আকাবির-কথন
رفتن به کانال در Telegram
نمایش بیشتر
کشور مشخص نشده استدسته بندی مشخص نشده است
1 099
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
+237 روز
+2630 روز
آرشیو پست ها
1 099
নিষিদ্ধ জিনিস থেকে বিরত থাকার আন্তরিক মিষ্টতা তুমি একবার চেখেই দেখো না। কারণ, এটি এমন একটি গাছ—যার ফল হলো দুনিয়া ও আখেরাতের সম্মান ও মর্যাদা। তোমার যখন প্রবৃত্তির পিপাসা খুব বেড়ে যায়, তখন তুমি তার কাছেই প্রার্থনা করো—যার কাছে রয়েছে পরিপূর্ণ তৃপ্তির উপকরণ। এবং প্রার্থনায় হাত উঠিয়ে বলো, কষ্টকর এই দিনগুলো কষ্টের মধ্যেই কেটে চলেছে, সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যের দেখা তুমি আমাকে দাও হে প্রভু।
-হৃদয়ের দিনলিপি : ২৫১
1 099
বিখ্যাত ইসলামিক স্কলার আলী তানতাভীকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার সুদীর্ঘ পাঠ্য-জীবনে সবচেয়ে দামি বাক্যটা কী ছিল?
তিনি বললেন, ৭০ বছর ধরে পড়ছি৷ হাজার হাজার পৃষ্ঠা পড়েছি৷ তন্মধ্যে ইবনুল জাওযীর এই উক্তিটাই মনে বেশি দাগ কেটেছে—
ইবাদাতের কষ্ট ক্ষণিকের, কিন্তু এর প্রতিদান চিরস্থায়ী।
গোনাহের স্বাদ ক্ষণিকের, কিন্তু এর পরিণতি চিরস্থায়ী।
1 099
যারা সময়ের অপচয় করেননি; বরং সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়েছেন তারা জীবনে সফল হয়েছেন। খুব সহজ-সুন্দর কথা। কিন্তু আমল করা কঠিন। আমরা মনে করি, যে যেই কাজে আছি তা না করতে পারলে সময়ের অপচয় হল। আর তা করতে পারলে সময় কাজে লাগল। যেমন আমি লেখালেখির কাজে আছি। আমার যদি লেখা চলতে থাকে, বই বের হতে থাকে, আমি ভাবি, সময় কাজে লাগছে। আরেকজন ব্যবসা করছে, তার ব্যবসায় যদি লাভহতে থাকে তাহলে সে ভাবে, সময় কাজে লাগছে। আর ব্যবসা না চললে মনে করে যে, সময় কাজে লাগছে না। এটা একটা মোটা দাগের হিসাব।
কিন্তু আসল কথা হল, আমি যে কাজ করছি তা যদি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য করতে পারি তাহলে সময়টা কাজে লাগল। পক্ষান্তরে কাজের খুব রওনক হল, চারদিকে সুনাম হল, কিন্তু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার নিয়ত ছিল না তাহলে সময়টা কাজে লাগেনি; বরং নষ্ট হল।
-আবু তাহের মিসবাহ দা. বা.
[তালিবানে ইলমের রাহে মানযিল : ৩৪]
1 099
সংসারে অশান্তি নেমে আসার অন্যতম কারণ হতে পারে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার অভাব। বর্তমান সমাজে অনেকেই স্ত্রী-সহবাসকে শুধু শারীরিক চাহিদা মনে করেন, অথচ এটি আসলে ভালোবাসা বাড়ানোর, মানসিক দূরত্ব কমানোর এবং সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
সহবাস আল্লাহ তাআলার একটি বিশেষ নেয়ামত। এর মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে বুঝতে পারেন, সম্পর্কের ভেতরের বন্ধন আরও মজবুত হয়। সহবাসের সময় আলাপ, দোয়া এবং ভালোবাসার প্রকাশ দাম্পত্য জীবনে উষ্ণতা তৈরি করে। পারস্পরিক সম্মান, ধৈর্য ও যত্নের মাধ্যমে এটি মানসিক দূরত্ব কমানোর সুন্দর উপায় হয়ে ওঠে।
সহবাস ছাড়া সম্পর্ক টিকে থাকতে পারে, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে তা অপূর্ণ থেকে যায় এবং ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি হতে পারে। তবে অসুস্থতা বা বিশেষ পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরার কথাও কুরআন ও হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।
ইসলামে সহবাস শুধু আনন্দের বিষয় নয়; বরং এটি দাম্পত্য জীবনের সুস্থতা ও শীলতা রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
وَفِي بُضْعِ أَحَدِكُمْ صَدَقَةٌ
‘তোমাদের কারো স্ত্রী-সহবাসও একটি সাদকা।’
সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলে তিনি ﷺ বলেন:
أَرَأَيْتُمْ لَوْ وَضَعَهَا فِي حَرَامٍ أَكَانَ عَلَيْهِ وِزْرٌ؟ فَكَذَلِكَ إِذَا وَضَعَهَا فِي الْحَلَالِ كَانَ لَهُ أَجْرٌ
অর্থাৎ, হারাম পথে করলে যেমন গুনাহ হয়, তেমনি হালাল পথে করলে সওয়াব হয়।
যদি স্ত্রী সহবাসে আগ্রহ না দেখায়, তাহলে প্রথমে ধৈর্য ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে কারণ খুঁজে বের করতে হবে। এটি শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক চাপ বা সম্পর্কের দূরত্বের কারণেও হতে পারে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ
‘তোমরা তাদের সাথে সদাচরণ করো।’
তাই জোর করে নয়; বরং ভালোবাসা, সম্মান ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত। প্রয়োজনে চিকিৎসক বা কাউন্সেলরের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।
©
1 099
তখন আমি বললাম: ‘এ ব্যাপারে আলী ইবন আবি তালিব ও আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ কী বলেছেন?’
তিনি (অসন্তুষ্ট হয়ে আমাকে শায়েস্তা করতে) প্রহরীদের দিকে ইশারা করলেন। তারা যখন আমাকে ধরতে উদ্যত হলো আমি দৌড়ে পালালাম এবং তাদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে সক্ষম হলাম। তারা ইমাম মালেককে বলল, ‘এর বইপত্র ও দোয়াত নিয়ে আমরা এখন কী করব?’ তিনি বললেন: ‘তাকে নম্রভাবে ডেকে আনো।’
এরপর তারা আমার কাছে এলে আমি তাদের সাথে ফিরে গেলাম। তখন ইমাম মালিক আমাকে বললেন: ‘তুমি কোথাকার?’
আমি বললাম: ‘কুফার।’
তিনি বললেন: ‘তুমি আদব কোথায় রেখে এসেছ?’
আমি বললাম: ‘আমি তো আপনার সাথে আলোচনা করতে চেয়েছি যাতে উপকৃত হতে পারি।’
তখন তিনি বললেন: ‘আলী রা. ও আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. এর মর্যাদা অস্বীকার করার মত নয়। কিন্তু আমাদের দেশের লোকেরা জায়েদ ইবন সাবিতের মত অনুসরণ করে। আর তুমি যখন কোনো সম্প্রদায়ের মাঝে থাকবে তখন তাদের কাছে প্রথমেই এমন বিষয়াদি বলো না যা তাদের কাছে অপরিচিত। নচেৎ তাদের পক্ষ থেকে এমন কিছু প্রকাশ পাবে যা তোমার কষ্টের কারণ হবে।’”
© আবু রাফ'আন সিরাজ হাফি.
1 099
কোনো তালিবে ইলম যখন পরামর্শ নিয়ে পড়াশোনা করার আগ্রহ ব্যক্ত করে তখন সে যদি কাফিয়া বা তার নিচের কোনো জামাতের ছাত্র হয় তাহলে প্রথমে তাকে মাওলানা ইমদাদ সাহেবের 'আকাবিরে দেওবন্দের ছাত্র জীবন' প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে বলি এবং প্রত্যেক খণ্ড থেকে দশটা করণীয় ও দশটা বর্জনীয় লেখকের ভাষায় পৃষ্ঠা নাম্বার সহ নোট করে নিয়ে আসতে বলি। আর যদি কাফিয়া জামাতের উপরের হয় তাহলে এই তিন কিতাবের সাথে সাথে আমীনুত তা'লীম আব্দুল মালেক সাহেবের 'তালিবানে ইলমের পথ ও পাথেয়' বইটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে উপরোক্ত ধারায় দশটা করণীয় ও দশটা বর্জনীয় নোট করে নিয়ে আসতে বলি।
এই নোট দেখানোর আগ পর্যন্ত তাকে কোনো পরামর্শ দেই না। দুই বছরেরও অধিক সময় ধরে আমি এমনটাই করছি। মাদানী নগর মাদ্রাসা ছাড়াও ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের বিভিন্ন মাদ্রাসার শতের অধিক ছাত্র হবে যারা এই তিনটা বা চারটা কিতাব পুরো পড়ে আমাকে নোট করে দেখিয়েছে।
আমি কয়েকটা কারণে এই কাজটি করি। ১. তালিবে ইলমের পড়াশোনার আগ্রহ যেন অনেক গুণে বৃদ্ধি পায়। ২. পড়াশোনা করার সঠিক পথ ও পদ্ধতি যেন শুরু থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়। ৩. পড়াশোনার ক্ষেত্রে উপকারী ও ক্ষতিকর বিষয়গুলো যাতে প্রথমেই জানা হয়ে যায়। ৪. সে যেন অনুসরণ করার ও অনুপ্রেরণা পাওয়ার মত ব্যক্তিবর্গ পেয়ে যায়। ৫. পরবর্তী পরামর্শগুলোর যথার্থতা ও উপযুক্ততা যেন সে মন থেকে অনুধাবন করতে পারে। ৬. সর্বোপরি সে কি প্রকৃত তলব নিয়েই পরামর্শ চাইতে এসেছে নাকি আবেগে চলে এসেছে তার একটা পরীক্ষাও হয়ে যায়।
এই ধাপেই অনেক ছাত্র বাদ পড়ে যায়। যারা টিকে যায় তাদের অনেকেই আলহামদুলিল্লাহ ধীরে ধীরে সামনে অগ্রসর হয়। প্রথমে সকলকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আরবী ভাষা ও ইস্তি'দাদ মজবুত করার পরামর্শ দেই। এরপর প্রত্যেকের অবস্থা বুঝে শাস্ত্রীয় কিতাবাদি মুতালাআ করতে বলি। যারা নিয়মিত পরামর্শ নেয় তাদের ধাপে ধাপে قيمة الزمان عند العلماء، صفحات من صبر العلماء على شدائد العلم والتحصيل، العلم والعلماء، معالم إرشادية لصناعة طالب العلم، تعليم المتعلم ، تذكرة السامع والمتكلم في أدب العالم والمتعلم، أدب الاختلاف في مسائل العلم والدين ইত্যাদি ইলমের উসূল ও আদাব বিষয়ক বিভিন্ন কিতাব পড়তে বলি।
এই বিষয়ের কিতাবাদির প্রতি বিশেষভাবে জোর দেই যাতে তালিবে ইলমের সামনে নিজের মানযিল ও রাহ উভয়টা স্পষ্ট হয়ে যায়। সে যেনো এদিক সেদিক তাকিয়ে বিভ্রান্ত না হয়। নিবিষ্ট চিত্তে আপন লক্ষ্যে ধীরে ধীরে অগ্রসর হতে পারে। আমরা অনেকেই বড় হতে চাই। কিন্তু বড় হওয়ার পথ জানি না। তাই এমন পথ অনুসরণ করি যা আমাকে বড় হওয়ার পরিবর্তে দিন দিন আরো ছোট করে তুলে। ভালো ভাবে বুঝে নেই, বড় হওয়ার পথ সেটাই যেই পথে চলে বড়রা বড় হয়েছেন। তাই বড়দের পথ আগে চিনে নেই। এরপর সেই পথে চলতে থাকি। গন্তব্যে পৌঁছে একদিন বড়দের সাথে সাক্ষাৎ হবে। তাদের যোগ্য উত্তরসূরী হয়ে তাদের সিলসিলা আমার মাধ্যমে প্রসারিত হবে।
বড়দের মধ্যে যারা ভৌগলিক দিক থেকে আমাদের অধিক নিকটবর্তী ও সবচেয়ে সমাদৃত তাদেরকে আগে জানতে বলি। তাদের পথ ও মত আগে বুঝতে বলি। কারণ ভৌগলিক প্রভাব থেকে কেউই মুক্ত নয়। তারা যা কিছুর সম্মুখীন হয়েছেন তার সম্মুখীন আমাদেরও হতে হবে। তারা যা কিছু মুকাবিলা করে বড় হয়েছেন আমাদের বড় হতে হলে সেগুলোর মুকাবিলা করেই বড় হতে হবে। তাই পথপ্রদর্শক হিসেবে তাদেরকেই সর্বাগ্রে রাখা নিজের জন্য অধিক উপকারী বলে মনে করি।
শুধু এই ক্ষেত্রে নয়, দ্বীনের সকল বিষয়েই তাদের সর্বাগ্রে রাখা উচিত। তাদের রুচি প্রকৃতিকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। সালাফদের চিন্তা ও আদর্শ আমাদের এমনটাই করতে বলে। এই বিষয়ক অনেক ঘটনা আছে। শুধু একটা ঘটনা বলি যা আব্দুল মালেক সাহেব হুজুর থেকে প্রথম শুনেছি। ঘটনাটি যাহাবী রহ. তারীখুল ইসলামে (৫/১০৯০) উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন,
وقال علي بن محمد بن كاس الحنفي القاضي، وهو ثقة: حدثنا علي بن جعفر الرماني، قال: حدثنا إسماعيل ابن بنت السدي قال: كنت في مجلس مالك، فسئل عن فريضة، فأجاب بقول زيد. فقلت: ما قال فيها علي وابن مسعود؟ فأومأ إلى الحجبة، فلما هموا بي عدوت وأعجزتهم، فقالوا: ما نصنع بكتبه ومحبرته؟ قال: اطلبوه برفق. فجاءوا إلي، فجئت معهم، فقال مالك: من أين أنت؟ قلت: كوفي. قال: فأين خلفت الأدب؟ قلت: إنما ذاكرتك لأستفيد. فقال: إن عليا وعبد الله لا ينكر فضلهما، وأهل بلدنا على قول زيد بن ثابت. وإذا كنت بين قوم فلا تبدأهم بما لا يعرفون، فيبدو لك منهم ما تكره.
ইসমাঈল ইবনু বিনতিস সুদ্দী বলেন, “আমি ইমাম মালিকের এক মজলিসে ছিলাম। সেখানে তাকে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত একটি মাসআলা জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি এর উত্তর দিলেন জায়েদ ইবন সাবিত রা. এর মত অনুযায়ী।
1 099
এটা আতীক উল্লাহ সাহেবের পেজ না। তবে লেখাগুলো তাঁরই।
লেখালেখি থেকে প্রবীণ অনেকেই হারিয়ে যাচ্ছেন। তন্মধ্যে ভীষণ মিস করি আতীক উল্লাহ সাহেবের লেখালেখি।
এই লেখাটা অন্য একজন পাত্রীর কথা স্মরণ করিয়ে দিল। আমার পরিচিত দুজনের ওই পাত্রীকে বিভিন্ন কারণে পছন্দ হয়নি। অবশ্য সেই সময় আমার বিয়ের ইচ্ছে থাকলে এই জায়গাটা মিস করতাম না। পরে তাদেরই আরেক সহকর্মী এই জায়গায়ই বিয়ে করেছে। ওই দুজনের তুলনায় যে ওই মেয়েকে বিয়ে করেছে, সে-ই 'জিতেছে'।
1 099
মা-বাবা যেমন সন্তানের ফোঁড়ার অপারেশন করেন, আল্লাহ তাআলাও তেমনই বান্দার অন্তরের অপারেশন করে থাকেন। উদাসীনতা বৃদ্ধি ও গুনাহের অশুভত্বের কারণে অন্তরের ওপর আবরণ পড়ে যায়। তখন বিপদাপদ যেন অপারেশনের কাজ করে। এর মাধ্যমে অন্তরে থাকা আবর্জনা বেরিয়ে যায়। তা তখন সংশোধিত হয়ে ওঠে। দু-ধরনের অপারেশনে কার্যত কষ্ট হলেও ফলাফলে যে প্রশান্তি লাভ হয়, তার মাঝে ভিন্নতা আছে। ফোঁড়ার অপরেশনের ফলাফলে কিছুদিন পরই সুস্থতা অর্জিত হয়। পক্ষান্তরে অন্তর অপারেশনের ফলাফল প্রকাশ পাবে কিয়ামতের দিন। বিপদাপদের বিনিময়ে তখন সওয়াব মিলবে।
-হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভী রহ.
[প্রশান্ত অন্তর : ২৫১]
1 099
টপিক ভেরাইটিজ। বড়দের সোহবত, সোহবতের শিক্ষা, বিভিন্ন বইয়ের রিভিউ, ভালো লাগা কথার কোটেশন, ভ্রমণকাহিনি ইত্যাদি।
1 099
বিছানার পাশে বই রেখে জাস্ট ঘুমানোর অপেক্ষার সময়টাতে পড়ে পড়েই মুফতী দিলাওয়ার সাহেব হাফি. সংগ্রামী সাধকদের ইতিহাস ১-৭ (উর্দুটা), উলামায়ে হিন্দ কা শানদার মাযী ১-৪, আপবীতী ২ ভলিউম-সহ আরও অনেক বই পড়ে শেষ করেছেন। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরও সত্যিকার অর্থে আমলী যিন্দেগী গঠনের উদ্দেশ্যে পড়া ও আমলের তাওফীক দান করুন।
[ছবিটা উমেদের ইলম চয়নিকা ২/২৩৪ থেকে নেওয়া। উমেদে চলছে বর্ষসেরা অফার। ৪০% ছাড়ে গুরুত্বপূর্ণ বইগুলো নিয়ে নিতে পারেন।]
1 099
আহা! সেই দিনগুলো কই যে হারিয়ে গেল। সকালের স্নিগ্ধ বাতাস। নদীর পাড় ঘেঁষে রেস্টুরেন্টে বসে চা-নাস্তা করা আর প্রকৃতি উপভোগ করার দিনগুলো ভীষণ মিস করি।
[লঞ্চঘাট]
1 099
ইসলামী জীবনবিধান
ফাযায়েলে আমাল
সালাফের জীবন থেকে
কুরআন নিয়ে তাদের তিনটা বই
প্রশান্ত অন্তর
ইসলামে জীবিকার সমাধান
হেকায়াতে সাহাবা
মুনাজাতে মাকবুল
[তাদের সব বই-ই সেরা। সব নাম এখন ইয়াদ আসছেও না।]
1 099
আলহামদুলিল্লাহ, বছর ঘুরে শুরু হলো উমেদ প্রকাশ ও দারুল ফিকরের বর্ষসেরা অফার।
বেশ কিছু নতুন বই ও অনেকগুলো গিফট নিয়ে শুরু হলো পনেরো দিনব্যাপী এই আয়োজন। ঝাঁপিয়ে পড়ুন আপনার প্রয়োজনীয় ও পছন্দের বইগুলো অভাবনীয় ছাড়মূল্যে কিনতে।
উমেদ প্রকাশের সব বইতে ৪০% ছাড়!
দারুল ফিকরের যেকোনো বইতে ৫৫% ছাড়!
এছাড়াও থাকছে :
১. যে কোনো অর্ডারে ১টি সচেতনতামূলক লিফলেট ফ্রি!
২. মাত্র ২৯৯৳ অর্ডারেই ১টি বই ফ্রি!
৩. ৪৯৯৳ অর্ডার করলে ১টি বই + বুকমার্ক সেট ফ্রি!
৪. ৯৯৯৳ অর্ডারে ১টি বই + বুকমার্ক সেট + ১টি চাবির রিং ফ্রি!
৫. ১৪৯৯৳ অর্ডারে ১টি বই + বুকমার্ক সেট + ১টি চাবির রিং + ১টি প্রায়োরিটি নোটবুক ফ্রি!
৬. ১৯৯৯৳ অর্ডারে ১টি বই + বুকমার্ক সেট + ১টি চাবির রিং + ১টি প্রায়োরিটি নোটবুক + কুরআন তিলাওয়াত ট্র্যাকার ফ্রি!
অর্থাৎ ১৯৯৯৳ অর্ডারে সকল গিফট আইটেম পাওয়া যাচ্ছে!
অফার চলবে ৫-২০ মে ২০২৬ পর্যন্ত।
অর্ডার করতে কমেন্ট বক্সের ফর্ম পূরণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে উমেদ প্রকাশের ইনবক্সে নক করুন।
অফারের চাপে ইনবক্সে রিপ্লাই পেতে সময় লাগলে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। আপনার সাথে অবশ্যই যোগাযোগ করা হবে ইনশাআল্লাহ।
©
1 099
হেফাজতের শহীদদের কথা সামনে এলে মির্জা মাজহার জানে জানার এই কবিতাই মনে পড়ে
بہ لوح تربت من یافتند از غیب تحریرے
کہ ایں مقتول را جز بے گناہی نیست تقصیرے
আমার কবরের ফলকে অদৃশ্য একটি লেখা দেখবে-
এই নিহতের কোনো অপরাধ নেই, নিরপরাধ হওয়াই তার একমাত্র ‘অপরাধ’।
©
