1 996
مشترکین
+124 ساعت
+37 روز
+430 روز
آرشیو پست ها
1 996
সুদূর বরিশাল থেকে এসেছেন। স্তন ক্যান্সার এ আক্রান্ত হন।কিন্তু উনি পুরো স্তন ফেলতে রাজি নন তাই ঢাকায় চলে আসেন। কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই স্তন রেখেই ওনার অপারেশন টি সফল ভাবে সম্পন্ন হয় আলহামদুলিল্লাহ।
ব্রেস্ট/ স্তন ক্যান্সার মানে পুরো স্তন ফেলে দেওয়া নয়। বর্তমানে আধুনিক পদ্ধতিতে আমরা স্তনের আকৃতি ঠিক রেখেই( অনকোপ্লাস্টিক ব্রেস্ট সার্জারী) স্তন ক্যান্সার এর সার্জারী করে থাকি। তবে সেহ্মেত্রে ক্যান্সারটি প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়তে হবে।
ব্রেস্ট এ চাকা অনুভব করলে এটি ক্যান্সার কিনা না নিশ্চিত করতে বর্তমান পদ্ধতি হলো কোরকাট বায়োপসি
প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার নির্ণয় এর জন্য মাসে একবার নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করুন। কোনো চাকা অনুভব করলে দ্রুত একজন জেনারেল সার্জন / ব্রেস্ট সার্জন এর পরামর্শ নিন।
সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে যে রোগের যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তার সরনাপন্ন হওয়া একান্ত আবশ্যক। নতুবা অপচিকিৎসার স্বীকার হতে পারেন।
সকলের সুচিকিৎসা ও সর্বোচ্চ চিকিৎসা কামনায়
ডা. এম এ বি সিদ্দিক
কোলোরেক্টাল, ব্রেস্ট,এন্ডোল্যাপারোস্কপিক ও ক্যান্সার সার্জন
1 996
👉 নিয়ন্ত্রণে রাখুন মোশন সিকনেস 👈
বাসে ভ্রমণের সময় আমাদের প্রায়ই চোখে পড়ে জানলা দিয়ে মাথা বের করে কেউ বমি করছেন। কিংবা সুপারভাইজারের কাছে পলিথিন চাইছেন। বাস, প্লেন অথবা নৌকায়- ভ্রমণের সময় মাথাঘোরা, বমি ভাব, মাথাব্যথা, অত্যাধিক লালা নিঃসৃত হওয়া, ক্লান্তি এবং সবশেষে বমি হওয়ার ডাক্তারি নাম মোশন সিকনেস।
যখন আমরা গতি অনুভব করি কিন্তু চোখে দেখতে পাই না তখনই আক্রান্ত হই মোশন সিকনেসে। মোশন সিকনেস বাচ্চাদের বেশি হলেও যেকারোরই এমনটা হতে পারে। বিশেষ করে নারীদের এ সমস্যা বেশি হয়।
মোশন সিকনেস নিয়ন্ত্রণে রাখতে যা করতে হবে-
• 👉 খেতে ইচ্ছে করছে না এমন খাবার গাড়িতে ওঠার আগে খাবেন না
• 👉 বাইরের দৃশ্য দেখা যায় এমন আসনে বসুন। সামনের সিট হলে বেশি ভালো।
• 👉 গাড়ি যেদিকে চলছে তার উল্টো দিকে মুখ করে বসবেন না।
• 👉 জার্নিতে বই পড়া, মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
• 👉 সিটের পাশের জানলা খুলে রাখুন। সতেজ বাতাস চোখে-মুখে লাগবে।
• 👉 মোশন সিকনেস আছে এমন কারো পাশে না থাকাই ভালো। অন্যের দেখে নিজেরও হতে পারে।
• 👉বাসে গন্ধ থাকলে সুপারভাইজারকে এয়ার ফ্রেশনার স্প্রে করতে বলুন।
🍃🍃মোশন সিকনেসের সমস্যায় ব্যাগে রাখুন এসব খাবার-
👉লেবু: তাজা লেবুর গন্ধ নিমেষে গা গোলানো কমিয়ে দিতে পারে।
👉আদা: আদা হজমে সাহায্য করে বমি ভাব কাটিয়ে দেয়। মুখে রাখুন আদা কুচি।
👉আপেল: আপেল অ্যাসিডিটি কমায়। ব্যাগে রাখুন। বমি ভাব লাগলে কামড়ে খেতে থাকুন।
👉জলপাই: জলপাই ব্যাগে রাখতে পারেন। মোশন সিকনেস কমাতে এর তুলনা নেই।
👉বিট লবণ: কমলার কোয়া বিটলবণ মেখে খেলে বমি ভাব কমবে। কমলা না থাকলে শুধু বিটলবণ জিভে লাগান।
©20 Minutes Medical
1 996
#ভারতে যাওয়ার পরে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে আপনার করণীয়।
আমি নিজে এই সমস্যার শিকার হয়েছি।
সমাধান খুব সহজ একটু পরিশ্রম করা লাগে।
প্রথম ধাপ: প্রথমেই আপনি ভারতের যেই হোটেলে অবস্থান করছেন আপনার পুরো বিষয়টি খুলে বলবেন তারা একটি লেটার দিবে যেখানে আপনার পাসপোর্ট এর নাম্বার আপনি যে এই হোটেলে আছেন তার প্রমাণ পত্র সহ আপনাকে একটি লেটার হাতে দিবে।
দ্বিতীয় ধাপ : আপনি ভারতের আছেন সেই এরিয়ার সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে একটি সাধারণ জিডি করতে হবে। অবশ্যই আপনার পাসপোর্টের এবং আপনার ভিসার একটি করে কপি সেখানে লাগবে।
তৃতীয় ধাপ : জিডি করার পরে সেখানকার পুলিশ কর্মকর্তারা আপনাকে জানিয়ে দিবে পরবর্তীতে আপনার লোকেশন হচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস। বাংলাদেশ দূতাবাসে যাওয়ার সময় আপনার একটি পাসপোর্ট কপি একটি ভিসার কপি এবং আপনার দুই কপি ছবি এবং সাথে ইন্ডিয়ান রুপিতে দুই হাজার রুপি বা এর কিছু বেশি রুপি আপনার লাগবে। সেখানে তারা আপনার আবেদনটি গ্রহণ করবে এবং আপনাকে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করার জন্য বলবে। এ সময়কালে আপনার পাসপোর্ট যে হারিয়েছে এই বিষয়টি তারা বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন এবং পাসপোর্ট অফিসে কন্টাক করে জানিয়ে দিবে। অতঃপর আপনার হাতে একটি লেটার ধরিয়ে দিবে। লেটারটিতে আপনার যাবতীয় পরিচয় পত্র কলকাতার এবং ইন্ডিয়ার সমস্ত কিছু উল্লেখ থাকবে এবং এই লেটারটি নিয়ে আপনার একটি কম্পিউটারের দোকানে যেতে হবে।
তৃতীয় ধাপ : লেটারটি নিয়ে কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে আপনাকে এফ আর ও অফিসের উদ্দেশ্যে একটি অনলাইন আবেদন করতে হবে।
এ আবেদনে আপনাকে উল্লেখ করতে হবে আপনি কেন পাসপোর্ট রিনিউ না করে আপনি ইমারজেন্সি বাংলাদেশে যেতে যাচ্ছেন এবং কতদিনের ভিতরে যেতে যাচ্ছেন।
চতুর্থ ধাপ : অনলাইন আবেদন পেপারটি সংগ্রহ করে আপনাকে এফ আর ও অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে এবং সেই অফিসে আপনার একটি সাধারণ জিজ্ঞাসাবাদ হবে।কিভাবে পাসপোর্ট হারালো আপনি কেন ইন্ডিয়া এসেছিলেন।
(ভুল করেও বলবেন না আমি কোন দালালের চক্রান্তে পড়েছি বা আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য এদেশে আসছিলাম এখন দালাল আমার সাথে দুই নাম্বারি করতেছে। সে ক্ষেত্রে তারা তাদের দেশের মানুষকে বেশি প্রাধান্য দিবে)
পঞ্চম ধাপ : এপার অফিস থেকে আপনার জিজ্ঞাসাবাদ এবং আপনার অনলাইন আবেদনটি সংগ্রহ করে তারা একটি সময় নির্ধারণ করে দিবে সেই সময় আপনি আপনার জিমেইলে এক্সিট পারমিট পেয়ে যাবেন। এবং সেখানে উল্লেখ থাকবে যে এই কয়েক দিনের ভেতরে তোমার ইন্ডিয়া ছেড়ে বাংলাদেশে চলে যেতে হবে। আপনি জিমেইলে মেসেজ পাওয়ার পরে দেখবেন সেখানে একটি ছবি আসছে সেটি হচ্ছে আপনার এক্সিট পারমিট।
ষষ্ঠ ধাপ : এক্সিট পারমিট পাওয়ার পরেও শান্তি নেই আপনি যেভাবেই যান বাসে করে অথবা বিমানে করে। প্রত্যেকটা ধাপে ধাপে আপনাকে প্রশ্ন করা হবে। কেন পাসপোর্ট হারালেন কেন এসেছিলেন ইন্ডিয়া।
( তবে এফ আরো অফিসের এক্সিট পারমিট পেয়ে গেলে আর পরবর্তীতে কোন সমস্যা হবে না -( শুধু বুদ্ধিমত্তার সাথে তাদের প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারলেই হবে)
সপ্তম ধাপ : ইন্ডিয়া থেকে আপনার জিডি করার কাগজটা সাথে নিয়ে আসবেন অবশ্যই। সেই জিডির কাগজটি নিয়ে আপনার এলাকার সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে আরো একটি জিডি করবেন সেই জিডির কাগজটি নিয়ে পরবর্তীতে আপনার নতুন করে পাসপোর্ট রিইস্যু করে নেবেন।
( রিজু আহম্মেদ) 🤍
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
