ঈমানী দায়িত্ব (Imaanidayitto)
Ir al canal en Telegram
𒊹︎︎︎𝗔𝗹𝗹 𝗽𝗿𝗮𝗶𝘀𝗲 𝗶𝘀 𝗱𝘂𝗲 𝘁𝗼 𝗔𝗹𝗹𝗮𝗵.𒊹︎︎︎ যেকোনো প্রয়োজনে @imaanidayitto_id
Mostrar más2 966
Suscriptores
Sin datos24 horas
+37 días
+1930 días
Carga de datos en curso...
Canales Similares
Nube de Etiquetas
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Menciones Entrantes y Salientes
---
---
---
---
---
---
Atraer Suscriptores
julio '26
julio '26
+50
en 0 canales
junio '26
+92
en 2 canales
Get PRO
mayo '26
+86
en 1 canales
Get PRO
abril '26
+64
en 0 canales
Get PRO
marzo '26
+32
en 1 canales
Get PRO
febrero '26
+54
en 1 canales
Get PRO
enero '26
+26
en 0 canales
Get PRO
diciembre '25
+30
en 2 canales
Get PRO
noviembre '25
+41
en 1 canales
Get PRO
octubre '25
+36
en 0 canales
Get PRO
septiembre '25
+41
en 0 canales
Get PRO
agosto '25
+50
en 0 canales
Get PRO
julio '25
+115
en 1 canales
Get PRO
junio '25
+80
en 2 canales
Get PRO
mayo '25
+95
en 3 canales
Get PRO
abril '25
+50
en 1 canales
Get PRO
marzo '25
+85
en 4 canales
Get PRO
febrero '25
+83
en 2 canales
Get PRO
enero '25
+88
en 1 canales
Get PRO
diciembre '24
+154
en 2 canales
Get PRO
noviembre '24
+164
en 1 canales
Get PRO
octubre '24
+179
en 4 canales
Get PRO
septiembre '24
+41
en 0 canales
Get PRO
agosto '24
+70
en 1 canales
Get PRO
julio '24
+53
en 0 canales
Get PRO
junio '24
+53
en 0 canales
Get PRO
mayo '24
+69
en 0 canales
Get PRO
abril '24
+58
en 0 canales
Get PRO
marzo '24
+96
en 0 canales
Get PRO
febrero '24
+57
en 0 canales
Get PRO
enero '24
+104
en 1 canales
Get PRO
diciembre '23
+205
en 5 canales
Get PRO
noviembre '23
+113
en 4 canales
Get PRO
octubre '23
+97
en 1 canales
Get PRO
septiembre '23
+65
en 0 canales
Get PRO
agosto '23
+138
en 0 canales
Get PRO
julio '23
+51
en 0 canales
Get PRO
junio '23
+99
en 0 canales
Get PRO
mayo '23
+48
en 0 canales
Get PRO
abril '23
+81
en 0 canales
Get PRO
marzo '23
+151
en 0 canales
Get PRO
febrero '23
+103
en 0 canales
Get PRO
enero '23
+84
en 0 canales
Get PRO
diciembre '22
+48
en 0 canales
Get PRO
noviembre '22
+50
en 0 canales
Get PRO
octubre '22
+84
en 0 canales
Get PRO
septiembre '22
+94
en 0 canales
Get PRO
agosto '22
+83
en 0 canales
Get PRO
julio '22
+888
en 0 canales
| Fecha | Crecimiento de Suscriptores | Menciones | Canales | |
| 23 julio | +2 | |||
| 22 julio | +3 | |||
| 21 julio | +3 | |||
| 20 julio | +1 | |||
| 19 julio | +1 | |||
| 18 julio | +2 | |||
| 17 julio | +1 | |||
| 16 julio | +3 | |||
| 15 julio | +1 | |||
| 14 julio | +3 | |||
| 13 julio | +2 | |||
| 12 julio | +3 | |||
| 11 julio | +1 | |||
| 10 julio | +6 | |||
| 09 julio | +2 | |||
| 08 julio | 0 | |||
| 07 julio | +2 | |||
| 06 julio | +2 | |||
| 05 julio | +2 | |||
| 04 julio | +1 | |||
| 03 julio | +1 | |||
| 02 julio | +5 | |||
| 01 julio | +3 |
Publicaciones del Canal
শাহ সুলতান আহমদ নানুপুরী রহ. খাদেমকে বললেন, "আমি কলা খাব, দোকানে গিয়ে কলা নিয়ে এসো।"
খাদেম মনে মনে ভাবল, এত গভীর রাতে বাজারে দোকান খোলা থাকবে না।
তা সত্ত্বেও হযরতের আদেশ মান্য করে খাদেম বাজারে গিয়ে দেখল, একটি দোকান খোলা এবং দোকানের সামনে কলা ঝুলছে! সে কলা ক্রয় করে হযরতের সম্মুখে পেশ করল। হযরত জিজ্ঞেস করলেন, "দাম কত?"
খাদেম বলল, "অন্যান্য সময়ের চেয়ে এখন একটু বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয়েছে, কারণ বাজারে একটা মাত্র দোকান খোলা।"
তখন হযরত বললেন, "দেখো! বাজারে একটা দোকান খোলা থাকায় কলার দাম বেড়ে গেছে; ঠিক তেমনি যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদ পড়ে, আল্লাহ পাক দেখেন—দুনিয়ার সকল লোক ঘুমে বিভোর, কিন্তু ওই এক ব্যক্তি নামাজ পড়ছে। তখন আল্লাহ পাকের কাছে উক্ত ব্যক্তির মর্যাদা এবং তার নামাজের দাম বেড়ে যায়। তখন সে যদি অতি সাধারণ (টুটিফাটা) ইবাদতও করে, আল্লাহ পাকের কাছে তার মূল্য অনেক বেশি!"
| 2 | কেউ যখন বিবাহ করতে চায়, তখন সে মূলত একটা পরিবার গঠনের দিকে কদম ফেলে। এজন্য বিবাহের পূর্বে তার জন্য আবশ্যক হল পারিবারিক এই সম্পর্কের গঠন ও ধরণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট, স্বচ্ছ ও সঠিক ধারণা রাখা। পারিবারিক সম্পর্কের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হল, এই সম্পর্ক চিরস্থায়ী এবং এই সম্পর্কের যাত্রা যেমন শুরু হয়েছে জান্নাত থেকে, এর গন্তব্যও জান্নাত।
পারিবারিক সম্পর্ক কখনোই নিঃশেষ হয় না। যখন এই দুনিয়া শেষ হয়ে যাবে এবং এই দুনিয়ার সদস্যরা একাকী বা জামাতবদ্ধভাবে দুনিয়া ছেড়ে যাবে। তারা আবার সেই আখেরাতে গিয়ে একত্রিত হবে, যেভাবে তারা দুনিয়াতে ঐক্যবদ্ধ ছিল।
جَنّاتُ عَدنٍ يَدخُلونَها وَمَن صَلَحَ مِن آبائِهِم وَأَزواجِهِم وَذُرِّيّاتِهِم
স্থায়ী জান্নাত,সেখানে তারা ( মুমিনরা) প্রবেশ করবে এবং তাদের পিতা-মাতা, পতি-পত্নী ও সন্তান-সন্ততিদের মধ্যে যারা সৎকর্ম করেছে তারাও। (সুরা রাদ- আয়াত ২৩)
যদি পরিবার মুমিন ও সৎকর্মশীল হয়, তাহলে তারা একে অপরে জান্নাতে মিলিত হবে। আর বিপরীতে যদি উক্ত পরিবারের ভিত্তি কুফুর ও মন্দ আমলের উপর গড়ে উঠে, তাহলে তারা জাহান্নামে একত্রিত হবে।
পারিবারিক সম্পর্কের এই বৈশিষ্ট্যটি মুসলিমদের ভাল করে অনুধাবন করা উচিত। বাস্তবতা হল, আমাদের মুসলিম সমাজ থেকে পারিবারিক সম্পর্কের এই অনুভূতি হারিয়ে গেছে। তারা এই সম্পর্কগুলোকে নিছক স্বার্থ, ভোগ ও প্রবৃত্তির চাহিদার উপর ভিত্তি করে গড়ে নিচ্ছে। ফলে প্রথমত পারিবারিক সম্পর্ক দূর্বল ও ঠুনকো হয়ে যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত এই সম্পর্ক ভুল দিকে অর্থাৎ আল্লাহর অবাধ্যতার দিকে পরিচালিত হচ্ছে। জাহান্নামকে গন্তব্য বানিয়ে নিচ্ছে।
আপনি একটু কল্পনা করুন। আপনি যখন চিন্তা করবেন, আমার এই সম্পর্ক দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী কোন সম্পর্ক নয় যে, মরে গেলে কিংবা কয়েক প্রজন্ম গেলে শেষ হয়ে যাবে। আমার এই সম্পর্কের গন্তব্য জান্নাত। তখন পারিবারিক সম্পর্কের সাথে জড়িত মানুষগুলোর প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটাই পালটে যাবে। তাদের প্রতি আপনার সম্মান, ভালবাসা, আবেগ, কল্পনা ও দায়িত্বশীলতা ভিন্ন মাত্রায় পৌঁছে যাবে। এই দৃষ্টিভঙ্গি পরস্পরের অনেক বিভেদ, অনৈক্য, অসন্তুষ্টি, অবহেলা ও ঝগড়াকে অস্তমিত করে দিতে পারে।
পাশাপাশি আপনি যখন গন্তব্য হিসেবে জান্নাতের চিরস্থায়ী মিলনকে সামনে রাখবেন, তখন আপনি আপনার পরিবারকে ইসলামের সীমানার বাইরে যেতে দিবেন না। নিজের অধিনস্থদের আল্লাহর অবাধ্যতা ও দ্বীনহীনতার দিকে ঠেলে দিবেন না। আগত প্রজন্মের সিলসিলাকে জান্নাত পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য আপনি তাদের সেভাবেই গড়ে তুলবেন। আপনি কখনোই তাদেরকে পাপ, অশ্লিলতা, বেপর্দা ও দ্বীনহীনতার দিকে ঠেলে দিবেন না।
এভাবে যেমন আপনার পরিবার উপকৃত হবে, তেমনই মুসলিম উম্মাহও উপকৃত হবে। এভাবে যেমন আপনার ভবিষ্যৎ সাফল্যমণ্ডিত হবে, তেমনি মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যৎও উজ্জ্বল হবে।
✍️ উস্তায ইফতেখার সিফাত হাফিযাহুল্লাহ | 236 |
| 3 | প্রচলিত খেলাধুলা ও বিনোদনব্যবস্থার পুরো মেকানিজম আল্লাহ তাআলা সুরা লুকমানের উল্লিখিত (৬ নং) আয়াতে আমাদের সামনে স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
বর্তমান বিশ্বের পুঁজিবাদি পক্ষ, মিডিয়াব্যবস্থা ও রাষ্ট্রযন্ত্র বিভিন্ন এন্টারটেইনমেন্ট ইভেন্ট আয়োজন করে এবং সেগুলো নিয়ে সমাজে উন্মাদনা সৃষ্টি করে।
যে উন্মাদনা আমাদের জীবনকে বিনোদনসর্বস্ব করে তোলে। মহৎ উদ্দেশ্য ও দায়িত্ব থেকে উদাসীন করে রাখে। দীন ও জীবনের লক্ষ্যের ব্যাপারে বিভ্রান্ত করে। হাজারো গুনাহ ও অনর্থক বিষয় বিস্তার করে।
এর চেয়ে বড় ভ্রষ্টতা আর কী হতে পারে! এটাই তো সেই তাদলিল বা ভ্রষ্টকরণ, যেটা সুরা লুকমানের আয়াতে এসেছে।
সুরা লুকমানের এই আয়াতের পরে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। পরের আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
وَاِذَا تُتۡلٰی عَلَیۡہِ اٰیٰتُنَا وَلّٰی مُسۡتَکۡبِرًا کَاَنۡ لَّمۡ یَسۡمَعۡہَا کَاَنَّ فِیۡۤ اُذُنَیۡہِ وَقۡرًاۚ فَبَشِّرۡہُ بِعَذَابٍ اَلِیۡمٍ.
‘এরূপ ব্যক্তির সামনে যখন আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, তখন সে দম্ভভরে মুখ ফিরিয়ে নেয়, যেন সে তা শুনতেই পায়নি, যেন তার কান দুটিতে বধিরতা আছে। সুতরাং তাকে এক যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ শুনিয়ে দাও!’ [সুরা লুকমান, আয়াত ৭]
খেয়াল করুন, এসব বিনোদনের মাধ্যমে তাদলিল বা ভ্রষ্টকরণ কতটা ভয়াবহ হবে।
তাদের সামনে যখন আল্লাহর নির্দেশ, রাসুলের আদেশ ও দীনের চাহিদা তুলে ধরা হবে, দুনিয়ার জীবনের উদ্দেশ্য, দায়িত্ব ও গন্তব্য বোঝানো হবে, খেলাধুলার ক্ষতি, অসারতা ও বেহুদাপনা নিয়ে কথা বলা হবে, তখন তাদের প্রতিক্রিয়া হবে উপেক্ষা করা, ভ্রুক্ষেপ না করা।
একপ্রকার দম্ভের সাথে তারা এর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। এসব বাস্তবতা তারা মেনে নিতে পারবে না। বরং এই দম্ভের পেছনে শয়তান তাদের সামনে বিভিন্ন যুক্তি উপস্থিত করবে। যেমন :
সব জায়গায় ধর্ম টানার কী আছে?
এত কঠিনভাবে চলা যায় না?
টুকটাক বিনোদন তো করাই যায়!
এসব ছাড়া কি এখন দুনিয়া চলে?
ইত্যাদি বিভিন্ন যুক্তির মাধ্যমে শয়তান তাদের শ্রবণশক্তিতে বধিরতা তৈরি করে রাখবে।
একটু চিন্তা করুন। আমাদের মুসলিম সমাজের বাস্তব অবস্থা কি উল্লিখিত আয়াতেরই রিফ্লেকশন নয়? আমরা কি আয়াতের বর্ণনার মতোই গভীর ভ্রষ্টতায় নিমজ্জিত নই?
এসব তো এমন ভ্রষ্টতা, যেখানে বিভিন্ন কুযুক্তি আর নফসের খাহেশাত আমাদেরকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছে। দেখুন, তাদলিল শব্দের সাথে শয়তানের সম্পর্ক আছে। স্বাভাবিক সম্পর্ক না, বরং আমাদের বিরুদ্ধে শয়তানের একটি চ্যালেঞ্জের সম্পর্ক আছে।
শয়তান আল্লাহর কাছে একটি চ্যালেঞ্জের কথা বলেছিল। সেই চ্যালেঞ্জের একটি শব্দ ছিল,
وَلَاُضِلَّـنَّهُمۡ.
‘আমি অবশ্যই তাদেরকে (আল্লাহর বান্দাদেরকে) পথভ্রষ্ট করব।’
[সুরা নিসা, আয়াত ১১৯]
বই- পুঁজিবাদের আফিম: আধুনিক খেলাধুলা ও বিনোদন ব্যবস্থার চরিত্র বিশ্লেষণ | 268 |
| 4 | | আদর্শ পাত্রীর বৈশিষ্ট্য |
১. সৎকর্মশীলতা
-
একজন আদর্শ স্ত্রীর প্রথম ও সর্বপ্রধান গুণ হলো সৎকর্মশীলতা ও দীনদারিতা। নবী ﷺ পুরুষদেরকে দীনদার ও পুণ্যবতী নারীকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে বেছে নেওয়ার প্রতি উৎসাহিত করেছেন এবং ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এমন স্ত্রীই প্রকৃত সুখ ও কল্যাণের কারণ।
আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
"নারীকে চারটি কারণে বিয়ে করা হয়—তার সম্পদ, বংশমর্যাদা, সৌন্দর্য এবং দীনদারিতার জন্য। সুতরাং তুমি দীনদার নারীকে গ্রহণ করো; তাতেই তুমি সফল হবে।" (সহীহ বুখারী, হাদীস: ৫০৯০)
২. উত্তম চরিত্র
-
দীনদার হওয়ার পাশাপাশি একজন আদর্শ স্ত্রীর উত্তম চরিত্রের অধিকারিণী হওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন নারীকে বেছে নেওয়া উচিত, যিনি সুশীল ও নৈতিক পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন। সৌন্দর্য বা ধন-সম্পদের মোহে পড়ে দুর্বল চরিত্রের নারীকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়।
আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
"সাধারণত নারীকে সম্পদ, সৌন্দর্য কিংবা দীনদারিতার কারণে বিয়ে করা হয়। সুতরাং তুমি দীনদার ও উত্তম চরিত্রের নারীকে গ্রহণ করো; তাতেই সফলতা রয়েছে।"
৩. কুমারীত্ব
-
কুমারীত্ব বিয়ের জন্য কোনো আবশ্যিক শর্ত নয়। তবে যদি একাধিক নারীর মধ্যে অন্য সব দিক থেকে সমতা থাকে, তাহলে কুমারী নারীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, এটি স্ত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি অতিরিক্ত ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য, বাধ্যতামূলক শর্ত নয়।
৪. সন্তানধারণে সক্ষমতা
-
বিয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো নেক সন্তান লাভ ও একটি সুন্দর পরিবার গঠন। তাই স্বাভাবিকভাবে সন্তানধারণে সক্ষম এবং স্বামীকে ভালোবাসে—এমন নারীকে বিয়ে করতে উৎসাহিত করা হয়েছে।
মা'কিল ইবনু ইয়াসার (রা.) বর্ণনা করেন—
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এসে বলল, "আমি এক সম্ভ্রান্ত ও সুন্দরী নারীকে পেয়েছি, কিন্তু তিনি সন্তান জন্মদানে অক্ষম। আমি কি তাকে বিয়ে করব?" তিনি বললেন, "না।" লোকটি একই প্রশ্ন আরও দুইবার করলে
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন—
"এমন নারীকে বিয়ে করো, যে স্বামীকে ভালোবাসে এবং অধিক সন্তান জন্মদানে সক্ষম। কেননা কিয়ামতের দিন আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে গর্ব করব।" সুনানে আবু দাউদ, হাদীস: ২০৫০
৫. সামঞ্জস্য
-
আল্লাহ তা'আলার সৃষ্টির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বৈচিত্র্য। মানুষের আর্থিক, সামাজিক, পারিবারিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও মানসিক অবস্থার ভিন্নতা স্বাভাবিক। তাই দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক সামঞ্জস্য, বোঝাপড়া ও উপযুক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বলেন—
"আমি তাদের একদলকে অন্য দলের ওপর মর্যাদা দিয়েছি, যাতে তারা একে অপরের মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে।" (সূরা আয-যুখরুফ, আয়াত: ৩২)
© Sean | 524 |
| 5 | Sin texto... | 424 |
| 6 | দরুদ এমন এক ইবাদত যা আল্লাহর কাছে আপনাকে প্রিয় বানায়, দূর করে বিপদ-আপদ এবং খুলে দেয় রহমতের দরজা—
ড. খন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.) | 547 |
| 7 | এক হিন্দু ধর্ষন করে হত্যা করেছে মুসলিম পরিবারের ৪জন সদস্য মা সহ ৩ মেয়ে। সুশীল পাড়ায় কোন আওয়াজ নেই! সংখ্যালঘুর ট্রাম্প কার্ড খেলা দিল্লির এজেন্ডাবাহী প্রথম আলো বা ডেইলি স্টারে কোন আওয়াজ নেই!
স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেট ব্যাবহারকারী, মোচ ওয়ালা বিজ্ঞ সাংবাদিকের সিগন্যাল ডাউন! কেন? কেবলমাত্র একটি কারণ আমরা স্পষ্ট করেই বলছি - কারন খুনি হিন্দু, খুনির বাবা হিন্দু। কেবল মাত্র হিন্দু হবার কারণে তাদের সমস্ত আওয়াজ বন্ধ হয়ে গেছে! হিন্দু এক মেথরের ছেলে দিনে দুপুরে ধর্ষন করে কুপিয়ে হত্যা করে ফেললো কিন্তু আমাদের এখনো তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে ঐ সুশীল পাড়ার দিকে, যদি তারা কিছু বলে!
এবার ভাবুন - এই ঘটনা যদি উলটো টা হত তাহলে সকল সুশীলপড়ায় আগুন ধরে যেত, ঘুম হারাম হয়ে যেত! মোচওয়ালা সাংবাদিকের কাছে বিশেষ সূত্রে প্রাপ্ত নথি এসে হাজির হত - অ্যান্ড মাই ফুট!
প্রশ্ন করুন, এই জমিনে কারা প্রকৃত সংখ্যালঘু?
কি করতে পারি?
সময় অনেক পার হয়েছে, রক্ত অনেক পানি হয়েছে, আজ এই প্রশ্ন করা পরিত্যাগ করুন। বরং প্রশ্ন করুন - যদি আজ আপনি নিজে এই জঘন্য বীভৎসতার শিকার হতেন তাহলে কি করতেন? তাই করুন।
- নিজ নিজ অবস্থান থেকে আওয়াজ তুলুন। উক্ত এলাকার সমস্ত দায়িত্বশীলদের জবাবদিহিতার আওতায় আনুন, উক্ত এলাকার হত্যাকারীর সাথে সংশ্লিষ্ট এবং হিন্দু ধর্মীয় নেতাদের জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসুন। হিন্দু ধর্মের আড়ালে পজিশন নেয়া এসব জঙ্গিদের কোন ছাড় নয়।
প্রেস ব্রিফিং করুন, ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটিতে রীচ করুন, তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করুন, বিচারিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করুন। নিজ মহল্লায় ক্যাম্পেইন করুন - যেন এমন কোন ঘটনার কথা কেউ আর দুঃস্বপ্নেও না ভাবার সাহস দেখায়! যুবকদের নিয়ে কথা বলুন, ঘটনার স্থির চিত্র প্রকাশ করুন, এই হিন্দু ধর্মের আড়ালে থাকা জঙ্গিদের এমন ভাবে সামনে প্রকাশ করুন যেন পুরো সমাজ, জাতি এবং রাষ্ট্র সতর্ক হতে পারে।
আর আজ আপনারা এই যে সুশীল নীরবতা দেখছেন, ম্যানিউফ্যাকচারিং কনসেন্ট দেখছেন - এই অপরাধই গণহত্যার মত বিপর্যয়ের রাস্তা খুলে দিতে পারে! ইতিহাসের পাতা খুলে দেখুন - এই একই প্যাটার্ন’ই পাবেন। প্রত্যেকটি সুশীল এর জন্য দায়ী যারা আজ হিন্দু ধর্মের ভয়ে নিজেদের চেরি পিকিং অব্যহত রেখেছে।
আমাদের আজকের নীরবতা আগামীকাল গণহত্যার মত বিপর্যয়ের রাস্তা খুলে দিতে পারে!লিখে নিন আমরা সতর্ক করেছি।
© | 693 |
| 8 | Sin texto... | 531 |
| 9 | বিখ্যাত সাহাবি হযরত আনাস (রা.) তাঁর জীবনের শেষভাগে (উমাইয়া আমলে) চারপাশের মানুষের দ্বীনি অবস্থা দেখে আক্ষেপ করে বলেছিলেন,
"তোমরা আজকাল এমন অনেক (পাপ) কাজ করছ, যা তোমাদের চোখে চুলের চেয়েও সূক্ষ্ম বা সামান্য মনে হয় (অর্থাৎ তোমরা এগুলোকে ছোট পাপ মনে কর বা কখনো পাপই মনে করো না)। অথচ রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে আমরা এই কাজগুলোকেই ধ্বংসাত্মক পাপ (বা মুনাফিকির লক্ষণ) মনে করতাম।" (সহীহ বুখারী)
আরেকজন বিখ্যাত সাহাবি হযরত আবু দারদা (রা.) একবার রাগান্বিত হয়ে ঘরে ফিরলেন। তাঁর স্ত্রী উম্মে দারদা জিজ্ঞেস করলেন, "কী হয়েছে?" তিনি উত্তর দিলেন,
"আল্লাহর কসম! মুহাম্মদ ﷺ-এর উম্মতের (বর্তমান) আমলগুলোর মধ্যে কেবল জামায়াতের সাথে নামাজ পড়া ছাড়া আর কোনো কিছুই আমি চেনা রূপ পাচ্ছি না।"
(সহীহ বুখারী)
বিখ্যাত তাবেয়ি হাসান বসরী (রহ.) তাঁর যুগের মানুষদের লক্ষ্য করে বলেছিলেন,
"আমি এমন কিছু লোকের (সাহাবাদের) সান্নিধ্য পেয়েছি, তোমরা যদি তাঁদের দেখতে তবে তাঁদেরকে পাগল মনে করতে! আর তাঁরা যদি তোমাদেরকে (তাবেয়িদের) দেখতেন, তবে বলতেন—এদের সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্কই নেই (বা এরা মুসলিমই না)!"
না জানি আমাদের বেলায় তাঁরা কী বলতেন!
© | 644 |
| 10 | সবচেয়ে বড় ভয় হইতেছে এইটাই যে, জীবনের এই পুরো সময়টা আমরা যে স্ট্যাটাস, যে টাকা, যে ক্যারিয়ারের জন্য দৌড়ালাম, কবরের ওই ওয়েটিং রুমে ঢোকার সাথে সাথেই সেই সবকিছুর ভ্যালু জিরো হয়ে যাবে।
জিরো!
সেদিন আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন, "আমি তোমাকে যেই সময়, যেই এনার্জি আর যেই নেয়ামত দিয়েছিলাম, সেটার শুকরিয়া কোথায়?"
আমরা সারা জীবন "সেটেল" হওয়ার স্বপ্ন দেখি।
কিন্তু সূরা তাকাসুর আমাদের একটা ভয়ংকর সত্য মনে করিয়ে দেয় - দুনিয়াতে কেউ কখনো সেটেল হতে পারে না, যতক্ষণ না সে কবরের ওই ট্রানজিট লাউঞ্জে গিয়ে পৌঁছায়।:)
© Towhidul Mansur | 656 |
| 11 | কিছুদিন আগে রাতে বসে কোরআন পড়তেছিলাম।
একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় তিরিশ পারার একদম শেষের দিকের একটা ছোট সূরা, সূরা তাকাসুরে এসে।
প্রথম দুইটা আয়াত পড়েই আমি রীতিমতো ভ্যাবাচেকা খাইছি!
আল্লাহ বলতেছেন,
"অধিক পাওয়ার প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রেখেছে (গাফলতির মধ্যে ফেলে রেখেছে)।"
"যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপস্থিত হও।" (সূরা তাকাসুর: ১-২)
আয়াত দুইটা পড়ে আমার মাথা কিছুক্ষণের জন্য পুরা ব্ল্যাংক হয়ে গেছিলো।
আমি আয়াতটার আরবি শব্দগুলো আবার দেখলাম- "হাত্তা যুরতুমুল মাক্বাবির"।
এখানে আল্লাহ 'যুরতুম' শব্দটা ব্যবহার করেছেন।
'যুরতুম' মানে হলো জিয়ারত করা, ভিজিট করা বা বেড়াতে যাওয়া।
আমার মাইন্ড ব্লো হয়ে গেছে ঠিক এই জায়গাটাতেই!
আমি পুরা জিনিসটা আবার রিয়েলাইজ করার চেষ্টা করলাম।
আল্লাহ বলতে চাইতেছেন কি?!
মানুষ মারা গেলে কবরে যায়, সেখানে মাটি চাপা দেওয়া হয়।
কিন্তু আল্লাহ বলছেন, তোমরা কবরে "ভিজিট" করতে যাও!
ভিজিট তো মানুষ কিছুক্ষণের জন্য করে, পার্মানেন্টলি থাকার জন্য তো কেউ ভিজিট করতে যায় না!!!
আমি সাথে সাথে তাফসির সার্চ দিলাম। তাফসিরে ইবনে কাসির আর অন্যান্য কয়েকটা গ্রন্থ পড়লাম। তারপর আমার রিয়েলাইজেশনে যা আসলো, তা হলো:
কবর মানুষের শেষ গন্তব্য না!
কবর হচ্ছে জাস্ট একটা "ওয়েটিং রুম" বা ট্রানজিট লাউঞ্জ।
যেমন এয়ারপোর্টে মানুষ কিছুক্ষণ ওয়েট করে আসল ফ্লাইটে ওঠার জন্য, কবরটাও ঠিক তেমন।
আর আমরা বোকা মানুষরা দুনিয়াতে ভাবি, এই বুঝি সব শেষ!
এরপর আমি প্রথম আয়াতের "তাকাসুর" (التكاثر) শব্দটার তাফসির পড়লাম। আল্লাহ এখানে বলেন নাই যে "টাকা" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। আল্লাহ বলছেন "তাকাসুর" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। তাকাসুর মানে কী?
তাকাসুর মানে হলো- "ওর চেয়ে আমার বেশি লাগবে।"
এইটা কোনো বস্তুর নাম না, এইটা একটা মেন্টালিটি। একটা অসুস্থ মানসিক প্রতিযোগিতা।
আমার একটা ফোন আছে, কিন্তু ফ্রেন্ডের আইফোন প্রো ম্যাক্স দেখলে আমারও ওটা লাগবে।
আমার একটা ডিগ্রি আছে, কিন্তু অন্যের আরেকটা ভালো ডিগ্রি দেখলে আমারও সেটা লাগবে। ব্যাংকে টাকা আছে, কিন্তু আরেকজনের বেশি থাকলে আমার আরো লাগবে।
ক্যারিয়ার, স্ট্যাটাস, স্যালারি- এই "আরো চাই, আরো চাই" করতে করতে আমাদের জীবনের আসল ফোকাসটাই আমরা হারিয়ে ফেলি।
এই সূরা শুরুই হইছে একটা সাইকোলজিক্যাল ওয়ার্নিং দিয়ে।
আল্লাহ মানুষকে বলতেছে, দেখো, একটা পশু শুধু ততটুকুই খায় যতটুকু তার ক্ষুধা মেটায়।
কিন্তু তুমি মানুষ, তোমার পেট ভরার পরও তুমি জমা করো, কারণ তুমি অন্যের চেয়ে নিজেকে বড় দেখাতে চাও।
এইটা কোনো সাধারণ কথা না, এইটা আমাদের অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় crisis।
তাফসিরে বলা হয়েছে, "আলহাকুম" মানে এমন কোনো খেলা বা বিনোদন যা তোমাকে তোমার আসল ইমার্জেন্সি কাজ ভুলিয়ে দেয়।
ধরেন, আপনার কালকে ফাইনাল এক্সাম বা বিশাল কোনো প্রেজেন্টেশন, আর আপনি আজকে রাতে বসে নেটফ্লিক্সে সিরিজ দেখতেছেন।
এই সিরিজ দেখাটা হলো "আলহাকুম"।
আল্লাহ বলছেন, এই দুনিয়ার ক্যারিয়ার, ব্যাংক ব্যালেন্স, আর সেটেল হওয়ার টেনশন তোমাদেরকে আখেরাতের ফাইনাল এক্সামের কথা ভুলিয়ে দিয়েছে!
সবচেয়ে ভয়ংকর আয়াত আসে এরপর:
"কক্ষনো নয়, তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।... সেদিন তোমাদেরকে অবশ্যই নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।" (সূরা তাকাসুর: ৩, ৮)
এখানে আল্লাহ আমাদের অভিযুক্ত করতেছেন না, আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা দেখাচ্ছেন।
আমরা ভাবি আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমাদের টাকা নাই, আমাদের ভালো জব নাই, আমাদের অমুক জিনিসটা নাই।
কিন্তু সবচেয়ে গভীর Realisation, এই আয়াত আসলে বলতেছে: তোমার সবচেয়ে বড় সমস্যা তোমার অভাব না। তোমার সমস্যা হচ্ছে তুমি এক অলীক প্রতিযোগিতায় দৌড়াচ্ছো।
তুমি এমন একটা গন্তব্যের জন্য জিনিসপত্র প্যাকিং করতেছো, যেখানে তুমি থাকবাই না!
ফ্লো টা দেখেন:
১. মানুষ "আরো লাগবে" প্রতিযোগিতায় অন্ধ হয়ে দৌড়াচ্ছে।
২. সে আসল উদ্দেশ্য ভুলে গেছে।
৩. দৌড়াতে দৌড়াতে হঠাৎ একদিন সে কবরে গিয়ে ব্রেক কষে (ভিজিট করে)।
৪. কবরে যাওয়ার পর তার ঘোর কাটে, কিন্তু তখন আর ফিরে আসার সময় থাকে না।
৫. শেষমেশ তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হয় হিসাব দেওয়ার জন্য।
আমরা কেন রবকে ভুলে যাই?
কারণ আমাদের মস্তিষ্ক already occupied।
আমরা সারাদিন হিসাব করি কীভাবে আরো দুই টাকা বেশি কামানো যায়, কীভাবে সিভিটা আরো ভারি করা যায়, কীভাবে অন্যের চেয়ে একটু বেটার লাইফ লিড করা যায়।
এই ইঁদুর দৌড়ে আমরা আমাদের যৌবন শেষ করি, পরিবারকে সময় দিই না, নিজের আত্মার যত্ন নিই না।
সমস্যা এই না যে মানুষ পরিশ্রম করে।
ইসলাম তো পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করে।
সমস্যা হইতেছে, মানুষ ভুল ট্র্যাকে দৌড়ায়।
আপনি একটা ট্রেনের টিকিট কেটেছেন চিটাগাং যাওয়ার জন্য, কিন্তু আপনি ভুলে উঠেছেন সিলেটের ট্রেনে।
এখন সেই ট্রেনের এসি বগিতে বসে আপনি যতই কমফোর্ট ফিল করেন না কেন, আপনি তো আপনার আসল গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন না! | 608 |
| 12 | সম্মানিত মাস হলো যুলক্বদাহ, যুলহিজ্জা, মুহাররম ও রজব। এসকল মাসে কৃত গুনাহ অন্য মাসে কৃত গুনাহের চেয়ে গুরুতর। আর এসকল মাসের ইবাদত অন্য মাসের ইবাদাতের চেয়ে বেশি সাওয়াবের।
“ কাজেই ওই সময়ের মধ্যে নিজেদের উপর জুলুম কোরো না।” ( সূরাহ আত-তাওবাহ ৯:৩৬)
তবে গুনাহের তুলনায় ইবাদাতের সাওয়াব বৃদ্ধির অনুপাত বেশি।
– শায়েখ আব্দুল আজিজ আত-তারিফী হাফিঃ | 560 |
| 13 | আজ মাগরিব থেকে ১৪৪৮ হিজরী সালের ১ মুহাররম শুরু হতে পারে, ইনশাআল্লাহ (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)।
নতুন বছর বা মাসের শুরুতে এ সাহাবায়ে কেরাম এ দুআটি গুরুত্ব দিয়ে পড়তেন—
اَللّٰهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ وَجِوَارٍ مِنَ الشَّيْطَانِ وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمٰنِ
“হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ মাসের আগমন ঘটান শান্তি, নিরাপত্তা, ঈমান ও ইসলামের ওপর অবিচলতার সাথে; শয়তান থেকে সুরক্ষা এবং দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে।
وعن عبد الله بن هشام قال: كان أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يتعلمون هذا الدعاء إذا دخلت السنة أو الشهر: "اللهم أدخله علينا بالأمن والإيمان، والسلامة والإسلام، ورضوان من الرحمن، وجوار من الشيطان.
হযরত আবদুল্লাহ ইবন হিশাম রহ. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবায়ে কেরাম নতুন বছর বা নতুন মাস শুরু হলে এই দুআটি
শিখতেন—
“হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এর আগমন ঘটান শান্তি ও নিরাপত্তা, ঈমান ও ইসলামের সাথে; শয়তান থেকে আশ্রয় এবং পরম দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টিসহ।”
[মাজমাউয যাওয়ায়িদ, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ১৩৯]
আল্লাহ আমাদের নতুন হিজরী বছরকে ইবাদত, তাকওয়া ও কল্যাণের বছর বানিয়ে দিন। আমীন। | 800 |
| 14 | Sin texto... | 527 |
| 15 | অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি মাসআলা:
এমন কাপড় পরিধান করা জায়েয নেই, যেই কাপড়ের উপর খেলোয়ারদের নাম লেখা থাকে। কেননা এরমাঝে ক|ফেরদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ব্যাপারটি পাওয়া যায়।
শাইখ সালেহ আল ফাওজান হাফিজাহুল্লাহ।
এমনিভাবে মুভি জগতসহ জাহেলিয়াতের সেলিব্রেটিদের প্রতি ভালবাসা ও উন্মাদনা প্রকাশ পায়, এমম যেকোন প্রতীকই হারাম হবে। কারণ এগুলো মূলত হারামের প্রতি ভালবাসা ও হারামের প্রচার প্রসারের অন্তর্ভুক্ত। কু-ফর, শিরক ও হারামের কোন শিআর বা প্রতীককে ধারণ করা, প্রচার করা ও ভালবাসা দেখানো ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
[উস্তাদ ইফতেখার সিফাত হাফিঃ এর টাইমলাইন থেকে ] | 644 |
| 16 | উপার্জন আর রিজিক এক না...
© Abir Hasan | 705 |
| 17 | ❝ হে আমার নফস, জেনে রেখো, ধৈর্যের দিনগুলো কিছু এলোমেলো স্বপ্নের দিন।
সুতরাং হে আমার নফস, দ্রুত যাত্রার প্রস্তুতি নিয়ে নাও, দুনিয়ার পাঠ চুকিয়ে নাও, আরামের দিন তো সামনে। ❞
— ইমাম শাফেয়ী (رحمه الله)
[ বই: হৃদয়ের দিনলিপি, পৃ: ৫৫৮ ] | 725 |
| 18 | হজ্জ ১৪৪৭ হিজরি! | 818 |
| 19 | এক বেদুঈন আরাফাহর ময়দানে দু’আ করছিলো এভাবে:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ السَّائِلُونَ فِي عَرَفَةَ مُنْذُ خَلَقْتَهَا.
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকাল সা'ইলূনা ফি আরাফাতা মুনযু খালাক্বতাহা।
হে আল্লাহ! যেদিন তুমি আরাফাহকে সৃষ্টি করেছো সেদিন থেকে তোমার কাছে যে যা কিছু কল্যাণকর দু’আ করেছে সবকিছু আমি আমার জন্য চাই।
এরচেয়ে সুন্দর দু’আ আর কি হতে পারে!
.
.
— Ammarul Hoque (Hafi.) | 588 |
| 20 | লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক | 458 |
