es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 326 suscriptores, ocupando la posición 7 900 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 063 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 326 suscriptores.

Según los últimos datos del 29 agosto, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 59, y en las últimas 24 horas de -5, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 13.95%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 5.80% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 1 580 visualizaciones. En el primer día suele acumular 657 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 35.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 30 agosto, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 326
Suscriptores
-524 horas
+107 días
+5930 días
Archivo de publicaciones
একটা বিষয় এখন থেকেই সতর্ক হওয়া দরকার, . সম্প্রতী ফিফার কিছু এক্টভিটি সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে, সে থেকেই আমার বিষয়টি মনে হলো। আগামী ফুটবল বিশ্বকাপ হবে আমেরিকা ও কানাডায়। আর এই বিশ্বকাপ শুধুই বিশ্বকাপ হবে না, হবে কওমে লুত ও আধুনিক কওমে লুত ট্রা...গন্ডারকে বিশ্বব্যাপি নরমাল ও প্রচার করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। আর সেজন্য শয়তানের সরাসরি দোষরদের এখন থেকে (যদিও আরো বহু আগে থেকেই) দৌড়ঝাপ শুরু হয়েছে। যদি মুসলিম উম্মাহের সন্তানরা এখন থেকেই এই বিষয়ে সতর্ক না হন, তাহলে বিশ্বকাপের আগ মুহুর্তে আর চলাকালিন সময়ে দৌঁড়ঝাপ খুব বেশি কাজে আসবে না। . তাই সকল মুসলিম দায়ী ও আলেমদের প্রতি বিনীত অনুরোধ থাকবে এখন থেকেই নিজেদের কাজকে সাজাতে না পারলে এই ধ্বংস থেকে আমি আপনি কেউ বাঁচতে পারবো না। . প্রথম কাজ হলো এখন থেকেই যুবসমাজকে সাধ্যমতে খেলা দেখা থেকে বিরত রাখা, পুরো চার বছর যে খেলা দেখার চূড়ান্ত নেশা নিয়ে ছেলেটা লীগের খেলা দেখে বেড়ে উঠবে তাকে হঠাৎ সে নেশা থেকে বারণ করলে উলটো রিয়েকশন হতে পারে। দ্বিতীয়ত, কা*ফে(রদের সাথে ওয়ালা-বারার মাসআলাগুলো খুব আলোচনা করুন, তারা আমাদের চিরশত্রু, তাদের প্রতি মুগ্ধতা, ভালোবাসা, তাদের উপর ভরসা, তাদের কল্যাণকামী মনে করা এর কোনোটারই সুযোগই ইসলামে নেই, এই মাসআলাগুলো খুব বলেন। তৃতীয়, পশ্চিমা প্রতিটি আইডোলজিকে--সে*কু, লিবার, হিউম্য.. ইত্যাদি গোড়া থেকে বুঝার চেষ্ঠা করেন ও মানুষকে বুঝান, কারণ তারা ঠিক ঐ শব্দগুলো দিয়েই আপনার ঈমানকে নষ্ট করবে যা গত দুই-একশো বছর ধরে করছে। চতুর্থ, উপরের বিষয়গুলো বুঝে এমন দ্বীনের লাইনে এগিয়ে আসা ভাইরা প্রত্যেকেই যার যার জায়গা থেকে আরো এগিয়ে আসুন দ্বীনকে দুনিয়ার বুকে বিজয়ের করার মেহনতে। কারণ এই চতুর্মুখি ফিতনায় দ্বীনকে বিজয় করার মাধ্যমে আপনি যতটা নিরাপদ থাকতে পারবেন ও রাখতে পারবেন তা আর কিছুর মাধ্যমেই সম্ভব না। এজন্য দাওয়াত, তালিম, তাজকিয়া, জি*হা*দ, হার লাইনের প্রতিটি ব্যক্তিই নিজ জায়গা থেকে একটু এগিয়ে আসুন, আরেকটু সামনে বাড়ুন, কুরবানির আরো বড় নাজরানা দেয়ার জন্য তৈরি করুন। . আল্লাহ আমাদের সকলকে দ্বীনের জন্য কবুল করে নিক। আমীন।

জামাতের ভাইরা যে পরিমান শিয়াপ্রীতি দেখাচ্ছে, এখন কিন্তু কেউ বলছে না, থাক, এই আলোচনা বাদ্দেন! দিন শেষে কথা হলো, শিয়াদের আকিদার
জামাতের ভাইরা যে পরিমান শিয়াপ্রীতি দেখাচ্ছে, এখন কিন্তু কেউ বলছে না, থাক, এই আলোচনা বাদ্দেন! দিন শেষে কথা হলো, শিয়াদের আকিদার ভ্রান্তি স্পষ্ট করলে শিয়াদের গোমরাহি নিয়ে কথা বললে জাশির একটা বড় অংশের কষ্ট লাগে! এর বড় কারণ, এদের আকিদার দুর্বলতা!

মাকতাবাতুল ইত্তিহাদ থেকে প্রকাশিত মাওলানা মাহদি ভাইয়ের এই বইটি এখন প্রচার হওয়া খুবই বেশি প্রয়োজন। খুব মানি খুব।
মাকতাবাতুল ইত্তিহাদ থেকে প্রকাশিত মাওলানা মাহদি ভাইয়ের এই বইটি এখন প্রচার হওয়া খুবই বেশি প্রয়োজন। খুব মানি খুব।

মসুলে যখন দায়েসে বিরুদ্ধে আমেরিকা এবং ইরান ও তাদের প্রক্সিরা স্কর্চড আর্থ নীতিতে যুদ্ধ করছিলো তখন আপনারা কার পক্ষে ছিলেন? আবু বকর বোগদাদিকে যখন আমেরিকান খুন করে তখন আপনারা কার পক্ষে ছিলেন? তখন কি বলেছিলেন সুন্নি-খারেজি ভাই ভাই? খারেজিরাতো কাফের না। ফলে কে কে খারেজি কে সুন্নি দেখার সময় নাই। তখন কি বলেছিলেন এই মুহুর্তে অন্তত খারেজিদের বিরুদ্ধে না বলি? যখন আল কায়েদা বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে ফালুজাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয় এমনকি লোয়ার গ্রেডের (সম্ভবত ৪০%)  ডিপ্লিটেড ইউরেনিয়াম পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়েছিলো তখন কি আপনারা আল কায়েদার পক্ষে ছিলেন? তাহলে কেন আজ সবাইকে শিয়া-সুন্নি ঐক্য করতেই হবে? কেন আহমাদ আল সারাহকে পাঁচ লক্ষ শুহাদার রক্ত ভুলে ইরানের ডিফেন্সে নিজের রাজ্য কুরবানি করতে হবে? কাছাকাছি ধরনের যুক্তি যদি জর্ডানের দালাল রাজা, সৌদি পঁচে যাওয়া যুবরাজরা তুলে ধরে তাহলেই কিভাবে তেলে বেগুনে জলে উঠবেন? আমি নিশ্চিত শিয়া-সুন্নি ঐক্যের উচ্ছ্বসিত সমর্থক একজনও এই প্রশ্নের উত্তর দিবে না। যদি একান্তই কেউ জবাব দেয় তবে সেই থার্ডক্লাশ ষড়যন্ত্র তত্ত্বটুকুই (একিউ, দায়েশ আমেরিকার সৃষ্টি) বলবে। এর বাইরে একটা বাক্যও তারা কখনো বলবে না। ©

Repost from Meer Salman
মসুলে যখন দায়েসে বিরুদ্ধে আমেরিকা এবং ইরান ও তাদের প্রক্সিরা স্কর্চড আর্থ নীতিতে যুদ্ধ করছিলো তখন আপনারা কার পক্ষে ছিলেন? আবু বকর বোগদাদিকে যখন আমেরিকান খুন করে তখন আপনারা কার পক্ষে ছিলেন? তখন কি বলেছিলেন সুন্নি-খারেজি ভাই ভাই? খারেজিরাতো কাফের না। ফলে কে কে খারেজি কে সুন্নি দেখার সময় নাই। তখন কি বলেছিলেন এই মুহুর্তে অন্তত খারেজিদের বিরুদ্ধে না বলি? যখন আল কায়েদা বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে ফালুজাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয় এমনকি লোয়ার গ্রেডের (সম্ভবত ৪০%) ডিপ্লিটেড ইউরেনিয়াম পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়েছিলো তখন কি আপনারা আল কায়েদার পক্ষে ছিলেন? তাহলে কেন আজ সবাইকে শিয়া-সুন্নি ঐক্য করতেই হবে? কেন আহমাদ আল সারাহকে পাঁচ লক্ষ শুহাদার রক্ত ভুলে ইরানের ডিফেন্সে নিজের রাজ্য কুরবানি করতে হবে? কাছাকাছি ধরনের যুক্তি যদি জর্ডানের দালাল রাজা, সৌদি পঁচে যাওয়া যুবরাজরা তুলে ধরে তাহলেই কিভাবে তেলে বেগুনে জলে উঠবেন? আমি নিশ্চিত শিয়া-সুন্নি ঐক্যের উচ্ছ্বসিত সমর্থক একজনও এই প্রশ্নের উত্তর দিবে না। যদি একান্তই কেউ জবাব দেয় তবে সেই থার্ডক্লাশ ষড়যন্ত্র তত্ত্বটুকুই (একিউ, দায়েশ আমেরিকার সৃষ্টি) বলবে। এর বাইরে একটা বাক্যও তারা কখনো বলবে না।

মনের মধ্যে উকি দেওয়া একটা সম্ভবনার কথা বলি, ভুলও হতে পারে, এবং দোয়া করি যেনো ভুলই হয়। বিশেষত, আকসার আশপাশে কয়েকটি মিজাইল আঘাত হানার পর মাথায় এটা বারবার শুধু আসতেছে। ইরানের সাথে এই যুদ্ধের পুরো পায়তারা হলো মসজিদুল আকসাকে এক উসিলায় ভেঙ্গে ফেলা! ধরেন, ইরানের কোনো মিজাইল গিয়ে আকসায় পড়বো, বা ইহুদিদের যে স্বভাব, তারাই একটা মিসাইল মেরে আকসা উড়িয়ে দিলো, আর নাম দিলো ইরানের। আর সেটার জের ধরে নতুন ভবন নির্মান.... বিশ্ববাসীকে দেখানোর জন্য, ইহুদিরা নিজেদের লোকদের হত্যা করানোর ইতিহাস বহু পুরোনো। তাই সম্ভাবনাটা হুদাই শুধুই মাথায় আসতেছে। . এটা হুদাই একটা সম্ভবনা, যা ইহুদি ও শিয়াদের ইতিহাসের স্বভাব থেকে মাথায় আসছে। কোনো ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বা কিছুই না।

এত স্পর্শকাতর একটি নিউজ মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি জাতীয় দৈনিক কাভার করেছে! কল্পনা করা যায়?! অথচ এই নিউজটি হওয়ার কথা ছিলো এই দেশের টানা কয়েকদিনের মূল ফোকাস! https://youtu.be/49yvT8l-tmE?si=0WL6YNZ3-fuLOwyl

এই দুইটা ভিডিও অবশ্যই পুরোটা দেখবেন সময় করে, চিন্তা করে। বৈশ্বিক বিষয়ের অনেক বিষয়ই বুঝতে সহায়ক হবে। প্রথম পর্ব : https://www.facebook.com/share/v/16b1M7ocSG/ দ্বিতীয় পর্ব : https://www.facebook.com/share/v/16ghNTHQJw/

জামে তিরমিজিতে একটি রিওয়ায়েত আছে, আল্লাহ কিছু গুনাহের কারণে মানুষের চেহারা বিকৃতি করে দিবেন। তবারানির এক রিওয়ায়েতে চেহারা বিকৃতির এই বিষয়টি শেষ জামানায় হবে বলা হয়েছে। হাদিসের ব্যাখ্যায় কেউ কেউ বলেছেন, বানর বা শুকরের আকৃতি দিয়ে দিবেন আল্লাহ। . এই হাদিসগুলো মূলত গুনাহের শাস্তি স্বরূপ। অর্থাৎ কিছু মানুষ গুনাহ করলে আল্লাহ এই শাস্তি দিবেন। সাথে এটাও উদ্দেশ্য যে, অল্প কিছু মানুষের এই শাস্তি দেখে পৃথিবীর অন্যরা যেনো আল্লাহমুখী হয়। . একটা বার কল্পনা করেন, গুনাহের কারণে আল্লাহ কিছু মানুষের চেহারাকে বিকৃত করে বানর, শুকর বা ইত্যাদি আকৃতি দিয়ে দিলেন। অন্যদিকে পুরো পৃথিবী এই আজাব দেখে শিক্ষা গ্রহণ না করে উলটো আল্লাহকেই অস্বীকার করে বসলো? তারা পুরা দুনিয়া ব্যাপী বিবর্তনবাদের কুফরকে প্রচার শুরু করলো—মানুষও ধীরে ধীরে বিবর্তন হচ্ছে! কল্পনা করে দেখুন, আল্লাহর আজাবের ভয় দেখিয়ে আলেম ও দায়ীরা মানুষকে আল্লাহমুখী হওয়ার আহবান করছে, আর একদল নিকৃষ্ট মানুষ পুরো পৃথিবীর সকল মিডিয়া শক্তি দিয়ে আল্লাহর আজাবকেই কুফরের দিকে আহবানের বিরাট দলিল বানিয়ে প্রচার করছে। আর তাতে অন্যতম অংশিদা পৃথিবীর লাখো মুসলিম পরিচয় দানকারী! . এই যে ধারণা, এটা একদমই অমূলক নয়। আজকে সারা পৃথিবীর মুসলিম-অমুসলিম সকলকেই বিবর্তনবাদ পড়া হচ্ছে। এবং এমনভাবে পড়ানো হচ্ছে যে, এটাই চূড়ান্ত সত্য। বিজ্ঞানের উপর ঈমান আনা, বিজ্ঞানের সিন্ধান্তকেই চির সত্য বিশ্বাস করা, বিজ্ঞান দিয়ে ইসলামকে যাচাই করা, এই পুরো শ্রেণীর ঈমানের তখন কী হালত হবে তা চিন্তাও করা হয়তো আমাদের পক্ষে সম্ভব না। . পশ্চিমা সভ্যতা মানুষকে আল্লাহমুখী হওয়ার যত রাস্তা আছে, সকল রাস্তাতেই বন্ধ করার সকল চেষ্ঠা করেছে এবং প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। যেকোনো ব্যাখ্যাতেই হোক, পশ্চিমের কাছে যাবেন, সে আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ ঈমানকেই কেড়ে নিবে! . আল্লাহ আমাদের ঈমানকে রক্ষা করার তাওফিক দান করুন।

তেল আবিবের অসংখ্য নাগরিক কিন্তু ফিলিস৩-এর সাথে চলমান যুদ্ধের বিপক্ষে ছিলো। তারা সময়ে সময়ে বড় বড় মিছিল করেছে। এতদাসত্ত্বেও এখন তাদের জানমাল অনিরাপদ হয়ে যাওয়ার পরেও কিন্তু সিভিলিয়ান হ*ত্যা*র কথা কেউ উঠাচ্ছে না। কেউ এটার জন্য ইরানকে দোষারোপ করছে না। কারণ, ফিলিস৩-এর উপরে হিজ্রাইলের অত্যাচার। . অথচ আমেরিকার এক অর্থনৈতিক বয়কটে ইরাকে মাত্র ১৯৯১ থেকে ১৯৯৮ সালের মধ্যে শিশু মারা গিয়েছে ৫ লক্ষ! টোটাল মৃত্যুর সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ লক্ষ। এছাড়া এই রক্তপিপাসু আমেরিকার আরো কারগুজারি তো রয়েছেই। কিন্তু টুইনটাওয়ারের আক্রমণ নিয়ে সিভিলিয়ান মৃত্যুর কান্না কিন্তু এখন ইরানে সর্বাত্মক সাপোর্টের জন্য যারা অন্যদের গালি দিচ্ছে তারাই বেশি করে! . ফিলিস৩-এর শিশুরা শিশু, তাদের হ*ত্যা*র প্রতিশোধ যেকোনোভাবে নেওয়া যাবে। আর ইরাকের শিশুরা হলো দুধভাত। তাদের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য কেউ চেষ্টা করলে... . বর্তমানের ভাইরা এগুলো স্মরণ রাখবেন। হয়তো এই পরিস্থিতি শেষ হলে একটা সময় আসবে, পশ্চিমের কাছে দ্বীন-ইমান বন্ধক দেওয়া কিছু মানুষ হয়তো পনেরো বিশ বছর পরে এসে এই আক্রমণগুলোর বিপক্ষে আওয়াজ তুলবে—ইসলাম এভাবে সিভিলিয়ান মারার অধিকার কাউকেই দেয় না!!

এদেশের কাঠামোগত ইসলাম বিদ্বেষ। পোষ্টটি শেয়ার করুন, আর উপরের মহলে সামর্থ্য থাকলে আওয়াজ তুলুন। https://www.facebook.com/share/p/16NJdC23qk/

আমাদের বাপ-চাচারা হকআই ফালাইয়া দিছে, আর আমরা হেলিকপ্টার। মাথার উপর কিছু উড়লে ফালাইয়া দেওয়াটা আমাগো একধরনের জমিদারী আরকি। #সোম
আমাদের বাপ-চাচারা হকআই ফালাইয়া দিছে, আর আমরা হেলিকপ্টার। মাথার উপর কিছু উড়লে ফালাইয়া দেওয়াটা আমাগো একধরনের জমিদারী আরকি। #সোমাল_বিদ্রোহী

লক্ষ্য লক্ষ্য জনগনকে হত্যা করার পর সুশীল একদম নিষ্পাপ ভাইটি আমার!
লক্ষ্য লক্ষ্য জনগনকে হত্যা করার পর সুশীল একদম নিষ্পাপ ভাইটি আমার!

নির্ভরযোগ্য একটি রিওয়ায়েতে পাওয়া যায় দাজ্জালের আবির্ভাব হবে খুবই রাগান্বিত অবস্থায়। কিন্তু এই রাগার কারণ কী তার স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত এখনো পাইনি। . কিন্তু কথা হলো, একজন ব্যক্তি কেনো এত রাগান্বিত হবে যে, নিজেকে সে আত্মপ্রকাশ করে ফেলবে? অবশ্যই তার কোনো বারা ভাতে ছাই পড়বে। যার কারণে সে আর তা সহ্য করতে না পেরে নিজেই প্রকাশ্যে চলে আসবে। . দাজ্জালের রাগান্বিত হওয়ার স্পষ্ট কারণ তো এখনো নজরে পড়েনি। তবে দুটো ইহতেমাল আমার কাছে মনে হয়েছে। . ১। মুসতাদরাকে হাকেমের একটি রিওয়ায়েত, যা কাশ্মীরী রহিমাহুল্লাহ উল্লেখ করেছেন, এবং শায়খ আব্দুল ফাত্তাহও কোনো কালাম করেনি, দীর্ঘ হাদিসের একটি অংশ হলো, দাজ্জাল পুরো পৃথিবীর উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে ফেলবে তবে হারাম শরীফ ও বাইতুল মাকদিস ব্যাতিত। দেখুন, যে বাইতুল মাকদিস নিয়ে জায়োদের এত স্বপ্ন, সেখানে তারা দাজ্জালের সিংহাসন প্রতিষ্ঠা করবে, সেখানেই দাজ্জালের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হবে না! এর একটা বড় ইঙ্গিত তো এটাই যে, দাজ্জালের আবির্ভাবের পূর্বেই বাইতুল মাকদিসের উপর মুসলমানদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়ে যাবে। ইমাম মাহদি সংক্রান্ত একটি নির্ভরযোগ্য হাদিসে তো স্পষ্ট আছে, ইমা মাহদি ইলিয়া পর্যন্ত বিজয় করবে, আর ইলিয়া হলো বাইতুল মাকদিস। হতে পারর ইমাম মাহদির এই বিজয় দাজ্জালের আবির্ভাবের আগেই হয়তো। আর এটা ই*হু*দি লবির জন্য কতটা কষ্টের তা স্পষ্ট। যদি ধরে নেন, আগামী ৩০/৪০ বছরের মধ্যে ইহুদিদের হাত থেকে জেরুজালেমে হাত ছাড়া হয়ে যায়, তাহলে তাদেএ কী অবস্থা হবে?! পুরো পৃথিবীর উপর এত এত নিয়ন্ত্রণ থাকার পরেও তাদের হাত থেকে যদি তাদের স্বপ্নের জায়গাই হাত ছাড়া হয়ে যায়, তাহলে কি ভয়ংকর চেতাডাই না দিবো তারা! ২। হাদিসের ভাষ্যমতে ইমাম মাহদির আবির্ভাব হবে একজন খলিফার মৃত্যুর পর খিলাফত সংক্রান্ত পরষ্পর কোন্দল থেকে। যদি হাদিসকে তার জাহিরি অর্থের উপর আমরা ধরি, তাহলে স্পষ্ট ইমাম মাহদির আবির্ভাবের পূর্বেই আল্লাহ তাআলা যমিনে খিলাফত দান করবেন। আর খিলাফত তো আর অল্প কোনো ভুখণ্ড কেন্দ্রিক হবে না, বরং বিশাল ভুখণ্ড জুড়েই হবে। এবং ঐ হাদিসের জাহিরি অর্থে এটাও রয়েছে সে খিলাফতটা মক্কা ও মদিনায় থাকবে। তো, হাদিসের এই সব জাহিরি ইঙ্গিত এটাই। আর কোথাও খিলাফত প্রতিষ্ঠা হওয়ার অর্থই হলো ইহুদিদের এত বছরের স্বপ্ন নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার ভেঙ্গে যাওয়া! তো, এতদিনের হাজারো চক্রান্ত, নরকীয় তাণ্ডব ও মানব হত্যা করে যে নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার প্রতিষ্ঠা করা হলো তা যদি বিশাল ভূখণ্ড জুড়ে ভেঙ্গে যায়, তাহলে কি ভয়ংকর রাগ আসবে, তা স্পষ্টই। . বি.দ্র. হাদিসের ধারাবাহিক আলোচনা একসাথে করলে এটা অনেকটা নিশ্চিতে সাথে বলা যায়, ইমাম মাহদির আবির্ভাব হবে দাজ্জালের পূর্বেই। আর ইমাম মাহদির হাতে পৃথিবী জুড়ে ন্যায়, ইনসাফ ও শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে।

ইরান-হিজ্রাইলের এই যুদ্ধে আমার হিসাবটা সোজা। . আমি চাই এই যুদ্ধে ইরান চূড়ান্ত ক্ষতিগ্রস্ত হোক। তাদের সমস্ত প্রক্সিগুলো শেষ হয়ে যাক। যাতে তারা আগামী কয়েক বছর নিজেদেরকে গোছাতে ও নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের মধ্যেই থাকে। কারণ, এতে সিরিয়া ও ইমারতে ইসলামিয়ার সবচেয়ে নিকৃষ্ট একটি শত্রু ব্যস্ত থাকবে। এবং এই দুটো সুন্নি শক্তি একটি শত্রুর দিক থেকে কিছুটা নিরাপদ থাকবে। . আমি এটাও চাই, ইরানের আত্মমর্যাদা রক্ষায় হোক বা অন্য ভূরাজনৈতিক স্বার্থে হোক, হিজ্রাইলকে কঠিন একটি মাইর দিক, এক উসিলায় ওরা অন্য একটি যুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যস্ত হয়ে যাক। ওদের শক্তি বিভক্ত হয়ে যাক, যাতে ওরা চূড়ান্ত শক্তি নিয়ে ফিলিস৩-এর উপর চরাও আপাতত না হতে পারে। হিজ্রাইল যত বেশি আশপাশের যুদ্ধে জড়াবে ঠিক ততটাই আকসার মুক্তির রাস্তা প্রশস্ত হতে থাকবে। . আমার দুই শত্রু যুদ্ধে জড়িয়ে গেছে, যাদের সাথে নিকট ভবিষ্যতে আমার যুদ্ধ অনিবার্য, সে সময়ে আমি এটাই চাইবো, তারা নিজেদের এই যুদ্ধে কঠিনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হোক। এটাই আমার সহজ মাথার সহজ হিসাব। .

🥹
🥹

বর্তমান পৃথিবীর যুদ্ধের একটা কমন বিষয় কী খেয়াল করেছেন, যুদ্ধের উভয় পক্ষ কোনোনা কোনো জোটের সাথে যুক্ত থাকে। চাই তা অফিসিয়াল হোক বা আনঅফিসিয়াল। এত ব্যয়বহুল যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক কঠিন থেকে কঠিন মারপ্যাঁচ ইত্যাদির কারণে কোনো বৃহত্তর শক্তির সাথে এলাই করেই যুদ্ধের চক ও হিসাব-নিকাশ করা হয়। . এখন যেটা বলতে চাচ্ছি, আল্লাহই ভালো জানেন, শেষ জামানায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে বিশাল মালহামার কথা বলেছেন, সে মালহামার প্রথম অংশে কিন্তু মুসলমানরা রোমানদের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করবে অন্য এক শত্রুর সাথে। যে যুদ্ধের পর যুদ্ধের ক্রেডিট ও কিছু মুসলমানদেরকে রোমানদের হাতে তুলে দেওয়া নিয়ে ক্যাচাল লাগবে, আর সে ক্যাচাল জের ধরেই চূড়ান্ত এক ভয়ংকর যুদ্ধ বেধে যাবে! লাশের উপর দিয়ে উড়ে যাওয়া পাখি মরে যাবে, একশো লোকের একটি গোত্রে মাত্র একজন জীবিত থাকবে! শেষ সময়ের বহু হিসাব-নিকাশ বাহ্যত বুঝা খুবই কঠিন হবে। হাদিসের ভাষ্য থেকে বুঝা যায় সঠিক ঈমানই হবে সে সময়ের সঠিক পক্ষ বেচে নেওয়ার একমাত্র মাধ্যম। . শেষ জামানা কোনটা তা আল্লাহই ভালো জানেন, তবে আমার ব্যক্তিগত গালেবে জন আমরা পৃথিবীর খুবই শেষ সময়ে অবস্থান করছি। এর সবচেয়ে বড় কারণ, হিজ্রাইলি রাষ্ট্র। একটি সহিহ বর্ণনায় পাওয়া যায়, ই*হু*দিদের সাথে যুদ্ধ হওয়া পর্যন্ত কেয়ামত সংঘটিত হবে না। আর ইতিহাসে লক্ষ্য করে দেখুন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন এই ভবিষ্যৎবানী করেছেন তখন থেকে নিকট অতিত পর্যন্ত ইহুদিরা পুরো পৃথিবীতে লাঞ্চিত ছিলো। অর্থাৎ, ইহুদিরা কখনোই এমন শক্তিশালী হয়নি ইসলামের চৌদ্দশত বছরের ইতিহাসে যে, তাদের সাথে মুসলমানরা যুদ্ধ করবে। কিন্তু বর্তমানে দেখুন, হিজ্রাইল একটি স্বতন্ত্র শক্তিতে রূপান্তর হয়েছে। অনেকে মনে করেন এই শক্তি মূলত আমেরিকা। আমি এটা পূর্ণ মনে করি না, আমেরিকা অবশ্যই হিজ্রাইলের বড় শক্তি। তবে একমাত্র শক্তি না। . যাইহোক, আল্লাহ মুসলমানদের ঈমান, আমল ও ইদাদের মাধ্যমে শক্তি অর্জন করার তাওফিক দান করুন। মু জা হি দিনদের শক্তিশালী করুন, পৃথিবীর সবচেয়ে যোগ্য ও সংশোধিত ব্যক্তিদের জি হা দের কাজে নিয়োজিত করুন। আমীন।

ইরানের ব্যাপারে আমাদের অবস্থান কী? বিষয়টি স্পষ্ট করা জরুরি। অন্যথায় ভুল বার্তা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা সুস্পষ্টভাবে জানি যে, ইরান অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো ইসলামকে ধারণ করে না। বা তারা আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের অনুসারী নয়। ক্ষেত্রবিশেষে তারা "কাফে.র"। বিশেষত ১২ ইমামের আকীদার অনুসারী, কুরআনকে বিকৃত বিশ্বাসী, আয়শা রা. -কে অপবাদদানকারী, আলী রা. -কে নবী বিশ্বাসী ইত্যাদি শিয়ারা কাফে.র। সুতরাং অন্যান্য জালিম মুসলিম রাষ্ট্রের প্রতি আমাদের যতটুকু ক্ষোভ, তারচেয়ে বেশি ক্ষোভ ইরানের প্রতি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। অপরদিকে তারা সিরিয়াতে যেই গণহট্যা চালিয়েছে, সেটা এখন পর্যন্ত মুসলিম গণহট্যার সবচেয়ে বড় সংখ্যা বললে ভুল হবে না। এজন্য স্বাভাবিকভাবেই আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের অনুসারী মুসলমানদের অন্তরে ইরান এবং তাদের প্রক্সিগুলোর প্রতি একটা বিদ্বেষ জমে আছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমরা ইরানকে স্বতন্ত্রভাবে সমর্থন করতে পারি না। কিন্তু ইরান যদি ইজরা.য়েলের সাথে যুদ্ধে জড়ায়, বা ইজরা.য়েল যদি ইরানের উপর হাম.লা চালায়, তাহলে আমরা কোন পক্ষ নিব? উত্তর সহজ। এক্ষেত্রে অবশ্যই আমরা চাইবো ইরান বিজয়ী হোক, আর ইজ.রায়েল ধ্বংস হোক। এই চাওয়া বা সমর্থন আকীদাগত অবস্থান থেকে নয়, বরং রাজনৈতিক অবস্থান থেকে। সুতরাং রাজনৈতিক অবস্থান থেকে ইজরা.য়েলের বিরুদ্ধে আমরা ইরানের সমর্থক। যেমনিভাবে রোম-পারস্য যুদ্ধে মুসলমানরা রোমানদের সমর্থক ছিল রাজনৈতিক স্বার্থে। কেন রাজনৈতিক কারণে ইরানকে সমর্থন করা জরুরি? এর উত্তর গা.জার দিকে তাকালেই স্পষ্ট। কারণ ইরানের পতন হয়ে সেখানে যদি মেরিকা বা ইজরা.য়েলের সরাসরি শাসন প্রতিষ্ঠা হয়, তাহলে প্রথম আক্রান্ত হবে ইমারতে ইসলামি। এরপর পাকিস্তানও শান্তিতে থাকবে না। আরও নানান হিসাব আছে। সুতরাং ইজ.রায়েল-মেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমরা ইরানকে সমর্থন করি। কিন্তু এর মানে এটা নয় যে, ইরানের প্রতি দিলের ভালবাসা তৈরি করতে হবে, তাদেরকে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় ত্রাণকর্তা মনে করতে হবে, তাদেরকে আল-আকসার ত্রাণকর্তা মনে করতে হবে, শিয়াইজমের প্রতি দরদী হতে হবে। অবশ্যই প্রশ্ন আসতে পারে, তাহলে এখন আমরা ইরানকে নিয়ে ট্রোল করছি কেন? বা এই মুহূর্তে তাদের সমালোচনা করছি কেন? এর কারণ নানাবিধ। একে তো ঐসব অপরিপক্কদেরকে সচেতন করার জন্য, যারা মনে করতো ইরানের কত-শত সক্ষমতা রয়েছে। অপরদিকে ইরান যুগ যুগ ধরে নিজেদেরকে আকসার ত্রাণকর্তা দাবি করে সিরিয়া, লেবানন, ইরাক, ইয়ামান সহ বহু দেশে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের উপর গণহট্যা চালিয়েছে। তারা আল আকসা, ফিলি.স্তিন, কুদস এবং গা.জার পক্ষে গরম গরম বয়ান দিয়ে পুরো বিশ্ব থেকে সিম্প্যাথি আদায় করে নিয়েছে। সুতরাং তাদের সমালোচনা করে কেবল তাদের ফাঁকা বুলির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হচ্ছে, যা দিয়ে তারা মুসলিম গণহট্যাকে বৈধ করার চেষ্টা করেছিল। আমরা ইজরা.য়েলের ধ্বংস চাই। সেটা যার মাধ্যমেই হোক তাদের প্রতি আমাদের রাজনৈতিক সমর্থন থাকবে।

হিজ্রাইলের ইরানে আক্রমনের ফলে পুরো বিশ্বে বিশেষত মুসলিম বিশ্বে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতিটা হয়েছে, তা হলো, হিজ্রাইল ও মোসাদের একটা ভীতি ছড়িয়ে যাবে—তাদের বিরুদ্ধে কেউ গেলেই সে শেষ! . হা*মা*সের প্রতিরোধের সামনে হিজ্রাইল ও।মোসাদের পুরো মিথটা পৃথিবীর সামনে ধ্বসে পড়েছিলো। পুরো পৃথিবীর সামনে মোসাদের শক্তির যে গালগল্প ছিলো তা একটা গোপন হাসির খোরাক হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু ইরানের এমন কেন্দ্রীয় পর্যায়েরব লোকদের এত সহজে আক্রমনের ফলে মোসাদের সেই বানানো ভয় অনেকের কাছে আবারো পোক্ত হয়ে যাবে। বিশেষত আরবের মুনাফিক গোষ্ঠী সম্ভবত ভয়ে সামনে আমেরিকা ও হিজ্রাইলকে আরো বেশি করে কর দিতে রাজি হয়ে যাবে! . ইরান মুসলিম বিশ্বে এই বড় ক্ষতিটা করে গেলো!

মধ্য প্রাচ্যের সুপার পাওয়ার ইরান এখন হিজ্রাইলকে কিছু করা মানি পুরো পশ্চিমের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়া, আমার বন্ধু মফিজের একটি নির্মোহ গবেষণা। . গোলান ভূমিতে বারবার হিজ্রাইলের আক্রমণের পরেও কয়েকদশক ধরে যুদ্ধ আক্রান্ত সিরিয়া পালটা প্রতিক্রিয়া না দেখানো মানি হলো জুলানি আমেরিকার দালাল, বন্ধুর আরেকটি নির্ভেজাল গবেষণা। . লাভিউ বন্ধু।