fa
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

رفتن به کانال در Telegram

🙂🙂🙂

نمایش بیشتر
1 954
مشترکین
-124 ساعت
-77 روز
-1830 روز
آرشیو پست ها
photo content

সুদূর বরিশাল থেকে এসেছেন। স্তন ক্যান্সার এ আক্রান্ত হন।কিন্তু উনি পুরো স্তন ফেলতে রাজি নন তাই ঢাকায় চলে আসেন। কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই স্তন রেখেই ওনার অপারেশন টি সফল ভাবে সম্পন্ন হয় আলহামদুলিল্লাহ। ব্রেস্ট/ স্তন ক্যান্সার মানে পুরো স্তন ফেলে দেওয়া নয়। বর্তমানে আধুনিক পদ্ধতিতে আমরা স্তনের আকৃতি ঠিক রেখেই( অনকোপ্লাস্টিক ব্রেস্ট সার্জারী) স্তন ক্যান্সার এর সার্জারী করে থাকি। তবে সেহ্মেত্রে ক্যান্সারটি প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়তে হবে। ব্রেস্ট এ চাকা অনুভব করলে এটি ক্যান্সার কিনা না নিশ্চিত করতে বর্তমান পদ্ধতি হলো কোরকাট বায়োপসি প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার নির্ণয় এর জন্য মাসে একবার নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করুন। কোনো চাকা অনুভব করলে দ্রুত একজন জেনারেল সার্জন / ব্রেস্ট সার্জন এর পরামর্শ নিন। সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে যে রোগের যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তার সরনাপন্ন হওয়া একান্ত আবশ্যক। নতুবা অপচিকিৎসার স্বীকার হতে পারেন। সকলের সুচিকিৎসা ও সর্বোচ্চ চিকিৎসা কামনায় ডা. এম এ বি সিদ্দিক কোলোরেক্টাল, ব্রেস্ট,এন্ডোল্যাপারোস্কপিক ও ক্যান্সার সার্জন

photo content

photo content

photo content

👉 নিয়ন্ত্রণে রাখুন মোশন সিকনেস 👈 বাসে ভ্রমণের সময় আমাদের প্রায়ই চোখে পড়ে জানলা দিয়ে মাথা বের করে কেউ বমি করছেন। কিংবা সুপারভাইজারের কাছে পলিথিন চাইছেন। বাস, প্লেন অথবা নৌকায়- ভ্রমণের সময় মাথাঘোরা, বমি ভাব, মাথাব্যথা, অত্যাধিক লালা নিঃসৃত হওয়া, ক্লান্তি এবং সবশেষে বমি হওয়ার ডাক্তারি নাম মোশন সিকনেস। যখন আমরা গতি অনুভব করি কিন্তু চোখে দেখতে পাই না তখনই আক্রান্ত হই মোশন সিকনেসে। মোশন সিকনেস বাচ্চাদের বেশি হলেও যেকারোরই এমনটা হতে পারে। বিশেষ করে নারীদের এ সমস্যা বেশি হয়। মোশন সিকনেস নিয়ন্ত্রণে রাখতে যা করতে হবে- • 👉 খেতে ইচ্ছে করছে না এমন খাবার গাড়িতে ওঠার আগে খাবেন না • 👉 বাইরের দৃশ্য দেখা যায় এমন আসনে বসুন। সামনের সিট হলে বেশি ভালো। • 👉 গাড়ি যেদিকে চলছে তার উল্টো দিকে মুখ করে বসবেন না। • 👉 জার্নিতে বই পড়া, মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। • 👉 সিটের পাশের জানলা খুলে রাখুন। সতেজ বাতাস চোখে-মুখে লাগবে। • 👉 মোশন সিকনেস আছে এমন কারো পাশে না থাকাই ভালো। অন্যের দেখে নিজেরও হতে পারে। • 👉বাসে গন্ধ থাকলে সুপারভাইজারকে এয়ার ফ্রেশনার স্প্রে করতে বলুন। 🍃🍃মোশন সিকনেসের সমস্যায় ব্যাগে রাখুন এসব খাবার- 👉লেবু: তাজা লেবুর গন্ধ নিমেষে গা গোলানো কমিয়ে দিতে পারে। 👉আদা: আদা হজমে সাহায্য করে বমি ভাব কাটিয়ে দেয়। মুখে রাখুন আদা কুচি। 👉আপেল: আপেল অ্যাসিডিটি কমায়। ব্যাগে রাখুন। বমি ভাব লাগলে কামড়ে খেতে থাকুন। 👉জলপাই: জলপাই ব্যাগে রাখতে পারেন। মোশন সিকনেস কমাতে এর তুলনা নেই। 👉বিট লবণ: কমলার কোয়া বিটলবণ মেখে খেলে বমি ভাব কমবে। কমলা না থাকলে শুধু বিটলবণ জিভে লাগান। ©20 Minutes Medical

#ভারতে যাওয়ার পরে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে আপনার করণীয়। আমি নিজে এই সমস্যার শিকার হয়েছি। সমাধান খুব সহজ একটু পরিশ্রম করা লাগে। প্রথম ধাপ: প্রথমেই আপনি ভারতের যেই হোটেলে অবস্থান করছেন আপনার পুরো বিষয়টি খুলে বলবেন তারা একটি লেটার দিবে যেখানে আপনার পাসপোর্ট এর নাম্বার আপনি যে এই হোটেলে আছেন তার প্রমাণ পত্র সহ আপনাকে একটি লেটার হাতে দিবে। দ্বিতীয় ধাপ : আপনি ভারতের আছেন সেই এরিয়ার সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে একটি সাধারণ জিডি করতে হবে। অবশ্যই আপনার পাসপোর্টের এবং আপনার ভিসার একটি করে কপি সেখানে লাগবে। তৃতীয় ধাপ : জিডি করার পরে সেখানকার পুলিশ কর্মকর্তারা আপনাকে জানিয়ে দিবে পরবর্তীতে আপনার লোকেশন হচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস। বাংলাদেশ দূতাবাসে যাওয়ার সময় আপনার একটি পাসপোর্ট কপি একটি ভিসার কপি এবং আপনার দুই কপি ছবি এবং সাথে ইন্ডিয়ান রুপিতে দুই হাজার রুপি বা এর কিছু বেশি রুপি আপনার লাগবে। সেখানে তারা আপনার আবেদনটি গ্রহণ করবে এবং আপনাকে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করার জন্য বলবে। এ সময়কালে আপনার পাসপোর্ট যে হারিয়েছে এই বিষয়টি তারা বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন এবং পাসপোর্ট অফিসে কন্টাক করে জানিয়ে দিবে। অতঃপর আপনার হাতে একটি লেটার ধরিয়ে দিবে। লেটারটিতে আপনার যাবতীয় পরিচয় পত্র কলকাতার এবং ইন্ডিয়ার সমস্ত কিছু উল্লেখ থাকবে এবং এই লেটারটি নিয়ে আপনার একটি কম্পিউটারের দোকানে যেতে হবে। তৃতীয় ধাপ : লেটারটি নিয়ে কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে আপনাকে এফ আর ও অফিসের উদ্দেশ্যে একটি অনলাইন আবেদন করতে হবে। এ আবেদনে আপনাকে উল্লেখ করতে হবে আপনি কেন পাসপোর্ট রিনিউ না করে আপনি ইমারজেন্সি বাংলাদেশে যেতে যাচ্ছেন এবং কতদিনের ভিতরে যেতে যাচ্ছেন। চতুর্থ ধাপ : অনলাইন আবেদন পেপারটি সংগ্রহ করে আপনাকে এফ আর ও অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে এবং সেই অফিসে আপনার একটি সাধারণ জিজ্ঞাসাবাদ হবে।কিভাবে পাসপোর্ট হারালো আপনি কেন ইন্ডিয়া এসেছিলেন। (ভুল করেও বলবেন না আমি কোন দালালের চক্রান্তে পড়েছি বা আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য এদেশে আসছিলাম এখন দালাল আমার সাথে দুই নাম্বারি করতেছে। সে ক্ষেত্রে তারা তাদের দেশের মানুষকে বেশি প্রাধান্য দিবে) পঞ্চম ধাপ : এপার অফিস থেকে আপনার জিজ্ঞাসাবাদ এবং আপনার অনলাইন আবেদনটি সংগ্রহ করে তারা একটি সময় নির্ধারণ করে দিবে সেই সময় আপনি আপনার জিমেইলে এক্সিট পারমিট পেয়ে যাবেন। এবং সেখানে উল্লেখ থাকবে যে এই কয়েক দিনের ভেতরে তোমার ইন্ডিয়া ছেড়ে বাংলাদেশে চলে যেতে হবে। আপনি জিমেইলে মেসেজ পাওয়ার পরে দেখবেন সেখানে একটি ছবি আসছে সেটি হচ্ছে আপনার এক্সিট পারমিট। ষষ্ঠ ধাপ : এক্সিট পারমিট পাওয়ার পরেও শান্তি নেই আপনি যেভাবেই যান বাসে করে অথবা বিমানে করে। প্রত্যেকটা ধাপে ধাপে আপনাকে প্রশ্ন করা হবে। কেন পাসপোর্ট হারালেন কেন এসেছিলেন ইন্ডিয়া। ( তবে এফ আরো অফিসের এক্সিট পারমিট পেয়ে গেলে আর পরবর্তীতে কোন সমস্যা হবে না -( শুধু বুদ্ধিমত্তার সাথে তাদের প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারলেই হবে) সপ্তম ধাপ : ইন্ডিয়া থেকে আপনার জিডি করার কাগজটা সাথে নিয়ে আসবেন অবশ্যই। সেই জিডির কাগজটি নিয়ে আপনার এলাকার সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে আরো একটি জিডি করবেন সেই জিডির কাগজটি নিয়ে পরবর্তীতে আপনার নতুন করে পাসপোর্ট রিইস্যু করে নেবেন। ( রিজু আহম্মেদ) 🤍

photo content
+4

photo content

photo content

নিশ্চয়ই মুসলিম, ইয়াহুদী, খৃষ্টান এবং সাবেঈন সম্প্রদায়, (এদের মধ্যে) যারা আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং ভাল কাজ করে, তাদের জন্য তাদের রবের নিকট পুরস্কার রয়েছে, তাদের কোন প্রকার ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবেনা। আল-কোরআন (২:৬২) Indeed, those who believed and those who were Jews or Christians or Sabeans [before Prophet Muhammad] - those [among them] who believed in Allah and the Last Day and did righteousness - will have their reward with their Lord, and no fear will there be concerning them, nor will they grieve. Al Quran (2:62) اِنَّ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ الَّذِیۡنَ هَادُوۡا وَ النَّصٰرٰی وَ الصّٰبِئِیۡنَ مَنۡ اٰمَنَ بِاللّٰهِ وَ الۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ وَ عَمِلَ صَالِحًا فَلَهُمۡ اَجۡرُهُمۡ عِنۡدَ رَبِّهِمۡ ۪ۚ وَ لَا خَوۡفٌ عَلَیۡهِمۡ وَ لَا هُمۡ یَحۡزَنُوۡنَ.

আসুন জেনে নিই ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার নামকরণের ইতিহাসঃ ★গেন্ডারিয়া ইংরেজি শব্দ Grand Area থেকে এসেছে, এখানে আগেরদিনের অভিজাত ধনী ব্যাক্তিগন থাকত। ★ভুতের গলিঃ এখানে বৃটিশ একজন লোক থাকতেন নাম ছিল Mr. boot, তার নাম থেকে বুটের গলি, পরবর্তীকালে ভুতের গলি নাম হয়েছে। ★মহাখালিঃ মহা কালী নামের এক মন্দীরের নাম থেকে হয়েছে বর্তমানের মহাখালী। ★ইন্দিরা রোডঃ এককালে এ এলাকায় "দ্বিজদাস বাবু" নামে এক বিত্তশালী ব্যক্তির বাসাস্থান, অট্টলিকার পাশের সড়কটি নিজেই নির্মাণ করে বড় কন্যা "ইন্দিরা" নামেই নামকরণ। ★পিলখানাঃ ইংরেজ শাসনামলে প্রচুর হাতি ব্যবহার করা হোতো । বন্য হাতিকে পোষ মানানো হোতো যেসব জায়গায়, তাকে বলা হোতো পিলখানা । বর্তমান "পিলখানা" ছিলো সর্ববৃহৎ। ★এলিফ্যানট রোডঃ পিলখানা হতে হাতিগুলোকে নিয়ে যাওয়া হতো "হাতির ঝিল"এ গোসল করাতে, তারপর "রমনা পার্ক"এ রোঁদ পোহাতো । সন্ধ্যের আগেই হাতির দল পিলখানায় চলে আসতো । যাতায়াতের রাস্তাটির নামকরণ সেই কারণে এলিফ্যান্ট রোড। পথের মাঝে ছোট্ট একটি কাঠের পুল ছিলো, যার নামকরণ হোলো "হাতির পুল"। ★কাকরাইলঃ🏇 ঊনিশ শতকের শেষ দশকে ঢাকার কমিশনার ছিলেন মিঃ ককরেল । নতুন শহর তৈরী করে নামকরণ হোলো "কাকরাইল"। ★রমনা পার্কঃ🤼 অত্র এলাকায় বিশাল ধনী রম নাথ বাবু মন্দির তৈরী করেছিলো "রমনা কালী মন্দির" । মন্দির সংলগ্ন ছিলো ফুলের বাগান আর খেলাধুলার পার্ক । পরবর্তীতে সৃষ্টি হয় "রমনা পার্ক"। ★গোপীবাগঃ গোপীনাগ নামক এক ধনী ব্যবসায়ী ছিলেন । নিজ খরচে "গোপীনাথ জিউর মন্দির" তৈরী করেন । পাশেই ছিলো হাজারো ফুলের বাগান "গোপীবাগ"। ★টিকাটুলিঃ হুক্কার প্রচলন ছিলো। হুক্কার টিকার কারখানা ছিলো যেথায় সেটাই "টিকাটুলি"। ★তোপখানাঃ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর গোলন্দাজ বাহিনীর অবস্থান ছিল এখানে। ★পুরানা পল্টন, নয়া পল্টনঃ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর ঢাকাস্থ সেনানিবাসে এক প্ল্যাটুন সেনাবাহিনী ছিল, প্ল্যাটুন থেকে নামকরন হয় পল্টন। পরবর্তীতে আগাখানিরা এই পল্টনকে দুইভাগে ভাগ করেন, নয়া পল্টন ছিল আবাসিক এলাকা আর পুরানো পল্টন ছিল বানিজ্যিক এলাকা । ★বায়তুল মোকারম নামঃ ১৯৫০-৬০ দিকে প্রেসিডেন্ট আয়ুবের সরকারের পরিকল্পনা পুরানো ঢাকা- নতুন ঢাকার যোগাযোগ রাস্তার । তাতে আগাখানীদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আবাসিক বাড়িঘর চলে যায় । আগাখানীদের নেতা আব্দুল লতিফ বাওয়ানী (বাওয়ানী জুট মিলের মালিক) সরকারকে প্রস্তাব দিলো, তারা নিজ খরচে এশিয়ার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মসজিদ তৈরী করবে । এটা একটা বিরাট পুকুর ছিল "পল্টন পুকুর", এই পুকুরে একসময় ব্রিটিশ সৈন্যরা গোসল কোরতো । ১৯৬৮ সনে মসজিদ ও মার্কেট প্রতিষ্ঠিত হয় । ★ধানমন্ডিঃ এখানে এককালে বড় একটি হাট বোসতো । হাটটি ধান ও অন্যান্য শস্য বিক্রির জন্য বিখ্যাত ছিল। ★পরীবাগঃ পরীবানু নামে নবাব আহসানউল্লাহর এক মেয়ে ছিল । সম্ভবত পরীবানুর নামে এখানে একটি বড় বাগান করেছিলেন আহসানউল্লাহ । পাগলাপুলঃ ১৭ শতকে এখানে একটি নদী ছিল, নাম – পাগলা । মীর জুমলা নদীর উপর সুন্দর একটি পুল তৈরি করেছিলেন । অনেকেই সেই দৃষ্টিনন্দন পুল দেখতে আসত । সেখান থেকেই জায়গার নাম "পাগলাপুল"। ★ফার্মগেটঃ কৃষি উন্নয়ন, কৃষি ও পশুপালন গবেষণার জন্য বৃটিশ সরকার এখানে একটি ফার্ম বা খামার তৈরি করেছিল । সেই ফার্মের প্রধান ফটক বা গেট থেকে এলাকার নাম হোলো ফার্মগেট। ★শ্যামলীঃ ১৯৫৭ সালে সমাজকর্মী আব্দুল গণি হায়দারসহ বেশ কিছু ব্যক্তি এ এলাকায় বাড়ি করেন । এখানে যেহেতু প্রচুর গাছপালা ছিল তাই সবাই মিলে আলোচনা করে এলাকার নাম রাখেন শ্যামলী। ★সূত্রাপুরঃ কাঠের কাজ যারা করতেন তাদের বলা হত সূত্রধর । এ এলাকায় এককালে অনেক শূত্রধর পরিবারের বসবাস ছিলো । সেই থেকেই জায়গার নাম হোলো সূত্রাপুর। ©️

photo content

photo content

photo content

photo content

তোমাকে পিছনে টেনে নিবে না। বরং প্রত্যেকটা সুন্দর দিনে তোমাকে সামনের দিকে টেনে নিবে। ©Find My Advocate

স্টুডেন্ট লাইফে এই ১০টা কাজ করা যাবে না.. ১. ফেল করা যাবে না: সাবজেক্ট পছন্দ হোক বা না হোক। ভার্সিটি ভালো লাগুক বা না লাগুক, ফেল করা যাবে না। অন্য সাবজেক্টে পড়ার ইচ্ছা থাকলে, সেটা অনলাইনে শিখো। অন্য কিছু করার খায়েশ হলে, নিজে নিজে চেষ্টা করো। এখনকার দিনে এমন কিছু নাই যেটা ইন্টারনেট থেকে শিখা যায় না। সো, এইগুলাকে আজাইরা অজুহাত বানিয়ে ফেল করা যাবে না। জাস্ট ক্লাসগুলাতে যতক্ষণ থাকবা, মনোযোগ দিয়ে শুনবা আর পরীক্ষার সময়টায় একটু সিরিয়াস থাকবা। তাহলেই আর যাই করো ফেল করবা না। . ২. অতিরিক্ত ইমোশনাল হওয়া যাবে না চ্যাঁকা খাও, ব্যাঁকা হও। ধোঁকা খাও, বোকা হও। ক্রাশের প্রেম, ক্রাশের বিয়ে --যেটাই হোক। টেক ইট ইজি। কোন কিছুতেই লিমিটের বাইরে ইমোশনাল হওয়া যাবে না। লাইফে ইনজাস্টিসের শিকার তোমাকে হতেই হবে। কেউ চাইলেই যেমন তোমাকে ভালোবাসতে পারে আবার চাইলেই তোমাকে ছেড়েও যেতে পারে। সেটা তার অধিকার, তার বিবেচনা, তার লাইফ। তোমার লাইফ হচ্ছে-- রিলেশন এর বিষয়ে আবেগটা লিমিটের মধ্যে রাখা। কারণ, লাইফে রিলেশনের দরকার আছে। কিন্তু রিলেশন, লাইফের চাইতে বড় কিছু না। . ৩. বাজে অভ্যাসে এডিক্টেড হওয়া যাবে না লাইফটাকে লাইনে রাখার যদি দুইটা রাস্তা থাকে। তাহলে বেলাইনে যাওয়ার ২০টা রাস্তা আছে। ইন্টারনেট আছে। আশেপাশের দুস্টু ফ্রেন্ড আছে। ফেইক প্রোফাইলে থেকে রোমান্টিক ম্যাসেজের গন্ধ আছে। টিভিতে খেলা আছে। রুমে তাস আছে। তাই কোন কিছুতে হারিয়ে যাওয়ার আগে দেখো- জিনিসটা কি। বুঝো- how much is too much. মোটামুটি ধরে রাখবা- ইন্টারনেটে ৩০% এনজয় করবা আর ৭০% সময় কাজে লাগাবা। . ৪. আজাইরা স্ট্রেস নেয়া যাবে না শখ করে স্ট্রেস নেয়ার একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে। এই যেমন ধরো- পাশ করলে আমাকে কে চাকরি দিবে? বাবা-মা আর ফ্যামিলির হাল কেমনে ধরবে। আমি তো ওদের মতো না। -- এই সব নিয়ে আজাইরা টেনশন করার যাবে না। ইনফ্যাক্ট, লাইফে কখনোই এমন কিছু নিয়ে চিন্তা করতে যাবে না, যেটা নিয়ে তুমি এই মুহূর্তে কিছু করতে পারতেছো না। শুধুমাত্র-- কিছু করতে পারলে, চিন্তা বাদ দিয়ে সেটা করো। নচেৎ তোমার যেটা করা উচিত সেটা করো। মাগার, বসে বসে টেনশন করবা না। . ৫. অতীতের গ্লোরী নিয়ে বসে থাকবে না তুমি আগে কি ছিলে। স্কুল কলেজে কি উল্টায় ফেলছিলা-- সেটা এখন আর কেউ গোনায় ধরবে না। কয় বছর গ্যাপ দিছো। কয়টা ভুল ডিসিশন নিছো--সেগুলা নিয়েও কারো আসবে যাবে না। সো, সেগুলা সব ট্র্যাশ বিনে ফেলে দিয়ে-- সামনের দিকে তাকাও। আজকের অবস্থা যতই গুবলেট মার্কা হোক না কেন--আজকে এই মহুর্ত থেকে কি করতে পারো সেটাতে ফোকাসে করো। . ৫. ফ্রেন্ড বা ভার্সিটি লাইফ থেকে আলাদা হওয়া যাবে না স্টুডেন্ট লাইফটা ১০০% মাস্তির হবে না। আবার কাঠ খোট্টা সিরিয়াসও হবে না। বরং সেমিস্টার গ্যাপে ৮০% মাস্তি আর ২০% স্কিল ডেভেলপমেন্ট। আর পরীক্ষা চলে আসলে ৮০% স্টাডি আর ২০% রিলাক্স। এই ব্যালেন্স স্টাইলে চিন্তা করলে--ভার্সিটি লাইফের ফানও হবে আবার ফিউচারও লাইনে থাকবে। . ৬. টিটকারি এর রেসপন্স করা যাবে না ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় কিছু ফাজিল ফ্রেন্ড তোমাকে টিটকারি বা বুলিয়িং করতে পারে। সেক্ষেত্রে পারলে ইগনোর করো। তুমি রেসপন্স করলে খেপে গেলে তারা মজা পেয়ে আরো বেশি করবে। তাই রেসপন্স না করার চেষ্টা করো। তবে সীমার বাইরে চলে গেলে তখন-- ফ্যাকাল্টি বা পুলিশের কারো কাছে যেতে হবে। ফ্রেন্ড বা ক্লাসমেট হিসেবে সব কিছুতে পার পেয়ে যাবে না। . ৭. কোন কিছুতেই ভালো না, এমন করা যাবে না হয় তুমি পড়ালেখায় ভালো হবে। নচেৎ অন্য কিছুতে ভালো হবে। তবে এইটা আবার বইলো না যে- তুমি কিছু না করতে ভালো। তাইলে তো আর হবে না, ব্রো। লাইফের ৪-৫ বছর কাটিয়ে দিবা অন্তত একটা কিছু নিবা না। তাইলেতো হবে না। সো, পড়ালেখা সিরিয়াসলি করতে পারলে সেটাতে ফাটিয়ে দাও। নচেৎ এক্সটা স্কিল বা কো-কারিকুলার এক্টিভিটিস করে উল্টে ফেলো। এটলিস্ট কিছু একটা করো। . ৮. মামা-খালু থেকে দূরে যাওয়া যাবে না পাশ করার পর শ্বশুর আব্বার অপশন না থাকলে- তোমার সিনিয়র ভাইয়া আপুরা, যারা তোমার পাশ করার আগেই চাকরি পেয়ে যাবে। তাদের সাথে স্পেশাল খাতির রাখবে। যাতে ওদের কাছ থেকে ইন্টারভিউ টিপস এবং ওদের কানেকশন দিয়ে তুমি চাকরি পেয়ে যেতে পারো। . ৯. যা ইনকাম করো সব খরচ করে ফেলা যাবে না স্টুডেন্ট লাইফে ইনকাম কম। তবে এই কম ইনকামও শেষ করে ফেলা যাবে না। মিনিমাম ২০% আলাদা একটা ব্যাংক একাউন্টে জমিয়ে রাখো। যেটার খবর তুমি ছাড়া কেউ জানবে না। পাশ করার পরে বা কঠিন সময়ে এই অল্প কিছু টাকা যে কি পরিমান মেন্টাল সাপোর্ট দিবে- চিন্তাও করতে পারবে না। . ১০. মন খারাপ করতে পারো হতাশ হয়ো না লাইফে অনেক কিছুতেই মন খারাপ হতে পারবে। কিন্তু একদিনের মন খারাপ পরের দিনে টেনে নেওয়া যাবে না। বরং কোনদিন খুব বেশি মন খারাপ হলে, গোসল করে সব মন খারাপ ধুয়ে ফেলবা। দরকার হলে সব মন খারাপ বাথরুমের কমোডে ফ্লাশ করে দিবা। কারণ তোমার লাইফের প্রত্যেকটা দিন হবে এক একটা ফ্রেশ দিন। যেখানে আগের দিনের হতাশা, মন খারাপ

🛑 দরকারী পোষ্ট 🩺🩺🩺 🩺ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হলো ই-টিকেটিং সেবা। এখন থেকে ঘরে বসেই শুধু মোবাইল নাম্বার দিয়ে খুব
🛑 দরকারী পোষ্ট 🩺🩺🩺 🩺ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হলো ই-টিকেটিং সেবা। এখন থেকে ঘরে বসেই শুধু মোবাইল নাম্বার দিয়ে খুব সহজেই আগামী ৭ দিনের যে কোনো দিনের জন্য যেকোনো ডিপার্টমেন্টে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২ টার মধ্যে ৩টি টাইম স্লটে টিকেট বুকিং দিতে পারবেন। এতে করে হাসপাতালে এসে টিকেটের জন্য লাইন ধরার অসহ্য ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে। দুপুরে আসলে ১টার পরে টিকেট নাই এই ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে। 🩺টিকেটের পেমেন্ট এর জন্য বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ ৭ টি মোবাইল ব্যাংকিং ও ৫ ব্যাংকের কার্ড দিয়ে পেমেন্ট দেওয়ার সুযোগ আছে। Dr. ABM Masudur Rahman (Follow❤️) #DMC