Abdullah Al Masud
📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah Al Masud
کانال Abdullah Al Masud (@masud887) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 30 508 مشترک است و جایگاه 2 330 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 652 را در منطقه بنغلاديش دارد.
📊 شاخصهای مخاطب و پویایی
از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 30 508 مشترک جذب کرده است.
بر اساس آخرین دادهها در تاریخ 26 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -38 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -5 بوده و همچنان دسترسی گستردهای حفظ شده است.
- وضعیت تأیید: تأیید نشده
- نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 16.07% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 4.95% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب میکند.
- دسترسی پستها: هر پست به طور میانگین 4 905 بازدید دریافت میکند. در اولین روز معمولاً 1 511 بازدید جمعآوری میشود.
- واکنشها و تعامل: مخاطبان بهطور فعال حمایت میکنند؛ میانگین واکنش به هر پست 84 است.
📝 توضیح و سیاست محتوایی
نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاههای شخصی توصیف میکند:
“শিক্ষক, লেখক ও আলোচক”
به لطف بهروزرسانیهای پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 27 ژوئن, 2026)، کانال همواره بهروز و دارای دسترسی بالاست. تحلیلها نشان میدهد مخاطبان بهطور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کردهاند.
در حال بارگیری داده...
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 27 ژوئن | 0 | |||
| 26 ژوئن | +5 | |||
| 25 ژوئن | 0 | |||
| 24 ژوئن | +7 | |||
| 23 ژوئن | 0 | |||
| 22 ژوئن | +8 | |||
| 21 ژوئن | 0 | |||
| 20 ژوئن | +9 | |||
| 19 ژوئن | +20 | |||
| 18 ژوئن | +5 | |||
| 17 ژوئن | 0 | |||
| 16 ژوئن | 0 | |||
| 15 ژوئن | 0 | |||
| 14 ژوئن | 0 | |||
| 13 ژوئن | +2 | |||
| 12 ژوئن | +4 | |||
| 11 ژوئن | 0 | |||
| 10 ژوئن | +3 | |||
| 09 ژوئن | +3 | |||
| 08 ژوئن | +2 | |||
| 07 ژوئن | +4 | |||
| 06 ژوئن | +13 | |||
| 05 ژوئن | 0 | |||
| 04 ژوئن | +3 | |||
| 03 ژوئن | +22 | |||
| 02 ژوئن | 0 | |||
| 01 ژوئن | 0 |
| 2 | যারা এদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জযবা লালন করে এদের তৃণমূলের বড় একটা অংশের কথাবার্তা ও আচার-আচরণ খুবই হতাশাজনক। বিভিন্ন কমেন্টে-পোস্টে তাদের যে নিম্নমানের ভাষা দেখা যায়, সেটা দেখে অনুমিত হয় যে, তাদের নিজেদের মধ্যে ইসলামকে আগে প্রতিষ্ঠা করার ফিকির বেশি করা উচিত। ইসলাম শুধু আইন ও বিচার ব্যবস্থার নাম নয়, বরং উত্তম আখলাক হলো ইসলামের সবচে বড় পরিচয়। এই জায়গাটাতে অনেকে হেরে যায়৷ উত্তম আখলাক কেন মানুষকে সবচে বেশি জান্নাতে নিবে বলে হাদীসে এসেছে, সেটাও এসব দেখে বুঝে আসে। কারণ জযবা লালন ও প্রকাশ সহজ কাজ, কিন্তু আচরণে-উচ্চারণে সংযম ও পরিমিতিবোধ অবলম্বন কঠিন কাজ। | 1 535 |
| 3 | এবারের পূর্ব আফ্রিকা সফরে আমার একটা গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি হলো, দারুল উলুম দেওবন্দ ও এর সাথে সম্বন্ধযুক্ত আলেমদের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা ভারতীয় উপমহাদেশে দ্বীন ইসলামকে অবিকৃত ও 'মধ্যপন্থী দ্বীন' হিসেবে জাগরুক রেখেছেন। আগে তাকি উসমানী সাহেবের সফরনামাতে পড়েছি, বিভিন্ন দেশ ঘুরে তার পোক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে যে দেওবন্দের মতো এত মকবুল দ্বীনী আন্দোলন দ্বিতীয়টি নেই। আমি কিছু হলেও এর বাস্তবতা উপলব্ধি করেছি। সফর আসলেও মানুষের সামনে এমন অনেক বিষয় তুলে ধরে, যা বইপত্রে পড়ে অর্জিত হয় না। আমার এই অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি কেন ও কীভাবে অর্জিত হলো তার সবিস্তার বিবরণ আমি পূর্ব আফ্রিকার সফরনামাতে তুলে ধরব ইনশাআল্লাহ। এটি লেখার কাজ চলমান আছে। আল্লাহ যেন সুন্দরভাবে সমাপ্ত করার তাওফীক দান করেন। আমিন। | 2 204 |
| 4 | আবু তাহের মেসবাহ (আদিব হুজুর) রচিত শিশুতোষ সাহাবা-জীবনীগুলো কোথাও পাওয়া যায় না। ভাগ্য ভাল থাকলে অনেক সময় নীলখেতের ফটোকপির দোকানে পাওয়া যায়। কিছুদিন আগে উনার ৩টা রিসালাহ নতুন করে কম্পোজ করে সাথে বাড়তি কিছু কাজ করে পিডিএফ আকারে এনেছি। এতে রিসালাহগুলো যেমন হারানোর শঙ্কা থেকে মুক্ত হলো, তেমনি এর ফায়দাও আম হবে ইনশাআল্লাহ। পিডিএফগুলো নাম মাত্র মূল্যে সংগ্রহ করতে পারেন সাইট থেকে। লিংক- https://www.nlquran.net/digital-downloads | 2 289 |
| 5 | যারা এসো আরবী শিখি পড়ছেন বা পড়াচ্ছেন, তারা চাইলে এই কিতাবের পাঠভিত্তিক শিটগুলো সংগ্রহ করে নিতে পারেন আমাদের সাইট থেকে। এই কিতাবটিতে ব্যাকরণগত নিয়ম-কানুনের বিস্তারিত আলোচনা দেওয়া হয়নি। সাধারণত শিক্ষক ক্লাসে নাহু-সরফের বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন এবং শিক্ষার্থীরা সেগুলো নোট করে রাখে। কিন্তু অনেকের জন্য ক্লাসের সব আলোচনা সঠিকভাবে নোট করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে পরবর্তীতে পাঠ পুনরাবৃত্তি ও ব্যাকরণ বুঝতে সমস্যা দেখা দেয়।
এই সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে প্রতিটি পাঠে নতুনভাবে আলোচিত নাহু ও সরফের বিষয়গুলো সহজ, সংক্ষিপ্ত ও শিক্ষার্থী-বান্ধব ভাষায় ব্যাখ্যা করে এই শিট প্রস্তুত করা হয়েছে। এগুলো মূলত আমাদের স্টুডেন্টদের জন্য ছিল। এখন যে কেউ চাইলে সংগ্রহ করতে পারবেন। লিংক- https://www.nlquran.net/digital-downloads | 2 576 |
| 6 | আমাদের চারপাশে কিছু মানুষ থাকে না এরকম, যে আত্মহত্যা করার পরে তার ব্যাপারে সবাই ভাবে, তার জীবনে তো সব ছিল। তাহলে তার মনে কিসের এতো দুঃখ-কষ্ট ছিল? কেন সে মরতে গেল! মানুষ হিসাব মিলাতে পারে না। কারো থেকে কিছু জানাও যায় না। মাঝেমাঝে আমার নিজেকে সবার চোখে সুখি সেই মানুষটা মনে হয়। | 1 983 |
| 7 | মানুষকে সৃষ্টিই করা হয়েছে আল্লাহর গোলাম হওয়ার জন্য। অতএব, সে যদি আল্লাহর গোলাম না হয়, তবে সে অন্য কারও গোলাম হয়ে হবে।"
- শেখ মুহাম্মদ আল-মুকরমি | 3 163 |
| 8 | বিভিন্ন জায়গায় 'ফিরাকে বাতেলা' নামে আলোচনার অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এর প্রয়োজনীয়তা অস্বীকারের সুযোগ নেই। এবং এসব আলোচনা সভার একটা বড় অংশের উদ্দেশ্য থাকে জামায়াতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান চিন্তক আবুল আলা মওদুদির বিভিন্ন আফকারকে রদ করা। এটারও প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে আগের তুলনায়। তবে এক্ষেত্রে একটা বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা খুবই জরুরি মনে করি। সেটা হলো, আলোচনাসভার আলোচকরা যেন সুনিশ্চিত আপত্তি নিয়েই আলোচনা করেন। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, মওদুদি সাহেবের চিন্তাকে রদ করে বাংলাতে এমন বহু বইপত্র রচিত হয়েছে, যেগুলোতে ইনসাফ রক্ষা হয়নি। অর্থাৎ, আপত্তি করার মতো না জিনিসকেও টেনে হিঁচড়ে আপত্তিকর দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে কোথাও কোথাও। অথচ এসব না করে সত্যি সত্যিই আপত্তিকর বহু বিষয় তাঁর বইপত্রে আছে। সেজন্য আলোচকদের জন্য সবচে ভালো হতো উনার বই ধরে ধরে সরাসরি আপত্তির জায়গাগুলো তুলে ধরা৷ দ্বিতীয় তৃতীয় স্তরের সূত্রের উপর সীমাবদ্ধ না থাকা। কারণ এটা নিশ্চিত, কেউ যদি বাংলাভাষায় রচিত নানান বইপত্রের উপর ভরসা করে তাকে রদ করতে যায়, তবে নিশ্চিতভাবে এমন এমন ভুল করবে যে, প্রৃকত আপত্তিগুলোও তখন হালকা হয়ে যাবে। এই যুগে মুখস্ত বুলি আওড়ে দোষারোপ করে দেওয়াটাই যথেষ্ট না। বই ধরে দেখিয়ে দেওয়াটা জরুরি। সমালোচনার ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ইনসাফ রক্ষা করা এবং সমালোচনার নীতিমালা মেনে চলার তাওফীক দিন৷ আমীন। | 3 805 |
| 9 | কেউ যখন দ্বীনের জন্য কোন দাওয়াতি কাজ করে, তখন এই আপত্তি উঠানো বেমানান যে, এই কাজের তুলনায় ঐ কাজ করলে আরও ভাল হত। কারণ এভাবে বলতে থাকলে এর কোন অন্ত থাকবে না। আরেকজন এসে দ্বিতীয় কাজটার তুলনায় তৃতীয় আরেকটা কাজকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দেখাবে নানান যুক্তি তুলে। এই ধারা চলতে থাকবে। অথচ উচিত হলো, যেটা আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে, আপনি নিজেই সেই কাজে নেমে যান। অন্য জনের কাজ গুরুত্বপূর্ণ না বলে যুক্তি দেখানোর কোন প্রয়োজন নেই। প্রত্যেকেরই কাজের নিজস্ব পলিসি ও প্ল্যান আছে। প্রায়োরোটির বৈচিত্র্য আছে। কোনটা গুরুত্বপূর্ণ আর কোনটা গুরুত্বপূর্ণ না, সেই বিচারও সবার কাছে সমান হবে না। যেটা আপনার কাছে প্রায়োরোটির হকদার, সেটা আরেকজনের কাছে হকদার না হলেই তা সমালোচনার উপযুক্ত হয়ে যায় না। আবার অনেক সময় সত্যি সত্যি সেটা প্রায়োরোটির উপযুক্ত হলেও নানান কারণে সেই কাজটা করা সম্ভব না হতে পারে। এসব বেসিক জিনিস না বুঝাটা বিরাট বড় সমস্যার বিষয়। | 5 121 |
| 10 | যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন এটি সম্প্রতি ডেভলপ করা হয়েছে আমাদের হিফজের শিক্ষার্থীদের ড্যাশবোর্ডে। মাস শেষে যেন তারা দেখতে পায় সারা মাসের আমলনামা। এতে তারা যেমন নিজেদের অবস্থা যাচাই করতে পারবে, তেমনি টিচাররাও নিজের শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে ধারনা রাখতে পারবেন কে কেমন। মূলত একজন শিক্ষার্থী সারা মাসে কতটুকু নতুন হিফজ করল, কতটুকু তিলাওয়াত করল এসব দেখে নিজেকে আরও উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়ার একটা মেসেজ পাবে। পাশাপাশি পরের মাসে আরও বেটার পারফরম্যান্স করার তাগাদাও তৈরি হবে নিজের মধ্যে।
আমাদের অনলাইন একাডেমিতে ২০ জন দক্ষ হাফেজ-হাফেজার অধীনে হিফজ করছে বর্তমানে ১৫০+ ভাই-বোন। তারা সবাই জেনারেল শিক্ষিত। কেউ সংসার সামলাচ্ছেন, কেউ চাকরি করছেন, কেউ পড়াশুনা করছেন। এসবের ভেতর দিয়েই তারা নিয়মিত অল্প অল্প করে হিফজ করে যাচ্ছেন কুরআনুল কারিম। আল্লাহ তাদের কবুল করুন। আমিন।
আপনিও চাইলে হিফজ করা শুরু করতে পারেন। বিস্তারিত জানার জন্য Nurul Quran Academy-NQA তে মেসেজ করুন বা হোয়াটসআপে নক করুন- https://wa.me/8801700946569 | 4 099 |
| 11 | শায়খ আহমাদুল্লাহ সাহেব কেন ফুটবল খেলার উন্মাদনা নিয়ে মন্তব্য করলেন সেজন্য অনেকেই দেখি বেশ খেপছেন তাঁর উপর। বলছেন, 'সবাইকে সব বিষয়ে মন্তব্য করতে হয় না। এতে সম্মান কমে যায়।' মানে, যতক্ষণ তিনি মিষ্টি মিষ্টি কথা বলবেন ততক্ষণ তিনি ভাল হুজুর। যখনই তাদের নফসের খাহেশাতের বিরুদ্ধে যায় এমন কোন কথা বলেন তখন আর তিনি ভাল হুজুর না। তিনি সম্মানের উপযুক্ত না। এই হলো এদের ভাল-মন্দের মাপকাঠি। তারা চায় তিনি স্রোতের বিপরীত কিছু না বলুন। অথচ এটা আলেমের শান না। আর সম্মানের কথা যদি বলেন, তবে সেটা তো আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে। এসব কথা শুনলে একটা আয়াতই মাথায় আসে,
وَلَا یَحۡزُنكَ قَوۡلُهُمۡۘ إِنَّ ٱلۡعِزَّةَ لِلَّهِ جَمِیعًاۚ هُوَ ٱلسَّمِیعُ ٱلۡعَلِیمُ
"আর তাদের কথা যেন আপনাকে দুঃখ না দেয়। নিশ্চয়ই সকল মর্যাদা আল্লাহর। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।" | 3 840 |
| 12 | Ainul Haque Qasimi ভাইকে দেখলাম বন্দি হয়ে অনেক বই রচনা করে ফেলেছেন। ফলে এটা এক দিক দিয়ে তাঁর জন্য আশীর্বাদ হয়েছে। এটা দেখে আরবি ভাষা ও অভিধান শাস্ত্রের অন্যতম দিকপাল আবু মনসুর আল-আযহারীর কথা মনে পড়ল। ৩১১ হিজরিতে তিনি হজ পালন শেষে ফেরার পথে 'কারামাতিয়া' সম্প্রদায়ের হাতে বন্দী হন। প্রায় দুই বছর তিনি মরুভূমির বিশুদ্ধ আরবিভাষী বেদুইন দল 'বনু হাওয়াযিন'-এর মাঝে কাটান, যা তার জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়ায়। সেখানে তিনি একদম আদি ও খাঁটি আরবি ভাষা সরাসরি শেখার ও আত্মস্থ করার বিরল সুযোগ পান, যা পরবর্তীতে তার বিখ্যাত অভিধান গ্রন্থ 'তাহযীবুল লুগাহ' রচনায় সবচেয়ে বড় ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল। | 3 625 |
| 13 | ইমাম ইবনে আতিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর "আল-মুহাররার আল-ওয়াজিজ" (১/৫২) তাফসীর গ্রন্থে বলেছেন:
"আল্লাহর কিতাব (কুরআন) থেকে যদি একটি শব্দও তুলে নেওয়া হয়, এরপর সমগ্র আরব ভূখণ্ডের ভাষা অন্বেষণ করা হয় যাতে তার চেয়ে উত্তম কোনো শব্দ খুঁজে পাওয়া যায় তবুও তা পাওয়া যাবে না। আর আমরা কুরআনের অধিকাংশ আয়াতেরই অলঙ্কারিক শ্রেষ্ঠত্ব (বালাগাত) স্পষ্ট বুঝতে পারি, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর অন্তর্নিহিত রূপটি আমাদের কাছে গোপন থেকে যায়। এর কারণ হলো, তৎকালীন আরবদের ভাষা ও রুচিবোধের যে সুস্থতা, মেধার যে চমৎকারিত্ব এবং বাক্যের সূক্ষ্ম পার্থক্য নিরূপণের যে অনন্য যোগ্যতা ছিল, আমাদের অপূর্ণতার কারণে আমরা সেই স্তরে পৌঁছাতে পারিনি।" | 3 796 |
| 14 | এই দ্বিমুখী সমস্যাকে সাথে করেই পা বাচ্ছিলাম। প্রতিটি মুহুর্ত ভয়ের তীব্র ছটা আমাকে বিদ্ধ করছিল। যদিও এই পোকাগুলোর বৈশিষ্ট্য জানা নেই। এগুলো কামড় দেয় কিনা কিংবা দিলেও বিষাক্ত কিনা কিছুই জানি না। উসমানকেও জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হচ্ছিল না। কারণ সে তার মতো করে অনরত ব্রিফ করে যাচ্ছিল এই কবরস্থান ও এর কবরগুলো নিয়ে৷ তাছাড়া নিজের ভয় পাওয়াকে কিছুটা লুকোছাপা করে রাখার একটা চেষ্টাও ছিল।
কথা বলতে কবরস্থানের মাঝ এরিয়ায় চলে এসেছি। হাতের ডানে দেখলাম বেশ আলিশান কিছু কবর। অন্য কবরগুলো থেকে আলাদা। রঙিন কাপড় দিয়ে ঘেরা। উপরে গম্বুজের মতো বানানো৷ শরীয়ত এগুলোকে সমর্থন করে না। তবুও অনেক সময় মানুষ আবেগের বশে পীর-বুজর্গদের কবরকে এমন করে রাখে। এই কবর যে লামুর বিখ্যাত আলেম ও পির হাবিব সালেহের তা দেখেই চিনেছি। কারণ লামু মিউজিয়ামে এই কবরের ছবি দেখেছি। সেখানে পাশাপাশি আরো বেশ কিছু কবর। সেগুলো তার পরিবার বর্গের।
একটা কবরের দিকে ইশারা করে উসমান বলল, এটা শায়খ আবদুর রহমান রহিমাহুল্লাহ এর কবর। তিনি একবার নবিজীকে স্বপ্নে দেখেছিলেন। নবীজি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি দুনিয়ার ধনসম্পদ চাও নাকি ইলম? তিনি ধনসম্পদ চেয়েছেন। কিন্তু নবীজি দ্বিতীয়বার আবার জানতে চেয়েছিলেন, তুমি ধনসম্পদ চাও নাকি ইলম? এবারও তিনি ধনসম্পদের কথা বললেন। তৃতীয়বারও নবীজি তাকে একই কথা জিজ্ঞেস করলেন৷ তিনি বুঝতে পেরেছিলেন তার উত্তর নবীজির পছন্দ হচ্ছে না। তাই তৃতীয়বার বলেছেন তিনি ইলম চান। তখন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মুখে থুতু দিয়ে দেন। এরপর তিনি প্রভুত জ্ঞান অর্জন করেন। পরবর্তীতে লামুর অন্যতম প্রধান শায়খে পরিণত হন। ঘটনার বাস্তবতা আল্লাহই ভালো জানেন। তবে এমন কিছু ঘটা অস্বাভাবিক কিছু না। এবং এটি সত্য হবার পথে শরীয়তের দৃষ্টিতে কোন বাধাও নেই।
লামুর লোকদের মধ্যে কথিত আছে, যদি তুমি সম্পদ চাও তাহলে শায়খ হাবিব সালিহের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে দুআ করো। আর যদি ইলম চাও তাহলে শায়খ আবদুর রহমানের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দুআ করো। সেজন্য তালিবুল ইলমরা কবর যিয়ারতে আসলে সাধারণত শায়খ আবদুর রহমানের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দুআ করে। | 4 519 |
| 15 | রাত তখন ১০টার কাটা পেরিয়ে গেছে। চারপাশ সুনসান নিরবতায় ঢাকা। এখানে সন্ধ্যার পরপরই দোকানপাটের ঝাপ নেমে যায়। আর ইশার পর রাস্তা-ঘাটে মানুষ থাকে খুবই কম। কালকে আমরা লামু দ্বীপ ছেড়ে চলে যাব। তাই ইউনুসকে ফোন দিয়ে বললাম, শেষবার তোমার সাথে দেখা করতে চাচ্ছি। জীবনে আর কখনো দেখা হবে কিনা জানি না। তানজানিয়ার সদাহাস্যজ্বল এই যুবক আহলান সাহলান বলে সানন্দে রাজি হয়ে গেল।
আমি জামা গায়ে দিয়ে হোটেলের সিড়ি ভেঙ্গে নিচে নেমে এলাম। সরু গলি পেরিয়ে তার মসজিদের দিকে এগোতে লাগলাম। এক দুই গলি পার হতেই তার সাথে দেখা হয়ে গেল। সালাম বিনিময়ের পর বললাম, চলো কোথাও বসে চা-কফি খাই। খেতে খেতে আলাপ করা যাবে। প্রথমে এক দোকানে গেলাম। এতো রাতে খোলা থাকার কথা না। তবুও গেলাম। যদি মিলে যায়! কিন্তু নাহ, দোকানটা আরো আগেই বন্ধ হয়ে গেছে।
ওসমান আমাকে নিয়ে এবার হাঁটা শুরু করলো। ভিনদেশি লোকদের একটা এরিয়া আছে। ওরা কিছুটা দেরিতে ঘুমায়। সেই এরিয়াতে দোকানপাট অনেক রাত অব্দি খোলা থাকে। সেদিকেই আমরা চললাম। হাঁটতে হাঁটতে বহু কথা তাকে জিজ্ঞেস করলাম। এখানকার শিক্ষক যারা, তাদের বেতন মাত্র ৩/৪ হাজার টাকা। সেটাও মাসের পর মাস অনাদায়ী থাকে। বুঝলাম, এই চিত্রটা বাংলাদেশ থেকে ভিন্ন না। সম্ভবত পৃথিবীর তাবৎ সরকারী পৃষ্ঠপোষকতাহীন ট্রেডিশনাল শিক্ষাধারার একই চিত্র। এখানে পাতে কিছু পড়লে খাওয়া হয়, না পড়লে সবরই একমাত্র ভরসা।
হাঁটতে হাঁটতে আমরা অনেক দূরে চলে এসেছিলাম। পুরাতন সব দালানকোঠা কালের সাক্ষী হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে।
একটা জীর্ণ পরিত্যক্ত ভবনের দিকে ইশারা করে সে বললো, এটি ছিল লামু দ্বীপের প্রথম মাদরাসা। এখান থেকেই বিখ্যাত অনেক আলেমের পড়ালেখার হাতেখড়ি। পাশেই আরেকটা পুরাতন ভবন দেখিয়ে বললো, এর নাম মসজিদে সওয়াহিল। মসজিদটা এখনও সচল থাকলেও মাদরাসাটা বন্ধ হয়ে গেছে। ছাদ ধ্বসে পড়েছে আগেই৷ কিংবা এতে ইট-সুরকির কোন ছাদই ছিল না। ছনের ছাউনি ছিল উপরে। নিচের ছোট ছোট কামরায় শেওলা আর জংলি গাছের দৌরাত্ম্য। কামরাগুলোর দিকে তাকিয়ে আমি যেন হারিয়ে গেলাম ইতিহাসের ফেলে আসা দিনগুলোতে। ছোট ছোট বাচ্চাদের কিচিরমিচির আর কোন শায়খের গুরুগম্ভীর দরসের ক্ষীণ আওয়াজ ভাস্বর হয়ে উঠল কল্পরাজ্যে।
যাওয়ার পথে আরও একটা মসজিদের সাক্ষাৎ পেলাম। নাম মসজিদ বানু ফাদ্বিলি। নির্মাতার নামে মসজিদটির নাম রাখা হয়োছে। লোকটি এসেছিল আল-হাবিব আহমাদ বাদাওয়ির কাছে। তিনি লামু দ্বীপের সবচে বিখ্যাত আলেম হাবিব সালিহের পুত্র। সেই লোক এসে বলল, 'আমার কোন সন্তান হয়নি। আমি নিঃসন্তান। আমার জন্য দুআ করুন।' তখন তিনি বললেন, 'সন্তানের মাধ্যমে মানুষের নাম বাকি থাকে। তুমি একটা কাজ করো। নিজের নামে একটা মসজিদ বানাও। সেই মসজিদ যতদিন থাকবে, তোমার নামের স্মরণ বাকি থাকবে।'
এরপর সেই লোক এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। আজও মানুষ এই মসজিদে নামাজ পড়ে। মসজিদের নাম উল্লেখ করতে গেলে তার নাম ধরতে হয়। সন্তানাদি না থাকলেও এত এত বছর পেরিয়ে গেলেও মসজিদটিই তার নামকে মুছে যেতে দেয়নি।
রাত মোটামুটি আরও গভীর হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক পথ হেঁটে ফেলেছি। আমি কিছুটা ক্লান্তিও অনুভব করছিলাম। কারণ মাগরিবের পরেও অনেক হাঁটা হয়েছে। তবুও পরদিন চলে যাব ভেবে জোর করেই পা চালাতে লাগলাম। একটু পরে মূল রাস্তা পেরেয়ে একটা বাগানের সামনে চলে এলাম। জনবসতি এখানে মোটেই নেই। চারপাশের সুনসান নিরবতা এই জায়গাটিকে আরও বেশি ঝেঁকে ধরেছে। আরেকটু সামনে বাড়তেই বুঝলাম এটা কবরস্থান। ভয়ে আমার শরীর ছমছম করছিল।
কবরস্থানে ঢুকার পথেই দেখি একটা লোক উবু হয়ে বসে আছে। গায়ে ময়লা-অপরিচ্ছন্ন কাপড়। চোখ দু'টো লাল হয়ে আছে। মনে হচ্ছিল কেউ তাতে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দিয়েছে। তার চোখে চোখ পড়তেই আমার দমবন্ধ হবার যোগাড়। স্থানীয় ভাষায় উসমান তার সাথে কথা বলল। কী বলল কিছুই বুঝিনি। বুঝার দিকে আমার তেমন আগ্রহও ছিল না। শুধু আল্লাহ আল্লাহ করছিলাম।
লামুর প্রাচীন কবরস্থান এটি। এতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন অনেক পীর-বুজুর্গ আর আলেম-উলামা। চলে যেহেতু এসেছিই তাই ভেতরটা ঘুরে দেখার লোভ সামলাতে পারলাম না। ভয়কে জয় করেই পা দু'টো সামনে ফেলতে লাগলাম। সরু পথের দুই পাশে সারিসারি কবর। এখানে শুয়ে আছে লামু দ্বীপের অনেক প্রাচীন বাসিন্দা। যারা এক কালে জাহাজের নাবিক ছিল। সাগরের উত্তাল ঢেউ পাড়ি দিয়ে দূরদূরান্তে বানিজ্যের জন্য যেতো। যারা শুধু ব্যবসায়ী ছিলেনা না, ছিলেন একেকজন দ্বীনের দায়ীও৷ তাদের সংস্পর্শে এসে ভারত সাগরের উপকূলে অবস্থিত কেনিয়ার এই দ্বীপটি হয়েছিল মুসলিম জনসংখ্যার একটি ঐতিহাসিক দ্বীপ। চালু হয়েছিল আরব-আফ্রিকান কম্বিনেশনে তৈরি নতুন এক জনগোষ্ঠি—স্বোয়াহিলি।
কবরস্থানের যতো গভীরে ঢুকছিলাম তত ভয় আমাকে জাপটে ধরছিল। সবচে ভয় লাগছিল মাটিতে হাঁটা প্রায় ছয়-সাত ইঞ্চি লম্বা লম্বা এক জাতীয় হৃষ্টপুষ্ট জোঁক সদৃশ্য কীড়া দেখে। কখন এগুলো গায়ে উঠে যায় সেই শঙ্কা প্রতিটি মুহুর্ত আমাকে অস্থির করে রাখছিল। নিচে তাকালে ভয় লাগছিল, আবার না তাকালে কখন সেই কীড়ার গায়ে পাড়া পড়ে যায় সেই শঙ্কা ছিল। | 3 752 |
| 16 | কীভাবে আমি 'আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ' থেকে 'আবদুল্লাহ আল মাসউদ'-এ পরিণত হলাম সেই গল্প শুনাচ্ছিলাম লামুর এই শায়খকে। | 5 096 |
| 17 | আমাদের একাডেমিতে কর্মরত একজন বোনের বায়োডাটা এটি। বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছেন, এমন কোন ভাই থাকলে বায়োটা দেখতে পারেন। বৃহত্তর রংপুরের হলে ভালো৷ ঢাকারও হতে পারে৷ কেউ আগ্রহী হলে তার বায়োডাটা আমাকে মেইল করতে পারেন-
abdullahmasud887@gmail.com
তারপর চূড়ান্ত কথাবার্তা অভিভাকরাই বলবেন। আমি শুধু বায়োডাটাটা দিয়ে হেল্প করলাম। | 5 673 |
| 18 | আর মাত্র একদিন পরেই ১০ জুন। ঠিক ১১০ বছর আগে ১৯১৬ সালে এই দিনে প্রথম আরবরা বিদ্রোহ করে উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে। তার পরের ইতিহাস বেশ করুন। এই বিদ্রোহের ফোলে ভঙ্গুর উসমানী খেলাফত আরও বেশি ভঙ্গুর হয়ে পড়ে এবং তার বিলুপ্তি ত্বরান্বিত হতে থাকে। ১৯২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উসমানী খেলাফতের বিলুপ্তির ঘোষণা দেওয়া হয় এবং বিশাল বড় উসমানি খেলাফতের অধীন ভূমিগুলোকে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়। সেই যে মুসলিমরা দুর্বল হয়ে ভেঙ্গে পড়েছিল, আজ আব্দি তেমন একটা কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারেনি। খেলাফতহীন এই একশ বছরে দুনিয়াতে এসেছে বড় বড় অনেক পরিবর্তন। বিশ্বকে পাল্টে দেওয়া সেসব বাঁকবদলকারী বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের ওয়েবিনার-০২ অনুষ্ঠিত হবে ২৫ জুন বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে। শিরোনাম- 'উসমানি খেলাফত পরবর্তী মুসলিম বিশ্বঃ এক শতাব্দির প্রভাবশালী পরিবর্তনসমূহ'। আলোচনা করবেন বিশিষ্ট ইতিহাস-অনুসন্ধিৎসু লেখক ও আলোচক ইমরান রাইহান। এই ওয়েবিনারে রেজিস্ট্রেশন করার লিংক- https://sl1nk.com/2kf09ov | 6 387 |
| 19 | যারা কুরআনুল কারীম মোটেই পড়তে পারেন না বা ছোটকালে শিখলেও এখন সব ভুলে গেছেন; কিন্তু নতুন করে আবার কুরআনের তিলাওয়াত শিখতে চাচ্ছেন, অথবা মোটামুটি পারলেও তেমন ভাল পড়তে পারেন না; পড়া অশুদ্ধ, তাদের জন্য তাজবিদসহ সহীহভাবে কুরআন শিক্ষা কোর্সটি। বিস্তারিত তথ্য পোস্টার থেকে দেখে নিন। স্টুডেন্টদের রিভিউ দেখতে ক্লিক করুন- shorturl.at/vLOS8
ভর্তির জন্য মেসেজ করুন-
ফেসবুক পেইজ- www.facebook.com/NLQURAN
হোয়াটসআপ- https://wa.me/8801700946569 | 6 029 |
| 20 | ফজরের পরপরই ব্যাগ-ট্রলি নিয়ে বের হয়ে পড়লাম ভারত মহাসাগরের পাশ ঘেঁষে গড়ে উঠা মুসলিম ঐতিহ্যের দ্বীপ লামু থেকে। স্পিডবোট যত দূরে সরছিল ততোই দ্বীপের নজরকাঁড়া সৌন্দর্য ফুটে উঠছিল। সাগরের একদিকে সূর্যের মিষ্টি সোনালি আলো, অন্যদিকে লামুর প্রাচীন স্থাপত্যের মায়াবি চাহনি। মাঝে থরথর কাঁপতে থাকা জলরাশি। আমরা দ্বীপের উত্তর পাশ দেখলেও দক্ষিণ পাশে আসা হয়নি। স্পিডবোট ওদিকেই নিয়ে যাচ্ছিল। পানিতে দোল খেতে খেতে এবার তাই দক্ষিণ পাশটাও দেখা হলো। তবে এদিকটাতে সেরকম জনবসতি নেই। শুধু সবুজ বন আর গাছের সারি। ভর জোয়ারের সময় বলে গাছের বুক সমান পানি।
স্পিডবোট আমাদেরকে নিয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে মাকোর দিকে। ওখান থেকে বাসে চড়ে যাব মুম্বাসা। কেনিয়ার অন্যতম বিখ্যাত সমুদ্রঘেঁষা শহর। যেতে লাগবে প্রায় ৭/৮ ঘন্টা। নাইরোবি থেকে লামুতে বিমানে আসাতে কেনিয়ার গ্রামাঞ্চল ততোটা দেখার সুযোগ হয়নি৷ বাসে আশা করি সেই অপূর্ণতা পূর্ণতা পাবে।
৫ মে,
সকাল ১০ টা
মাকো, কেনিয়া | 7 242 |
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
