1 995
مشترکین
-124 ساعت
+17 روز
+530 روز
آرشیو پست ها
1 995
কবর খনন ও লাশ দাফন করার সুন্নতি পদ্ধতি ও আমাদের দেশিও বিদআত | Sheikh Motiur Rahman Madani
কবর খননের সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি কী
------------------------------------------------
আমাদের দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন পদ্ধতির কবরের প্রচলন রয়েছে। কিন্তু অনেকেরই কবর খননের সঠিক ও সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি জানা নেই। কোন্ তরিকায় কিভাবে এবং কতুটুকু কবর খনন করতে হয় তা আমরা অনেকেই জানি না। তাই নিম্নে সংক্ষিপ্ত আকারে কবর খননের পদ্ধতি আলোচনা করা হলো।
কবর দুই ধরনের। ১. ‘লাহদ’ বা বগলী কবর। ২. ‘শাক্ব’ বা সিন্দুকী কবর।
‘লাহদ’ বা বগলী কবর হলো, প্রথমে স্বাভাবিক নিয়মে চার কোণা করে পুরো কবর খনন করবে। অতঃপর কিবলার দিকের দেয়ালের মধ্যে নিচে লম্বালম্বি করে একটি গর্ত খনন করবে। তারপর ঐ গর্তের মধ্যে লাশ রেখে কাঁচা ইট অথবা বাঁশ খাঁড়া করে দিয়ে গর্তের মুখ পুরোপুরি বন্ধ করে দিবে। সবশেষে কবর থেকে বের হওয়া সবগুলো মাটি ঢেলে কবর পূর্ণ করে দিবে।
আর ‘শাক্ব’ বা সিন্দুকী কবর হলো, স্বাভাবিক নিয়মে চার কোণা করে পুরো কবর খনন করবে। এরপর নিচের দিকে গিয়ে কবরের মাঝ বরাবর লম্বালম্বি করে লাশ শোয়ানোর মতো ছোট একটি গর্ত খনন করবে। তারপর সেই গর্তে লাশ রাখার পর উপরে কাঁচা ইট বা বাঁশ বিছিয়ে দিয়ে গর্তের মুখ পুরোপুরি বন্ধ করে দিবে। এতে কবরটি ছাদ বিশিষ্ট সিন্দুকের মতো দেখা যাবে। এরপর কবরে মাটি ঢেলে দাফনকাজ পূর্ণ করবে।
যেসব জায়গার মাটি শক্ত ও মজবুত সেসব জায়গায় বগলী কবর খনন করা সুন্নত। আর যেসব জায়গার মাটি নরম, বগলী কবর করলে মাটি ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেসব জায়গায় সিন্দুকী কবর করবে।
আমির ইবনে সা’দ ইবনে আবূ ওয়াক্কাস রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন-
أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ فِي مَرَضِهِ الَّذِي هَلَكَ فِيهِ: الْحَدُوا لِي لَحْدًا وَانْصِبُوا عَلَىَّ اللَّبِنَ نَصْبًا كَمَا صُنِعَ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
সা’দ ইবনে আবূ ওয়াক্কাস রা. তাঁর মৃত্যু-পীড়ায় আক্রান্ত অবস্থায় বললেন, আমার জন্য তোমরা লাহদ (বগলী) কবর তৈরী করবে এবং (কবরে শোয়ানোর পর) আমার উপরে কাঁচা ইট খাঁড়া করে দিবে যেভাবে করা হয়েছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দাফনের ক্ষেত্রে। -সহীহ মুসলিম, হাদীস: ৯৬৬
আর কবরের গভীরতা সর্বনিম্ন নাভি পর্যন্ত থেকে সর্বোচ্চ একজন মধ্যম গড়নের ব্যক্তি দু’হাত উপরে তুলে দাঁড়ালে যতটুকু লম্বা হয় ততটুকুর মধ্যে রাখবে। তবে উল্লেখিত পরিমাণের মধ্যে যে এলাকায় যেটা প্রচলিত আছে সে এলাকায় সে পরিমাণই গভীর করা উচিত।
আর কবরের দৈর্ঘ্য হবে মৃতের দৈর্ঘ্য সমান এবং প্রস্থ হবে দৈর্ঘ্যের অর্ধেক বা তারচেয়ে কিছুটা কম।
-মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ১১৭৮৩, ১১৭৮৪, ১২১৭৭ হালবাতুল মুজাল্লী ২/৬২২; আলবাহরুর রায়েক ২/১৯৩; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৬৬; রদ্দুল মুহতার ২/২৩৪; ফাতাওয়া রহীমিয়া ৭/৬৬
উল্লেখ্য যে, মৃত ব্যক্তিকে ডান কাত করে সীনা ও চেহারা কেবলামুখী করে শোয়ানো সুন্নত। চিৎ করে শুইয়ে শুধু চেহারা ডান দিকে ঘুরিয়ে দেয়ার দ্বারা সুন্নত আদায় হবে না। তাই পূর্ণ ডান কাতে শোয়ানোর জন্য কবরের পূর্ব দেয়ালে টেক লাগিয়ে শোয়াবে কিংবা এমনভাবে কবর খনন করবে যেন লাশ কবরে রাখলে তা সহজেই কিবলামুখী হয়ে যায়।
-সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৮৬৭; আলমুহীতুল বুরহানী ৩/৯০; বাদায়েউস সানায়ে ২/৬৩; শরহুল মুনইয়া, পৃ. ৫৯৭; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২২৬
#সংগৃহিত
1 995
১০টি জরুরি ওষুধ, যা অবশ্যই সবসময় আপনার বাসায় রাখবেন(টাইমলাইনে রেখে দিন)
১.টাইমনিয়াম মিথাইলসালফেট (Tiemonium Methylsulfate)
২.সিলভার সালফাডায়াযিন অয়ন্টমেন্ট (Silver sulfadiazine ointment)
৩. ট্রামাডল (Tramadol)
৪. এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল (Esomeprazole/omeprazole)
৫. এন্টাসিড(Antacid)
৬. ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Saline)
৭. ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটাডিন (Fexofenadine/ Rupatadine)
৮. প্যারাসিটামল (Paracetamol)
৯. পোভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment)
১০. ডমপেরিডিন(Domperidone)
কতটুকু কাজে লাগাবেন?
★★ টাইমোনিয়াম সালফেট (Tiemonium sulphate)
যেকোন প্রকার পেটে ব্যাথার ক্ষেত্রে বিশেষ করে পিরিয়ডের প্রথম কয়েক দিনের ব্যথায় ব্যবহার করা যায়। এটা খেয়েও ভালো না হলে দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন।
★★ সিলভার সালফাডিয়াযিন (Silver sulfadiazine cream)
হালকা পুড়ে গেলে প্রথমে পোড়া জায়গাটি কলের পানির নিচে ধরুন ১৫-২০ মিনিট। পানি শুকিয়ে গেলে যত্ন সহকারে পোড়া জায়গায় সিলভার সালফাডিয়াযিন অয়েন্টমেন্ট দিন।
★★ ট্রামাডল (Tramadol)
মাঝারি ব্যথায় ভরা পেটে এটি খেতে পারেন। তারপরও ব্যথা না কমলে ডাক্তার দেখান।
★★ এসোমিপ্রাজল/ওমিপ্রাজল (Esomeprazole/Omeprazole)
অধিকাংশ মানুষই কোন না কোন সময় বুক জ্বলা বা গ্যাসের সমস্যায় ভুগতে হয়; বিশেষ করে ভরপেট খাওয়ার পর। এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল পাকস্থলীতে অ্যাসিড গঠন কমিয়ে বুক জ্বলা কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় গ্যাসের জন্য অনেকটা হার্ট অ্যাটাকের মত বুকে ব্যাথা হয়, এজন্য ৩০ মিনিটের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যোগাযোগ করুন।
★★ এন্টাসিড সিরাপঃ
বুক জ্বলা এবং গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য ২ চামচ করে এন্টাসিড সিরাপ খেতে পারেন।
★★ ওরস্যালাইন(Oral Rehydration Saline)
ডায়রিয়ার সময় খুব সহজেই শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যায়। প্রত্যেকবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর স্যালাইন খাওয়া উচিত।
★★ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটিডিন (Fexofenadine/Rupatadine)
এই অ্যান্টিহিস্টামিনগুলো তুলনামুলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ। যাদের অ্যালার্জি আছ তারা দিনে একবার ফেক্সোফেনাডিন বা রুপাটিডিন নিলে হাঁচি ও নাক থেকে পানি পড়ার উপশম হবে। চুলকানির অনুভুতি কমবে।
★★ প্যারাসিটামল (Paracetamol)
জ্বরের জন্য প্রথমে একটি প্যারাসিটামল খেতে পারেন। জ্বর বাড়লে (<১০২F) বা ৩ দিনের বেশি জ্বর থাকলে ডাক্তার দেখান।
★★পভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment)
কাটা-ছেড়ার জায়গায় পভিডন-আয়োডিন অয়েন্টমেন্ট দিতে পারেন।
★★ ডমপেরিডনঃ(Domperidone):
পেটে গ্যাস হলে বা বমি কিংবা বমির ভাব হলে এই ওষুধটি প্রাথমিকভাবে খেতে পারেন।
বি. দ্র.
প্রতিটি ওষুধ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম আছে।
আজকের যা বলেছি সেগুলো শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে যাতে ব্যবহার করতে পারেন সেজন্য বলেছি কিন্তু এগুলো জরুরি প্রয়োজনে সেবন করেও যদি সমস্যা না কমে তাহলে দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন।
ডা.মাহামুদুল ইসলাম চৌধুরী
এমবিবিএস,বিসিএস স্বাস্থ্য
আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক আই ডিঃ
https://www.facebook.com/mahamudulislamchowdhury.mamun
1 995
#গুরুত্বপূর্ণ_নোটিশ...
আপনি যেখানে হোঁচট খেয়ে শেষ মনে করতেছেন বাউবি আপনাকে সেখান থেকে নিয়ে যাবে আপনার ধারপান্তে...
আপনি যদি ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম শ্রেণীর পর আর পড়াশোনা না করে থাকেন, কিন্তু এখন নতুন করে আবারও পড়াশোনা শুরু করতে চান তাহলে বাউবির এসএসসি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন।
#যাহা_প্রয়োজন
শুধু ভোটার কার্ড এবং জম্ন নিবন্ধন যে কোনো একটা থাকলেই হবে। নূন্যতম বয়স ১৪ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ বছর পর্যন্ত ও পড়াশোনা করতে পারবেন। শুধুমাত্র আপনাকে সাধারণ জ্ঞান ভিত্তিক একটা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। অনেকেই হয়তো অনেক যায়গায় চাকরি করেন কিন্তুু এসএসসি সার্টিফিকেট না থাকার কারণে পদোন্নতি পাচ্ছেন না তাদের জন্য এটা খুব বড় একটা সুযোগ করে দিলো বাউবি।
ধন্যবাদ প্রিয় বাউবি কর্তপক্ষ ❤️
1 995
আপনি কি শারীরিক শক্তির জন্য বাজার থেকে এনার্জি ড্রিংক কিনে খাচ্ছেন? আপনি হয়তো জানেন না এলকোহলের সাথে আরো কি কি ক্ষতিকর উপাদান আপনার শরীরে যাচ্ছে।
তবে এখন আর শক্তির জন্য কথিত এনার্জি ড্রিংক নয়, নিজেই তৈরী করুন শক্তিবর্ধক সুন্নতী শরবত নাবীয (نَبِيْذٌ)।
আপনি হয়তো জেনে খুশি হবেন, আজকে নাবীয তৈরির যে রেসিপিটা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো সেটা আমাদের প্রিয় নবীজি উনার অত্যন্ত পছন্দের একটি পানীয় এবং তিনি নিয়মিত পান করতেন।
তাহলে চলুন যেনে নেই কিভাবে আপনার ঘরে তৈরী করবেন সুন্নতী পানীয় নাবীয?
উপকরন: খেজুর ও পানি
প্রস্তুত প্রণালী: (যদি সকালে পান করতে চান তাহলে রাতে ঘুমানোর আগে এটি করুন) ৫-৬টি খেজুর নিন, বিচি ফেলে ১ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন এবং গ্লাসটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন। সকালে পানি থেকে খেজুর আলাদা করুন অথবা সরাসরি পান করুন। খেজুরের এই পানি-ই হচ্ছে শক্তিবর্ধক পানীয় নাবীয।
এবার আসুন জেনে নেই নাবীয সম্পর্কিত পবিত্র হাদীছ শরীফ। নাবীয বিষয়ে অনেক হাদীছ শরীফ পাওয়া যায়। একটি উল্লেখ করছি-
উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য সকালে নাবীয তৈরি করতেন। যখন রাত হতো তিনি তা পান করতেন। অতঃপর তিনি রাতে (পূনরায়) নাবীয তৈরি করতেন। যখন সকাল হতো তিনি তা পান করতেন। ‘উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, আমি সকাল-সন্ধ্যায় নাবীয পাত্র ধুয়ে নিতাম। হযরত মুকাতিল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমার পিতা উনার খিদমতে প্রশ্ন রাখেন, দৈনিক দুইবার? তিনি জওওয়াব মুবারক দিয়ে বলেন, হ্যাঁ, দুইবার।” (আবূ দাঊদ শরীফ)
তাহলে আজই তৈরি করে ফেলুন সুন্নতী নাবীয। পান করে কমেন্টে জানান কেমন লাগলো। ভালো লাগলে অবশ্যই পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।
সকলের সুস্বাস্থ্য কামনায় করছি।
1 995
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন কোর্স করতে সর্বমোট কত টাকা খরচ হয়?
SSC: 10,500/-
HSC: 11,000/-
BA/BSS (Degree): 20,000/-
BA/BSS (Hons)- 46,000/-
BBA (Bangla)- 40,000/-
BBA (English)- 45,000/-
1 995
📌গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহৃত কিছু আরবী শব্দ ও অর্থ:
১.জাযাকাল্লাহু খায়রান :অর্থ -"আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।"
(ছেলেদের ক্ষেত্রে জাযাকাল্লাহ আর মেয়েদের ক্ষেত্রে জাযাকিল্লাহ)
এর উত্তরে বলতে পারেন-
২.বারাকাল্লাহ: অর্থ -"আল্লাহ আপনাকে বরকত দান করুক।" অথবা "ওয়া ইয়্যাকি" অর্থ আপনিওও
(ছেলে হলে ওয়া ইয়াক আর মেয়ে হলে ওয়া ইয়্যাকি)
এর উত্তরে বলতে পারেন.
৩.আমীন: অর্থ -''কবুল করুন।
৪.শুকরান: অর্থ - ধন্যবাদ।
৫.আফওয়ান :অর্থ-" ক্ষমা করবেন।
৬.আহলান ওয়া সাহলান: অর্থ -''স্বাগতম। '' একে আমরা ইংরেজিতে 'Welcome'
অর্থে ব্যবহার করি।✨
1 995
"আল্লাহর কসম করে বলছি আমি যদি ১০০ টা কাজের মধ্যে ৯৯ টা সঠিক ও একটা ভুল করি মানুষ শুধুমাত্র সেই ভুলটা নিয়েই কথা বলবে।"
.
- আল শা’বিঈ (রহ:) [মৃত্যু: ১০৩ হিজরী]
তাই রবের পথে অবিচল থাকতে হবে, আল্লাহ আমাদের হাজারটা গুনাহ ক্ষমা করে দেন একটা পূর্ণের জন্য।
আল্লাহুম্মাগফিরলী
1 995
স্ত্রীর সাথে পর্যাপ্ত সময় কাটান, এতে আপনার শারীরিক মানসিক চাহিদাগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
আর আপনার শারীরিক মানসিক চাহিদাগুলো যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাহলে আপনার মাথায় কখনো অন্য নারীর প্রতি আকর্ষণ, অশ্লীল কোনো চিন্তা আসবে না ইনশাআল্লাহ।
.
আপনি যেমন আপনার স্ত্রীর প্রতি তৃপ্ত থাকবেন, তেমনি, আপনার স্ত্রীও প্রানবন্ত থাকবেন ইনশাআল্লাহ।
এতে করে অশ্লীলতা থেকে বেঁচে যাবেন, যিনা করার চিন্তা মাথায় আসবে না এবং নজরের হিফাযতও হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
.
রাসূলে কারীম ﷺ বলেছেন,
তোমাদের দৃষ্টিকে নীচু কর, নিয়ন্ত্রিত কর এবং তোমাদের লজ্জাস্থানের সংরক্ষণ করো। (মু‘জামুল কাবীর:৮০১৮)
যে নিজের লজ্জাস্থানের হিফাযত করবে, সংযত করবে; রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। (বুখারী:৬৪৭৪)
একদা নবী করীম ﷺ অপরিচিতা স্ত্রীলোককে দেখতে পান। অতঃপর তিনি (তাঁর স্ত্রী) যায়নাব বিনত জাহশের নিকট গমণ করেন এবং তাঁর দ্বারা নিজের কামনা পূর্ণ করেন। অতঃপর তিনি তাঁর সাহাবীদের নিকট গমন করে তাদেরকে বলেন, নিশ্চই মহিলারা শয়তানের ন্যায়, পুরুষের মনের মধ্যে ওয়াস্ওয়াসার (ধোঁকার) সৃষ্টি করে। আর যে ব্যক্তি এই অবস্থায় পতিত হবে, সে যেন তার স্ত্রীর নিকট গমণ করে এবং (তার সাথে সহবাসের দ্বারা) তার অন্তরের সৃষ্ট দুর্বলতা যেন দূরীভূত করে। (সূনান আবু দাউদ:২১৪৮)
রাসূলুল্লাহ ﷺ আরো বলেছেন,
হে যুবক সম্প্রদায়! তোমাদের মধ্যে যে বিবাহের সামর্থ্য রাখে সে যেন অবশ্যই বিবাহ করে। কেননা বিবাহ দৃষ্টি অবনত করে ও লজ্জাস্থানের অধিক অধিক হিফাযাত করে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন সওম (রোযা) রাখে। কেননা, সওম তার জন্য ঢালস্বরূপ (অর্থাৎ- অবৈধ যৌনচাহিদা থেকে বিরত রাখে)। (মিশকাত:৩০৮০)
.
মহান আল্লাহ আমাদের অশ্লীলতা, যিনা থেকে রক্ষা করুন; আমাদের পরকালমুখী জীবনযাপনের তাওফিক দিন।
1 995
জীবনসঙ্গী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখবো?🤔
🛑 আমরা যখন বৈবাহিক সম্পর্কে থাকি তখন 𝐑𝐞𝐥𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐬𝐡𝐢𝐩 𝐆𝐨𝐚𝐥𝐬 বলতে কি বুঝি? 𝐑𝐞𝐥𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐬𝐡𝐢𝐩 𝐆𝐨𝐚𝐥𝐬 বলতে কিন্তু শুধু বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই বোঝায় না এর বাইরেও আমাদের অনেক সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়াও আমাদের জীবনে অনেক টক্সিক মানুষ চলে আসে তাদের সাথে আমাদের সম্পর্কটা ঠিক কেমন হওয়া উচিত?
◼ প্রচুর পরিমাণে ক্লাইন্ট/ পেশেন্ট দেখার সুবাদে আমরা যেটা দেখি যে বিয়ে ভীষণ বড় একটা 𝐈𝐧𝐯𝐞𝐬𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭। আমাদের জীবনে বা শুধু বিয়ের কথা যদি না বলি তাহলে আপনি আপনার জীবনে পার্টনার হিসেবে কাকে বেঁছে নিচ্ছেন এবং কার সাথে আপনি দীর্ঘকালীন কমিটেড সম্পর্কে যাচ্ছেন সেই সিদ্ধান্তটা অনেক যত্ন সহকারে, ভেবে চিন্তে নেওয়ার দরকার রয়েছে কারণ এই সিদ্ধান্তে যদি ভুল হয় তাহলে সারা জীবন এক ধরণের ভোগান্তির ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সবাই চাই আমাদের ঘর দিন শেষে আমাদের শান্তির জায়গা হোক কিন্তু সেই ঘর থেকে যদি শান্তি হাওয়া হয়ে কর্পূরের মত উবে যায় তখন অন্য যেকোনো জায়গায় আমরা যতই সাফল্যের মুখ দেখি না কেন আমরা সেই সাফল্যটা কখনো উপভোগ করতে পারবো না।
◼ যেই সময়টাতে আমরা বাস করছি সেখানে আমরা যদি 𝐘𝐨𝐮𝐧𝐠 𝐆𝐞𝐧𝐞𝐫𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 এর দিকে তাকাই তাহলে আমরা দেখতে পাব যে অনেকের মধ্যেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, ঠিক এই জায়গাটতেই একটু বাড়তি সচেতনতার দরকার রয়েছে। এই সম্পর্কগুলো যদি আমরা খুব কাছ থেকে দেখি তাহলে খেয়াল করব যে এই সম্পর্কগুলোতে অনেক বেশি 𝐈𝐦𝐩𝐮𝐥𝐬𝐢𝐯𝐢𝐭𝐲 কাজ করে। অপ্রিয় সত্য কথা হলো মানুষ যখন প্রেমে পরে তখন সে কোন প্রকার যুক্তি শুনতে ও বুঝতে চায় না । এই পর্যায়ে ভুল করে বসলে যে ধরণের 𝐓𝐫𝐚𝐮𝐦𝐚’র মুখোমুখি হতে হয়, সেটা সামলে ওঠা বেশ কঠিন। শতভাগ না হলেও কিছু সচেতনতা আমাদের এখানে 𝐏𝐫𝐨𝐭𝐞𝐜𝐭𝐢𝐨𝐧 দিতে পারে।
◼ আমাদের প্রজন্মে যেটা হয়ে থাকে যে আমরা প্রায় সময়েই 𝐏𝐞𝐞𝐫 𝐏𝐫𝐞𝐬𝐬𝐮𝐫𝐞 থেকে সম্পর্কে জড়িয়ে যাই, ব্যাপারটা এমন যে- আমার বন্ধুরা প্রেম করছে তাই আমিও করব টাইপ অবস্থা বা অনেক সময়ে আমার একটা প্রেমের সম্পর্ক আছে এই বিষয়টা আমার 𝐏𝐞𝐞𝐫 গ্রুপে আমাকে একজন 𝐒𝐦𝐚𝐫𝐭 বা 𝐂𝐨𝐨𝐥 মানুষ হিসেবে তুলে ধরে অথবা শুধু সময় কাটানোর জন্য, মজা করার জন্যেও অনেকে আমরা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পরি- ঠিক এই জিনিসগুলো নিয়েই আমাদের বাড়তি করে ভাবার দরকার রয়েছে।
◼ প্রতিটা সম্পর্কে আমাদের কিছু 𝐄𝐦𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 𝐈𝐧𝐯𝐞𝐬𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭 থাকে আর সময় গড়িয়ে যাওয়ার পর সেটা যখন ভেঙে যায় তখন সেখানে অবশ্যই 𝐇𝐞𝐚𝐫𝐭 𝐁𝐫𝐞𝐚𝐤 আছে। এই 𝐇𝐞𝐚𝐫𝐭 𝐁𝐫𝐞𝐚𝐤 অল্প ও লম্বা সময় দুইভাবেই আমাদেরকে বিষণ্ণতার দিকে ঠেলে দেয়। আবার অনেক সময় একটা সম্পর্ক থেকে বের হওয়ার সাথে সাথেই 𝐑𝐞𝐯𝐞𝐧𝐠𝐞 নেওয়ার জন্য ঝোঁকের মাথায় আবেগী হয়ে আরও একটি সম্পর্কে জড়িয়ে পরার প্রবণতাও তৈরি হয়। এ ধরনের 𝐑𝐚𝐧𝐝𝐨𝐦 𝐑𝐞𝐥𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐬𝐡𝐢𝐩 এর 𝐂𝐮𝐥𝐭𝐮𝐫𝐞 কে আমাদের প্রজন্ম যে 𝐍𝐨𝐫𝐦𝐚𝐥𝐢𝐳𝐞 করে ফেলতে চাচ্ছে, মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকে ভেবে দেখতে গেলে ব্যাপারটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।
◼ বাহ্যিক দিক থেকে যে বিষয়গুলো আমাদেরকে তীব্রভাবে আকর্ষণ করে সেই বিষয়গুলোর আকর্ষণ ক্ষণিকের হয়ে থাকে। তাই বিশেষ করে 𝐘𝐨𝐮𝐧𝐠 𝐆𝐞𝐧𝐞𝐫𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 কে বলতে চাইব যে উল্টো দিকের মানুষটার 𝐂𝐨𝐫𝐞 বা 𝐈𝐧𝐧𝐞𝐫 𝐒𝐞𝐥𝐟 কে আপনি দেখতে পান কি না ! গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা এখানে উল্লেখ করতে চাইব যে সৌন্দর্য বা 𝐁𝐞𝐚𝐮𝐭𝐲’র বয়সের সাথে একটা যোগসূত্র রয়েছে অর্থ্যাৎ আপনি যখন বেশ 𝐘𝐨𝐮𝐧𝐠 তখন আপনার চেহারায় সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বলতা প্রকাশ পাবে কিন্তু ধীরে ধীরে যখন আপনার বয়স বাড়বে সেই উজ্জ্বলতা আর থাকবে না, চামড়ায় ভাজ পড়বে, ত্বকে বলি রেখা দেখা দেবে, চুল পড়বে ও পেকে যাবে, হাটুতে ব্যথা হবে ইত্যাদি। আমরা কেউই আজীবন মতো সুন্দর থাকব না। তাই আমরা যখন 𝐀𝐟𝐟𝐚𝐢𝐫 এ থাকি এবং পরবর্তীতে যখন 𝐂𝐨𝐦𝐦𝐢𝐭𝐞𝐝 𝐑𝐞𝐥𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐬𝐡𝐢𝐩 এ থাকব সে দুটোর স্ট্যান্ডার্ড যেন এক হয় সে বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে।
📍এই 𝐖𝐫𝐢𝐭𝐞-𝐮𝐩-টি লেখা হয়েছে “𝐄𝐦𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 𝐒𝐞𝐥𝐟𝐜𝐚𝐫𝐞” কোর্স থেকে। আমাদের 𝟏-𝐘𝐞𝐚𝐫 𝐒𝐮𝐛𝐬𝐜𝐫𝐢𝐩𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐏𝐥𝐚𝐧-টিতে 𝐄𝐦𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 𝐒𝐞𝐥𝐟𝐜𝐚𝐫𝐞-সহ 𝐋𝐢𝐟𝐞𝐒𝐩𝐫𝐢𝐧𝐠-এর আরো ১১টি 𝐅𝐥𝐚𝐠𝐬𝐡𝐢𝐩 𝐂𝐨𝐮𝐫𝐬𝐞 পাচ্ছেন ১ বছরের জন্য মাত্র ৯,৯৯০ টাকায়। সাবস্ক্রিপশন প্ল্যানটি 𝐏𝐮𝐫𝐜𝐡𝐚𝐬𝐞 করতে 𝐂𝐥𝐢𝐜𝐤 করুন 𝐂𝐨𝐦𝐦𝐞𝐧𝐭-এ দেওয়া 𝐋𝐢𝐧𝐤-এ 👇
1 995
কিছু প্রয়োজনীয় অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস রিভিউ-
১) Remini - ফটো এডিটিং এপ্স। এটা পুরানো সাদা কালো অস্পষ্ট ছবিকে একদম নতুন, জীবন্ত করে দেয়। অবিশ্বাস্য রকমের পরিবর্তন করে দেয় ছবিকে।
২)LastPass - আমরা অনেক অনেক ওয়েবসাইটে অনেক একাউন্ট ইউজ করি। একেকটার একেক পাসওয়ার্ড। সবসময় মনে রাখা কস্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এই অ্যাপে সব ইউজারনেম,পাসওয়ার্ড এনক্রিপ্টেড থাকে সেইফলি।
৩) Notion - আমরা সাধারনত নোট করার জন্য ফোনের ডিফল্ট এপ ইউজ করি। কিন্তু নোশন অ্যাপ টা এতটা অর্গানাইজ করা না ইউজ করলে বুঝবেন না। কম্পিউটার প্রোগ্রামার,ডেভেলপার দের জন্য এটা আদর্শ একটা এপ্লিকেশন
৪) Youtube Revanced - ইউটিউব চালানোর সময় আমরা স্ক্রিন লক করলে ইউটিউব আর চলেনা। এক্ষেত্রে Revanced ইউজ করলে আপনি স্ক্রিন লক করেও ইউটিউব চালাতে পারবেন। এড এর প্যারাও নাই। প্লে স্টোরে এভেইলেবল না। গুগলে পাবেন।
৫) Google Keeps- গুগলের একটি সিম্পলের মধ্যে গর্জিয়াস নোট এপ্স। নোট নেওয়ার ক্ষেত্রে প্যারা খেতে হয়না। গুগলে অটোমেটিক সিংক হতে থাকে। সুতরাং আপনার জিমেইল কানেক্ট করে যেকোনো ডিভাইসে নোটগুলো দেখতে পারবেন।
৬) টেলিগ্রাম- এইটা একটা মাস্টারপিস এপ্লিকেশন। কি নেই তাতে! টেলিগ্রামে অডিও কলে কথা বলা যায়,ভিডিও কলেও সংযুক্ত থাকা যায়, ফাইল শেয়ারিং এর জন্য বেস্ট প্লাটফর্ম। আপনি আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইল টেলিগ্রামে চ্যানেল খুলে রাখতে পারেন অথবা Saved Message অপশনে রাখতে পারেন। যত ধরনের প্রিমিয়াম জিনিসপাতি আপনার দরকার সবই পাবেন। মুভির চ্যানেলে রিসেন্ট মুভি ওয়েব সিরিজ পাবেন যেটা ইউটিউবে এভেইলেবল না, কিছু প্রিমিয়াম কোর্স নিতে পারবেন। প্রিমিয়াম এপ্স যেটা টাকাপয়সা দিয়ে কেনা লাগে সেটা ডাউনলোড করতে পারবেন কোনো টাকা পয়সা ছাড়া।
৭) DIMS- ওষুধ দোকানদার আপনারে দাম দিয়া ঠকানোর দিন শেষ। এই এপ্লিকেশনে ওষধের নাম লিখে সার্চ দিবেন। প্রতিটা ওষুধের দাম কত সেটা চলে আসবে। সুতরাং আপনি ওষুধের দাম জেনে দোকানে গেলে আপনাকে ঠকানোর চান্স নাই। এটার পাশাপাশি MEDEX টাও ভালো কাজ করে।
৮) Windy- আবহাওয়ার পূর্বাভাস এনালাইসিস করতে পারবেন। ঘরে বসেই দেখতে পারবেন আবহাওয়ার কি অবস্থা। কোথাও ঘুর্নিঝড় হলেও এপ এর মাধ্যমে দেখতে পারবেন ।
৯) Iron Will- আপনি কোনো এডিকশনে আছেন চাইছেন আসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য । এই এপের মাধ্যমে নিজের সাথে চ্যালেঞ্জ নিতে পারবেন। অনেকেই বদ অভ্যাস থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছে।
১০) Quora- এমন একটা এপ্লিকেশন যেখানে আপনি প্রায় সব প্রশ্নের উত্তর খুজে পাবেন। অনেকের প্রশ্ন উত্তর গুলো দেখবেন আপনিও উত্তর দিতে পারবেন। নানান অজানা বিষয়ে বিশদ জ্ঞ্যান লাভ করা যাবে ।
১১) Shazam- ধরুন কোনো একটা গানের মিউজিক বা লিরিক্স আপনি কিছুটা জানেন । কিন্তু গানটা পুরোটা ইউটিউবে খুজছেন বাট পাচ্ছেন না। এই সাজাম অ্যাপ চালু রেখে সেই গানের মিউজিক চালিয়ে দিলে আপনাকে গানের টাইটেল দিয়ে দিবে ।
১২) Dhaka Wheels- ঢাকা শহরে নতুন অনেকে এসে অনেক দ্বিধা দন্দে পড়ে যায়। কিভাবে এক লোকেশন থেকে আরেক লোকেশনে যাবে কোন লোকেশনে যাবে পুরো কনফিউজড হয়ে যায়। জনে জনে জিজ্ঞেস করা লাগে। এই Dhaka wheels এর মাধ্যমে এক লোকেশন থেকে আরেক লোকেশনে কিভাবে যাবেন কোন বাসে যাবেন সব ক্লিয়ারলি বলে দিবে।
১৩) Split Cloud - ধরেন আপনি আর আপনার বন্ধু গাড়িতে ভ্রমন করছেন। আপনাদের কাছে ইয়ারফোন মাত্র একটা। আপনার চয়েজ এক গান, আপনার বন্ধুর চয়েজ আরেক গান। এক্ষেত্রে এই এপ ইউজ করে দুই কানে দুই গান চালাতে পারবেন। ভ্যাজাল হইলোনা আরকি।
১৫)Find my phone- এই এপ অনেক দরকারি একটা এপ। আপনার ফোনের ডাটা অন থাকলে যদি হারিয়ে যায় বা চুরি হয়ে যায় তখন অন্য ফোন থেকে এই অ্যাপ্সের মাধ্যমে আপনার জিমেইল দিয়ে লগ ইন করে ওই ফোন কোথায় আছে কত পার্সেন্ট চার্জ আছে দেখতে পারবেন। এই অ্যাপ এর মাধ্যমে এক বড় ভাইয়ের ৪০ হাজার টাকা দামের ফোন খুজে দিয়েছিলাম( ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে তে পড়ে গেছিলো বাইক থেকে) । খুব হেল্পফুল একটা অ্যাপ।
১৬) Google lens- ধরা যাক একটা ফুল যেটা আপনি প্রথম দেখলেন কিন্তু নাম জানেন না ফুলটার। গুগল লেন্সের মাধ্যমে সেটার ছবি তুললে এটার কাছাকাছি অনেকগুলো ছবি সাজেশনে দেখাবে সাথে নাম শো করবে ।
1 995
একটি ছেলের চাকুরি হলে সে একটি বিয়ে করে নেয়। আর একটি মেয়ের চাকুরি হলে আরও 'স্ট্যাবলিশড' কোনো ছেলে খুঁজতে লেগে যায়।
এরপর কখনো যদি লাগে ঝগড়া...আমি কি তোমার খাই? তোমার পরি? অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় সংসার ভেঙ্গে যায়...
নারীর ক্ষ-ম-তা-য়-ন ও কর্মক্ষেত্রে নারী আ-ন-য়ন সমাজের কোনোই কল্যাণ সাধন করতে পারেনি। বরং আল্লাহর ফয়সালাই চূড়ান্ত। ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে না-রী-কে এনে ওরা মূলত সমাজকে অ-স্থি-তি-শী-ল করে তুলেছে।
~ হাফিজ আল মুনাদী
1 995
বদনজরের রকইয়াহর জন্য প্রাথমিক করণীয়—
১) বদ নজর নষ্টের নিয়তে ফজর ও মাগরিব বা এশার পরে ১বার করে নিচের তিলাওয়াতটি শুনবেন।
https://muftialamin.com/ruqyah-evil-eye-and-jealousy/
২. নিচের নিয়ম ফলো করে সাতদিন গোসল করবেন।
https://muftialamin.com/evil-eay-gosol/
৩. এখানে উল্লেখিত দোয়াগুলো ফজর ও মাগরিবের পরে তিনবার করে পড়ে নিজ শরীরে ফুঁ দিবেন।
https://muftialamin.com/ruqyah-for-evile-eye/
৪. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে এবং ঘুমের পূর্বে সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস এবং আয়াতুল কুরসি ও সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়ে উভয় হাতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীর মুছে নিবেন ।
https://muftialamin.com/ruqyah-for-children/
উপরোক্ত আমল করার পরেও সমস্যা থেকে গেলে সরাসরি অভিজ্ঞ কোন আলেম রাক্বীর শরণাপন্ন হবেন এবং তার কাছে গিয়ে সরাসরি রুকইয়া করবেন ।
1 995
★ ৯ম শ্রেণিতে ভর্তি-ইচ্ছুকদের জন্য ★
★ ক্যারিয়ার বির্নিমানে সুবর্ণ সুযোগ★
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একজন মানুষকে মূলতঃ ০৪ টি শিক্ষা স্তর অতিক্রম করতে হয়, যেমন এসএসসি, এইচএসসি, স্নাতক,স্নাতকোত্তর। এ ০৪ টি স্তর মানব জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নামে পরিচিত। প্রাতিষ্ঠানিক যে কোনো একটি সনদের বা সকল সনদের বদৌলতে আমরা চাকুরি পাই। কিন্তু উচ্চতর শিক্ষার ভিত্তিমূল হলো এসএসসি সনদ। এসএসসি পাস না করলে উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ থাকে না। এ কারণে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ করে দেয় বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ৮ম শ্রেণি পাসের প্রত্যয়ন দিয়ে তারা বাউবিতে ৯ম শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারতো। কিন্তু সরকার জেএসসি বা জেডিসি চালু করার পর এবং ৯ম শ্রেণিতে ভর্তির সময় বয়স ন্যূনতম ১৪ বছর হওয়ার শর্ত থাকায় জেএসসি ফেল শিক্ষার্থীরাও বাউবিতে ভর্তি হতে হওয়ার সুযোগ বঞ্চিত হয়। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম হতাশা চলে আসে। এক যুগের ব্যবধানে এখন এ সংখ্যা ১৫ লক্ষাধিক। বাউবি কর্তৃপক্ষ বিশাল এ জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ তৈরী করতে ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
বাংলাদেশে ৪র্থ শ্রেণির কোনো পদে চাকুরি পেতে হলেও ন্যূনতম যোগ্যতা এসএসসি লাগে।
এসএসসি পাস করতে পারেনি যারা বা স্বশিক্ষিত সকল মানুষের জন্য বাউবি নিয়ে এলো বিশাল সুযোগ। জেএসসি বা ৮ম শ্রেণি ফেল বা ৫ম/৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া আত্মবিশ্বাসী ও উচ্চ শিক্ষা গ্রহনেচ্ছুক যে কেউ ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে পাস করে ৯ম শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে।
এ সংক্রান্ত তথ্য
* ৩১/১২/২৩ তারিখে বয়স ন্যূনতম ১৪ বছর হতে হবে;
* লিখিত পরীক্ষা হবে ০২ ঘন্টা;
* জেলা পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষা হতে পারে( সংখ্যা বিবেচনায়)
* আবেদন ফি : ১০০ টাকা
* আবেদনের শেষ তারিখ: ১৬/০৬/২৩
* ভর্তি পরীক্ষার তারিখ: ২১/০৭/২৩
* ভর্তি পরীক্ষার বিষয় ও নম্বর বন্টন:
বাংলা ২৫, ইংরেজি ২৫, অংক ২৫, সাধারণ বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ১০, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় ১৫ অর্থাৎ ১০০ নম্বরের ওপর পরীক্ষা হবে;
* ৮ম শ্রেণির বইয়ের ওপর প্রশ্ন হবে;
* পাস নম্বর ৩৩। গড়ে পাস করলেই হবে। বিষয় ভিত্তিক ন্যূনতম পাস নম্বর নাই, সব বিষয় মিলে ৩৩ পেলেই পাস;
* মানবিক৷ বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষায় ভর্তি হওয়া যাবে;
বিধায় আর মন খারাপ নয় বা মনমরা হয়ে বসে থাকাও নয়। সকলে এ বিরল সুযোগ নিন, আবার নতুন করে শিক্ষা জীবন শুরু করুন, ঘুরে দাঁড়ান।
অনেকে বিষয়টি জানে না, তাই আপনি শিক্ষা বঞ্চিত ও ঝরে পড়া জনগোষ্ঠীকে ভর্তি সংক্রান্ত খবর দিয়ে দেশ ও জাতি গঠনে অবদান রাখুন।
আরও বিস্তারিত জানতে বাউবির ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।
লেখকঃ আজিজুল হক স্যার।
ধন্যবাদ।
1 995
হালালভাবে শারীরিক মিলন হলো এক ধরনের ইবাদত। আর এই ইবাদত যতো বেশি সম্ভব উপভোগ করা উচিত।
উপরে উল্লিখিত নিয়তের ব্যাপারে যত্নবান হলে সাধারণ জৈবিকক্রিয়া একটি অনন্য সাওয়াব কাজ ও সাদাকায় রূপান্তরিত হতে পারে। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
“প্রত্যেক তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) একটি সাদাকা, প্রত্যেক তাকবির (আল্লাহু আকবার) একটি সাদাকা, প্রত্যেক তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ) একটি সাদাকা, প্রত্যেক 'লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলা একটি সাদাকা, প্রত্যেক ভালো কাজের আদেশ দেয়া এবং মন্দ কাজ করতে দেখলে নিষেধ করা ও বাধা দেয়া একটি সাদাকা। এমনকি তোমাদের শরীরের অংশে সাদাকা রয়েছে। অর্থাৎ, আপন স্ত্রীর সাথে সহবাস করাও একটি সাদাকা।”
সাহাবাগণ বললেন, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমাদের কেউ বৈধ পথে জৈবিক প্রয়োজন মেটাবে, আর এতেও কি তার সাওয়াব হবে?”
তিনি বললেন, “তোমরা বল দেখি, যদি তোমাদের কেউ হারাম পথে নিজের চাহিদা মেটাত বা ব্যভিচার করতে তা হলে কি তার পাপ হতো না? অনুরূপভাবে যখন সে হালাল বা বৈধ পথে সহবাস করতো তাতে দার সাওয়াব হবে।”
হাদিসবিদ, ফকীহ ইমাম নববী এই হাদিস ব্যাখ্যায় বলেন —
“ঠিক নিয়ত সাধারণ অনুমোদিত কাজকেও ইবাদাত বানায়। জৈবিক কাজে যদি নিয়ত থাকে স্ত্রীর অধিকার আদায়, আল্লাহর আদেশ মোতাবেক তার সাথে সম্মানজনক আচরণ, তবে সেটাও ইবাদাত হবে। কিংবা নিয়তের মধ্যে আরও থাকতে পারে পূণ্যবান সন্তান লাভ। নিজেকে এবং নিজের স্ত্রীকে পবিত্র রাখা। খারাপ বা অনুমতিহীন জিনিসের দিকে নজর দেয়া বা ওসবের চিন্তা থেকে বিরত থাকা। কিংবা অন্য যেকোনো প্রশংসনীয় নিয়ত থেকে পারে।”
তার মানে আবেগঘন কাজেও আমরা আল্লাহকে ভুলি না। জীবনসঙ্গীর সাথে জৈবিক কাজটি যেন শুধু দৈহিক তৃপ্তির জন্য না হয়৷ আরও বড় বড় উদ্দেশ্যগুলো যেন মাথায় রাখি। তা হলে এমন সুন্দর, আনন্দদায়ী, তৃপ্তিকর কাজটি ইবাদাত এবং সাদাকার পর্যায়ে পৌঁছাবে৷
ইমাম ইবনু জাওজি বলেছেন —
“জৈবিক চাহিদা পূরণ করে কখনো কখনো ইমাম শাফেয়ী বা ইমাম আহমাদ বিন হাম্বলের মতো সন্তান পাওয়া যেতে পারে। এমন মিলন হাজার বছরের (নফল) ইবাদাতের চেয়েও ভালো!”
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
