uk
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Відкрити в Telegram

🙂🙂🙂

Показати більше
1 995
Підписники
-124 години
+17 днів
+530 день
Архів дописів
দিন দিন যত বড় হইতেসি, ততই বুঝতেসি, আমার বাপ মায়ের স্ট্রিক্টনেস, শাসন আর নিষেধ আমার জন্য কতটা ব্লেসিংস ছিলো। বিশ্বাস করেন, এই যে একটা করে ঘটনা ঘটে, আর আমি মনে মনে বলি, থ্যাংকিউ আব্বু। থ্যাংকিউ আম্মু। ফ্রেন্ডদের সাথে ট্যুরে যাইতে চাইলে আম্মু বলতো, বড় হয়ে যাস। এখন না। কলেজে উঠে সবাই স্বাধীনতা পায়। আমিও পাইসিলাম। তবে সেটা ছিলো লিমিটেড স্বাধীনতা।আড্ডা হোক বা খেলা হোক বা অনুষ্ঠান হোক, সন্ধ্যার মধ্যে বাসায় ফেরার একটা অলিখিত নিয়ম থাকতোই। সেকেন্ড ইয়ারে এসে আটটা পর্যন্ত বাইরে থাকার অনুমতি পাইসিলাম, তবে সেটা সপ্তাহের তিন দিন।কোচিং এর জন্য। স্কুল কলেজে আব্বুর এই শাসন আমারে পুরোপুরি আব্বু বিদ্বেষী করে তুলেছিলো। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, পৃথিবীর সবাইকে ক্ষমা করলেও আমি আমার আব্বুকে কখনও ক্ষমা করবো না। অথচ আজকে আইসা দেখি,চলার পথের আলোটুকুই শুধু আমি চিনতাম, আর আব্বু আম্মু চিনত চোরাবালিগুলো। তাই আমার ছিলো সাহস নামের এক বোকামি। আর আমার মা বাবার ছিলো সাবধানতা নামের একটা প্রটেক্টিভনেস। আব্বু আম্মুর এই প্রটেক্টিভনেসকে আমি ভাবতাম অহেতুক ভয়। আর আমার বোকামিরে আমি ভাবতাম সাহস। উনাদের ভয় দেখে আমি কতই না হাসছি আর বলছি, এরা কি পাগল? এতো ভয় পায় কেন? আজ বড় হয়ে দেখি, পাগল উনারা ছিলেন না। পাগল ছিলাম আমি। আগুনে ঝাপ দিতে যাওয়া একটা ছেলেরে তারা তাদের শাসন দিয়ে বাচাইয়া দিসে। আজ, তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা আর শ্রদ্ধা ছাড়া আর কিছু নাই। যারা যারা এখনও ছোট আছেন, বাবা মা ট্যুরে যাইতে দেয় না, সন্ধ্যার পর বাইরে থাকতে দেয় না, ফোন টিপতে দেয় না বলে পাহাড় পরিমাণ অভিমান আর ক্ষোভের সাগর লুকাইয়া রাখসেন, আপনারা আরেকটু ওয়েট করেন প্লিজ!! আরেকটু বড় হোন। দুনিয়াটা আরেকটু দেখেন। মানুষগুলোরে আরেকটু চেনেন। দেখবেন, মা বাবাদের বলা অনেক কথাই আপনি ধীরে ধীরে বুঝতে শিখে গেছেন। মা বাবারা কখনোই মিথ্যা বলে না, জাস্ট আমাদের ঐ সত্যটা বোঝার জন্য একটু ওয়েট করা লাগে। একটা জিনিস মাথায় রাইখেন, স্ট্রিক্ট মা বাবা হইতেসে মেডিসিনের মতো। খাইতে তিতা, বিরক্তিকর এবং প্যারাদায়ক, বাট দিনশেষে এই প্যারাদায়ক জিনিসটাই আমাদের জীবনকে আশেপাশের হাজারটা প্যারা থেকে মুক্ত রাখে। © সাদিকুর রহমান খান

ঘরে মেহমান এলে করণীয় : বাড়িতে মেহমান এলে সর্বপ্রথম করণীয় হলো, পুরুষ মেহমানকে পুরুষদের রুমে বসতে দিতে হবে, এবং নারী মেহমানকে নারীদের রুমে বসতে দিতে হবে। স্বামী-স্ত্রীর বেডরুমে পুরুষদের বসানো উচিত না। বেডরুমে অনেক সময় কাপড় ঝোলানো থাকে, ব্যক্তিগত জিনিস থাকে। মহিলাদের ব্যবহার্য অনেক কিছুই থাকে বেডরুমে। তাই গাইরে মাহরাম কাউকে বেডরুমে বসানো উচিত না। যে রুমে মেহমান বসবে সেই রুমের দরজায় পর্দা পুরোপুরি টানিয়ে দিতে হবে। যাতে অন্য রুমে দৃষ্টি না পড়ে। এ ক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয় হলো, মেহমানের বসার স্থান দরজা বরাবর না করা। তাহলে বাতাসে পর্দার ওড়ার কারণে অন্য রুমের দৃশ্য চোখে পড়বে না। পাশের রুমে হয়তো ঘরের মহিলারা মেহমানের জন্য নাশতা তৈরি করছেন, তাই রুমের ভেতর তাদের হাঁটাহাঁটির প্রয়োজন পড়ে, মেহমান যদি দরজা বরাবর বসেন, তাহলে মহিলাদের পর্দার ব্যাঘাত ঘটবে স্বাভাবিকভাবেই। মেহমান এলে ঘরের মা-বোনদের অন্যতম একটি করণীয় হলো, নিম্নস্বরে কথা বলা। মেহমান থাকা অবস্থায় ঘরে কোনো উচ্চবাক্য না করা। বাচ্চাদেরকে জোরে ধমক না দেয়া। এটা মেহমানের চোখে অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। এতে তার মনে এই ঘরের মহিলাদের ব্যাপারে নিচু ধারণা চলে আসে। এ ক্ষেত্রে আরও একটি আদাবের ব্যাপার হলো, হাড়ি-পাতিল বা কাপ-পিরিচে টুংটাং শব্দ না করা। খুব সাবধানে খাবার-দাবার তৈরি করা। অনেক ঘরেই পাতিলের তলা আঁচড়ে সেমাই তোলার শব্দ পাওয়া যায়। এতে মেহমান মনে করতে পারেন যে, তার জন্য সব সেমাই দিয়ে তারা মনে হয় পাতিলের তলার অংশটুকু খাচ্ছেন। এতে তিনি লজ্জা পেতে পারেন। মেহমানের খাবার তৈরি হলে ঘরের পুরুষই গিয়ে খাবার নিয়ে আসবেন। অথবা ছোট সন্তান দিয়েও পাঠানো যেতে পারে। তবে কোনোক্রমেই সাবালিকা মেয়ে অথবা এর কাছাকাছির বয়সের মেয়েকে দিয়ে নাশতা পাঠানো যাবে না। ঘরে যদি নাশতা আনার মতো অন্য কেউ না থাকে, তাহলে নাশতা তৈরি হওয়ার পর ঘরের মহিলারা দরজায় শব্দ করে ইশারা দিবেন, যাতে পুরুষ গিয়ে নাশতা আনতে পারেন। অনেক রুমে দরজা থাকে না, শুধু পর্দা থাকে, তাই দরজায় শব্দ করাও সম্ভব হয় না, তখন মহিলারা পাশের রুম থেকে হালকা আওয়াজে কাশি দিয়ে ইশারা করতে পারেন। ~ প্রকাশিতব্য 'পর্দা' বিষয়ক বই থেকে...

𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐋𝐚𝐧𝐠𝐮𝐚𝐠𝐞 কি?🤔 👉 আমাদের মুখের যেমন ভাষা আছে তেমনি শরীরেরও ভাষা আছে। এটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা যখন কোথাও যাই বা অনেক মানুষ বা সমাবেশে যাই তখন কিন্তু আগেই আমরা কথা বলিনা। আমরা যখন প্রথম কারো সামনে যাই তখন সবার আগে মানুষের চোখে আসে আমাদের শরীরের ভাষা যাকে বলে 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐋𝐚𝐧𝐠𝐮𝐚𝐠𝐞। আমাদের ব্যক্তিত্ব বিচারের প্রথম দিকটিই কিন্তু হচ্ছে বাহ্যিক বিষয় সমূহ। আপনি কিভাবে কথা বলেন এটি কেউ কেবল তখনই বুঝতে পারবে যখন কেউ আপনার সাথে মিশবে। কিন্তু আপনার 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐥𝐚𝐧𝐠𝐮𝐚𝐠𝐞 যদি ভালো না হয় তাহলে প্রথমেই আপনার ব্যপারে একটি 𝐍𝐞𝐠𝐚𝐭𝐢𝐯𝐞 𝐓𝐡𝐨𝐮𝐠𝐡𝐭 মানুষের মাথায় চলে আসবে। এজন্য আমাদের নিজেদের 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐥𝐚𝐧𝐠𝐮𝐚𝐠𝐞 ঠিক রাখতে হবে যা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। 🔵 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐋𝐚𝐧𝐠𝐮𝐚𝐠𝐞-এর কিছু মূল দিক রয়েছে। যেমনঃ ◾𝐅𝐚𝐜𝐢𝐚𝐥 𝐄𝐱𝐩𝐫𝐞𝐬𝐬𝐢𝐨𝐧: আমরা আসলে কেমন অনুভব করছি বা আমাদের মনে কি চলছে এটির অনেকখানি প্রকাশ পায় 𝐅𝐚𝐜𝐢𝐚𝐥 𝐄𝐱𝐩𝐫𝐞𝐬𝐬𝐢𝐨𝐧 বা মুখের বিভিন্ন অঙ্গ-ভঙ্গির মাধ্যমে। আমাদের ভালো লাগা, মন্দ লাগা, ভয়, আবেগ, অনুভূতি এসব কিছুর প্রভাবের একটা ছাপ কিন্তু মুখের 𝐄𝐱𝐩𝐫𝐞𝐬𝐬𝐢𝐨𝐧 এর মাধ্যমে প্রকাশ পায়। কোনো পরিবেশ বা কারো কথা আমাদের ভালো লাগছে না খারাপ লাগছে বা কারও সাথে আমি মিশতে চাচ্ছি কিনা এসকল কিছুই কিন্তু 𝐅𝐚𝐜𝐢𝐚𝐥 𝐄𝐱𝐩𝐫𝐞𝐬𝐬𝐢𝐨𝐧 এর মাধ্যমে প্রকাশ পায় যা সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ◾𝐄𝐲𝐞 𝐂𝐨𝐧𝐭𝐚𝐜𝐭: আমাদের চোখের যোগাযোগকে প্রায়ই আগ্রহ, মনোযোগ বা বিশ্বাসের চিহ্ন হিসাবে দেখা হয়। কারণ, এটি অনেকাংশে সত্য যে আমাদের চোখ মিথ্যা বলে না। আমরা যদি কোনো মিথ্যা বলি, খারাপ কাজ করি বা ভুল কিছু করে থাকি আমরা কিন্তু সহজে চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারবোনা। আবার আমরা নিজেরা যদি ঠিক থাকি, সঠিক কাজ করি তাহলে আমরা চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারবো। আমরা যদি নম্রতার সাথে চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারি তাহলে এটির মাধ্যমে একটি সফল আত্মবিশ্বাসী সত্ত্বা প্রকাশ পাবে। ◾𝐏𝐨𝐬𝐭𝐮𝐫𝐞: আমাদের বিভিন্ন ভঙ্গি আমাদের অনেক দিক বা নিজেদের আত্মবিশ্বাসও প্রকাশ করে থাকে। আমরা কোনো কাজে মন দিচ্ছি কিনা, আমরা কারো কথায় গুরুত্ব দিচ্ছি কিনা এসব আমাদের 𝐏𝐨𝐬𝐭𝐮𝐫𝐞 এর মাধ্যমে প্রকাশ পায়। ◾𝐆𝐞𝐬𝐭𝐮𝐫𝐞𝐬: কথা বলার সময় আমাদের হাতের বিভিন্ন নড়া-চড়া আত্মবিশ্বাস এর সাথে কথা বলার একটি লক্ষণ। কিন্তু সেটি অবশ্যই হতে হবে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায়। আমরা এই হাতের নড়া-চড়া খুব বেশি করবো না বা খুব বেশি দ্রূত এদিক ওদিক করবো না। সাধারণ ভাবে যতটুকু দরকার সেটুকুই করবো। এতে আমাদের ভদ্রতার পাশাপাশি একটি ভালো 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐋𝐚𝐧𝐠𝐮𝐚𝐠𝐞 প্রকাশ পাবে। ©LifeSpring

photo content

photo content

'হাতাহাতি' এর বৈধতা বর্তমানে ছেলে-মেয়েদের ফ্রেন্ড কালচারটা এমন, একজন ছেলে একজন মেয়ের সাথে হাত ধরাধরি করে হাঁটছে, একজনের অপরজনের কান মলে দিচ্ছে কিংবা মাথায় চিমটি কেটে দিচ্ছে । কখনও বা, 'দোস্ত’ বলে পিঠে থাবা দিচ্ছে। মোট কথা ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে 'জাস্ট ফ্রেন্ড' নামে 'হাতাহাতি' প্রথা চলছে। . আজ ক্লাসমেট সম্পর্কের উসিলা করে ছেলে মেয়েরা একে অপরের গায়ে হাত দিচ্ছে, টাচ করছে, এর নাম দিচ্ছে প্রগতি-শীলতা। আর এসবের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে আপনি হবেন রুচি-হীন, সে-কে-লে, ঋণা-ত্মক-মনা। . আবার মেয়ে তার ছেলে বন্ধুকে দিয়ে নিজের ফটো তুলাবার সময় কখনও ওড়না এভাবে নেয় তো কখনও ওভাবে নেয়, কখনও বা নেয়ই না। কখনও বা শুয়ে, কখনও বসে গড়াগড়ি দিয়ে কত রকম পোজ দিচ্ছে ! মানলাম ইসলামিক না, তাই বলে ফিতরাতগতভাবে একটুও বিবেক কাজ করেনা। আর অন্যদিকে ছেলে ফ্রেন্ডটাও লেন্স হাতে ফোকাসের নামে কি ফোকাস বা জুম করছে আমরা আন্দাজ করতে পারি। অনেকে আমার কথায় রাগ করবে। অনেকে এমনও বলেছে, "ভাইয়া, হাত ধরা কি খারাপ কাজ? আমরা তো 'জাস্ট ফ্রেন্ড' হিসেবেই হাত ধরি!" . এই 'জাস্ট ফ্রেন্ড' কালচার শুরুর উদ্দেশ্যই তো একটা - হাতাহাতির 'বৈধতা'। অর্থাৎ একটা মেয়ের গায়ে ইচ্ছা হলেই আপনি হাত দিতে পারবেন না, তার প্রেমিক হলে পারবেন, শুধু হাত দিতেই না আরো অনেক কিছুই করতে পারবেন। কিন্তু তাও তো মাত্র একজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু জাস্ট ফ্রেন্ড হলে সুবিধেটা দেখেন, আপনি কিন্তু আপনার ক্লাসের প্রায় সব মেয়ের গায়ে যখন তখন বিভিন্ন অযুহাতে হাত দিতে পারবেন। বয়ফ্রেন্ড হবার থেকে তাই জাস্ট ফ্রেন্ড হওয়া বেশি লাভের এক দিক দিয়ে। হাতাহাতি সুনির্দিষ্ট একজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকল না। সবার সাথেই হলো। . ধরুন ক্লাসের একটি মেয়ের গায়ে আপনি হাত দিতে চাচ্ছেন, মেয়েটা দেখতে অনেক সুন্দরী, নিজের করে পেতে ইচ্ছে করছেন, স্বপ্নে কু-বাসনা আঁকছেন কিন্তু তার সাথে আপনি প্রেম করতে পারছেন না। এখন একটাই উপায় - টু বি এ 'জাস্ট ফ্রেন্ড'. জাস্টফ্রেন্ড হবার উছিলায় তার সাথে হ্যান্ডশেক করলেন। ব্যস, হাত ছোয়াছোয়ি হয়ে গেল। তার হাতের ঘড়ি দেখার উছিলায় হাত ধরে বলবেন, "তোর ঘড়িটা তো অনেক সুন্দর!" এরপরে মেয়েটির হাত ধরেই দশ মিনিট ধরে সেই ঘড়ি নিয়ে গবেষনা করতে পারবেন। কেউ বাঁধা দিবে না, মেয়েটিও না, মেয়েটিও তো মজা পাচ্ছে। সে বাঁধা দিবে কেন? . কেউ যদি জিজ্ঞেস করে তোমাদের মাঝে কি চলছে? সাথে সাথে অকপট জবাব, 'আমরা জাস্ট ফ্রেন্ড'! আমাদের মধ্যে ওসব নো-ং-রা কোন ফিলিংস কাজ করে না। তাহলে প্রশ্ন উঠে, আচ্ছা ভাই/আপু আপনি কি নপুংসক? ফিলিংস কাজ করে না, মানে কি? ধ-র্মী-য় ইস্যু নাহয় সাময়িকভাবে সাইডে রাখলাম। মনোবিজ্ঞান বা মেডিক্যালীয় থিওরী যেভাবেই যুক্তিতে যান, প্রমাণিত হবে, [০১] আপনি একজন ডা-হা মি-থ্যা-বা-দী না হয় [০২] একজন খাঁটি ন-পুং-সক । যেকোন একটা অপশন আপনাকে বেছে নিতেই হবে। উত্তর [১] হলে এইসব *চ্চামি ছাড়ুন, আপনারও বোন আছে এভাবেই কেউ জাস্ট ফ্রেন্ড উছিলায় হাতাহাতি করবে, বোন না থাকলে ভবিষ্যতে মেয়ে আছে। যি-না কিন্তু অবশ্যই ফিরে আসে কোন না কোন ভাবে। আল্লাহকে ভয় করুন৷ বিবেক প্রয়োগ করুন। আর উত্তর [২] হলে চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হউন। . তোমাদের এই ফ্রেন্ড-শিপ কালচারের প্রতি কেবলই ঘৃণা। ইয়া রব! ক্ষমা করো এবং রক্ষা করো আমাদেরকে এবং আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকেও এই জাস্ট ফ্রেন্ড নামক জা-হে-লি-য়া-তি থেকে। ~ শাহ মুহাম্মদ তন্ময়

আল্লাহ আর রাসূলের (সা.) এই দুটি সুস্পষ্ট আদেশ কয়জন মেনে চলি? ‘আর তোমরা স্বগৃহে অবস্থান করবে এবং জা-হি-লি-য়া-ত যুগের মত নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।’ (সূরা আহযাব : ৩৩) রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, الْمَرْأَةُ عَوْرَةٌ ، وَإِنَّهَا إِذَا خَرَجَتِ اسْتَشْرَفَهَا الشَّيْطَانُ ، وَإِنَّهَا لا تَكُونُ أَقْرَبَ إِلَى اللَّهِ مِنْهَا فِي قَعْرِ بَيْتِهَا ‘নারী গোপন জিনিস, যখন সে ঘর থেকে বের হয় শয়-তান তাকে তাড়া করে। আর সে আল্লাহ তাআ'লার সবচেয়ে নিকটতম তখন হয় যখন সে নিজের ঘরের মাঝে লুকিয়ে থাকে।’

সুফিয়ান ইবন ইউয়াইনাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, "দু'আ ছেড়ে দিও না এবং তোমাকে দু'আ থেকে বিরত রাখার ব্যাপারে শাইত্বনকেও সুযোগ দিও না। খেয়াল করে দেখ, শাইত্বন নিকৃষ্টতম সৃষ্টি, তবুও আল্লাহ তায়ালা তার দু'আ কবুল করেছিলেন।" [শুয়াবুল ইমান লিল বায়হাক্বী, ৫৮৩/২]

প্রাকৃতিক উপায়ে মোটা হতে হলে আপনাকে যা যা করতে হবে:- পরামর্শঃ ১. দ্রুত ওজন বাড়াতে প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে চর্বি যুক্ত মাছ। ২. দ্রুত ওজন বাড়াতে রোজকার ডায়েটে আলু রাখতে ভুলবেন না। আলুতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার এবং ভিটামিন 'সি' থাকে। ৩. রোজ বাদাম খান। ১০০ গ্রাম বাদামে ৫০০ থেকে ৬০০ ক্যালোরি থাকে। এছাড়া ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, ভিটামিন 'ই' এবং ফাইবার থাকে। ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম খুবই উপযোগী। ৪. ওজন বাড়াতে প্রোটিন, ভিটামিন 'ডি', স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলযুক্ত উপাদান হল ডিম। ৫. ওজন বাড়ানোর জন্য রোজ ব্রেকফাস্টে চিজ খান। 6. প্রতিদিন সকালে ফজরের নামাজ পড়ে ঘন্টাখানেক এ্যারোবিক ব্যায়াম করুন (এ্যারোবিক ব্যায়াম করানো হয় এমন ব্যায়ামাগারে ভর্তি হলে ভালো হয়...you tube eo pawa jai) 7.শরীর ফ্যাট করে এমন খাবার গুলো বেশি বেশি করে খান...একজন মানুষের স্বাভাবিক দৈনিক খাদ্য চাহিদা ২৮০০ ক্যালোরি...সেক্ষেত্রে আপনি চাহিদার অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহন করুন...নিয়মিত ব্যায়াম করলে ৪০০০ ক্যালোরি পর্যন্ত খাদ্য চাহিদা সৃষ্টি হতে পারে...এতে আপনার মোটা হতে সহায়তা করবে। 8.খাবারের জন্য মুখে রুচি আনতে এ্যারোষ্টোভিট এম মাল্টিভিটামিন...কক্স মাল্টিভিটামিন...হামদার্দের সিনকরা খেতে পারেন। তবে প্রকৃতিগত ভাবে এই ভিটামিন গ্রহন করতে পারলে বেশি উত্তম...বিভিন্ন ধরনের সবজি/ফল খেতে পারেন। 9.বিকালে আসরের নামাজ পরে অথবা মাগরিবের নামাজের পরে আরেক দফা ঘন্টাখানেক এ্যারোবিক ব্যায়াম করুন...শরীর থেকে অঝরে ঘাম ঝড়তে দিন...ঘামে গোসল করে ফেলুন...এতে শরীর মোটা হবার সময় ক্ষতিকারক ফ্যাটগুলো পুরো ঘামের মাধ্যেমে বের হয়ে আসবে...যা আপনাকে স্থায়ীভাবে মোটাত্ব ধরে রাখতে সহায়তা করবে। 10. দুই বেলা ব্যায়াম করার কারনে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার ঘুমের চাহিদা থাকবে চরমে...এশার নামাজের পর পরই ঘুমাতে যান...কমপক্ষে আট ঘন্টা ঘুমান...ঘুমোতে যাবার আগে ফ্যাটযুক্ত আধালিটার গরম দুধ এক চামচ মধু মিশিয়ে খান...সাথে মাল্টিভিটামিন। ক্যালরি ধরে রাখার উপায়ঃ তাই আপনি যদি ৩ বেলার খাবার খাওয়ার জায়গায় আর ৩ বেলা যুক্ত করেন তবে আপনি অধিক পরিমান ক্যালরি সংগ্রহ করতে পারবেন এবং বাকি ক্যালরি টুকু আপনাকে ফ্যাট হতে সাহয্যে করবে। একবার খাবার খেয়ে ৩০০/৪০০ ক্যালরি গ্রহন করার পর ২.৫/৩ ঘন্টা সময় লাগে হজম হতে তারপর আপনার শরীর আবার নতুন ক্যালরি গ্রহন করার জন্য প্রস্তুত হবে। তাই ৩ ঘন্টা পর পর খাওয়া ভাল আর সব সময় চেষ্টা করবেন ৪০০- এর জাইগায় ৪০০+ ক্যালরি গ্রহন করতে। তাহলে আপনার একটা বাড়তি অংশের ক্যালরি থাকবে শরীর এ যেটা আপনাকে ফ্যাট হতে সাহায্যে করবে। Collected from 20 Minute Medical Shop

ওজন কমানোর জার্নিতে যতদিন থাকবেন নিচের নিয়মগুলো মেনে চলার চেষ্টা করুনঃ 📌সকালের নাস্তাঃ বাদ যাবে না কোন ভাবেই 📌রুটি খান - লাল আটার, বাদ দিন পাউরুটি 📌সবজি খান - আলু বাদে,তৈরি হব্র কম তেলে 📌চা খান - মশলা চা, গ্রীন টি,রঙ চা,বাদ দেবেন দুধ চা 📌দুধ খাবেন - কিন্তু সর ও চিনি ছাড়া 📌বিস্কুট খান- সুগার ফ্রি,বাদ দেবেন ক্রিম ও চকলেট বিস্কুট 📌পানি খান - দৈনিক ২-৩ লিটার, নিতে পারেন হালকা কুসুম 📌তরকারি খান, বাদ দেবেন অতিরিক্ত তেল ও মশলা 📌ডিম খাবেন - সিদ্ধ,বাদ দেবেন ভাজা ডিম 📌ফল খান - টক ফল, মিষ্টি ফল খুব কম 📌সালাদ খান প্রচুর,মেশাবেন না বেশি লবন 📌মাংস খান -কম খাবেন গরু খাসি 📌মাছ খাবেন প্রচুর,ভেজে রাধবেন না মাছ 📌টক দই খাবেন,বাদ দেবেন মিষ্টি দই ধন্যবাদ। Jennifer Binte Huque Diet & Nutrition consultant উল্লেখিত নিয়ম ফলো করার পাশাপাশি প্রয়োজনে একজন পুষ্টিবিদের শরণাপন্ন হয়ে সঠিকভাবে ওজন কমাতে পারবেন আশা করি। আর অনেকেই মনে করে ১মাসেই ওজন চাইলে অনেক কেজি কমানো যাবে এবং আমিও চাই। কিন্তু না বিশেষজ্ঞদের মতে ১মাসে ৩কেজির বেশি ওজন কমানো ঠিকনা। ১মাসে কে কত কেজি ওজন কমালো তার সাথে তুলনা করতে যাবেন না। সবার শরীর সমান নয়। #20minutemedical

photo content

photo content

photo content

পরনারী-পরপুরুষের সম্পর্কটা যতোই ভাই-বোনের মতো হোক না কেনো, তারা ভাই-বোন না। একটা কথা বলি। মেয়েদের বুঝতে এবং মেনে নিতে অসম্ভব
পরনারী-পরপুরুষের সম্পর্কটা যতোই ভাই-বোনের মতো হোক না কেনো, তারা ভাই-বোন না। একটা কথা বলি। মেয়েদের বুঝতে এবং মেনে নিতে অসম্ভব কষ্ট হবে জানি। একজন ছেলে আপনার কাছে যতোই হাম্বল, ইনোসেন্ট, ভাইয়ের মতো, খুব ভালো বন্ধু হোক না কেনো, আপনি তার 'কল্পনা' থেকে নিরাপদ নন! ছেলেদের টেম্পটেশন সম্পর্কে আমার ধারণা ৯০% মেয়ে জানে না। একজন ছেলে হিশেবে বলি, একজন ছেলের কল্পনাশক্তি এতোই প্রবল এবং ডেঞ্জারাস যে, নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে দু'আ শিখিয়েছেন এই কল্পনাশক্তির যিনা নিয়ন্ত্রণের। ~ আরিফুল ইসলাম

photo content

মানুষের চোখে যাকারিয়া আ. ছিলেন কাঠমিস্ত্রী। অথচ আল্লাহর নিকট তিনি প্রেরিত নবী! আপনার মূল্য আপনার পেশা ও সার্টিফিকেটে নয়, আপনার মূল্য হলো আল্লাহর নিকট আপনার কী পরিচয়! হাদিসে এসেছে- এমন কোনো নবী আসেননি যিনি বকরি চাড়াতেন না। সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহি! আপনিও? নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ আমিও। কিছু পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আমিও কুরাইশদের বকরি চড়িয়েছি! [ সহিহ বুখারী: ২২৬২] সুতরাং নিজের অবস্থান, কর্ম-পেশা নিয়ে কখনো সংকোচ বোধ করবেন না। যতক্ষণ আপনার উপার্জন হালাল, ততক্ষণ নিজেকে নিয়ে খুশি থাকুন! : Masud Alimi

photo content

photo content

photo content