি ইসলামকে উত্তম ও পরিপূর্ণ প্রমাণ করার জন্য এমন প্রচারণা চালাচ্ছে, নাকি গণতন্ত্রকে ইসলাম বানানোর একটা অযৌক্তিক চেষ্টা করছে!// . বইয়ের সামনের এক জায়গায় লেখক লেখেন, //প্রত্যেক বস্তু যে উদ্দেশ্য অস্তিত্ব আসে তা থেকে সেই বিষয়েরই ফলাফল আসবে। গণতন্ত্রকে অস্তিত্বে আনাই হয়েছে গীর্জা থেকে ধর্মকে মুছে ফেলার জন্য। সুতরাং গণতন্ত্রের আবশ্যকীয় ফলাফলই হলো ধর্মের বাধামুক্ত একটি স্বাধীন সমাজ প্রতিষ্ঠা।// -পৃ. ৬৩ . মূল বইতে লেখকের কিছু শিরোনাম দেখি, ১. ইবলিসের উপদেশ গণতন্ত্র। পৃ. ৬২ ২। গণতন্ত্র একট স্বতন্ত্র দীন ও জীবনব্যবস্থা। পৃ. ৬৬ ৩। গণতন্ত্র ধর্মের ঈমানে মুফাসসাল। পৃ. ৭২ (এরপর যে লম্বা আলোচনা করেছে তা একটু দেইখেন আল্লাহর ওয়াস্তে...!) ৪। কুরআন সুন্নাহের আলোকে গণতান্ত্রীক ধর্ম। পৃ. ১১৮ ৫। গণতান্ত্রিক ধর্ম একটি শিরকি ধর্ম। পৃ. ১২৭ এই অধ্যায়ের পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক রাজনীতির পুরোধা আলেম ও আলেম সমাজের মধ্যে সর্বোপ্রথম মন্ত্রী মুফতি মাহমুদ রহিমাহুল্লাহের একটি বক্তব্য লেখক এনেছেন, //যদি কেউ এটা বলে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব নয় সার্বভৌমত্ব তাহলে সে আল্লাহর সাথে শিরিক করলো আল্লাহকে ছাড়া গাইরুল্লাহকে আল্লাহর শরিক হিসেবে মেনে নিলো।// ৬। গণতান্ত্রিক ধর্ম ও ইসলাম ধর্মের মৌলিক পার্থক্য। পৃ. ১৩৩ ৭। গনতান্ত্রিক ধর্মের ধোকাবাজি। পৃ.১৫২ ৮। গণতান্ত্রিক ধর্মে আধিকাংশের মতের আইন। পৃ.১৫৮ . এই হলো প্রথম মাত্র দেরশো পৃষ্ঠায় লেখকের কিছু শিরোনাম আর অবস্থান। কিন্তু আকাবীরদের অনুসরণের দাবীদারদের এগুলো পড়ার সময় কোই...!

photo content

Jamhoriat_AqaloNaqal_Kay_Ainay_Main.pdf66.74 MB

সিরিয়া,আহমদ শারা, আলকায়দা, বাগদাদি, সবকিছু সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত একটি ধারণা এখানে পাবেন। https://youtu.be/Qh1Z9PmLUBA?si=cB32vVAMV52u-kZr

দারুল_ইসলাম_ও_দারুল_হারব.pdf3.11 KB

অভুক্ত_গাজাবাসীদের_মৃত্যু;_আমাদের_অপরাধ_ও_তার_শরয়ি_বিধান.pdf5.33 KB

আল্লাহ তাআলা কী আজিব হিম্মত দান করেছেন, সেই মানুষগুলোকে! পড়ে দেখতে পারেন। https://www.facebook.com/share/p/1BveCNfDKR/

ইসলাম ও গণতন্ত্র.pdf5.48 KB

কাতার ইউনিভার্সিটির শরিয়া বিষয়ক অধ্যাপক ড. ফজল বিন আব্দুল্লাহ মুরাদ হাফিজাহুল্লাহ একটি ঐতিহাসিক ফতোয়া লেখেছেন, “গাজার না খেয়ে মানুষকে হত্যার দায়ে ঐ সকল ব্যক্তিরাও অভিযুক্ত হবে, যারা বাধ্য হয়ে বা জবরদস্তির মুখে গা*জার সীমান্তগুলো বন্ধ করেছে, অথবা যাদেরকে দখলদার ই*হু*দিবাদী শত্রু ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছে, আর তারা সে আদে আদেশ মেনে নিয়েছে, তার নিষেধ মান্য করেছে এবং তাতে আনুগত্য প্রকাশ করেছে। কিংবা যারা পূর্বে বা পরে কোনো চুক্তি বা সমঝোতার মাধ্যমে তার সঙ্গে একমত হয়েছে, অথবা গোপনে বা প্রকাশ্যে তার সঙ্গে সহযোগিতা করেছে—তাহলে এদের সকলের ক্ষেত্রেই আগ্রাসী হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিধান প্রযোজ্য হবে, সরাসরি বা পরোক্ষভাবে, সন্তুষ্টির মাধ্যমে, জবরদস্তির মাধ্যমে, ষড়যন্ত্র বা সহযোগিতার মাধ্যমে—এই সবই এতে অন্তর্ভুক্ত। এভাবে তারা সকলেই গোনাহে অংশীদার হয়ে যায়। সুতরাং যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের কাছ থেকে খাবার ও পানি আটকে রাখার ফলে কোনো মুসলমান মারা যায় তাহলে অধিকাংশ ফকিহের মতে (মালেকি, শাফেঈ ও হাম্বলি) এতে কিসাস (প্রতিশোধমূলক শাস্তি) ওয়াজিব হয়। আর হানাফি মাজহাব মতে এতে দিয়াত দিয়াহ (রক্তপণ) ওয়াজিব হয়।"

যারা উর্দু পারেন তারা এই কমান্ডারের তিন-মিনিটের এই কথাগুলো শুনেন। . বাংলাদেশের এক বহুত বড় মাদরাসার তরুন গবেষক আলেম, সে দরসে ছাত্রদের মানহাজিদের পরিচয় বলতেছে, ‘যারা মনে করে বর্তমান পৃথিবীতে মুসলিমদের বাচার একমাত্র রাস্তা জি হা দ, তারাই হলো মানহাজি। . উর্দু বয়ানটুকু শুনেন। ঐ গবেষক ভাইরাও শুনেন।

‘আমাদের এই অবস্থায় আমরা গাজার জন্য আর কীইবা করতে পারি’, আল্লাহর ওয়াস্তে এই কথাটা মাথা থেকে বের করেন ভাই। বরং এটা মাথায় ঢুকান ‘গাজার জন্য আমার কিছু না কিছু করতেই হবে। করতেই হবে।’ এই কথাটাই শুধু মাথায় ঢুকান। এটাই আশপাশে বলেন ভাই। আপনি, আমি, আমার পরিচিত কেউ কিছুই পারতেছে না। কিন্তু, কিছু করতেই হবে, এটা একটা প্রজন্ম তৈরি করবে। এটা করতে পারবে, এমন কারো অন্তরে গিয়ে বাড়ি খাবে। . নিজের সাধ্যের বাহিরে গিয়েও অনেক মানুষ গাজার জন্য অনেক কিছু করেছে ও করছে। এটা শুধুই সম্ভব হয়েছে আমার কিছু করতেই হবে এই মানসিকতা থেকে। . একটা কথা বিশ্বাস করেন, আপনি জাতীরাষ্ট্রে বিশ্বাস করেন, তাহলে এটাও বিশ্বাস করে নেন, আপনি আসলে গাজার জন্য কিছুই করতে চাচ্ছেন না। আপনার এই কান্না নিছক কান্না আর নয় ভং। বিশ্বাস করেন, গাজার জন্য কিছু করতেই হবে এটার প্রথম স্টেপই হলো আমার আপনার আশপাশের তাগুত ও তাগুতের এজেন্ট আর তাদের সকল কিছুকে অস্বীকার ও অবিশ্বাস করা। . আজ যারা গাজার এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী তাদের সবকিছু বিশ্বাস করে আপনি গাজার জন্য কান্না করবেন, এগুলো নিছক কান্না ছাড়া আর কিছুই নয়। . গাজা নিয়ে কিছু লেখতে পারি না। গাজা নিয়ে কিছু পড়তে পারি না। গাজার কোনো ভিডিও দেখতে পারি না। যেদিন দেখি, সেদিনের সব কাজ বন্ধ হয়ে যায়! . গাজার রক্ত দেখতে দেখতে আর মৃতের সংখ্যা শুনতে শুনতে দুনিয়ার আর কোনো রক্তকে আর মৃতের সংখ্যাযে কিছুই মনে হয় না৷ ক্ষমা করবেন আমায়। . গাজার জন্য কী করার আছে, চাইলে দূর থেকেও কী করতে পারবেন, একটা ধারণা পেতে এই পিডিএফটা একটু সময় করে দেখেন। একটু দেখেন ভাই। https://t.me/abdullahbinbashir/865