ar
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

الذهاب إلى القناة على Telegram

🙂🙂🙂

إظهار المزيد
1 995
المشتركون
-124 ساعات
لا توجد بيانات7 أيام
+430 أيام
أرشيف المشاركات
প্রশ্নঃ তিন তালাক পতিত হয়ে গেলে পুনরায় স্বামী-স্ত্রী হিসেবে থাকার কোন সুযোগ আছে কিনা? উত্তর ঃ যেকোনো উপায়ে তিন তালাক দেওয়া হলে বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়ে যায়। এ অবস্থায় শুধু মৌখিকভাবে স্ত্রীকে বিবাহে ফিরিয়ে আনার যেমন কোনো সুযোগ থাকে না তেমনি নতুন করে বিবাহ দোহরানোর মাধ্যমেও ফিরিয়ে নেওয়ার পথ খোলা থাকে না। একসাথে তিন তালাক দেওয়া কিংবা বিভিন্ন সময় তালাক দিতে দিতে তিন পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া একটি জঘণ্য অপরাধ ও ঘৃণিত কাজ। আল্লাহ তাআলা এর শাস্তি হিসেবে এই বিধান দিয়েছেন যে, তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পুনরায় একসাথে বসবাস করতে চাইলে স্ত্রীর ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার পর অন্যত্র তার বিয়ে হওয়া এবং সে স্বামীর সাথে তার মিলন হওয়া অপরিহার্য। এরপর কোনো কারণে সে তালাকপ্রাপ্তা হলে কিংবা স্বামীর মৃত্যু হলে ইদ্দত পালনের পর পুনরায় প্রথম স্বামীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চাইলে নতুন করে মহর ধার্য করে সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। আল্লাহ্ তাআলা পবিত্র কোরআন মাজিদে বলেন, فَاِنۡ طَلَّقَہَا فَلَا تَحِلُّ لَہٗ مِنۡۢ بَعۡدُ حَتّٰی تَنۡکِحَ زَوۡجًا غَیۡرَہٗ ؕ فَاِنۡ طَلَّقَہَا فَلَا جُنَاحَ عَلَیۡہِمَاۤ اَنۡ یَّتَرَاجَعَاۤ اِنۡ ظَنَّاۤ اَنۡ یُّقِیۡمَا حُدُوۡدَ اللّٰہِ ؕ وَ تِلۡکَ حُدُوۡدُ اللّٰہِ یُبَیِّنُہَا لِقَوۡمٍ یَّعۡلَمُوۡنَ ﴿۲۳۰﴾ অতঃপর যদি সে তালাক প্রদান করে তাহলে এরপরে অন্য স্বামীর সাথে বিবাহিতা না হওয়া পর্যন্ত সে তার জন্য বৈধ হবেনা, অতঃপর সে তাকে তালাক প্রদান করলে যদি উভয়ে পরস্পর প্রত্যাবর্তিত হয় তাতে উভয়ের পক্ষে কোনই দোষ নেই, যদি আল্লাহর সীমারেখা বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। এবং এগুলিই আল্লাহর সীমাসমূহ, তিনি জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য এগুলি ব্যক্ত করে থাকেন। (সূরা বাকারা আয়াত নং ২৩০)

বিবাহের সর্বনিম্ন মহর দশ দিরহাম। অর্থাৎ দুই তোলা সাড়ে সাত মাশা বা ৩০.৬১৮ গ্রাম রূপা। আর মহরে ফাতেমী হল ৫০০ দিরহাম। অর্থাৎ ১৩১.২৫ তোলা বা ১.৫৩০৯ কিলোগ্রাম রূপা। এক দিরহামের ওজন হল ৩.০৬১৮ গ্রাম। বর্তমানে প্রতি তোলা রূপার মূল্য ১২০০/- টাকা হলে ১০ দিরহামের মূল্য দাঁড়ায় ৩,১৫০/- টাকা। আর মহরে ফাতেমীর মূল্য হয় ১,৫৭,৫০০/- টাকা। -শরহু মুখতাসারিত তাহাবী ৪/৩৯৮ মাসিক আল কাউসার

শ^রীর কি শুধুই ছেলেরা চায়? মে^য়েরা চায় না? আমি তো আমার প্রেমিকের শ^রীর চাই। হ্যাঁ সত্যিই চাই। চাইবো না কেন? শ^রীর ছাড়া তো ওকে আমি ভালোবাসিনি। প্রেমের শুরুতে আমি কি অপেক্ষা করিনি কবে সে আমায় বুকে টেনে নেবে? আমার ঠোঁ^টে ঠোঁ^ট রেখে সব ক্লান্তি দূর করে দেবে, দিন শেষে লাজুকভাবে আমায় বলবে আবার কবে সুযোগ হবে? আমি কি কথায় কথায় তার শ^রীরে ঢলে পড়িনি? আমি কি সুযোগ পেলে তার হাতটি ধরিনি? হ্যাঁ, আমি সত্যিই আমার প্রেমিকের শ^রীর ও চাই! মন ছোঁয়ার সাথে সাথে আমি শ^রীর ও ছুঁতে চাই। যতই থাক না কেন তার শ^রীরে ক্ষত! শুধু আমার প্রিয় মানুষটার শ^রীর পেলেই হলো। কে বললো কা*মুক শুধু প্রেমিক হয়? প্রেমিকারাও তো কা*মুক হয়!

কোন দেশে কত IELTS স্কোর লাগে? এটা একটা ভুল কথা। বিশ্ববিদ্যালয় ও সাবজেক্টের উপর কত স্কোর লাগবে নির্ভর করে। যেমন, ইউরোপের একই দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কোর দেখুন: University of Oslo, Norway 6.0 Télécom Paris, France 5.5 Wageningen University and Research, Netherlands 6.0 Autonomous University of Barcelona, Spain 6.0 Ghent University, Belgium 6.0 University of Vienna, Austria 6.0 Vienna University of Technology, Austria 5.5 University of Manchester, UK 6.0 University of Bristol, UK 6.0 University of Glasgow, UK 6.0 University of Sheffield, UK 6.0 University of Birmingham, UK 6.0 Lancaster University, UK 6.0 University of Leeds, UK 6.0 University of Aberdeen, UK 6.0 University of Leicester, UK 6.0 University of Sussex, UK 6.0 University of Liverpool, UK 6.0 University of Bristol, UK 6.0 University of Glasgow UK 6.0 Queen Mary University of London UK 6.0 Budapest Metropolitan University, Greece 6.0 University of Dundee, Scotland 6.0 KU Leuven, Belgium 6.0 Utrecht University, Netherlands 6.0 Antwerp Management School, Belgium 6.0 University of Vaasa, Finland 6.0 University of Bergen, Norway 6.0 Budapest Metropolitan University, Greece 6.0 University of Southern Denmark, Denmark 6.5 আবার আমেরিকার দিকে তাকালে দেখা যাবে যে: California State University USA 5.5 North Dakota State University USA 5.5 Old Dominion University USA 5.5 Southern Arkansas University USA 5.5 University of Alabama in Huntsville USA 5.5 University of Mississippi USA 5.5 University of New Haven USA 5.5 University of Missouri USA 5.5 University of South Alabama USA 5.5 State University of New York USA 5.5 Ohio University USA 5.5 North Dakota State University USA 5.5 The University of Texas-Pan American USA 5.5 Central Michigan University USA 5.5 University of Louisiana USA 5.5 Southern New Hampshire University USA 5.5 New Mexico State University USA 5.5 Kent State University USA 6.0 Murray State University USA 6.0 Washington State University USA 6.0 Oklahoma City University USA 6.0 University of Florida USA 6.0 Texas A & M University USA 6.0 অন্যদিকে কানাডা বলছে এমন: St. Clair College of Applied Arts and Technology Canada 6.0 Charles Sturt University Canada 6.0 Sault College Canada 6.0 Concordia University Canada 6.0 University of Alberta Canada 6.5 Brock University Canada 6.5 Canadore College Canada 6.0 Royal Roads University Canada 6.0 Algonquin College Canada 6.0 Lethbridge college Canada 6.0 Camosun College Canada 6.0 পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া যেতে পারেন! © Banglay IELTS

ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং সেক্টরে আসার আগে মাথায় রাখুন: ১. তাড়াহুড়া করে কাজ শিখে আয় করা যায় না। সিরিয়াসভাবে মাথায় রাখবেন। ২. প্রথমত একটা সাবজেক্ট পছন্দ করতে হবে যা আপনার সাথে ঠিকঠাক কাজ করবে। সাবজেক্ট পছন্দ করতে ২/৩ জন ব্যক্তি যারা এই সেক্টরে কাজ করে তাদের সাথে সরাসরি বসে কাউন্সিলিং করে নিন। বুঝার চেষ্টা করুন আপনার সাথে কোনটা পারফেক্ট হয়। বেশি আয় করা যায়, সহজে শেখা যায় এমন চিন্তা করে সাবজেক্ট পছন্দ করলে ধরা খাবেন নিশ্চিত। ৩. নির্বাচিত সাবজেক্টের উপর এ্যাডভান্স লেভেলের দক্ষতা উন্নয়ন করতে হবে। ৪. দক্ষতা উন্নয়ন করতে হলে শুয়ে বসে হবে না, কঠোর পরিশ্রম করার মানসিকতা রাখতে হবে। ৫. সুন্দরমত একটা প্লান করে প্রতিদিন অন্তত ৩/৪ ঘন্টা এই বিষয়ে কাজ শেখার জন্য সময় দিতে পারবেন বা প্রাক্টিস করতে পারবেন তা সিরিয়াসভাবে বিবেচনা করতে হবে এবং এইভাবে অন্তত ২ বছর শুধু শেখার জন্যই বরাদ্ধ রাখবেন। যদি কেউ বা কোন প্রতিষ্ঠান বলে ৩/৪/৫ মাসে কোর্স করেই আপনি আয় করতে পারবেন বুঝে নিবেন সে/তারা প্রতারক। ঐ সময়ে আপনার বেসিকটা পরিস্কার হবে মাত্র। ৬. একটা ভালো প্রতিষ্ঠান যারা বাস্তবভিত্তিক এই সকল বিষয়ে কাজ করেন সেখান থেকে শিখতে হবে। শুধু ট্রেনিং করায় যারা তাদের থেকে শিখে কিছুই করতে পারবেন না। ৭. একজন দক্ষ ও প্রফেশনাল মেন্টরের তত্ত্বাবধানে কাজ শিখতে হবে। ©Aminur Islam

সুখী থাকার সহজ উপায় নিজের অজান্তে কিংবা চারপাশের চাপে, অন্যের আয়নায় নিজেকে আমরা কম বেশি সবাই দেখতে চাই আর সেটাকেই সুখী হবার উপায় ভাবি। আর এর ফলে যে বড় বড় ক্ষতি হয়ে যায় সেটা অনুভবও করি না। কিভাবে? তা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। আমি সুডেনের নর্থে থাকি। বছর পাঁচেক আগের ঘটনা । আমার শহরে তখন বেশ পশ আর রকমারি খাবারের একটা রেস্টুরেন্ট হয়েছে। যাবো যাবো করে যাওয়া হয়ে উঠছিল না। তো একদিন সন্ধ্যায় জাস্ট ঘুরতে বের হয়েছি। সাথে এক বন্ধু । যেহেতু শুধুই শর্ট ড্রাইভিং এর প্ল্যান ছিল তাই ট্রাউজার আর টিশার্ট পড়েই বিন্দাস ঘুরছিলাম। তো পাশে থাকা বন্ধু বলল, চল যাই ঐ রেস্টুরেন্টে খেয়ে আসি। আমি প্রথমেই হুর-হুর করে রাজি হলেও নিজের পোশাক এর দিকে তাকিয়ে চুপসে গেলাম। মনে মনে ভাবলাম, ওখানে নিশ্চই পরিচিত কেউ মিলে যাবে, তারপর তাদের সামনে পোশাকি ইমেজের বারটা বাজবে, এসব ভেবে খাওয়া বাদ দিয়ে বাসায় চলে এলাম। বাসায় এসে মন খারাপ হয়ে গেল। কেন মন খারাপ হল, এ নিয়ে ভাবতে ভাবতে হুট করেই মাথায় এলো, আজকে আমার তিনটা ক্ষতি হল। এক, খাওয়া হল না ,দুই ঐ বন্ধুরও খাওয়ার বারটা বাজালাম আর তিন, সব চেয়ে বড় ক্ষতি হল, মন খারাপ করে বাসায় ফিরলাম। অর্থাৎ অনেকেই তো সেজে-গুজে রেস্টুরেন্টে যায়, তাই আমারও যাওয়া উচিৎ। আমি ট্রাউজার টিশার্ট পরে গেলে মানাবে না, লোকে কি ভাববে ! এই সব ভেবেই নিজের হ্যাপিনেসের রফাদফা করলাম। অথচ অন্যের মত পশ পোশাক পরেই যেতে হবে, এসব না ভাবলে আজ চমৎকার একটা ডিনার হত, বন্ধু আমি আড্ডা মারতে মারতে সময় পার করতাম আর বাসায় ফিরে সেই সব ভেবে স্বস্তি তে ঘুমাতাম। এই চিন্তা আমাকে শেখালো, অন্যের আয়নায় নিজেকে দেখা যাবে না। তার জীবন, তার সময়, তার পরিস্থিতি, আমার সাথে মিলবে না। তাই তার হ্যাপিনেস এর সূত্র আমার জন্য প্রযোজ্য না। শুধু অন্যের জীবনের মত আমার জীবন বানাতে হবে এই চিন্তাই আমাদের অসুখী করে ফেলে। আচ্ছা কখনো ভেবেছেন, আপনার বান্ধবীর হার্ট বিট যাকে দেখে বেড়ে যায় তাকে দেখে তো আপনি প্রেমে পড়বেন না, কিংবা আপনার ঝাল পছন্দ কিন্তু বন্ধু মিষ্টি পছন্দ করে, তাহলে আপনি নিশ্চয়ই মিষ্টি খেয়ে সুখী হবেন না। অমুকের এটা আছে আমার নাই কেন, এই ভাবনা আপনাকে অসুখী করবে। তার চেয়ে এটা ভাবুন, অমুকের যা আছে ওটা আমার হলেই আমি কেন সুখী হব ? বরং আমার যা আছে সেটাই আমার প্রয়োজন আর আমি তাই নিয়েই সুখী । অমুকের একটা ওয়াশিং মেশিন আছে, আমার নাই কেন, না ভেবে, এটা ভাবতে পারেন, আমি যখন হাত দিয়ে কাপড় ধুই তখন আমি আমার জামাগুলোর সাথে জরিয়ে থাকা স্মৃতিগুলো ভাবি, পানিতে বুদবুদ দেখে ছোট বেলার কথা মনে করি, কিংবা আমি নিজেই ফেনার বেলুন বানিয়ে খিলখিল করে হাসি, এগুলো সুখ, এগুলো সুন্দর। নিজেকে নিয়ে আপনি যদি সন্তুষ্ট না হন, পৃথিবীর সমস্ত কিছু আপনার থাকলেও আপনি সুখী হবেন না। তাই অন্যের আয়নায় নিজেকে না দেখে বরং নিজের আয়নাটাই পরিষ্কার রাখুন, নিজেকে দেখুন, সুখগুলোর যত্ন করুন আপনি সুখী থাকবেন।

✴️ ৬৩তম সি ক্যাটাগরী ফার্মাসিস্ট ব্যাচে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ — ভর্তির সার্কুলার এখনো দেয় নি। দিলে এই গ্রুপে সবার আগে জানতে পারবেন । আপাতত এই কাগজপত্র সত্যায়িত করে স্ক্যান করে মোবাইলে সংরক্ষণ করে রাখুন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ 👇👇👇 ১. ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ল্যাবপ্রিন্ট ছবি [৩০০*৩০০ পিক্সেল করে Jpg বা png ফরমেটে ] ২.এসএসসি সনদের সত্যায়িত ফটোকপি [ স্ক্যান করে PDF এ কনফার্ট করতে হবে। সাইজ 1 mb এর নিচে রাখতে হবে ] ৩. ড্রাগ লাইসেন্সের সত্যায়িত ফটোকপি [ স্ক্যান করে PDF এ কনফার্ট করতে হবে। সাইজ 1 mb এর নিচে রাখতে হবে ] ৪.Nid / Birthday day certificate এর সত্যয়িত ফটোকপি [ স্ক্যান করে PDF এ কনফার্ট করতে হবে। সাইজ 1 mb এর নিচে রাখতে হবে ] ৫. মালিক কর্তৃক প্রত্যয়ন পত্র ( ড্রাগ লাইসেন্স নিজের হলে দরকার নেই এটি) - সত্যায়িত না করলেও চলবে। [স্ক্যান করে PDF এ কনফার্ট করতে হবে। সাইজ 1 mb এর নিচে রাখতে হবে ] ৬. সরকারি ভর্তি ফি ৪০০০ টাকা। ৬৩ তম ব্যাচে ভর্তি ফি বাড়তে পারে। এই টাকা নিজ বিকাশ, রকেট, নগদ নাম্বারে রাখবেন। Note: সবগুলো ডকুমেন্টস স্পষ্ট হতে হবে। প্রত্যয়ন পত্র এবং ছবি ছাড়া বাকী ডকুমেন্টস ১ম শ্রেনীর গেজেটেড অফিসার ( সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার / সরকারি কলেজের প্রভাষক / ভেটেনারি সার্জন etc) দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে। ✳ পোস্টে সকল ডকুমেন্টসের ডেমো রয়েছে। কাজ শেষ. এই ৬ টি জিনিস সঠিকমত সংরক্ষণ করলে রাখলেই, আপনি কোন ঝামেলা ছাড়া নিজেই যেকোন কম্পিউটার দোকান থেকে অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে পরবর্তী ৬৩ তম ব্যাচে অনায়াসে ভর্তি হতে পারবেন। অনলাইন আবেদনের লিংক[ যখন সার্কুলার দিবে তখন ওয়েবসাইটে দেখতে পারবেন - সি-ক্যাটাগরী রেজিষ্ট্রেশন সনদ ভর্তির আবেদন] 👉 https://pcbapps.com.bd/application/panel জানার থাকলে ইনবক্সে নক দিয়েন

- ক্লাইটোরিয়াল অর্গাজম - নারীর ক্লাইটোরিসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে স্নায়ু তন্ত্র।ক্লাইটোরিস সঠিকভাবে ফোরপ্লে বা উত্তেজনার মাধ্যমে নারীকে অল্প সময়ে, দ্রুত তৃপ্ত করা অর্থাৎ অর্গাজম করানো সহজ হয়। অনেক পুরুষ না জানার কারনে ক্লাইটোরিয়াল অর্গাজম করতে ব্যর্থ হয়।এভাবে দিনের পর দিন চলতে থাকলে নারী জন্য কষ্টকর হয়,মেজাজ খিটখিটে হওয়া,মুড সুইং করা বা বিকল্প উপায় অবলম্বন করার সম্ভবনা বেড়ে যায়। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। নারীর শরীরে যতোগুলো টিস্যু আছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি টিস্যুুর স্নায়ু গুলো মিলিত হয়েছে এই ক্লাইটোরিসে!! সেজন্য নারীর ক্লাইটোরিস বেশি স্পর্শকাতর! একশত নারীর মধ্যে সত্তরজন নারীর অর্গাজম ক্লাইটোরিসে উত্তেজনার মাধ্যমে সম্ভব। ক্লাইটোরিসের পরেই যোনিপথের গুরুত্ব। এর সম্পূর্ণ দেওয়াল সংবেদনশীল হলেও জি স্পট বেশি স্পর্শকাতর। বাকি ত্রিশভাগ অর্গাজম নারীর যোনিপথে উত্তেজনার মাধ্যমে হয়ে থাকে, যদিও এটা কঠিন ধাপ।বেশির ভাগ নারীর আশা এবং পুরুষের ইচ্ছা থাকে যেন সম্পূর্ণ অর্গাজমটা যেন যোনিপথের মাধ্যমে হয়। ক্লাইটোরিস ছাড়া এককভাবে যোনিপথের অর্গাজম কঠিন আর যাদের দ্রুত বীর্যপাত হয় তাদের জন্য এটা তো স্বপ্নের মতো! মিনিমাম এখানে ১০ থেকে ২০ মিনিট সময় প্রয়োজন লিঙ্গ সঞ্চালন করে! অর্গাজমের মুহূর্তে নারীর মূত্রনালীর স্ফিংটার শক্ত হয়ে বন্ধ হয়ে যায় ফলে প্রসাবের বেগ মিলনের সময় অনুভূত হলে বের হয়না তবে সেটা অন্যভাবে সম্ভব হয় যেটাকে আমরা ফিমেল ইজাকুলেশন বা নারীর বীর্যপাত Squirting বলি। সেটা আমারা পরবর্তীতে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো। #20minutemedical

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

IELTS-এর নতুন পদ্ধতি IELTS Retake. উচ্চশিক্ষার জন্য IELTS এর গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা সবাই নিজের স্বপ্নের দেশ বা বিশ্ববিদ্যালয় জন্য IELTS-এ ভালো স্কোর পাবার জন্য প্রিপারেশন নিয়ে টেস্টে বসি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় ভালো প্রিপারেশন নিয়ে টেস্ট দেয়ার পরও আমরা টার্গেট করা স্কোর পাই না। IELTS -এর মোট ৪ টি স্কিলের ( Speaking, Listening, Writting, Reading ) মধ্যে ১ বা ২ টি স্কিলে খারাপ স্কোর চলে আসে, যার ফলে স্বপ্নের দেশ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লাই করতে পারি না। এক্ষেত্রে অনেকেই ২য় বার IELTS টেস্টে বসার কথা ভাবে। ২য় বার IELTS টেস্টে বসা মানে আবার শুরু থেকে ৪ টা স্কিল টেস্ট দেয়া। মানে হলো একটি স্কিলে স্কোর ভালো করার জন্য ৪ টি স্কিল টেস্ট আবার দিতে হবে। ধরুন আপনি ১ম বার IELTS দিয়ে - Speaking 6.5 Listening 7 Writting 6.5 Reading 5 অর্থাৎ Reading ভালো স্কোর পাবার জন্য আবার এই ৪ টি স্কিল টেস্ট দিয়েছেন এবং ২য় বার IELTS দিয়ে- Speaking 7 Listening 5 Writting 6 Reading 6.5 এখন আপনি ১ম বার Reading 5 পাওয়ার সেটা ভালো করার জন্য ২য় বার টেস্টে বসলেন এবং আপনি Reading ভালো স্কোরও পেলেন কিন্তু এই ১ টি স্কিল ভালো করতে গিয়ে আপনি Listening এবং Writting আগের বারের তুলনায় খারাপ করেছেন।এখন উপায়? এই সমস্যার জন্য IELTS কর্তৃপক্ষ IELTS Retake নিয়ে এসেছে। প্রশ্ন: IELTS Retake কী? উত্তর: আপনি ১ম বার IELTS দিয়ে একটা স্কিলে খারাপ করেছেন, সেই স্কিলে ভালো স্কোর পাবার জন্য ২য় বার যখন টেস্টে বসবেন আপনাকে ৪ টি স্কিল ( Speaking, Listening, Writting, Reading) আবার নতুন করে দিতে হচ্ছে, কিন্তু IELTS Retake মাধ্যমে আপনি শুধু যে স্কিলে খারাপ করেছেন শুধু সেই স্কিলে টেস্ট দিবেন, নতুন করে আপনাকে আবার ৪ টি স্কিল টেস্ট দিতে হবে না। প্রশ্ন: আপনি সর্বোচ্চ কয়টি স্কিল Retake দিতে পারবেন? উত্তর: ১ টি। প্রশ্ন: ১ম বার IELTS দেয়ার ঠিক কতদিনের মধ্যে আপনি Retake দিতে পারবেন? উত্তর: ১ম IELTS এর রেজাল্ট দেয়ার দিন হতে পরবর্তী ৬০ দিন বা ২ মাসের মধ্যে। প্রশ্ন: ৬০ দিন বা ২ মাস পরে Retake দেয়া যাবে? উত্তর: না। ৬০ দিন বা ২ মাস পরে দিতে চাইলে আপনাকে আবার নতুন করে, একদম ১ম বারের মতো ৪ টি স্কিল টেস্ট দিতে হবে। প্রশ্ন: IELTS Retake কতবার দিতে পারবো? উত্তর: ১ বার। প্রশ্ন: Retake ফি কত? উত্তর: এখনও অথরিটি উল্লেখ করে নি। তবে IELTS সেন্টারে কথা বলে জানতে হবে। প্রশ্ন: পুরো ফি দিতে হবে? অর্থাৎ ১ম বার যতো ফি দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করেছিলাম? উত্তর: না। উপরিউক্ত তথ্যগুলো আমি যে ওয়েবসাইট থেকে পেয়েছি- https://www.ielts.org/for-test-takers/ielts-one-skill-retake তবে IELTS Retake পদ্ধতিটি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়াতে এভাইলিয়েবল আছে। খুব শীঘ্রই ২০২৩ মধ্যে গ্লোবাললি শুরু করা হবে। ধন্যবাদ ©️ National University Research and Higher Study Association

অনলাইনে কিছু ম্যানার্স যা না জানলে আপনাকে মানুষ ছেছড়া বলবে: ১) কারো বন্ধুর লিস্ট হতে আন্তাজি ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাবেন না । এইটা মারাত্নক লেভেলের ছেসরামি। ২) অপরিচিত কাওকে আজগুবি মেসেজ করবেন না। সিম্পলি আসসালামুয়ালাইকুম এই বিষয়ে কথা বলতে চাই দিলেই হয়। ৩) অপরিচিত কারো আইডিতে রিয়েক্ট মাইরেন না। ৪) কারো কাছে লাইক কমেন্ট চাইবেন না। ৫) অতি আবেগি হয়ে কারো সাথে মজা করবেন না। অনলাইনে সবার মুড বুঝা যায়না। ৬)অবশ্যই কিছু মানুষের কাছে আপনার স্ট্যাটাস ম্যাটার করে স্যাডলি। তাদের ইগ্নোর করেন। ৭) ফেসবুকের পাব্লিক গ্রুপ এভয়েড করুন। এগুলার জন্য ডক্সিং হতে পারেন। ৮) সবাইকে পজেটিভ কমেন্ট করেন ফিরতি পজেটিভ কমেন্ট পাবেন। ৯) আঞ্চলিকতা পরিহার করেন। শুদ্ধ ভাষায় সহী বানানে লেখেন। ১০) ফেসবুক পেজে গালাগালী কমেন্ট করলে লিস্টের মানুষ সেটা দেখতে পাবে বা আপ্নার নাম লিখে সার্চ দিলেই পাওয়া যাবে৷ তাই এসব করবেন না। নিজেকে কন্ট্রোল করুন। ফেসবুকে ক্কম সময় দেন। কাজে মনোযোগ দিন।

গলা পর্যন্ত খাবার আর নয়। . উমার ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন, ‘তোমরা পেট ভরে খাবে না। কেননা এটি স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে, রোগ ডেকে আনে এবং নামাজে অলসতা সৃষ্টি করে।’ . বিশিষ্ট সাহাবি আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘উদ (রা.) বলেন, ‘যে আলিম পেট ভরে খেয়ে মোটা হয়েছে, তাকে আল্লাহ পছন্দ করেন না।’ . সত্যি বলতে, আমাদের ‘ইবাদাতে একাগ্রতা ও তৃপ্তি না আসার কারণগুলোর অন্যতম হলো অতিরিক্ত খাওয়া। এটি শরীরকে অলস বানিয়ে ফেলে এবং মনকে স্থবির করে রাখে। . আমরা নিশ্চয়ই জানি : পেটকে তিন ভাগ করে এক খাবার, এক ভাগ পানি আর এক ভাগ খালি রাখাটা সুন্নাহ। তবে খেতে বসলে একেবারে গলা পর্যন্ত খেয়ে নিই। এই সুন্নাতটির উপর আমল খুবই কম হয়। . বর্তমানে হার্টের রোগ, ডায়াবেটিস, হাই প্রেশার থেকে নিয়ে বড় বড় রোগগুলোর নিয়ন্ত্রণে খাবারে সীমাবদ্ধতা অপরিহার্য করে দেন ডাক্তারগণ। বাস্তবতা হলো, মানুষ আজকাল না খেয়ে যে পরিমাণে মারা যাচ্ছে, তার চেয়ে বহুগুণে মারা যাচ্ছে বেশি খেয়ে। . আমাদের মহান আদর্শ নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাথীরা খাবারের ব্যাপারে অত্যন্ত সিরিয়াস ছিলেন। তাঁরা ভুড়িওয়ালা ছিলেন না। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সারাজীবনে পেটভরে খাবার খাননি। মাসের পর মাস চলে যেতো, রাসুলুল্লাহর স্ত্রীদের ঘরে চুলায় আগুন জ্বলত না। একটি-দুটি খেজুর চুষে চুষে সারাদিন কাটিয়ে দিতেন। . উমার (রা.) একটু চড়া মেজাজের ছিলেন। ওই সময় যারা বেশি খেতেন, তাদেরকে তিনি প্রহারও করতেন। আহলে সুফফার সদস্যগণ ক্ষুধার তাড়নায় মাঝে মধ্যে চিৎকার দিয়ে ওঠতেন; বেহুঁশ হয়ে যেতেন। এক গ্লাস দুধ খেয়ে দিন কেটে যেত তাঁদের। আজ আমাদের কাছে এগুলো রুপকথার গল্পের ন্যায় মনে হয়। অথচ এগুলো বাস্তব সত্য। . আল্লাহ আমাদেরকে স্বর্ণযুগের সেই সোনার মানুষদের পদাঙ্ক অনুসরণের তাওফিক দান করুন। আমিন। . #Tasbeeh

photo content

photo content

photo content