fa
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

رفتن به کانال در Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah bin bashir

کانال Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 11 292 مشترک است و جایگاه 8 145 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 031 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 11 292 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 22 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 77 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر 3 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 19.38% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 8.20% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 2 188 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 926 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 47 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 23 ژوئن, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

11 292
مشترکین
+324 ساعت
+327 روز
+7730 روز
آرشیو پست ها
শুন্যস্থান রাখা যাবে না৷ ❤️
শুন্যস্থান রাখা যাবে না৷ ❤️

কবি ইকবালকে ওলামায়ে কেরামের তাকফিরের ঘটনা তো অনেক শুনেছি, এই ঘটনা দিয়ে বহু কবি সাহিত্যিকরা প্রায় ওলামায়ে কেরামকে কটুক্তিও করে থাকে। অথচ বাস্তবতা হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন। আল্লাহ মাওলানা ইমরান রাইহান ভাইকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। পুরোটা শুনতে পারেন। https://youtu.be/dZf-Nj1aHm4?si=TH4LMy8pMFuKow0d

হারামাইন টিভিতে শক্তি ভাইয়ের নতুন পডকাস্টটা শুনলাম। আল্লাহ ভাইকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। পডকাস্টটি আলেম-সাধারণ সকলেরই শুনা উচিত। ইনশাআল্লাহ, ইসলামের সার্বজনীন বিষয়টির ব্যাপারে অল্প হলেও আপনার ঈমান বৃদ্ধি পাবে। ইসলাম সম্পর্কে আপনাকে নতুন করে ভাবতে শিখাবে। ইসলাম কেনো সর্বযুগে সবচেয়ে কল্যাণকর জীবনব্যবস্থা সেই বিষয়ে আপনার অন্তরে বদ্ধমূল ধারণা ও বিশ্বাস তৈরি করবে। https://youtu.be/yjre0vpb7cw?si=pO1guNZM33bPHOUo

এই লোকটাকে এক কথায় মূল্যায়ন করা আসলেই কষ্টকর! এবং এখনো পর্যন্ত শারাকে নিয়ে যেকোনো দিকেই সরলীকরণের পক্ষপাতী আমি নই।
এই লোকটাকে এক কথায় মূল্যায়ন করা আসলেই কষ্টকর! এবং এখনো পর্যন্ত শারাকে নিয়ে যেকোনো দিকেই সরলীকরণের পক্ষপাতী আমি নই।

ব্যক্তি পর্যায়ের ধর্মের পরিধিও সেক্যুলার রাষ্ট্র নির্ধারণ করে দেয় সেক্যুলার রাষ্ট্র ধর্মকে শুধু ব্যক্তিজীবনে সীমাবদ্ধ করেই ক্ষান্ত হয় না, বরং ধর্মের পরিধিও সে নিজে ঠিক করে দেয়—ধর্মের এই অংশটুকু মানতে পারবে, ওই অংশটুকু মানতে পারবে না; ধর্মের এই এই আলোচনা করতে পারবে, ওগুলো করতে পারবে না। আর এই সীমানা নির্ধারণের কাজটি তারা ধর্মীয় গ্রন্থ বা মূল্যবোধের আলোকে করে না; বরং সেক্যুলারিজমের নিজস্ব জ্ঞানতত্ত্ব ও মূল্যবোধের আলোকে করে থাকে। সেক্যুলারিজম মানুষের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন থেকে খোদা ও খোদা-প্রদত্ত ধর্মকে মুছে দিয়ে ব্যক্তিজীবনে ধর্মকে একটি অনর্থক বিষয়ে পরিণত করে। যে বিষয়গুলো সামাজিক জীবনে অনর্থক ও অপ্রয়োজনীয়, সে বিষয়গুলোকে মানুষ ব্যক্তিজীবনে কতক্ষণ পর্যন্ত একনিষ্ঠতার সাথে আঁকড়ে রাখতে পারবে? যে ধর্ম তার পারিবারিক জীবনে প্রযোজ্য নয়, বাজারে প্রযোজ্য নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য নয়, অফিসে প্রযোজ্য নয়, কোর্টে প্রযোজ্য নয়, থানায় প্রযোজ্য নয়, আইন তৈরিতে প্রযোজ্য নয়—এককথায় মানুষের সামষ্টিক জীবনের কোথাও প্রযোজ্য নয়, সে ধর্মকে মানুষ ব্যক্তিজীবনে কেনই-বা মূল্য দেবে? কোনো রাখঢাক না রেখে ওয়ায়েল হাল্লাক বিষয়টি পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন, what secularism is. Secularism is not just segregating religious life into the private sphere. It is rather the determination of the state of what religion is and is not, where and how it can be exercised. In terms of political theology, secularism is the murder of God by the State. The state can delimit, limit, exclude or curtail any religious practice, and thus has the power to determine the quality and quantity of the religious sphere as it sees fit. This is because the state is the ultimate sovereign, with its own reason for existence — what we call reason of state or raison d’état, a relatively new concept in the long stretch of human history.
‘সেক্যুলারিজম আসলে কী? সেক্যুলারিজম দ্বারা শুধু ধর্মীয় জীবনকে ব্যক্তি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ করে ফেলাকে বোঝানো হয় না। বরং এর দ্বারা বোঝানো হয়, রাষ্ট্রই নির্ধারণ করবে ধর্ম মূলত কী এবং কী নয়, (কোন বিষয়টিকে ধর্মীয় বলা হবে, আর কোন বিষয়টিকে ধর্মীয় বলা হবে না।) এটি কোথায় পালন করা যাবে এবং কীভাবে পালন করতে হবে। রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে সেক্যুলারিজম হলো রাষ্ট্র কর্তৃক ঈশ্বরকে হত্যা। রাষ্ট্র চাইলে যেকোনো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানকে ব্যাপক বা সীমাবদ্ধভাবে পালন করতে দিতে পারে। চাইলে এটিকে একেবারে বাদ নয়তো সংকীর্ণ করতে পারে। এভাবে সে ইচ্ছানুযায়ী ধর্মীয় পরিমণ্ডলের বিস্তৃতি এবং পরিধি নির্ধারণের ক্ষমতা রাখে।’
ধর্মের ব্যাপারে সেক্যুলার রাষ্ট্রের বেঁধে দেওয়া এই গণ্ডি অতিক্রম করার পরিণতি কী হতে পারে, সে প্রসঙ্গে রুশো বলেছেন,
‘আমার কথা হচ্ছে : জাতীয় ধর্ম বলে যেমন কিছু নেই, তেমনি হতেও পারে না। যে ধর্ম অপর ধর্মের ও বিশ্বাসের ক্ষেত্রে সহিষ্ণু হবে, সে ধর্মকে আমরা রাষ্ট্রের মধ্যে স্বীকার করব। নাগরিকের দায়িত্ব পালনের অন্তরায় না হলে যেকোনো ধর্মবিশ্বাসই রাষ্ট্রের মধ্যে থাকতে পারে। কিন্তু কোনো ধর্ম যদি ঘোষণা করে তার বিশ্বাসের বাইরে কারও আত্মার মুক্তি নেই, তবে রাষ্ট্রের মধ্যে তার স্থান হতে পারে না।’
-ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সংঘাত বইয়ের “সেকুলারিজম” অধ্যায় থেকে

ব্যক্তি পর্যায়ের ধর্মের পরিধিও সেক্যুলার রাষ্ট্র নির্ধারণ করে দেয় সেক্যুলার রাষ্ট্র ধর্মকে শুধু ব্যক্তিজীবনে সীমাবদ্ধ করেই ক্ষান্ত হয় না, বরং ধর্মের পরিধিও সে নিজে ঠিক করে দেয়—ধর্মের এই অংশটুকু মানতে পারবে, ওই অংশটুকু মানতে পারবে না; ধর্মের এই এই আলোচনা করতে পারবে, ওগুলো করতে পারবে না। আর এই সীমানা নির্ধারণের কাজটি তারা ধর্মীয় গ্রন্থ বা মূল্যবোধের আলোকে করে না; বরং সেক্যুলারিজমের নিজস্ব জ্ঞানতত্ত্ব ও মূল্যবোধের আলোকে করে থাকে। সেক্যুলারিজম মানুষের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন থেকে খোদা ও খোদা-প্রদত্ত ধর্মকে মুছে দিয়ে ব্যক্তিজীবনে ধর্মকে একটি অনর্থক বিষয়ে পরিণত করে। যে বিষয়গুলো সামাজিক জীবনে অনর্থক ও অপ্রয়োজনীয়, সে বিষয়গুলোকে মানুষ ব্যক্তিজীবনে কতক্ষণ পর্যন্ত একনিষ্ঠতার সাথে আঁকড়ে রাখতে পারবে? যে ধর্ম তার পারিবারিক জীবনে প্রযোজ্য নয়, বাজারে প্রযোজ্য নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য নয়, অফিসে প্রযোজ্য নয়, কোর্টে প্রযোজ্য নয়, থানায় প্রযোজ্য নয়, আইন তৈরিতে প্রযোজ্য নয়—এককথায় মানুষের সামষ্টিক জীবনের কোথাও প্রযোজ্য নয়, সে ধর্মকে মানুষ ব্যক্তিজীবনে কেনই-বা মূল্য দেবে? কোনো রাখঢাক না রেখে ওয়ায়েল হাল্লাক বিষয়টি পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন, what secularism is. Secularism is not just segregating religious life into the private sphere. It is rather the determination of the state of what religion is and is not, where and how it can be exercised. In terms of political theology, secularism is the murder of God by the State. The state can delimit, limit, exclude or curtail any religious practice, and thus has the power to determine the quality and quantity of the religious sphere as it sees fit. This is because the state is the ultimate sovereign, with its own reason for existence — what we call reason of state or raison d’état, a relatively new concept in the long stretch of human history. ‘সেক্যুলারিজম আসলে কী? সেক্যুলারিজম দ্বারা শুধু ধর্মীয় জীবনকে ব্যক্তি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ করে ফেলাকে বোঝানো হয় না। বরং এর দ্বারা বোঝানো হয়, রাষ্ট্রই নির্ধারণ করবে ধর্ম মূলত কী এবং কী নয়, (কোন বিষয়টিকে ধর্মীয় বলা হবে, আর কোন বিষয়টিকে ধর্মীয় বলা হবে না।) এটি কোথায় পালন করা যাবে এবং কীভাবে পালন করতে হবে। রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে সেক্যুলারিজম হলো রাষ্ট্র কর্তৃক ঈশ্বরকে হত্যা। রাষ্ট্র চাইলে যেকোনো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানকে ব্যাপক বা সীমাবদ্ধভাবে পালন করতে দিতে পারে। চাইলে এটিকে একেবারে বাদ নয়তো সংকীর্ণ করতে পারে। এভাবে সে ইচ্ছানুযায়ী ধর্মীয় পরিমণ্ডলের বিস্তৃতি এবং পরিধি নির্ধারণের ক্ষমতা রাখে।’ ধর্মের ব্যাপারে সেক্যুলার রাষ্ট্রের বেঁধে দেওয়া এই গণ্ডি অতিক্রম করার পরিণতি কী হতে পারে, সে প্রসঙ্গে রুশো বলেছেন, ‘আমার কথা হচ্ছে : জাতীয় ধর্ম বলে যেমন কিছু নেই, তেমনি হতেও পারে না। যে ধর্ম অপর ধর্মের ও বিশ্বাসের ক্ষেত্রে সহিষ্ণু হবে, সে ধর্মকে আমরা রাষ্ট্রের মধ্যে স্বীকার করব। নাগরিকের দায়িত্ব পালনের অন্তরায় না হলে যেকোনো ধর্মবিশ্বাসই রাষ্ট্রের মধ্যে থাকতে পারে। কিন্তু কোনো ধর্ম যদি ঘোষণা করে তার বিশ্বাসের বাইরে কারও আত্মার মুক্তি নেই, তবে রাষ্ট্রের মধ্যে তার স্থান হতে পারে না।’

এই অঞ্চল নিয়ে ইমরান রাইহান ভাইয়ের এই আলোচনাটা যারা শুনেননি তারা শুনতে পারেন। যারা শুনেছেন তারা আবার শুনেন। ৭ মিনিটের পর থেকে বাউল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা আছে। https://www.youtube.com/watch?v=_wXVApaHhcA&t=2021s

আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতাকে বলা হয় ইতিহাসের প্রথম মুলহিদ বা ধর্মহীন সভ্যতা। কিন্তু এই সভ্যতা যখন ইসলাম ও মুসলমানদের মুখোমুখি হয়, তখন সে তার পুরনো খ্রিস্টীয় উত্তরাধিকারকেই তুলে ধরে। নিজের সামরিক আগ্রাসনকেও সে গৌরবান্বিত করে ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধ বলে। একই ব্যাপার ঘটে বাঙ্গালি সেক্যুলারদের ক্ষেত্রেও। তারা নিজেদেরকে যতই ধর্মহীন প্রচার করুক, ইসলাম ও মুসলমানদের মুখোমুখি হলে তারা আশ্রয় নেয় পৌত্তলিকতা ও হিন্দুত্ববাদের কোলেই। ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নামে এরা পৌত্তলিকতাকেই বারবার সামনে আনে। বাউলদের জন্য এদের মায়াকান্নার কারণ হলো বাউলদের মাঝে বিদ্যমান পৌত্তলিকতার উপাদান, এছাড়া সুফি ও তাসাউফের প্রতি তাদের কোনো আগ্রহ নেই।

আমরা এক সাহাবী সিফাতওয়ালা মহান মানুষের সময়কাল পেয়েছি।
আমরা এক সাহাবী সিফাতওয়ালা মহান মানুষের সময়কাল পেয়েছি।

পাকিস্তানের আর্মি প্রকৃত শহিদ না শরিয়ার জন্য যুদ্ধ করা কাবায়েলি পাঠানরা? তা যাচাইয়ের সহজ একটি পদ্ধতি মেঙ্গল সাহেব বলে দিছেন। শুনতে পারেন।

জাতিসংঘের অনুষ্ঠানে যাওয়া এবং তা নিয়ে সমালোচনা নিয়ে শায়খ হারুন ইজহার সাহেবের আলোচনা শুনতে পারেন। বিশেষ করে প্রথম মিনিট। https://www.youtube.com/watch?v=Kspb7hlkW48

পনেরটি অপরাধের কারণে ভুমিকম্প আসবে, সবগুলোই আমাদের মাঝে বিরাজমান। তাই পাপ থেকে ফিরে আসা সময়ের দাবি। عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ: তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
إِذَا اتُّخِذَ الْفَىْءُ دُوَلاً
যখন গানীমাতের (যুদ্বলব্দ) মাল ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত হবে,
وَالأَمَانَةُ مَغْنَمًا
আমানতের মাল লুটের মালে পরিণত হবে,
وَالزَّكَاةُ مَغْرَمًا
যাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে,
وَتُعُلِّمَ لِغَيْرِ الدِّينِ
ধর্ম বিবর্জিত শিক্ষার প্রচলন হবে,
وَأَطَاعَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ
পুরুষ স্ত্রীর অনুগত হয়ে যাবে
وَعَقَّ أُمَّهُ
কিন্তু নিজ মায়ের অবাধ্য হবে,
وَأَدْنَى صَدِيقَهُ
বন্ধু-বান্ধবকে কাছে টেনে নিবে,
وَأَقْصَى أَبَاهُ
কিন্তু পিতাকে দূরে ঠেলে দিবে,
وَظَهَرَتِ الأَصْوَاتُ فِي الْمَسَاجِدِ
মসজিদে কলরব ও হট্টগোল করবে,
وَسَادَ الْقَبِيلَةَ فَاسِقُهُمْ
পাপাচারীরা গোত্রের নেতা হবে,
وَكَانَ زَعِيمُ الْقَوْمِ أَرْذَلَهُمْ
নিকৃষ্ট লোক সমাজের কর্ণধার হবে,
وَأُكْرِمَ الرَّجُلُ مَخَافَةَ شَرِّهِ
কোন মানুষের অনিষ্ট হতে বাঁচার জন্য তাকে সম্মান দেখানো হবে,
وَظَهَرَتِ الْقَيْنَاتُ وَالْمَعَازِفُ
গায়িকা-নর্তকী ও বাদ্য যন্ত্রের বিস্তার ঘটবে,
وَشُرِبَتِ الْخُمُورُ
মদ পান করা হবে,
وَلَعَنَ آخِرُ هَذِهِ الأُمَّةِ أَوَّلَهَا
এই উম্মাতের শেষ যামানার লোকেরা তাদের পূর্ববতী মনীষীদের অভিসম্পাত করবে,
فَلْيَرْتَقِبُوا عِنْدَ ذَلِكَ رِيحًا حَمْرَاءَ وَزَلْزَلَةً وَخَسْفًا وَمَسْخًا وَقَذْفًا وَآيَاتٍ تَتَابَعُ كَنِظَامٍ بَالٍ قُطِعَ سِلْكُهُ فَتَتَابَعَ ‏"‏
তখন তোমরা অগ্নিবায়ু, ভূমিধস, ভূমিকম্প, চেহারা বিকৃতি ও পাথর বর্ষণরূপ শাস্তির এবং আরো আলামতের অপেক্ষা করবে যা একের পর এক নিপতিত হতে থাকবে, যেমন পুরানো পুঁতিরমালা ছিড়ে গেলে একের পর এক তার পুঁতি ঝরে পড়তে থাকে। জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২২১১ -মুফতি আরিফ বিন হাবিব হাফি.

আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতরের অধিন “আফ্রিকা সেন্টার ফর স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ” (Africa Center for Strategic Studies, সংক্ষেপে ACSS) নভেম্বরের ১৭ তারিখ নতুন একটি গবেষণা প্রকাশ করেছে। যার শিরোনাম হলো, Somalia at Risk of Becoming a Jihadist State (জিহাদি রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে সোমালিয়া) পুরো লেখাটা সতর্কতার সাথে পড়লে বেশ অনেক তথ্যই জানা যাবে৷ . লেখার লিংক : https://africacenter.org/publication/asb45en-somalia-risk-jihadist-state/

সিলেটের ভাইরা আমার বইটা নিয়ে পাঠচক্র করছে। ভাইরা প্রথম উদ্যোগ নিয়ে বেশি দোয়া নিয়ে নিলো। বাকিরা পিছিয়ে গেলেন।
সিলেটের ভাইরা আমার বইটা নিয়ে পাঠচক্র করছে। ভাইরা প্রথম উদ্যোগ নিয়ে বেশি দোয়া নিয়ে নিলো। বাকিরা পিছিয়ে গেলেন।

ছোট সময় যখন নোয়াখালী মেজো আপুর বাসাত বেড়াতে আসতাম জাজ কোর্টের সামনে এখানে এসে পিছলা খেতাম। আমাদের জন্য এটা আশ্চর্য রকমের এক ম
+1
ছোট সময় যখন নোয়াখালী মেজো আপুর বাসাত বেড়াতে আসতাম জাজ কোর্টের সামনে এখানে এসে পিছলা খেতাম। আমাদের জন্য এটা আশ্চর্য রকমের এক মজার জায়গা ছিলো। পাশেই বিশাল দীঘির কারণে অনেক রৌদের মধ্যেও হিমশীতল বাতাস বয়ে যেতে পুরোটা সময়।

সেক্যুলারিজমের ইসলামি দৃষ্টিকোণ সেক্যুলারিজমের ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার পূর্বে ইসলাম গ্রহণযোগ্য হওয়ার চারটি শর্ত আমাদের ভালোভাবে বুঝতে হবে, যেগুলো ছাড়া ঈমান ও ইসলাম গ্রহণযোগ্য নয়: ১) ইসলাম ও তার প্রতিটি বিধানের প্রতি পরিপূর্ণ সন্তুষ্টি ও পূর্ণাঙ্গ ভালোবাসা রাখা, ২) দ্বীনের প্রতিটি বিষয়কে সম্মান ও মহত্বের দৃষ্টিতে দেখা, ৩) শরিয়তের বিধিবিধানের সামনে পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ করা, ৪) ইসলাম ছাড়া অন্য সকল ধর্ম থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং সেগুলোকে ঘৃণা করা। এই চারটি বিষয় ঈমানের আবশ্যকীয় অংশ। এখানের কোনো একটি কারও থেকে ছুটে গেলে, সে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাবে। বিষয়টি আরও স্পষ্ট হওয়ার জন্য এখানে একটি নুকতা মনে রাখা প্রয়োজন। তা হলো, ইসলামের যেকোনো বিধান, যদি তা অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয়ে যায় তাহলে তার ক্ষেত্রে উপযুক্ত শর্তসমূহ সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা, সম্মান ও মহত্ত্ব স্বীকার, আত্মসমর্পণ-প্রযোজ্য হবে। প্রমাণিত কোনো একটি বিধানের ক্ষেত্রেও যদি এই শর্তগুলোর কোনো একটি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে ঈমান ও ইসলামের দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না, যদিও ইসলামের অন্য সকল বিধান মনেপ্রাণে মেনে চলা হয়। উদাহরণত, কোনো ব্যক্তি ইসলামের সকল বিধান উপযুক্ত শর্তাবলির আলোকে গ্রহণ করে নিয়েছে, কিন্তু সুদের বিধানের বিষয়ে সে সন্তুষ্ট না, বা সন্তুষ্ট কিন্তু এটা নিয়ে সে হাসি-মজাক করে, তাহলে ইসলামের সকল বিধান মেনে নেওয়া সত্ত্বেও সে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী কাফের বলে গণ্য হবে। এখন সেক্যুলারিজমের পুরো বাস্তবতাকে যদি আমরা এই চারটি শর্ত বা মূলনীতির আলোকে ওপরের নুকতা সামনে রেখে পর্যালোচনা করি, তাহলে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সেক্যুলার মতবাদে এই চারটি মূলনীতি সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। এই মতবাদটি দ্বীনের শুধু একটি-দুটি নয়; বরং অধিকাংশ বিধানের সাথেই অর্থনীতি, শিক্ষা, বিবাহ ও সামাজিক অন্যান্য সম্পর্কসহ ইসলামের প্রতিটি অধ্যায়ের সাথেই সেক্যুলারিজমের রয়েছে অবজ্ঞা ও ঘৃণার সম্পর্ক; বরং ইসলাম ধর্মকে সে একটি অনুপযুক্ত ধর্মই জ্ঞান করে থাকে। এখানে একটি কথা বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন যে, মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রগুলোতে যদিও সেক্যুলার মতবাদ প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু এখানকার অধিকাংশ মুসলিমের কাছে সেক্যুলার মতবাদ তার পূর্ণ বাস্তবতা ও উদ্দেশ্যসহ স্পষ্ট নয়। যার কারণে তারা সেক্যুলারিজমের স্বীকারোক্তির পাশাপাশি দ্বীনের অকাট্য বিধানগুলোকে স্বীকার করে এবং ইসলামের প্রয়োজনীয়তা ও শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে কোনো রকম দ্বিধায় থাকে না। প্রতারণাপূর্ণ সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যাগুলো সামনে রেখেই সে সেক্যুলারিজমের কথা বলে। তাই সেক্যুলারিজমের কথা বললেই কাউকে ঢালাওভাবে কাফের বলা অনুচিত ও অসতর্কতামূলক একটি কাজ। সুতরাং সেক্যুলারিজমে বিশ্বাসী কাউকে সুনির্দিষ্টভাবে কাফের বলা থেকে যেমন বেঁচে থাকা উচিত, তেমনি এই কথাও সকলকে জানিয়ে দেওয়া একটি ঈমানি দায়িত্ব যে, সেক্যুলারিজম একটি কুফরি মতবাদ এবং যারা সেক্যুলারিজমের বাস্তবতা অনুধাবন করার পরেও তা সমর্থন করবে, বা তা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাবে অথবা এটাকে একটি উন্নত কিছু মনে করবে, সে কাফের বলেই বিবেচিত হবে। -ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সংঘাত বইয়ের “সেকুলারিজম” অধ্যায় থেকে

আমাদের কাছে অত্যাধুনিক বড় অস্ত্র হয়তো নাই, তবে আমাদের কাছে যে ভয়ংকর অস্ত্র আছে সেটা পাকিস্তানের কাছে নেই৷ আর তা হলো পাকিস্তান
আমাদের কাছে অত্যাধুনিক বড় অস্ত্র হয়তো নাই, তবে আমাদের কাছে যে ভয়ংকর অস্ত্র আছে সেটা পাকিস্তানের কাছে নেই৷ আর তা হলো পাকিস্তানের কোনায় কোনায় আমাদের মতাদর্শের ও আমাদের সঙ্গ দিবে এমন লোকেরা। -মোল্লা আব্দুস সালাম জাইফ

//দক্ষিণ মালিতে সরকারের টিকে থাকার জন্য লুলোনি ছিল এক ধরনের সেফটি ভালভ। এই রক্ষাকবচ ভেঙে পড়ায় সিকাসো ও কাদিওলো অঞ্চল এখন কৌশল
//দক্ষিণ মালিতে সরকারের টিকে থাকার জন্য লুলোনি ছিল এক ধরনের সেফটি ভালভ। এই রক্ষাকবচ ভেঙে পড়ায় সিকাসো ও কাদিওলো অঞ্চল এখন কৌশলগতভাবে আরও উন্মুক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি বামাকোকে তার দক্ষিণাঞ্চলীয় বলয় থেকে আরও বিচ্ছিন্ন করে দেবে এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত করিডোরগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখার সক্ষমতা দুর্বল করবে। এর ফলে রাজধানী এক অভূতপূর্ব কৌশলগত চাপের মুখে পড়তে পারে// . বিস্তারিত পড়ুন : মধ্যপ্রাচ্যে

শরমে শরমে একটা কথা কই, আজ ঢাকার এক বড় মাদরাসা থেকে নাকি উস্তাদ এসে ছাত্রদের জন্য আমার এতগুলো বই সংগ্রহ করে নিয়ে গেলো, এমনটাই
শরমে শরমে একটা কথা কই, আজ ঢাকার এক বড় মাদরাসা থেকে নাকি উস্তাদ এসে ছাত্রদের জন্য আমার এতগুলো বই সংগ্রহ করে নিয়ে গেলো, এমনটাই প্রকাশক জানিয়েছে। আরো জানিয়েছে, এভাবে মাদরাসার জন্য বেশি পরিমাণ নিলে নাকি বেশি ছাড়ে দিবে। . বইটা যারা সংগ্রহ করেছেন তারা মন্তব্য জানিয়ে যাবেন।

পাকিস্তানের বেফাকের প্রধান হানিফ জালান্ধরী সাহেব বাংলাদেশে। একই সময় দেওবন্দের মুহতামিম সাহেবও বাংলাদেশে। এই তিনদেশের কওমী সিলেবাস যেহেতু কাছাকাছি, এখন উনাদের নিয়ে কী আমাদের বেফাক একটি মিটিং বা পর্যালোচনা সভার আয়োজন করতে পারে না? উনাদের ও আমাদের অভিজ্ঞতাগুলো পরষ্পর ভাগাভাগি করা যায় না? হানিফ জালান্ধরী সাহেব পাকিস্তানের প্রায় সকল মুরব্বিদের জীবদ্দশাতেই বেফাকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন, সেই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে কী আমাদের শিখার কিছুই নাই? নাকি উনাকে শুধুই মাহফিলে মাহফিলে ঘুরিয়ে নিজেরা কিছু টাকা কামালাম ও তাদেরকেও কিছু টাকা কামানোর ব্যবস্থা করে দিলাম? এতটুকুই? . দেওবন্দিয়াতের দোহাই দিয়ে সিলেবাসে সামান্য হেরফের করা যাবে না বলে এদেশে যা বলা হয়, পাকিস্তানে ও ভারতে কী আসলেই তাই আছে কি না, উনাদের সিলবাসের সাথে আমাদের সিলিবাসগুলোর পার্থক্য, মুয়াজানা ও সামনে করনীয় নিয়ে কী এখন একটি চমৎকার আলোচনা সভার পদক্ষেপ নেওয়া যায় না?