Abdullah Al Masud
📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Abdullah Al Masud
Канал Abdullah Al Masud (@masud887) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 30 164 підписників, посідаючи 2 287 місце в категорії Релігія і духовність та 677 місце у регіоні Бангладеш.
📊 Показники аудиторії та динаміка
З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 30 164 підписників.
За останніми даними від 05 вересня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на -53, а за останні 24 години на 35, загальне охоплення залишається високим.
- Статус верифікації: Не верифікований
- Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 12.47%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 5.08% реакцій від загальної кількості підписників.
- Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 3 760 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 1 531 переглядів.
- Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 75.
📝 Опис та контентна політика
Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
“শিক্ষক, লেখক ও আলোচক”
Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 06 вересня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Релігія і духовність.
Триває завантаження даних...
| Дата | Залучення підписників | Згадування | Канали | |
| 06 вересня | +1 | |||
| 05 вересня | +39 | |||
| 04 вересня | +3 | |||
| 03 вересня | +5 | |||
| 02 вересня | +5 | |||
| 01 вересня | 0 |
| 2 | কলেজ-ভার্সিটির ভাইরা তাদের নিজস্ব সাবজেক্টে দক্ষত অর্জন করে সেটা দিয়েও নানানভাবে দ্বীনের জন্য উপকার বয়ে আনতে পারেন। দরকার শুধু ইচ্ছা ও পরিকল্পনার। ভালোকরে পড়ালেখা করেন, দক্ষ হন, তারপর সেটাকে দ্বীনের জন্য কাজে লাগান।
(উল্লেখ্য যে, হেলাল মানে নতুন চাঁদ) | 220 |
| 3 | সব উস্তাদই তো আসলে শ্রদ্ধাভাজন ও সম্মানের এবং দুআর হকদার। তবে বিশেষভাবে কয়েকজন থাকেন, যাদের অবদান থাকে বেশি। আমার উপর বেশি ইহসান আছে যেসব উস্তাদের তাদের মধ্যে একজন হলেন যাত্রাবাড়ী বড় মাদরাসার মাওলানা সাদিকুল আমীন সাহেব। হুজুরের রুমে অনেকদিন ছিলাম। আরবি রোজনামচা লিখে হুজুরকে দেখাতাম। তিনি কারেকশন করে দিতেন। আসান উর্দু কায়েদা হুজুর আলাদাভাবে আমাদেরকে পড়িয়েছিলেন দরসের বাইরে। হুজুরের কাছে নূরুল আনওয়ার কিতাবের দ্বিতীয় অংশ পড়েছিলাম। ছাত্রজীবনে নিজের জন্য করা তালখীস পরবর্তীতে পরিমার্জিত হয়ে প্রকাশিত হয়েছে @দারুল লুবাব থেকে কিতাবটার ইহদা করেছিলাম হুজুরের নামেই। আজকে তিনি ফোন দিলেন। কিতাবটা কিছু ছাত্র সংগ্রহ করতে চাচ্ছে। কোথায় পাওয়া যাবে সেজন্য। ইহদাটার ছবি দিলাম। পড়তে পারেন৷ আল্লাহ তাআলা আমার সকল উস্তাদকে ভালো রাখুন। তাদের জীবনকে পরিপূর্ণ বরকতময় করুন। আমিন। | 1 217 |
| 4 | এনসিপির পাটোয়ারির আলোচনা থেকে মনে হয় আবু তাহের মেসবাহ সাহেব উর্দুকে বিদায় করতে চান এবং এর জন্য কাজও করে যাচ্ছেন। অথচ এটা টোটালি ভুল কথা। তিনি শিক্ষার প্রাথমিক বিষয়গুলো শুধু বাংলায় পড়ানোর পক্ষপাতী। কিন্তু আলাদাভাবে ভাষা হিসেবে উর্দু শিক্ষারও পক্ষে। সেজন্য নিজেই 'এসো উর্দু শিখি' নামে বই রচনা করেছেন এবং সেটা মাদানী নেসাবের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। উপমহাদেশের বাস্তবতায় কওমী আলেমদের জন্য অতি অবশ্যই উর্দু একটি জরুরি ভাষা এবং এটি শেখা থেকে বিরত থাকার কোনোই সুযোগ নেই৷ কারণ উর্দুতে দরসে নেজামির যে পরিমাণ খেদমত হয়েছে সেটার কোনো বিকল্প গড়ে উঠেনি এখন পর্যন্ত, সামনেও সম্ভাবনা নেই। সিলেবাসের বাইরেও আকাবিরদের ইলমী সিলসিলার সাথে পরিচিত হবার একমাত্র মাধ্যমও উর্দু ভাষা। তাই উর্দু ছিল, আছে ও থাকবে; যতদিন এই বাস্তবতা থেকে যাবে৷ | 1 874 |
| 5 | 'কুরআনী শব্দের তাফসীর' বইয়ের পান্ডুলিপি জমা দিচ্ছি দিচ্ছি করেও দিচ্ছি না। প্রতিবারই মনে হয় আরেকটু ঘষামাজা করি। ঘষামাজা এমন জিনিস, যার কোন শেষ সীমা নেই৷ যতো করবেন, ততো মনে হবে আরো একটু করলে ভালো হতো। অবশ্য এক পর্যায়ে এসে নিজের মনের উপর নির্দয় হয়ে পান্ডুলিপি জমা দিয়েই দিতে হয়। গতরাতে মাগরিবের পর বসে একটানা শেষ মুহুর্তের ঘষামাজা ও পরিমার্জনের কাজ করছিলাম। কোন দিক দিয়ে সময় পার হয়েছে খেয়ালই করিনি। তারপর ইশার নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে গিয়ে দেখি সব অন্ধকার। কোনো মুসুল্লি নেই। আমি ভালো ধন্ধে পড়ে গেলাম। এই সময়ে তো মুসুল্লিতে মসজিদ গমগম করার কথা। দারোয়ান আমাকে জিগ্যেস করলো, 'কই যান?' বললাম, 'নামাজ হবে না?' তিনি বললেন, 'হ্যা হবে। ফজরের সময়।' তারপর ফোন পকেট থেকে বের করে তাকিয়ে দেখি তখন ১০:৪০ বাজে। আমি ভেবেছিলাম ৮:৪০। এইভাবে দিনকাল যাচ্ছে আরকি৷ বইয়ের সাথে প্রায়শই এমন কতো সুন্দর সুন্দর মধুর স্মৃতি যে তৈরি হয়!
যাইহোক, এক দুই দিনের মধ্যেই পান্ডুলিপি প্রুফ দেখার জন্য জমা দিয়ে দিব ইনশাআল্লাহ। এটি আমার কুরআন বিষয়ক মৌলিক ৪র্থ বই। আগেরগুলো হচ্ছে-
১. কুরআন বোঝার মজা
২. কুরআনের সৌন্দর্য
৩. তাদাব্বুরের সরোবরে।
আপনি এগুলোর কোনোটা কি পড়েছেন? বা কোনটা কোনটা সংগ্রহে আছে? জানাতে পারেন কমেন্টে। | 2 134 |
| 6 | পাঠাওতে বিল এসেছে ৭৫ টাকা। আমি ২০০ টাকার নোট দিলাম। চালক ১০০ টাকা ফেরত দিয়ে বলল, ১০০ টাকা রাখলাম। কিছু মনে কইরেন না। আমি মুচকি হেসে বললাম, রাখেন অসুবিধা নাই৷ তবে কিছু মনে না করলে একটা কথা বলতাম। আপনি যদি আমাকে বলতেন, আমি কি ১০০ টাকা রাখতে পারি? তখন সেটা হতো আবদার। আমি হ্যা বলতাম এবং তখন বাড়তি টাকাটা খুশি মনে আমার পক্ষ থেকে দেওয়া হতো আপনাকে এবং এটা সুন্দর হতো। এখন যেটা হয়েছে, আপনি আমার মতামত ছাড়াই নিজ থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেটা আমাকে জানিয়েছেন শুধু যে, আপনি আমার থেকে বাড়তি টাকা রেখেছেন এবং আমি যেন কিছু মনে না করি। জিনিসটা সুন্দর হয় নাই। কেমন যেন আমি রাজি থাকি বা না থাকি তাতে কিছু যায় আসে না। আপনি আপনার মতো সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন। তিনি বিষয়টা বুঝলেন এবং সামনে থেকে খেয়াল রাখবেন বললেন।
বিষয়টা আপাতদৃষ্টিতে খুব ছোট মনে হতে পারে। আসলে ছোট না। এটা খুব বড় বিষয়। আপনার উপস্থাপন সুন্দর হলে এমনিতেই অনেক কিছু পেয়ে যাবেন৷ আর উপস্থাপনে গড়বড় হলে হাতের নাগালে থাকা জিনিসও হাতছাড়া হতে পারে। | 3 163 |
| 7 | 'কুরআনী শব্দের তাফসির' বইটি লেখার ভাবনা আসার পেছনে একটি ছোট গল্প আছে। সেটা হলো, আমি ফেসবুককে কল্যাণকর জিনিস জানা ও জানানোর মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেছি। ফলে কুরআনবিষয়ক বিভিন্ন পেইজ অনুসরণ করি আগ থেকে। তো একদিন একটা পেইজে কুরআনে ব্যবহৃত ‘সুদা’ (سدى) শব্দের ব্যাখ্যা এবং এর উৎপত্তি নিয়ে একটি লেখা চোখে পড়ে। লেখাটি পড়তে গিয়ে মনে হলো, কুরআনে এমন আরও অনেক শব্দ রয়েছে, যেগুলো কেবল অনুবাদ জানলেই পুরোপুরি বোঝা যায় না; বরং সেগুলোর অর্থ, মর্ম, প্রয়োগ, উৎপত্তির পেছনের গল্প বা ঘটনা এবং ভাষাগত বৈশিষ্ট্য নিয়েও জানা প্রয়োজন হয়। এ ধরনের নির্বাচিত শব্দ নিয়ে একটি স্বতন্ত্র বই হতে পারে। পরবর্তী সময়ে সেই ভাবনাই ধীরে ধীরে সিদ্ধান্তে রূপ নেয় এবং আল্লাহর অনুগ্রহে আমি বইটির কাজ শুরু করি।
বইটি পড়ার জন্য কারা আগ্রহী হয়ে আছেন জানাতে পারেন কমেন্টে।
#কুরআনী_শব্দের_তাফসীর | 3 370 |
| 8 | শুধু যোগ্যতা থাকলে হয় না। সেই যোগ্যতাটা প্রকাশ করতে পারাও একটা আলাদা যোগ্যতা। দ্বিতীয় যোগ্যতা না থাকলে প্রথম যোগ্যতা অনেক সময় নিষ্প্রভ থেকে যায়।
#কথা_মুখতাসার | 3 490 |
| 9 | কৈশরে বিভিন্ন ম্যাগাজিনে প্রকাশ পাওয়া যাদের লেখা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তাম সাইফ সিরাজ তাদের একজন৷ তখন তাকে চিনতাম নামে কেবল। তারপর তো অনেক সময় গড়াল। চিনাপরিচয়ও গাড় হলো। 'ভাষা-রাজনীতি'-এর মতো ব্যতক্রমধর্মী বিষয় নিয়ে তিনি ফেসবুকে ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি লেখা প্রকাশ করার পরপরই এই সিরিজটার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছিলাম। এটি আরো বর্ধিত কলেবরে ও পরিমার্জিত আকারে বই আকারে প্রকাশিত হবে জানার পর থেকে অপেক্ষায় ছিলাম। দেরি হচ্ছে দেখে একাধিকবার তাকে মেসেজ করেও খোঁজ নিয়েছিলাম। তিনি আসলে চাননি যেনতেনভাবে বইটা চলে আসুক। সেজন্য যথেষ্ট সময় নিয়ে ঘষামাজা করেছেন। অবশেষে বইটা প্রকাশিত হতে যাচ্ছে রাহনুমা প্রকাশনী থেকে। বেশ খুশির সংবাদ। | 3 998 |
| 10 | Немає тексту... | 3 663 |
| 11 | আগামী বছর হজ্বে যাওয়ার নিয়ত করেছেন? বা আপনার পরিচিত কেউ নিয়ত করেছে কিন্তু ভালো কোনো বিশ্বস্ত এজেন্সি খুঁজে পাচ্ছে না? তাহলে আমাদের সাথে আপনি নিশ্চিন্তে হজের সফরে যেতে পারেন। কিবলা ক্যারাভানের ব্যবস্থাপনায় হজ ২০২৭-এর কাফেলায় উপস্থিত থেকে শরঈ বিষয়গুলো সার্বিকভাবে দেখভাল করব আমি ইনশাআল্লাহ।
কিবলা ক্যারাভানের হজ ২০২৭ টিমে আপনার দাওয়াত রইল।
📞 বিস্তারিত জানতে ও প্রি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য যোগাযোগ করুন:
01409-700800
📌 বি.দ্র.: হজ ২০২৭-এর প্রি-রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ইন শা আল্লাহ। | 4 370 |
| 12 | record.ogg | 3 516 |
| 13 | কাকরাইলে ইনস্টটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে এটা প্রোগ্রামে গিয়েছিলাম সন্ধ্যায়। স্কুটার পার্ক করেছিলাম তাদের বেজমেন্টের পার্কিংয়ে। দুইটা হেলমেট একসাথে ছিল। রেগুলার যেটা পরি সেটা একটু দামী। ৩ হাজার টাকা দাম। আর বাড়তি একটা পেছনে রাখা ছিল ৫/৬শ হবে। ফেরার সময় দেখি ৩ হাজার টাকা দামের হেলমেটটা কেউ নিয়ে গেছে৷ রাস্তার পাশে পার্কিং করা থাকলে ধরে নিতাম কোন নেশাখোর নিয়েছে৷ কিন্তু এটা কে নিল? এখানে তো হিরোইনখোরদের আসার কথা না। প্রবল ধারণা অন্য কোন বাইকওয়ালা কাজটা ঘটিয়েছে। হিরোইনখোর/গাঞ্জাখোর নিলে হেলমেট দু'টোই নিতো। একটা রেখে যেতো না। একটা মানুষ এক দুই লাখ টাকার বাইক চালাতে পারে৷ কিন্তু এক দুই হাজার হেলমেট তাকে অন্যেরটা চুরি করে নিতে হয়। এই হলো সমাজের নৈতিকতা। | 326 |
| 14 | record.ogg | 4 154 |
| 15 | মাদরাসায় সাহিত্য মজলিস করা হয় আরবি সাহিত্য বিভাগের ছাত্রদের নিয়ে। সেই মজলিস একটু পরে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। চেষ্টা করব লাইভ করতে। আজকে বই সংগ্রহ ও বই পড়ার নীতিমালা নিয়ে কথা বলব ইনশাআল্লাহ | 657 |
| 16 | কোনটা ভালো লাগে? | 4 571 |
| 17 | ইউসুফ কারযাবী রাহ. দ্বীনের অনেক বিষয়ে অতি আধুনিকতার দিকে ঝুঁকে জুমহুর থেকে বিচ্ছিন্ন মত অবলম্বন করেছেন- এটা সর্বজনবিদিত। মিউজিককে যারা জায়েজ সাব্যস্ত করে সমাজে নরমাল করতে চায়, তাদের কাছে কারযাবী খুব প্রিয় এক নাম। কারযাবীর যুগের বা তারও আগের কিংবা একেবারে সাহাবা-তাবেয়ী যুগের শত শত মনিষীর মতামত, দ্বীনের বুঝ ও ফিকহ থেকে একজন কারযাবী সাহেবের মত এখানে তাদের কাছে বেশি প্রিয় হয়ে ওঠে। কারণ এটা তাদের খাহেশাতের সাথে মিলে যায়।
এবার দেখেন, খোদ কারযাবী সাহেব তার গান-বাজনা বিষয়ক ফতোয়াতে কিছু শর্ত সাপেক্ষে গান-বাজনার বিষয়ে শিথিল মত প্রকাশের পরে লিখেছেন-
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এ যুগের গানগুলোতে এই শর্তসমূহ খুব কমই একত্রে পাওয়া যায়। কারণ এর গুণমান, বিষয়বস্তু, পরিবেশনভঙ্গি এবং এমনসব লোকজনের জীবনের সাথে এর সম্পৃক্ততা বিদ্যমান যারা দ্বীন, নৈতিকতা ও আদর্শ থেকে বহুদূরে অবস্থিত। তাই একজন মুসলিমের উচিত নয় এসব শিল্পীর প্রশংসা ও প্রচার করা, তাদের খ্যাতি ছড়িয়ে দিতে অংশ নেওয়া কিংবা তাদের প্রভাবের পরিধি বিস্তৃত করা। কারণ তাদের প্রভাব যত বিস্তৃত হবে, তাদের সৃষ্ট অনিষ্টের পরিধিও তত বৃদ্ধি পাবে। এই কারণেই নিজের দ্বীন সম্পর্কে সচেতন একজন মুসলিমের জন্য উত্তম হলো নিজের জন্য ‘আযীমাহ’ বা কঠোর সতর্কতার পথ অবলম্বন করা, সন্দেহযুক্ত বিষয়াবলি থেকে বেঁচে থাকা এবং নিজেকে এমন ক্ষেত্র থেকে দূরে রাখা যেখানে একমাত্র বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া হারামের ছোঁয়া থেকে বাঁচা দুষ্কর। আর যিনি ‘রুখসাত’ বা শিথিলতার সুযোগ গ্রহণ করবেন, তাঁর উচিত হবে নিজের জন্য ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং যতটুকু সম্ভব গুনাহের আমেজ থেকে সবচেয়ে দূরের বিষয়টি বেছে নেওয়া। আর এই সতর্কবার্তা যদি সাধারণ 'গান শোনার' ক্ষেত্রে হয়, তবে গানকে 'পেশা হিসেবে গ্রহণ করার' বিষয়টি হবে আরও কঠিন ও ভীতিকর। কারণ তথাকথিত এই 'শিল্পকলা' বা 'সাংস্কৃতিক' পরিবেশের সাথে মিলেমিশে যাওয়া একজন মুসলিমের দ্বীনের জন্য অত্যন্ত মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ; সেখান থেকে দ্বীনকে সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ রেখে বের হয়ে আসতে পারা লোক একেবারেই বিরল।
এখন যারা মেহের যাইন বা সামি ইউসুফের মত গায়কদের প্রচার করে বেড়ায়, কারযাবির চোখেও তাদের এই কাজ নিন্দনীয়। কেননা তিনি স্পষ্ট ভাবেই লিখেছেন, 'এসব শিল্পীর প্রশংসা ও প্রচার করা, তাদের খ্যাতি ছড়িয়ে দিতে অংশ নেওয়া কিংবা তাদের প্রভাবের পরিধি বিস্তৃত করা মোটেই উচিত নয়।' তছাড়া এসব শিল্পী মিউজিকসহ গান গাওয়াকে তাদের পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছে। কারযাবীর দৃষ্টিতে এটাও কিন্তু নিন্দনীয়। কেননা তিনি লিখেছেন, 'গানকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার বিষয়টি আরও কঠিন ও ভীতিকর।'
গান-বাজনা জায়েজ বিষয়ে কারযাবীর ফতোয়া যাদের কাছে এত মধুময় মনে হয়, তাদের অবস্থানের যেসব অংশ খোদ তার ফতোয়ার আলোকেই নিন্দনীয় সাব্যস্ত হচ্ছে সেটাকেও কি তারা মধু হিসেবে গ্রহণ করবেন নাকি এটা তিতা মনে হওয়ায় বাদ দিবেন সেটা জানতে মন চায়। | 3 425 |
| 18 | মনটা অনেক ভার হয়ে আছে৷ SukunLife এর সেন্টার থেকে যদিও বের হয়ে বাসায় এসেছি আরো অনেক আগে। এক দম্পতি আজকে শরঈ কাউন্সিলিং নিতে এসেছিল। সুকুন লাইফে আমি অনেকদিন ধরেই শরঈ কাউন্সিলিং সেবা দিলেও এমন ঘটনার মুখোমুখি এবারই প্রথম হলাম। দম্পতিটির সমস্যা হলো, স্ত্রী কোনোভাবেই সংসার করতে চায় না। তার ইচ্ছা আরো পড়াশোনা করবে, বিদেশ থেকে ডিগ্রি নিবে৷ চাকরি-বাকরি করবে। তার বক্তব্য হলো, তাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন সে স্বামী-সংসার কোনোকিছুই মেনে নিতে পারছে না৷ অথচ স্বামী বা তার পরিবার নিয়ে আলাদা কোনো অভিযোগ নেই৷ যথেষ্ট ভালো পরিবারে বিয়ে হয়েছে। স্বামীও খুব কেয়ারি। তবুও সে সেপারেশন চাচ্ছে, যেহেতু সংসারধর্ম করতে গেলে তার এতোদিনের স্বপ্নগুলো পূরণ হবে না৷ অপরদিকে ছেলে স্ত্রীকে যথেষ্ট ভালোবাসে৷ সে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে সংসারটা টিকে যাক। এতো কিছুর পরেও সে সবর করে আছে। দুআ করে যাচ্ছে এবং মনোবল বা আশা হারাচ্ছে না।
আমি উভয়ের সাথে মনোযোগ দিয়ে কথা বলেছি। অনেকগুলো প্রশ্ন করে কার কী মনোভাব বুঝতে চেষ্টা করেছি। আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি বোনটিকে বুঝানোর জন্য যেন সে মাইন্ডসেট পরিবর্তন করার চেষ্টা করে। আমি যখন কথা বলছিলাম দু'জনেই চোখ মুছছিল। আমার নিজেরও চোখে পানি আসার মতো অবস্থা হয়েছিল স্বামীর চোখের পানি দেখে। কারণ তিনি শুরু থেকেই বারবার টিস্যু নিচ্ছিলেন চোখ মুছতে। তিনি এখানে ভিক্টিম আসলে৷ কারণ বিয়ের শুরুতে তিনি জিজ্ঞেসও করেছিলেন, বিয়ে নিয়ে মেয়ের কোনো আপত্তি আছে কিনা৷ মেয়ে তখন স্পষ্টভাবে কিছু বলেনি৷ অথচ এখন আলাদা হয়ে যেতে চাচ্ছে৷
বিয়ের আগে অবশ্যই উচিত ছেলে-মেয়ে উভয়ের কারো কোনো আপত্তি আছে কিনা সেটা ক্লিয়ারলি নিশ্চিত হয়ে নেওয়া৷ কারণ এটা কোনো ছেলেখেলার বিষয় নয়। বিয়ে নিয়ে কারো কোনো দ্বিমত থাকলে সেটা লুকোছাপা না করে স্পষ্টভাবে বলে দেওয়া উচিত। কী লাভ বিয়ে পরবর্তী জীবনে অন্যেকে এভাবে কষ্টে ফেলার! আল্লাহর কাছে খুব করে দুআ করি, তিনি যেন এই দম্পতির সংসারটা টিকিয়ে দেন। | 3 320 |
| 19 | আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, যুগের প্রলয়ংকারী ঝড় এই উম্মত কীভাবে মুকাবেলা করবে? উত্তরে বলব, এটা দুইভাবে হতে পারে৷
এক. ইসলামের অন্তর্নিহিত সঞ্জিবনী শক্তির মাধ্যমে, যা সকল পরিবেশ-পরিস্থিতিকে মানিয়ে নেবার সক্ষমতা রাখে।
দুই. প্রতি যুগে প্রতিকূল পরিস্থিতির ভেতর দিয়েই জন্ম নেওয়া দ্বীনের প্রতি অটল অবিচল ইসলামী ব্যক্তিত্বদের মাধ্যমে।
(রিজালুল ফিকরি ওয়াদ দাওয়াহ, আবুল হাসান আলি নদবি রাহ.) | 3 286 |
| 20 | সূরা ফুরকানের তরজমার দারস। আয়াত: ২১-৪৪ | 3 945 |
