1 954
Підписники
-124 години
-77 днів
-1830 днів
Архів дописів
1 954
মৃত ব্যক্তির জন্য দিন-তারিখ নির্দিষ্ট করে দাওয়াতের আয়োজন করা ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা বিদআত ও বর্জনীয়। তবে তিন দিনা চার দিনা ত্রিশা ও চল্লিশার মতো তারিখ নির্ধারণ না করে মৃত ব্যক্তির ঈসালে সাওয়াবের উদ্দেশ্যে গরিব মিসকীনদের খানা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা যাবে। [ফতহুল কদীর: ২/১০২, ইমদাদুল আহকাম: ১/২০৬]
1 954
ঈদ হোক ত্যাগ ও আনন্দের সাথে, সুন্নাহর সাথে৷
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম৷
ঈদ মুবারক৷ 🌙
1 954
আমার ধারণা ছিলো এগুলো সবাই জানে, কিন্তু কিছুদিন থেকে বিভিন্ন গ্রুপে এই সংক্রান্ত পোস্ট/প্রশ্ন দেখছি, তাই কিছু টিপস শেয়ার করছি জনস্বার্থে।
অনেকের প্রশ্ন, মাংস বেশিদিন ফ্রিজে থাকলে গন্ধ হয়ে যায়, কীভাবে রাখলে গন্ধ হবে না।
আসলে মাংস গন্ধ হয় যদি সেটা ফ্রিজে রাখার পর ঠাণ্ডা হতে এবং জমতে সময় নেয়। মাংস যদি তাজা থাকা অবস্থায় আপনি জমিয়ে ফেলতে পারেন তাহলে জমার পর যতদিনই থাকুক স্বাদের হেরফের খুব একটা হয় না। সেজন্য আপনাকে যা করতে হবে–
১. মাংস আনার পরপরই ফ্রিজে ঢোকাবেন না, মাংস ঠাণ্ডা হতে দেবেন। ফ্যান ছেড়ে ডাইনিং টেবিলের উপর ছড়িয়ে দিতে পারেন, অথবা বাসায় এসি থাকলে এসি রুমের ফ্লোরে কিছু বিছিয়ে মাংস ছড়িয়ে রাখুন, এসিটা ছেড়ে দিন, ধীরে ধীরে যত সময় লাগুক মাংস গোছান, বিলি করুন, কোনও সমস্যা হবে না।
২. মাংস ধোবেন না, তাজা মাংসটা শুকালেই রক্তটা জমাট বেঁধে যাবে, যদি পানি লাগান তাহলে জমাটটা ছেড়ে দেবে এবং মাংস থেকে রক্ত ছাড়তেই থাকবে। অনেকে বলেন রক্তসহ রাখব? আপনি কি মাংস থেকে রক্ত আলাদা করতে পারবেন? পুরো মাংসের মধ্যেই তো রক্ত, মাংস তো ধুয়ে ধুয়ে সাদা করে ফেলতে হবে তাহলে!
৩. মাংসের গায়ে লেগে থাকা রক্ত হালাল, শুধু মাত্র জবেহের সময় ছিটকে বের হওয়া রক্ত হারাম। তাই আপনি যদি পরিষ্কার জায়গায় মাংস কাটেন আর না ধুয়েই রান্না করেন তাতেও কোনও সমস্যা নেই, তাই ফ্রিজে রাখার আগে ধোয়ার ব্যাপারে চিন্তা করার একেবারেই প্রয়োজন নেই।
৪. একসাথে ডিপে ভরে ফেলবেন না, ডিপের ক্যাপাসিটির এক-তৃতীয়াংশ মাংস রেখে দিন শুরুতেই। ফ্রিজের দরজা বারে বারে খুলবেন না, অন্য মাংস গোছাতে থাকুন, রান্নার কাজ সেরে নিন, এক-দুই ঘণ্টা পর আগেরগুলো ভালোমতো ঠান্ডা হয়ে গেলে আরেক তৃতীয়াংশ রাখুন। ফ্রিজে স্পেস থাকলে প্রতি সারি মাংসের মাঝে ফাঁকা রাখার চেষ্টা করবেন যেন ঠাণ্ডাটা চলাচল করতে পারে। তাহলে মাংস জমবে দ্রুত।
৫. ফ্রিজ কোনও অবস্থাতেই এতটা ঠেসে ভরবেন না যে দরজা ঠিকমতো না লাগে। কোনওক্রমে যদি সামান্য ফাঁকও থেকে যায়, মাংস জমতে অনেক বেশি সময় লাগবে আর স্বাদও নষ্ট হয়ে যাবে। সাথে ফ্রিজও নষ্ট হতে পারে।
৬. এটা শুরুতে দেওয়া দরকার ছিল। ঈদের আগেই কিছু ভালো কোয়ালিটির পলিব্যাগ কিনে রাখবেন, পলিব্যাগ ভালো হলে এবং সুন্দর সারিবদ্ধ ভাবে রাখলে মাংস জমার পর বের করতে কষ্ট হবে না। বারে বারে ফ্রিজ বন্ধ করে খোঁচাখুঁচি করতে হবেনা।
৭. কলিজা থেকে রক্ত ছাড়ে বেশি, কলিজা রাখতে চাইলে পলিতে না রেখে বক্সে করে রাখবেন।
আপাতত এই পর্যন্তই, আরও কিছু মনে পডলে অ্যাড করে দেব ইনশাআল্লাহ।
______
কুরবানির মাংস সংরক্ষণ টিপস
জুবাইদা ফারজানা
#রৌদ্রময়ী
1 954
কি কি দু'আ করবো?
অনেকেই জিজ্ঞেস করেছে কি কি দু'আ করবো?!
চাওয়ার কোনো শেষ নেই! যতোবেশী চাইবেন আল্লাহর কাছে আল্লাহ্ আপনার প্রতি ততো বেশী খুশী হবেন ইনশাআল্লাহ্! যে আল্লাহর কাছে চায়না আল্লাহ্ তার প্রতি নারাজ হন। যা কিছু চাওয়ার শুধুমাত্র আল্লাহর কাছে চাইবেন, বেশীবেশী দু'আ করবেন, শুয়ে বসে, হেঁটে হেঁটে যেকোন সময় যেকোনো ভাবে আপনি দোয়া করতে পারবেন।
এমন নয় যে শুধু নামাজেই দোয়া করা যায়! আপনি যেকোনো সময় হাত তুলে কিংবা না তুলে মনে মনে আল্লাহ্কে ডাকতে পারেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা।
যেসব দোয়ার কথা আমার মনে পড়েছে সেসব উল্লেখ করলাম, আপনারা চাইলে আরোও অনেক বিষয়ে দোয়া করতে পারেন। যখন যা কিছু প্রয়োজন শুধু চাইতেই থাকুন, আল্লাহ্ কখনো বিরক্ত হয় না বান্দার ডাকে, বরং খুব বেশিই খুশি হন।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন,
"তোমরা তোমাদের সকল প্রয়োজনে আল্লাহর কাছে চাইবে, এমনকি যদি জুতার ফিতাও ছিঁড়ে যায়, তাও একমাত্র তাঁর কাছেই চাইবে, এমনকি লবণও তাঁর কাছে চাইবে।"
(সুনানে তিরমিযী ৩৯৭৩, সহীহ ইবনু হিব্বান ১৪৮)
#দুআর_লিস্ট -
১। অতীতের সকল গুনাহ মাফের জন্য দোয়া।
২। কবীরা, সগীরা গুনাহ মাফের দোয়া।
৩। সকল কল্যাণের দোয়া।
৪। ঈমান বৃদ্ধির দোয়া।
৫। নিয়ামাহ স্থায়ী হওয়ার দোয়া।
৬। সকল অকল্যাণ হতে বাঁচার দোয়া।
৭। দ্বীনের ওপর অটল থাকার দোয়া।
৮। কঠিন রোগব্যাধি হতে বাঁচার দোয়া।
৯। আসমান, জমিনের সকল বালা, মুসিবত,পেরেশানি হতে বাঁচার দোয়া।
১০। বদনজর হতে বাঁচার দোয়া।
১১। উপকারী ইলম, গ্রহণযোগ্য আমলের দোয়া।
১২। ঋণ হতে বাঁচার দোয়া
১৩। অহংকার, শিরক, বিদআত হতে বাঁচার দোয়া।
১৪। আল্লাহ্ ও তার প্রিয়জনদের ভালোবাসা লাভের দোয়া।
১৫। দুশ্চরিত্র হতে বাঁচার দোয়া।
১৬। উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়ার দোয়া।
১৭। পরিবারের সকলের সুস্থতা ও হিদায়াতের জন্য দোয়া।
১৮। আমল বৃদ্ধির জন্য দোয়া।
১৯। শত্রুর অনিষ্ট হতে বাঁচার দোয়া।
২০। সময়ে বারাকাহ পাওয়ার জন্য দোয়া।
২১। মুসলিম মজলুম ভাইবোনদের জন্য দোয়া।
২২। মৃত ব্যক্তিদের জন্য দোয়া।
২৩। নিজের ও অন্যদের হিদায়াতের জন্য দোয়া।
২৪। অনিচ্ছাকৃতভাবে গীবত হয়ে গেলে/কারোর হক নষ্ট করে থাকলে/কাউকে গালি দিয়ে থাকলে তাদের জন্য দোয়া।
২৫। প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজনদের জন্য দোয়া।
২৬। কবরের আযাব হতে বাঁচার দোয়া।
২৭। দাজ্জালের ফিতনা হতে বাঁচার দোয়া।
২৮। দুনিয়ার সকল ফিতনা হতে বাঁচার দোয়া।
২৯। সম্পদের খারাবি ও অভাব অনটন হতে রক্ষার জন্য দোয়া।
৩০। জান্নাত লাভের জন্য দোয়া।
৩১। জাহান্নাম হতে রক্ষা পাওয়ার দোয়া।
৩২। গুনাহ হতে দূরে থাকার জন্য দোয়া।
৩৩ ।আল্লাহর অনুগত বান্দা হওয়ার দোয়া।
৩৪। মুনাফিকী হতে বাঁচার দোয়া।
৩৫। হারাম হতে বাঁচার জন্য দোয়া।
৩৬। সহজ ও হালাল উপার্জনের জন্য দোয়া।
৩৭। সকল মুসলিম উম্মাহের জন্য দোয়া।
৩৮। যারা দোয়া চেয়েছে তাদের জন্য দোয়া।
৩৯। জালিম শাসকের অনিষ্ট হতে বাঁচার দোয়া।
৪০। জালিম শাসকের হিদায়াত/ধ্বংসের দোয়া।
৪১। ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য দোয়া।
৪২। কাফিরদের অনিষ্ট হতে রক্ষা পাওয়ার দোয়া।
৪৩। সকল বদ অভ্যাস হতে বাঁচার দোয়া।
৪৪। নবীজী (ﷺ) এর শাফায়াত লাভের জন্য দোয়া।
৪৫। ব্যবহার সুন্দর হওয়ার জন্য দোয়া।
৪৬। শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে রক্ষা পাওয়ার দোয়া।
৪৭। জ্বীন ও মানুষ শয়তানের অনিষ্ট হতে বাঁচার দোয়া।
৪৮। কঠিন পরিস্থিতি হতে বাঁচার দোয়া।
৪৯। অনাকাঙ্ক্ষিত সকল দুর্যোগ হতে বাঁচার দোয়া।
৫০। ঈমানেরসহিত মৃত্যুবরণ করার দোয়া।
1 954
যারা অন্যের NID দিয়ে সিম তুলে নিজে ব্যাবহার করেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি। জীবনে অন্যজনের ভোটার ফিঙ্গার দিয়ে সিম তুলে নিজে চালাবেন না। হয়ত আপনার বয়স ১৮ এর কম দেখে শুরুতে আপনি অন্যের সাহায্যে সিম নিতে পারেন। তবে নিজে ভোটার হওয়ার পরপরই সিম অন্যের নাম থেকে নিজ নামে ট্রান্সফার করে নিবেন। বিপদ যেকোনো সময় যেকোনো ভাবে আসতে পারে। তাই আগেই সব ঠিক করে রাখুন।
1 954
স্ত্রীর উপর স্বামীর হক সমূহঃ-
১. প্রত্যেক জায়েজ কাজে স্বামীর আনুগত্য করা।
২.স্বামীর সামর্থের চেয়ে বেশি ভরণ পোষণ দাবি না করা।অল্পে সন্তুষ্ট হলে সুখ শান্তি অনাবিল দৌড়ে আসবে।
৩.স্বামীর অনুমতি ব্যতিত কাউকে ঘরে আসতে না দেওয়া।
৪.পর পুরুষের সাথে নমনীয় সুরে কথা না বলা।
৫.স্বামীর অনুমতি ব্যতিত স্বামীর টাকা পয়সা, মাল পত্র থেকে কাউকে কিছু না দেওয়া।
৬. স্বামীর অনুমতি ব্যতিত ঘর থেকে বাইরে না হওয়া।
৭.স্বামীর অনুমতি ব্যতিত নফল রোযা না রাখা,বিশেষ করে একসাথে থাকাকালিন।
৮. স্বামী সহ-;বাসে আহ্বান করলে শরীয়তের ওজর ছাড়া অস্বীকার না করা।
৯.স্বামীর আর্থিক দূর্বলতার কারনে বা চেহারা সূরত সুদর্শন না হলেও স্বামী কে তুচ্ছ, অবহেলা, ঘৃনা না করা।
১০.স্বামীর শরীয়ত বিরোধী কাজে আদবের সহিত নিষেধ করা।
১১.মানুষের সামনে স্বামীর দোষ ত্রুটি না বলা।
১২.স্বামীর সম্মুখে মুখ খারাপ না করা, স্বামীকে মন্দ কথা না বলা।
১৪.স্বামীর বাপ মাকে নিজের শ্রদ্ধেয় মুরব্বি মনে করে তাদের খেদমত করা,সম্মান করা,তাদের সাথে ঝগড়া না করা,তাদেরকে কোন কষ্ট না দেওয়া।
পরবর্তী ধাপে স্বামীর উপর স্ত্রীর হকসমূহ নিয়ে জানানোর চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ্।
#DrSRKhan
