Abdullah Al Masud
📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah Al Masud
کانال Abdullah Al Masud (@masud887) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 30 125 مشترک است و جایگاه 2 295 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 674 را در منطقه بنغلاديش دارد.
📊 شاخصهای مخاطب و پویایی
از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 30 125 مشترک جذب کرده است.
بر اساس آخرین دادهها در تاریخ 03 سپتامبر, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -97 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر 4 بوده و همچنان دسترسی گستردهای حفظ شده است.
- وضعیت تأیید: تأیید نشده
- نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 12.89% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 5.13% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب میکند.
- دسترسی پستها: هر پست به طور میانگین 3 883 بازدید دریافت میکند. در اولین روز معمولاً 1 547 بازدید جمعآوری میشود.
- واکنشها و تعامل: مخاطبان بهطور فعال حمایت میکنند؛ میانگین واکنش به هر پست 89 است.
📝 توضیح و سیاست محتوایی
نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاههای شخصی توصیف میکند:
“শিক্ষক, লেখক ও আলোচক”
به لطف بهروزرسانیهای پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 04 سپتامبر, 2026)، کانال همواره بهروز و دارای دسترسی بالاست. تحلیلها نشان میدهد مخاطبان بهطور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کردهاند.
در حال بارگیری داده...
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 04 سپتامبر | 0 | |||
| 03 سپتامبر | +5 | |||
| 02 سپتامبر | +5 | |||
| 01 سپتامبر | 0 |
| 2 | 'কুরআনী শব্দের তাফসির' বইটি লেখার ভাবনা আসার পেছনে একটি ছোট গল্প আছে। সেটা হলো, আমি ফেসবুককে কল্যাণকর জিনিস জানা ও জানানোর মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেছি। ফলে কুরআনবিষয়ক বিভিন্ন পেইজ অনুসরণ করি আগ থেকে। তো একদিন একটা পেইজে কুরআনে ব্যবহৃত ‘সুদা’ (سدى) শব্দের ব্যাখ্যা এবং এর উৎপত্তি নিয়ে একটি লেখা চোখে পড়ে। লেখাটি পড়তে গিয়ে মনে হলো, কুরআনে এমন আরও অনেক শব্দ রয়েছে, যেগুলো কেবল অনুবাদ জানলেই পুরোপুরি বোঝা যায় না; বরং সেগুলোর অর্থ, মর্ম, প্রয়োগ, উৎপত্তির পেছনের গল্প বা ঘটনা এবং ভাষাগত বৈশিষ্ট্য নিয়েও জানা প্রয়োজন হয়। এ ধরনের নির্বাচিত শব্দ নিয়ে একটি স্বতন্ত্র বই হতে পারে। পরবর্তী সময়ে সেই ভাবনাই ধীরে ধীরে সিদ্ধান্তে রূপ নেয় এবং আল্লাহর অনুগ্রহে আমি বইটির কাজ শুরু করি।
বইটি পড়ার জন্য কারা আগ্রহী হয়ে আছেন জানাতে পারেন কমেন্টে।
#কুরআনী_শব্দের_তাফসীর | 2 090 |
| 3 | শুধু যোগ্যতা থাকলে হয় না। সেই যোগ্যতাটা প্রকাশ করতে পারাও একটা আলাদা যোগ্যতা। দ্বিতীয় যোগ্যতা না থাকলে প্রথম যোগ্যতা অনেক সময় নিষ্প্রভ থেকে যায়।
#কথা_মুখতাসার | 2 457 |
| 4 | কৈশরে বিভিন্ন ম্যাগাজিনে প্রকাশ পাওয়া যাদের লেখা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তাম সাইফ সিরাজ তাদের একজন৷ তখন তাকে চিনতাম নামে কেবল। তারপর তো অনেক সময় গড়াল। চিনাপরিচয়ও গাড় হলো। 'ভাষা-রাজনীতি'-এর মতো ব্যতক্রমধর্মী বিষয় নিয়ে তিনি ফেসবুকে ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি লেখা প্রকাশ করার পরপরই এই সিরিজটার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছিলাম। এটি আরো বর্ধিত কলেবরে ও পরিমার্জিত আকারে বই আকারে প্রকাশিত হবে জানার পর থেকে অপেক্ষায় ছিলাম। দেরি হচ্ছে দেখে একাধিকবার তাকে মেসেজ করেও খোঁজ নিয়েছিলাম। তিনি আসলে চাননি যেনতেনভাবে বইটা চলে আসুক। সেজন্য যথেষ্ট সময় নিয়ে ঘষামাজা করেছেন। অবশেষে বইটা প্রকাশিত হতে যাচ্ছে রাহনুমা প্রকাশনী থেকে। বেশ খুশির সংবাদ। | 3 378 |
| 5 | بدون متن... | 3 142 |
| 6 | আগামী বছর হজ্বে যাওয়ার নিয়ত করেছেন? বা আপনার পরিচিত কেউ নিয়ত করেছে কিন্তু ভালো কোনো বিশ্বস্ত এজেন্সি খুঁজে পাচ্ছে না? তাহলে আমাদের সাথে আপনি নিশ্চিন্তে হজের সফরে যেতে পারেন। কিবলা ক্যারাভানের ব্যবস্থাপনায় হজ ২০২৭-এর কাফেলায় উপস্থিত থেকে শরঈ বিষয়গুলো সার্বিকভাবে দেখভাল করব আমি ইনশাআল্লাহ।
কিবলা ক্যারাভানের হজ ২০২৭ টিমে আপনার দাওয়াত রইল।
📞 বিস্তারিত জানতে ও প্রি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য যোগাযোগ করুন:
01409-700800
📌 বি.দ্র.: হজ ২০২৭-এর প্রি-রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ইন শা আল্লাহ। | 3 652 |
| 7 | record.ogg | 2 751 |
| 8 | কাকরাইলে ইনস্টটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে এটা প্রোগ্রামে গিয়েছিলাম সন্ধ্যায়। স্কুটার পার্ক করেছিলাম তাদের বেজমেন্টের পার্কিংয়ে। দুইটা হেলমেট একসাথে ছিল। রেগুলার যেটা পরি সেটা একটু দামী। ৩ হাজার টাকা দাম। আর বাড়তি একটা পেছনে রাখা ছিল ৫/৬শ হবে। ফেরার সময় দেখি ৩ হাজার টাকা দামের হেলমেটটা কেউ নিয়ে গেছে৷ রাস্তার পাশে পার্কিং করা থাকলে ধরে নিতাম কোন নেশাখোর নিয়েছে৷ কিন্তু এটা কে নিল? এখানে তো হিরোইনখোরদের আসার কথা না। প্রবল ধারণা অন্য কোন বাইকওয়ালা কাজটা ঘটিয়েছে। হিরোইনখোর/গাঞ্জাখোর নিলে হেলমেট দু'টোই নিতো। একটা রেখে যেতো না। একটা মানুষ এক দুই লাখ টাকার বাইক চালাতে পারে৷ কিন্তু এক দুই হাজার হেলমেট তাকে অন্যেরটা চুরি করে নিতে হয়। এই হলো সমাজের নৈতিকতা। | 326 |
| 9 | record.ogg | 3 582 |
| 10 | মাদরাসায় সাহিত্য মজলিস করা হয় আরবি সাহিত্য বিভাগের ছাত্রদের নিয়ে। সেই মজলিস একটু পরে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। চেষ্টা করব লাইভ করতে। আজকে বই সংগ্রহ ও বই পড়ার নীতিমালা নিয়ে কথা বলব ইনশাআল্লাহ | 657 |
| 11 | কোনটা ভালো লাগে? | 4 076 |
| 12 | ইউসুফ কারযাবী রাহ. দ্বীনের অনেক বিষয়ে অতি আধুনিকতার দিকে ঝুঁকে জুমহুর থেকে বিচ্ছিন্ন মত অবলম্বন করেছেন- এটা সর্বজনবিদিত। মিউজিককে যারা জায়েজ সাব্যস্ত করে সমাজে নরমাল করতে চায়, তাদের কাছে কারযাবী খুব প্রিয় এক নাম। কারযাবীর যুগের বা তারও আগের কিংবা একেবারে সাহাবা-তাবেয়ী যুগের শত শত মনিষীর মতামত, দ্বীনের বুঝ ও ফিকহ থেকে একজন কারযাবী সাহেবের মত এখানে তাদের কাছে বেশি প্রিয় হয়ে ওঠে। কারণ এটা তাদের খাহেশাতের সাথে মিলে যায়।
এবার দেখেন, খোদ কারযাবী সাহেব তার গান-বাজনা বিষয়ক ফতোয়াতে কিছু শর্ত সাপেক্ষে গান-বাজনার বিষয়ে শিথিল মত প্রকাশের পরে লিখেছেন-
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এ যুগের গানগুলোতে এই শর্তসমূহ খুব কমই একত্রে পাওয়া যায়। কারণ এর গুণমান, বিষয়বস্তু, পরিবেশনভঙ্গি এবং এমনসব লোকজনের জীবনের সাথে এর সম্পৃক্ততা বিদ্যমান যারা দ্বীন, নৈতিকতা ও আদর্শ থেকে বহুদূরে অবস্থিত। তাই একজন মুসলিমের উচিত নয় এসব শিল্পীর প্রশংসা ও প্রচার করা, তাদের খ্যাতি ছড়িয়ে দিতে অংশ নেওয়া কিংবা তাদের প্রভাবের পরিধি বিস্তৃত করা। কারণ তাদের প্রভাব যত বিস্তৃত হবে, তাদের সৃষ্ট অনিষ্টের পরিধিও তত বৃদ্ধি পাবে। এই কারণেই নিজের দ্বীন সম্পর্কে সচেতন একজন মুসলিমের জন্য উত্তম হলো নিজের জন্য ‘আযীমাহ’ বা কঠোর সতর্কতার পথ অবলম্বন করা, সন্দেহযুক্ত বিষয়াবলি থেকে বেঁচে থাকা এবং নিজেকে এমন ক্ষেত্র থেকে দূরে রাখা যেখানে একমাত্র বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া হারামের ছোঁয়া থেকে বাঁচা দুষ্কর। আর যিনি ‘রুখসাত’ বা শিথিলতার সুযোগ গ্রহণ করবেন, তাঁর উচিত হবে নিজের জন্য ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং যতটুকু সম্ভব গুনাহের আমেজ থেকে সবচেয়ে দূরের বিষয়টি বেছে নেওয়া। আর এই সতর্কবার্তা যদি সাধারণ 'গান শোনার' ক্ষেত্রে হয়, তবে গানকে 'পেশা হিসেবে গ্রহণ করার' বিষয়টি হবে আরও কঠিন ও ভীতিকর। কারণ তথাকথিত এই 'শিল্পকলা' বা 'সাংস্কৃতিক' পরিবেশের সাথে মিলেমিশে যাওয়া একজন মুসলিমের দ্বীনের জন্য অত্যন্ত মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ; সেখান থেকে দ্বীনকে সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ রেখে বের হয়ে আসতে পারা লোক একেবারেই বিরল।
এখন যারা মেহের যাইন বা সামি ইউসুফের মত গায়কদের প্রচার করে বেড়ায়, কারযাবির চোখেও তাদের এই কাজ নিন্দনীয়। কেননা তিনি স্পষ্ট ভাবেই লিখেছেন, 'এসব শিল্পীর প্রশংসা ও প্রচার করা, তাদের খ্যাতি ছড়িয়ে দিতে অংশ নেওয়া কিংবা তাদের প্রভাবের পরিধি বিস্তৃত করা মোটেই উচিত নয়।' তছাড়া এসব শিল্পী মিউজিকসহ গান গাওয়াকে তাদের পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছে। কারযাবীর দৃষ্টিতে এটাও কিন্তু নিন্দনীয়। কেননা তিনি লিখেছেন, 'গানকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার বিষয়টি আরও কঠিন ও ভীতিকর।'
গান-বাজনা জায়েজ বিষয়ে কারযাবীর ফতোয়া যাদের কাছে এত মধুময় মনে হয়, তাদের অবস্থানের যেসব অংশ খোদ তার ফতোয়ার আলোকেই নিন্দনীয় সাব্যস্ত হচ্ছে সেটাকেও কি তারা মধু হিসেবে গ্রহণ করবেন নাকি এটা তিতা মনে হওয়ায় বাদ দিবেন সেটা জানতে মন চায়। | 3 268 |
| 13 | মনটা অনেক ভার হয়ে আছে৷ SukunLife এর সেন্টার থেকে যদিও বের হয়ে বাসায় এসেছি আরো অনেক আগে। এক দম্পতি আজকে শরঈ কাউন্সিলিং নিতে এসেছিল। সুকুন লাইফে আমি অনেকদিন ধরেই শরঈ কাউন্সিলিং সেবা দিলেও এমন ঘটনার মুখোমুখি এবারই প্রথম হলাম। দম্পতিটির সমস্যা হলো, স্ত্রী কোনোভাবেই সংসার করতে চায় না। তার ইচ্ছা আরো পড়াশোনা করবে, বিদেশ থেকে ডিগ্রি নিবে৷ চাকরি-বাকরি করবে। তার বক্তব্য হলো, তাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন সে স্বামী-সংসার কোনোকিছুই মেনে নিতে পারছে না৷ অথচ স্বামী বা তার পরিবার নিয়ে আলাদা কোনো অভিযোগ নেই৷ যথেষ্ট ভালো পরিবারে বিয়ে হয়েছে। স্বামীও খুব কেয়ারি। তবুও সে সেপারেশন চাচ্ছে, যেহেতু সংসারধর্ম করতে গেলে তার এতোদিনের স্বপ্নগুলো পূরণ হবে না৷ অপরদিকে ছেলে স্ত্রীকে যথেষ্ট ভালোবাসে৷ সে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে সংসারটা টিকে যাক। এতো কিছুর পরেও সে সবর করে আছে। দুআ করে যাচ্ছে এবং মনোবল বা আশা হারাচ্ছে না।
আমি উভয়ের সাথে মনোযোগ দিয়ে কথা বলেছি। অনেকগুলো প্রশ্ন করে কার কী মনোভাব বুঝতে চেষ্টা করেছি। আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি বোনটিকে বুঝানোর জন্য যেন সে মাইন্ডসেট পরিবর্তন করার চেষ্টা করে। আমি যখন কথা বলছিলাম দু'জনেই চোখ মুছছিল। আমার নিজেরও চোখে পানি আসার মতো অবস্থা হয়েছিল স্বামীর চোখের পানি দেখে। কারণ তিনি শুরু থেকেই বারবার টিস্যু নিচ্ছিলেন চোখ মুছতে। তিনি এখানে ভিক্টিম আসলে৷ কারণ বিয়ের শুরুতে তিনি জিজ্ঞেসও করেছিলেন, বিয়ে নিয়ে মেয়ের কোনো আপত্তি আছে কিনা৷ মেয়ে তখন স্পষ্টভাবে কিছু বলেনি৷ অথচ এখন আলাদা হয়ে যেতে চাচ্ছে৷
বিয়ের আগে অবশ্যই উচিত ছেলে-মেয়ে উভয়ের কারো কোনো আপত্তি আছে কিনা সেটা ক্লিয়ারলি নিশ্চিত হয়ে নেওয়া৷ কারণ এটা কোনো ছেলেখেলার বিষয় নয়। বিয়ে নিয়ে কারো কোনো দ্বিমত থাকলে সেটা লুকোছাপা না করে স্পষ্টভাবে বলে দেওয়া উচিত। কী লাভ বিয়ে পরবর্তী জীবনে অন্যেকে এভাবে কষ্টে ফেলার! আল্লাহর কাছে খুব করে দুআ করি, তিনি যেন এই দম্পতির সংসারটা টিকিয়ে দেন। | 3 184 |
| 14 | আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, যুগের প্রলয়ংকারী ঝড় এই উম্মত কীভাবে মুকাবেলা করবে? উত্তরে বলব, এটা দুইভাবে হতে পারে৷
এক. ইসলামের অন্তর্নিহিত সঞ্জিবনী শক্তির মাধ্যমে, যা সকল পরিবেশ-পরিস্থিতিকে মানিয়ে নেবার সক্ষমতা রাখে।
দুই. প্রতি যুগে প্রতিকূল পরিস্থিতির ভেতর দিয়েই জন্ম নেওয়া দ্বীনের প্রতি অটল অবিচল ইসলামী ব্যক্তিত্বদের মাধ্যমে।
(রিজালুল ফিকরি ওয়াদ দাওয়াহ, আবুল হাসান আলি নদবি রাহ.) | 3 129 |
| 15 | সূরা ফুরকানের তরজমার দারস। আয়াত: ২১-৪৪ | 3 789 |
| 16 | আয়াত: ০১-২০ | 4 564 |
| 17 | আজকের সেমিনারে Mohammad Sorowar Hossain স্যার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনেক কথা বলেছেন ক্যারিয়ার নিয়ে৷ তার একটা কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরি৷ তিনি বলেছেন, 'বিবাহ ক্যারিয়ারের সাথে সম্পৃক্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। যদি জীবনসঙ্গী সহযোগী মনোভাবের না হয়, তাহলে কারো পক্ষে কখনোই ভালো গবেষক হওয়া সম্ভব নয়। কারণ সাংসারিক ঝগড়াঝাঁটি আর মনোমালিন্য নিয়ে আর যাই হোক, গবেষণার কাজ হয় না। তিনি নিজের কথা তুলে ধরে বলেন, আমার সহধর্মিনী সহযোগী মনোভাবের বলেই আজ আমার পক্ষে নিশ্চিন্তে গবেষণার কাজ করা সম্ভব হচ্ছে। আমার বইপত্র আর রিসার্চের পেছনে তার অবদান অনস্বীকার্য।'
কাছাকাছি ধরনের কথা মুফতি তকি উসমানী সাহেবের থেকেও বর্ণিত আছে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। দেখবেন, যারাই গবেষণামূলক বা প্রোডাক্টিভ অনেক কিছু করছে, তাদের সংসার জীবনে অশান্তি নাই বা খুবই কম। সেজন্য বিয়ের আগে অনেক ভেবেচিন্তে খোঁজখবর নিয়ে সম্বন্ধ করা উচিত। যেন পরবর্তী জীবনে কোন হ্যাসেল পোহাতে না হয়। | 4 283 |
| 18 | সিয়ান সেমিনারে আসলাম। আলোচনা করছেন মাওলানা মামুনুল হক সাহেব। লিডারশিপ নিয়ে আলোচানাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও গোছানো ছিল। আমি যতটুকু আলোচনা পেয়েছি তার সারকথা ছিল-
আলোচনার সারাংশ
# লিডারশীপ সবার জন্য৷ কেউ অনেক বড় নেককার হওয়া মানে তার মধ্যে নেতৃত্ব গুণ থাকবে জরুরি নয়৷ যেমন সাহাবি আবু যর গিফারি রা.কে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন দায়িত্ব/পদ নিতে না করেছিলেন। এমনকি একজন এতিমের মালের দায়িত্ব নেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বলেছিলেন৷ এমন নয় যে তাঁর ঈমান দুর্বল ছিল। বরং তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন মক্কাতে। ইসলাম তখনও দুর্বল৷ নবিজি তাকে বলেছিলেন আপাতত কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজ দেশে ফিরে যেতে। কিন্তু তিনি ভয় না পেয়ে কাবার সামনে সকল মুশরিকের সামনেই ঈমানের ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং প্রহৃত হয়েছিলেন।
# সরাসরি রাজনীতি না করলেও রাজনীতি সচেতন হওয়া সবার জন্য জরুরি। এটা ছাত্রজীবন থেকেই শুরু হওয়া উচিত। | 3 905 |
| 19 | মুজাহিদ ভাইর উগান্ডার খামারে আমরা বেশ কিছুদিন ছিলাম। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ঈদুল আজহায় কুরবানি প্রজেক্টের বাইরে ঘুরাঘুরি ছাড়া শুধু খামার নিয়ে খুব বেশি কথা বলতে পারিনি। কারণ অনেকেই তাহলে ভেবে নিতো আমরা তার পেইড কোনো প্রমোশন করছি। অথচ বাস্তবতা এমন কিছুই ছিল না। যাইহোক, বাংলাদেশী ভাই উনার খামারে গিয়ে সুন্দর একটা তথ্যচিত্র তৈরি করেছেন দেখলাম। ভাল লাগলো দেখে। উনার প্রজেক্টটা সফল হোক, দুআ করি৷ ব্যক্তিগতভাবে তাকে আমার সৎ মনে হয়েছে।
https://youtu.be/SPiHe7PdSMo?si=ZcY1POfLW_lym-zK | 3 901 |
| 20 | লিংকন সাহেবের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হওয়া নিয়ে অনেকের খেদ ঝাড়া দেখে দুঃখই লাগছে। যেই দল বিএনপিকে নির্বাচনের সময় নিঃশর্তভাবে কাছা মেরে সমর্থন সহযোগিতা করে গেল, তাদেরকেও নির্বাচনের পরে আর কোথাও কোন দায়িত্বে বা প্রাপ্তিতে দেখা যাচ্ছে না। যদিও তারা শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে বলে থাকে, দুনিয়াবি পদ-পদবির আশায় তারা রাজনীতি করে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো আসলে তারা পদ-পাদবির জন্য ডাকই পায়ই না। যাদের তরি পার করার জন্য উদোম হয়ে সব কিছু বিলিয়ে দিল, তারা ডাঙ্গায় উঠে তাদেরকে চিনেও না, গোনাতেও ধরে না। মন্ত্রণালয় দূর কি বাত, সামান্য ইসলামি ফাউন্ডেশনেও তাদের জায়গা হয় না। মূলত জায়গা কেউ কারো জন্য এমনিতে তৈরি করে দেয় না, তৈরি করে নিতে হয়। যদি বিএনপির কাছে নিজেদের হিস্যা বুঝে নেওয়ার হিসাব-নিকাশ করে তারপর সমর্থনে নামত, তাহলে আজকে কমবেশ কিছু হলেও পেতো। কিন্তু তারা 'তারেক নে ভেজা হ্যাঁয়' দিয়েই সন্তুষ্ট ছিল। যারা এতটুকু দিয়ে সন্তুষ্ট হয়, তাদের কপালে এরচে বড় কিছু জুটবে না এটাই স্বাভাবিক। তাই কান্নাকাটি না করে মুখে কুলুপ এঁটে মেনে নিন। তারেক রহমানকে ম্যানশন করে ৫/৬ লাইনের একটা পোস্ট লেখলেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয় না। | 4 016 |
