Abdullah bin bashir
الذهاب إلى القناة على Telegram
📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir
تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 326 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 900 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 063 في منطقة بنغلاديش.
📊 مؤشرات الجمهور والحراك
منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 326 مشتركاً.
بحسب آخر البيانات بتاريخ 29 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 59، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -5، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.
- حالة التحقق: غير موثّقة
- معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 13.95%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.80% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
- وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 580 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 657 مشاهدة.
- التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 35.
📝 الوصف وسياسة المحتوى
يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
“প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট”
بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 30 أغسطس, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.
11 326
المشتركون
-524 ساعات
+107 أيام
+5930 أيام
أرشيف المشاركات
11 326
আমাদের প্রচলিত নাশিদের সুর না। একটু ভিন্ন! খালি গলার নাশিদও কতটা সুন্দর হতে পারে তার জন্য এটা শুনতে পারেন।
https://www.youtube.com/watch?v=0MEUbWIz_hM
11 326
আহমদ রাইসুনি অনুবাদ হচ্ছে। বেশ ভালো কথা। কিন্তু অনুবাদটা এমনভাবে হচ্ছে যেনো, আহমদ রাইসুনিকে এর আগ কেউ পাঠ করেনি। ইসলামের শুরা ব্যবস্থাকে জগাখুচিরি বানিয়ে গণতন্ত্রকে ইসলামি বানানোর তার প্রস্তাবিত বিষয়গুলো কেউই জানে না! অথচ বাস্তবতা হলো এগুলো অনেকটা পচা মাল। যে থিউরী রাইসুনিরা দিতে চাইতেছে এগুলো আরবে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে।
রাইসুনি হলো আরবের বিশিষ্ট মাকাসেদি, যারা মাকাসেদে শরয়ীয়্যাহকে একটা ফিতনাহের পর্যায়ে নিয়ে গিছে। কীভাবে, তাদের কাছে মাকাসেদে শরয়ীয়্যাহ মানিই হলো এর নাম করে ফকিহদের স্পষ্ট সমাধানকে পাশ কেটে গিয়ে স্টাবলিষ্ট জীবনব্যবস্থাকে ধরে রাখা। তাদের জীবনের সব সমাধানই পশ্চিমের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যেই থাকে।
তো, এমন একজন মানুষের বই অনুবাদ করা হচ্ছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যার যা ইচ্ছে সে অনুবাদ করতেই পারে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সাথে এগুলোও উম্মাহের জেনে রাখা দরকার রাইসুনি হলো ঐ ব্যক্তি যে, ইজরাইলের সাথে ফিলিস্তিনের শান্তিপূর্ণ অবস্থানের প্রবক্তা! যার বিরুদ্ধে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও আলেম আলী মুহিউদ্দি আল কারদাগীসহ বেশ কিছু আলেম খণ্ডনও করেছেন!
এই রাইসুনি হলো সেই যার মত, যেহেতু আধুনিক জাতী রাষ্ট্রে শরীয়া বাস্তবায়ন অসম্ভব তাই শরীয়া বাস্তবায়ন মুসলিমদের জন্য আর আবশ্যক থাকে না। কারণ অসম্ভব বিষয় তো আবশ্যক নয়!
.
তার যে বই অনুবাদ করা হয়েছে সেটা নিয়ে আলাপ করি আসেন।
তার পুরো বইয়ের খোলাসা হলো, এই যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র আর তার যে নেজাম আছে ভোট, পার্লামেন্ট, নারীদের পার্লামেন্টে যাওয়া, নারীদের ভোট দেওয়া ইত্যাদি যা যা আছে এই সবকিছুই ইসলামে আছে। শুধু আছেই নয়, বরং ইসলাম মূলত এটাই চায় এবং এভাবেই রাষ্ট্র চালাতে চায়!
একটা বলি শুধু, নারীদের শুরার সদস্য হওয়া অর্থাৎ, আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদ হওয়া। এখন সালাফদের অসংখ্য বক্তব্য তো পাওয়া যায়, নারীরা শুরার সদস্য হতে পারবে না। তাই রাইসুনি এটাকে কী করবে, সে মত আমাদের সালাফরা আসলে এই মাসআলাগুলো ঠিক মতো বুঝে নাই, এগুলো সঠিকভাবে মুনাকাশা করে নাই। তাই এখন আর ফকিহদের বক্তব্য নেওয়া যাবে না, আমরা সরাসরি সিরাত আর সাহাবাদের থেকে নিজেই নিয়ে নিবো। দুনিয়ার সমস্ত শয়তানী এভাবেই শুরু হয়। সালাফদের ইবারত ও সমাধানকে সামনে রাখলে তো আর পশ্চিমের জীবনব্যবস্থা মেনে নেওয়া সম্ভব না। তাই তাদেরকেই সাইট করে দেও।
শুরার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমান এটার দলিল সে কী দিছে জানেন? যে সমস্ত আয়াতে আল্লাহ নারী-পুরুষকে সমানভাবে সৃষ্টি করেছেন, তাই নারী পুরুষ সমান।
মুসা আ.কে ভাড়ায় রাখার জন্য শুয়াইব আ.-এর মেয়েরা যে পরামর্শ দিয়েছে, এখান থেকে প্রমাণিত হয় নারীরাও রাষ্ট্রের মূল কর্তৃত্বে অর্থাৎ, পার্লামেন্টে যেতে পারবে। শুধুই কী পারবে! বাকীটা আর না বললাম!
গণতন্ত্রকে ইসলামিকরনে পুরো বইতে এইধরনের দলিলই পাবেন ইনশাআল্লাহ। আর এগুলো পড়ে ভাববেন, আহা! আমাদের হুজুররা কত মূর্খ! গণতন্ত্রকে এভাবে কু*ফ*র বলে! আর জি*হা*দের কথা যারা বলে সেগুলোতো নষ্ট!
পড়তে থাকেন ইনশাআল্লাহ, চমৎকার ইলম!
11 326
প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ ও আখেরাতকে বাদ দিয়ে জীবনকে দেখার যে এক নতুন ধারা, সেটাই হলো মডার্নিজম বা আধুনিকতাবাদ। নওমুসলিম মরিয়ম জামিলা বড় সুন্দর বলেছেন, ‘কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই আধুনিক মতাদর্শ অতীন্দ্রিয় মূল্যবোধকে অস্বীকার করে। অপর কথায়, সত্য নির্ণয়নের কোনো চূড়ান্ত মাপকাঠি নেই; বরং সততা, নৈতিক মূল্যবোধ আপেক্ষিক বিষয়। সময়, স্থান ও অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের যথার্থতা সীমিত। “ওহী”-ভিত্তিক সমাজব্যবস্থাকে মডার্নিষ্টরা গতিহীন এবং অসার বলে অভিহিত করে।’
ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সংঘাত ( প্রকাশিতব্য )
11 326
মাওলানা আসিম উমর রহ. মাজহাব ও ইসলামি আইনশাস্ত্রের দিক থেকে হানাফি ছিলেন এবং দৃষ্টিভঙ্গি ও ধর্মীয় ঘরানার দিক থেকে উলামায়ে দেওবন্দের আকাবিরদের মতাদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন; কিন্তু সেই সঙ্গে অন্যান্য ধর্মীয় ঘরানার উলামায়ে কেরামের প্রতি তার মাঝে শ্রদ্ধাভাব বিদ্যমান ছিল এবং প্রয়োজনের সময় তাদের রচনাবলি ও লেখালেখি থেকেও তিনি উপকৃত হতেন।
মাওলানা রহ. কেন্দ্রগুলোতে—
‘সার বুলান্দ সার বুলন্দ, দেওবন্দ দেওবন্দ।’
অর্থাৎ দেওবন্দের জয়জয়কার—এমন স্লোগানের ব্যাপারে সকলকে বলেন, ‘আমি চাই না, মুজাহিদদের জামাতে কোনো বিশেষ ধর্মীয় ঘরানার ছাপ থাকুক এবং অন্য ঘরানাকে অপছন্দনীয় বলে বিবেচনা করা হোক; বরং এমন হওয়া উচিত যে, আমরা গোটা উম্মাহর জন্যই সম্পদ। যদি কোনো বেরেলভি মাহবুব সরদারে মাদানি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতকে রক্ষা করার জন্য আমাদের সঙ্গে আসতে চায়, তাহলে আমরা তার সঙ্গে বুক মিলিয়ে নেব।’
কতবার এমন হয়েছে যে, কোনো ভারসাম্যপূর্ণ রুচি প্রকৃতির অধিকারী এবং অন্য ঘরানার ব্যাপারে মধ্যমপন্থা অবলম্বনকারী সালাফি ভাইকে মাওলানা আসিম রহ. নামাজের ইমামতি করানোর জন্য সামনে এগিয়ে দিয়েছেন, তার ইমামতিতে নিজেও নামাজ আদায় করেছেন এবং অন্যদেরকেও পড়তে বলেছেন।
যখন কোনো সালাফি ভাই তার নিকট কোনো ফিকহি বিষয় জিজ্ঞেস করত, তখন তাকে তাদের ঘরানার উলামায়ে কেরামের রায় বর্ণনা করতেন। তিনি কখনোই কোনো সালাফি ভাইকে তার ধর্মীয় ঘরানা পরিবর্তন করার এবং দেওবন্দের উলামায়ে কেরামের পন্থা অনুসরণ করার দাওয়াত দেননি। অথচ তিনি নিজে দেওবন্দের উলামায়ে কেরামের চিন্তাধারা ও অবস্থানকে হক ও সত্যের সবচেয়ে কাছাকাছি বলে মনে করতেন।
তিনি বলতেন, ‘আমরা আমাদের আকাবিরদের কাছ থেকেই শিখেছি, আমরা নিজেদের ঘরানাকে হক বলে মনে করি; কিন্তু এখানে কোনো ভুলের সম্ভাবনাকে অস্বীকার করি না; একই সঙ্গে অন্য মাজহাবকে ভুল মনে করি; কিন্তু সেখানে সঠিক বিষয় থাকার সম্ভাবনাকে অস্বীকার করি না।’
আলকা----- য়ে --দা উপমহাদেশের আমির মাওলানা আসিম উমর রাহিমাহুল্লাহর জীবনীর অংশ।
.
উম্মাহের তরে জীবন দিলেন যারা বই থেকে (প্রকাশিতব্য)
11 326
ওয়ায়েল হাল্লাক অনুবাদ হচ্ছে, এটা বেশ সুখের কথা। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এটা বাংলাভাষায় অনুবাদ হোক, এমনটা খুব চাইতাম। কয়েক প্রকাশককে বলেছিও। কিন্তু সিয়াসাত বিষয়ে কিছু কিতাব উল্টানো ও পূর্বে ওয়ায়েল হাল্লাকের এই বইটা উর্দু ও আরবী থেকে একটা উল্লেখযোগ্য অংশ যেহেতু পড়েছি, সেই উপলব্ধি থেকে কয়েকটা কথা বলা জরুরি মনে করছি।
.
যাদের ইসলামি সিয়াসাত এবং মডার্ন রাষ্ট্রের ব্যাপারে সাধারণ ধারণাও নাই তারা ওয়ায়েল হাল্লাকের বইয়ের কয়েকশ হাত কাছেও যাবেন না। এটা জনসাধারণের জন্য লেখা কোনো বই না। এটা সম্পূর্ণ একাডেমিক লেখা বই, শুধুই একাডেমিক না বহু একাডেমিকের জন্যও এই বই পড়ে মর্ম উদ্ধার করা বেশ কষ্টসাধ্য বিষয়। অন্যের বিষয় জানি না, আমি নিজে যে কয়েকটি অধ্যায় পড়েছি, বেশ কষ্ট করে একটি বিষয় উদ্ধার করেছি।
.
ওয়েক হাল্লাক বেশ ভালো আলোচনা করেছ্বন, জাতীরাষ্ট্রের অনেক বাস্তবতা চোখে আঙ্গুল দিয়্ব দেখিয়েছেন কিন্তু সবকিছুর পরেও সে একজন অমুসলিম। তার ব্যাপারে ব্যাপারে যেনো আমাদের মুগ্ধতা লেভেল ছাড়িয়ে না যায়। একটি পর্যায় থাকে। আমি কী বলতে চাচ্ছি, বুঝতে পেরেছেন আশা করি। পশ্চিমা একাডেমিশিয়ানদের কাছে স্বীকৃত সকলের ব্যাপারেই আমি এই পরামর্শ দিবো সাধারণ ভাইদের।
.
ওয়ায়েল হাল্লাকের পুরাতন পাঠক যারা আছেন, তাদের পরামর্শ দিবো ইসলামি সিয়াসাতকে তার তুরাছের জায়গা থেকে আরো মজবুতির সাথে পড়ুন। অন্যথায় এধরণের একাডেমিশিয়ানদের ফিতনায় পড়া আপনাদের জন্য পানি ভাত হয়ে যাবে।
.
হাল্লাকের বইটি দুটো প্রকাশনী থেকে আসতেছে—কালান্তর ও সিয়ান। যার যে প্রকাশনীর উপর আস্থা আছে, সে ওই প্রকাশনীরটাই সংগ্রহ করবেন। উভয় প্রকাশনীই বাংলাভাষী উম্মাহের সামগ্রিক কল্যাণকামী হয়েই এই কঠিন ও কাটখোট্টা একাডেমিক বইটি আনার রিক্স নিয়েছেন। তাই এটা নিয়ে বিশেষ বিতর্কে না গিয়ে যার যেটা ভালো লাগে সেটা সংগ্রহ করে পড়বেন। একেক প্রকাশনীর একেকে বৈশিষ্ট্য অবশ্যই রয়েছে।
11 326
এই বইটি আমি অনুবাদ করিয়েছি মূলত বিভিন্ন দাওয়াহ সার্কেলের ভাইদের জন্য। ভাইরা ইনশাআল্লাহ খুব নিশ্চিন্ত মনে বইটি নিজেদের পাঠ্য তালিকায় যুক্ত করে নিবেন।
.
বইটি অনুবাদ করেছেন মাদরাসাতু আলীর ইফতা বিভাগের শিক্ষক উস্তাদে মুহতারাম Ariful Islam সাহেব৷
11 326
১ম খণ্ডে যাদের জীবনী এসেছে :
মো ল্লা উ মর
ইলি য়াস কাশ্মিরি
আহমাদ ফারুক
আসিম উমর
শাইখ উ সা মা
আতিয়া তুল্লাহ লিবি
আদম ইয়াহইয়া (আয যাম আল আমরিকি)
আবু লা ইস
২য় খণ্ডে যাদের জীবনী এসেছে :
আবদুল্লাহ আ য যা ম
মুখতার আবু যুবায়ের
আ ই মা ন আজ-জা ও য়া হিরি
আবু মু সআ ব আ স সু রি
আন ও য়ার আ ল-আও লাকি
সামির খান
আবু হাফস
আবু মুস আব যার কাভি
মোস্তফা আবু ইয়াজিদ
11 326
ইমরান রাইহান ভাইয়ের খিলা*ফাহ বইটা পুরোটা পড়লাম। বাংলাভাষায় একটা প্রয়োজনীয় কাজ হয়ে গেছে। আলহামদুলিল্লাহ। বই আসুক, বিস্তারিত আরো কথা হবে।
.
আমরা আমাদের রাজনীতি আমাদের তুরাসি ভাষাতেই বুঝবো এবং এই ভাষাতেই দীনকে বিজয়ী করবো। পরাজিত থাকা অবস্থায় আমরা ইজতিহাদের রাস্তা খুলবো না৷
11 326
ভারতের সরকার বিরোধী আন্দোলনের সফলতার জন্য জুমআর নামাজ পরবর্তী পুরো দেশে গণদোয়ার জন্য আহবান জানালেন “ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবন দর্শনের সংঘাত” বইয়ের লেখক শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বশির।
11 326
আমার মতে- ইসলামী বিশ্বের ইতিহাসে এর চেয়ে বড় দূর্ঘটনা ঘটেনি। বাগদাদ পতন, তা*লেবা*ন পতন, এবং উসমানি খেলাফত পতন অপেক্ষা এটি বড় দূর্ঘটনা। কারণ, খেলাফত দ্বিতীয়বার প্রতিষ্ঠা হতে পারে, কিন্তু এই উ*সা*মা আর থাকবে না। সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ূবি এবং অন্যান্য মুসলিম সেনাপতির শাহাদাত অপেক্ষাও এটি বড় দূর্ঘটনা। কেননা তাঁদের পরে এমন সেনাপতির জন্ম হয়েছে, যে তাঁদের স্থান দখল করতে পেরেছে। কিন্তু, পুরো ইসলামী বিশ্বে উ*সা*মার মতো সেনাপতি আমি আজও দেখিনি। আল্লাহ উম্মতের এ অবস্থায় তাদের প্রতি রহম করুন।
.
*উ*সা*মা এমন ব্যক্তি ছিল, যে কা]ফে]র গুষ্টির চোখে চোখ তুলেছে। তাঁর শাহাদাতে ইহুদি ও বিন্দু মা*লা*উনরা উচ্ছাস করেছে। শেষ পর্যন্ত আমাদের বেকুব শাসকরাও বলেছিল- ‘‘অনিষ্ঠের মূল মাথা ধ্বংস হয়েছে।’’
—সামিউল হক হক্কানি রহ.
হায়াতে জাওদানী কে হামেল পৃ.৩০৬
11 326
একটি জীবনী গ্রন্থ আসতেছে। লিংকের কমেন্টে তালিকা দেওয়া আছে তাদের। সেটা দেখেই সিদ্ধন্ত নেন বইটা সংগ্রহ করবেন কি না।
https://www.facebook.com/share/p/1BKfQ5V91p/
11 326
বইটিতে ৯টি ভূমিকা। আটটি অধ্যায়। ও তিনটি পরিশিষ্ট থাকবে।
প্রথম ভূমিকা: ঈমান ও কুফরের পরিচয়
দ্বিতীয় ভূমিকা: দীন শব্দের মর্ম ও ব্যবহার
তৃতীয় ভূমিকা : ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুটি স্বতন্ত্র জীবন দর্শন
চতুর্থ ভূমিকা : কুরআনের দর্পনে পশ্চিমা সভ্যতা
পঞ্চম ভূমিকা : পশ্চিমা সভ্যতার গোড়ার কথা
ষষ্ঠ ভূমিকা : পশ্চিমা সভ্যতার উৎপত্তি কাল
সপ্তম ভূমিকা :জাহিলিয়্যাত ও আধুনিক জাহিলিয়্যাত
অষ্টম ভূমিকা : পরিভাষা বিভ্রাট
নবম ভূমিকা : পরিভাষার অজ্ঞতা পশ্চিমের ইসলামি করণের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
প্রথম অধ্যায় : মডার্নিজম
দ্বিতীয় অধ্যায় : হিউম্যানিজম
তৃতীয় অধ্যায় : লিবারেলিজম
চতুর্থ অধ্যায়: সেকুলারিজম
পঞ্চম অধ্য্যায় : বিবর্তনবাদ
ষষ্ঠ অধ্যায় : জাতীয়বাদ
সপ্তম অধ্যায় : প্রাচ্যবাদ
অষ্ঠম অধ্যায় : পুজিবাদ
পরিশিষ্ট ১ : ইন্টারফেইথ
পরিশিষ্ট ২: কোয়ান্টাম মেথড
পরিশিষ্ট ৩: পশ্চিমা সভ্যতা সংক্রান্ত বই পরিচিত
11 326
একদম স্পষ্ট মনে আছে। শুক্রবার দিন। দশটার দিকে ঠিকানা গাড়ি যোগে নীল মোড়ের কিছু আগে জ্যামে বসেছিলাম। যাচ্ছিলাম, সিয়াসাত বিষয়ে দুটো বই প্রিণ্ট করাতে দিয়েছি তা নিয়ে আসার জন্য। এমন সময় তালহার মেসেজ--ভাই আপনাকে দুটো বই দেই দেখেন কেমন লাগে। মাওলানা জাহেদ ইকবালের দুটো বই তালহা একদম ঝকঝকা পিডিএফ দেয়। জ্যামে বসে দুটো বই দেখে তো আমার অবস্থা ভয়াবহ। নীলক্ষেতে সাথে সাথেই প্রিন্ট দেই। পুরোটা পড়ে হিম্মত করি অনুবাদ শুরু করে দিবো। কিন্তু তালহার ইচ্ছে ছিলো কাজটা তালহা নিজে করবে। আমি সাচ্ছ্যন্দে রাজি হই। তালহা শুরু করে। কিন্তু শেষ করতে পারেনি!
.
ফখর না। বাংলাদেশে এই বই নিয়ে পোষ্ট করার পর অসংখ্য মানুষ সিয়াসাত বিষয়ে এই বইটি পড়েছে ও পড়ছে। অবশ্যই এর সাওয়াব তালহা পেতে থাকবে। অবশ্যই পেতে থাকবে।
.
বইটা যখন ফাদলুল্লাহ অনুবাদ শেষ করে তখন একদিন ওকে মনে কথাটা জানাই-যদি আমি অনুবাদ করতাম তাহলে তালহাকেই অর্পন করতাম। কারণ এই বইয়ের মূল খোঁজ তো তালহারই দেওয়া। ফাদলুল্লাহ সাথে সাথে বললো, ভাই আমিও এটাই ভেবে রেখেছি তালহাকেই অর্পন করবো। শুনে খুশি হলাম। আমার চিন্তাটার সাথে ওর চিন্তা মিলে যাওয়ায়।
.
তালহার কী অবস্থা আমি জানি না। দূর্বল মুমিন হিসেবে এই দোয়া করি সর্বদা আল্লাহ তালহাকে দ্রুত আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনুক। আমীন।
.
বইটার শর্ট পিডিএফ লিংক :
https://t.me/abdullahbinbashir/1216
11 326
প্রকাশকের সাথে গতকাল লম্বা সময় ঝগড়া করে দাম কমাইলাম। নেন, এবার প্রি-অর্ডার দেন। মিস দিয়েন না। ইসলাম কী চায়, তা না করতে পারলেও, চায়টা কী, একটু জানেন তো অন্তত।
.
প্রি-অর্ডার করুন, প্রকাশনীর পেইজে।
11 326
যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্যমান আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতার মাথায় লেখা 'কাফ' 'ফা' 'র' (কাফের) এটা বুঝতে সক্ষম নয়, বিশ্বাস করুন সে কোনোদিন ব্যক্তি দাজ্জালের মাথায় লেখা কাফের শব্দটিও সে চিনতে পারবে না।
-ড. মুহাম্মদ রশিদ রাশেদ
11 326
বিন লাদেন (রহ.) ধর্মীয়, রাজনৈতিক এবং নৈতিক সকল ক্ষেত্রেই সমস্ত শয়তানের মূল হিসেবে এবং মুসলিম উম্মাহর ওপর আপতিত সকল দুঃখ দুর্দশার উৎস হিসেবে আমেরিকাকে চিহ্নিত করেন। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন যে, তিনি আমেরিকাকে ঘৃণা করেন, কারণ তারা সৌদি আরবসহ অন্যান্য সকল দুর্নীতিবাজ এবং নিপীড়ক শাসনব্যবস্থার প্রধান সহায়ক এবং তারা ইসরাইলকে অকুণ্ঠ সহায়তাকারী।
আব্দুল বারী আতওয়ান──সিক্রেট হিস্ট্রি: ৭৩ পৃঃ
11 326
নাস্তিকের জানাযা দাফনের বিধান নিয়ে আমার একটি পুরাতন লেখা। দেখতে পারেন। বদরুদ্দিন ওমরের জানাযার জন্য কাজে আসবে।
https://www.facebook.com/share/p/19p4Uo59sT/
