fa
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

رفتن به کانال در Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah bin bashir

کانال Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 11 290 مشترک است و جایگاه 8 155 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 033 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 11 290 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 21 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 76 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -3 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 18.18% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 7.96% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 2 052 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 899 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 49 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 22 ژوئن, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

11 290
مشترکین
-324 ساعت
+387 روز
+7630 روز
آرشیو پست ها
পাকিস্তান যা ৭০ বছরে পারে নাই আফগানি মোল্লারা তা চার বছরেই করে দেখিয়েছি। . তাকী উসমানী সাহেবরা ১৫ বছরের মত আদলতে লড়ে সুদের বি
পাকিস্তান যা ৭০ বছরে পারে নাই আফগানি মোল্লারা তা চার বছরেই করে দেখিয়েছি। . তাকী উসমানী সাহেবরা ১৫ বছরের মত আদলতে লড়ে সুদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক রায় এনেছিলো যা একদিনের জন্যও পাকিস্তানে কার্যকর হয়নি! . শরীয়া প্রতিষ্ঠার সঠিক পদ্ধতি কোনটা এটা যদি এরপরও স্পষ্ট না হয় তাহলে এর চেয়ে আফসোস আর কী আছে!

ইসলামি খিলাফত শুধু একটি রাজনৈতিক কাঠামো নয়; এটি এক পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যা কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্র
ইসলামি খিলাফত শুধু একটি রাজনৈতিক কাঠামো নয়; এটি এক পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যা কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করে। খিলাফত ন্যায়, ভ্রাতৃত্ব ও মানবকল্যাণের ভিত্তিতে সমাজ গড়ে তোলে। আজকের পৃথিবীতে অস্থিরতা, অবিচার, যুদ্ধ ও শোষণের মূল কারণ হলো মানুষকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা। যদি খিলাফত প্রতিষ্ঠিত থাকত, তবে বৈশ্বিক সম্পদ ন্যায্যভাবে বণ্টিত হতো, দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমে যেত, মুসলিম বিশ্বের ঐক্য দৃঢ় হতো এবং মানবতার মাঝে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসত। এই গ্রন্থে খিলাফতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, মৌলিক নীতিমালা ও সমসাময়িক গুরুত্ব বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি খিলাফত ব্যবস্থার অনুপস্থিতিতে বিশ্ব যে সংকটে পড়েছে, এবং এর পুনঃপ্রতিষ্ঠা হলে কীভাবে মানবসভ্যতা নতুন দিগন্ত পেতে পারে—সেটিও এখানে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সাধারণ পাঠক থেকে শুরু করে গবেষক—সবাইকে খিলাফত ধারণা নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করবে এ বই। বই: ইসলামি খেলাফত লেখক: মাওলানা জাহিদ ইকবাল অনুবাদক: ফাদলুল্লাহ জাবের মূল্য: ৪৮০৳ (২৫%) ছাড়ে

আরব দরবেশের জামাতের দ্বিতীয় আমীর ডা. মুসলমানদের ব্যাপারে কীভাবে চিন্তা করতেন তা এই ভিডিওতে আশা করি স্পষ্ট হবে।

এরদোয়ানের মেয়ে বা নাতনী টাতনী থাকলে আমার মত এই পাওয়ারফুল লোকের সাথে বিবাহ দেওয়া যেতে পারে। যতই হোক সে তো আহলে কিতাবই! আর দলিল
এরদোয়ানের মেয়ে বা নাতনী টাতনী থাকলে আমার মত এই পাওয়ারফুল লোকের সাথে বিবাহ দেওয়া যেতে পারে। যতই হোক সে তো আহলে কিতাবই! আর দলিলের জন্য মডারেট মোল্লাগুলো তো আছেই! সমস্যা নেই ব্রো! নির্লজ্জ বেহায়া মুনাফিক কোথাকার!

উগান্ডা একটি খ্রিস্টান প্রধান দেশ। সংবিধানিকভাবে যদিও তারা সেকুলার। উকান্ডার সেনাপ্রধান তুরষ্কের কাছে এক বিলিয়ন ডলার ও তুরষ্কের সবচেয়ে সুন্দরী নারী ছেয়েছে। এই খবর আজ দেশী ও আন্তর্জাতিক নিউজে ভাইরাল। . এখন প্রশ্ন তুরষ্কের কাছে কেন এমন দাবী করলো উগাণ্ডা? মূলত এই উগান্ডার খ্রিস্টান সেনাবাহিনী নিয়মিত সোমালিয়ায় মুসলিম হট্যায় নিয়জিত। সেখানে যেনো কোনোভাবেই শরীয়া প্রতিষ্ঠা না হয় সে জন্য তারা কাজ করে যাচ্ছে। আর তুরষ্ক হলো সোমালিয়ায় শাবাবের বিরুদ্ধে একধরনের উগান্ডার জোট সঙ্গি। উগান্ডা আফ্রিকান ইউনিয়নের পক্ষ হয়ে সরাসরি সামরিক লড়াই করছে আর তুরষ্ক সোমালিয়ার সেনাবাহিনীকে ট্রেনিং দিয়ে শাবাবের বিরুদ্ধে লড়ছে। . তুরষ্ক সোমালিয়ায় ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি সোমালিয়ার ইসলাম বিরোধি দালাল সরকারকে শক্তিশালী করার নামে সেখানে রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোতে বেশ ইনভেষ্ট করেছে। ইনভেষ্ট যে করেছে তার থেকে বড় এই ইনভেষ্ট করে তুরষ্ক রীতিমতো সোমালিয়ার অর্থনীতিকে চুষে খাচ্ছে। শুধু সোমালিয়ার বন্দরে তুরষ্ক ইনভেষ্ট করে বন্দরের আয়ের ৪৫% অফিসিয়াল নিজেরা নিয়ে যায়। আর আনঅফিসিয়াল আরো বেশি! পুরো পৃথিবীতে বন্দর লিজে এটা একদম বিরল। . এখন বিষয় হলো সোমালিয়ায় ইসলামি শাসন ঠেকানোর জন্য সবাই মাইর খাচ্ছে কিন্তু তুরষ্ক মাইর খেলেও এখান থেকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে ও হচ্ছে। তা দেখেই উগান্ডার সেনাপ্রধান ১ বিলিয়ন ডলার ও সবচেয়ে সুন্দরী নারী দাবী করেছে! . মুজা হি দ দের হত্যার জন্য তুর্কি সেনাবাহিনী যাদের পক্ষ নিচ্ছে তারা আজকে তুর্কিদের কাছে তাদের নারী প্রকাশ্যে চাচ্ছে! মুসলিমদের ইতিহাসের এক নির্লজ্জ অধ্যায় হয়ে থাকবে এটি।

উপরের নসিহতটা যেমন জরুরি তার থেকেও বেশী জরুরি নীচের প্যারাটি! . সাহিত্যিক ফাহদ বিন আসকারের "আন নাতিকুল আখরাস" কিতাব থেকে
উপরের নসিহতটা যেমন জরুরি তার থেকেও বেশী জরুরি নীচের প্যারাটি! . সাহিত্যিক ফাহদ বিন আসকারের "আন নাতিকুল আখরাস" কিতাব থেকে

ইউটিউবে এই চ্যানেলের ভিডিওগুলো দেখতে পারেন। বানুরীটাউনের ফারেগ এই সিনিয়র মজলুম আলেমে দীনকে আমরা অনেকেই চিনি না! https://youtube.com/@amardeenmedia?si=z2GY2FI0ZPtAmF2h

আফগানি ফুটপাত বনাম বাংলাদেশি ফুটপাত; দুই দেশের দুই আচরণ! . আজ দেখলাম আফগানে আমিরুল মুমিন ফুটপাত সংক্রান্ত নতুন আদেশ জারী করেছে। ফরমানটির একটি অংশ পড়ে এটা একদম স্পষ্ট হলাম যে, ফরমানটি ফুটপাতে ব্যবসা করা গরিব বান্ধব যেমন হয়েছে তেমনি রাষ্ট্রের জন্য সুশৃঙ্খলাও সঠিকভাবে কার্যকর হবে। ফুটপাতের ব্যবসার মৌলিক যে সমস্যা জনগণের পোহাতে হয় যেমন ভেজাল পন্য, পণ্য বিক্রির জন্য মাইকের মাধ্যমে মানুষকে কষ্ট দেওয়া, জায়গায় বেজায়গায় দোকান দিয়ে ফেলা, রাস্তাঘাটকে অপরিচ্ছন্ন করে ফেলা ইত্যাদি। এই সবগুলো বিষয়কে সঠিকভাবে সমাধান ছিলো উক্ত ফরমানে! . আমিরুল মুমিনের নির্দেশনায় দেশের সকল পৌর কর্তৃপক্ষকে ফুটপাতে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নগর পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ, কার্যক্রমের সীমানা চিহ্নিত করা প্রত্যেক বিক্রেতার জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ এসকল ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ এবং বিনামূল্যে পরিচয়পত্র বিতরণের বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পেয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ তথ্যভান্ডার তৈরি করে ফুটপাতে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পরিচয়, তাদের ব্যবসার ধরন এবং কর্মস্থলের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি রোধে নিয়মিত তদারকি করাও পৌর কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে হকারদেরও নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলা, অবৈধ পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকা, নিজ নিজ স্থানে শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ক্রেতা আকর্ষণে উচ্চ শব্দ তথা লাউড স্পিকার ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। . বাংলাদেশে বেশকিছুদিন ধরে ফুটপাত উচ্ছেদ কার্যক্রম চলছে। ফুটপাত ঢাকার বসবাসকারী মানুষের জন্য বেশ সমস্যা তৈরি করে এটা যেমন বাস্তব, তেমন বাস্তব হলো এই ফুটপাত এত বেশি হওয়ার পিছনে এদেশের রাজনীবিদদের দায় সবচেয়ে বেশি। আর এখন কোনোরকম পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই ফুটপাত তুলে দেওয়া হচ্ছে! কয়দিন পরে ফুটপাত আবার ফিরে আসবে ক্ষমতাসীনদের দখলকে মজবুত করতে এটা অনেক বিশ্লেষকদের ধারণা, সেদিকে আপাতত না তাকিয়ে এতটুকু বলা যায়, পরিকল্পনাহীণ এভাবে ফুটপাত উঠিয়ে দেওয়াতে শত শত পরিবারের ক্ষতি হয়েছে! দেশে এমনেই চলছে অর্থনৈতিক সংকট সেখানে এভাবে এত এত পরিবারকে একদম বেকার করে দেওয়াটা কতটা ভয়ংকর সেটা তো একদম অনুমেয়।

Repost from Al Firdaws
স্থানীয়রা জানান, বিগত আওয়ামী লীগ আমলে হিন্দুদের চাপে এখানে গরু জবাই ও গোশত বিক্রি করতে দেওয়া হয়নি। কিছু প্রভাবশালীদের মদদে এখনো সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ওসি আব্দুল্লাহিল জামান দাবি করে, থানায় অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে বাজারের একটি মার্কেট মালিক নিজেই এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলার কথা বিবেচনা করে গরুর গোশত বিক্রি না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। তবে এই বক্তব্য অস্বীকার করে মার্কেট মালিক আজিজুল হক সাংবাদিকদের জানায়, 'আমি থানায় গিয়ে দেখি লোকে-লোকারণ্য। ওসি সাহেব আসতে দেরি করছেন। এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আরো একজন আসবেন তারপর বৈঠক বসবে। এরপর উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম রসুল রাজা আসেন। একপর্যায়ে একপক্ষের কথা শুনে ওসির টেবিল চাপড়ে তিনি বলেন, পূর্বে ওই বাজারে গরুর গোশত বিক্রি হয়নি, এখনো হবে না। এটা আমাদের বিএনপির সিদ্ধান্ত, তারেক জিয়ার সিদ্ধান্ত।' এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম রসুল রাজা বলেছে, 'না। ওখানে কথা হয়েছে তারেক রহমানের দল বিএনপি ক্ষমতায় আছে। আমরা কোনোভাবেই হিন্দু মুসলমানের মধ্যে দাঙ্গা হতে দেব না। সবার সম্মতিক্রমে ওখানে গরুর গোশত বিক্রয় বন্ধ রাখা হয়েছে।' এলাকার মুসলিমরা জানান, হিন্দুরা যদি বাজার সংলগ্ন মন্দিরে বাঁধাহীনভাবে পাঠা বলি দিয়ে খেতে পারে, তাহলে আমরা মুসলিম হয়ে মসজিদের পাশে জবাই করা গরুর গোশত কিনে খেতে পারব না কেন? স্থানীয়দের দাবি, বাজারে গরুর গোশত বিক্রি বন্ধ থাকায় মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোক্তারা ভোগান্তিতে পড়ছেন। আশপাশে কোনো বিকল্প দোকান না থাকায় তাদের কয়েক কিলোমিটার দূরের বাজারে গিয়ে গোশত কিনতে হচ্ছে। এখানে গরু জবাই হলে তারা সহজে গোশত কিনে খেতে পারবেন।

Repost from Al Firdaws
এটি যেন বাংলাদেশ নয় ভারতের কোন রামরাজ্য! কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় একটি এলাকার বাজারে এমনই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাটির
এটি যেন বাংলাদেশ নয় ভারতের কোন রামরাজ্য! কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় একটি এলাকার বাজারে এমনই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাটির ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ডাকনীরপাট বাজারে হিন্দুদের চাপ ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ট্রেড লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীদের গরুর গোশত বিক্রি করতে দেওয়া হচ্ছে না। উপজেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ডাকনীরপাট বাজার অবস্থিত। এলাকাটিতে ৫ হাজার জনগনের মধ্যে ৪ হাজারই মুসলিম। তারপরও বর্তমানে পুলিশ ও বিএনপি নেতাদের নির্দেশে গরু জবাই নিষিদ্ধ রয়েছে। গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাজারের দুই গোশত ব্যবসায়ীকে নাগেশ্বরী থানায় ডেকে নিয়ে গরুর গোশত বিক্রি না করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

মডার্নিজম ও মডার্নিজমের প্রবক্তাদের ব্যপারে সংক্ষিপ্ত শব্দে কী চমৎকার উসুলি আলোচনা!
মডার্নিজম ও মডার্নিজমের প্রবক্তাদের ব্যপারে সংক্ষিপ্ত শব্দে কী চমৎকার উসুলি আলোচনা!

একাধিক বিবাহ সংক্রান্ত আইনের বিষয়ে কত চমৎকার আলোচনা!
একাধিক বিবাহ সংক্রান্ত আইনের বিষয়ে কত চমৎকার আলোচনা!

نور_أحمد_الحقاني_معتمد_ماتريد_من_معتقد_ماتريد_طالبان_1.pdf8.38 MB

আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশের গভর্নর হলেন হযরত মাওলানা নুর আহমদ ইসলাম জার হাফিজাহুল্লাহ। উনার আরেকটি পরিচয় হলো তিনি সেখানের এক মাদরাসার মুহাদ্দিস। প্রদেশের গভর্নর ও মুহাদ্দিস সাহেবের আকিদা সম্পর্কে একটি বই রয়েছে। নাম হলো “মুতামাদু মা তুরিদু মিন মুতাকাদি মাতুরিদি”। কিতাবটি মাতুরিদি আকিদা সম্পর্কে লেখা। সাধারণত আকিদার কিতাবগুলো যেমন গৎবাঁধা হয় তেমন নয় বইটি। বরং প্রাচীন আকিদাগুলোর সাথে সাথে লেখক সমকালীন আকিদাগুলো সম্পর্কেও আলোকপাত করেছেন৷ এজন্য শেষে স্বতন্ত্র একটি অধ্যায়ই কায়েম করেছেন। সাথে আকিদার মৌলিক উসুলগুলো আলোচনার সময় উক্ত উসুলের মাধ্যমে সমকালীন প্রাচীন বিষয়গুলোর ব্যবচ্ছেদও করেছেন৷ কিতাবটি জালালাইন ও মেশকাতের তালেবে ইলমদের জন্য অবশ্য একটি বই। . যাইহোক, এই পোষ্টের উদ্দেশ্য হলো গভর্নর সাহেব উক্ত বইতে সেকুলারিজম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তবে চমৎকার ও গভির আলোচনা করেছেন, সেই আলোচনাটিই এখানে তুলে ধরা। তিনি লেখেন, مذهب هدام من المذاهب السيئة التي أنتجتها العقلية الأوربية في مقابل الأديان، ولا يزال أتباعها يقدمونها في أثواب براقة مغرية. وقد اجتذبت كثيراً من شباب المسلمين، وهذا المذهب يراد به فصل الدين عن الحياة كلها وإبعاده عنها، وإقامة الحياة على غير الدين؛ إما بإبعاده قهراً ومحاربته علنا، وإنما بالسماح به وبضده من الإلحاد، بينما هو حرب للتدين"، وهي ردة في حق من يعتنقها مهما كان تعليلة لها، ورغم وضوح الإلحاد في العلمانية، فقد ظهر من يزعم زوراً وكذباً أنه لا منافاة بينها وبين الدين ‘সেকুলারিজম একটি ধ্বংসাত্মক মতবাদ, তা ঐ সকল নিকৃষ্ট মতবাদের একটি যা ইউরোপীয় যুক্তিবাদী মানসিকতা ধর্মের বিরুদ্ধে উদ্ভাবন করেছে। এর অনুসারীরা এখনও এই মতবাদকে আকর্ষণীয় ও চকচকে আবরণে উপস্থাপন করে চলেছে। এটি অনেক মুসলিম যুবককে আকৃষ্ট করেছে। এই মতবাদের মূল হলো ধর্মকে সমগ্র জীবন থেকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন করা এবং জীবনের বাইরে ঠেলে দেওয়া; অর্থাৎ ধর্মহীন ভিত্তির উপর সম্পূর্ণ জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। এ কাজটি কখনো ধর্মকে জোরপূর্বক দূরীভূত করে ও তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা করে সম্পন্ন হয়, আবার কখনো ধর্মকে সহনশীলতার আড়ালে অনুমোদন দিয়ে কিন্তু একই সঙ্গে জীবন থেকে দূরে সরিয়ে রেখে। এই মতবাদ ধার্মিকতার বিরুদ্ধে এক অব্যাহত যুদ্ধ। যে ব্যক্তি এটি গ্রহণ করে, সে যতই যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা উপস্থাপন করুক না কেন, তা তার জন্য ধর্মত্যাগ (রিদ্দাহ)। তথাপি, আবির্ভাব ঘটেছে যারা মিথ্যা ও প্রতারণামূলক দাবি করে যে, এই মতবাদের সঙ্গে ধর্মের কোনো বৈরিতা বা সাংঘর্ষিকতা নেই।’ এটা ছিলো লেখকের মূল মতনের (টেক্সটের) আলাপ। এরপর এই মতনের নীচে টিকায় লেখেন, كان أتاتورك زنديقاً علمانياً يهودي الأصل, وهو الذي خرب بنيان الخلافة الإسلامية التركية, ومحمد علي جناح كان رافضياً. وأمان الله خان هو أول من أسس النظام الغربي العلماني في أفغانستان. و حمل بعض القائلين بأن العلمانية لا تحارب الدين؛ ما يرونه من عدم تعرض العلمانيين لسائر أهل العبادات؛ بخلاف النظام الشيوعي، ولكن يجب أن تعرف أن أساس العلمانية لا ديني، ولعل تركهم لأهل العبادات إنما هي خطة أو فترة مؤقتة. والدين الصحيح لا يفصل السياسة والحكم بما أنزل الله تعالى، ولا يجعل قضية التدين قضية شخصية مزاجية, ولا يبيح لأي شخص أن يشرع للناس من دون الله تعالى، بينما العلمانية لم تقم في الأساس إلا على تكريس البعد عن الدين وإباحة الشهوات بكل أشكالها. فأي وفاقي بينهما ؟!. কামাল আতাতুর্ক ছিলেন একজন যিন্দিক ও সেকুলার ব্যক্তি, যিনি ইহুদি বংশোদ্ভূত। তিনিই ইসলামী খিলাফতের তুর্কি কাঠামো ধ্বংস করেছিলেন। আর মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছিলেন রাফেজি (শিয়া)। আমানুল্লাহ খান হলো সেই ব্যক্তি যে আফগানিস্তানে প্রথম পশ্চিমা সেকুলার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। কেউ কেউ দাবী করে যে, “সেকুলারিজম ধর্মের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে না”—তাদের এই দাবির পেছনে যা রয়েছে তা হলো: তারা দেখেন যে সেকুলাররা অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের (যেমন ইহুদি, খ্রিস্টান, হিন্দু ইত্যাদি) উপর হস্তক্ষেপ করে না, যেমনটি কমিউনিস্ট ব্যবস্থা করত। কিন্তু তোমাদের জানা উচিত যে, সেকুলারিজমের মূল ভিত্তি আসলে ধর্মবিরোধী (লা-দ্বীনী)। আর তাদের অন্য ধর্মাবলম্বীদের ছেড়ে দেওয়া হয়তো শুধু একটি কৌশল অথবা সাময়িক পর্যায় মাত্র। সঠিক ধর্ম ইসলাম রাজনীতি ও আল্লাহর নাজিলকৃত শাসনব্যবস্থাকে আলাদা করে না। ইসলাম ধর্ম ও ধার্মিকতাকে কোনো ব্যক্তিগত বা মেজাজ-নির্ভর বিষয় বানায় না। এবং এটি কোনো ব্যক্তিকে অনুমতি দেয় না যে, আল্লাহর আইন বাদ দিয়ে নিজেদের বানানো আইন প্রনয়ণ ও বিধিবদ্ধ করবে। অথচ সেকুলারিজম তো মূলত গড়ে উঠেছে ধর্মকে দূরে সরিয়ে রাখা এবং সকল প্রকারের কামনা-বাসনাকে বৈধ করার উপর ভিত্তি করে। তাহলে এ দুইয়ের মধ্যে কোন ধরনের সমন্বয় বা মিলমিশ হতে পারে?!

ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটি পড়ার পর এক পাঠকের মন্তব্য
ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটি পড়ার পর এক পাঠকের মন্তব্য

উসুলে ফিকহ পড়া বা পড়ালোর কালে আমাদের বেশিরভাগ সময় একটা বিষয় মাথায় আসে, ফিকহের কিতাবে উসুলে ফিকহের ব্যবহার কই? ফিকহের কিতাবে উসুলুল ফিকহের ব্যবহার খুজে না পাওয়ার অনেক কারণের একটি বড় কারণ হলো, ফিকহের কিতাব পড়ার সময় উসুলুল ফিকহকে মাথায় রেখে না পড়া। যার কারণে অনেক সময় উসুলুল ফিকহের সরিহ উদাহরণ সামনে আসলেও আমরা ধরতে পারি না। অথচ উসুলুল ফিকহের বিষয়টি মাথায় রেখে পড়লে ফিকহের ইবারতগুলো বুঝা আরো বেশি তৃপ্তিদায়ক হয়। . এখানে একটা বিষয় মনে রাখা দরকার সাধারণভাবে ফিকহের কিতাবে উসুলুল ফিকহের বেশি ব্যবহার হয় যখন লেখক দলিলের মুকারানা করে থাকেন। . নীচে দুটো উদাহরণ দিচ্ছি কিতাবুল হুদুদ থেকে। ১. যদি কোনো ব্যক্তি কোনো মহিলার সাথে বায়ুপথ দিয়ে খারাপ কাজ করে তাহলে উক্ত পুরুষের উপর হদ আসবে কি না? ইমাম আবু হানিফার মতে হদ আসবে না, কারণ এটা যিনা নয়। তবে সাহেবাইনের মতে হদ আসবে। তবে এটা যিনা হওয়ার কারণে নয়, বরং যিনার মধ্যে যে বিশেষ কারণ স্পষ্ট রয়েছে তা এখানে দালালাতের মাধ্যমে বুঝা যাচ্ছে। সাহেবাইনের মতে এখানে হদ আসবে মূলত দালালাতুন নসের কারণে। সাহেবে বাদায়ের ইবারতটুকু দেখুন, ، لا لأنه زنا بل لأنه في معنى الزنا لمشاركته (۱) الزنا في المعنى المستدعي لوجوب الحد وهو الوطء الحرام على وجه التمحض، فكان في معنى الزنا، فورود النص بإيجاب الحد هناك يكون وروداً ههنا دلالة . ২. এবার তাবয়িনের একটি ইবারত লক্ষ্য করুন, لو شهدوا متفرقين لا تقبل شهادتهم عندنا ويحدون حد القذف وقال الشافعي تقبل كسائر الحقوق إذ لا تفصيل في النصوص الواردة فيه فيعمل بإطلاقها ولنا قول عمر رضي الله عنه لو جاءوا مثل ربيعة ومضر فرادى لجلدتهم. «تبيين الحقائق شرح كنز الدقائق وحاشية الشلبي» (3/ 165) জিনার সাক্ষিদাতারা যদি চারজন একই মজলিসে এসে সাক্ষি না দিতে পারে বরং কেউ একজন এসে আলাদা সাক্ষি দেয় অমুকে যিনা করেছে তাহলে হানাফিদের মতে তার উপর হদ্দে কজফ আসবে। ইমাম শাফেয়ী বলতেছে হদ্দে কজফ আসবে না। দলিল হিসেবে কিতাবুল্লাহের মুতলাকের কথা বলছেন। আর হানাফিরা কিতাবুল্লাহের মুতলাকের উসুলকে স্বীকারও করছেন, কিন্তু কিতাবুল্লাহের মুতলাককে এখানে হানাফিরা মুকাইয়াদ করছেন অন্য নুসুস থাকার কারণে। . এভাবে খেয়াল করে পড়লে আমরা উসুলুল ফিকহের প্রচুর উদাহরণ পাবো, যা আমাদের উসুলুল ফিকহ পড়ানোর জন্য এবং ফিকহের ইবারত আরো গভীরভাবে বুঝার জন্য কাজে আসবে ইনশাআল্লাহ

মাহদি ভাই দীর্ঘ সময় শিয়া নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। বাংলাদেশে যে অল্প কয়জন মানুষের শিয়া নিয়ে একাডেমিক লেভেলের পড়াশোনা আছে এর মধ্যে মাহদি ভাই অন্যতম। পুরো আলোচনাটা শুনতে পারেন। https://youtu.be/hwhjYeJGWc8?si=ZsqnluWNuYw05fOS

জালেম ও কাফেরকে ঘৃণা করা আহলে সুন্নাত ওয়াল-জামাতের আকিদার অংশ ইমাম তাহাবি রহিমাহুল্লাহ ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহা
জালেম ও কাফেরকে ঘৃণা করা আহলে সুন্নাত ওয়াল-জামাতের আকিদার অংশ ইমাম তাহাবি রহিমাহুল্লাহ ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত আহলুস সুন্নাহর আকিদাসমূহ একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকায় একত্র করেছেন। সেখানে মুমিনের প্রতি বন্ধুত্ব আর কাফেরের সাথে শত্রুতার আকিদাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইমাম তাহাবি বলেন, ونحب أهل العدل والأمانة ونبغض أهل الجور والخيانة. আমরা ন্যায়নিষ্ঠ ও ইনসাফকারীদের ভালোবাসি আর অপরাধী ও খেয়ানতকারীদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করি। বলাবাহুল্য, অপরাধ, জুলুম ও খেয়ানতের বড় একটি বহিঃপ্রকাশই হলো কুফরি গ্রহণ করা। আমাদের সালাফদের আকিদার কিতাবসমূহে এই মাসআলাটির অন্তর্ভুক্তি দ্বারা বিষয়টি তাদের নিকটও কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল তার কিছুটা আঁচ করা যায়। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

সিলেটের ভাইরা অনেকদিন থেকেই বইটি নিয়ে পাঠচক্র করছেন। এছাড়াও আরো বিভিন্ন জায়গায় এমন পাঠচক্র হয়েছে ও হচ্ছে। কয়দিন আগে এক মাদরাস
সিলেটের ভাইরা অনেকদিন থেকেই বইটি নিয়ে পাঠচক্র করছেন। এছাড়াও আরো বিভিন্ন জায়গায় এমন পাঠচক্র হয়েছে ও হচ্ছে। কয়দিন আগে এক মাদরাসায় উপরের তালেবে ইলমদের জন্য বইটিকে লাজেমি মোতালাআ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে শুনলাম। আল্লাহ এই ছোট্ট কাজকে আমার নাজাতের উসিলা বানাক। আমীন।

সিরিয়ার নতুন পাঠ্য বইতে... “যেমন আমরা আজ গাজা উপত্যকার দৃঢ় প্রতিরোধযোদ্ধাদের সাহস দেখতে পাচ্ছি, যারা বর্বর জায়নিস্ট শত্রুর
সিরিয়ার নতুন পাঠ্য বইতে... “যেমন আমরা আজ গাজা উপত্যকার দৃঢ় প্রতিরোধযোদ্ধাদের সাহস দেখতে পাচ্ছি, যারা বর্বর জায়নিস্ট শত্রুর মুখোমুখি হচ্ছে।”