1 954
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-77 روز
-1830 روز
آرشیو پست ها
1 954
হাসান আল বসরী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, দুনিয়াবী জীবন তিনদিনের।
১. গতকাল : যা ইতিমধ্যে অতিক্রান্ত হয়েছে।
২. আগামীকাল : সম্ভবত তুমি তার নাগাল পাবে না।
৩. আজ : তোমার যা করার তা আজই কর।
[ আয যুহুদ : ১৯৭ ]
1 954
হয়তো তুমি কেবল প্যারাসিটামল বা নাপা খেয়েছো। কয়েক মিনিট পরেই মনে হল তোমার মাথা ব্যথা কমে যাচ্ছে । কিন্তু প্যারাসিটামল কাজ শুরু করতে প্রায় ৩০ মিনিট লাগে।
তাহলে মাথা ব্যাথা কমলো কীভাবে? ❗
কারণ তোমার মন জানে তুমি ওষুধ খেয়েছো ,তাই এটা ভাল হয়ে যাবে । তোমার বিশ্বাসটাই এখানে কাজে লেগেছে। এটার নাম হচ্ছে 𝗧𝗵𝗲 𝗽𝗹𝗮𝗰𝗲𝗯𝗼 𝗲𝗳𝗳𝗲𝗰𝘁.
মন ও দেহ কিন্তু আলাদা নয়। তুমি বৃষ্টিতে ভেজার পর যদি মনে করো ঠান্ডা লাগবে বা জ্বর আসবে , সম্ভাবনা ৯০% জ্বর আসার। আর যদি এটা তোমার মাথায়ই না আসে তাহলে সম্ভাবনা খুবই কম। (নিজেরও এমন অনেকবার হয়েছে,পরীক্ষিত)
- পজিটিভ বিশ্বাস আমাদের দেহে পজিটিভ প্রভাব ফেলে..!
নিজের উপর পজেটিভ বিশ্বাস রাখুন..!💝🌸
1 954
যে কথাগুলো শাইখ হাফিযাহুল্লাহ বারংবার স্মরণে রাখার তাগিদ দেন
১) পাছে কথা বলা ও কূটকৌশলে রত লোকেরা পিছনেই থেকে যাবে, এগিয়ে যাবে তোমাদের কথা ও কাজ গুলো ইনশাআল্লাহ।
২) আল্লাহ যদি বেইজ্জত করার ফয়সালা করেন তাহলে কেউ তোমাদের রক্ষা করতে পারবেনা, এ থেকে পরিত্রাণ চাও। আল্লাহ যদি ইজ্জত দান করেন, শত শত্রুর একটা নির্দিষ্ট কমিউনিটি/সার্কেল মিলেও তোমাদের এক চুল পরিমাণ ক্ষতি করতে পারবেনা, এর উপর দৃঢ় ইয়াক্বীন আনো।
৩) আল্লাহর ওয়াদাই কি তোমাদের জন্য যথেষ্ট না? তাই তোমাদেরকে নিয়ে অনেকের মন্তব্য, কটুকথা, বিদ্বেষমূলক আচরণ দেখে মনে কষ্ট নিওনা ও মন খারাপ করে বসে থেকোনা। এগুলো আসবেই জীবনে, একদমই স্বাভাবিক।
৪) সবার আছে তোমরা প্রিয় হয়ে উঠলে বুঝতে হবে তোমরা তোমাদের আদর্শের সাথে সমঝোতা করে নিয়েছ ও দ্বিমুখী আচরণ ধারণ করেছ।
৫) তোমাদের যে কাজ করতে হবে তা করে যাও। যে সত্য কথা/হকের দাওয়াত কারও ভয়ে/কারও অসন্তুষ্টির কারণ হবে ভেবে বলা থেকে বিরত না থেকে নির্দ্বিধায় বলে যাও।
৬) যারা প্রকৃত আপনজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী তারা বুঝবে তোমার কথার ও কাজের উদ্দীপনা, ব্যাকুলতা।
৭) কবুলিয়্যাতের ফয়সালা তো উপর থেকে আসে, নিচ থেকে না।
৮) তোমাদের কাজগুলো যেন অন্য কারও কথায় থেমে না যায়, অন্য কারও আচরণে মনঃক্ষুণ্ন হয়ে যেন তা বিঘ্নিত না হয়, কেউ যেন তোমাদের কাজের উপর কর্তৃত্ব না আনে। ঈমান, ইখলাস, তাওয়াক্কুল, সৎকাজ, সবর, হকের দাওয়াত মুলভিত্তি হবে বি ইযনিল্লাহ।
৯) উম্মাহর জন্যে কারা কাজ করতে চায় ভালোভাবে যাচাই করো। ইখলাসপূর্ণ ও কর্মোদ্যম হলে তার সাথে হওয়া মতপার্থক্যগুলো এড়িয়ে চলো, বৃহৎ স্বার্থে একসাথে কাজ করা চাই। যারা কাজ করার মানসিকতা রাখেনা ও দিনভর অমুক-তমুকের মতামত নিয়েই পড়ে থাকে তাদেরকে এড়িয়ে চলো নতুবা তাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
১০) নিজের অন্তরকে পাক-সাফ রাখো সবার থেকে। তোমার যে যাই ক্ষতি/বেইজ্জত করুক না কেন, সে তার উপযুক্ত প্রতিদান পেয়ে যাবে, আল্লাহ কারও প্রতি অবিচার করেন না, করবেন না। দুইজনের মাঝের আলাপ যে সবার সামনে এনে বেইজ্জত করতে আনন্দ পায়, তাদের অন্তিম পরিণতি ভয়াবহ হয়, দুইজনের মাঝে কোন সমস্যা হলে তা নিজেরাই মিটমাট করে নিবে, সেটা এক কান দুই কান হলে একপক্ষের লাভ হলেও অন্যপক্ষ মিথ্যা অপবাদ ও কুধারণার কারণে সাময়িক ক্ষতির শিকার হয়। এ বদ অভ্যাস থেকে বিরত থাকা কাম্য।
#SelfReminderM #shaikhhafiquotesm #MashwaraOfficial #TenPreciousGems #GemsFromShaikhHafi
1 954
কক্সবাজারে হোটেলের এক রিসিপশনিস্টের সাথে মিটিং হলো, তিনি বললেন, কাজী যতো বিয়া পড়ায় না, তার চেয়ে বেশি বিয়া আমি পড়াই। তাও আবার ডেইলি।
কিভাবে?
ঢাকা থেকে বাবা মাকে ভুজুং ভাজুং দিয়ে উঠতি বয়সি খোকাবাবু এবং খুকুমণিরা আমাদের হোটেলে সুয়ামি আর ইসতিরি পরিচয় দিয়ে রুম নিচ্ছে। নিজেদের মতো করে সময় কাটাচ্ছে, এই হচ্ছে দেশের অবস্থা।
স্টাডি ট্যুরে এসে সেখান থেকে হঠাত দুই ঘণ্টার জন্যে ধরেন মন্টু আর মুন্নি গায়েব। কি ব্যাপার? কি ব্যাপার? সেই দুই ঘণ্টায় তারা হোটেলে উঠে আসছে জামাই বৌ হয়ে।
সব ধরনের হোটেলেই এরকম শত শত মোবাইল বৌ আর মোবাইল জামাই আছে। কিশোর বয়সী ছেলেমেয়েরা হোটেলে রুম ভাড়া করে স্বল্প সময় বা দীর্ঘ সময়ের জন্যে। স্টাডি ট্যুর, ব্যাচ ট্যুর এগুলা বালফ্রেন্ড এবং গালফ্রেন্ডের এক সাথে রাত কাটানোর একটা উপলক্ষ মাত্র।
গতকাল সাঁতার কাটতে গিয়ে দেখি দুই খুকি অতি স্বল্প বসনে পুলপাড়ে বসে বিড়ি ফুকাচ্ছেন, হুট করে সেখানে ৩ খোকার আগমন। এসে একজন আরেকজনের সাথে কিসমিস খাচ্ছে। মাঝে বিড়ি টানছে। এখানে কে কার বৌ, কে কার ভাবী, কে কার শালী, আল্লাহ্ ভালো জানেন। মানে পুরা পিনিকময় পরিবেশ।
এনিওয়েজ, এগুলা সামাজিক অবক্ষয়ের কারণেই হচ্ছে এতে কোন সন্দেহ নাই। বাবা মায়ের চোখ ফাকি দিয়ে একটু স্বাধীন হওয়ার জন্যে এরকম ক্রিয়াকলাপ সমাজে বেশ প্রবলভাবে বিস্তার লাভ করেছে। এগুলোকে সমর্থন জানানোর মতো মানুষও আছেন অনেকেই।
যাই হোক, এগুলো থামানো পসিবল না। খুকুমণিরা বিড়ি খাবে, গাঞ্জা খাবে। সম অধিকার বলে তো একটা ব্যাপার আছে, তাই না? আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে, আমাদের সন্তান যেন এই খোকা বা খুকিদের লাইনে চলে না যায়।
এজন্য সন্তানের সাথে সময় কাটানো, তার খেয়াল রাখা, তার সাথে রেগুলার কমিউনিকেট করা, এগুলা খুব জরুরী। খুব বেশি ব্যস্ততার মাঝেও আমরা যেন এটা ভুলে না যাই।
নিয়াজ আহমেদ
(কপি)
1 954
বাস্তবতা হলো, যে স্টুডেন্ট ভালো জিপিএ পায় না, সে তো নিজের যোগ্যতা দেখানোর সুযোগটা পায় না। পদে পদে সে জিপিএ’র জন্য আটকে যায়।
ভর্তি, চাকরি, সমাজ—সবজায়গায় জিপিএ লাগে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে হলে এসএসসি-এইচএসসির জিপিএ লাগে। প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করেও, জিপিএ কম থাকলে দেশের পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষক হওয়ার আবেদন করা যায় না।
সুতরাং স্টুডেন্ট ও তাদের অভিভাবকরা জিপিএ’র পেছনে ছুটবে—এটাই স্বাভাবিক। না ছুটলেই বরং সমস্যা। যে স্টুডেন্টগুলো জিপিএ’র কারণে ছিটকে যায়, তাদের খোঁজ কি কেউ রাখে?
আমরা সৃজনশীল পদ্ধতি চালু করেছি, কিন্তু সৃজনশীলতাকে বেঁধে দিয়েছি সেই জিপিএ দিয়ে।
……………………
@Rauful Alam
1 954
চুলপরা কমাতে করণীয়- বর্জনীয় টিপস--
এর পাশাপাশি কয়েকটি ভালো মেডিসিনের চিকিৎসা নিতে হবে।
১/ পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার (ডিমদুধ, ফলমূল) পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে।
২/ মাথার ত্বকে সমস্যা থাকলে সেটার ট্রিটমেন্ট আগে করা।
৩/ বিভিন্ন ভাজাপোড়া, ফাস্টফুড পরিহার করা।
৪/ রেগুলার শ্যাম্পু করে মাথার ত্বক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
৫/ শ্যাম্পু চেঞ্জ করে অন্যগুলো নিয়ে ট্রাই করতে হবে- চুলপরা কমে কিনা!
৬/ দিনে কয়েকবার চুল অাচড়ানো- কিছু তেল ব্যবহার করে দেখা - যাতে স্ক্যাল্পে রক্তসঞ্চালন বাড়ে- যা চুলের জন্য প্রয়োজন।
৭/ গোসলে দূষণমুক্ত (বিশেষভাবে অার্সেনিক, অায়রন, সীসামুক্ত) ভালো পানিতে মাথা ধোয়া। প্রয়োজনে গোসলে বাজার থেকে কেনা মিনারেল ওয়াটার ব্যবহার করা।
৮/ পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর ঘুম (রাত ১০ টা থেকে ভোর ৫ টা!)
৯/ নিয়মিতভাবে কিছু এক্সারসাইজ করা।
১০/ দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করা ,, দুশ্চিন্তা, স্ট্রেসের কারণে সমস্যাটা বাড়ে।
১১/ পর্যাপ্ত পানিপান করতে থাকেন।
★ আর চর্মরোগে অভিজ্ঞ MBBS ডাক্তারের ট্রিটমেন্ট নিতে হবে।
©Dr. Maruf
1 954
পায়খানার রাস্তার আশেপাশের লোম কাটতে হবে ।
আর শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করতে যেয়ে একটা দুইটা লোম থেকে গেলে কোন গোনাহ হবেনা।
আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)
1 954
মেন্টাল স্ট্রেস/মানসিক চাপ থেকেও স্ট্রোক
হওয়ার সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ দেখা গেল আজ!
♦ মানসিক চাপ/ স্ট্রেসফুল জীবনযাপন বিষয়ে সতর্কতা জরুরী!
পঞ্চাশোর্ধ এক শক্ত সমর্থ্য পুরুষ। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।
হাইপ্রেসার, ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা বা তেমনকোন সমস্যাই নেই।
তবে ৫ দিন আগে তার মা মারা গেছেন!
তারপর থেকে কোনভাবে দুঃখ, কষ্টে মানসিক স্ট্রেসে ছিলেন কিছুটা!
তারপর হঠাৎ কথা জড়িয়ে যেতে লাগলো!
সুস্পষ্ট আর কথা বলতে পারছেন না!
মুখ বেকে যাচ্ছিল একটু একটু করে!
হাসপাতালে এসে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি হলেন।
এমনিতে হাতেপায়ে প্যারালাইসিস নেই।
সিটিস্ক্যান করে শনাক্ত হলে স্ট্রোক করছেন!
মস্তিষ্কের সামান্য কিছু জায়গার কোষ রক্তসরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় মারা গেছে! (Lacunar intact!)
সেজন্য তার এমন সমস্যা হয়ে গেছে!
অথচ তেমন হাই প্রেসার ডায়াবেটিস কিছুই ছিলনা!
©Dr. Maruf
1 954
#কিভাবে_সামাজিক_মাধ্যম_আসক্তি_নিয়ন্ত্রণ_করবেন?
বিংশ শতাব্দীর পর হতে অন্তর্জালের ব্যাপক বিস্তারের সাথে সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের জীবনযাত্রা কে সহজতর করলেও এর অত্যধিক ব্যবহার আমাদের আসক্তি তে পরিণত করেছে, এবং যা দৈনন্দিন স্বাভাবিক জীবন যাপনে এক বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
আমেরিকান সোসাইটি অব মেডিসিন অ্যাডিকশন আসক্তির সংজ্ঞা হিসেবে উল্লেখ করেছে যে, যথেষ্ট নেতিবাচক দিক থাকা স্বত্তেও; যখন কোন ব্যক্তি তার নির্দিষ্ট কোন আচরণ কে নিয়ন্ত্রণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। ২০১৭ সালে পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, আমেরিকার প্রায় ৪৩ শতাংশ নাগরিক কোন না কোন সামাজিক মাধ্যমে আসক্ত, এবং ২০ শতাংশ নাগরিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কে তাদের হতাশার অন্যতম কারণ হিসেবে দায়ী করেছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটার হতে নিঃসৃত ডোপামিন (এক প্রকার হরমোন যা আনন্দ অনূভুতির আচরণিক সাড়াদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ) আসক্তি তৈরির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। গবেষকরা দাবী করেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বহু ক্ষেত্র রয়েছে, যা ডোপামিনের নিঃসরণ ঘটায়। যেমন- দৃশ্যমান উদ্দীপনা, প্রতিদানের প্রতিশ্রুতি ও এর অনিশ্চয়তা। উদাহরণস্বরূপ, সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট আপডেট করে বন্ধু, সহপাঠী ও অন্যান্যদের প্রতিক্রিয়ার আশায় ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকা, একের পর এক নিউজফিড স্ক্রলিং, বা রিফ্রেশ করতে থাকা।
কিভাবে বুঝবেন আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্ত কিনা?
• যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মাধ্যম, আপনার প্রাত্যহিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সমূহে ব্যাঘাত ঘটায়।
• যদি আপনি আপনার নেতিবাচক অনুভূতি নিয়ন্ত্রণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার করেন।
• যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হতে অনুপস্থিতি আপনাকে পীড়া দেয়।
• যখন আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহার অন্যের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
স্ট্যাটিস্টা এর তথ্য অনুযায়ী, গড়ে একজন ব্যক্তি দৈনিক ১৪৫ মিনিট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে ব্যয় করে থাকেন। গবেষণায় দেখা যায়, দৈনিক সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যয় করা মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে উত্তম।
মাদকাসক্তি নিয়ন্ত্রনে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাদক গ্রহণ হতে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আসক্তি নিয়ন্ত্রণে এর পরিমিত ব্যবহার আদর্শ বলে বিবেচিত হয়। জরুরি নয় যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আসক্তি নিয়ন্ত্রণে তা সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করতে হবে। বরং তা ব্যবহারের পরিসীমা নির্ধারণে কৌশলী হতে হবে।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ লিন স্টারলিট, সামাজিক মাধ্যমে আসক্তি নিয়ন্ত্রণে নিম্নোক্ত ধাপগুলি অনুসরণের পরামর্শ দিয়ে থাকেনঃ-
• নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার হতে বিরত থাকা।
• অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ গুলি ফোন হতে ডিলিট করা।
• সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পরিষেবার নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা।
• অপ্রয়োজনীয় পেজ, গ্রুপ হতে আনসাবস্ক্রাইব করা।
• সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে অধিকতর সচেতন হওয়া।
• সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের পরিসীমা নির্ধারণ করা।
• কোন শখ বা অন্য কোন প্রয়োজনীয় কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকার মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যম আসক্তি বহুলাংশে কমিয়ে আনা যেতে পারে।
• সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আসক্তির পেছনের কারণগুলো খতিয়ে দেখা।
• পর্যাপ্ত পরিমানে আসক্তি নিরাময় কেন্দ্র গড়ে তোলা।
শিশু ও কিশোর মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নেহা চৌধুরী মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ কিছু ব্যক্তির জন্য উপযোগী হলেও, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা ফলপ্রসূ হবে না। এবং, কারো কারো ক্ষেত্রে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। তিনি বলেন, সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে আরও আগ্রহী করে তুলবে; এবং তা তার আসক্তি নিয়ন্ত্রণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। তাই, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে পরিসীমা নির্ধারণ, এবং পরিবার ও বন্ধুদের তাতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়াকে অধিক উপযোগি বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, পরিবর্তনের জন্য দ্বায়িত্ববোধই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। হয়ত কারও বন্ধু কিংবা সহপাঠী, যারা একই ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে আসক্ত, তারা পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেও এই আসক্তি থেকে বের হয়ে আসতে পারেন।
সামাজিক মাধ্যম গুলোতে গুরুতর আসক্ত কোন ব্যক্তি, কোন বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্ট এর শরনাপন্ন হতে পারেন।
তথ্যসূত্র - Insider, Internet and social media addiction by Andrea C. Nakaya.
লিখেছেন- @সোলায়মান হোসেন
1 954
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। উত্তর: আপনার প্রশ্নের বর্ননা অনুযায়ী স্ত্রী নিজের নামের সঙ্গে স্বামীর নাম-পদবি ব্যবহার করে স্বামীর নামকে নিজের নামের অংশ বানিয়ে ফেলা; এটা পাশ্চাত্য সংস্কৃতি যা ইসলাম সমর্থন করে না। ইসলামের দৃষ্টিতে এটা অযৌক্তিক ও নাজায়েয। কেননা, আল্লাহ তাআলা বলেন,
ادْعُوهُمْ لِآبَائِهِمْ هُوَ أَقْسَطُ عِندَ اللَّهِ
তাদেরকে তাদের পিতৃ-পরিচয়ে ডাক, আল্লাহর কাছে এটাই অধিক ইনসাফপূর্ণ। (সূরা আহযাব ০৫)
দেখুন, উক্ত আয়াতে বাবাকর্তৃক প্রদত্ত নাম ঠিক রাখার জন্য আল্লাহ তাআলা আমাদের স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন। আর রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
وَمَنِ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ، أَوِ انْتَمَى إِلَى غَيْرِ مَوَالِيهِ، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يَقْبَلُ اللهُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفًا، وَلَا عَدْلًا
যে কেউ নিজের বাবা ছাড়া অন্যের পরিচয়ে পরিচয় দেয় অথবা যদি কোন দাস তার মুনিবকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে মুনিব বানায়, তার উপর আল্লাহর, ফেরেশতা ও সমগ্র মানব জাতির লা’নত বর্ষিত হবে। কেয়ামত দিবসে আল্লাহ তার কোন ফরয কিংবা নফল (ইবাদত) কবুল করবেন না। (মুসলিম ১৩৭০)
والله اعلم بالصواب
1 954
❌জ্বীন ও যাদু থেকে অদৃশ্য থাকা❌
✅এই আয়াত যত এক সাথে ১২১ বার+ পরলে ইনশাল্লাহ জীন আপনাকে দেখবে না ও যাদু থেকেও অদৃশ্য থাকবেন।ইনশাল্লাহ 👇
💐وَ جَعَلۡنَا مِنۡۢ بَیۡنِ اَیۡدِیۡہِمۡ سَدًّا وَّ مِنۡ خَلۡفِہِمۡ سَدًّا فَاَغۡشَیۡنٰہُمۡ فَہُمۡ لَا یُبۡصِرُوۡنَ ﴿۹﴾
🌺ওয়া জা‘আল না-মিম বাইনি আইদীহিম ছাদ্দাওঁ ওয়া মিন খালফিহিম ছাদ্দান ফাআগশাইনা-হুম ফাহুম লা-ইউবসিরূন।
🔰পরবর্তী পোস্টে সুরা ও আয়াত বলা হবে।যত বেশী পড়বেন ও ফু দিয়ে পানি খাবেন ততই ভাল হবে। ইনশাল্লাহ। অবশ্যই আপডেট জানাবেন👉
🔹.....Raqi Arif Hasan....🔸
1 954
সংসারের অযথা কাজকে "না" বলতে শিখা খুব প্রয়োজনীয় একটা স্কিল। আপনার দ্বীন-দুনিয়ার কাজ ভারসাম্য করতে হলে অবশ্যই জীবন থেকে অযথা জিনিস বাদ দিতে হবে। যেইসব কাজ একদিনে সেড়ে ফেলা যায়, যেই তরকারী ছাড়াও এক বেলা খাওয়া যায় অথবা যেই ধুলা দুইদিন পর ঝাড়লেও হয়, সেইসব কাজকে "না" বলুন। অযথা কথা বলা, আড্ডা দেয়া আর ফেবু ইউজ কমিয়ে দ্বীন পালনে যত্ন নিন।
©
1 954
এসব বদঅভ্যাস -- অবশ্যই পরিত্যাগ করতে দৃঢ়সংকল্প করুন। বহুমুখী প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
এ থেকে বাঁচতে কিছু পরামর্শ ---
(১) ৫ ওয়াক্ত নামায মসজিদে পড়ুন…
সঠিকভাবে, মনোযোগের সাথে বিনয়ী হয়ে নামাযে যত্নবান হোন„ নামায কবুল হলে অবশ্যই সেটা অশ্লীল - খারাপকাজে বাধা দিবেই।
(২) শয়তানই এসব অশ্লীলকাজের মূল হোতা-- তাই মুসলিম হিসেবে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার জন্য কিছু কার্যকরী উপায় অবলম্বন করতে হবে… যেমন--শয়তানের কুমন্ত্রণা হলে অাউযুবিল্লাহ্ পাঠ, রুমে বিসমিল্লাহ্ বলে, সালাম দিয়ে প্রবেশ, খাওয়ার অাগে বিসমিল্লাহ্ বলা।
(৩) অাজই অান্তরিক তওবা করুন„ গুণাহ থেকে চিরতরে ফিরে অাসার দৃঢ়চিত্ত শপথ নিন।
(৪) বেশবেশী দুআ করুন… বিশেষভাবে দুআ কবুলের সময়ে…(অাযান ইকামতের মাঝের সময়ে-- শেষরাত্রিতে - বৃষ্টির সময়ে -
শুক্রবার অাসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত)
(৫) অাল্লাহকে ভয় করুন… তাকে লজ্জা করুন… তিনি সব সময় অাপনাকে দেখছেন,, অাপনার গোপন খবর রাখছেন-- এই অনুভূতি জাগ্রত রাখুন।
(৬) মৃত্যুকে স্মরণে রাখুন-- একদিন হঠাৎ মরণের সময় আসবে, তখন এসব সহ বিভিন্ন বদঅভ্যাস, অসচ্চরিত্র মারাত্মক মনোকষ্টের কারণ হবে। আর আখিরাতে মরণের পরে সাময়িক মজার এই কর্মের ফলে তো বহুদিন শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে!
(৭) গুণাহের পরিবেশ পরিহার - একাকীত্ব, নির্জনতা, রুমে একাকী থাকা যাবেনা। অসবর দূর করুন„ কোন কিছুতে ব্যস্ত থাকতে চেষ্টা করুন। রুমে একাকি থাকলেও জানালা দরজা সব খুলে রাখা যেতে পারে।
বাইরের খোলা মেলা বাস্তব পরিবেশের সাথে যোগাযোগ রাখুন।
(৮) অাজে বাজে অশ্লীল চিন্তাভাবনা বাদ দিয়ে ভালো কাজের চিন্তা করা উচিত-- যেমন-- নিজের ঈমান- আক্বিদা, অামল - অাখলাক - অাখিরাতের প্রস্তুতি ঠিকঠাক অাছে কিনা?
পড়ালেখা, ভবিষ্যতের ক্যারিয়ার, পারিবারিক জীবন নিয়েও সুন্দর পরিকল্পনা করা যেতে পারে…
(৯) উত্তেজনা বৃদ্ধিকারী যাবতীয় খাবার (ডিম, দুধ, গরু/খাসি/মহিষের গোশত, কলিজা, কাঁচা পেয়াজ, রসুন„ মধু, কালোজিরা), সূর্যের রোদ এড়িয়ে চলুন, আর উত্তেজক বস্তু (অশ্লীল ছবি, গানবাজনা, গল্প- কথাবার্তা, বাজে নাটক সিনেমা) থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকুন।
(১০) সৎসঙ্গী নির্বাচন করুন--অসৎসঙ্গ পরিহার করুন, যারা অশ্লীলকথা কাজে অাসক্ত তাদের অবশ্যই এড়িয়ে চলুন,, নামাযী, সচ্চরিত্রবান, সৎসঙ্গী নির্বাচন করুন।
(১০) ঢিলেঢালা পোশাকে সম্পূর্ণ শরীর যথাসম্ভব অাবৃত করে রাখা উচিত।
খালিগায়ে, বা হাফপ্যাণ্ট, টাইট ফিটিং শার্ট, গেঞ্জি, প্যাণ্ট/অন্তর্বাস পড়া ঠিক হবেনা। এতে উত্তেজনা বেড়ে যায়…
আর ঢিলেঢালা প্যান্ট, পায়জামা /ট্রাউজার পড়া উচিত।
**(১১) দ্বীনি বইপত্র বিশেষত অাখিরাত - কবর, হাশর, জান্নাত- জাহান্নাম বিষয়ে বইগুলো পড়া যেতে পারে…
1 954
নি:শর্ত আনুগত্য করার চেষ্টা করবেন। সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন মুখে মুখে তর্ক না করতে। তার যে কোনো সিদ্ধান্তকে সাথে সাথে মেনে নিবেন। যদি সিদ্ধান্তটা আপনার কাছে ভুল মনে হয়, তবে পরে সুযোগ করে বুঝিয়ে বলবেন যে, সিদ্ধান্তটা ঠিক হচ্ছে কিনা আবার ভেবে দেখতে। যে কোনো সময় এটা চাই ওটা চাই না করে, বলবেন যে যদি আপনার কাছে টাকা থাকে আমাকে কিছু জিনিস কিনে দেয়া যাবে?
এক কথায়, তাকে রাজার মত সম্মান করবেন, অগ্রাধিকার দিবেন। দেখবেন সে আপনাকে রাণীর মত রাখবেন।
কথায় আছে, তুমি যদি তোমার স্বামীর দাসী হতে পারো, সে তোমার দাস হয়ে যাবে।
©
