ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 303 مشتركاً، محتلاً المرتبة 8 130 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 026 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 303 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 25 يونيو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 77، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -2، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 19.07‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 8.07‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 2 155 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 912 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 46.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 26 يونيو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 303
المشتركون
-224 ساعات
+227 أيام
+7730 أيام
أرشيف المشاركات
নতুন শিক্ষকদের জন্য অত্যন্ত জরুরি কিছু কথা লেখেছেন মুহতারাম মাওলানা সাবের চৌধুরী। শিক্ষকতার জীবনে প্রবেশের পর নতুন শিক্ষকদের জন্য ভয়াবহ রকমের একটা পড়াশোনা দরকার। এ ছাড়া জ্ঞানের ভীতটাই তৈরী হবে না। মিনিমাম দশ বছর। তিনি যে বিষয়গুলো পড়াবেন, সেগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট আউট বইগুলো যেমন পড়তে হয়, তেমনি নিজের আগ্রহ ও পছন্দের বিষয়গুলোও পড়তে হয়। এই পড়াটাই মূলত তাকে কর্মযোগ্য ও বিজ্ঞরূপে গড়ে তুলে। এই পড়াটার উপর দাঁড়িয়ে তিনি পরবর্তী সময়গুলোতে যেমন সহজভাবে শিক্ষকতাটা চালিয়ে যেতে পারবেন, তেমনি লেখালেখি, গবেষণা, সেমিনার-আলোচনা, খেতাবাত, বা প্রকল্প পরিচালক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারবেন। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, নতুন শিক্ষকগণ শিক্ষকতায় প্রবেশের পর পড়ে যান নানামুখি সংকটে। ১. মাদরাসা তাকে ক্লাসের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দায়িত্ব দিয়ে আবদ্ধ করে ফেলে। ২. তিনিও বিয়েশাদি করে একটা সাংসারিক ব্যস্ততার ভিতরে ঢুকে পড়েন। বিয়েশাদি তো করতেই হবে। এটা সমস্যা না। বলছি, জিনিসটার ভিতরে ‘ঢুকে পড়া’ ও স্বেচ্ছায় বেরোতে না চাওয়া। ৩. সুনির্দিষ্ট জীবনলক্ষ স্থির না করার কারণে জেদের সাথে পরিশ্রম করতে পারেন না। বা পরিশ্রম করার প্রেরণাটা খুঁজে পান না। ৪. ইদানিং নতুন আরেকটা সমস্যা যুক্ত হয়েছে--নিজেকে গড়ার কাজ বাদ দিয়ে সীমিত সামর্থ নিয়েই জাতিয় সমস্যাগুলোতে নিজের মিনিমাম হলেও একটা অংশগ্রহণ ধরে রাখতে চাওয়া। এতে প্রচুর গলদঘর্ম হতে হয়। প্রচুর সময় চলে যায়। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়া অসময়ে ভুল কাজে হাত দিলে এমনই হওয়ার কথা ছিল। ৫. অথবা ক্লাস, খাবার, ঘুম, গল্প, ফেসবুক, ইউটিউ--এসবে জড়িয়ে একটা গতানুগতিকতায় নিজেকে সীমিত করে ফেলেন। এরপর চট করে দশ বছর পেরিয়ে যায়, টেরও পান না। ভিতরে ভিতরে পুড়তে থাকেন। কোনো কোনো দিন বিকেল বেলা একা হাঁটতে গিয়ে হঠাৎ মনটা অনেক বেশি খারাপ হয়ে যায়। তখন হাঁটার গতি মন্থর হয়ে আসে। জীবনটা ফুরিয়ে যাচ্ছে। কিছুই তো হলো না। কত স্বপ্ন ছিল। আহা! এই সব ভেবে তারপর তার আর কিছুই ভালো লাগে না। সেই মানুষটার তখনকার চোখ দুটোর দিকে তাকিয়ে আমার ভীষণ খারাপ লাগে। যারা মাত্রই পড়ালেখা শেষ করে শিক্ষকতায় ঢুকছেন, এখনই সতর্ক হোন! বিশ্বাস করুন, দশ বছর পর আপনার মনে হবে এই তো মাত্রই দেড়ে বছর পার হলো বুঝি!

যেসব তাওহীদবাদী বোনেরা বিভিন্ন ক্যাম্পাসে হলে থেকে পড়াশোনা করছেন, হলে দাওয়াতী টীম গঠন করুন। হলে নামাজঘর-ভিত্তিক দাওয়াহর রূপরেখা: ১. নামাজঘরে পাঠাগার স্থাপন ২. সাপ্তাহিক পাঠচক্র ও হালাকা ৩. দৈনিক একটি রুমে বোনদের সাথে দাওয়াতী মোলাকাত। ৪. আত্মশুদ্ধির জন্য কোন একজন শায়খের লেকচার ইউটিউব থেকে একসাথে অনেক বোন মিলে শোনা ও নিজেদের মাঝে আলোচনা। আমার শায়খের ইউটিউব চ্যানেল লিংক কমেন্টে। অন্তরের খোরাক পাবেন ইনশাআল্লাহ। ৫. ভূরাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি, ইতিহাস-দর্শন ও শরীয়াহ-সচেতন নারী তৈরি করা। ৬. শরীয়াহর সকল বিষয়ে অনড় অনমনীয় দাওয়াহ। আখলাকী, আধ্যাত্মিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, আমলী। ৭. নবীনদের তৈরি করে দাওয়াতী চেইন তৈরি। যাতে আপনি হোস্টেল ছাড়লেও কাজ বন্ধ না হয়। ৮. দৈনিক হাদিসের হালাকা ও সেখানে নতুন নতুন বোনদের জুড়াতে হবে। আখলাক ও মুহাব্বতের মাধ্যমে দীনহারা বোনদের মাঝে আকর্ষণ তৈরি। অন্যান্য মেহনতের সাথে তর্কাতর্কিতে না যাওয়া। ৯. হলে কেন বোনের যেকোন সাহায্য লাগলে তা সলভ করার চেষ্টা করা। (আর্থিক ইত্যাদি) ঘরে ঘরে মু%জাহি#দা মা তৈরি হলে মু%জাহি#দ প্রজন্ম তৈরি হবে। শামসুল আরেফিন শক্তি ভাই

সেকু.. ও গণ..ন্ত্রিক জাতিরাষ্ট্রে ধর্মের অবস্থান . সেকু ও গণধোকাতন্ত্রে ধর্মের অবস্থান কী হবে সে ব্যাপারে এর প্রতিষ্ঠাতাগণের অনেকের বক্তব্য আছে। কারো বক্তব্য ঘুরিয়ে পেছিয়ে ধোকার পূর্ন আবরণে ঢাকা। কারোটা স্পষ্ট। জেনারেল উইল নামক খোদার তৈরি রাষ্ট্রনামক প্রতিষ্ঠানে ধর্মের অবস্থান কী হবে এক্ষেত্রে খুব স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছে রুশো। সে লেখে, “আমার কথা হচ্ছে: জাতীয় ধর্ম বলে যেমন কিছু নেই, তেমনি হতেও পারে না। ধর্মের ব্যাপারে যে-ধর্ম অপর ধর্মের ও বিশ্বাসের ক্ষেত্রে সহিষ্ণু হবে, সে- ধর্মকে আমরা রাষ্ট্রের মধ্যে স্বীকার করব। নাগরিকের দায়িত্বপালনের অন্তরায় না হলে যে-কোনো ধর্মবিশ্বাসই রাষ্ট্রের মধ্যে থাকতে পারে। কিন্তু কোনো ধর্ম যদি ঘোষণা করে তার বিশ্বাসের বাইরে কারুর আত্মার মুক্তি নেই, তবে রাষ্ট্রের মধ্যে তার স্থান হতে পারে না।” -সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট পৃ. ১৭৪, মাওলা ব্রাদার্স . রুশোর এই কথাগুলোই সেকু ও গণধোকামনা লোকদের থেকে সময়ে সময়ে বের হয়। কেউ কিছুটা সহিষ্ণুতার সাথে বলে কেউ একটু কড়াভাবে বলে আবার কেউ দাওয়াতি মেজাজ সামনে রেখে বলে, যেনো মূর্খ মোল্লারা আবার চ্যাতে না উঠে। বাস্তবতা হলো৷ রুশোর বলা এই কথাগুলোই পুরো দুনিয়ার সকল গণ*ন্ত্র ও সেকু রাষ্ট্রের মূলভিত্তি এবং রাষ্ট্র তার সকল পলিসি ও নীতিকে রুশোর বলা কথাগুলোর আলোকে সাজায়। এর বাহিরে যদি কখনো রাষ্ট্র ধর্মের চাহিদা বাস্তবায়নের দিকে যায় তাহলে সেটা হলো শুধুই কিছু বিপদগামী মানুষের চাপে পরে ও রাষ্ট্র পদভ্রষ্ট হয়ে গেলে। এবং রুশো সেটাকেও খুবই কড়া ভাষায় চিহ্নিত করে গিয়েছে। . সুতরাং একটি জাতীরাষ্ট্রে আপনি ইসলামের জায়গা থেকে যত বেশি শক্তিশালী করবেন জাতিরাষ্ট্র আপনাকে ততই ভয় করবে এবং আপনাকে সমিহ করে চলতে বাধ্য হবে, তবে কখনোই আপনাকে তাকে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেয়ার ব্যবস্থা করতে দিবে না। তাই সামাজিক শক্তি অর্জনের মাধ্যমে এই কাঠামোতে ইসলাম ও মুসলমানকে যেমম শক্তি করার আমাদের জন্য ফরজ। তেমনি একটি চূড়ান্ত শক্তি অর্জন করে জেনারেল উইল নামক যে খোদার রাজত্ব শয়তান ও তার পুজারিরার তৈরি করেছে তাকে চিরতরে শেষ করে দিয়ে আল্লাহর রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করাও সকল মুসলমানের আরেকটি বড় ফরজ।

বলা হলো, কনসার্ট করা গেলে, ধর্মীয় প্রোগ্রাম কেন করা যাবে না? বললো, অনেকে ধর্মীয় প্রোগ্রামের বিরোধীতা করবে। ইস্যু তৈরি হবে। গুড। ইস্যুর ভয় পাচ্ছো? আমরা এই অনুমতি না দেয়াকেই ইস্যু বানাবো৷ বুয়েট কী তোমার বাপের? নতুন বাংলাদেশে, যেখানেই বাধা আসবে সেখানেই আন্দোলন হবে। ইসলামতে দমিয়ে রাখার যে কোন প্রচেষ্টা প্রতিরোধের মুখে পড়বে। বুয়েট জেগে উঠুক। ~ ডা. মেহেদি ভাই

আমার উস্তাদ ও মাদরাসাতু আলী রা.-এর সম্মানিত শিক্ষক মাওলানা আরিফুল ইসলাম সাহেবের অনুবাদে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বই আসতেছে ইনশাআ
আমার উস্তাদ ও মাদরাসাতু আলী রা.-এর সম্মানিত শিক্ষক মাওলানা আরিফুল ইসলাম সাহেবের অনুবাদে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বই আসতেছে ইনশাআল্লাহ। . চেতনা প্রকাশন - Chetona Prokashon থেকে এই মাসেই আসবে ইনশাআল্লাহ। খাসভাবে সকলের নিকট দোয়া চাই।

খুরুজ আলাল হুক্কাম/ শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ . শিরোনাম দেখে ভাবছেন এই বিষয়ে বিস্তারিত মাকালা, না আসলে বিস্তারিত মাকালা লেখার মত এখনো আরো অনেক পড়াশোনা করা বাকি। তবে এই বিষয়ে বেশকিছুদিন যাবৎ কিছু কিতাব দেখার তাওফিক হয়েছে, সেগুলোর একটু পরিচিত তুলে ধরা এবং কয়েকটি নুকতা আ নোট করেছি সেগুলো বলবো আরকি। . ১. খুরুজ আলাল হুক্কামের মাসআলা আমাদের ফিকহের কিতাবে সাধারণত কিতাবুস সিয়ারে বাবুল বুগাতের অধিনে আলোচনা করে থাকে। তবে এখানে মূল আলোচনা যেহেতু থাকে বাগিদের নিয়ে তাই শাসকের বিধান নিয়ে আলোচনা আসে খুবই অল্প কথায়। ২. আধুনিক ইসলামি শাসনব্যবস্থা নিয়ে লেখা কিতাবগুলোতে এই মাসআলাটি কেউ 'খুরুজ আলাল হুক্কাম' এই শিরোনামে স্বতন্ত্র আলোচনা করেছে। যেমন দুমাইজি 'ইমামাতু উজমা' কিতাবে। আবার কেউ 'ইহতিসাবুল ইমাম' শাসকের জবাবদিহিতা সংক্রান্ত অধ্যায়ে আলোচনা করেছেন যেমন ইমারতের বর্তমান উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকি হক কা নী সাহেব 'আসসিয়াসাত ওয়াল ইদারাত' কিতাবে। ৩. এই সংক্রান্ত যে কটি রিসালা বা কিতাব দেখার তাওফিক হয়েছে তারমাঝে সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও গভির আলোচনা পেয়েছি হযরত থানবি রহিমাহুল্লাহের আলোচনা। ইমদাদুল ফতোয়ার পুরাতন এডিশনের ৫ খণ্ডের ১১০ পৃষ্ঠায় এক প্রশ্নের উত্তরে বিস্তারিত এই বিষয় আলোচনা করেছেন হযরত থানবি। এমন গভির থেকে এই মাসআলার হাদিসগুলোকে তাতবিক দিয়েছেন এবং ফিকহের ইবারতগুলোকে সমাধান করে দিয়েছেন যা আপনি এই সংক্রান্ত অসংখ্য কিতাব উল্টালে আশা করি কিছুটা বুঝবেন। রিসালার দুটো নুকতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। ক. 'ফাসেক শাসকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা যাবে না' এই ইজমাটি সাহাবাদের সময়কার ইজমা নয়। এটা পরবর্তীতে প্রেক্ষাপট সামনে আসায় ওলামায়ে কেরামের মাঝে হয়েছে। তবে এটাও মনে রাখতে হবে এই ইজমা খ. হযরত থানবি শাসকের ফিসককে কয়েক প্রকারে বিভিক্ত করেছেন। এক. ফিসকে লাজেম। দুই. ফিসকে মুতাআদ্দি। এরপর ফিসকে মুতাআদ্দিকে কয়েকভাগে বিভক্ত করে সবগুলোকে বিষয়কে যেভাবে সমধান দিয়েছেন এমনটি আর কোথাও পাবেন বলে মনে হয় না। বিশেষত, শাসক যদি ফিসকে মুতাআদ্দি যদি মানুষের ধর্ম সংক্রান্ত হয় আর তা মানুষকে ধীরে ধীরে ধর্মের প্রতি উদাসিন করে দেয় বা করে দিতে পারে ভবিষ্যতে এমন আশঙ্কা হয় তাহলে এটাও কুফরে বাওয়াহের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং খুরুজ আবশ্যক হয়ে যাবে! ওয়াহ থানবি ওয়াহ! ৪. খুরুজ আলাল হুক্কাম সংক্রান্ত স্বতন্ত্র যে কটি কিতাব নেড়েচেড়ে দেখার তাওফিক হয়েছে তার মাঝে কামেল আলি রবা রচিত 'নাজরিয়াতুল খুরুজ ফিল ফিকহিস সিয়াসিল ইসলামি' কিতাবটিকে বেশ সমৃদ্ধ মনে হয়েছে। বিশেষত বইটিতে শুধুই খুরুজ নিয়েই আলোচনা হয়নি। শুরুতে খিলাফত, খলিফা নির্বাচনসহ খেলাফতের মৌলিক বিষয়গুলো অল্প কথায় বেশ ভালোই আলোচনা করেছেন। এরপর খুরুজের বিভিন্ন দিক নিয়ে লম্বা আলোচনা করেছেন পক্ষে বিপক্ষে। সাথে ইতিহাসের বিভিন্ন খুরুজ নিয়েও আলোচনার পাশাপাশি বর্তমান সময়ে যারা শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা বলে তাদের ইতিহাস, মূলবক্তব্যগুলোও আনার চেষ্টা করেছেন। ইতিহাসের অংশসহ মাসআলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখকের সাথে দ্বিমতের অবশ্যই সুযোগ আছে এবং আমারো দ্বিমত আছে তবে সামগ্রিকভাবে যারা এই বিষয়ে পড়তে চান তাদের জন্য উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ। ৫. আলোচ্য মাসআলা নিয়ে বিস্তারিত বিভিন্ন দিককে সহজে তবে দলিল সমৃদ্ধ করে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন দুমাইজি তার 'আলইমামাতুল উজমা' কিতাবের মাঝে। মাসআলার ছোটখাটো সবগুলো দিক এবং সেগুলোর পক্ষে বিপক্ষে আলেমদের মত ও দলিল সাথে উভয় পক্ষের দলিলের মুকারানা! পুরো বিষয়টিকেই উনি তুলে এনেছেন কিতাবটিতে। আলোচনা পড়লে তৃপ্তি আসে। উনি তার আলোচনায় আমাদের সালাফদের মাঝে জালেম ও ফাসেক শাসকের বিরুদ্ধে খুরুজ সংক্রান্ত মাসআলায় এত বিশাল ইখতিলাফ কেন হয়েছে তার একটি কারন লেখেন, 'আমাদের সালাফগণের এই ইখতিলাফের মূল কারণ বিভিন্ন নুসুসের মাঝে ভিন্নতা। কোনো নসে অনুমতি প্রমাণিত হয় আর কোনো নসে নিষেধ। এদিকে আবার শাসকদের অবস্থায় একেক রকম। কারো একদিক বিবেচনা করলে তার আদলের দিক বেশী ফুটে উঠে আবার অন্যদিক দেখলে তার জুলুম, দ্বীনের বিভিন্ন বিধানের ব্যাপারে উদাসীনতা ইত্যাদি ফুটে উঠে। এখন সালাফগণ যখন শাসকদের অবস্থা বিবেচনায় এনেছেন কেউ জুলুমের দিকটাকে বড় করে দেখেছেন আবার কেউ ভালোর দিকটা।' ৬. ইমারতে ইসলামিয়ার বর্তমান উচ্চশিক্ষামন্ত্রী তার 'আসসিয়াসাত ওয়াল ইদারাত' কিতাবে ইহতিসাবুল ইলাম সংক্রান্ত আলোচনায় বিস্তাতির মাসআলার বিভিন্ন দিক তুলে এনেছেন। তবে সেখানের আলোচনার পূর্বে 'শক্তির মাধ্যমে শাসনক্ষমতা দখলের আলোচনাতে অল্পকথাতে খুরুজের মূল যে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন সেটা ছিলো বেশী চমৎকার। ৭. আমাদের সালাফদের খুরুজ নিয়ে পুরো ইখতিলাফটি ছিলো জালেম ও ফাসেক শাসক নিয়ে। পথভ্রষ্ট ও গোমরাহ শাসক নিয়ে আমাদের সালাফদের কোনো ইখতিলাফ নেই বললেই চলে। আর কাফের শাসক নিয়ে তো প্রশ্নই আসে না। . যাইহোক, আলোচনাগুলো হয়তো আপনার কাজে লাগতে পারে। আল্লাহ আমাদের বিষয়গুলোকে গোড়া থেকে বুঝার তাওফিক দান করুক।

ইসলামি সিয়াসাত নিয়ে সমকালীন যতজনের লেখা নেড়েচেড়ে দেখার তাওফিক হয়েছে তারমাঝে ‘ইমামাতুল উজমা’ বইটি বেশ চমৎকার ও অনন্য লেগেছে। একদিকে পশ্চিমের গ*ণত*ন্ত্রের মাদকতা আর প্রাচ্যবিদদের অপপ্রচার অন্যদিকে ইখওয়ানি হিজবুত তাহরির ধারার কিছু মডারেট চিন্তার মুসলিমের বিকৃতি—এতসবকিছুর মধ্য দিয়ে ইসলামি সিয়াসাতকে আহলুস সুন্নাহের মানহাজ ও পরিভাষা দিয়ে বুঝা ও সম্পূর্ণ নির্ভয়ে লেখে যাওয়া, এই লেখকের এক অনন্য কীর্তি ঠেকেছে আমার কাছে। আল্লাহ লেখককে জাযায়ে খায়ের দান করুক। আমীন। . বইটিতে শুধু ইসলামি খে*লা*ফ*তের প্রধান খ*লি*ফা বা আমিরুল মুমিমিনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। একটি ইসলামি ভূখণ্ডে খ*লি*ফা নিয়োগ দেওয়ার বিধান, কাকে নির্ধারণ করবে এবং কারা নির্ধারণ করবে এবং তার পদ্ধতি কী হবে? একজন মুসলিম শাসকের দায়িত্ব কী? খ*লিফাকে কখন তার পদ থেকে বহিষ্কার করা যাবে। আসবাবুল আজল কী কী এই সংক্রান্ত আলোচনাই পুরো ছয়শত পৃষ্ঠা জুড়ে।

খুরুজ আলাল হুক্কাম সংক্রান্ত স্বতন্ত্র যে কটি কিতাব নেড়েচেড়ে দেখার তাওফিক হয়েছে তার মাঝে এই কিতাবটিকে বেশ সমৃদ্ধ মনে হয়েছে। বিশেষত বইটিতে শুধুই খুরুজ নিয়েই আলোচনা হয়নি। শুরুতে খিলাফত, খলিফা নির্বাচনসহ খেলাফতের মৌলিক বিষয়গুলো অল্প কথায় বেশ ভালোই আলোচনা করেছেন। এরপর খুরুজের বিভিন্ন দিক নিয়ে লম্বা আলোচনা করেছেন পক্ষে বিপক্ষে। সাথে ইতিহাসের বিভিন্ন খুরুজ নিয়েও আলোচনার পাশাপাশি বর্তমান সময়ে যারা শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা বলে তাদের ইতিহাস, মূলবক্তব্যগুলোও আনার চেষ্টা করেছেন। ইতিহাসের অংশসহ মাসআলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখকের সাথে দ্বিমতের অবশ্যই সুযোগ আছে এবং আমারো দ্বিমত আছে তবে সামগ্রিকভাবে যারা এই বিষয়ে পড়তে চান তাদের জন্য উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ।

এদেশের আলেমদের রুজুনামাগুলো খুবই আশ্চর্য, সাহাবা উসমান রা. ইস্যুতে ফয়জুল করীম সাহেব 'যদি আমার ভুল হয়ে থাকি তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী' বলে রুজু করলেন। আজকে আরিফ বিন হাবিব ভাই (যাকে আল্লাহর জন্য অনেক বেশী মহব্বত করি, কত মানুষকে যে তার বয়ান শুনতে বলেছি ও বলি তা আল্লাহই ভালো জানেন) রুজু নামার মত করে একটা পোষ্ট দিলেন। সারমর্ম কী? আমার তো কোনো ভুল আমার নজরে পড়েনি। অনেক বার চিন্তা করেও ভুল পাইনি। কিন্তু অন্যরা যেহেতু আমার পোষ্টের ভুল ধরছেন আর একটা বিশৃঙ্খলা হচ্ছে তাই আমি রুজু করলাম। . আরিফ বিন হাবিব ভাই! আপনি আমাদের মহব্বতের এবং আমাদেরই সম্পদ। আপনি এদেশের অসংখ্য মানুষের কাছে রাহবার, তাই আপনার ভুল কিন্তু সাধারণ ভুল না। তাই আপনার কোনো বিষয় দলিলের আলোকে ভুল মনে হলে সেটা অন্যরা ধরিয়ে দিবে এটাই স্বাভাবিক। আপনি ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন তাই স্বাভাবিক ফেসবুকেই আপনার পোষ্টের সমালোচনা হবে। পক্ষেবিপক্ষে কথা হবে। কিন্তু আপনিসহ আরো অসংখ্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে একটি দুঃখজনক বিষয় দেখা যায়, আপনারা প্রকাশ্যে কোনো ভুল করলে বা আপনাদের প্রকাশ্যে বলা বিষয়গুলো কারো কাছে আপত্তিজনক মনে হলে সে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করলে আপ্নারা বিষয়টিকে স্বাভাবিক নসিহা হিসেবে না নিয়ে পিছনে লেগেছে, এগুলো ভুল ধরার পদ্ধতি হলো কি না, ইত্যাদি নিয়ে খুব আফসোস করেন। এবং আপনার বিরোধি হিসেবে চিহ্নিত করে ফেলেন। সাথে সবধরনের সমালোচককে এক কাতারে ফেলে দেন! বিষয়টি আসলেই দুঃখজনক। যাইহোক, শেষে একটি কথা বলি, আপনি লেখেছেন দেশ প্রেম নিয়ে আপনার লেখাটিতে জাতীয়তাবাদের গন্ধ আসে। কিন্তু আপনার কাছে সেগুলো ভুল মনে হয়নি! বিষয়টি খুবই ব্যতিত করলো। অথচ আপনার সেই পোষ্টের মৌলিক বিচ্যুতি ছিলো মক্কার বিশেষ ফাজায়েলকে দুনিয়ার সমস্ত ভুখণ্ডের জন্য জোর করে চালিয়ে দিয়েছেন! অথচ আয়াতগুলোর তাফসিরের কিতাব দেখলেই আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে যেত! কিন্তু দুঃখজন হলো আপনি তা করেননি। এখন আপনি আপনার বিতর্ক পোষ্টগুলোতে বারাবার পড়েও কোনো অসঙ্গতি পাননি, এটা আপনার রুজু নামা থেকেও বিপদজনক। আল্লাহ আপনাকে দ্বীনের জন্য ব্যাপকভাবে কবুল করে নিক। আপনার ছায়াকে আমাদের উপর দীর্ঘায়িত করুক। আমীন।

মৃত্যুর অল্প কয়েক দিন আগে মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের বাসায় আমরা কয়েকজন গিয়েছিলাম। নানা কথার ফাঁকে তাকে সরাসরি জিজ্ঞেস করলাম : শাপলা চত্বরে এত বড় একটা হত্যাকাণ্ড হলো, কিন্তু কোনও বিচার হলো না, এটা কেমনে হলো? তিনিও খোলামেলা বললেন : টাকা খাইছে, আর কেমনে! জানতে চাইলাম : কত করে খাইছে, এক-দুই কোটি করে হবে? তিনি বললেন : আরে না, এদের এত টাকা দেয় নাকি? এক লাখ পাইছে, দুই লাখ পাইছে। কারা খাইছেন, সেটা জিজ্ঞেস করার সাহস হয় নাই। মাফ করে দিয়েন। কপি (সংযুক্তি) আল্লাহর কাছে সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত একটাই দোয়া, যাদের কারনে সেদিন আমাদের ভাইয়ের লাশ পড়েছে আল্লাহ যেনো সবগুলোকে এই দুনিয়ার বুকেই বিচার করেন এবং সেগুলোর মুখোশ খুলে দেন।

আল্লাহ মাফ করুক, শায়েখে চরমোনাই কী কোনো এজেন্টের পাল্লায় পড়ে গেলো কি না! এখন চতুর্দিকে ঐক্যের একটি পরিবেশ নিয়ে আলোচনা চলছে, ঠিক এই মুহুর্তে ফরিদ মাসুদের মত সব ঘরনার কাছেই বিতর্কিত ব্যক্তিকে নিয়ে শায়খের আলোচনাটা অনেকের মনেই চিন্তার বাজ ফেলছে। কারন শায়খ একদিকে কওমী ও জামাতের সাথে বৃহত্তর ঐক্য করতে চাচ্ছেন, আবার এই দুদলের কাছেই ফরিদ মাসুদ বিতর্কিত। জানি না ঐক্যের এই চূড়ান্ত মুহুর্তে কী বিবেচনা করে শায়খে চরমোনাই এমন বিতর্কিত বিষয় উত্তাপন করলেন। পূর্বে অনেকবার দেখা গেছে যখনই এদেশের ইসলামপন্থীদের মাঝে ঐক্যের কোনো সম্ভাবনা আসে তখনই বিভিন্ন এজেন্টরা সেটাকে নস্যাৎ করে দিতে আমাদের নিজেদের মধ্যেই গ্যাঞ্জাম লাগিয়ে দেয়। তো, এবার শায়খে চরমোনাইয়ের মত বিজ্ঞ রাজনীতিবিদের মাধ্যমে বড়ধরনের কোনো চক্রান্ত হচ্ছে কি না এটা উনার আশপাশের মানুষজনের গভিরভাবে দেখা দরকার ও শায়েখের নিজেরও উচিত নিজেকে নিয়ে ফিকির পড়া। ঐক্যের এই শেষলগ্নে শায়খ এমন অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় কেনো আলোচনা করছেন এটা নিয়ে উনার ভাবা উচিত।

ফরিদ ইস্যুতে অনেকের মুখোশ খুলে যাচ্ছে, বিষয়টা দেখে ভালো লাগতেছে। মানহাজি নামক অপবাদ দিয়ে যারা জিহাদের কথা বলে তাদের বিরোধিতা যে একসময় জিহাদ বিরোধিতায় রূপ নেয় তা আবারো প্রমাণিত হচ্ছে। ফরিদ মাসুদ কী জামানার ফিল্টার হয়ে গেলো নাকি!

রাত বিরাতে একটা শরমের কথা বলে ফেলি: . আলহামদুলিল্লাহ প্রতি মাসেই আল্লাহর তাওফিকে কিছু টাকা ব্যয় হয় কিতাবের পিছনে। গত দুই-তিন বছর এমন খুব কম মাস গিয়েছে, যে মাসে আমার কিতাব সংগ্রহ শুণ্য ছিলো। পড়তে পারি আর না পারি কিতাব সংগ্রহের এই জযবাকে আমি আমার গুনাহে ভরা জীবনের একটি নাজাতের উসিলা মনে করি। . হাদিয়া গ্রহণের ক্ষেত্রে আমাদের এক উস্তাদের উসুল হলো, যদি তুমি কখনোই কারো কাছে কিছু না চাও, তারপরও কোনো অজানা কেউ এসে তোমাকে হাদিয়া দেয় তাহলে তা গ্রহণ করা চাই। আল্লাহই তার অন্তরে তোমার প্রতি কোনো মহব্বত ঢেলে দিয়েছে যার ফলে সে তোমাকে সে মহব্বতের ফলে কিছু দিতে চাচ্ছে। উস্তাদকেও দেখতাম এমন হাদিয়াকে কোনোরূপ তাকাল্লুফি ছাড়া খুবই আন্তরিকতার সাথেই গ্রহণ করতে। কিছু একান্ত পরিচিত মানুষ বাদ দিলে আমিও এটা যথাসম্ভব মেনে চলার চেষ্টা করি। . যাইহোক, এবার আসি আসল কথায়, অনেক লেখক, প্রকাশক এমনকি শুভাকাঙ্ক্ষী ভাইরা মাঝে মাঝে মেসেজ দেন, ‘ভাই আপনাকে কিছু বই হাদিয়া পাঠাতে চাই, আপনার নাম্বার আর ঠিকানা দেন।’ আমিও আন্তরিকতার সাথেই তাদেরকে ঠিকানা ও নাম্বার দিয়ে দেই। কিন্তু এরপরই শুরু হয় আমার টেনশন। দেখা যায় ঐ ভাই/প্রকাশনী/শুভাকাঙ্ক্ষীর কোনো খবর আর নেই। হাজারো চিন্তা মাথায় এসে ঘুরতে থাকে, হযরতের সাথে কোনো বেয়াদবি হয়ে গেলো না তো, ঠিকানায় ভুল হলো না তো? ‘আরে ভাই লাগবে না কী দরকার ছিলো’ এমন তাকাল্লাফি না দেখিয়ে এভাবে এককথায় নাম্বার আর ঠিকানা দিয়ে দেয়াতে উনি আবার আমাকে কিছু মনে করলো না তো! এরকম অসংখ্য চিন্তা মাথায় আসতেই থাকে আর আমি শরম ভেঙ্গে তাদেরকে জিজ্ঞাসাও করতে পারি না। এভাবে বিশ্বাস করেন ভাই আমার কয়েকদিন পেরেশানীর ভিতর কেটে যায়। অনেক সময় তো দেখা যায়, উনি যে বইটা হাদিয়া পাঠাবেন সেটা আমি হয়তো দ্রুতই সংগ্রহ করতাম উনার পাঠানোর আশায় সংগ্রহও করা হচ্ছে না, আবার শরম ভেঙ্গে উনাকেও জিজ্ঞাসা করতে পারছি না। . তো আসলে এখন থেকে এটাই সিন্ধান্ত নিলাম, শরম ভেঙ্গে যাদেরকে জিজ্ঞাসা করতে পারবো না তাদের থেকে এভাবে অনলাইনে আর হাদিয়াও নিবো না। এবার আপনারা আমাকে যদি খারাপভাবেন তাহলে আমি ক্ষমা চাই, আমার কিছু করার নাই। আমি ভাই খুবই মারাত্মক চাপে থাকি। একটা উদাহরণ দেই। একবার দেশের অন্যতম বড় এক মাকতাবার লোক মেসেজ দিলো আমাকে কিছু বই পাঠাবে। আমি ঠিকানা দিয়ে বেতাকাল্লুফি বললাম ভাই যদি সম্ভব হয় তাহলে হোম ডেলিভারি দিয়েন। আমার মাদরাসা থেকে সুন্দরবন কুরিয়ার আসা যাওয়ায় ৬০ টাকার উপরে খরচ হয় আবার সময়ও যায় অনেক। উনি কথাটা শুনে আচ্ছা বলে আর কোনো মেসেজ দিলো না। বিশ্বাস করেন আমি এক সপ্তাহের বেশি টেনশন করেছি এবং কেনো দিলো না এর হাজারো কারণ মাথায় শুধু গিজ গিজ করছিলো আর এখনো সেটা মনে পড়ে। কিন্তু শরম ভেঙ্গে তাকে যে জিজ্ঞাসা করবো পারিনি। . এই পোষ্ট পড়বেন এমন অনেকে যার সাথে আমার এম৷ ঘটনা ঘটেছে, বিশ্বাস করেন আমি কাউকেই নির্দিষ্ট করে বলিনি। গত একবছরে এই বিষয়ে আমি কয়েকবার পোষ্ট লেখে ডিলিট করে দিয়েছি, যদি কেউ আবার নিজেকে দোষী ভাবে এই ভেবে। কিন্তু বিষয়টা এখন আমার জন্য কষ্টের কারন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আফওয়ান।

প্রতিদিনের রুটিন মত শুয়ে পড়লেন হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল। কয়েকমাস আগেই মাত্র মদিনা থেকে এখানে আসলেন। ইচ্ছা ছিলো না মদিনা ছাড়ার। কিন্তু কিছুই করার নেই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশ। হঠাৎ একটি আওয়াজ আসলো ‘মুয়াজ! রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাত হয়ে গেছে আর তুমি জীবনের মজা নিচ্ছো’। ধড়ফড় করে লাফ দিয়ে ঘুম থেকে উঠলেন তিনি। যেনো কেয়ামতের শিঙ্গায় ফুতকার দেয়া হয়ে গেছে। ঘর থেকে বের হয়ে সানআর অলিতে গলিতে বেতালের মত দৌড়াতে থাকলেন আর চিৎকার করতে লাগলেন, ‘হে ইয়ামানবাসী! আমাকে যেতে দাও, এ কী দিন দেখতে হলো আমার আঁকার দরবার ছেড়ে এ কোথায় আমি পড়ে রইলাম’! ইয়ামানবাসী জিজ্ঞাসা করলেন কী হয়েছে মুয়াজ? মুয়াজ রা.-এর তখন কোনো হুশ নেই তিনি কোনো উত্তর না দিয়েই ঘোড়া নিয়ে ছুটলেন মদিনার পানে। মদিনায় এসে আম্মাজান আয়েশার ঘরে গেলেন। নিজের পরিচয় দিলেন এবং শোক প্রকাশ করলেন। আয়েশা রা. তখন বললেন, ‘মুয়াজ! তুমি যদি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শেষ সময়গুলো স্বচক্ষে দেখতে তাহলে এই দুনিয়ার জীবন তোমার যতই দীর্ঘ হতো না কেনো, কখনোই তা আর ভালো মনে হতো না’। হযরত আয়েশার মুখে এই কথা শুনার সাথে সাথে হযরত মুয়াজ অজ্ঞান হয়ে যান! . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দাফন করে যখন আনাস রা. ফিরে আসলেন ফাতেমা রা. তাকে সম্বোধন করে বললেন, ‘কীভাবে তোমরা পারলে তোমার নবীকে মাটিতে শুইয়ে দিয়ে এভাবে চলে আসতে’ . হযরত উসমান যখন ওফাতের খবর শুনলেন মনে হলো তিনি বধির হয়ে গেছেন! হযরত আলী রা. যেখানে ছিলেন সেখানেই বসে গেলেন। হযরতের ওমরের মত শক্ত দিলের সাহাবী যেনো দিমাগ খুইয়ে ফেললেন! চিৎকার করে ঘোষণা দিলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাত হয়নি। তিনি তার রবের রবের সাথে সাক্ষাতে গেছেন৷ দ্রুতই ফিরে এসে যারা মৃত্যুর সংবাদ ছড়াচ্ছেন তাদের হাত-পা কেটে দিবেন। . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়াতে নেই, কল্পনা করে দেখুন এই সংবাদ সাহাবাদের কী হালত করে দিয়েছিলো! সিরাত পাঠ মধুর হলেও রাসুলের ইন্তেকাল হয়ে গেছে এই অংশটুকুতে আসলে অন্তর এমনভাবে মোচড় দিয়ে উঠে, মনে হয় কী জানি হারিয়ে ফেলেছি।

দুষ্টো হোলাহাইন!
দুষ্টো হোলাহাইন!

ড. হামেদ আল ইদ্রিসি লিখেছেন: অনুবাদ : ইমতিয়াজ বোরহান আল্লাহর কসম, গায়রতশীল ব্যক্তি চায় তার স্ত্রী ঘরে নিজ সন্তানদের মাঝে থাকুক। কারণ কথিত 'বিজ্ঞান' নামক মূর্তির আড়ালে তথাকথিত নারীবাদ লুকিয়ে আছে। এই মূর্তিপ্রীতির জন্যই মেয়েরা তাদের নিরাপদ আবাস ত্যাগ করে পুরুষদের সঙ্গে মিশতে শুরু করেছে। ফলে সত্যিকারের নারীসত্ত্বা ও গৃহিণীরা হারিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি জ্ঞান -যা একজন নারীকে তার সৃষ্ট উদ্দেশ্য থেকে বিরত রাখে- সেটা সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়। ওহী নাযিল হয়েছিল পুরুষদের ওপর; যাতে তারা পৃথিবীতে মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিন ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতিনিধি হিসেবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারে। এই জ্ঞান উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে পুরুষেরা, যাদের নারীরা নিজেদের ঘরে মায়া-মমতা দিয়ে গড়ে তুলেছিল। যদি জ্ঞান নারীদের জন্য সম্মানের বিষয় হতো তবে মদিনা, আল-আজহার, বাগদাদ, কায়রো, এবং কায়রুয়াইনের মাদ্রাসাগুলো নারীদের দ্বারা পূর্ণ থাকতো। কিন্তু তা কখনো হয়নি। এই ভয়াবহ ফিতনা আমাদের মাঝে ঠিক তখনই ছড়িয়েছে যখন পশ্চিমা সমাজ তাদের সাম্যের মডেল নিয়ে এসে আমাদের সমাজগুলোকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। একজন নারীর জন্য যথেষ্ট, সে এতটুকু শিক্ষা অর্জন করুক যা তার ধর্ম পালন এবং সন্তান লালন-পালনের জন্য প্রয়োজন। কারণ সে তার ঘরে থাকলেই আল্লাহ তাআলার কাছাকাছি থাকতে পারবে, পুরুষদের মাঝে বসে থাকার চেয়ে তার জন্য নিজ ঘরে অবস্থান করাই উত্তম। কিছু ইলম যেমন উপকারী, তেমনি কিছু ইলম ক্ষতিকারকও। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'আমি আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষতিকর ইলম থেকে আশ্রয় চাই। তাই নারীদের এই ইলম অন্বেষণের ফিতনা থেকে বিরত রাখো, কারণ এর ফলে তারা বিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে! অজানা পথে বেরিয়ে যাচ্ছে এবং বাবা ও স্বামীদের অবাধ্য হয়ে উঠছে।"

photo content

মুরব্বি মুরব্বি... . একদিকে বঙ্গীয় কিছু তালেব ভক্ত এটা প্রমাণে ব্যস্ত নুরানী কায়েদার সাথে ছাত্রদের কোনো সম্পর্ক নাই, আবার সেদ
মুরব্বি মুরব্বি... . একদিকে বঙ্গীয় কিছু তালেব ভক্ত এটা প্রমাণে ব্যস্ত নুরানী কায়েদার সাথে ছাত্রদের কোনো সম্পর্ক নাই, আবার সেদিকে বিদেশী মিডিয়া প্রশিক্ষন কেন্দ্র খুজে পায় তাও আবার শুধু কাবুলে! . আমরা কোতায় যাবো! বলো, সুপ করে থেকো না। . বি.দ্র. এবারের নির্বাচনে আমি পিও নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প ওরফে দেলোয়ার হোসেন টেলুর সমর্থনেই আছি।

সাংস্কৃতিক স্বৈরাচার মোকাবেলা ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপের অংশ হিসেবে ইসলামী বইমেলার আমূল সংস্কারের দাবি
সাংস্কৃতিক স্বৈরাচার মোকাবেলা ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপের অংশ হিসেবে ইসলামী বইমেলার আমূল সংস্কারের দাবিতে লেখক-পাঠক-ছাত্রজনতার প্রতিবাদী বইপাঠ। বইমেলা বাস্তবায়ন কমিটির স্বৈরাচারী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এবং লেখক-পাঠক-প্রকাশকবান্ধব বইমেলার দাবিতে রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টায় ইফার সামনে (বাইতুল মোকাররম উত্তর গেইট) এ কর্মসূচি পালিত হবে। বই হাতে এ কর্মসূচি পালনে অংশ নেবেন দেশের খ্যাতিমান লেখক, সংগঠক, সম্পাদক, সাংবাদিক, এক্টিভিস্ট, পাঠক ও বিপ্লবী ছাত্রজনতা।

আমার গ্রামে ইদ্রিস পীর নামে এক পীর আছে। ওরস, দৈনিক ঢোল-বাজনা নিয়ে ভজনগীতের পাশাপাশি তার ব্যাপারে চাউর আছে সে গোসল করে না। প্রতিমাসে ঢাকা থেকে এক মুরিদা ভার্সিটি শিক্ষিকা নাকি আসে। এসে তাকে দুধ দিয়ে গোসল করায়। সেই ময়লা দুধ ভক্তরা কাড়াকাড়ি করে খায়। এ ছাড়া সে 'প্রেমভাজা' একপ্রকার খাবার নাকি খায় (সিমেন), যা তার রূপযৌবন বাড়িয়ে তোলে। একবার গ্রামবাসী তার আখড়া-মাজার ভেঙে চুর চুর করে দিয়ে এসেছে। এর মধ্যে বেনামাজি, সুদখোর থেকে নিয়ে নামাজি লোকও ছিল। সবাই মিলে ভেঙে দিয়েছে। আমি মনে করি না, এর কারণটা ধর্মীয়। বা ওহাবী ইসলাম, সালাফিজম তাদের ভাঙতে বলেছে বলে তারা ভেঙেছে। নবিজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস 'কবর সমান কর' এর বিন্দুমাত্র প্রভাব এই ভাঙাভাঙিতে ছিল বলে আমার মনে হয় না। তাহলে নিজেদের গোরস্থানের কবরও ভেঙে সমান করে দিত। তারা কেন ভেঙেছে? বেনামাজি, সুদখোর লোক যারা ধর্মের ধার তেমন একটা ধারে না, তারা কেন উদ্যোগী হয়ে ভাঙল? এর কারণ হল সোশ্যাল নুইসেন্স। এই মাজারগুলো একটা সামাজিক অস্বস্তি তৈরি করে রাখে। ঢোল-করতাল দিয়ে গান-বাজনা থেকে শুরু করে গাঁজা, ব্যভিচার, ঘৃণ্য কিছু প্র্যাক্টিস গ্রামীণ সমাজে চাপা ক্ষোভ তৈরি করে রাখে। গ্রামের প্রতিটা মানুষ আশঙ্কায় থাকে কখন না জানি নিজের ক্লোজ কেউ এখানে গিয়ে না জানি কীসে লিপ্ত হয়। কিছুটা হাসিনা রেজিমের সাথে তুলনা করলে বুঝবেন। যা একটা সময় বার্স্ট হয়। মাজারগুলোও বেশিরভাগ থাকে ফেইক। বা আসলেই বুজুর্গ লোকের মাজার হলেও সেটা-কেন্দ্রিক সোশ্যাল নুইসেন্স থাকেই। সাম্প্রতিক মাজার ভাঙাকেও আমার কাছে ভিন্ন মনে হয়নি। এর সাথে স্থানীয় রাজনীতির নানান বিষয় থাকতে পারে। আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। মাজার সংশ্লিষ্টদের লীগ-ঘেঁষামির কারণে জনরোষে সব তছনছ করা হতে পারে। আমার চোখে পড়েইনি কোন হুজুর মাজার ভাঙার ডাক দিয়েছে বা মাদরাসার ছাত্ররা ভাঙছে। ছবিগুলো দেখে মনে হল স্থানীয় জনতা-মুসল্লি মিলে ভাঙছে। এক জায়গায় দেখলাম ছাত্রলীগের নেতা মাজার ভাঙার ডাক দিয়েছে। অথচ ফেবুবোদ্ধারা ব্যাশিং করছেন হুজুরদের। কারণ এদের ব্যাশিং করা সহজ। দুর্বলকে ব্যাশিং করার মজাই আলাদা। পান থেকে চুন খসলেই তৌহিদি জনতার তৌহিদকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো ইসলামোফোবিয়ারই এক সূক্ষ্ম প্রকার। যেন তৌহিদানুভূতি ছাড়া অন্য কোন কারণ নেই এখানে। সালাফি ব্যাশিংয়ের নামে ইসলামকেই ব্যাশিং করা হয়ে গেল কিনা, দেখুন। যেন সকল অপকর্মের মূলে তৌহিদি জনতার তৌহিদানুভূতি। কেন আর সবাই পায়, শুধু মুসলিমরাই আপনার বেনিফিট অব ডাউট-টা পায় না, নিজেকে একটু জিগ্যেস করুন।