es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 323 suscriptores, ocupando la posición 7 894 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 062 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 323 suscriptores.

Según los últimos datos del 31 agosto, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 58, y en las últimas 24 horas de -7, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 13.99%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 5.84% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 1 584 visualizaciones. En el primer día suele acumular 661 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 37.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 01 septiembre, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 323
Suscriptores
-724 horas
-47 días
+5830 días
Archivo de publicaciones
তাহরিরুশ শাম তাদের অফিসিয়াল বইতে লেখেন, //যারা গ ণ ত ন্ত্র আর ইসলামের বিরোধের বিষয়গুলো জানার পরেও এটাকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেছে, তারা ভুলের উপর আছে ও গুনাহগার হবে। কেননা শরীয়া উদ্দেশ্য কখনোই শরীয়তের অননুমোদিত পদ্ধতিতে অর্জন হবে না। তবে এদেরকে আমরা কাফের বলবো না। তবে যারা গ ণ তন্ত্রের পুরো বাস্তবতা জানে। এবং ইসলের উপর তাকে প্রাধান্য দেয় তাদের কুফরের বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।// . সূত্র : যাদুল মু জা হিদ পৃ. ১৬৫ (কিছুটা ভাব তরজমা)

زاد المجاهد طبعة منسقة جيدا.pdf5.87 MB

এটাই বাস্তব।
এটাই বাস্তব।

সবাই দেখা যায় তাগুত তার কাছে! হামাস! ইয়াহইয়াহ সিনওয়ার আব্দুল গনী ব্রাদার শাম বিজেতা . অন্যদিকে আদনানীরা হাফিজাহুল্লাহ আর রহিমাহুল্লাহ! . এত কিছুর পরেও তাকে কিছু বলা যাবে না! গ্রেট! অপেক্ষায় রইলাম।

ইমাম মাহদি আসার পর বড় বড় ঘটনাগুলো ষোলো থেকে সতেরো মাসের মাঝেই ঘটে যাবে! এই হাদিসগুলো বুঝতে, পড়াতে এখন আর সামান্যও অসুবিধা হবে না ইনশাআল্লাহ। . আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ফালিল্লাহিল হামদ। সিরিয়ার বিজয়ের আশা যখন পুরো পৃথিবী ছেড়ে দিয়েছে, তখন আমার রবের সুসংবাদ ও সাহায্য নেমে এসেছে। আর মাত্র কয়েকদিনেই সব ধ্বসে পড়েছে!

আমি: পরবর্তী বিপ্লব হোক হারামের প্রাঙ্গনে। হারামাইন পবিত্র হোক বনি সাউদ থেকে। সূশীল মাদখালী: সিরিয়া নিয়ে যা বলছেন, তার সাথে একমত ছিলাম। কিন্তু এখন যা চাচ্ছেন, তার সাথে একমত নই

ইবনে হাজার আসকালানী রহিমাহুল্লাহ ফাতহুল বারিতে এক হাদিসের ব্যাখ্যায় লেখেন, فقد كان الجهاد في ابتداء الإسلام أفضل الأعمال ‌لأنه ‌الوسيلة ‌إلى ‌القيام ‌بها والتمكن أدائها

মনে করেন, পুরো সিরিয়ার বিজয়ের আনন্দের সাথে যদি এখন এই সংবাদ আসে, আবু মুসআব সুরী শামের কারাগারে জীবিত আছেন এবং ভাইরা তাকে মুক্ত করেছেন! যদি এটা সত্যি হয় তাহলে সিরিয়ার বিজয়ের সবচেয়ে বড় পাওয়া হবে এটা।

আহমদ মুস্তাফা আলহুসরী . ২৮ জানুয়ারী ২০২০। সিরিয়ার ঐতিহ্যবাহী শহর মাআররাত আননুমান শহরকে পরিপূর্ণ ঘিরে ফেলেছে রাশিয়া ও বাশারের যৌথ সেনাবাহিনী। শহরের পতন সময়ের ব্যাপারমাত্র। প্রতিরোধ যোদ্ধরা সিন্ধান্ত নিলো শহর ছেড়ে দিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার। কিন্তু বাধ সাধলো আহমদ মুস্তাফা। তার একটাই কথা, শরীরের যতক্ষন প্রাণ আছে এই শহরকে আমি শত্রুদের হাতে ছেড়ে দিবো না। যেই কথা সেই কাজ। অস্ত্র হাতে চালিয়ে গেলেন লড়াই। একদিকে বিশাল রাশান ও বাশারের যৌথবাহিনী। অপর দিকে একা আহমদ মুস্তাফা। চলছে এক অসীম লড়াই। পতন সময়ের ব্যাপার ছিলো যে শহরের সে প্রবেশ করতে শত্রুদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তিন ঘণ্টা পর্যন্ত একাই প্রতিরোধ করে গেলেন আহমদ মুস্তাফা। অতপর শাহাদাতের অমীয় সূধা পান করলেন। আল্লাহ তার মুখের লাজ রাখলেন। তার শরীরের প্রাণ থাকা অবস্থায় শত্রুরা শহরে প্রবেশ করতে পারেনি। . ছোট ভাই হাকিম মুস্তফা আল-হুসরি পেশায় একজন স্নাইপার। মাআরাত আননুমানের পতন আর ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ আসলো। হাকিম মুস্তাফা মনে কোনো ভাবান্তর নেই। নিজেকে আরো দৃঢ় করে নিলেন। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সাথে এগিয়ে গেলেন। অবরোধ করলেন ইদলিবের মধ্যে অবস্থিত ওয়াদি আদ-দাইফ এবং আল-হামিদিয়া দুটো শক্তিশালী সামরিক ক্যাম্প। শুরু হলো হাকিমের তাণ্ডব। অস্থির করে তুললেন পুরো শত্রু শিবিরকে। অবরোধের এই অল্প সময়ে একাই জাহান্নামে পাঠালেন ১৫০ এর থেকে বেশি বাশশারের বাহিনীকে। আতংকিত শত্রুদের চোখেমুখে ভীতি ছড়িয়ে পড়লো। এক স্নাইপার ত্রাস হয়ে দেখা দিলো। অতপর এক বিশেষ মাইন পুতা হলো হাকিমের জন্য। সে মাইনে শাহাদাতের অমীয় সূধা পান করলেন হাকিম মুস্তাফা। . সূত্র: সিরিয়ান রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক খলিল আলমিকদাদ

হামা বিজয়ের পর এক শহীদের মা। এমন নারীর গর্ভেও তো উম্মাহের বীররা তৈরি হয়!

গণতন্ত্রের মাধ্যমে ইসলাম কায়েম করতে চাওয়া ভাইদের আশপাশ থেকে ইদুরের ঔষধ, তেলাপোকার ঔষধ, বিশেষত হারপিক সরিয়ে রাখুন। তাদের বুঝান, চাপাবাজি করে শরম পাওয়া থেকে জীবনের দাম অনেক বেশী।

মুমিনের বিজয়গুলো এমন হয়! পুরো পৃথিবীর এক ইসলাম।
মুমিনের বিজয়গুলো এমন হয়! পুরো পৃথিবীর এক ইসলাম।

প্রিয় গণতান্ত্রিক সিরিয়া।
প্রিয় গণতান্ত্রিক সিরিয়া।

'পলাইছেরে পলাইছে কুত্তা বাসার পলাইছে' এই শ্লোগানে পুরো ঢাকায় মিছিল বের করতে মনে চাচ্ছে।

যুদ্ধরত রাষ্ট্র ও তার সাথে সম্পর্কের বিধান : .... এই সম্পর্কে পাকিস্তানের দেওবন্দী ঘরোনার বিজ্ঞ মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহ লেখেন, "যুদ্ধরত রাষ্ট্র বললে সাধারণত আমাদের মাথায় যে চিত্র ভেসে উঠে তা হলো নিজের রাষ্ট্রের সাথে অপর রাষ্ট্রের সরাসরি যুদ্ধ অবস্থা বিদ্যমান থাকা। কিন্তু এটা একটি অসম্পূর্ণ ধারণা। ইসলামি ফিকহে যুদ্ধরত শব্দের মধ্যে ঐ সকল রাষ্ট্রও অন্তর্ভূক্ত যারা দুনিয়ার কোথাও না কোথাও মুসলমানদের সাথে যুদ্ধেলিপ্ত রয়েছে, যেমন আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স ইত্যদি। এই রাষ্ট্রগুলো যে মুসলিম ভূখণ্ডের সাথে যুদ্ধ লিপ্ত তাদের বিবেচনায় শুধু এরা যুদ্ধরত রাষ্ট্র এমন নয়, বরং পুরো দুনিয়ার সকল মুসলমানদের নিকটই তারা যুদ্ধরত রাষ্ট্র। এবং ঐ সকল রাষ্ট্রও যুদ্ধরত রাষ্ট্র বলে বিবেচিত হবে, যার অস্তিত্বই কোনো মুসলিম ভূখণ্ডকে অন্যায়ভাবে দখলের মাধ্যমে হয়েছে। যেমন ইজরাইল, ভারত, মিয়ানমার ইত্যাদি। এরা যদিও বাহ্যত ইসলামি ভূখণ্ডের সাথে যুদ্ধে নাও লিপ্ত থাকে তাও এরা মুহারিব বা যুদ্ধরত রাষ্ট্র বলেই গণ্য হবে। কেননা এই রাষ্ট্রগুলো যে ভূখণ্ডের উপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলো শতবছর যাবত মুসলিম ভূখণ্ড ছিলো। কিন্তু মুসলমানদের উদাসীনতা ও দূর্বলতা এবং কাফেরদের ধোঁকাবাজির কারণে এই ভূখণ্ডগুলো মুসলিমদের হাতছাড়া হয়ে যায়। এবং কুফরি বিধিবাধান এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়।"....। সূত্র : ইসলামি শাসনব্যবস্থা, অধ্যায় পরারাষ্ট্রনীতি, চতুর্থ পরিচ্ছেদ : অপরাপর রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের মূলনীতি ও বিধিবিধান . জীবনের একটা অন্যতম স্বপ্নের কাজ। এটা শেষ করে (যেভাবে চাচ্ছি আরকি) যদি মরেও যাই কোনো আফসোস থাকবে না।

সিরিয়ায় কী হয়েছে এবং এখন কী হতে যাচ্ছে, তা জানার জন্য সংক্ষেপে এই সিরিজটা ফলো করতে পারেন। https://www.facebook.com/share/p/12CbU9gSvvk/

তাকফিরের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি নিয়ে তো আমাদের মাঝে অনেক আলোচনা হয়। কিন্তু মাসআলার আরেকটি দিকও আছে, দুঃখজনক হলো সে দিকটি আমাদের মাঝে আলোচিত হয় না বললেই চলে—তাকফিরের ক্ষেত্রে ছাড়াছাড়ি। তাকফিরের বাড়াবড়ি যেমন নিন্দনীয়, তেমনি এক্ষেত্রে ছাড়াছাড়িও একটি নিন্দনীয় ও নাজায়েয কাজ। আলহামদুলিল্লাহ, এই বিষয়টিকে তুলে এনেছেন এই উপমহাদেশের গর্ব মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেব। হযরতের লেখাটি প্রকাশিত হয় পাকিস্তানের দেওবন্দি ঘরোনার বিখ্যাত মসিক 'মাহনামায়ে সফদার' ম্যাগাজিনে। পড়েই সাথে সাথে সিন্ধান্ত নেই প্রবন্ধটি অনুবাদ করার। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর তাওফিকে তা সম্পন্ন হয়েছে।

ইসলামে বিজয়ের পর প্রথম কাজ। হালবের (আলেপ্পো) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আন্দান, হারিতান, কাফরহামরা এবং হায়ান অঞ্চলের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর মুজাহিদিনরা একসাথে হয়ে রবের দরবারে শুকরিয়া জানাচ্ছে।

সিরিয়ার সবচেয়ে বড় তাগুত বাশারের পিতা লক্ষ লক্ষ মুসলিমের রক্তচোষা হাফিজ আল আসাদের মুর্তি ভাঙ্গছেন মুজাহিদরা। মুর্তি ভাঙ্গা আমাদের রাজনৈতিক নয়, ধর্মীয় অধিকার।

আমার বন্ধু মফিজ এখনো ডারতের আলোর মতি ও দিল্লি স্টারের মাহফুজকে মুসলমান মনে করে! তার কথা হলো এদেরকে নাকি কা ফ র মনে করা খারেজিদের আলামত! হায়রে বন্ধুরে!