ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 325 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 950 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 062 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 325 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 01 سبتمبر, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 63، وفي آخر 24 ساعة بمقدار 4، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 13.27‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.34‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 502 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 605 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 31.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 02 سبتمبر, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 325
المشتركون
+424 ساعات
-37 أيام
+6330 أيام
أرشيف المشاركات
ভাগিনা মাওলানা তামিম এই কাজে নেমেছে। তার জন্য শুভ কামনা রইলো।
ভাগিনা মাওলানা তামিম এই কাজে নেমেছে। তার জন্য শুভ কামনা রইলো।

সেনাবাহিনীর নুসরা নিয়ে এভাবেই খেলাফত কায়েম করবে এই ভাইরা! কওমী মাদরাসায় অনেক সমস্যা আছে। কিন্তু ভাইয়ের কাছে কওমী মাদরাসা হলো
সেনাবাহিনীর নুসরা নিয়ে এভাবেই খেলাফত কায়েম করবে এই ভাইরা! কওমী মাদরাসায় অনেক সমস্যা আছে। কিন্তু ভাইয়ের কাছে কওমী মাদরাসা হলো একটা সেকুলার প্রতিষ্ঠান। যা খিলাফত শিখায় না। শিখায় গণতন্ত্র! বুঝতেছেন তো ভাই! এই লেখক নিয়ে ভাইদের আবেগ দেখলে অবাক!

ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ বলেন, «مجموع الفتاوى» (8/ 217): وهذا الذي في فرعون وإبليس غاية الظلم والجهل، وفي نفوس سائر الإنس والجن شعبة من هذا، وهذا إن لم يعن الله العبد ويهده وإلا وقع في بعض ما وقع فيه فرعون وإبليس بحسب الإمكان، قال بعض العارفين: ما من نفس إلا وفيها ما في نفس فرعون، إلا أنه قدر فأظهر، وغيره عجز فأضمر. প্রত্যেক মানুষের অন্তরেই ফিরআউনের স্বভাবের কিছু না কিছু অংশ লুকিয়ে থাকে। তবে পার্থক্য হলো, ফিরআউন ক্ষমতা পেয়েছিল বলে তা প্রকাশ করতে পেরেছিল; আর অন্যরা ক্ষমতা না পাওয়ায় তা অন্তরে গোপন রেখেছে।

সারাদিন রাত দেওবন্দীদের সমালোচনা করা যায়, সবার অধিকার আছে করার কিন্তু দিনশেষে এটা ইনসাফপরায়ণ সবাই এটার স্বীকৃতি দিতে বাধ্য যে দেওবন্দ বর্তমান মুসলিম দুনিয়ার সবথেকে সফল ও প্রভাবশালী আন্দোলন। আপনি তাদের জ্ঞানচর্চা, রাজনীতি, তাযকিয়া সব জায়গায় অসাধারণ সফলতার চূড়ায় দেখতে পাবেন। সামান্য ডালিম গাছের গোড়া থেকে একজন তালিবে ইলম নিয়ে শুরু হওয়া এক ছোট্ট মাদ্রাসা আজ পৃথিবীর সবথেকে সফল ও প্রভাবশালী মুসলিম আন্দোলন। কী নেই তাদের? সব আছে। জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ, উপমহাদেশের সকল আলেমদের একটা নেটওয়ার্কে সেন্ট্রালাইজ করে রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কে তৈরি করেছে? দেওবন্দ। তাবলিগ জামাত, সাধারণ মুসলমানদের দ্বীন শেখানোর জন্য তৈরি এই আন্দোলন আজ পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষকে সাথে নিয়ে চলছে। এটা কারা তৈরি করেছে? দেওবন্দ। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড যেখানে আইনিভাবে মুসলমানদের অধিকারের কথা বলা হয়। কারা তৈরি করেছে? দেওবন্দ। পৃথিবীর বুকে লক্ষ লক্ষ কওমি মাদ্রাসা যেখান থেকে কোটি কোটি কুরআনের হাফেজ বের হয় ও হচ্ছে। কারা তৈরি করেছে? দেওবন্দ। আফগানে আল্লাহর পথে পরাশক্তির সাথে জিহাদ করে ইমারাহ প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্র পরিচালনা কারা করছে? দেওবন্দীরা। বুদ্ধিবৃত্তিক গবেষণামূলক কাজের জন্য তৈরি করা বিশাল নাদওয়াতুল মুসান্নিফীন কাদের? দেওবন্দীদের। খেলাফত পুনরুদ্ধারের তাহরিক ই রেশমি রুমাল আন্দোলন কারা করেছিল? দেওবন্দীরা। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ভারতের বুকে ৫০ হাজার রক্তাক্ত গলাকাটা লাশ কাদের রাস্তার পাশের গাছগুলোতে ঝুলে ছিল? দেওবন্দীদের। ইউরোপের মুসলমানদের শরয়ী অধিকার আদায়ের জন্য তৈরি ইসলামিক শরিয়া কাউন্সিল কাদের? দেওবন্দীদের। আর কত কত শাখা সংগঠন ও সফল আন্দোলন আছে তাদের বলে শেষ করা যাবে না। এই সফলতা গত ৫০০ বছরে আর কোনো আন্দোলনের ক্ষেত্রে কি দেখানো সম্ভব? সম্ভব না। . কপি

"উমরের রবের কসম, তুমি মিথ্যা বলেছ! নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো বান্দাকে তার প্রথম পাপের কারণে এভাবে মানুষের সামনে সোপর্দ করেন না।"— হযরত উমর (রা.) [মুসনাদুল ফারুক লি-ইবনে কাছির] . এক চোর যখন খলিফা উমর (রা.)-এর দরবারে ধরা পড়ে দাবি করেছিল যে সে জীবনে প্রথমবার চুরি করেছে, তখন আমীরুল মুমিনীন এই ঐতিহাসিক কথাটি বলেছিলেন। পরে প্রমাণিত হয়েছিল যে লোকটা আগেও বহুবার চুরি করেছিল। এই উক্তিটি আমাদের এক বিরাট বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করায়। আমরা অনেক সময় ভাবি—আমি খুব চালাক, আমার গোপন গুনাহগুলো কেউ দেখছে না, বা আমি খুব সুন্দরভাবে নিজের ভুলগুলো আড়াল করতে পারছি। কিন্তু সত্যি বলতে, এটা আমাদের কোনো কৃতিত্ব নয়। এটা সম্পূর্ণ মহান আল্লাহর 'আস-সাত্তার' (দোষ গোপনকারী) গুণের কারণে। তিনি দয়া করে আমাদের প্রথম ভুলগুলো, প্রথম গুনাহগুলো মানুষের সামনে আনেন না। আমাদের তওবা করার সুযোগ দেন। কিন্তু মানুষ যখন বারবার একই ভুল করতে থাকে, গুনাহকে অভ্যাস বানিয়ে ফেলে এবং অহংকারী হয়ে ওঠে, তখন আল্লাহ সেই আড়াল বা পর্দা সরিয়ে নেন। মহান আল্লাহ আমাদেরকে সীমালঙ্ঘন থেকে হেফাজত করুন

সেনাপ্রধানের দাঁড়ি নিয়ে পুরো উম্মাহের আবেগ একদিকে আর হিযবুত তাহরিরের ভাইদের আবেগ আরেকদিকে। তাহরিরের এক ভাই তো এই দাঁড়ি দেখে, বাংলাদেশকে রীতিমতো ইয়াসরিবের সাথে তুলনা করে ফেলছে! ভাইরে ভাই! খেলাফতের নুসরা আপকামিং! কোন লেভেলের ডার্ক কমেডি যে দুনিয়াতে আছে, তা এগুলো না দেখলে বুঝা কঠিন!

বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের দাড়ির ছবি নিয়ে হিযবুত তাহরিরের এক ভাই পোষ্ট দিছে, "এদেশের সামাগ্রিক পরিবেশ ইয়াসরিবের মত" । ইয়াসরিব মানি বুইজ্জেননি? ইয়াসরিব মানি হইলো মদিনা। কোন মদিনা জানেন? রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগের মদিনা। . এগুলো দেখতেই ফেসবুকে আসি। একটা দল নিজেদের কোন লেভেলের কমেডিতে রূপান্তর করতেছে! আল্লাহগো আল্লাহ!

আফগানের খোশত প্রদেশে বিমান হামলা করেছে পাক বাহিনী। বিশের মত নারী ও ছোট শিশু মারা গেছে। পাকিস্তানের বাচ্চাগুলোর তাকদির কত ভালো। ওদের কিছু হলে আলেমদের চোখে পানি আসে। বড় বড় সম্পাদকীয়ের পাতায় রক্ত দিয়ে লেখা হয় দাস্তান। আর আফগানি বাচ্চাগুলো তো ভারতের দালাল। নিউক্লিয়ারধারী একটি ইসলামি বাহিনীর হাতে মৃত্যু তো সৌভাগ্যের।

বিভিন্ন শয়তান আর দেবদেবীর সিম্বলসহ পতাকা উড়ছে আশপাশে। পুরো দেশে। এর থেকে বাঁচতে রুকইয়া হিসেবে কালিমার পতাকাও খুব বেশি মনে হয় উড়ানো যাইতে পারে। বাকি যেকোনো ঔষধেরই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। সেটার কারণে তো আর ঔষধ খাওয়া বন্ধ করা যাবে না। . রোগ থেকে বাচার জন্য এগুলো করা যাইতেই পারে, যাদের অন্তরে দেবদেবী ও কু*ফ*রের প্রতিকি বহন করা পতাকা দেখলে ঈমানি রোগ হয়, তারা ঔষধ ও যার যার শক্তি হিসেবে যেকোনো কিছুই গ্রহণ করতে পারেন। ঔষধের জন্য কখনো কখনো অনেক হারামও হালাল হয়ে যায়। কী কন।

গেন্ডিয়া যদি এই অঞ্চলের হিজ্রাইল হয় তাহলে পাকিস্তান এই অঞ্চলের মিশর। এই সহজ হিসেবটা বুঝা অত্যন্ত জরুরী।

অনৈসলামী সরকারগুলোর মতো ইসলামী সরকার কেবল 'সামষ্টিক ইচ্ছা'র (General Will) অনুগামী হয় না, বরং এটি সামষ্টিক ইচ্ছাকে সঠিক পথের দিশা দেখায়। কারণ জনগণের ইচ্ছাই ইসলামী সরকারের অস্তিত্বের প্রকৃত কারণ নয়, বরং এর মূল উৎস ইসলামী আইন। সরকার সেই আইনেরই অনুগত থাকে; কোনো ব্যক্তিগত বা সামষ্টিক আকাঙ্ক্ষার কাছে বন্দী হয় না। ধরা যাক, কোনো এক জনপদের সব মানুষ তাদের শাসকের ওপর প্রচণ্ড অসন্তুষ্ট, কিন্তু সেই শাসকের মধ্যেই কেবল দেশ পরিচালনার সঠিক যোগ্যতা রয়েছে এবং তিনি ইসলামী মূলনীতি অনুযায়ী শাসন পরিচালনা করছেন-তবে সেই জনগণের দায়িত্ব থাকে তাঁকেই নিজেদের শাসক হিসেবে মেনে নেওয়া; যদিও সেটা তাদের ব্যক্তিগত মর্জির বিরোধী হয় না কেন। একইভাবে যদি কোনো জনপদের এক হাজার মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে কোনো ইসলামী আইন ভেঙে ফেলতে চায়, তবে ইসলামী সরকার সরকার' হিসেবে সেই আইন কার্যকর রাখবে এবং সামষ্টিক চাওয়ার দোহাই দিয়ে তাতে কোনো পরিবর্তন আনবে না। . সিয়াসাত বিষয়ে প্রকাশিতব্য একটি বইয়ের পাণ্ডুলিপি থেকে। শীঘ্রই আসবে চেতনা প্রকাশন থেকে

জামাতে ইসলামকে দল হিসেবে কওমী বিদ্বেষী বলে ছোট করাটা ঠিক না। এটা তাদের প্রতি অন্যায়। তাদেরকে বলতে হবে “আলেম বিদ্বেষী”। অর্থাৎ তাদের প্রদত্ত যেই মডার্ন ফিলোসোফি, এর বাহিরে দুনিয়ায় যেই আলেমই বলবে, সেই জামাতের ভাইদের কাছে মূর্খ। বাকী শিয়াদের মহব্বতকারী জামাতের ভাইদের মধ্যে যেহেতু তাকিয়া, যার আধুনিক ভার্সন গুপ্ত, প্রচুর পরিমানে আছে, সেই হিসেবে তা অনেকে বুঝতে পারে না।

আগামীকালের রোজা খুবই ফাজিলপূর্ণ। যথাসাধ্য তা যেনো আমাদের কারো থেকে না ছুটে যায়, সেই বিষয়ে চেষ্টা করি। একটু হিম্মত করলেই হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। এই রোজার ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ، أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السّنَةَ الّتِي قَبْلَهُ، وَالسّنَةَ الّتِي بَعْدَهُ. আরাফার দিনের (নয় যিলহজ্বের) রোযার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করি যে, (এর দ্বারা) আগের এক বছরের এবং পরের এক বছরের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৬২

বকলম খানের বন্ধু দিগম্বর সেনের কথা আপনাদের আগে বলা হয়নি। ভদ্রলোকের বয়স ৫০ এবং তাকে দেখলে মনে হয় আরো ৫০ বছর বাঁচবেন। বাহ্যত বকলম খানের সাথে তার কোনো মিল নেই কারণ দিগম্বর সেন পেশায় একজন পরিবেশকর্মী। পরিবেশকর্মী বিষয়টা একটু খুলে বলা যাক। কোথাও পরিবেশ দূষণ না হলে পরিবেশকর্মীর কোনো কাজ থাকে না, ফলে কাজের স্বার্থেই পরিবেশ দূষণ নিশ্চিত করতে হয়। দিগম্বর সেন ত্রিশ বছর ধরে কাজটি গুরুত্বের সাথে করে আসছেন। বকলম খান চিন্তিত শিশুদের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে, দিগম্বর সেন চিন্তিত পরিবেশ দূষণ নিয়ে। কিন্তু দুজনের চিন্তা এসে এক বিন্দুতে মিলিত হয়, তা হলো কুরবানি। কুরবানির পশু জবাই থেকে উদ্ভূত দুটি সমস্যা নিয়েই তাদের কাজকারবার। দিগম্বর সেনের দৈনিক রুটিন বেশ সরল। সকালে উঠে তিনি নদীর পাড়ে ওয়াকওয়ে ধরে হাঁটেন। এটি বানানো হয়েছে বছর কয়েক আগে, নদীর জায়গা কিছুটা ভরাট করে। দিগম্বর সেন নিজেকে সান্ত্বনা দেন , উন্নয়নের জন্য কিছুটা মূল্য দেয়া খারাপ নয়। শহরের বেশিরভাগ ফ্যাক্টরির বর্জ্য এসে নদীতে পড়ছে। নদীর পানি কালো হয়ে উঠছে গত ক'বছরে। শোনা যায় এখন নাকি নদিতে মাছই নেই। ‘পলিসি ফেইলিউর' আপনমনে ভাবেন দিগম্বর সেন। দিগম্বর সেন একবার পাহাড়ে গিয়েছেন বেড়াতে। দেখলেন পাহাড় আগের মত নেই। বন কেটে উজাড়। মাটি কেটে সমতল করে ফেলা হয়েছে অনেক জায়গায়। সেদিন তিনি ফেসবুকে লিখেছিলেন, প্রকৃতির প্রতি আমাদের সংবেদনশীল হতে হবে। কদিন আগে পত্রিকায় পড়লেন ঢাকার বায়ু এখন বিশ্বের অন্য যে কোনো শহর থেকে বেশি দূষিত থাকে। আমাদেরকে সতর্ক হতে হবে, সেদিন রাতে বন্ধুদের আড্ডায় বলেছিলেন তিনি। তবে সারাবছর কোনোভাবে কেটে গেলেও জিলহজ মাস এলেই দিগম্বর সেন মাঠে নেমে পড়েন। কুরবানির কথা শোনামাত্র তিনি আঁতকে উঠেন। তার চোখে আগুন জ্বলে ওঠে। তার ভাব দেখে মনে হয় তিনি একাই যেন পৃথিবীর শেষ অক্সিজেন সিলিন্ডার পাহারা দিচ্ছেন। প্রায়ই তিনি ফেসবুকে লেখেন, কুরবানি? উফ, রক্ত আর রক্ত। পুরো শহরে হাজার হাজার মৃত গরু। দেখার কেউ নেই। রক্ত, বর্জ্য, দুর্গন্ধে শহরে চলা যায় না। এই দূষণের কারণেই এন্টার্কটিকায় বরফ গলছে। অবিলম্বে এটি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। ঈদের সকালে গরু দেখলেই তার চেহারায় এমন বেদনা ফুটে ওঠে, যেন জাতিসংঘের মহাসচিব তাকে ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে বলেছেন, ওরে দিগম্বর, পৃথিবী আর বাঁচলো না। তিনি ফেসবুকে প্রায়ই লেখেন, মানুষ প্রকৃতির ভাষা ভুলে গেছে। সাধারণত তিনি এই পোস্ট দেন গাড়ির ভেতরে বসে, এসি চালিয়ে, প্লাস্টিকের কাপে কোল্ড কফি খেতে খেতে। একবার তিনি এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন যে একটি গরুর সামনে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করে ফিসফিস করে বলেছিলেন, আই অ্যাম সরি…’ । দুঃখের বিষয় হলো, গরুটি তখন সম্পূর্ণ নির্লিপ্তভাবে ঘাস চিবাচ্ছিল। দিগম্বর সেনের ভেতরে একধরনের সিনেম্যাটিক পরিবেশবাদ কাজ করে। তিনি চান পৃথিবী বাঁচুক, কিন্তু এমনভাবে বাঁচুক যেন ইনস্টাগ্রামে ভালো লাগে। অর্থাৎ গরু থাকবে, সবুজ মাঠ থাকবে, পেছনে কোথাও হালকা টুং টাং শব্দ হবে। কোথাও কোনো গরু জবাই হবে না। দিগম্বর সেনের সবচেয়ে বড় প্রতিভা হলো, যে কোনো সাধারণ বিষয়কে তিনি আন্তর্জাতিক সংকটে রূপ দিতে পারেন। একবার গরুর হাম্বা শুনে তিনি বলেছিলেন, দেখেছো? এ হচ্ছে সাফারিংয়ের ভাষা। পাশে দাঁড়ানো গরুর মালিক বললো, না ভাই, ও খড় চাচ্ছে। এই এক বাক্যে দুটি সভ্যতার মাঝে সংঘর্ষ বেঁধে গেলো। দিগম্বর সেনের কথা পরিষ্কার। তিনি স্টেক পছন্দ করেন, কাচ্চি খেতে চান। কালোভুনা আর লালভুনা খেতেও আপত্তি নেই তার। শর্ত হলো কোথাও কোনো গরু জবাই হতে পারবে না। তিনি এমন এক খাদ্যচক্রের স্বপ্ন দেখেন, যেখানে গরুগুলো সকালে ঘুম থেকে উঠে স্বেচ্ছায় নিজেদের বিরিয়ানি বা কাচ্চিতে রূপান্তর করবে।

বকলম খান সাহেব জীবনে তিনটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি ভয় পান। এক, পারমাণবিক যুদ্ধ। দুই, চিনি ছাড়া চা। তিন, কুরবানির দিন শিশুদের জবাই দেখা। প্রথম দুটি বিষয় নিয়ে তিনি সারাবছর চিন্তা করেন। কিন্তু তৃতীয়টি নিয়ে তিনি শুধু জিলহজ মাসে চিন্তা করেন। জিলহজ মাস শুরু হলেই তার চেহারায় আতংক ফুটে উঠে যেন শহরের প্রতিটি গলিতে শিশুরা ধারালো ছুরি হাতে 'প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস' শুরু করতে যাচ্ছে। বকলম খান দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, কোনো শিশু যদি একবার কুরবানি করার দৃশ্য দেখে ফেলে, তাহলে তার কোমল মন চিরতরে হারিয়ে যাবে। আজ গরু কাটতে দেখবে, কাল নিজেই মুরগি কাটবে, পরশু আশপাশের লোককে সন্দেহজনক দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করবে। বকলম খান সাহেব বিষয়টি নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা করেছেন। নিজের খাতায় তিনি এ বিষয়ে কিছু নোট করেছেন। প্রথম পৃষ্ঠায় বড় করে লিখেছেন, শিশু + ছুরি = সভ্যতার সমাপ্তি? প্রশ্নবোধক চিহ্নটি তিনি দিয়েছেন বিনয়ের খাতিরে। মূলত এ বিষয়ে তিনি শতভাগ নিশ্চিত। বকলম খান প্রতিবছর জিলহজ মাসে শিশুদের অভিভাবকদের সতর্ক করে লেখালেখি করেন। তার ইচ্ছা আছে নিয়মিত ভিডিওতে আলোচনা করার। সস্তা ওয়েবক্যামে চেহারা অনেকটা বদলে যায় তাই সাহস করতে পারছেন না। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা তাকে গভীরভাবে ব্যাথিত করে। একবার তিনি এক শিশুকে আটকালেন কারণ সে দৌড়ে কুরবানি দেখতে যাচ্ছিল। তিনি যেভাবে ছুটে গিয়ে শিশুটিকে আটকালেন তাতে মনে হচ্ছিল শিশু নয়, রাষ্ট্রীয় কোনো গোপন নথি পাচার হয়ে যাচ্ছে। তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, না বাবা! ওদিকে না! শিশুটি বিস্ময়ে বলল, কেন? বকলম খান চারদিকে তাকিয়ে নিচু গলায় বললেন, ওখানে… জবাই হচ্ছে। শিশুটি তড়িৎ জবাব দিলো, কিন্তু আম্মু তো বলছে গরু কাটবে। এই সরল বাক্যটি বকলম খানকে গভীরভাবে আহত করলো। তিনি বুঝলেন, সমাজ ইতিমধ্যে শিশুটির কোমল ভাষাবোধ নষ্ট করে ফেলেছে। শিশুটির চোখে চাপা উল্লাস দেখে তিনি যারপরনাই মর্মাহত হলেন। তিনি যেন কল্পনার চোখে দেখছিলেন ভবিষ্যৎ জীবনে শিশুটি সিরিয়াল কিলার হয়ে উঠছে। কিছুদিন আগে বকলম খান একটি ওয়ার্কশপ করিয়েছেন। শিরোনাম ছিল, শিশুর মন, সহমর্মিতা ও অতিরিক্ত ধারালো বস্তু। আলোচনার সময় তিনি একটি চার্ট সাথে এনেছিলেন। সেখানে তীরচিহ্ন দিয়ে দেখানো হয়েছে, কুরবানি দেখা → ছুরির প্রতি আগ্রহ → মুরগির দিকে কৌতূহলী দৃষ্টি → সামাজিক অবক্ষয়। একজন মুরুব্বি চার্টটি অনেকক্ষণ দেখে বললেন, এখানে সামাজিক অবক্ষয়ের আগে মুরগি কেন আসছে? বকলম খান গম্ভীরভাবে বললেন, সব বিপর্যয়ের শুরু ছোট থেকে হয়। মুরব্বি হাসি আড়াল করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেন। বকলম খান না দেখার ভান করলেন। তিনি বিশ্বাস করেন, পৃথিবীর সব বড় বড় যুদ্ধের পেছনে শৈশবে জবাই দেখার প্রভাব আছে। নেপোলিয়ন হয়তো ছোটবেলায় গরু জবাই দেখেছিল। চেঙ্গিস খান সম্ভবত আরেকটু কাছ থেকে দেখেছিল। হালাকু খান সম্ভবত নিজেই ছোটবেলায় জবাই করেছিল। ভাবতে ভাবতে বকলম খান দীর্ঘশ্বাস ফেলেন।

পড়তে পারেন।
+2
পড়তে পারেন।

সহজ ও সিম্পল কথা, যত সহজে বুঝবেন নিজের দ্বীন ও ঈমানকে হেফাজত তত বেশি করতে পারবেন, “ইউসুফ কারযাবি, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন, এই উম্মাহের জন্য তার লেখনীর মাধ্যমে যত কল্যাণ রেখে গেছেন, তার থেকে বেশি ক্ষতিই রেখে গেছেন। শায আর বিচ্ছিন্নমতের যেই ভাণ্ডার তিনি রেখে গেছেন ইসলামের নামে, সেগুলোর আলোকে যে ইসলাম থাকে সেটা আদতে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহের ইসলাম না, সেটা পশ্চিমের তৈরি এক নতুন ইসলাম।” . মিউজিক থেকে শুরু করে নারী পুরুষের সহবস্থান, এমন কোনো মর্ডার ইস্যু নাই, যেখানে কারযাবী সাহেবের কলম পশ্চিমার চাহিদার বিপরীত গিয়েছে।

কুরআন ও হাদীসের নীতিমালার আলোকে ইলমের ধারক বাহকগণ যে নির্দেশনাগুলো যুগ যুগ ধরে দিয়ে আসছেন এবং এখনো দিয়ে চলেছেন, আল্লাহর ইচ্ছায় যার ধারাবাহিকতা কেয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে, সে নীতিমালার বাইরে পা রাখার অধিকার কারো নেই। নির্দেশক ও নির্দেশিত কারো জন্যই সে অধিকার নেই। কুরআন সুন্নাহর নীতিমালা তার গতিতে সচল থাকবে। ব্যক্তি তার নিজেকে বদলাতে হবে। পরিবেশ বদলাতে হবে। সমাজ বদলাতে হবে। রাষ্ট্রের নীতিমালা বদলাতে হবে। নিজেকে ও সমাজকে বদলাতে না পারলে তা অপরাধ ও দুর্বলতা। এ অপরাধকে স্বীকার না করে শরীয়তের নীতিমালাকে বদলানোর মানসিকতা অপরাধের চূড়ান্ত পর্ব। শরীয়তের স্বীকৃত নীতিমালাকে বদলে দেয়ার জন্য শুযূযের তালাশ, অতীতের পদস্খলনসমূহের তালাশ, পরিত্যক্ত ও পরিত্যজ্য মতামতকে প্রতিস্থাপন করা খেয়ানত। ইলমের তাহকীকের সঙ্গে তামাশা। নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর নিরক্ষরতাকে পুঁজি করে নতজানু মানসিকতা প্রতিষ্ঠার অপপ্রয়াস। দ্বীন ও ইলমে দ্বীনের স্বার্থে একে অপরকে সতর্ক করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দলিলের আালোকে সঠিক অনুশীলন ও সঠিক রাহনুমায়ী আমাদের দায়িত্ব। ঠেলা ধাক্কা ও গাল মন্দের পরিবর্তে বস্তুনিষ্ঠ দলিলনির্ভর সমালোচনা ও পর্যালোচনা এখন সময়ের দাবি। অতীতেরে যেকোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি জরুরী। মাওলানা যুবায়ের হোসাইন হাফিজাহুল্লাহ

এই ছবি আর সাক্ষাত নিয়ে পথভ্রষ্ট জামাতি আর কওমীর কিছু আবালগুলোকে কোনো সমালোচনা করতে দেখেছেন? যারা ইমারতের একটা সাক্ষাত নিয়ে অন
এই ছবি আর সাক্ষাত নিয়ে পথভ্রষ্ট জামাতি আর কওমীর কিছু আবালগুলোকে কোনো সমালোচনা করতে দেখেছেন? যারা ইমারতের একটা সাক্ষাত নিয়ে অনলাইন-অফলাইন, পুরো দুনিয়া কাপিয়ে ফেলেছে!

আমার চেনাজানা একজন গায়রতমান্দ আলেম সাথী ভাই একটি অন্যায় মামলার শিকার হয়েছেন। ১২/১৩ হাজার টাকা বেতন পাওয়া মানুষটির পক্ষে প্রতি মাসে ২০/৩০ হাজার টাকা মামলা কেন্দ্রিক পরিশোধ করা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। যা আরও ৬ মাসের মতো পরিশোধ করে যেতে হবে (প্রায় আড়াই লাখ টাকা)। দীর্ঘদিন যাবত দ্বীনের খেদমতে নিয়োজিত সাথী ভাইটির জন্য করার মতো আমার সামর্থ্যের মধ্যে খুব বেশি কিছু নেই। তাই আপনাদেরকে জানালাম। আমরা সাধ্যমাফিক অর্থ যোগানের একটু চেষ্টা করলেই ভাইটির মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিম হবে এবং সবকিছু সহজ হবে ইনশাআল্লাহ। সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: {বিকাশ/নগদ/রকেট} ০১৭১৬-২৫০৬৩৫ ©আবু উসামা জাফর ভাই