ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 329 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 901 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 063 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 329 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 28 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 67، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -8، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 15.07‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.70‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 708 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 646 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 35.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 29 أغسطس, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 329
المشتركون
-824 ساعات
+157 أيام
+6730 أيام
أرشيف المشاركات
🙂
🙂

গণতান্ত্রিক শাসন ক্ষমতার পরিবর্তনের যে নির্বাচন ব্যবস্থা সেখানে ভোট দেওয়া নাজায়েয। সুতরাং মুসলমানদের উচিত নির্বাচনের এই সরগরমে লিপ্ত না হয়ে ঈমান আমল ও মৌলিক দাওয়াতি কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখা। . কিছু কিছু ওলামায়ে কেরাম নির্বাচন জায়েযের পক্ষে যে দলিলগুলো পেশ করেন তা নিতান্তই দূর্বল। যে তাকয়িফগুলো পেশ করা হয়, সেগুলোর কোনোটাতেই গণতান্ত্রিক নির্বাচনে কোনোভাবে ফিট হয় না। তার থেকেও বড় বিষয় হলো এই নির্বাচন হলো গণতন্ত্রের অন্যতম একটি শেয়ার, যাতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মৌলিকভাবে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা হয়। সুতরাং এই নাজায়েয ও গুনাহের কাজ থেকে প্রতিটি মুসলমানদের বিরত থাকা উচিত। . ওলামায়ে দেওবন্দের উল্লেখযোগ্য অংশ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে নাজায়েয বলেছেন। বিশেষত, বর্তমানের ইমারতে ইসলামিয়ার প্রধান বিচারপতি আব্দুল বাকি হক্কা নী দা.বা. চারটি মৌলিক সমস্যা দেখিয়ে ভোট দেওয়াকে নাজায়েয বলেছেন। তার মধ্যে একটি হলো প্রচলিত এই ভোট হলো গণতন্ত্রের একটি অংশ। . ‘ভোট না দেওয়া থেকে বিরত থাকলে তো সেকুরা ক্ষমতায় গিয়ে ইসলামকে ধ্বংসের পায়তারা করবে। তাই আমাদের তা একদম ছেড়ে দেওয়া উচিত না৷’ নির্বাচনের বিপক্ষে লেখলেই একদল এই আপত্তি নিয়ে হাজির হয়। এই প্রশ্নের উত্তরে এতটুকুই শুধুই মাথায় আসে, ইসলামকে টিকিয়ে রাখার অন্যতম ভিত্তি হলো গণতন্ত্র? এই তো?

মাদরাসার ছাত্রদের মোবাইল ধরা খেলে তা ভেঙ্গে ফেলা সম্পূর্ণ নাজায়েজ। যদি কোনো মাদরাসায় উস্তাদরা এধরণের কাজ করেন তাহলে ছাত্রদের মোবাইল ভাঙ্গার জরিমানা উস্তাদদের উপরই বর্তাবে। ‘ধরা খেলে মোবাইল ভেঙ্গে ফেলা হবে’ এমন কানুনও মাদরাসা কর্তৃপক্ষের জন্য বানানো উচিত নয়। . সুতরাং যে সমস্ত মাদরাসা বা স্কুল এই ধরনের কানুন বানিয়ে বা ছাত্রদের ধরা খাওয়া মোবাইল ভেঙ্গে খুব ফখরের সাথে প্রকাশ করেন তা শরীয়তের দৃষ্টিতে সঠিক নয়। দ্র. বানুরীটাউন, দেওবন্দ ও জামিয়া ফারুকিয়ার ফতোয়া দ্রষ্টব্য

শায়খ উসামা রহিমাহুল্লাহের মাথার উপর ৩০ মিনিয়ন ডলারের যে ঘোষণা আমেরিকা কর্তৃক ছিলো, শায়খকে ধরিয়ে দিয়ে পুরষ্কারের টাকা সে সময়ের পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রতি আসিফ আলী জারদারী ও সেনাপ্রধান জেনারেল কিয়ানি আমেরিকা থেকে গ্রহণ করেছিলো। দাবী পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শামসাদ আহমেদের

মাওলানা ড. শের আলী শাহ রহিমাহুল্লাহ হলেন দেওবন্দে ছানী খ্যাত জামিয়া হক্কানিয়া আখুড়াকটকের সাবেক শাইখুল হাদিস। উনাকে উস্তাজুল ম
মাওলানা ড. শের আলী শাহ রহিমাহুল্লাহ হলেন দেওবন্দে ছানী খ্যাত জামিয়া হক্কানিয়া আখুড়াকটকের সাবেক শাইখুল হাদিস। উনাকে উস্তাজুল মুজা*হিদিন বলা হয়। হাজারো মু*জাহি*দ ও আলেমদের এই উস্তাদ হলেন এই মহান মানুষটি। . একদম অনাকাঙ্ক্ষিত জায়গা থেকে এই লেখার সন্ধান পেয়েছি। ২২ পৃষ্ঠাব্যাপী হযরতের খিলা*ফত বিষয়ক এই প্রবন্ধটি পড়ে এত মুগ্ধ হয়েছি যে, অনেক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছি এমন একটি লেখার সন্ধান এমন অপ্রত্যাশিতভাবে পেয়ে যাওয়ার জন্য। সাথে সাথেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি দ্রুতই প্রবন্ধটি অনুবাদ করে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিবো! ওলামায়ে দেওবন্দের এই সেরে তাজ মানুষটির খিলা*ফ*ত ও খি*লা*ফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি সংক্রান্ত স্পষ্ট আলোচনা হয়তো এখন অনেক দেওবন্দি পরিচয়ধারীদের পছন্দ হবে না৷ ইনশাআল্লাহ অনুবাদটি প্রকাশিত হলে বুঝতে পারবেন কত স্পষ্ট করে দেওবন্দি এই আলেম নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

অংশগ্রহণ করতে পারি।
অংশগ্রহণ করতে পারি।

নিয়ে যাও তোমাদের ফতোয়া! মৌলভী মুহাম্মদ মুনীর সাহেব (রহ.) দেওবন্দ মাদ্রাসার মুহতামিম ছিলেন। একবার তিনি মাদ্রাসার বার্ষিক রিপোর্ট ছাপানোর জন্য মাদ্রাসা থেকে ২৫০ টাকা নিয়ে দিল্লি রওনা হলেন। দুর্ভাগ্যবশত পথেই টাকাগুলো চুরি হয়ে গেল। মৌলভী সাহেব এই চুরির কথা কাউকে জানালেন না। তিনি বাড়ি ফিরে নিজের কিছু জমি বিক্রি করলেন এবং সেই ২৫০ টাকা নিয়ে পুনরায় দিল্লি গিয়ে রিপোর্ট ছাপিয়ে নিয়ে আসলেন। ​কিছুদিন পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানতে পারল। তারা মাওলানা রশীদ আহমদ গঙ্গুহী (রহ.)-এর কাছে পুরো ঘটনা লিখে শরীয়তের বিধান জানতে চাইল। উত্তর আসল যে, মৌলভী সাহেবের কাছে টাকাটি ছিল' আমানত হিসাবে এবং যেহেতু অবহেলার কারণে টাকা হারায়নি, তাই এর জামানত তাঁর ওপর বর্তাবে না। মাদ্রাসার লোকেরা তখন মৌলভী মুহাম্মদ মুনীর সাহেবের কাছে গিয়ে মাওলানা গঙ্গুহীর ফতোয়া দেখাল এবং টাকাগুলো মাদ্রাসা ফান্ড থেকে ফিরিয়ে নিতে অনুরোধ করল। ​ফতোয়াটি দেখে মৌলভী সাহেব উত্তর দিলেন—"মিয়া রশীদ আহমদ কি ফিকাহ শাস্ত্র কেবল আমার জন্যই পড়েছিলেন? আর এই সব মাসআলা কি শুধু আমার বেলাতেই খাটে? রশীদ আহমদকে নিজের বুকের ওপর হাত রেখে বলতে বলুন তো—যদি তাঁর নিজের সাথে এমন ঘটনা ঘটত, তবে তিনিও কি মাদ্রাসার টাকা ফিরিয়ে নিতেন? নিয়ে যাও তোমাদের ফতোয়া, আমি কখনোই এই টাকা ফেরত নেব না।" #বড়রাকেনবড় ©

Repost from Meer Salman
কলোনিয়াল আধিপত্যের যুগে এই ধরনের শুয়োর উৎপাদন আটকানো আলেমদের জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ ছিলো। মূলত এজন্যই তারা দ্বীন এবং দুন
কলোনিয়াল আধিপত্যের যুগে এই ধরনের শুয়োর উৎপাদন আটকানো আলেমদের জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ ছিলো। মূলত এজন্যই তারা দ্বীন এবং দুনিয়ার তালিম আলাদা করতে বাধ্য হন। দারুল উলুমের প্রথম পঞ্চাশ একশত বছর যেহেতু আলেমরা দুনিয়া তালাস বাদ দিয়েছিলেন ফলে তার ফলাফল ছিল এধরণের মাদারবোর্ড উৎপাদন হয়নি বললেই চলে। কিন্তু ৯/১১ এর পরে দ্বীন ও দুনিয়ার সমন্বয় এবং আধুনিক শিক্ষা ইনকর্পোরশনের চাপে এধরণের বাটপারের বিপুল ফলন শুরু হয়েছে।

বিক্রমপুরীকে অপছন্দ করতে পারেন৷ কিন্তু বিক্রমপুরীকে যে আইনে জেলে রাখা হইছে সেটা নিয়ে আপনার সামর্থ্য থাকার পরও চুপ আছেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ, এই মামলায় আমি ও আপনি একদিন হয়তো জেলে থাকবো। তখন পুরো দুনিয়াই চুপ থাকবে। মাসলাহাতের কারণে সবাই দেখেও না দেখার ভান করবে! . বিক্রমপুরীকে অপছন্দ করা একটা শ্রেনী আইনুল হক কাসেমীকে নিয়ে কেনো চুপ? কেনো দুই একটা সাধারণ ট্রেন্ডের পোষ্ট করে শেষ করে ফেলেছি দায়িত্ব? (যারা হাকডাক না করে বাস্তবিকই কাজ করছেন, কিছু করার চেষ্টা করছেন তাদের জন্য তো অন্তর থেকে দোয়া) . আসুন প্রত্যেকেই সামর্থ্যের মধ্যে ভাইদের জন্য কিছু একটা করি!

জি/ন্দি/ক ও মুর/তা/দের মাঝে পার্থক্য জিন্দিকের মুরতাদ হওয়া জরুরি নয়। বরং একজন ব্যক্তির মাঝে ইরতেদাদ ও জানদাকা দুটি একসাথে জমা হতে পারে। যেমন, একজন মুসলমান (নাউজুবিল্লাহ) কাদিয়ানি হয়ে গেল। এমনও হতে পারে, কেউ মুরতাদ হলো, কিন্তু সে জিন্দিক নয়, যেমন কেউ ইসলামধর্ম ত্যাগ করে খ্রিষ্টান বা ইহুদি হয়ে গেল, অথবা কোনো ধর্মই গ্রহণ করল না। সুতরাং একজন কাদিয়ানি পারিভাষিকভাবে শুধুই মুরতাদ নয়, বরং একজন জিন্দিক। এই পার্থক্য উভয় শব্দের মর্ম ও প্রয়োগের বিচারে। শরিয়তের দৃষ্টিতে উভয় সমান। যেমনইভাবে রিদ্দার পরিবেশের কারণে দ্বীনের ব্যাপারে ঘৃণা ও অসন্তুষ্টি ছড়িয়ে যায়, যা ইসলামের দৃষ্টিতে অনেক বড় ক্ষতির বিষয়। জিন্দিকের বিষয়টিও তেমনই। বিশেষত যখন সে নিজের জানদাকা ইলহাদের প্রতি মানুষকে দাওয়াত দেয় ও উৎসাহিত করে, বরং যদি আরও গভীর থেকে বিষয়টি দেখা হয় তাহলে মুরতাদ থেকেও জিন্দিকের বিষয়টি আরও ভয়ংকর ও ক্ষতিকর বলেই প্রমাণিত হয়। কেননা মুরতাদকে তো মানুষ মুরতাদ হিসাবেই চিহ্নিত করে ফেলে, যার ফলে তাকে ও তার চিন্তাকে ইসলাম ও সত্য বলে আর স্বীকৃতি দেয় না। আর এটা নিয়ে বাড়াবাড়িও করে না। অপরদিকে জিন্দিক ও মুলহিদ বলাই হয় ওই ব্যক্তিকে, যে নিজেকে বাহ্যত মুসলমান ও সঠিক বলে দাবি করে, আবার সাথে কুফরি বিশ্বাস ও চিন্তা লালন করে। আর এটা স্পষ্ট যে, মুরতাদের তুলনায় এমন ব্যক্তির জালে মানুষের ফেঁসে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক অনেক বেশি। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান অনুবাদক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ১৭০৳ (২৫% ছাড়ে)

photo content

যে সমস্ত ভাইরা দুই/চার/পাঁচ বছর কোনো বিজ্ঞ ব্যক্তিদের তত্ত্বাবধানে থেকে ইফতা বা হাদিসে কাজ করতে ইচ্ছুক সেই সকল সাথী ভাইদের জন
যে সমস্ত ভাইরা দুই/চার/পাঁচ বছর কোনো বিজ্ঞ ব্যক্তিদের তত্ত্বাবধানে থেকে ইফতা বা হাদিসে কাজ করতে ইচ্ছুক সেই সকল সাথী ভাইদের জন্য সুসংবাদ। . মাওলানা যুবায়ের হোসাইন সাহেবসহ বেশ কিছু বিজ্ঞ মানুষের তত্ত্বাবধানে শুরু হচ্ছে মাহাদুল ইতিসাম। মুরব্বিদের তত্ত্বাবধানে থেকে কাজের সুযোগ হয়েছে। মেধাবী ও আগ্রহী তালেবে ইলমদের জন্য এক মহা সুযোগ। হাতছাড়া না করি।

আমার দাদাজান হযরত সামিউল হক হক্ক নী রহিমাহুল্লাহ এই কথাটা সবসময় বলতেন, আমরা প্রচলিত গণতান্ত্রিক সিস্টেমে যদি শতবছরও চেষ্টা করতে থাকি তাও এই পদ্ধতিতে পাকিস্তানে ইসলামি শরিয়ত বাস্তবায়ন করতে পারবো না। জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত উনার এই অবস্থানই ছিলো। -মাওলানা আব্দুল হক সামী (নাতী, মাওলানা সামিউল হক হক্কানী রহিমাহুল্লাহ . বি.দ্র. সামিউল হক রহিমাহুল্লাহ পাকিস্তানের পার্লামেন্টের সদস্য ছিলো।

photo content

আগামীকাল মাদরাসাতু আলী রা.-র ফুজালা অনুষ্ঠান৷ মূলত ফুজালা অনুষ্ঠান শিরোনামে আগামীকাল দিনব্যাপী একজন আদর্শ শিক্ষক, দায়ী, মুহতামিম হওয়ার কর্মশালা হবে। আগামীকাল কর্মশালায় পুরো সময় ইফতা সমাপনী ছাত্রদের তারবিয়াত দিবেন মাওলানা যুবায়ের সাহেব। দিনব্যাপী হুজুরকে এত কাছে পাওয়া আমাদের সকলের জন্য অনেক বড় একটি নেয়ামত আলহামদুলিল্লাহ।

মাওলানা Ainul Haque Qasimi কাসেমী যেকারণে জ্বেলে সে একই কারণে বা এর থেকে তুচ্ছ কারণে আমি আপনিও জ্বেলের অধিকারী হয়ে বসে আছি এটা মাথায় রাখবেন ইনশাআল্লাহ। . বিদেশি প্রভুদের খুশি করার জন্য যারা আলেমদের এভাবে জুলুম করে আল্লাহ যেনো দুনিয়াতেও তাদের প্রকাশ্যে বিচার করে। এই দোয়ার আবেদন রইলো সকলের কাছে।