1 995
Suscriptores
-124 horas
+17 días
+530 días
Archivo de publicaciones
1 995
"একালের শিক্ষিতা যুবতী মেয়ে সবদিক দিয়েই মুক্ত, স্বাধীন। তাদের গর্ভে যদি কখনও সন্তানের জন্ম হয়, তাহলে তারা নিশ্চয় শিশু সন্তানের মন-মগজে ইসলামী আকীদা-বিশ্বাসের বীজ বপন করবে না।
.
কেননা তারা নিজেরাই তার প্রতি বিশ্বাসী নয়, তাদের বাস্তব জীবনযাত্রার ওপর ইসলামের একবিন্দু প্রভাব নেই; বরং তারা ইসলামী রীতি ও বিশ্বাসের প্রতি বিদ্বেষী, শত্রু-ভাবাপন্ন। তারা ইসলামকে রীতিমত ঘৃণা করে।
.
এক্ষণে ইহুদী-খৃষ্টান জগৎ নিশ্চিন্তে বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারে। বিগত দুই শতাব্দী কাল ধরে যে প্রাণপণ চেষ্টা তারা চালিয়েছিল, তা এখনও চালিয়ে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
.
মুসলিম দ্বীন প্রচারকারী ও সাধারণ মুসলমানদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য যে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমটা তারা এ যাবত করে এসেছে তার দায়িত্ব এখন পালন করে চলছে মুসলিম পরিবার ও সমাজের সেই মেয়েরা, যারা তাদের শিক্ষা ও চরিত্র পেয়ে মনে-প্রাণে-চরিত্রে খৃষ্টান-ইহুদী হয়ে গেছে। তাদের গর্ভে এখন আর মুসলিম সন্তানের জন্ম হয় না।
.
তারা হয় খৃষ্টান-ইহুদীদের চক্রান্তে পড়ে সন্তান প্রসব ছেড়েই দিয়েছে, আর নয় কোনো সন্তান প্রসব করলেও তার মন-মগজে ইসলামী আকীদার বীজ তারা বপন করে না। ফলে খৃষ্টান-ইহুদীদের সেই সর্বাত্মক চেষ্টা-প্রচেষ্টা এখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
.
~ উস্তায মুহাম্মাদ কুতুব [রাহ.]
.
[বিংশ শতাব্দীর জাহিলিয়াত, পৃ: ৩৭৮]
1 995
Repost from পর্দা - The Sign of Modesty
❝যে নারী বোরকা পরেও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভাবে, ‘আমাকে দেখতে সুন্দর লাগছে তো! বাইরে গেলে আমাকে ভালো লাগবে তো!’ সে এখনো বেপর্দাই রয়ে গেল!❞
~ তানজীল আরেফীন আদনান
1 995
মেয়েদের ডিভোর্স দেওয়ার নিয়ম!
Adv Md Oliur Rahman
Croydon, UK
অনেক মেয়েদের কাছ থেকে ইনবক্স পাই, ডিভোর্স দেওয়ার নিয়ম এবং কাবিননামা পূণরায় তোলার বিষয়ে।আমি কাউকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করছি না।আমি সবসময় Negotiation পক্ষে মতামত দেই।
কেউ ডিভোর্স দেওয়ার কথা জিজ্ঞেস করলে আমি কারণ টা জানতে চাই।আমি বুঝতে চাই, মানুষ এক ছাদের নিচে দীর্ঘদিন ধরে থেকে কেন একজন আরেকজন কে ছাড়তে চায়।
সেদিন এক মেয়ে ইনবক্স করেছে। বাবার একমাত্র মেয়ে। ভালোবাসে একজন কে বিয়ে করছে।এখন সেই ছেলে ওনাকে মারধর করে,মুখে বালিশ চেপে ধরে! মানুষ পরিস্থিতির জন্য এরকম আত্নঘাতি সিদ্ধান্ত নেয়।
এবার আসি আজকের বিষয়ে।
কাবিননামা পূণরায় তোলার নিয়ম :
কাবিন নামা হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে যে কাজী অফিসে আপনার বিয়ে হয়ে ছিল সেইখান থেকে নতুন করে কাবিন নামা তুলতে পারবেন। অন্য কোন কাজী অফিস থেকে তা পাবেন না। অপনার প্রয়োজন যতবার হবে নির্ধারিত ফি দিয়ে কাবিন নামা উঠাতে পারবেন। এজন্য বিয়ের সময় ভূয়া কাজী অফিস হতে সাবধান থাকতে হবে। কাজী ফোন নম্বর, নাম ঠিকানা সংগ্রহে রাখুন এবং ভেরিফাই করে নিন।
তালাক দেওয়ার নিয়ম :
যদি একদম সহজ ভাবে বলি স্ত্রী তার স্বামীকে তিনভাবে তালাক দিতে পারে৷
প্রথমটি হলো কাবিননামার ১৮ নাম্বার কলাম৷ যদি বিয়ের সময় কাবিননামার ১৮ নাম্বার কলামে স্ত্রীকে যদি এই ক্ষমতা দেওয়া হয় সে তার স্বামীকে তালাক দিতে পারবে, তাহলে স্ত্রী এই ক্ষমতা প্রয়োগ করে তালাক দিতে পারবে৷ সব সময় মনে রাখবেন এই ক্ষমতাটি কাবিননামার ১৮ নাম্বার কলামে দেওয়া থাকে৷
দ্বিতীয় পদ্ধিতিটি হলো খুলা তালাক৷ যদি কাবিননামার ১৮ নাম্বার কলামে এই ক্ষমতা স্ত্রীকে দেওয়া না হয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে স্ত্রী তার স্বামীকে খোলা তালাক দিতে পারে৷ খোলা তালাক হলো স্ত্রী তার স্বামীকে নিজ থেকে প্রস্তাব( proposal) দিবে তাকে যেন তালাক দেয়, বিনিময়ে স্ত্রী তার স্বামী থেকে দেনমোহরের টাকা নিবে না বা অন্য কোন কিছু বিনিময়েও খুলা তালাক দেওয়া যায়৷ এই তালাকটি সমঝোতার মাধ্যমে হয়ে থাকে৷
আর তৃতীয় পদ্ধতিটি হলো আদালতের মাধ্যমে তালাক৷ স্ত্রী কোর্টে গিয়ে তালাকের জন্য মামলা করতে পারে৷
ধন্যবাদ।
1 995
ইন্টারমিডিয়েটের একাডেমিক কোচিং কিংবা অ্যাডমিশন টেস্টের কোচিংয়ের জন্য যাদের কাছে আপনার মেয়েকে পাঠাচ্ছেন তারা হয়তো আপনার মেয়ের চেয়ে কয়েকবছরের বড়। তারা বুয়েট, ঢাবি, জাবিসহ ভালো ভালো ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট।
আপনার মেয়েকে সফলতার সংজ্ঞা হিসেবে শেখালেন পাবলিকে চান্স পাওয়া, অনেক টাকা ইনকাম করা, ভালো চাকরি করা। আপনার মেয়ে এগুলোর জন্য আইডল হিসেবে যাদেরকে দেখে তারা হচ্ছে এসব “বড়ভাই”।
কীভাবে পড়তে হবে, চলতে হবে, জীবনের সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে নিতে হবে ওদের থেকেই মেয়েটা এসব গ্রহণ করে।
সাথে আরেকটা জিনিসও গ্রহণ করে, যেটা আপনি জানলেও না জানার মতো করে থাকেন। তাদের জীবনের স্বপ্নের অংশ এসব “ভাইয়াদেরকে” ঘিরে তৈরি হয়। বুয়েটের ছাত্র, ঢাবির ছাত্র শুনলেই আপনার মেয়ে ওদের কাছে শুয়ে পড়ার ব্যাপারেও দ্বিতীয়বার ভাবে না। আপনাদের অনেকের মৌন সম্মতিও থাকতে পারে কারণ তারা খুব ভালোই ইনকাম করে। আপনারা জানেন এরা প্রত্যেকেই যুবক, এদের কাছে পাঠানোর ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে, কতটুকু দুরত্ব বজায় রাখা দরকার তা শেখাতে হবে।
এই “ভাইয়াদের” ব্যাপারে মেয়েরা অফগার্ড থাকার পেছনে সবচেয়ে বড় দায় আপনাদের। আপনারা মেয়েকে শিক্ষা দেন “শিক্ষক পিতার সমতূল্য ”। পিতা কি আর সন্তান সমতূল্য কারো খারাপ চাইবে? চাইবে না। ভালোভাবে গাইডলাইন দেয়ার জন্য ফেসবুক আইডির আদান-প্রদান হবে, ক্লাসের বাইরেও যোগাযোগ করবে। দিনশেষে বলবে তোমার একটা ছবি দাও। আপনার মেয়েটাও দিয়ে দিবে। এরপর সেই মেয়ের ছবি পাওয়া যাবে টেলিগ্রাম গ্রুপে, যেখানে সাধারণত মেয়েদের ন-গ্ন ছবি থাকে।
গতকাল এরকম একটা “ভাইয়াকে” এক কোচিং সেন্টার থেকে বহিষ্কার করা হয়। একাধিক ছাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমনটা ধারণা করা হচ্ছে। কারণ টেলিগ্রাম গ্রুপে একটা মেয়ের ইউনিফর্ম পরা ছবি পাওয়া গেলেও একাধিক মেয়ের পোশাক ছাড়া ছবি পাওয়া গেছে যা তার আইডি থেকে পাঠানো হয়েছে।
হাতে থাকা প্রমাণের ভিত্তিতে এই কথাগুলো বলছি, প্রকৃত সত্য হয়তো প্রশাসনের হস্তক্ষেপেই বের হবে, ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে বের করা যাবে। চিন্ময় সাহা নামের এই “ভাইয়া” অনেক ভালো পড়াতো। তাই এসব দেখেও একদল ছেলে-মেয়ে তাকে বহিষ্কার করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে।
চিন্ময় সাহাকে গতকাল ACS থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর ACS-এর ছাত্র-ছাত্রীদেরকে উদ্দেশ্য করে লিখা হয় যদি তাদের কাউকে হ্যারাস করা হয় কিংবা এই ধরণের বিষয় থাকে তবে কর্তৃপক্ষকে যেন জানানো হয়। তাকে বহিষ্কারের পর এই ধরণের পোস্ট দেয়ার থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় তার অপরাধ এই সংশ্লিষ্ট।
শিকারী একজন হলেও শিকার হয়েছে অনেকজন। আমরা বারবারই এই ধরণের ফ্রিমিক্সিং পরিবেশ, ছেলে-মেয়ের অবাধ মেলামেশার বিরুদ্ধে কথা বলি। আপনারা ভাবেন “এদের সমস্যা কী?”
সমস্যাটা এটাই যে আমরা কথা বলি যখন পচন ধরে, আপনাদের টনক নড়ে যখন দুর্গন্ধ ছড়ায়। সার্টিফিকেটের সামনে আপনাদের মেয়েদের ইজ্জত এতটাই সস্তা হয়ে গেছে যখন তখন আমাদের কথাকে তো অতিরঞ্জিত মনে হবেই!
Mayraj Hossain ভাইয়ের সাথে একমত
1 995
শিশুর মলদার পরিষ্কার করার সময় আমরা সবসময় wipes কে প্রাধান্য দেই।
এতে সুগন্ধি আছে এবং দুই তিনবারে মনে হয় কি যে একদম পরিস্কার হয়ে গেছে।
আমাদের মলদ্বারে কিন্তু প্রাকৃতিক একটা তেল থাকে।
যা কিনা নিজ থেকেই ওই জায়গার চামড়াকে সংকুচিত বা সম্প্রসারিত করতে সাহায্য করে এবং চামড়ার শুষ্কতা রোধে বেশ কার্যকরী।
খুব বেশি বেশি wipes ব্যবহার করে আমরা শিশুর মলদ্বারের ওই তেলটা নষ্ট করে ফেলব না।
শিশু যখন বড় হয় এক দেড় বছর পরে এমনিতেই পিছনে হাত দেয়।
অনেক সময় কৃমিজনিত কারণে।
মাঝে মাঝে এটা কেমন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এখানে স্পর্শ করলে কেমন লাগে সেটা বোঝার জন্য হাত দেয়।
আবার অতিরিক্ত wipes বা লিকুইড সাবান ব্যবহার করার ফলে ওই তেলটা নষ্ট হয়ে যায় চামড়া শুষ্ক হয়ে যায়, সে কারণে ওর বেশি চুলকানি হয় সেজন্য হাত দেয়।
তাই শিশুকে বেশি পরিষ্কার করতে গিয়ে লিকুইড সাবান বা wipes এর অতিরিক্ত ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
অনেকেই শিশুকে সারাবছর গরম পানি দিয়ে গোসল করান এটা করা যাবে না, এটা করলে স্কিনের যেই সৌন্দর্য সেটা কিন্তু অনেকাংশেই হারাবে আপনার শিশু।
সপ্তাহে একদিন ওর সব ছোট ছোট প্যান্টিগুলো গরম পানি দিয়ে একটু ভিনেগার দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন।
বাথরুম কিন্তু আমরা হারপিক দিয়ে প্রতিদিন একটু ঝাড়ু দিয়ে টেনে দিব।
আর যদি মলদ্বারে চামড়া খুব বেশি শুষ্ক হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে ঘরে বানানো নারকেল তেল আপনি মলদ্বারে একটু করে দিতে পারবেন।
কোন সরিষার তেল ব্যবহার করা যাবে না।
আর মেয়েদেরকে পরিষ্কার করার নিয়ম হচ্ছে সামনে থেকে পিছনে। পিছন থেকে সামনে আসা যাবেনা।
আপনি নিজেকেও ক্লিন করার জন্য যদি খুব বেশি লিকুইড সোপ ইউজ করে থাকেন তাহলে আজই পরিহার করুন।
আমাদের জেনিটাল এরিয়া বা প্রাইভেট পার্ট গুলোতে এসেনশিয়াল অয়েল প্রকৃতিগতভাবেই আমাদের বডিতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভ্যাজাইনাতে আছে অনেক ভালো ব্যাকটেরিয়া।
যা কিনা আপনি অতিরিক্ত পরিষ্কার করার কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
যখনই যেখানে যান সুতির প্যান্টি ব্যবহার করবেন।
বাইরে থেকে এসে আগে বাইরের কাপড় ছেড়ে নিজেকে ফ্রেশ করে খোলামেলা কাপড় পড়ে থাকবেন।
যাতে করে আপনার শরীর এতক্ষণ যে বদ্ধ অবস্থায় ছিল সেটা থেকে একটু নিঃশ্বাস নিতে পারে।
আমরা সকালে যে কাপড় পড়লাম সে কাপড় পরে আবার বাইরে গেলাম, বাইরে থেকে এসে আবার রান্না ঘরে ঢুকলাম, রান্না ঘরের সব কাজ সেরে ঠিক ঘুমের আগে কাপড় পাল্টাতে যাই। মনে রাখবেন আপনার ঘামের গন্ধ আপনি পান না কিন্তু পাশের জন ঠিকই পায়।
তাই বাচ্চার পাশাপাশি নিজেরও যত্ন নিন!
বাচ্চার সারাদিনের খাবারের চার্ট এর জন্য এপইন্টমেন্ট নিতে চাইলে দয়া করে আমাদেরকে ইনবক্স করুন! তবে এপইন্টমেন্টের জন্য অবশ্যই ফিস সংযুক্ত!
এডমিন আপনাকে বিস্তারিত বুঝিয়ে বলবেন!
#babytimes #babyfood #babycare #babyfoodplan #childcare
1 995
এইসব পাত্তাই দেয়না।
©Rabeya Siddiqua Ruby
Follow our group & page ➡️ 20 Minute Medical
1 995
মেয়ের ঠিকমত যত্ন নিতে পারছিনা। বড় মেয়েকে খাওয়াতে বসলে বা ঘুম পাড়াতে গেলেই ছোট মেয়ে কান্না করে বাড়ি মাথায় তুলে ফেলে! আমি ছাড়া আর কেউ সেই কান্না থামাতে পারেনা। বাধ্য হয়ে বড় মেয়েকে ফেলে আমার ছোট মেয়েকে ধরতে হয়। দিনে দিনে ওর উপর মনটা বিষিয়ে উঠে। একেকবার ওর কান্না শুনলে ইচ্ছা করে গলা টিপে ধরি। আমার শাশুড়ি প্রাণপণ চেষ্টা করেন ওর কান্না থামাতে। কিন্তু পারেন না। আমি ওর দিকে ফিরেও তাকাই না। নির্বিকার বলি, "কান্না থামাতে না পারলে গলা টিপে দেন!" আমার একটুও মায়া হয়না। দিন দিন বিরক্তি বাড়তে বাড়তে অসহ্য পর্যায়ে চলে গেল। সামান্য সব কারনে মেজাজ খারাপ হয়ে যাচ্ছে, বড় মেয়েকে কারনে অকারনে পাগলের মত মারধোর করি। আমার নিজের উপর থেকেই বিশ্বাস উঠে যাচ্ছে, মা হওয়ার অযোগ্য মনে হচ্ছে নিজেকে। সবাই কত সুন্দর করে বাচ্চা পালে, ঘর সংসার করে আর আমি কিছুই করতে পারছিনা। প্রতি রাতে ইচ্ছে হয় ঘুমের মধ্যে ছোট মেয়ের গলা টিপে ধরি। মনে হচ্ছে যে কোনদিন অঘটন ঘটিয়ে ফেলবো। বাচ্চাদের বাবাকে সব খুলে বললাম। সে একটা মুহুর্ত দেরি না করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেল। ডাক্তার সব শুনলেন এবং একটা ওষুধ লিখে দিলেন। বাসায় এসে আমি ইন্টারনেট সার্চ করে বের করলাম এই ওষুধ দেয়া হয় ডিপ্রেশনের রুগীদের। তাহলে আমিও ডিপ্রেশনের রুগী! আমার কিসের ডিপ্রেশন!
আমার এই সমস্যাটার নাম পোস্ট পারটাম ডিপ্রেশন। বাচ্চা হওয়ার পরে প্রতিটা মা কম বেশি এই সমস্যায় ভুগেন। কেউ বুঝতে পারেন, কেউ পারেন না। কারোটা ক্ষণস্থায়ী, কারোটা দীর্ঘস্থায়ী। একটা শান্তশিষ্ট লক্ষী মেয়ে মা হওয়ার পরেই হঠাৎ করে কেন এরকম ভয়ংকর হয়ে উঠে সেটা এখনো বেশিরভাগ মানুষ বুঝার চেষ্টা করে না। আমি এই ব্যপারটার ভেতর দিয়ে যাওয়ার পরেই বুঝতে পেরেছি ব্যাপারটার ভয়াবহতা কোন পর্যায়ে যেতে পারে। আমার এই সমস্যার কারনে পরিবারের প্রতিটা মানূষ ভুক্তভোগী! সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী আমার বাচ্চারা। যেই মায়ের কাছে বাচ্চা সবচেয়ে বেশি নিরাপদে থাকার কথা সেই মা নিজেই বাচ্চার উপর চরম নির্যাতন করে। সামান্য কারনেই যখন মা নিজের মেজাজ ঠিক রাখতে পারেন না, কারনে অকারনে বাচ্চাদের উপর চিৎকার করেন, মারধোর করেন তখন হতে পারে বাসায় উনি একা। অঘটন ঘটে গেলে সেটা থামানোর মত কেউ কিন্ত নেই। তাই সময় থাকতেই এই রোগের চিকিৎসা দরকার। কাউন্সিলিং দরকার। শুধু মা একা না, বাচ্চার বাবারও কাউন্সিলিং দরকার। কারন ওই সময়টাতে মায়ের যে মানসিক সাপোর্ট টা দরকার সেটা সবার আগে বাচ্চার বাবার কাছে থেকেই আসা উচিত। অনেক মা আছেন যারা দিনের পর দিন এই অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু কাউকে কিছু বলছেন না, ভেতরে ভেতরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছেন। এতে মায়ের নিজের যেমন ক্ষতি হচ্ছে, বাচ্চাদেরও কিন্তু ক্ষতি হচ্ছে। তাই সময় থাকতে এই ব্যাপারে সচেতনতা দরকার। মায়ের প্রতি দরকার আরো বেশি সহযোগিতা আর সহমর্মিতা।
"বাচ্চা আমার কাছে থাকুক, আমি দেখছি। তুমি কিছুক্ষন বিশ্রাম নাও।" এই সামান্য কয়েকটা কথাই কিন্তু যথেষ্ট। বাবারা এটা দিয়েই শুরু করতে পারেন।
আর মায়েদের জন্য তিনটা কথা।
এক, অবশ্যই নিজেকে নিজে সাহায্য করুন সবার আগে। সংসারের জন্য কাজ করতে করতে আপনার জীবন দিয়ে ফেলতে হবে এমনটা ভাবা বন্ধ করুন। যতটুকু পারবেন ততটুকু করবেন। না পারলে করবেন না। ঘর একটু আগোছালো থাকলে বা এক পদ কম রান্না হলে কেউ না খেয়ে মারা যাবেনা। রাতে ঘুমানোর চেষ্টা করুন, সময় পেলেই বিশ্রাম নিন, নিজের যত্ন নিন। যা করে আনন্দ পান, সেটা করার জন্য সময় বের করে নিন। নিজেকে খুশি করার ব্যবস্থা নিজেই করুন।অন্যের আশায় বসে থাকবেন না।
দুই, আপনার মনের অবস্থা অন্যের সাথে অবশ্যই শেয়ার করুন। আপনার পরিবার, বন্ধু যার কাছে আপনি বলে শান্তি পাবেন, সহযোগিতা পাবেন বলে মনে করেন তাকে অবশ্যই বলুন। চেপে রাখবেন না। যেকোনো ব্যপারে মুখ খুলে সাহায্য চান। আপনি না চাইলে কেউ নিজে থেকে এসে আপনার সাহায্য করবেনা। তাই অবশ্যই কথা বলুন। পরিবারের বাকি সদস্যদের পরিষ্কার ভাবে বলুন কি করলে আপনার সুবিধা হবে। সবার জন্য আপনি করছেন বিনিময়ে নিজেরটাও চেয়ে নিন। বেশি মহান হওয়ার দরকার নাই। মহান হতে গিয়ে শহীদ হয়ে যাবেন।
তিন, বাচ্চা জন্মের পরের এক বছর যে কোনো সময় এই ডিপ্রেশন আসতে পারে। এই অকারন মন খারাপ, হতাশা, হীনমন্যতা, খিটখিটে মেজাজ, নিজের বা বাচ্চার ক্ষতি করার চিন্তা যদি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলে তাহলে অবশ্যই আপনার একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ দরকার। এর চিকিৎসা যত তাড়াতাড়ি করাবেন তত ভালো। দীর্ঘমেয়াদী ডিপ্রেশন এর ফলাফল কিন্তু ভয়াবহ হতে পারে। তাই সময় মত চিকিৎসা খুব জরুরি।
পরিশিষ্ট : মাস খানেক ডাক্তারের দেয়া ওষুধ খাওয়ার পর আমি এখন মোটামুটি সুস্থ। এখন আর ছোট মেয়েকে গলা টিপে মেরে ফেলার ইচ্ছা হয়না, বাচ্চাদের অযথা মারধোরও করিনা। মাঝে মাঝে অনেক বেশি রাগ হয় এবং সেটা অকারনে না। দুই কন্যার যন্ত্রনায় আমি আসলেই অতিষ্ঠ! তবে সেই রাগ কন্ট্রোল করতে পারি। বাচ্চাদের রাগ বাচ্চাদের বাবার উপর ঝেড়ে ফেলে হালকা হয়ে যাই। সে ভালো মানুষ,
1 995
সবারই বিষয়টা জানা উচিত আর সচেতন হওয়া জরুরী। নতুন মা'দের কস্টগুলো অনেকেই বুঝতে পারেন না। ঢঙ ভেবে ভুল করেন।😶😶
#awareness about #PostpartumDepression #PPD
জানিনা কোথা থেকে এত রাগ আসে। আমিতো সারাজীবন চুপচাপ শান্ত মেয়েটি ছিলাম। রাগ হলে বড়জোর খাওয়া বন্ধ করে দিতাম, কথা বলা বন্ধ করে দিতাম। অন্যের ক্ষতি করার চিন্তাতো কোনোদিন আসেনি! সেই আমি কিভাবে একটা জলজ্যান্ত শিশু গলাটিপে মেরে ফেলতে চাই!
আমাদের প্রথম বাচ্চার জন্মের ঠিক আগের দিন পর্যন্ত সব কিছু ছবির মতন সুন্দর। সংসার বড় হবে তাই আমরা দুজন এক বেড রুমের বাসা ছেড়ে দুই বেড রুমের বাসা নিলাম, ঘুরে ঘুরে নতুন বাসার জন্য এটা সেটা কিনলাম।বাচ্চা হওয়ার আগেই দেশ থেকে শাশুড়ি চলে এসেছে ছয় মাসের ভিসা নিয়ে। নাতিনের জন্য দুনিয়ার জিনিসপত্র নিয়ে এসেছে। দেশের সবাই কিছু না কিছু উপহার পাঠিয়ে দিয়েছে নতুন অতিথির জন্য। এখন শুধু তার আসার অপেক্ষা। কত আনন্দের সেই অপেক্ষা!
সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এক সকালে আমাদের মেয়ে চলে এল। হাসপাতাল থেকে দুইদিন পর বাসায় ফিরলাম মেয়েকে নিয়ে। যে মুহুর্তটার জন্য গত একটা বছর ধরে অপেক্ষা করছি সেই মুহুর্তটা যখন সত্যি এল তখন একটুও আনন্দ লাগছে না। কেন জানিনা যাই দেখছি বিরক্ত লাগছে। বাচ্চা কান্না করলেই অস্থির হয়ে যাচ্ছি। কি জন্য কাঁদে বুঝিনা। সারা রাত জেগে বাচ্চা পাহারা দেই, আমি ছাড়া অন্য কেউ বাচ্চা কোলে নিলেই বিরক্ত হচ্ছি। শুধু মনে হয় আমি ছাড়া আর কেউ ঠিকমতন বাচ্চা কোলে নিতে পারেনা। বাচ্চা ব্যথা পাচ্ছে। এত ছোট বাচ্চা কিভাবে গোসল করায়? মা গোসল করাতে গেলে মনে হয় উনি ঠিকমত গোসল করাতে পারছেননা। পানি বেশি ঠান্ডা নয়তো বেশি গরম, বাচ্চার গা টা একটু বেশি জোরে ঘষে দিলো নাতো! সব কিছুতেই খুতখুত করতে থাকি। মা বিরক্ত হচ্ছেন আমার বাড়াবাড়িতে কিন্তু কিছু বলেন না। চুপচাপ আমি যেভাবে বলি সেভাবেই করার চেষ্টা করেন। তাও আমি খুশি না। খুশি হওয়ার ক্ষমতাই আমার নষ্ট হয়ে গেছে মনে হচ্ছে। যখন তখন কাঁদি, কখন চেঁচাই, কেন চেঁচাই কিচ্ছু মাথায় ঢুকেনা। এক সপ্তাহের মধ্যে আমার পাগলামিতে মা ছেলে অতিষ্ট হয়ে গেলো। মা কিছু বলেনা, আঁচলে মুখ চেপে কাঁদেন। আমি দেখেও না দেখার ভান করি। সব কেমন অসহ্য লাগে। বাচ্চার বাবা মুখ কালো করে বসে থাকে। আমার সাথে কথা বলতে গেলেই ঝগড়া হয়ে যায়। আমি বিষধর সাপের মত ফোস ফোস করি সারাক্ষন। কেউ মুখ খুললেই ছোবল মারতে ছুটে যাই।
বাচ্চার বয়স যখন এক সপ্তাহ আরলি চাইল্ডহুড সেন্টার থেকে নার্স এল বাসায়। উদ্দেশ্য আমি এবং বাচ্চা কেমন আছি সেটা দেখা। বাচ্চার সব কিছু চেক করে নার্স খুশি। বাচ্চার ওজন ঠিক মতই বেড়েছে। সব ঠিক ঠাক মনে হচ্ছে। বাচ্চা দেখা শেষে আমার দিকে তাকিয়ে নার্স বলল, "এবার তোমার কথা বল। তুমি কেমন বোধ করছ?" আমি চুপ করে বসে রইলাম। নার্স বাচ্চার বাবাকে বলল," তুমি বাচ্চা আর তোমার মা কে নিয়ে পাশের ঘরে যাও। আমি বাচ্চার মার সাথে একা কথা বলবো। "
আমি এইবার কোনও রাখঢাক না করে নার্স কে বলে ফেললাম আমার সমস্যা। আমি বাচ্চা হওয়ার পর থেকে কোন কিছু নিয়েই খুশি না। অকারনে সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করছি। আমার শাশুড়ি আর জামাই ভুক্তভোগী। সব বুঝেও আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছিনা। নার্স হেসে বললো, এটা খুবি স্বাভাবিক একটা ব্যপার। বেবি ব্লু! পরিমিত ঘুম এবং খাওয়া হলেই এটা ঠিক হয়ে যাবে। বাচ্চার বাবাকে নার্স বলে গেল, রাতে আমার যেন পর্যাপ্ত ঘুম হয় সেই ব্যবস্থা যেন করা হয়। দরকার হলে বাচ্চা আলাদা ঘরে ঘুমাবে। সেইদিন রাত থেকেই আমার শাশুড়ি বাচ্চা নিয়ে আলাদা ঘরে ঘুমান। আমি দুই ঘন্টা পর পর শুধু বাচ্চাকে খাওয়াতে মার রুমে যাই। সারা রাতে হয়তো দুই তিন বার ঘুম ভাঙে আমার। আগের মত সারা রাত জেগে বসে থাকিনা।
পরের সপ্তাহে নার্স আবার এল। এক সপ্তাহেই আমার চেহারা ফিরে গেছে।আগের সেই উদ্ভ্রান্ত ভাব আর নেই। প্রতি রাতে কমপক্ষে ছয় ঘন্টা ঘুমাচ্ছি। যদিও টানা ঘুম না। তাও সই। কিন্তু খুতখুত করা স্বভাবটা যায়নি। সমানে খারাপ ব্যবহার করছি সবার সাথে। নার্স বলল, ঠিক হয়ে যাবে। ঘুমটা আরেকটু বাড়াতে হবে। একটু এদিক সেদিক বেড়াতে গেলে ভালো হয়। সারাক্ষন বাচ্চা নিয়ে পড়ে থাকার দরকার নাই। এরপর দিন থেকে প্রতি বিকালে আমরা তিনজন বাচ্চা নিয়ে হাঁটতে বের হই। ঘন্টাখানেক হাটি সবাই। সবার মন ভালো থাকে ওই সময়টা।
ছয় মাসের ভিসা শেষে মা যখন দেশে ফিরে যাচ্ছেন তখন আমি সম্পুর্ন সুস্থ একজন মা। অকারনে আর খিটখিট করিনা। ঠিকঠাক বাচ্চার যত্ন নিতে পারি।
আমার বড় কন্যার বয়স যখন ষোল মাস তখন আমি দ্বিতীয় কন্যার মা হলাম। এবারো আমার শাশুড়ি মা চলে এলেন আগে ভাগেই। কারন বড় মেয়ের সব দায়িত্ব উনাকে নিতে হবে, যে কটা দিন আমি হাসপাতালে থাকবো বড় মেয়ের দেখাশুনা করতে হবে। আমি হাসপাতাল থেকে ছোট কন্যা নিয়ে যখন বাসায় ফিরলাম তখন আবার সেই অকারন বিরক্তি আমার উপর ভর করল। এবারের বিরক্তি বাচ্চার বাবা বা দাদীর উপরে না। এবারের সব বিরক্তি দ্বিতীয় বাচ্চার উপরে। আমার শুধু মনে হয় এই নতুন বাচ্চাটার কারনে আমি আমার বড়
1 995
চতুর্থ হচ্ছে, কখনো কখনো বা কারো ক্ষেত্রে দেখা যায় কোনো নির্দিষ্ট বা বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে কিন্তু ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করার বলছে যে "আপনার তো এই রোগ হওয়ার কথা না, এই রোগ হওয়ার তো কোনো কারণ নেই, এটা তো অস্বাভাবিক" মূলত এই অস্বাভাবিক মনে হলেও ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করা জরুরী হয়ে পড়ে।
মূলত যখন কোনো অসুস্থ ব্যক্তি রোগ থেকে আরোগ্য লাভের উদ্দেশ্যে রুকইয়াহ চিকিৎসা করতে চাইবে তখন তার জন্য আবশ্যক হলো ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করা। এর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যে, তার সমস্যা রুকইয়াহ সংক্রান্ত নাকি সাধারণ মেডিকেল ইস্যু।
উল্লেখ্য যে সাধারণ মেডিকেল ইস্যুর ক্ষেত্রেও একজন রোগী প্রচলিত চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি রুকইয়াহ সেবা নিলে নিঃসন্দেহে উপকৃত হবে ইনশাআল্লাহ। কেননা, কোরআন সব রোগের শিফা। আসমান-জমীন এবং এর ভিতর বাহিরে যা কিছু রয়েছে সমস্ত কিছুর স্রষ্টা আল্লাহ তাআলা সমস্ত রোগের ক্ষেত্রে আমভাবে কুরআনকে শিফা তথা নিরাময়ক হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। সতরাং মুমিন হোক কিংবা কাফের যে তা বিশ্বাস করে উপকৃত হতে চাইবে সে উপকৃত হবে আর যে তা বিশ্বাস করবে না, গুরুত্বহীন ভাববে, অস্বীকার করবে এবং অহঙ্কার প্রদর্শন করবে, অযথা ও অকার্যকর মনে করবে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এতে আল্লাহর দ্বীনের কোনো ক্ষতি হবেনা।
তবে যে কেউ চাইলে ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করতে পারে, নিজেকে সুস্থ মনে হওয়া ও সুস্থ মনে করা ব্যক্তিও ডায়াগনোসিস করতে পারে। বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে বা একজন অসুস্থ ব্যক্তিও প্রথমেই ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করতে পারেন, তখন আর দ্বিতীয় তৃতীয় চতুর্থ ও চতুর্থ অবস্থার সম্মুখীন হতে হবে না, দীর্ঘদিন কষ্টও করতে হবে না,এত টাকাও খরচ করতে হবে না, বরং প্রথমেই বুঝতে পারবেন যে আপনি জ্বীন জাদু তে আক্রান্ত আছেন কিনা, আপনার সমস্যা জ্বীন জাদুর কারণে হচ্ছে কি না। জ্বীন জাদু আক্রান্ত হয়ে বছরের পর বছর ওষুধ খেলেও সুস্থ হতে পারবেন না। আর জ্বীন জাদু আক্রান্ত পেশেন্টদের প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে পরীক্ষা নিরীক্ষায় ও সাধারণত রোগ ধরা পড়ে না, রিপোর্ট নরমাল আসে। অসুস্থ হলেই প্রথমে ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করলে বুঝতে পারবেন যে যে রোগে ভুগছেন বা যে সমস্যা রয়েছে সেটা জ্বীন জাদু সংক্রান্ত নাকি মেডিকেল ইস্যু। সমস্যা অনুযায়ী চিকিৎসা করলে সহজেই সুস্থ হতে পারবেন। জ্বীন জাদুর সমস্যা দিন যত যায় ততই বৃদ্ধি পেতে থাকে, ততই জটিল ও শক্তিশালী হয়।
➤ রুকইয়াহ করলে কিভাবে বুঝা যাবে যে জ্বীন জাদু সংক্রান্ত সমস্যা আছে?
সংক্ষিপ্ত উত্তর হচ্ছে - রুকইয়াহ করলে বিভিন্ন ইফেক্ট/রিয়্যাকশন/প্রতিক্রিয়া হয়। ইফেক্ট হলেই বুঝতে হবে যে জ্বীন জাদুর সমস্যা আছে বা সৃষ্ট সমস্যা গুলো এ কারণেই হচ্ছে। ইফেক্ট হওয়া খারাপ কিছু নয় বরং রুকইয়াতে ইফেক্ট হওয়া একটা আবশ্যিক বিষয়। ইফেক্ট হওয়া সমস্যা দূর হয়ে সুস্থতার লক্ষণ। আর মেডিকেল ইস্যু হলে রুকইয়াহতে কোনো ইফেক্ট হবেনা। ইফেক্ট হওয়া না হওয়ার ব্যপারে সতন্ত্র দীর্ঘ আলোচনা প্রয়োজন, অন্য পর্বে ইনশাআল্লাহ আলোচনা করা হবে। কিছুটা নিতে লিংকের আলোচনাটি পড়তে পারেন-
https://www.facebook.com/groups/198476921238822/permalink/851195475966960/?mibextid=Nif5oz
➤ ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ কীভাবে করে?
ডায়াগনোসিস রুকইয়ার ক্ষেত্রে সাধারণত রাক্বিভেদে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য এবং প্রায়োগিক পদ্ধতি থাকতে পারে। তবে ডায়াগনোসিসের ক্ষেত্রে সাধারণত নির্দিষ্ট একটি কাঠামো অনুসরণ করেই প্রতিটি সেশন সাজানো হয়। এখানে সেই কাঠামোর আলোকে স্বীকৃত একটি পদ্ধতির ধারণা তুলে ধরা হলো -
১. প্রথমে কমপক্ষে ৩০-৪০ মিনিট পেশেন্টের হিস্ট্রি নেওয়া হয়। ক্ষেত্রবিশেষ বা রোগীভেদে হিস্ট্রি চেকিংয়ে আরো বেশি সময় লাগতে পারে।
২. এরপর পেশেন্টের হিস্ট্রির সাথে সামঞ্জস্যতা রেখে কুরআনের বিভিন্ন আয়াত, দু'আর সমন্বয়ে ৪৫ মিনিট থেকে এক বা দেড় ঘণ্টার একটি সেশন সাজানো হয়। এই সেশন কখনো কখনো বা রোগী বিশেষ ৩ ঘন্টাও হতে পারে, আরো বেশি সময় ও লাগতে পারে।
৩. অতঃপর কুরআনের আয়াত এবং দোয়াসমূহ সশব্দে পেশেন্টের উপর পাঠ করা হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনে বিভিন্ন পদ্ধতিও গ্রহণ করা হয় যেমন - দ্বরব, প্রেশার, ম্যাসাজ ইত্যাদি।
৪. সেশন চলাকালীন সময়ে পেশেন্ট শারীরিক এবং মানসিকভাবে যা অনুভব করে, তার মধ্য যেসব লক্ষণ বা প্রতিক্রিয়া বাহ্যিকভাবে প্রকাশ পায় এবং পেশেন্ট যা শুনতে পায় এবং চোখ বন্ধ অবস্থায় যা দেখতে পায়, চোখের সামনে যা ভেসে ওঠে—এগুলোর উপর ভিত্তি করে নির্ণয় ও নির্দিষ্ট করা হয় এবং রাক্বি বা রাক্বিদের একটি টিম আল্লাহ তা'আলার ইচ্ছায় রোগীর সমস্যা বা রোগ নির্ধারণে সক্ষম হন।
ডায়াগনোসিসের ফলাফলের উপর ভিত্তি করেই মূলত পরবর্তীতে মূল চিকিৎসা শুরু হয়।
লেখা:- Mufti Dilawar Hussain
Senior Raqi & consultant
©Sunnah Cure
15/06/23 ইং
ক্রেডিট ছাড়া পোস্ট টি আংশিক বা সম্পূর্ণ কপি করা নিষেধ।
আমাদের পোস্ট টি আপনাদের কাছে উপকারী মনে হলে লাইক শেয়ার করে সবার কাছে পৌঁছে দিন ইনশাআল্লাহ।
1 995
#ডায়াগনোসিস_রুকইয়াহ_কী?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ হচ্ছে রোগ নির্ণয় রুকইয়াহ পদ্ধতি। প্রতিটি চিকিৎসা বিজ্ঞানেই যে কোনো রোগের চিকিৎসা করার জন্য রোগ নির্ণয় একটি আবশ্যকীয় বিষয়। যেখানে রোগীর মধ্যে থাকা বিভিন্ন লক্ষণের উপর ভিত্তি করে রোগ নির্ণয় করা হয়। কিংবা নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে বা আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে পরীক্ষা করে দেখা হয় যে রোগটি কোন্ কারণে হয়েছে।
অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতির মতো রুকইয়ার ক্ষেত্রেও প্রতিটি রোগীর জন্য একটি ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ সেশন আবশ্যক । এটাকেই বলা হয় ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ। সুতরাং ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ হচ্ছে রোগ ও রোগের মূল কারণ বা উৎস নির্ণয় পদ্ধতি বা রুকইয়াহ সেশন।
অর্থাৎ ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ হচ্ছে পরীক্ষামূলক রুকইয়াহ। আপনার কোনো সমস্যা আছে কিনা বা সমস্যা থাকলে কোন ধরনের সমস্যা আছে এর পিছনে কি কারণ থাকতে পারে। কিংবা যে সমস্যায় ভুগছেন সেটি জ্বীন জাদু বদনজর হাসাদ সংক্রান্ত কি না বা জ্বীন জাদু বদনজর হাসাদ এর কারণেই হয়েছে কি না, যদি জ্বীন জাদুর কারণেই হয়ে থাকে তাহলে নির্দিষ্টভাবে কোন কারণে হয়েছে নাকি সবগুলোর জন্যই হয়েছে বা সবগুলো ই আপনার মধ্যে আছে কি না তা পরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই এবং নির্ণয় করা।
➤ ডায়াগনোসিস রুকইয়াহতে সাধারণত দুটি বিষয় নির্ণয় করা হয় -
১/- রোগীর রোগ বা সমস্যা নির্ণয় করা।
অর্থাৎ রোগীর উল্লেখিত সমস্যাটি আসলেই প্যারানরমাল সংক্রান্ত কি না এবং রোগীর মধ্যে আরো কি কি রোগ রয়েছে।
২/- রোগের মূল কারণ ও উৎস নির্ণয় করা।
অর্থাৎ এটা নির্ণয় ও নির্দিষ্ট করা যে, রোগীর মধ্যে জ্বীন জাদু বদনজর হাসাদ থেকে কি কি সমস্যা আছে নাকি সবগুলোই আছে। রোগীর উল্লেখিত সমস্যা বা আরো যে যে সমস্যা রয়েছে সেগুলো জ্বীন জাদু বদনজর হাসাদের কারণেই হয়েছে কি না, হলে মূলত কোনটির কারণে হয়েছে। জাদু হলে কোন প্রকারের, জ্বীন হলে সেটা কোন প্রকারের, আশিক জ্বীন নাকি জাদুর সেবক জ্বীন নাকি হাসাদ বদনজরের খাদেম জ্বীন ইত্যাদি।
➤ ডায়াগনসিস রুকইয়াহতে বিবেচ্য বিষয়
ডায়াগনোসিস রুকইয়াহতে সাধারণত কয়েকটি দিক বিবেচনা করা হয় যেমন -
১/ রোগীর শারীরিক অবস্থা
২/- রোগীর মানসিক অবস্থা
৩/- রোগী কি কি স্বপ্ন দেখে
৪/- রুকইয়ার সময় সময় রোগী কি কি ইফেক্ট/রিয়্যাকশন/প্রতিক্রিয়া হয়।
৫/- জ্বীনের দেওয়া বক্তব্য ও তথ্য।
বিঃদ্রঃ জ্বীন প্রচুর মিথ্যাবাদী। তাই জ্বীনের দেওয়া বক্তব্য ও তথ্য পুরোপুরি বিশ্বাস করা যাবেনা। জ্বিনের কথা সত্য ও হতে পারে মিথ্যাও হতে পারে। জ্বীনের কথার উপর শুধু ধারণা নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। সত্য হলে তো ভালই।
➤ রুকইয়াহ ডায়াগনোসিস কেন বা কখন করবেন?
চার অবস্থার প্রেক্ষিতে সাধারণত রুকইয়াহ ডায়াগনোসিস করার আবশ্যকতা দেখা দেয়।
প্রথমত, যখন কোনো ব্যক্তি নিজের মধ্যে বদনজর হাসাদ জ্বীন জাদু আক্রান্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ বা একাধিক লক্ষণ প্রকাশ হতে দেখে তখন নিশ্চিত হওয়ার জন্য ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করতে হয়।
অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন যে সমস্ত লক্ষণ আপনারা লেখেন বা বিভিন্ন রুকইয়াহ বইয়ে আছে সেগুলো তো শারীরিক মানসিক কারণে তথা প্রাকৃতিক কারণে বা মেডিকেল সংক্রান্ত সমস্যাও হতে পারে? এর হচ্ছে - হ্যা হতে পারে এজন্যই রুকইয়াহ চিকিৎসায় শুধু একটি লক্ষণের উপর ভিত্তি করেই রোগ নির্ণয় করা হয় না বরং একাধিক লক্ষণ, হিস্ট্রি শারীরিক মানসিক বিভিন্ন লক্ষণ ও স্বপ্ন সংক্রান্ত লক্ষণ এর উপর ভিত্তি করে সমস্যা নির্ণয় করা হয়। এছাড়াও যদি এত লক্ষণ কারো না থাকে তখন-ই মূলত রুকইয়াহ করে দেখতে হয়। রুকইয়াহতে ইফেক্ট হলেই তো স্পষ্ট হয়ে যাবে যে এটা মেডিকেল সংক্রান্ত না বরং প্যরানরমাল সংক্রান্ত। তবে কিছু সমস্যা এমন যে এর কোনো সাইন্টিফিক ব্যাখ্যা ও যুক্তি নেই, বা ব্যাখ্যা থাকলেও প্রতিকার ও প্রতিরোধ নেই। যেমন কোনো ব্যক্তি যে কাজেই যায় সেটাতেই বাধা প্রাপ্ত হয় ,অসফল হয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ব্যবসায় লস খায়, আয় উন্নতি হয় না, শুধু খরচ ই হয়, দিন দিন ঋণগ্রস্ত হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। সুতরাং সব রোগ কে ই প্রাকৃতিক বা মেডিকেল সংক্রান্ত বলা যায় না।
দ্বিতীয়ত, কখনো যদি এমন হয় যে রোগীর বিভিন্ন ধরনের শারীরিক মানসিক সমস্যা প্রকাশ পাচ্ছে, শারীরিক মানসিক বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে কিন্তু প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে দীর্ঘদিনেও কোনো সমাধান বা উপকার কিংবা অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না। তাহলে এ অবস্থায় ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করে দেখা জরুরি।
তৃতীয়ত, আবার দেখা যায় রোগী শারীরিক মানসিক বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে কিন্তু প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পরও কোনো সমস্যা বা রোগ ধরা পড়ে না, রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হয় না, রিপোর্ট নরমাল আসে—এমন অবস্থায়ও ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করা আবশ্যক।
1 995
ছোট বিমানে করে আমাজনের গভীর জঙ্গলের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের বিমান বিধ্বস্ত হয়। পাইলট ও মা মারা যায়। ১৩, ৯, ৪, ১ বছরের চার ভাইবোন ৪০ দিন আমাজনের জঙ্গলের গভীরে অনেক সংগ্রাম করে টিকে থাকে!
ভাষ্যমতে, তারা ছিলো একটি উপজাতি গোষ্ঠীর। তাই জঙ্গলের কিভাবে বেঁচে থাকতে হয়, এটা তারা জানতেন! যদি ও সেটা ছিলো, প্রচন্ড কষ্ট ও প্রতিটি মুহুর্ত মৃত্যুর আশংকায়!
আর আমাদের কি অবস্থা দেখেন! বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করে ও ১০০০ টাকার কাঁচা বাজার করে আনতে পারে না! মা না থাকলে, ১ বেলা রান্না করে খাওয়ার মুরোদ নেই! পুরোই ব্রয়লার মুরগির মতো অবস্থা! একটু গরম বেশি পরলে, একটু শীত বেশি পরলে এদের কাউমাউ এ টেকা কঠিন!
পুরাই শারীরিক ও মানসিক ভাবে অকর্মণ্য ও পঙ্গু হয়ে বড় হচ্ছে বর্তমান প্রজন্ম!
1 995
#বাউবির_বিএ/বিএসএস_ডিগ্রি কোর্সের ভর্তির তথ্যঃ ভর্তির আগে বিস্তারিত জেনে নিন।
✅ডিগ্রি ভর্তি ১ জুন থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে
★ ভর্তির নুন্যতম যোগ্যতাঃ এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
★ কোর্সের মেয়াদ: ৩ বছর।
★সেমিস্টার সংখ্যাঃ ৬ (৬ মাস মেয়াদী)
★ সর্বমোট কোর্স বা (বই) এর সংখ্যাঃ ২০টি (৪+৪+৩+৩+৩+৩)
★ টিউটোরিয়াল ক্লাসঃ শুক্রবার।
★ স্টাডি সেন্টারঃ সারাদেশে স্টাডি সেন্টার রয়েছে। আবেদনের সময় আপনার নিকটস্থ স্টাডি সেন্টার সিলেক্ট করবেন।
★ভর্তি সম্পূর্ণ অনলাইনে হতে হবে এবং অনলাইনে প্রদত্ত তথ্য পূরণ করতে হবে। শিক্ষার্থীর সদ্য তোলা স্ক্যান করা ছবি (৩০০×৩০০ পিক্সেল) ও স্বাক্ষরের স্ক্যান করা কপি (৩০০×১০০ পিক্সেল) সংযুক্ত করতে হবে। দোকানে গেলে করে দিবে।
➬ বিকাশ/নগদ/ডিবিবিএল/শিওর ক্যাশের মাধ্যমে বাউবির নির্ধারিত ফি (৩৮৯০ টাকা) ও সংশ্লিস্ট চার্জসহ প্রদান করতে হবে।
➬ট্রানজিকশন আইডি ও মোবাইল নম্বার নির্দিষ্ট স্থানে পূরণ করে Submit বাটন ক্লিক করলে একটি SMS এ “Temporary user id ও password সহ Payment Successful” Message পাওয়ার মাধ্যমে Online আবেদন সম্পন্ন হবে।
➬প্রাপ্ত User id ও Password ব্যবহার করে প্রদর্শিত আবেদন পত্রটি প্রিন্ট করতে হবে। (👉👉ইউজার আইডি পাসওয়ার্ড পরবর্তী সেমিস্টারে টাকা জমা দিতে লাগবে তাই কোথাও লিখে রাখবেন যাতে না হারায়। এটা কাউকে দিবেন না)
➬ Online এ আবেদন সম্পন্ন করার ১ সপ্তাহ অথবা ৭ কার্য দিবসের মধ্যে প্রিন্টকৃত আবেদন পত্রসহ নিম্মোক্ত কাগজপত্র বাউবির আঞ্চলিক কেন্দ্র/উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রে জমা দিতে হবে।
➠ এসএসসি ও এইচএসসি সার্টিফিকেট ও মার্কশীট।
➠ চারিত্রিক সনদপত্র।
➠ জাতীয় পরিচয়পত্র।
➬ বাউবির আঞ্চলিক কেন্দ্র/উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় তথ্য ও সার্টিফিকেটসমূহ যাচাই-বাছাইপূর্বক সত্যায়িত করে ভর্তির জন্য মনোনীত প্রার্থীকে Online এ Active করার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।
#ভর্তি বাবদ টাকার পরিমাণঃ
➠ ভর্তি ফরম ফি: ১০০ টাকা।
➠ রেজিস্ট্রেশন ফি- ২০০ টাকা
➠ কোর্স ফি: ২৯৪০ (৭৩৫ টাকা করে ৪টি কোর্স))
➠ পরীক্ষার ফি: ৩০০ টাকা।
➠ সিমেস্টার নম্বারপত্র ফি: ১০০ টাকা।
➠ ডিজিটাল/প্লাস্টিক আইডি কার্ড ফি: ২০০ টাকা।
➠ একাডেমিক ক্যালেন্ডার ফিঃ ৫০ টাকা।
➠ সর্বমোট প্রদেয় টাকাঃ ৩৮৯০ টাকা (পেমেন্ট চার্জ ব্যতীত) বাউবিকে প্রদান করতে হবে।
👉এবং যেই দোকানে আবেদন করবেন দোকানদার ২০০,৩০০ টাকা নিবে তার খরচ।
## ১ম সেমিস্টারের বিষয়সমূহঃ (আবশ্যিক বিষয়) সবার জন্য এক।
১। বাংলা-১
২। ইংরেজী
৩। সিভিক এডুকেশন-১
৪। সিভিক এডুকেশন-২
👉অপনি ২য় সেমিস্টারে রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে ইউজার পাসওয়ার্ড দরকার হবে।
#২য় সেমিস্টারের বিষয়সমূহঃ
বাংলা ২ (আবশ্যিক) ও অন্যান্য তিনটি বিষয় নির্বাচন করে মোট ০৪ টি বিষয় সিলেক্ট করতে হয়।
৫। ০৩ টি বিষয় নির্বাচনের বিবেচ্য বিষয়সমূহঃ
ক-গ্রুপ: ইতিহাস, ইসলাম শিক্ষা, দর্শন।
খ-গ্রুপ: রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজতত্ত্ব, অর্থনীতি, ভূগোল ও পরিবেশ।
বিঃদ্রঃ
(a) ক-গ্রুপ থেকে ০২ টি বিষয় ও খ-গ্রুপ থেকে ০১ টি বিষয় নির্বাচন করা হলে বিএ (ব্যাচেলর অব আর্টস) ডিগ্রী গণ্য হবে।
(b) ক-গ্রুপ থেকে ০১টি বিষয় ও খ-গ্রুপ থেকে ০২টি বিষয় নির্বাচন করা হলে বিএসএস (ব্যাচেলর অব সোস্যাল সায়েন্স) ডিগ্রী গণ্য হবে।
(c) কোনভাবেই একই গ্রুপ থেকে ০৩ টি বিষয় নির্বাচন করা যাবে না।
#আশা করি সবাই বুজতে পেরেছেন।
#ধন্যবাদ।
¡Ya disponible! Investigación de Telegram 2025 — los principales insights del año 
