fa
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

رفتن به کانال در Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah bin bashir

کانال Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 11 339 مشترک است و جایگاه 7 907 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 062 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 11 339 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 27 اوت, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 77 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر 8 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 15.13% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 5.64% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 1 716 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 640 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 35 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 28 اوت, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

11 339
مشترکین
+824 ساعت
+337 روز
+7730 روز
آرشیو پست ها
বকলম খান সাহেব জীবনে তিনটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি ভয় পান। এক, পারমাণবিক যুদ্ধ। দুই, চিনি ছাড়া চা। তিন, কুরবানির দিন শিশুদের জবাই দেখা। প্রথম দুটি বিষয় নিয়ে তিনি সারাবছর চিন্তা করেন। কিন্তু তৃতীয়টি নিয়ে তিনি শুধু জিলহজ মাসে চিন্তা করেন। জিলহজ মাস শুরু হলেই তার চেহারায় আতংক ফুটে উঠে যেন শহরের প্রতিটি গলিতে শিশুরা ধারালো ছুরি হাতে 'প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস' শুরু করতে যাচ্ছে। বকলম খান দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, কোনো শিশু যদি একবার কুরবানি করার দৃশ্য দেখে ফেলে, তাহলে তার কোমল মন চিরতরে হারিয়ে যাবে। আজ গরু কাটতে দেখবে, কাল নিজেই মুরগি কাটবে, পরশু আশপাশের লোককে সন্দেহজনক দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করবে। বকলম খান সাহেব বিষয়টি নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা করেছেন। নিজের খাতায় তিনি এ বিষয়ে কিছু নোট করেছেন। প্রথম পৃষ্ঠায় বড় করে লিখেছেন, শিশু + ছুরি = সভ্যতার সমাপ্তি? প্রশ্নবোধক চিহ্নটি তিনি দিয়েছেন বিনয়ের খাতিরে। মূলত এ বিষয়ে তিনি শতভাগ নিশ্চিত। বকলম খান প্রতিবছর জিলহজ মাসে শিশুদের অভিভাবকদের সতর্ক করে লেখালেখি করেন। তার ইচ্ছা আছে নিয়মিত ভিডিওতে আলোচনা করার। সস্তা ওয়েবক্যামে চেহারা অনেকটা বদলে যায় তাই সাহস করতে পারছেন না। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা তাকে গভীরভাবে ব্যাথিত করে। একবার তিনি এক শিশুকে আটকালেন কারণ সে দৌড়ে কুরবানি দেখতে যাচ্ছিল। তিনি যেভাবে ছুটে গিয়ে শিশুটিকে আটকালেন তাতে মনে হচ্ছিল শিশু নয়, রাষ্ট্রীয় কোনো গোপন নথি পাচার হয়ে যাচ্ছে। তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, না বাবা! ওদিকে না! শিশুটি বিস্ময়ে বলল, কেন? বকলম খান চারদিকে তাকিয়ে নিচু গলায় বললেন, ওখানে… জবাই হচ্ছে। শিশুটি তড়িৎ জবাব দিলো, কিন্তু আম্মু তো বলছে গরু কাটবে। এই সরল বাক্যটি বকলম খানকে গভীরভাবে আহত করলো। তিনি বুঝলেন, সমাজ ইতিমধ্যে শিশুটির কোমল ভাষাবোধ নষ্ট করে ফেলেছে। শিশুটির চোখে চাপা উল্লাস দেখে তিনি যারপরনাই মর্মাহত হলেন। তিনি যেন কল্পনার চোখে দেখছিলেন ভবিষ্যৎ জীবনে শিশুটি সিরিয়াল কিলার হয়ে উঠছে। কিছুদিন আগে বকলম খান একটি ওয়ার্কশপ করিয়েছেন। শিরোনাম ছিল, শিশুর মন, সহমর্মিতা ও অতিরিক্ত ধারালো বস্তু। আলোচনার সময় তিনি একটি চার্ট সাথে এনেছিলেন। সেখানে তীরচিহ্ন দিয়ে দেখানো হয়েছে, কুরবানি দেখা → ছুরির প্রতি আগ্রহ → মুরগির দিকে কৌতূহলী দৃষ্টি → সামাজিক অবক্ষয়। একজন মুরুব্বি চার্টটি অনেকক্ষণ দেখে বললেন, এখানে সামাজিক অবক্ষয়ের আগে মুরগি কেন আসছে? বকলম খান গম্ভীরভাবে বললেন, সব বিপর্যয়ের শুরু ছোট থেকে হয়। মুরব্বি হাসি আড়াল করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেন। বকলম খান না দেখার ভান করলেন। তিনি বিশ্বাস করেন, পৃথিবীর সব বড় বড় যুদ্ধের পেছনে শৈশবে জবাই দেখার প্রভাব আছে। নেপোলিয়ন হয়তো ছোটবেলায় গরু জবাই দেখেছিল। চেঙ্গিস খান সম্ভবত আরেকটু কাছ থেকে দেখেছিল। হালাকু খান সম্ভবত নিজেই ছোটবেলায় জবাই করেছিল। ভাবতে ভাবতে বকলম খান দীর্ঘশ্বাস ফেলেন।

পড়তে পারেন।
+2
পড়তে পারেন।

সহজ ও সিম্পল কথা, যত সহজে বুঝবেন নিজের দ্বীন ও ঈমানকে হেফাজত তত বেশি করতে পারবেন, “ইউসুফ কারযাবি, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন, এই উম্মাহের জন্য তার লেখনীর মাধ্যমে যত কল্যাণ রেখে গেছেন, তার থেকে বেশি ক্ষতিই রেখে গেছেন। শায আর বিচ্ছিন্নমতের যেই ভাণ্ডার তিনি রেখে গেছেন ইসলামের নামে, সেগুলোর আলোকে যে ইসলাম থাকে সেটা আদতে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহের ইসলাম না, সেটা পশ্চিমের তৈরি এক নতুন ইসলাম।” . মিউজিক থেকে শুরু করে নারী পুরুষের সহবস্থান, এমন কোনো মর্ডার ইস্যু নাই, যেখানে কারযাবী সাহেবের কলম পশ্চিমার চাহিদার বিপরীত গিয়েছে।

কুরআন ও হাদীসের নীতিমালার আলোকে ইলমের ধারক বাহকগণ যে নির্দেশনাগুলো যুগ যুগ ধরে দিয়ে আসছেন এবং এখনো দিয়ে চলেছেন, আল্লাহর ইচ্ছায় যার ধারাবাহিকতা কেয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে, সে নীতিমালার বাইরে পা রাখার অধিকার কারো নেই। নির্দেশক ও নির্দেশিত কারো জন্যই সে অধিকার নেই। কুরআন সুন্নাহর নীতিমালা তার গতিতে সচল থাকবে। ব্যক্তি তার নিজেকে বদলাতে হবে। পরিবেশ বদলাতে হবে। সমাজ বদলাতে হবে। রাষ্ট্রের নীতিমালা বদলাতে হবে। নিজেকে ও সমাজকে বদলাতে না পারলে তা অপরাধ ও দুর্বলতা। এ অপরাধকে স্বীকার না করে শরীয়তের নীতিমালাকে বদলানোর মানসিকতা অপরাধের চূড়ান্ত পর্ব। শরীয়তের স্বীকৃত নীতিমালাকে বদলে দেয়ার জন্য শুযূযের তালাশ, অতীতের পদস্খলনসমূহের তালাশ, পরিত্যক্ত ও পরিত্যজ্য মতামতকে প্রতিস্থাপন করা খেয়ানত। ইলমের তাহকীকের সঙ্গে তামাশা। নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর নিরক্ষরতাকে পুঁজি করে নতজানু মানসিকতা প্রতিষ্ঠার অপপ্রয়াস। দ্বীন ও ইলমে দ্বীনের স্বার্থে একে অপরকে সতর্ক করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দলিলের আালোকে সঠিক অনুশীলন ও সঠিক রাহনুমায়ী আমাদের দায়িত্ব। ঠেলা ধাক্কা ও গাল মন্দের পরিবর্তে বস্তুনিষ্ঠ দলিলনির্ভর সমালোচনা ও পর্যালোচনা এখন সময়ের দাবি। অতীতেরে যেকোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি জরুরী। মাওলানা যুবায়ের হোসাইন হাফিজাহুল্লাহ

এই ছবি আর সাক্ষাত নিয়ে পথভ্রষ্ট জামাতি আর কওমীর কিছু আবালগুলোকে কোনো সমালোচনা করতে দেখেছেন? যারা ইমারতের একটা সাক্ষাত নিয়ে অন
এই ছবি আর সাক্ষাত নিয়ে পথভ্রষ্ট জামাতি আর কওমীর কিছু আবালগুলোকে কোনো সমালোচনা করতে দেখেছেন? যারা ইমারতের একটা সাক্ষাত নিয়ে অনলাইন-অফলাইন, পুরো দুনিয়া কাপিয়ে ফেলেছে!

আমার চেনাজানা একজন গায়রতমান্দ আলেম সাথী ভাই একটি অন্যায় মামলার শিকার হয়েছেন। ১২/১৩ হাজার টাকা বেতন পাওয়া মানুষটির পক্ষে প্রতি মাসে ২০/৩০ হাজার টাকা মামলা কেন্দ্রিক পরিশোধ করা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। যা আরও ৬ মাসের মতো পরিশোধ করে যেতে হবে (প্রায় আড়াই লাখ টাকা)। দীর্ঘদিন যাবত দ্বীনের খেদমতে নিয়োজিত সাথী ভাইটির জন্য করার মতো আমার সামর্থ্যের মধ্যে খুব বেশি কিছু নেই। তাই আপনাদেরকে জানালাম। আমরা সাধ্যমাফিক অর্থ যোগানের একটু চেষ্টা করলেই ভাইটির মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিম হবে এবং সবকিছু সহজ হবে ইনশাআল্লাহ। সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: {বিকাশ/নগদ/রকেট} ০১৭১৬-২৫০৬৩৫ ©আবু উসামা জাফর ভাই

আল-মুতামাদ থেকে পিঠা পাঠিয়েছে। স্বাদ বেশ ভালো মাশা-আল্লাহ। যাদের এই পিঠার প্রতি লোভ আছে অর্ডার করতে পারেন৷ . মুতামাদের পেইজ ল
আল-মুতামাদ থেকে পিঠা পাঠিয়েছে। স্বাদ বেশ ভালো মাশা-আল্লাহ। যাদের এই পিঠার প্রতি লোভ আছে অর্ডার করতে পারেন৷ . মুতামাদের পেইজ লিংক : https://www.facebook.com/share/17AFziSg6P/

প্রাচ্যবাদ বিষয়ে যে সকল তালেবে ইলমদের ধারণা একদমই শুণ্য তারা ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটির “প্রাচ্যবাদ” অধ্যায়টি পড়ে নিতে পারে
প্রাচ্যবাদ বিষয়ে যে সকল তালেবে ইলমদের ধারণা একদমই শুণ্য তারা ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটির “প্রাচ্যবাদ” অধ্যায়টি পড়ে নিতে পারেন।

ইসলামি রাজনীতি নিয়ে এখনো পর্যন্ত আমার দেখা বাংলাভাষায় সবচেয়ে চমৎকার কাজটি দ্রুতই আসতেছে। আল্লাহ সাদিক ফারহান ভাইকে কবুল করুক,
ইসলামি রাজনীতি নিয়ে এখনো পর্যন্ত আমার দেখা বাংলাভাষায় সবচেয়ে চমৎকার কাজটি দ্রুতই আসতেছে। আল্লাহ সাদিক ফারহান ভাইকে কবুল করুক, বহু কষ্ট করেছেন, এমন পিডিএফ থেকে এই কাজটি উদ্ধার করতে গিয়ে। ভূমিকার একটি লাইন দেখুন, //ইসলামী রাজনৈতিক ব্যবস্থায় কেবল কিছু মূলনীতিই কাম্য নয়, বরং এর বাহ্যিক কাঠামোর একটি বিশাল অংশও কাম্য এবং অপরিবর্তনীয়। কিছু কাঠামোর সাথে মূলনীতির এমন গভীর সম্পর্ক থাকে যে, একটিকে বাদ দিলে অন্যটির অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। ফলে এমনটি বলা—ইসলামে খিলাফতের নির্দিষ্ট কোনো রূপ নেই, যেকোনো রূপে সরকার গঠন করলেই তা ইসলামী হয়ে যাবে, মূলত এই ব্যবস্থার গুরুত্বকে অস্বীকার করার নামান্তর।// . বইটি আসবে ইনশাআল্লাহ চেতনা প্রকাশন - Chetona Prokashon থেকে।

পুঁজিবাদী সমাজে থাকতে থাকতে যখন আমরা উন্নয়ন বলতে শুধু বিল্ডিং, রাস্তা আর টেকনোলজি বুঝি, অথচ বাস্তব উন্নয়ন তো এগুলো! এই পরিমাণ
পুঁজিবাদী সমাজে থাকতে থাকতে যখন আমরা উন্নয়ন বলতে শুধু বিল্ডিং, রাস্তা আর টেকনোলজি বুঝি, অথচ বাস্তব উন্নয়ন তো এগুলো! এই পরিমাণ ডলার দিয়ে দেশের কত কত অবকাঠামো দাঁড় করানো সম্ভব!

গুরুত্বপূর্ণ কাজটি পূর্ণাঙ্গ হয়ে ছেপে এসেছে, কারো কোনো সাড়াশব্দ নাই দেখি! দ্রুতই সংগ্রহ করবো ইনশাআল্লাহ।
গুরুত্বপূর্ণ কাজটি পূর্ণাঙ্গ হয়ে ছেপে এসেছে, কারো কোনো সাড়াশব্দ নাই দেখি! দ্রুতই সংগ্রহ করবো ইনশাআল্লাহ।

স্যুট টাই পড়া লোকরাও এখন আর চুপ করে থাকতে পারতেছে না!

মাওলানা হুজ্জাতুল্লাহ সাহেবের পোষ্ট থেকে। দোয়াটি মুখস্ত করে নিতে পারি।
মাওলানা হুজ্জাতুল্লাহ সাহেবের পোষ্ট থেকে। দোয়াটি মুখস্ত করে নিতে পারি।

জুলানিকে এক কথায় মূল্যায়নের এখনো সময় আসে নাই, শুধু এতটুকু মনে রাখবেন। https://madhyaprachya.com/2026/11941/?fbclid=IwY2xjawRu
জুলানিকে এক কথায় মূল্যায়নের এখনো সময় আসে নাই, শুধু এতটুকু মনে রাখবেন। https://madhyaprachya.com/2026/11941/?fbclid=IwY2xjawRu3glleHRuA2FlbQIxMABicmlkETF1RmgzcWg3OG13cDdJeHZ0c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHjq1plD-dWtqKZur-mvKoR2z_iDd4SllXX1Aroirgkg3_HselTUjSyM_x6tZ_aem_IcKhQoIveQbeI5AKTXQluQ

সবচেয়ে সাহসী সাহাবী . হযরত আলী রা.-এর খেলাফত কাল চলছিলো। মিম্বরে দাঁড়িয়ে খলিফা খুতবা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ সকলের সামনে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন-'সাহাবাদের মধ্যে সবচেয়ে সাহসী সাহাবা কে?' 'আপনিই' হে আমিরুল মুমিনিন, সকলেই সমস্বরে জবাব দিলো। খলিফা সামান্য মুসকি হাসলেন। বললেন, 'না, আমি সবচেয়ে সাহসি নই। আমি তো হলাম এমন যে, যে কেউ আমার সাথে মুকাবেলা করতে আসে আমি তার সাথে লড়াই করি। এতে বিশেষ সাহসের কিছু নেই।' উপস্থিত সকলে স্বপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো খলিফার উত্তরের দিকে। হযরত আলী বলে চললেন, 'বিষয়টি বুঝার জন্য একটি ঘটনা শুনো। ইসলামের তখন প্রথম জামানা। আমিসহ আরো কয়েকজন সাহাবী কাবার প্রাঙ্গনে বসে ছিলাম। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করলেন। এবং নামাজে দাঁড়ালেন। এমন সময় মক্কার কাফের সর্দার উকবাসহ আরো কয়েকজন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর ঝাপিয়ে পড়লো। পবিত্র দেহ মোবারকের উপর একের পর এক আঘাত করতেছিলো নরধামগুলো। প্রিয় নবিকে প্রহার করছিলো আর বলছিলো, 'আমাদের সকল ইলাহকে তুই এক ইলাহ বানিয়েছিস, তোর আজ রক্ষা নেই।' আমরা তা দেখতেছিলাম, কিন্তু কারোই সাহসে কুলোইনি এগিয়ে গিয়ে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রক্ষা করবো। এমন সময় হযরত আবু বকর মসজিদে এসে এ মর্মান্তিক দৃশ্য দেখলেন। আর কালবিলম্ব না করে কাফেরদের সেই জটলার উপর ঝাপিয়ে পড়লেন। কাউকে ঘুষি দিয়ে, কাউকে ধাক্কা দিয়ে রাসুল থেকে দূরে সরাতে দিতে থাকলেন। আর চিৎকার করে বলতে লাগলেন, 'তোদের ধ্বংস হোক, তোরা এমন ব্যক্তিকে হ*ত্যা করতে চাচ্ছিস, যে বলে, আল্লাহ আমার রব?' এতটুকু বলেই হযরত আলী রা. কান্না শুরু করে দিলেন। এরপর সকলকে উদ্দেশ্য করে জিজ্ঞাসা করলেন, 'আমি তোমাদের আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, বলো তো, ফিরআউনের ঐ বংশের ঐ মুমিন ব্যক্তি বেশি উত্তম যে, ঈমান গোপন করে ফিরআউনকে বলেছিলো, "আপনি এমন একজনে হত্যা করতে চান, যে বলে আমার রব আল্লাহ", নাকি হযরত আবু বকর উত্তম?' উপস্থিত সকলেই চুপ করে রইলো। কারো মুখে কোনো শব্দ নেই। হযরত আলী রা. বললেন, 'আল্লাহর কসম হযরত আবু বকরের জীবনের এক মুহুর্ত ঐ মুমিন ব্যক্তির পুরো জীবন থেকে উত্তম। কেননা সে ঈমানকে গোপন করেছিলো আর হযরত আবু বকর এক মুহুর্তের জন্যও নিজের ঈমানকে গোপন করেনি। মনে রাখো, হযরত আবু বকরই হলেন সবচেয়ে সাহসী সাহাবী।' . সূত্র : ফাতহুল বারী, ৭/১৬৯, কিতাবু মানাকিবিল আনসার, বাবু মা লাকিয়ান নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়া আসবুহু মিনাল মুশরিকিনা বিমাক্কাহ

মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহের ছোট্ট এই রিসালাটির অনুবাদ শেষ করলাম আলহামদুলিল্লাহ। ইনশাআল্লাহ দ্রুতই অন্যান্য ঘোষ
মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহের ছোট্ট এই রিসালাটির অনুবাদ শেষ করলাম আলহামদুলিল্লাহ। ইনশাআল্লাহ দ্রুতই অন্যান্য ঘোষণা সামনে আসবে। . আজকে বইটির অনুবাদ যখন শেষ হচ্ছিলো, তখন মহা খুশির সংবাদ পেলাম! এতটাই খুশি হলাম সংবাদটি পেয়ে যে, অনেক্ষণ পর্যন্ত কোনো কাজ করতে পারেনি। মূল উর্দু বইটির জন্য পাকিস্তানের বিখ্যাত ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান বানুরীটাউনের প্রধান মুফতি, মুফতি ইনআমুল হক্ব কাসেমী সাহেব একটি চমৎকার তাকরিজ দিয়েছেন। তাকরিজটি দেখে এত খুশি লাগলো যে, বলে বুঝাতে পারবো না। তাকরিজটি বইটির গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। . আল্লাহ গুনাহগার এই বান্দাকে গুরুত্বপূর্ণ এই কাজটি শেষ করার তাওফিক দিয়েছেন, সে জন্য রবের দরবারে অসংখ্য শুকরিয়া। বাস, এই কাজগুলো আমার কবর, হাশর, পুলসিরাতের সেই ভয়াবহ সময়গুলোতে নাজাতের উসিলা হোক সেই দোয়া চাই সকলের কাজে। . সবার কাছে আবেদন পোষ্টটি দেখে মাশআল্লাহ বলবেন। আল্লাহ আমাকে সকল বদ নজর ও হাসাদ থেকে হেফাজত করুক।

হক্কানিয়ার শাইখুল হাদিস মাওলানা ইদরিস রহিমাহুল্লাহের মৃত্যুতে পাকিস্তানের অন্য আলেমদের আলোচনার আন্দাজ তো শুনলেন, এবার হক্কানিয়ার উস্তাদদের আলোচনার ঢঙটাও শুনেন। আপনারা বুঝবেন না তা আমরা জানি। তাও শুনেন। . 'কাল হোক বা আজ হোক, আমরা জানি আমাদের পালা চলে আসবে। তবে যতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবে হক্কের আওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবো। এই তা*গু* তি এই কু*ফরি শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে আমাদের বাবা-দাদারা কাজ করে গিয়েছে, ইনশাআল্লাহ আমরা এদের বিরুদ্ধে কাজ করে যাবো।' আব্দুল হক সানী, নাতি, সমিউল হক হক কানী রহিমাহুল্লাহ

মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বই থেকে . কা*ফে*রদের জন্য দোয়া করা ১. কোনো ব্যক্তি কা*ফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে তার জন্য মাগফেরাতের দোয়া করা জায়েয নয়, তাই সান্ত্বনা দেওয়ার কালে এবিষয়ে সতর্ক থাকা কাম্য। কুরআনে কারীমে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন : ﵟ‌مَا ‌كَانَ ‌لِلنَّبِيِّ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَن يَسۡتَغۡفِرُواْ لِلۡمُشۡرِكِينَ وَلَوۡ كَانُوٓاْ أُوْلِي قُرۡبَىٰ مِنۢ بَعۡدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمۡ أَنَّهُمۡ أَصۡحَٰبُ ٱلۡجَحِيمِﵞ নবী ও ঈমানদারদের পক্ষে মুশ*রিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা সংগত নয়—যদিও তারা আত্মীয়-স্বজন হোক—যখন এ কথা স্পষ্ট হয়ে গেল যে, ওরা দোযখী। আলবাহরুর রায়েক গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে, ‌والحق ‌أنه ‌يكون ‌عاصيا بالدعاء للكافر بالمغفرة غير عاص بالدعاء بالمغفرة لجميع المؤمنين. (البحر الرائق 1/350، كتاب الصلاة، باب صفة الصلاة، آداب الصلاة) সঠিক কথা হলো কা*ফে*রদের জন্য মাগফেরাতের দোয়া করার দ্বারা ব্যক্তি গুনাহগার হবে। কিন্তু সমস্ত মুসলমানের জন্য মাগফিরাতের দোয়া করার দ্বারা গুনাহগার হবে না। আননাহরুল ফায়েক গ্রন্থে আরো উল্লেখ হয়েছে, (ودعا) لنفسه ولأبويه المؤمنين والمؤمنات أما الدعاء للكافرين بالمغفرة فلا يجوز ‌بل ‌ادعى ‌القرافي المالكي البهنسي أنه كفر. (النهر الفائق 1/224، كتاب الصلاة، باب صفة الصلاة) নিজের জন্য, নিজের মুসলিম পিতামাতার জন্য মাগফিরাতের দোয়া করা জায়েয। আর কা*ফে*রদের জন্য মাগফিরাতের দোয়া করা জায়েয নয়। বরং কারাফি আল মালিকি রহিমাহুল্লাহ তো দাবি করেছেন যে এটা (কা*ফে*রদের জন্য মাগফিরাতের দোয়া করা) কু*ফ*র।

photo content

ইমাম বাইহাকী রহিমাহুল্লাহ রচিত "মানাকেবুল ইমাম আশশাফেয়ী" কিতাবে এসেছে, যা তরজমা করলে চাকরি থাকবে না, «مناقب الشافعي للبيهقي» (2/ 192): قال: وسمعت الشافعي يقول: سمعت بعض أصحابنا ممن أثق به قال (1): تزوجت لأصون ديني فذهب ديني ودين أمي ودين جيراني!