es
Feedback
𝗨𝗡𝗙𝗔𝗭𝗘𝗗

𝗨𝗡𝗙𝗔𝗭𝗘𝗗

Ir al canal en Telegram

Fighting 4th gen cultural war আমাদের ডিসকাশন গ্রুপঃ https://t.me/unfazedbdchat আমাদের ফেইসবুক পেইজঃ facebook.com/we.unfazed 𝕏/টুইটারে ফলো করুনঃ https://x.com/unfazedbd

Mostrar más
8 179
Suscriptores
Sin datos24 horas
-47 días
-4630 días

Carga de datos en curso...

Nube de Etiquetas
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Menciones Entrantes y Salientes
---
---
---
---
---
---
Atraer Suscriptores
julio '26
julio '26
+42
en 0 canales
junio '26
+66
en 0 canales
Get PRO
mayo '26
+110
en 0 canales
Get PRO
abril '26
+112
en 1 canales
Get PRO
marzo '26
+195
en 1 canales
Get PRO
febrero '26
+58
en 3 canales
Get PRO
enero '26
+81
en 0 canales
Get PRO
diciembre '25
+64
en 0 canales
Get PRO
noviembre '25
+58
en 0 canales
Get PRO
octubre '25
+104
en 0 canales
Get PRO
septiembre '25
+88
en 3 canales
Get PRO
agosto '25
+134
en 1 canales
Get PRO
julio '25
+123
en 5 canales
Get PRO
junio '25
+118
en 4 canales
Get PRO
mayo '25
+65
en 4 canales
Get PRO
abril '25
+250
en 3 canales
Get PRO
marzo '25
+118
en 5 canales
Get PRO
febrero '25
+142
en 2 canales
Get PRO
enero '25
+199
en 3 canales
Get PRO
diciembre '24
+593
en 9 canales
Get PRO
noviembre '24
+578
en 5 canales
Get PRO
octubre '24
+417
en 8 canales
Get PRO
septiembre '24
+395
en 4 canales
Get PRO
agosto '24
+927
en 14 canales
Get PRO
julio '24
+524
en 4 canales
Get PRO
junio '24
+169
en 2 canales
Get PRO
mayo '24
+733
en 5 canales
Get PRO
abril '24
+227
en 4 canales
Get PRO
marzo '24
+404
en 2 canales
Get PRO
febrero '24
+622
en 5 canales
Get PRO
enero '24
+370
en 5 canales
Get PRO
diciembre '23
+712
en 10 canales
Get PRO
noviembre '23
+504
en 7 canales
Get PRO
octubre '23
+2 482
en 2 canales
Fecha
Crecimiento de Suscriptores
Menciones
Canales
12 julio0
11 julio+5
10 julio+5
09 julio0
08 julio+6
07 julio+3
06 julio0
05 julio+2
04 julio+4
03 julio+5
02 julio+6
01 julio+6
Publicaciones del Canal
এই দার্শনিক আলোচনা যদি কনভিন্সিং মনে না হয়, তাহলে কোরআনের দুইটি আয়াত দেখা যাক। ১. زُيِّنَ لِلنَّاسِ حُبُّ ٱلشَّهَوَٰتِ مِنَ ٱلنِّسَآءِ وَٱلْبَنِينَ وَٱلْقَنَـٰطِيرِ ٱلْمُقَنطَرَةِ مِنَ ٱلذَّهَبِ وَٱلْفِضَّةِ وَٱلْخَيْلِ ٱلْمُسَوَّمَةِ وَٱلْأَنْعَـٰمِ وَٱلْحَرْثِ ۗ ذَٰلِكَ مَتَـٰعُ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ۖ وَٱللَّهُ عِندَهُۥ حُسْنُ ٱلْمَـَٔابِ “মানুষের জন্য সুশোভিত করা হয়েছে প্রবৃত্তির ভালবাসা—নারী, সন্তানাদি, রাশি রাশি সোনা-রূপা, চিহ্নিত ঘোড়া, গবাদি পশু ও শস্যক্ষেত। এগুলো দুনিয়ার জীবনের ভোগসামগ্রী। আর আল্লাহ, তাঁর নিকট রয়েছে উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল।” (আলে ইমরান: ১৪) এই আয়াতে মানুষ শব্দ ব্যবহার করা হলেও বিবরণ দেওয়া হয়েছে পুরুষের। কারণ নারীর আকাঙ্ক্ষা একান্তই পুরুষের বৈশিষ্ট্য। সুতরাং কোরআনে মনুষ্যত্বের প্রতিনিধি হল পুরুষ। ২. نِسَآؤُكُمْ حَرْثٌۭ لَّكُمْ فَأْتُوا۟ حَرْثَكُمْ أَنَّىٰ شِئْتُمْ ۖ وَقَدِّمُوا۟ لِأَنفُسِكُمْ ۚ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّكُم مُّلَـٰقُوهُ ۗ وَبَشِّرِ ٱلْمُؤْمِنِينَ “তোমাদের নারীরা তোমাদের শস্যক্ষেত্র। সুতরাং তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে গমন কর, যেভাবে চাও। আর তোমরা নিজদের কল্যাণে উত্তম কাজ সামনে পাঠাও। আর আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং জেনে রাখ, নিশ্চয় তোমরা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে । আর মুমিনদেরকে সুসংবাদ দাও।” (বাকারা: ২২৩) আয়াতে নারীদের শস্যক্ষেত্র বলে উপমা দেওয়া হয়েছে। আর সবুজ শ্যামল শস্যক্ষেত্র প্রকৃতির সবচাইতে বড় প্রতীক।

2
এখানে একটা লেখা পোস্ট করে রাখছি, যেটা নিয়ে প্রচুর বিতর্ক হতে পারে। লেখকের নামটা ভুলে গিয়েছি। এখন ফেসবুকে আর পাওয়া যায় না। হারিয়ে যেন না যায় এজন্য চ্যানেলে পোস্ট করে রাখছি। লেখকের আর্গুমেন্টগুলোর কাছাকাছি কিছু যুক্তি এমন - আল্লাহ বললেন, আমি আমার খলিফা বা মানুষ পাঠাবো। সেই মানুষের রুপে যাকে বানানো হলো, সে হলো একজন পুরুষ। এবং একটা লম্বা সময় পর্যন্ত নারীর কোনো অস্ত্বিত্বই ছিলো না। পরবর্তিতে নারী অস্ত্বিত্বে আসে, সেটা আবার আদম (আঃ) এর প্রয়োজনেই, স্বতন্ত্রভাবে না। এবং নারীর সৃষ্টির ম্যাটেরিয়ালটাও পুরুষের বডি পার্ট থেকে নেওয়া। আবার মানুষের দুনিয়ার চ্যাপ্টার যখন শেষ হবে, তখন জান্নাতেও নারীর ভূমিকা পুরুষের এক্সটেনশন হিসেবে। স্বামীকে সন্তষ্ট করেই তারা খুশী থাকবে। যাইহোক, এগুলো মারাত্মক সেনসেটিভ। জাস্ট সংরক্ষণের জন্য পোস্ট করছি (আমার লেখা না)। ************* নারী কি পূর্ণ মানুষ? এই প্রশ্নের উত্তর বুঝতে হলে "মনুষ্যত্ব" কী তা বুঝতে হবে। পাশাপাশি বুঝতে হবে "মনুষ্যত্বের" অনুপস্থিতি কীসের উপস্থিতি নির্দেশ করে। এই শেষ প্রশ্ন দিয়েই আলাপ শুরু করা যাক। আমরা যদি জগতের দিকে তাকাই আমরা মানুষ ছাড়াও দেখি প্রাণী, উদ্ভিদ, চাঁদ, সূর্য, নক্ষত্র, আকাশ, পাহাড়, নদী, বন, আবহাওয়া, মেঘ, বৃষ্টি, দুর্যোগ, বন্যা, ভূমিকম্প... এই সব কিছুকে এক শব্দে বলা হয় নেচার বা প্রকৃতি। অর্থাৎ এই জগতে মোটাদাগে দুইটি অস্তিত্ব আছে — মানুষ ও প্রকৃতি। প্রশ্ন করতে পারেন, অন্যান্য জীবজন্তু কেন প্রকৃতির অন্তর্ভুক্ত করা হল? এর কারণ হল, মানুষ বাদে সকল জীবজন্তু প্রকৃতির অনুগত। তাদের কারো পক্ষেই প্রকৃতির নিয়ন্ত্রণ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের কোন সুযোগ নেই। বিপরীতে মানুষের আছে প্রযুক্তি। প্রকৃতির বিকল্প মানুষ প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি করতে সক্ষম। অর্থাৎ মনুষ্যত্বের বিপরীত হল প্রকৃতি। দ্বিতীয়ত চিন্তার বিষয় হল, মানুষ প্রকৃতির নিয়ন্ত্রণ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য কোন কোন গুণের ওপর নির্ভর করেছে। কারণ এখান থেকে আমরা মনুষ্যত্বের সংজ্ঞা বুঝতে পারব। প্রকৃতিকে যদি একটি ফোর্স হিসেবে চিন্তা করেন, তবে যেকোন ফোর্সের বিপরীতে যাওয়ার জন্য প্রথমত প্রয়োজন এজেন্সি। এজেন্সি হচ্ছে সক্রিয়তা যার জন্য প্রয়োজন ইন্টেলেক্ট ও সক্ষমতা। প্রকৃতির বিপরীতে যেতে হলে ইন্টেলেক্ট দিয়ে এর প্রয়োজনীয়তা, দ্বিতীয়ত এর প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বুঝতে হবে। তারপর তাকে বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজন হবে শক্তি ও সক্ষমতার যা কিনা পূর্বের ধাপের অনুগামী। যেহেতু মানুষের রেশনাল ফ্যাকাল্টি থেকে এই ইন্টেলেক্ট এর জন্ম, তাই এটা মনুষ্যত্ব নির্ধারণের সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর। একজন মানুষ নিজের মাঝে যা ধারণ করে তার সবটুকু মনুষ্যত্ব নয়। যেমন আমাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয়গত বাহ্যিক অনুভূতি এবং মানসিক অবস্থা অনুযায়ী সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ অনুভূতি এগুলো মনুষ্যত্বের অংশ না। কারণ এটা মানুষের জন্য ইউনিক না। মানুষও দেখে, বাজপাখিও দেখে। মানুষও সন্তানকে ভালোবাসে, পশুপাখিও তার সন্তানকে ভালোবাসে। মানুষও রাগ করে, ষাঁড়ও রাগ করে। এগুলো কিছুই মানুষের ইউনিক কোয়ালিটি না। নারীর সবচাইতে বড় গুণ মাতৃত্ব। অথচ মাতৃত্ব মনুষ্যত্ব নয়, প্রকৃতির অংশ। প্রকৃতিকে এই কারণে মা বলা হয়। মাদার নেচারে অন্তর্ভুক্ত সব জীবের মাঝেই মাতৃত্ব আছে। কিন্তু ইন্টেলেক্ট ও রেশনালিটি একান্তই মানুষের স্বাতন্ত্র্য। আর এখানেই নারী ও পুরুষ আলাদা। নারী যেহেতু মানুষ তাই তারও ইন্টেলেক্ট ও রেশনালিটির ম্যানিফেস্টেশন আছে। কিন্তু যেহেতু তার মাঝে প্রকৃতির ম্যানিফেস্টেশন প্রবল, তাই সে যুক্তির বদলে অনুভূতি দ্বারা অধিক প্রভাবিত। পুরুষ ও নারীর ব্রেইনের এনাটমিও এর সাক্ষ্য দেয়। অর্থাৎ মানুষের মাঝে নিরন্তর প্রকৃতি ও মনুষ্যত্ব নামক দুই ফোর্সের পাঞ্জা লড়াই চলমান। প্রকৃতি মানুষকে ইন্দ্রিয় ও অনুভূতির দিকে ধাবিত করে, মনুষ্যত্ব তাকে প্রেরণা যোগায় রিজন ও পারপাজের অনুগামী হবার। মানুষের সারভাইভালের জন্য প্রকৃতি ও মনুষ্যত্ব দুটোই প্রয়োজন। পুরুষের মাঝে মনুষ্যত্বের পরিমাণ প্রকৃতির পরিমাণ অপেক্ষা বেশি। তাই সে অনুভূতিকে যুক্তির অধীনস্থ বানাতে সক্ষম। কিন্তু নারীর মাঝে প্রকৃতি বেশি প্রবল, তাই যুক্তি তার আবেগ অনুভূতির সামনে ধুলিস্মাৎ হয়। ইসলামী দর্শনে যখন সারভাইভালের প্রসঙ্গ আসে, তখন প্রকৃতি তথা নারীকে আগে রাখা হয় যেমন মাকে বাবার তিনগুণ ধরা হয়েছে। কারণ প্রকৃতি নারীর মাঝে পুরুষের তিনগুণ বেশি ম্যানিফেস্ট হয়। কিন্তু যখন যুক্তি ও শৃঙ্খলার প্রসঙ্গ আসে তখন নারীকে পুরুষের অর্ধেক ধরা হয়। যেমন সাক্ষ্য প্রমাণের ক্ষেত্রে। কারণ নারীর মনুষ্যত্ব পুরুষের অর্ধেক।
1 422
3
কী খবর তোমাদের? পার্সোনাল অনেকগুলো ইস্যু সল্ভ করে আসতে হলো। বাবা অসুস্থ। তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি পৃথিবীতে আমার কাছে আর কেউ নেই। যাইহোক, লেখা থামাইনি। জাস্ট পোস্ট করতে ইচ্ছে করে না। আমরা এমন একটা সময়ে আছি, পাবজি বা অন্যান্য ব্যাটল রয়্যালে গেমে যেমন ডেঞ্জার জোন সার্কেলটা আসতে আসতে ছোট হয়ে আসে, তেমনি বাংলাদেশী মুসলমানদের কম্ফোর্টের জায়গা ছোট হয়ে আসছে। লীগের চেয়েও বড় অশুভ কিছু আমাদের প্রায় ঘিরে নিয়েছে। এই মাটির ইতিহাস আমাদের বলে, আমরা ঠিক একটা দাঙ্গার আগমুহুর্তে আছি। ******* গতমাসে একটা রিপোর্ট আসলো, এপস্টিন ক্লাসটা পুরুষের খাবারের সাথে এস্ট্রোজেন হরমোন মিশিয়েছে, যেটা কিনা ফিমেল হরমোন। এই সিস্টেম মাস্কুলিনিটির বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত, এটা কন্সপাইরেসির মত শোনালেও এখন প্রমাণ আছে। এখানে বলে রাখি, বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ব কোম্পানি SMC, এদের কোনো প্রোডাক্ট কিনবেন না। এরা ইন্টারন্যাশনালি যাদের সাথে সম্পর্কিত তারাই উপরের অপকর্মের সাথে জড়িতে। এদের স্যালাইন, জুস, ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংক - পারলে বর্জন করুন। এখন এদের প্রোডাক্ট ল্যাব টেস্ট করে প্রুভ করার ক্ষমতা আমাদের হাতে নেই। কিন্তু এদের পিছনের লোকগুলো ভালো নয়। আর মনে করিয়ে দিই, এরা হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর উৎপাদক। এটা অনেক কিছু বলে। ****** আশা করি দেখা হবে। আপাতত হিন্দুত্ববাদই আমাদের সবচেয়ে বড় মাথাব্যাথা। যারা এতদিনেও আনসাবস্ক্রাইব করে যান নি, ধন্যবাদ।
1 395
4
হাঁস ভাইকে চিনতাম কলেজে থাকাকালীন সময় থেকে। এক বন্ধু নিয়ে গিয়েছিলো। গিয়ে দেখি একটা খালি কাঠের টেবিলের উপর উপুড় হয়ে ঘুমোচ্ছেন। প্রথমদিন জোর করে এক ফ্রেঞ্চ গান শুনিয়ে দিলেন। ভাই রুয়েটের ছাত্র ছিলেন। আমরাও ভার্সিটিতে যাবো যাবো করে মুখিয়ে আছি। উনার কয়েকটি বৈশিষ্ট্য হলো, অনেক দামী পারফিউম ইউজ করতেন, (যেটার 'ছোটভাই' ট্যাক্স আমরা আদায় করতাম নিয়মিত), প্রচুর পড়াশোনা করতেন, আর গালাগালি করতেন। একদিন রুমে ঢুকতেই সে কি বিষাক্ত গালাগালি - স্কিটো সিমে নেটওয়ার্ক পায় না। আর যেহেতু আমার কথা শুনে কিনেছিলেন, সেগুলোর ভাগ আমার উপরেও যায়। কম কথা বলতেন। একসময় আমাদেরও ভাইয়ের মত চান্স হলো। এলাকা ছাড়লাম। ভাইয়ের সাথে দেখা নেই অনেকদিন। করোনা এলো। হঠাৎ একদিন শুনি ভাই হাঁসের খামার করেছেন। হাঁস ভাই নাম ওখান থেকে। আমরা আশ্চর্য্য হলাম। কারণ তার ফ্যামিলি মোটামুটি ধনী। আত্মীয়দের অনেকেই বিদেশ থাকে। সেই লোক ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে শহর ছেড়ে গ্রামে কোথায় হাঁসের মধ্যে পড়ে আছে! একদিন ভাবলাম দেখা করে আসি। মুলতঃ সেখানে তার সাথে যে কথাগুলো হয় সেটার কারণেই এই র‍্যান্ডম একজনের গল্প আপনাদের বলতে বসেছি। এলাকার ছোট ভাই, এক ভাতিজা আর আমি - তিনজন মিলে একদিন গেলাম সেই খামার দেখতে। এত প্রত্যন্ত অঞ্চল! চারপাশে ফসলের ক্ষেত। মাঝে একটা বড় খালের সাথে ছোট খাল মিশেছে, অনেকটা মোহনার মত। সেখানেই টং ঘর করে ভাইয়ের আস্তানা। বাইক যায় না, মূল রাস্তায় রেখে হেটে যেতে হয়। অবশ্য আইডিয়া একেবারে খারাপ না। এমনিতেও লকডাউন চলছে। এখানে বরং কয়েক কিলো ঘুরে বেড়ানো যায়। আমাদের দেখে ভাই মারাত্মক খুশি হলেন। তিনি আর তার কয়েকজন কর্মচারী। বললেন, এমন সময় আসলি, কিই-বা খেতে দিই। একজনকে পাঠালেন কোথাও যেন। আমরা খামার ঘুরে দেখতে লাগলাম। আর সাথে রাজ্যের আলাপ। সেই স্বল্পভাষী লোকটা এমন মুখরা হয়েছেন। আসলে ফাঁকা মাঠে এরকম থাকতে থাকতে তার মানসিক অবস্থা ভালো নেই। আমিই করলাম প্রশ্নটা, ভাই বিয়ে করবেন না? বললেন, করোনা যাক। - এটা কেমন কথা, করোনা কবে যাবে কেউ জানে? : পাত্রী পাচ্ছি না। ঠিকমত মেলে না। - আমরা দেখবো? : দেখতে পারিস। তবে যেন আগে খেলাধুলো করে এসছে এমন হলে হবে না। - সে নিশ্চিত কিভাবে জানবেন? মনে করেন সংসার শুরুর পর টের পেলেন? ভাই কোনো হেজিটেশন ছাড়াই বললেন, মেরে ফেলবো। - মানে? সিরিয়াসলি? : হ্যাঁ। হতভম্ভ হয়ে গেলাম। ভাতিজার দিকে তাকিয়ে আছি। এরপর কী বলা যায় ভেবে পাচ্ছিলাম না। বললাম, এটা কিভাবে ফেয়ার হলো? চরিত্র খারাপ হলে তার হয়েছে। আপনি আরেকটা পাপ কেন করতে যাবেন? ভাই বললেন, তোরা বুঝবি না। তোদের আইডিয়া নেই আমার স্যাক্রিফাইস আসলে কত বড়। সোশ্যাল লাইফ নেই করে দিয়েছি, একটা ফাংশনে যাই না, বিয়ের অনুষ্ঠানে যাই না আজ কত বছর। কতজন রাগ করছে, অপমান করেছে। আমি তো চরিত্রে দাগ লাগতে দিই নি। সো, চরিত্র হচ্ছে আমার কাছে বেয়ার মিনিমাম। বললাম, আপনি এখন এমন বলছেন। বিয়ের পর ঠিকই মেনে নেবেন। বিশেষ করে আপনাদের মত বিশাল আয়োজনের পর আন্টি একদম উল্টোপাল্টা কিছু করতে দেবে না। ভাই কিছু ভয়ঙ্কর থিওরি দিলো। এমনিতে লোকটা তেমন ধার্মিক না, সিগারেট খায় সেই ছোটবেলা থেকে দেখছি। বললাম, আপনি মনে মনে এসব মনে করে আছেন। কিন্তু খুনখারাবীর পাপ করে পরকালে মাফ পাবেন কিভাবে? আল্লাহ তো আপনাকে ছাড়বে না। ভাই বললেন, মাফ পেয়ে যাবো। - কিভাবে? : দ্যাখ, এই যে মা, আশেপাশের লোক, আমি জানি এরা কি বলবে। যদি দুর্ঘটনা ঘটেই, এরা বলবে বিয়ে তো হয়েই গেছে, মেয়ে তওবা করেছে, এখন তো আর করে না, মেনে নাও। তো এই কথার কোর ভিত্তি হলো, আল্লাহ সব মাফ করে দেয়। বড় পাপগুলোর ব্যাভিচার আর মানুষ খুনের পাপ পরপর সিরিয়ালে আসে, একটা ৩ নং, আরেকটা চার নং এরকম। তো ওই মেয়ের বেলায় আল্লাহ ব্যাভিচার মাফ করতে পারলে আমার খুন কেন মাফ করতে পারবে না? আমিও তওবা করে নেবো। লজিক বৈকি! (এটা ২০২১ সালের কথা লিখছি। ভাইয়ের কথা হুবহু হয়ত বলতে পারছি না। তবে মূল কথা এমনই ছিলো।) এরপরে আর কথা বাড়ানো চলে না। শুধু বললাম, পরকালে বাঁচলেও বাঁচতে পারেন। কিন্তু এখন তো পুলিশ ধরে ঝুলিয়ে দেবে। বললেন, তোরা হলি মাসুম বাচ্চা, আর আমি ইঞ্জিনিয়ার। বোকারা মাথা গরম করে ইন্সটান্ট গরম কিছু করে ফেলে। আল্লাহ যদি অমন বিপদে ফেলেই, আগে বিদেশ যাবো, সেটেল হবো। তারপর দেশে এসে প্রতিশোধ নিয়ে ফেরত যাবো। আমরা খামার থেকে চলে আসলাম। ভাই বেশিদিন খামার চালাননি। খুব একটা কথা হতো না। হলেও টেক পরামর্শের জন্য নক দিতাম। ***** কাকতালীয় ব্যাপারটা হলো, ভাই পরে স্পেনে গেছে। সত্যি বলতে, আমার সাহস হয়নি জিজ্ঞেস করার ঐ ব্যাপারে। ঘটনাটা মনে পড়লো এই কারণে, আপনারা জানেন এই মাসে স্পেনে বিরাট হুলস্থুল হয়ে গেলো। প্রায় ৫ লাখ লোক সিটিজেনশীপ পাচ্ছে। খবর শুনেই সবার আগে মনে পড়ে হাঁস ভাইয়ের কথা। উনার আসল নাম, আরাফাত। অদ্ভুত ব্যাপার, এত গুনী একজন মানুষ। npm প্যাকেজ ফিক্সের জন্য কত জালিয়েছি। অথচ তাকে মনে রেখেছি কেবল একদিনের ওই কনভার্সেশনের জন্য।
2 211
5
প্যাক্স জুডাইকা ******** ইরান যুদ্ধের একেবারে শুরুতে ভাইরাল হয়েছিলেন প্রফেসর(?) জিয়াং। যিনি যুদ্ধ শুরুর ৮ মাস আগেই এই যুদ্ধ প্রেডিক্ট করেছিলেন। তার অধিকাংশ কথাই আমার পছন্দ না। তবে তার কাছে কিছু প্রশ্নের উত্তর পেয়েছি যেগুলো বহুদিন ধরে খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম। যেমন, গাজা। গাজায় ইসরাইল আসলে কী করেছে এবং কেন? কেন কয়েক লাখ মানুষকে কোনো দ্বিধা ছাড়াই, নিয়ম ছাড়াই মেরে ফেলে দিলো? ৭০-৮০ ভাগ ঘরবাড়ী জাস্ট মাটিতে মিশিয়ে দিলো? আবার ঘরহারা মানুষেরা পলিথিনের তাবুর নিচে ঘুমোতে গেলে সেই তাবুর উপরেও বোমা মারলো? মুলতঃ এই হিসাবটাই মিলছিলো না। কারণ আপনি দেখুন, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি থেকে এখন পর্যন্ত ইসরাইল যা করছে, তা ইকোনমিক এবং সামরিক দিক দিয়ে পুরোপুরি লস প্রজেক্ট। ইকোনোমিক দিক থেকে দেখলে, একটা ২০০ টাকার তাবুর উপরে ফেলা হচ্ছে ৬০-৭০ লাখ টাকার জিবিউ বোম। মাঝে ইসরাইল মুয়াসি শরণার্থি ক্যাম্পে স্পাইস বোম ফেলেছিলো, যার একেকটার মুল্য দেড়কোটি টাকা। আমি টেলিগ্রামে বলেছিলাম এই ব্যাপারটা। আবার সামরিক দিক দেখুন, এই আধাটন - ১ টনের বোমাগুলো ফেলা হচ্ছে হয়তো তিনটা বাচ্চা আর একজন বিধবা আশ্রয় নিয়েছে পলিথিনের নিচে, ঠিক তাদের উপর। যারা মেবি লাস্ট দুইদিন না খেয়ে আছে। এই টার্গেটের মিলিটারি সিগ্নিফিকেন্স তো জিরো। ইসরাইল তাহলে এত বিশালাকারের ওভারকিল দিয়ে আসলে কী অর্জন করতে চাইছে? এখানে প্রফেসর জিয়াংয়ের উত্তরটা লজিকাল। তিনি বলেন, গাজা ছিলো ইসরাইলের অডিশন, নিজেদের প্রমাণ করার জায়গা। কার সামনে অডিশন, কেন অডিশন? ইসরাইল মুলতঃ গ্লোবাল এলিটদের সামনে এটা প্রমাণ করতে চাইছে, তারা তাদের স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো এক্সটেন্ট পর্যন্ত যেতে প্রস্তত। একটা টার্গেট দিলে তারা পুরোপুরি হাত খুলে, কোনোরকম মোরাল নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে শত্রুকে নিশ্চিহ্ন করতে সক্ষম। প্রথমে গাজা, এখন লেবানন। ইরান এখানে সাইড কোয়েস্ট, যেটা আমেরিকাকে দিয়ে করিয়ে নিতে চাচ্ছে। ইসরাইলের এখন নিজেদেরকে প্রমাণ করার দরকার পড়লো কেন? কারণ এলিটেরা সাবেক এম্পায়ার অর্থাৎ আমেরিকার উপর ভরসা করতে পারছে না। একটা এম্পায়ারের বয়স বেশী হয়ে গেলে তাদের নিজেদের ভেতরেই অনেক দায়বদ্ধতা তৈরী হয়, মানে একধরণের চক্ষুলজ্জা টাইপের। যেকারণে তারা হাত খুলে খেলতে পারে না। ধর্ম, সমাজ, নানান কিছু বিবেচনায় নিতে হয়। লক্ষ্য করুন, ইসরাইল আজ গাজা-বৈরুতে যা করেছে, আমেরিকা একদম একই কাজ করেছিলো ভিয়েতনামে। কিন্তু আজকে করতে পারছে না। কারণ এম্পায়ারের লুটের ফল খেতে খেতে জনগণ রিলাক্স হয়ে যায়, ধর্ম কিছু জায়গা দখল করে। আজকে ইরান যুদ্ধ আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী অজনপ্রিয় যুদ্ধ। আবার ধর্ম, ট্রাম্প যীশুখ্রিস্টের ছবি পোস্ট করে ভালো বিপদে পড়েছিলো। পক্ষান্তরে, ইসরাইলের এসব সমস্যা নেই। তারা রিলেটিভলি নতুন এম্পায়ার। আবার তাদের অধিকাংশ জনগণ খুবই নিচুশ্রেণির ইতর, তারা নিষ্পাপ শিশুখুনেও কোন ভুল কিছু দেখে না। এজন্য তারা অফ লিমিট যেতে পারে। প্রফেসর জিয়াং বলেন, পুরো দুনিয়া এখন প্যাক্স আমেরিকানা' থেকে 'প্যাক্স জুডাইকা' তে শিফট হচ্ছে। ইরান যুদ্ধ হচ্ছে সেই প্রক্রিয়ার সম্মুখভাগ। (পুরো বিষয়টি জিয়াং তার 'প্যাক্স জুডাইকা রাইজিং' টাইটেলের ভিডিওতে বলেছেন। চাইলে দেখতে পারেন। চেয়েছিলাম পুরো ভিডিওটাই সামারি করতে। কিন্তু সময়ের অনেক অভাব হয়ে গেছে আজকাল। তারপরেও মাথায় রইলো, হলে শুক্রবার পাবেন, নয়তো না। লিংক এখানে)
2 568
6
তো প্যাগান নেতারা অবশ্যই চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক সাধারণ নিউট্রাল লোক তাদের উৎসবে যোগ দেয়। এজন্য তারা সরাসরি প্যাগানিজমে না গিয়ে একটা কমন গ্রাউন্ড খোঁজার ট্রাই করে। যেমন ধরুন, দুর্গাপুজো। এটা আসলেই আমাদের দেশের ফেমিনিস্ট স্ফিয়ারে একধরণের ড্রয়িং ছড়িয়ে পড়ে, যে নারীর অনেকগুলো হাত, একেকটা হাত দিয়ে একেক কাজ করছে - খানিকটা পাওয়ারফুল উইমেন পোর্ট্রে করার চেষ্টা করে। আর দেশি মুসলমানের মেয়েরা সেসব শেয়ার দিয়ে দুর্গোপুজোয় অংশ নেয়। (ঈমান গেলে যাক, প্যাট্রিয়ার্কির শেষ দেখতে হবে) একইভাবে, পহেলা বৈশাখের মত একটা ধর্মীয় উৎসবকে দেশি কৃষকের উৎসব হিসেবে দেখাতে চায়। যেহেতু আমাদের ৮০% মানুষের রুট কৃষি, খুব সেন্সিটিভ এটা। **************** এবারের পহেলা বৈশাখে আমার বা সমমনাদের রাগের কারণ এটাই, এই জিনিস তো মারাত্মক অজনপ্রিয় হয়ে গেছিলো। This shit was dead! সেকুলারদের কালচারাল উইংটা প্যানিক করছিলো, পহেলা বৈশাখে কেউ যোগ দেয় না। পত্রিকাতেও আসছিলো ব্যাপারটা। আর শুভ...নব...বর্ষ তো জলন্ত নিদর্শন হয়ে আছে। ভাই আমরা বাইনারি করে ফেলছিলাম লীগের শেষের দিকে, যে পহেলা বৈশাখ মুসলমানের না। এই ২০২৫ এবং ২০২৬ এ গান্ডু মডারেটদের হাত ধরে একটা প্যাগান উৎসব রিভাইভ হলো। লাস্ট পাঁচ বছরে এত লোক রাস্তায় নামেনি ১৪ই এপ্রিলে। *********** মাথা কাজ করছে না। আজ তিন দিন হলো, এই পরাজয় মানা যাচ্ছে না। শাহবাগীদের মোকাবেলার উপায় হলো, মুর্তিপুজক এবং মুর্তি দুটোকেই শেষ করা। শাহবাগীরা লাল রঙের মুর্তি বানিয়েছে দেখে আপনি নীল রঙের মুর্তি বানালে জিতলো তো ওরাই। ওরা লিটারালি হাসছে মোসলমানের এই পরাজয় দেখে। এই পরাজয়ের কারণ যারা, যারা এটাকে নরমালাইজ করলো, প্রাসংগিক করলো - আল্লাহ তাদের শাস্তি দিন, আমাদের হাত দিয়ে কাজটা হয় যেন।
2 587
7
এই পরাজয় মানা যাচ্ছে না। *************** নাইন্টিজ কিডস বা আমাদের মত জেন-জি, তাদের ছোটবেলায় ওয়াজ মাহফিল ছিলো একটা ফর্ম-অব-এন্টারটেইনমেন্ট। আমাদের ছোটবেলায় মোটাদাগে ওয়াজের দুটো ধারা ছিলো। একটা ধারা হচ্ছে, লোকাল পীর-মুরিদি ও প্রফেশনাল বক্তাদের ধারা। এইসব ওয়াজে সুর থাকতো, গল্প, প্যারানরমাল ঘটনা, মুজেযা-কারামত আর কিছু উপদেশ। বাংলাদেশে তখন 'শিক্ষিত' সেকেন্ড জেনারেশনের উঠে আসা চলছে, তারা এইসব ওয়াজ শুনতেন না, পছন্দও করতেন না। কারণ এগুলো তাদের লাইফস্টাইল-অ্যাম্বিশন বা বইতে যা পড়েছেন তার সাথে মিলতো না। আরেকটা ধারা, যেটাকে আমি বলি জামায়াতি ধারা, এগুলোতে শিক্ষিত লোকের একটা অংশ কানেক্ট করতে পারতেন। যার একেবারে মাথায় ছিলেন সাঈদী সাহেব। অনেকে জামায়াতের রাজনীতি পছন্দ করতেন না, কিন্তু সাঈদী সাহেবের ওয়াজ শুনতেন। তার রাজনীতি টেনে আনার ব্যাপারে আপত্তি থাকলেও লোকে ক্যাসেটে, মাইকে, সিডিতে শুনত। তিনি ছাড়াও লোকাল জামায়াতি বক্তারা প্রায় একই ধরণের ওয়াজ করতেন। এই ধারার বৈশিষ্ট্য ছিল, প্রচুর রেফারেন্স থাকতো, কেচ্ছা কাহিনী কম থাকতো, এবং জীবনমুখি বিষয়ের আলোচনা থাকতো, যা মানুষের রিয়েল লাইফে কাজে লাগতো। এই প্রসঙ্গ আনার কারণ হলো, মুলতঃ জামায়াতি ধারার বক্তাদের বছরের পর বছর পরিশ্রমের মাধ্যমে মানুষ কয়েকটি ব্যাপারে স্পষ্ট হতে পেরেছিলো। যেমনঃ - মাজার রিলেটেড ভন্ডামিগুলো ধর্মবিরোধী। - পাবলিক প্লেসে বানানো মুর্তি বা ভাস্কর্য্য এটি শেরেক এবং এদেশীয় মুসলমানদের জন্য অপমানজনক। - জাতীয় দিবস যেমন একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনার এবং অন্যান্য দিবসে স্মৃতিসৌধে ফুল দিলে মানুষ মুসলিম থাকে না। - পহেলা বৈশাখ হিন্দুদের জিনিস এবং মুসলমান এটা সেলিব্রেট করতে পারে না। লক্ষ্য করুন, প্রথমটি বাদে সবগুলো উপলক্ষই আমাদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানতে বাধ্য করা হতো এবং হচ্ছে। তা সত্বেও মানুষ মেনে নিয়েছিলো যে এগুলো মুসলমান করতে পারে না। *** ইসলামাইজেশন/হালালফিকেশন হচ্ছে ধর্মের একেবারে শত্রুপক্ষের জিনিসকে ইসলামী ছাপ দেওয়ার এক ক্রিঞ্জি প্রচেষ্টা। যারা এটা করেন তাদের যুক্তি হলো, একটা বিশাল সংখ্যক মুসলিম সেখানে যাচ্ছেন, অংশ নিচ্ছেন, সুতরাং এটাকে হালালিফাই করতে হবে কিছু মডিফিকেশনের মাধ্যমে। না হলে সেক্যুলাররা সেটা দখল করে নেবে। যুক্তিটি ভেঙ্গে দেখা যাক। বিপুল পরিমাণ মুসলিম ভীড় করে এরকম একটা কমন জায়গা হচ্ছে পর্ন সাইটগুলো। এটা সবাই জানে। এখানেও কি একই যুক্তি দেওয়া যাবে যে, বিপুল পরিমাণ মুসলিম পর্ন দেখে, সুতরাং আমাদের 'হালাল পর্ন' বানাতে হবে। না হলে জায়গাটা কাফেরদের দখলে চলে যাবে? পর্নের মোকাবেলায় আমরা যেমন হালাল পর্নের কথা বলি না, পর্ন জিনিসটাকেই পুরোপুরি অ্যাভয়েড করার কথা বলি। সেখানে স্পষ্ট শেরকি জিনিস হালাল করার চিন্তা কোন ছাগলের মাথা থেকে বেরোলো? ******** পহেলা বৈশাখ একটি আউটরাইট প্যাগান ফেস্টিভাল। প্যাগান ফেস্টিভাল সম্পর্কে দুটো ফিচার বোঝা দরকার। প্রথমতঃ এই উৎসবগুলো অনেকবেশী ভিজ্যুয়াল নির্ভর হবে। আমাদের তথা ইসলামের ইবাদৎ এবং উৎসবের সবচেয়ে বড় বড় অনুষঙ্গগুলো সবই অ্যাবস্ট্রাক্ট, চোখে দেখা যায় না। যেমন, ইখলাস, তাকওয়া ইত্যাদি। অন্যদিকে প্যাগান ফেস্টিভালে ভিজ্যুয়াল এলিমেন্টগুলোই আসল। যেমন, আপনি সাদা-কালো যে রঙ্গের জামা-ই পরেন না কেন, নামাজ হয়ে যাবে। কিন্তু প্যাগান উৎসবে যেখানে লাল রঙ্গ দেওয়ার কথা সেখানে লাল রঙ্গ দিতে হবে। যেখানে ঢাক বাজানোর সেখানে ঢাকই বাজাতে হবে। এজন্য পৃথিবীর ম্যাক্সিমাম প্যাগান ফেস্টিভাল অনেক কালারফুল হয়। এখানে নোটের মত করে বলে রাখি, ভাগওয়া লাভ ট্রাপের অন্যতম আকর্ষক জিনিস এই প্যাগান ইবাদতগুলো। ইসলামী ইবাদতগুলো মোটাদাগে সাইলেন্ট, মাঝখানে লম্বা ব্রেক থাকে। কিন্তু পুজোগুলো অনেক স্টেপ থাকে, অনেক কিছুতে ইনক্লুড হবার সুযোগ থাকে, লম্বা সময় ধরে মজে থাকে। এজন্য দেখবেন একেবারে হিজাব-টিজাব পরে পুজোয় চলে যাচ্ছে। দ্বিতীয়তঃ একটা প্যাগান উৎসব সাকসেস হয়েছে কি হয়নি এটা বোঝার মাপকাঠিই হলো এখানে কতজন লোক অংশ নিয়েছে। ধরুন, আপনাদের ঈদগাহে প্রতিবছর ঈদের নামাজে ২০০ লোক হয়। কিন্তু এবার ২০ জন হয়েছে। এর মানে কি কেউ বলতে পারবে, এই ঈদের নামাজ হয়নি? কারণ ইসলামি উৎসব কালেক্টিভের উপর নির্ভরই করে না। (যদিও মানুষ কালেক্টিভলিই অংশ নেয়, কিন্তু এটা সাকসেস-ফেইলের মাপকাঠি না) পক্ষান্তরে, একটা মংগল শোভাযাত্রা, প্রতিবছর ২০০ লোক হয়, এবার ২০ জন। তার মানে এটা অসফল।
2 270
𝗨𝗡𝗙𝗔𝗭𝗘𝗗 - Estadísticas y analítica del canal de Telegram @unfazedbd