1 954
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-77 روز
-1830 روز
آرشیو پست ها
1 954
যদি আপনি আপনার সন্তানের আখিরাত ধ্বংস করে দেন,
ওরা আপনার দুনিয়া আখিরাত দুটোই ধ্বংস করে দিবে।
@Mukhtar Ahmed
1 954
বিবাহে উকিল বাপ: শরয়ী দৃষ্টিকোণ
‘উকিল’ শব্দটি উকালাত থেকে আসে। আর উকালাত বলা হয়,
কারও লেনদেন তার প্রতিনিধি হিসাবে আঞ্জাম দেওয়াকে।বিবাহে বর বা কনের উকিল সেই ব্যক্তি হয়ে থাকে যাকে বর বা কনে নিজেদের বিবাহ সম্পন্ন করানোর জন্য অনুমোদন দিয়ে থাকে।
সাধারণত, বর বিবাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকে এবং নিজের ‘আকদ’ বা বিবাহ কার্য নিজেই সম্পাদন করে থাকে। তাই তখন তার অভিভাবক বা উকিলের প্রয়োজন হয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে
অভিভাবক বা উকিলের প্রয়োজন হতে পারে।
যেমন অনেক সময় কনে পর্দা ইত্যাদি শরয়ী বিধান এবং স্বভাবজাত লজ্জার কারণে বরের ‘আকদে নিকাহ’ সম্পন্ন হওয়ার মজলিশে উপস্থিত হতে পারে না এবং নিজের বিবাহ নিজেই সম্পন্ন করতে পারে না। তখন তার বিবাহ সম্পন্ন করার জন্য অভিভাবক বা উকিলের প্রয়োজন হয়ে থাকে।
আর বিবাহে একই ব্যক্তি অভিভাবক এবং উকিল উভয়ই হতে পারেন, অর্থাৎ,মেয়ের পিতা যিনি শরয়ীভাবে নিজেই অভিভাবক,
তিনিই বিবাহের ‘আকদ’ সম্পন্ন করানোর জন্য কনের পক্ষ থেকে উকিল হতে পারবেন।
এবং এটাও সম্ভব যে মেয়ের পিতার (ওলির) উপস্থিতিতে অন্য কাউকে বিবাহ চুক্তি সম্পাদনের জন্য উকিল (প্রতিনিধি) বানানো যেতে পারে, যেমন: পিতার উপস্থিতিতে মেয়ের চাচা বা ভাইকে উকিল বানানো যেতে পারে। ইসলামী শরীয়তে এটারও অনুমোদন রয়েছে।
এই আলোচনা থেকে এটাও জানা যায় যে, বর বা কনের অভিভাবক শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত, অর্থাৎ অভিভাবকত্ব একটি অনৈচ্ছিক বিষয়। কিন্তু উকিল (প্রতিনিধি) বানানোর বিষয়টা বর-কনের ইচ্ছাধীন। যাকে ইচ্ছা তাকে উকিল বানাতে পারবে।
তবে শরীয়তের দৃষ্টিতে উকিল বাপ বলে কিছু নেই। মেয়ের বাবা যতদিন জীবিত আছেন ততদিন তিনিই অভিভাবক। তিনি না থাকলে আত্মীয়দের মধ্যে কে কিভাবে অভিভাবক হবে তাও শরীয়তে বলা আছে।
আর উকিল অর্থ যেহুতু প্রতিনিধি, মুখপাত্র। তাই সেই উকিলকে কখনোই বাবা ডাকা যাবে না। এবং অনাত্মীয় কেউ উকিল হওয়ার দ্বারা তার সঙ্গে কোন ধরণের আত্মীয়তাও তৈরী হয়না।
যদি মেয়ের গাইরে মাহরামদের কাউকে উকিল বানানো হয়ে থাকে তাহলে সে আজীবন গাইরে মাহরামই থাকবে। উকিল হওয়ার দ্বারা বিধান পরিবর্তিত হবেনা। বিবাহের আকদ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই তার প্রতিনিধিত্বের মেয়াদও শেষ হয়ে যায়।
তাই মুসলিম নারীদের জন্য তথাকথিত সামাজিকতার দোহাই দিয়ে আজীবন উকিলের সাথে দেখা দেয়া অকাট্যভাবে হারাম। প্রয়োজন ছাড়া উকিল নির্ধারণের যে রেওয়াজ আছে তাও পরিত্যাগ করা উচিত। [বিন্নুরি টাউনের ফতোয়া নং 144010200769]
[মাহরাম পুরুষ কাউকে পাওয়া না গেলে উকিল নারীরাও হতে পারবে,কনের অন্দরমহল থেকে ইজাব-কবুলের সুবিধার্থে]
"قال الحنفية: الولي في النكاح العصبة بنفسه وهو من يتصل بالميت حتى المعتق بلا توسط أنثى على ترتيب الإرث والحجب، فيقدم الابن على الأب عند أبي حنيفة وأبي يوسف خلافاً لمحمد حيث قدم الأب، وفي الهندية عن الطحاوي: إن الأفضل أن يأمر الأب الابن بالنكاح حتى يجوز بلا خلاف، وابن الابن كالابن، ثم يقدم الأب، ثم أبوه، ثم الأخ الشقيق، ثم لأب، ثم ابن الأخ الشقيق، ثم لأب، ثم العم الشقيق، ثم لأب، ثم ابنه كذلك، ثم عم الأب كذلك، ثم ابنه كذلك، ثم عم الجد كذلك، ثم ابنه كذلك". (الموسوعة الفقهية الكويتية، ۴۱ / ۲۷۵،طبع الوزارة) فقط واللہ اعلم
Khairul Islam 28/04/2023
হানাফী ফিকহ-Hanafi Fiqh
1 954
তাই এখানে হেকমত হচ্ছে এর দ্বারা নারীর এগুলো রক্ষা,এটা ইল্লত না। আর হেকমতের থাকা না থাকার ভিত্তিতে কখনো হুকুম বদলায় না। আল্লাহ এবং রাসুল সা. আমাদের কে যে বিধান দিয়েছেন আমরা তা মানতে বাধ্য। এক্ষেত্রে নিরাপত্তা আছে কি নেই বদনামের ভয় আছে কি নেই এটা আমরা বিবেচনা করবো না। বিষয়টা এমন না যে নিরাপত্তার ভয় থাকলে মাহরাম ছাড়া সফর করা জায়েয নেই। আর যদি নিরাপত্তা পরিপূর্ণ বজায় থাকে, বদনামের কোনো ভয় না থাকে তাহলে মাহরাম ছাড়া সফর করা জায়েয আছে। বিষয়টা কখনোই এমন না।
তবে হ্যাঁ যদি বেশী জরুরত দেখা দেয় যেমন বর্তমানে এমন হয় যে কোনো নারী হজের জন্য টাকা জমা দিয়েছে বা সব কিছু রেডি তখন হঠাৎ করে স্বামী মারা গেলো বা যে মাহরামের সাথে হজে যাবে সে মারা গেলো তখন অন্য নিরাপদ মহিলাদের সাথে হজে যেতে পারবে। অন্যথায় তো তার এই টাকাটা বৃথা যাবে। যেহুতু এটা কতয়ী হুকুম না তাই এই এধরনের জটিল ওজরের ক্ষেত্রে মাহরাম ছাড়াও হজে যেতে পারবে।
-আলবাহরুর রায়েক ২/৩১৪-৩১৫; আদদুররুল মুখতার ২/৪৬৪-৪৬৫; মানাসিক, মোল্লা আলী কারী পৃ. ৭৬ ও ৭৮; গুনয়াতুন নাসিক পৃষ্ঠা ২৬-২৭ ও ২৯; ইমদাদুল ফাতাওয়া ২/১৫৬; বাদায়েস সানায়ে ২/১২৩
Khairul Islam 11/11/2021
হানাফী ফিকহ (Hanafi Fiqh)
ডিজাইন: Mustakim Rahman ভাই
1 954
মাহরাম ছাড়া নারীদের সফর: শরয়ী দৃষ্টিকোণ
ইসলামী শরীয়ত নারীদের সম্মান-মর্যাদা এবং তাদের সুরক্ষিত রাখার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে। তাই যে ক্ষেত্রে তাদের সম্মান-মর্যাদা বা সুরক্ষা বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, সে ক্ষেত্রে ইসলামী শরীয়ত তাদের জন্য বিশেষ বিধান দিয়েছে।
এই দৃষ্টিকোণ থেকে ইসলামী শরীয়তের সাধারণ বিধান হচ্ছে যে, স্বামী বা মাহরাম ছাড়া একাকী সফর করা মহিলাদের জন্য বৈধ নয়। যদি আটচল্লিশ মাইল (সাতাত্তর কিলোমিটার) বা তার বেশি দুরত্বে সফর হয়, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত পুরুষদের থেকে নিজের কোনো মাহরাম আত্মীয় বা স্বামী সাথে না থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো নারীর জন্য সফর করা জায়েয নেই। চাই সেটা হজের সফর হোক বা উচ্চ শিক্ষার জন্য সফর হোক।
হাদীস শরীফে রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাধারণ সফর এবং হজ্বের সফর সকল ক্ষেত্রেই মাহরাম ছাড়া নারীদের একাকী সফর করতে নিষেধ করেছেন।
لَا تُسَافِرِ الْمَرْأَةُ ثَلَاثًا، إِلّا وَمَعَهَا ذُو مَحْرَمٍ.
হযরত ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মাহরামকে সঙ্গে না নিয়ে কোনো নারী তিন দিন দূরত্বের পথে সফর করবে না। [সহীহ বুখারী, হাদীস ১০৮৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৩৩৮]
لَا يَحِلّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَنْ تُسَافِرَ سَفَرًا يَكُونُ ثَلَاثَةَ أَيّامٍ فَصَاعِدًا، إِلّا وَمَعَهَا أَبُوهَا، أَوِ ابْنُهَا، أَوْ زَوْجُهَا، أَوْ أَخُوهَا، أَوْ ذُو مَحْرَمٍ مِنْهَا.
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে নারী আল্লাহ এবং আখেরাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে তার জন্য নিজের বাবা, ছেলে, স্বামী, ভাই বা অন্য কোনো মাহরামকে সঙ্গে না নিয়ে তিন দিন বা ততোধিক দূরত্বের পথ সফর করা বৈধ নয়। [সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৩৪০; সুনানে কুবরা, বাইহাকী ৩/১৩৮]
এসব হাদীস থেকে স্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে, মাহরাম ছাড়া হজ্বের মতো সফরেও বের হওয়া যাবে না। আর এত সুস্পষ্ট হাদীস থাকার পর এখানে ভিন্ন কোনো যুক্তি দাঁড় করানো বাঞ্ছনীয় নয়।
এমনিভাবে বুখারী শরীফের এক বর্ণানায় এসেছে,
عَنِ ابْنِ عَبّاسٍ، عَنِ النّبِيِّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ قَالَ: لاَ يَخْلُوَنّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ إِلّا مَعَ ذِي مَحْرَمٍ. فَقَامَ رَجُلٌ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، امْرَأَتِي خَرَجَتْ حَاجّةً، وَاكْتُتِبْتُ فِي غَزْوَةِ كَذَا وَكَذَا، قَالَ: ارْجِعْ فَحُجّ مَعَ امْرَأَتِكَ.
হযরত ইবনে আব্বাস রা. নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, নবীজী বলেছেন, কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সঙ্গে তার মাহরাম ব্যতিরেকে একাকী অবস্থান না করে। তখন এক ব্যক্তি উঠে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি তো অমুক অমুক যুদ্ধের জন্য নাম লিখিয়েছি। ওদিকে আমার স্ত্রী হজ্বের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেছে। নবীজী বললেন, ফিরে যাও। তোমার স্ত্রীর সাথে হজ কর। [সহীহ বুখারী, হাদীস ৫২৩৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৩৪১]
উপরোক্ত বর্ণনাগুলোতে একটু চিন্তা করলে এটা পরিষ্কার হয়ে যায় যে, নারীর জন্য মাহরাম ব্যতীত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার ওপর কতটা জোর দেওয়া হয়েছে যে, কোথাও আল্লাহ ও তার রাসুলের প্রতি ঈমান আনা যেই রকম জোরের পর এই নিষেধাজ্ঞা আসে।
কোথাও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে স্বামীকে জিহাদের মতো পবিত্র দায়িত্বের পরিবর্তে স্ত্রীকে নিয়ে হজ্ব করতে বলা হচ্ছে।
এছাড়াও হজ ফরজ হওয়ার পরও মাহরাম ছাড়া কোনো মহিলার জন্য তা আদায় করা ওয়াজিব নয়। বরং তার জন্য হুকুম হলো, যদি মৃত্যু পর্যন্ত মাহরাম পাওয়া না যায় তাহলে সে মৃত্যুর পূর্বে হজ্জের অসিয়ত করে যাবে।
এখানে আরেকটি বিষয় হলো, ওমরা একজন ব্যক্তি ইবাদত এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করে থাকে। কিন্তু মহানবী (সা.)-এর নির্দেশ অমান্য করে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সওয়াবের আশা করা নিরর্থক ও বোকামী।
তাছাড়াও ইসলামী শরীয়তে একজন নারীর সফরের জন্য মাহরামের শর্ত করা হয়েছে তার সম্মান ও সুরক্ষা জন্য এবং তাকে সন্দেহ , বদনাম ও অপবাদ থেকে রক্ষা করার জন্য, যা ছাড়া নারীর কোনো মূল্য নেই। তাই নারীদের উচিত শরীয়তের বিধি-বিধান মেনে চলা এবং ইসলামী শরীয়তকে নিজের উপকারকারী হিসাবে বিবেচনা করা।
তাই নারীর জন্য মাহরাম ব্যতীত সফর করা জায়েয নেই , চাই তা হজ্জ-ওমরার জন্যই হোক বা শিক্ষার জন্যই হোক এবং সে একা সফর করুক বা নারীদের কাফেলার সাথে হোক, সে যুবতী হোক বা বৃদ্ধা। সাধারনভাবে নারীদের জন্য মাহরাম ছাড়া সফর করা জায়েয নেই। এর হেকমত হলো,সফরে স্বামী ও মাহরাম ব্যক্তি একজন নারীর যতটুকু সম্মান এবং সুরক্ষা করতে পারে অন্য মহিলারা তা রক্ষা করতে পারে না। বরং সেই মহিলারা নিজেরাই তো তাদের সতীত্ব রক্ষার জন্য অন্যদের মুখাপেক্ষী।
1 954
"সকালের রুটিন" যেটা আপনাকে কেউ বলবে না।
সকাল ১১ টা পর্যন্ত কোন ক্যাফিন গ্রহন করবেন না।
সকালে ঘুম থেকে উঠার প্রথম ১ ঘন্টার মধ্যে হাঁটুন
সকালে lifting, writing, deep work আর রাতে book, Netflix, social media. আপনার প্রোডাক্টিভিটি পাঁচ গুন বৃদ্ধি পাবে।
ব্রেকফাস্টে বাদাম জাতীয় খাদ্য তালিকায় রাখুন।
আপনার মস্তিষ্ককে অক্সিজেনেট করুন। ১০/২০ মিনিট মেডিটেশন করুন।
নো স্মার্টফোন সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যে ৬টা(কল বাদে)।
কমপক্ষে ১০ ঘন্টা ফাস্টিং যেমন-রাত ১০টা থেকে সকাল ৮টা।
সকালবেলা ইয়োগা বা হাটাহাটি ১৫ মিনিট অন্তত।
প্রতি সপ্তাহ শেষে পুরোণো বন্ধুদের সাথে দেখা করুন।
প্রতিদিন ফ্রেশ সালাদ খাবারের মেন্যুতে রাখার চেস্টা করুন।
1 954
❗ আসুন জেনে নেই ভালোবাসা নিয়ে সাইকোলজিকাল ফ্যাক্ট:
1. True Love
মনোবিজ্ঞান বলছে, যখন সত্যিকার অর্থে কারো প্রেমে পড়বেন বা মন থেকে কাউকে ভালোবাসে তখন আপনার সবচেয়ে বেশি সুখ অনুভূত হবে৷ কারণ এই সময় আপনার মস্তিষ্ক থেকে এম্পডিয়া ও ডোপামিন নামক দুটি হরমোন নিঃসৃত হয় I যা আপনার মস্তিষ্কের ১২ জায়গায় প্রবাহিত হয়ে আপনাকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুখের অনুভূতি দিবে৷
2. Impression of Love
ইম্প্রেশন কে ভালোবাসার প্রথম ও শেষ ধাপ হিসেবে ধরা হয়। কাউকে পছন্দ করতে বা অপছন্দ করতে একজন মানুষের মস্তিষ্ক মাত্র ৪ মিনিট সময় নেয়। তাই আপনি কারো সাথে প্রথম সাক্ষাৎ করতে প্রথম ৪ মিনিটের মধ্যে খুব চমৎকার ভাবে তার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করুনI
3. ভালোবাসায় আলিঙ্গন
মনোবিজ্ঞান বলছে ভালোবাসার মনুষের হাগ কিংবা আলিঙ্গন আপনার নার্ভাস সিস্টেমে পেইন কিলার হিসেবে কাজ করে। তাই আপনার সঙ্গী কিংবা বন্ধুর মন খারাপ দেখলে তার সাথে আলিঙ্গন করতে ভুলবেন না।
4. Couple Arguing
ভালোবাসার মনোবিজ্ঞান বলছে, কারো ছোটখাটো কোন বিষয়ে রাগ করলে কিংবা মন খারাপ হয় তাহলে বুঝতে হবে তার জীবনে ভালোবাসার ঘাটতি রয়েছে | অল্পতেই রাগান্বিত হয় কিংবা অল্পতে গোস্সা হয় এ ধরনের মানুষকে বেশি বেশি করে ভালবাসুন। দেখবেন তার মধ্যে একটা পরিবর্তন কাজ করছে।
5. Beautiful Face
ভালোবাসার মনোবিজ্ঞান বলছে, খুব সুন্দর মুখাবয়ব একটি আকর্ষণীয় বডি ফিটনেস এর থেকে বেশি আকর্ষিত করে। সুতরাং পরবর্তীতে কারো সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলে মুখে অবশ্যই একটি মিষ্টি হাসি রাখবেন যেন প্রথম সাক্ষাতেই মানুষের মন জয় করে নিতে পারেন৷
6. I-Love -You
ভালোবাসা সম্পর্কে এটা জেনে আপনার অবাক লাগতে পারে যে, প্রায় ৯০ শতাংশ পুরুষ প্রথম আই লাভ ইউ বলে প্রপোজ করে। রিসার্চ থেকে পাওয়া গিয়েছে, মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা প্রথমে তাদের ভালোলাগার কথা প্রকাশ করে। আরেকটি মজার তথ্য হলো, নভেম্বর মাসে আই লাভ ইউ কথাটি সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়।
7. Love + Love = Happy Life
যখন আপনি রোমান্টিক মুডে থাকেন তখন আপনার মস্তিষ্ক কম কাজ করে৷ মনোবিজ্ঞান বলছে, যিনি রোমান্টিক রিলেশনশিপ মেইন্টেইন করেছেন তিনি অনেক সুখি জীবন পার করেছেনI এই ধরনের মানুষদের কাছে ডিপ্রেশন কিংবা হার্ট অ্যাটাক এর মত রোগ ধারের কাছেও আসতে পারে না , এটাই ভালোবাসার যাদু!🌸
- ধন্যবাদ 🤗
1 954
বাচ্চাদেরকে দেওয়া উপহারসামগ্রী
পিতামাতার জন্য ব্যবহার করা কি বৈধ?
সামাজিক প্রথা অনুযায়ী কারো সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবরা তাকে দেখতে আসে এবং বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র ও নগদ টাকা-পয়সা উপহার দিয়ে থাকে। তদ্রূপ বাড়িতে কোনো আত্মীয় বেড়াতে আসলে বিদায় নেয়ার সময় বাড়ির বাচ্চাদেরকে টাকা-পয়সা হাদিয়া দেয়। এসব টাকা কখনো বাচ্চাদের প্রয়োজনে খরচ করা হয়, আবার কখনো তা সাংসারিক কাজেও খরচ হয়ে যায়। ছোট বাচ্চাদের এসব উপহারসামগ্রী অভিভাবকের জন্য ব্যবহার করা কি বৈধ? নিম্নে এ বিষয়ের শরয়ী বিধান সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।
বাচ্চাদেরকে আত্মীয়-স্বজন বা অন্য কেউ যে টাকা-পয়সা ও জিনিসপত্র উপহার দেয় তার মালিক স্বয়ং ঐ বাচ্চাই। এসব জিনিস তার প্রয়োজনেই খরচ ও ব্যবহার করা জরুরি। বাচ্চার অভিভাবক বা অন্য কারো জন্য তা ব্যবহার করা জায়েয নয়। এমনকি অভিভাবকের জন্য কাউকে তা দান বা ঋণ হিসেবেও দেওয়া বৈধ নয়। সুতরাং বাচ্চাদের প্রাপ্ত উপহারসামগ্রী অভিভাবকের জন্য সংসারের কাজে খরচ ও ব্যবহার করা কিংবা সংসারের অন্য কাউকে তা খরচ ও ব্যবহার করতে দেওয়া জায়েয হবে না। অভিভাবকের দায়িত্ব হচ্ছে, ঐসব জিনিস যত্নের সাথে শুধু বাচ্চার প্রয়োজনেই ব্যবহার করা।
[আলবাহরুর রায়েক ৭/২৮৮; ফাতাওয়া খানিয়া ৩/২৬৪; আলমুহীতুল বুরহানী ৪/৩৩৪; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৪/৪৪০; আদ্দুররুল মুখতার ৫/৬৯৬; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৫৬০]
এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত পড়তে পারেন। লিংক
https://m.facebook.com/groups/hanafifiqhbd/permalink/1201859073975741/?mibextid=Nif5oz
শায়খ Muhammad Imdadullah হাফি.
1 954
বউ অথবা নিজের ইয়াং মেয়ের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করা অর্থ হলো নিজেকে ‘দাইয়ূস' বলে ঘোষণা দেওয়া।
আর হাদিসের পরিভাষায় ‘দাইয়ূস' ব্যক্তির জন্যে আল্লাহ তা'আলা জান্নাতকে হারাম করে দিয়েছেন।
আপনি কি দাইয়ূস?
ভেবে দেখুন।
আপনার যদি ব্যক্তিত্ব, আত্মমর্যাদা ও লজ্জা থাকে তবে আপনি নিশ্চয়ই নিজ স্ত্রী অথবা মেয়ের ছবি দেখে অন্যরা তাদের নিয়ে কুৎসিত কল্পনায় মগ্ন থাকবে তা চাইবেন না, তাই না?
1 954
দেশি মেয়েদের সমস্যা হলো - পুরুষকে তারা দেখে সেক্সের বিচারে । সেক্স এক্সপোজার হচ্ছে পুরুষ বিচারের মানদন্ড তাদের কাছে । আবার দেশি ছেলেদের সমস্যা হচ্ছে - তারা মেয়েদেরকে ভাবে সেক্স রিসিভারের অবজেক্ট হিসেবে । দুই পক্ষই ভুল । অথচ দুটো মানুষই প্রথমত মানুষ, তারপরে জেন্ডার, তারপরে আসে তার ডিজায়ার । সেক্স ডিজায়ার মানুষের মরালিটি নয় । মানুষ হওয়ার জন্য জেন্ডার কোন পার্থক্য নয়, জেন্ডার কেবল একটি বায়োলজিকাল ট্রেইট। আগে একজন মানুষকে মানুষ ভাববেন, তারপরে অন্য স্কেল দিয়ে মাপবেন ।
Dr. Apurbo
1 954
Repost from বাঁশেরকেল্লা - Basherkella
মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতরে করণীয় আমলসমূহ:
1 954
প্রশ্নঃ মেয়েদের জন্য ঈদের দিনে করণীয় কী? কোন কোন আমল করতে পারে? তারা কি বাসায় ঈদের সালাত পড়তে পারবে?
উত্তরঃ ঈদের নামায শুধুমাত্র ছেলেদের জন্য ওয়াজিব।
নারী পুরুষ কারো জন্যই মুসলমানদের সম্মিলিত জামাত
ছাড়া আলাদাভাবে একাকী ঈদের নামায পড়ার অবকাশ নেই। ঈদের নামাযের জন্য মেয়েরা ঈদগাহে আসা নিষিদ্ধ।
মেয়েরা ঈদের দিন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে, সুগন্ধি মেখে অন্যান্য নারী ও মাহরাম পুরুষদের সাথে ঘরোয়াভাবে উৎসবের আনন্দ উপভোগ করবে। পরিবারের সবাই মিলে অতিথিদের আপ্যায়ন করবে। পাড়া প্রতিবেশির খোঁজখবর নিবে ও অসহায় মুসলমানদের সাধ্যানুযায়ী সহায়তা করবে। সবকিছুর মাঝে নিজের দৈনন্দিন নফল ইবাদতগুলো ঠিক রাখার ব্যাপারে যত্নবান হবে। পুরুষদের যেমন ঈদের নামায পড়ার আবশ্যকীয়তা আছে সেভাবে আলাদা করে এই দিনে মেয়েদের জন্য কোন আমল নেই।
”وشرط وجوبہا الإقامة والذکورة“ آگے عیدین کی نمازوں کی بحث میں ہے: ”وتجب صلاة العید علی من تجب علیہ الجمعة (کنز الدقائق علی ہامش البحر الرائق: ۲/۲۶۴-۲۷۶ مکتبہ زکریا) اور در مختار میں ہے: ”ویکرہ حضورہن الجماعة ولو لجمعة وعید ووعظ مطلقا ولو عجوزًا لیلاً علی المذہب المفتی بہ لفساد الزمان“ (الدر المختار: ۱/۸۳، دار الکتاب)
মুফতি Affan Bin Sharfuddin হাফি.
1 954
কেন সকাল ৫ টায় ঘুম থেকে উঠতে হবে?-এর জন্য আকাশ (Akash)-এর উত্তর https://bn.quora.com/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A7%AB-%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A6%A4%E0%A7%87/answers/332749997?ch=18&oid=332749997&share=32656f21&srid=ur9gJ7&target_type=answer
1 954
বদ নজর সত্য !
মনে রাখবেন আপনি ভাল আছেন তার মানে যে সবাই ভাল আছে তা না, আপনি সুন্দর তার মানে অন্যরাও সুন্দর তা না। আপনার সুখ দেখে অন্যরা কষ্ট পেতেই পারে। তারা হিংসা করতেই পারে। আর সেখান থেকেই বদনজরের সূত্রপাত হয়।
বদনজর হলো আল্লাহ্র একটি সৃষ্টি। এটি একটি বিশেষ প্রভাব যা একজন মানুষ থেকে আরেকজন মানুষের ওপরে বিস্তার লাভ করতে পারে।
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, “বদ নজর সত্য”। [বুখারি: ১০/১১৩]
তিনি আরও বলেছেন, “কোন বস্তু যদি তাক্বদীরকে অতিক্রম করতো তবে তা হতো বদ নজর”। [তিরিমিযী ২০৫৯, আহমাদ ৬/৪৩৮]
তিনি আরও বলেন, “আমার উম্মতের মধ্যে তাক্বদীরের মৃত্যুর পর সর্বাধিক মৃত্যু হবে বদ নজর লাগার ফলে”। [আত তারিখ, বুখারি]
বদ নজর পরিবার ধ্বংস করে, সম্পর্ক নষ্ট করে, স্বপ্নগুলো হত্যা করে, জীবন ও জীবিকা বরবাদ করে, ক্যারিয়ারকে ধূলিসাৎ করে, সৌন্দর্যগুলো অসুন্দর করে, ভালোবাসাকে ঘৃণায় পরিণত করে।
তাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন
لَوْ كَانَ شَيْءٌ سَابَقَ الْقَدَرَ لَسَبَقَتْهُ الْعَيْنُ
কোন জিনিস যদি ভাগ্যকে অতিক্রম করতে পারত তাহলে বদ-নজরই তা অতিক্রম করতে পারত।
সূনান আত তিরমিজী
হাদিস নম্বরঃ ২০৫৯।
আল্লাহ আমাদের বদনজর থেকে বাঁচার তৌফিক দান করুন।
আমিন।🤲
1 954
আমার স্ত্রীকে আমি ততটাই যত্নে রেখেছি যেমনটা আমার মেয়েকে ভবিষ্যতে দেখতে চাই। আমার মা বউ অবস্থায় যা যা পেতে চাইতো আমার স্ত্রীও আজ তাই চায়। মা এখন শাশুড়ি হয়েছে তাই তার চাওয়া বদলেছে। হয়তো এজন্য আজ সে আমার স্ত্রীর চাওয়া গুলোকে আদিক্ষেতা মনে করে। এতে মায়ের দোস নেই। দোসটা বয়সের।
তবে এই কারণে আমি আমার স্ত্রীর কোনো চাহিদাই অপূর্ণ রাখবো না। যেমনটা আমার বাবা রাখেনি।🫰💖
~আরিফ আজাদ🌸
1 954
ভালোবাসার সিস্টেম চেঞ্জ হয়ে গেছে।
আপনি ভালোবেসে অধিকার চাইবেন। কেয়ার চাইবেন। মায়া চাইবেন। মানুষটা অন্যকারো সাথে আপনার মতো করে মিশলে বিরক্ত হবেন। মন খারাপ করবেন। জেলাস ফীল করবেন।
এসব করা যাবে না। যদি করেন, তবে আপনি টক্সিক মানুষ।🙂
এ যুগে এত চাওয়া পাওয়া থাকতে নেই। সে তার মতো থাকবে। আপনি আপনার মতো থাকবেন।
মাঝেমধ্যে মনে পড়লে মেসেজ দিবেন - ইয়ো! কি অবস্থা? হঠাৎ মনে পড়লো।
এর বেশি কিছু না, এক্সপেকটেশন কমান!😊
