ঈমানী দায়িত্ব (Imaanidayitto)
رفتن به کانال در Telegram
𒊹︎︎︎𝗔𝗹𝗹 𝗽𝗿𝗮𝗶𝘀𝗲 𝗶𝘀 𝗱𝘂𝗲 𝘁𝗼 𝗔𝗹𝗹𝗮𝗵.𒊹︎︎︎ যেকোনো প্রয়োজনে @imaanidayitto_id
نمایش بیشتر2 952
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
+147 روز
+4530 روز
در حال بارگیری داده...
کانالهای مشابه
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئن '26
ژوئن '26
+86
در 2 کانالها
مه '26
+86
در 1 کانالها
Get PRO
آوریل '26
+64
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '26
+32
در 1 کانالها
Get PRO
فوریه '26
+54
در 1 کانالها
Get PRO
ژانویه '26
+26
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '25
+30
در 2 کانالها
Get PRO
نوامبر '25
+41
در 1 کانالها
Get PRO
اکتبر '25
+36
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '25
+41
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '25
+50
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '25
+115
در 1 کانالها
Get PRO
ژوئن '25
+80
در 2 کانالها
Get PRO
مه '25
+95
در 3 کانالها
Get PRO
آوریل '25
+50
در 1 کانالها
Get PRO
مارس '25
+85
در 4 کانالها
Get PRO
فوریه '25
+83
در 2 کانالها
Get PRO
ژانویه '25
+88
در 1 کانالها
Get PRO
دسامبر '24
+154
در 2 کانالها
Get PRO
نوامبر '24
+164
در 1 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+179
در 4 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+41
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '24
+70
در 1 کانالها
Get PRO
ژوئیه '24
+53
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '24
+53
در 0 کانالها
Get PRO
مه '24
+69
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '24
+58
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '24
+96
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '24
+57
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '24
+104
در 1 کانالها
Get PRO
دسامبر '23
+205
در 5 کانالها
Get PRO
نوامبر '23
+113
در 4 کانالها
Get PRO
اکتبر '23
+97
در 1 کانالها
Get PRO
سپتامبر '23
+65
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '23
+138
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '23
+51
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '23
+99
در 0 کانالها
Get PRO
مه '23
+48
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '23
+81
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '23
+151
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '23
+103
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '23
+84
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '22
+48
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '22
+50
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '22
+84
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '22
+94
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '22
+83
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '22
+888
در 0 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 27 ژوئن | +1 | |||
| 26 ژوئن | +1 | |||
| 25 ژوئن | +3 | |||
| 24 ژوئن | +3 | |||
| 23 ژوئن | +7 | |||
| 22 ژوئن | +5 | |||
| 21 ژوئن | +1 | |||
| 20 ژوئن | +6 | |||
| 19 ژوئن | +3 | |||
| 18 ژوئن | 0 | |||
| 17 ژوئن | +2 | |||
| 16 ژوئن | +4 | |||
| 15 ژوئن | +1 | |||
| 14 ژوئن | +2 | |||
| 13 ژوئن | +2 | |||
| 12 ژوئن | +7 | |||
| 11 ژوئن | +3 | |||
| 10 ژوئن | +2 | |||
| 09 ژوئن | +3 | |||
| 08 ژوئن | +4 | |||
| 07 ژوئن | +13 | |||
| 06 ژوئن | +1 | |||
| 05 ژوئن | +3 | |||
| 04 ژوئن | +2 | |||
| 03 ژوئن | +1 | |||
| 02 ژوئن | +4 | |||
| 01 ژوئن | +2 |
پستهای کانال
এক হিন্দু ধর্ষন করে হত্যা করেছে মুসলিম পরিবারের ৪জন সদস্য মা সহ ৩ মেয়ে। সুশীল পাড়ায় কোন আওয়াজ নেই! সংখ্যালঘুর ট্রাম্প কার্ড খেলা দিল্লির এজেন্ডাবাহী প্রথম আলো বা ডেইলি স্টারে কোন আওয়াজ নেই!
স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেট ব্যাবহারকারী, মোচ ওয়ালা বিজ্ঞ সাংবাদিকের সিগন্যাল ডাউন! কেন? কেবলমাত্র একটি কারণ আমরা স্পষ্ট করেই বলছি - কারন খুনি হিন্দু, খুনির বাবা হিন্দু। কেবল মাত্র হিন্দু হবার কারণে তাদের সমস্ত আওয়াজ বন্ধ হয়ে গেছে! হিন্দু এক মেথরের ছেলে দিনে দুপুরে ধর্ষন করে কুপিয়ে হত্যা করে ফেললো কিন্তু আমাদের এখনো তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে ঐ সুশীল পাড়ার দিকে, যদি তারা কিছু বলে!
এবার ভাবুন - এই ঘটনা যদি উলটো টা হত তাহলে সকল সুশীলপড়ায় আগুন ধরে যেত, ঘুম হারাম হয়ে যেত! মোচওয়ালা সাংবাদিকের কাছে বিশেষ সূত্রে প্রাপ্ত নথি এসে হাজির হত - অ্যান্ড মাই ফুট!
প্রশ্ন করুন, এই জমিনে কারা প্রকৃত সংখ্যালঘু?
কি করতে পারি?
সময় অনেক পার হয়েছে, রক্ত অনেক পানি হয়েছে, আজ এই প্রশ্ন করা পরিত্যাগ করুন। বরং প্রশ্ন করুন - যদি আজ আপনি নিজে এই জঘন্য বীভৎসতার শিকার হতেন তাহলে কি করতেন? তাই করুন।
- নিজ নিজ অবস্থান থেকে আওয়াজ তুলুন। উক্ত এলাকার সমস্ত দায়িত্বশীলদের জবাবদিহিতার আওতায় আনুন, উক্ত এলাকার হত্যাকারীর সাথে সংশ্লিষ্ট এবং হিন্দু ধর্মীয় নেতাদের জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসুন। হিন্দু ধর্মের আড়ালে পজিশন নেয়া এসব জঙ্গিদের কোন ছাড় নয়।
প্রেস ব্রিফিং করুন, ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটিতে রীচ করুন, তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করুন, বিচারিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করুন। নিজ মহল্লায় ক্যাম্পেইন করুন - যেন এমন কোন ঘটনার কথা কেউ আর দুঃস্বপ্নেও না ভাবার সাহস দেখায়! যুবকদের নিয়ে কথা বলুন, ঘটনার স্থির চিত্র প্রকাশ করুন, এই হিন্দু ধর্মের আড়ালে থাকা জঙ্গিদের এমন ভাবে সামনে প্রকাশ করুন যেন পুরো সমাজ, জাতি এবং রাষ্ট্র সতর্ক হতে পারে।
আর আজ আপনারা এই যে সুশীল নীরবতা দেখছেন, ম্যানিউফ্যাকচারিং কনসেন্ট দেখছেন - এই অপরাধই গণহত্যার মত বিপর্যয়ের রাস্তা খুলে দিতে পারে! ইতিহাসের পাতা খুলে দেখুন - এই একই প্যাটার্ন’ই পাবেন। প্রত্যেকটি সুশীল এর জন্য দায়ী যারা আজ হিন্দু ধর্মের ভয়ে নিজেদের চেরি পিকিং অব্যহত রেখেছে।
আমাদের আজকের নীরবতা আগামীকাল গণহত্যার মত বিপর্যয়ের রাস্তা খুলে দিতে পারে!লিখে নিন আমরা সতর্ক করেছি।
©
| 2 | بدون متن... | 91 |
| 3 | বিখ্যাত সাহাবি হযরত আনাস (রা.) তাঁর জীবনের শেষভাগে (উমাইয়া আমলে) চারপাশের মানুষের দ্বীনি অবস্থা দেখে আক্ষেপ করে বলেছিলেন,
"তোমরা আজকাল এমন অনেক (পাপ) কাজ করছ, যা তোমাদের চোখে চুলের চেয়েও সূক্ষ্ম বা সামান্য মনে হয় (অর্থাৎ তোমরা এগুলোকে ছোট পাপ মনে কর বা কখনো পাপই মনে করো না)। অথচ রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে আমরা এই কাজগুলোকেই ধ্বংসাত্মক পাপ (বা মুনাফিকির লক্ষণ) মনে করতাম।" (সহীহ বুখারী)
আরেকজন বিখ্যাত সাহাবি হযরত আবু দারদা (রা.) একবার রাগান্বিত হয়ে ঘরে ফিরলেন। তাঁর স্ত্রী উম্মে দারদা জিজ্ঞেস করলেন, "কী হয়েছে?" তিনি উত্তর দিলেন,
"আল্লাহর কসম! মুহাম্মদ ﷺ-এর উম্মতের (বর্তমান) আমলগুলোর মধ্যে কেবল জামায়াতের সাথে নামাজ পড়া ছাড়া আর কোনো কিছুই আমি চেনা রূপ পাচ্ছি না।"
(সহীহ বুখারী)
বিখ্যাত তাবেয়ি হাসান বসরী (রহ.) তাঁর যুগের মানুষদের লক্ষ্য করে বলেছিলেন,
"আমি এমন কিছু লোকের (সাহাবাদের) সান্নিধ্য পেয়েছি, তোমরা যদি তাঁদের দেখতে তবে তাঁদেরকে পাগল মনে করতে! আর তাঁরা যদি তোমাদেরকে (তাবেয়িদের) দেখতেন, তবে বলতেন—এদের সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্কই নেই (বা এরা মুসলিমই না)!"
না জানি আমাদের বেলায় তাঁরা কী বলতেন!
© | 206 |
| 4 | সবচেয়ে বড় ভয় হইতেছে এইটাই যে, জীবনের এই পুরো সময়টা আমরা যে স্ট্যাটাস, যে টাকা, যে ক্যারিয়ারের জন্য দৌড়ালাম, কবরের ওই ওয়েটিং রুমে ঢোকার সাথে সাথেই সেই সবকিছুর ভ্যালু জিরো হয়ে যাবে।
জিরো!
সেদিন আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন, "আমি তোমাকে যেই সময়, যেই এনার্জি আর যেই নেয়ামত দিয়েছিলাম, সেটার শুকরিয়া কোথায়?"
আমরা সারা জীবন "সেটেল" হওয়ার স্বপ্ন দেখি।
কিন্তু সূরা তাকাসুর আমাদের একটা ভয়ংকর সত্য মনে করিয়ে দেয় - দুনিয়াতে কেউ কখনো সেটেল হতে পারে না, যতক্ষণ না সে কবরের ওই ট্রানজিট লাউঞ্জে গিয়ে পৌঁছায়।:)
© Towhidul Mansur | 343 |
| 5 | কিছুদিন আগে রাতে বসে কোরআন পড়তেছিলাম।
একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় তিরিশ পারার একদম শেষের দিকের একটা ছোট সূরা, সূরা তাকাসুরে এসে।
প্রথম দুইটা আয়াত পড়েই আমি রীতিমতো ভ্যাবাচেকা খাইছি!
আল্লাহ বলতেছেন,
"অধিক পাওয়ার প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রেখেছে (গাফলতির মধ্যে ফেলে রেখেছে)।"
"যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপস্থিত হও।" (সূরা তাকাসুর: ১-২)
আয়াত দুইটা পড়ে আমার মাথা কিছুক্ষণের জন্য পুরা ব্ল্যাংক হয়ে গেছিলো।
আমি আয়াতটার আরবি শব্দগুলো আবার দেখলাম- "হাত্তা যুরতুমুল মাক্বাবির"।
এখানে আল্লাহ 'যুরতুম' শব্দটা ব্যবহার করেছেন।
'যুরতুম' মানে হলো জিয়ারত করা, ভিজিট করা বা বেড়াতে যাওয়া।
আমার মাইন্ড ব্লো হয়ে গেছে ঠিক এই জায়গাটাতেই!
আমি পুরা জিনিসটা আবার রিয়েলাইজ করার চেষ্টা করলাম।
আল্লাহ বলতে চাইতেছেন কি?!
মানুষ মারা গেলে কবরে যায়, সেখানে মাটি চাপা দেওয়া হয়।
কিন্তু আল্লাহ বলছেন, তোমরা কবরে "ভিজিট" করতে যাও!
ভিজিট তো মানুষ কিছুক্ষণের জন্য করে, পার্মানেন্টলি থাকার জন্য তো কেউ ভিজিট করতে যায় না!!!
আমি সাথে সাথে তাফসির সার্চ দিলাম। তাফসিরে ইবনে কাসির আর অন্যান্য কয়েকটা গ্রন্থ পড়লাম। তারপর আমার রিয়েলাইজেশনে যা আসলো, তা হলো:
কবর মানুষের শেষ গন্তব্য না!
কবর হচ্ছে জাস্ট একটা "ওয়েটিং রুম" বা ট্রানজিট লাউঞ্জ।
যেমন এয়ারপোর্টে মানুষ কিছুক্ষণ ওয়েট করে আসল ফ্লাইটে ওঠার জন্য, কবরটাও ঠিক তেমন।
আর আমরা বোকা মানুষরা দুনিয়াতে ভাবি, এই বুঝি সব শেষ!
এরপর আমি প্রথম আয়াতের "তাকাসুর" (التكاثر) শব্দটার তাফসির পড়লাম। আল্লাহ এখানে বলেন নাই যে "টাকা" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। আল্লাহ বলছেন "তাকাসুর" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। তাকাসুর মানে কী?
তাকাসুর মানে হলো- "ওর চেয়ে আমার বেশি লাগবে।"
এইটা কোনো বস্তুর নাম না, এইটা একটা মেন্টালিটি। একটা অসুস্থ মানসিক প্রতিযোগিতা।
আমার একটা ফোন আছে, কিন্তু ফ্রেন্ডের আইফোন প্রো ম্যাক্স দেখলে আমারও ওটা লাগবে।
আমার একটা ডিগ্রি আছে, কিন্তু অন্যের আরেকটা ভালো ডিগ্রি দেখলে আমারও সেটা লাগবে। ব্যাংকে টাকা আছে, কিন্তু আরেকজনের বেশি থাকলে আমার আরো লাগবে।
ক্যারিয়ার, স্ট্যাটাস, স্যালারি- এই "আরো চাই, আরো চাই" করতে করতে আমাদের জীবনের আসল ফোকাসটাই আমরা হারিয়ে ফেলি।
এই সূরা শুরুই হইছে একটা সাইকোলজিক্যাল ওয়ার্নিং দিয়ে।
আল্লাহ মানুষকে বলতেছে, দেখো, একটা পশু শুধু ততটুকুই খায় যতটুকু তার ক্ষুধা মেটায়।
কিন্তু তুমি মানুষ, তোমার পেট ভরার পরও তুমি জমা করো, কারণ তুমি অন্যের চেয়ে নিজেকে বড় দেখাতে চাও।
এইটা কোনো সাধারণ কথা না, এইটা আমাদের অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় crisis।
তাফসিরে বলা হয়েছে, "আলহাকুম" মানে এমন কোনো খেলা বা বিনোদন যা তোমাকে তোমার আসল ইমার্জেন্সি কাজ ভুলিয়ে দেয়।
ধরেন, আপনার কালকে ফাইনাল এক্সাম বা বিশাল কোনো প্রেজেন্টেশন, আর আপনি আজকে রাতে বসে নেটফ্লিক্সে সিরিজ দেখতেছেন।
এই সিরিজ দেখাটা হলো "আলহাকুম"।
আল্লাহ বলছেন, এই দুনিয়ার ক্যারিয়ার, ব্যাংক ব্যালেন্স, আর সেটেল হওয়ার টেনশন তোমাদেরকে আখেরাতের ফাইনাল এক্সামের কথা ভুলিয়ে দিয়েছে!
সবচেয়ে ভয়ংকর আয়াত আসে এরপর:
"কক্ষনো নয়, তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।... সেদিন তোমাদেরকে অবশ্যই নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।" (সূরা তাকাসুর: ৩, ৮)
এখানে আল্লাহ আমাদের অভিযুক্ত করতেছেন না, আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা দেখাচ্ছেন।
আমরা ভাবি আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমাদের টাকা নাই, আমাদের ভালো জব নাই, আমাদের অমুক জিনিসটা নাই।
কিন্তু সবচেয়ে গভীর Realisation, এই আয়াত আসলে বলতেছে: তোমার সবচেয়ে বড় সমস্যা তোমার অভাব না। তোমার সমস্যা হচ্ছে তুমি এক অলীক প্রতিযোগিতায় দৌড়াচ্ছো।
তুমি এমন একটা গন্তব্যের জন্য জিনিসপত্র প্যাকিং করতেছো, যেখানে তুমি থাকবাই না!
ফ্লো টা দেখেন:
১. মানুষ "আরো লাগবে" প্রতিযোগিতায় অন্ধ হয়ে দৌড়াচ্ছে।
২. সে আসল উদ্দেশ্য ভুলে গেছে।
৩. দৌড়াতে দৌড়াতে হঠাৎ একদিন সে কবরে গিয়ে ব্রেক কষে (ভিজিট করে)।
৪. কবরে যাওয়ার পর তার ঘোর কাটে, কিন্তু তখন আর ফিরে আসার সময় থাকে না।
৫. শেষমেশ তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হয় হিসাব দেওয়ার জন্য।
আমরা কেন রবকে ভুলে যাই?
কারণ আমাদের মস্তিষ্ক already occupied।
আমরা সারাদিন হিসাব করি কীভাবে আরো দুই টাকা বেশি কামানো যায়, কীভাবে সিভিটা আরো ভারি করা যায়, কীভাবে অন্যের চেয়ে একটু বেটার লাইফ লিড করা যায়।
এই ইঁদুর দৌড়ে আমরা আমাদের যৌবন শেষ করি, পরিবারকে সময় দিই না, নিজের আত্মার যত্ন নিই না।
সমস্যা এই না যে মানুষ পরিশ্রম করে।
ইসলাম তো পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করে।
সমস্যা হইতেছে, মানুষ ভুল ট্র্যাকে দৌড়ায়।
আপনি একটা ট্রেনের টিকিট কেটেছেন চিটাগাং যাওয়ার জন্য, কিন্তু আপনি ভুলে উঠেছেন সিলেটের ট্রেনে।
এখন সেই ট্রেনের এসি বগিতে বসে আপনি যতই কমফোর্ট ফিল করেন না কেন, আপনি তো আপনার আসল গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন না! | 294 |
| 6 | সম্মানিত মাস হলো যুলক্বদাহ, যুলহিজ্জা, মুহাররম ও রজব। এসকল মাসে কৃত গুনাহ অন্য মাসে কৃত গুনাহের চেয়ে গুরুতর। আর এসকল মাসের ইবাদত অন্য মাসের ইবাদাতের চেয়ে বেশি সাওয়াবের।
“ কাজেই ওই সময়ের মধ্যে নিজেদের উপর জুলুম কোরো না।” ( সূরাহ আত-তাওবাহ ৯:৩৬)
তবে গুনাহের তুলনায় ইবাদাতের সাওয়াব বৃদ্ধির অনুপাত বেশি।
– শায়েখ আব্দুল আজিজ আত-তারিফী হাফিঃ | 370 |
| 7 | আজ মাগরিব থেকে ১৪৪৮ হিজরী সালের ১ মুহাররম শুরু হতে পারে, ইনশাআল্লাহ (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)।
নতুন বছর বা মাসের শুরুতে এ সাহাবায়ে কেরাম এ দুআটি গুরুত্ব দিয়ে পড়তেন—
اَللّٰهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ وَجِوَارٍ مِنَ الشَّيْطَانِ وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمٰنِ
“হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ মাসের আগমন ঘটান শান্তি, নিরাপত্তা, ঈমান ও ইসলামের ওপর অবিচলতার সাথে; শয়তান থেকে সুরক্ষা এবং দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে।
وعن عبد الله بن هشام قال: كان أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يتعلمون هذا الدعاء إذا دخلت السنة أو الشهر: "اللهم أدخله علينا بالأمن والإيمان، والسلامة والإسلام، ورضوان من الرحمن، وجوار من الشيطان.
হযরত আবদুল্লাহ ইবন হিশাম রহ. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবায়ে কেরাম নতুন বছর বা নতুন মাস শুরু হলে এই দুআটি
শিখতেন—
“হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এর আগমন ঘটান শান্তি ও নিরাপত্তা, ঈমান ও ইসলামের সাথে; শয়তান থেকে আশ্রয় এবং পরম দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টিসহ।”
[মাজমাউয যাওয়ায়িদ, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ১৩৯]
আল্লাহ আমাদের নতুন হিজরী বছরকে ইবাদত, তাকওয়া ও কল্যাণের বছর বানিয়ে দিন। আমীন। | 541 |
| 8 | بدون متن... | 445 |
| 9 | অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি মাসআলা:
এমন কাপড় পরিধান করা জায়েয নেই, যেই কাপড়ের উপর খেলোয়ারদের নাম লেখা থাকে। কেননা এরমাঝে ক|ফেরদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ব্যাপারটি পাওয়া যায়।
শাইখ সালেহ আল ফাওজান হাফিজাহুল্লাহ।
এমনিভাবে মুভি জগতসহ জাহেলিয়াতের সেলিব্রেটিদের প্রতি ভালবাসা ও উন্মাদনা প্রকাশ পায়, এমম যেকোন প্রতীকই হারাম হবে। কারণ এগুলো মূলত হারামের প্রতি ভালবাসা ও হারামের প্রচার প্রসারের অন্তর্ভুক্ত। কু-ফর, শিরক ও হারামের কোন শিআর বা প্রতীককে ধারণ করা, প্রচার করা ও ভালবাসা দেখানো ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
[উস্তাদ ইফতেখার সিফাত হাফিঃ এর টাইমলাইন থেকে ] | 535 |
| 10 | উপার্জন আর রিজিক এক না...
© Abir Hasan | 612 |
| 11 | ❝ হে আমার নফস, জেনে রেখো, ধৈর্যের দিনগুলো কিছু এলোমেলো স্বপ্নের দিন।
সুতরাং হে আমার নফস, দ্রুত যাত্রার প্রস্তুতি নিয়ে নাও, দুনিয়ার পাঠ চুকিয়ে নাও, আরামের দিন তো সামনে। ❞
— ইমাম শাফেয়ী (رحمه الله)
[ বই: হৃদয়ের দিনলিপি, পৃ: ৫৫৮ ] | 638 |
| 12 | হজ্জ ১৪৪৭ হিজরি! | 818 |
| 13 | এক বেদুঈন আরাফাহর ময়দানে দু’আ করছিলো এভাবে:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ السَّائِلُونَ فِي عَرَفَةَ مُنْذُ خَلَقْتَهَا.
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকাল সা'ইলূনা ফি আরাফাতা মুনযু খালাক্বতাহা।
হে আল্লাহ! যেদিন তুমি আরাফাহকে সৃষ্টি করেছো সেদিন থেকে তোমার কাছে যে যা কিছু কল্যাণকর দু’আ করেছে সবকিছু আমি আমার জন্য চাই।
এরচেয়ে সুন্দর দু’আ আর কি হতে পারে!
.
.
— Ammarul Hoque (Hafi.) | 588 |
| 14 | লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক | 458 |
| 15 | ▪️ইস্তিগফার এমন ঔষধ যার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
▪️ইস্তিগফার হলো গুনাহ্সমূহ ধ্বংসের হাতিয়ার।
▪️আপনি শুধুমাত্র চল্লিশ দিন পূর্ণ মনোযোগ, ইখলাস ও অধিক পরিমাণে তাওবাহ্-ইস্তিগফার নিয়মিত দৈনিক হাজার বার 'আমল করুন। দেখবেন তখন আপনার চিৎকার করে কান্না আসবে যে, জানা নেই অতীতে এই নি'মাত থেকে বঞ্চিত হয়ে কতো কিছুই না হারিয়েছি।
_
মুফতি মুহাম্মাদ খুবাইব (হাফিযাহুল্লাহ্)
▪️দুনইয়া ও আখিরাতের এমন কোনো প্রয়োজন ও মুসিবত নেই, ইস্তিগফার দ্বারা যার প্রতিকার হয় না।
▪️স্বপ্নের জগতে বাস্তবে যেতে চান?
ইস্তিগফারকে আবশ্যক করে নিন।
▪️ইস্তিগফার পিঁপড়ার শক্তিকে হাতির চেয়েও অধিকতর করে দেয়।
▪️ গুনাহ্ থেকে বেঁচে থাকার মাধ্যম হলো ইস্তিগফার।
▪️“এই পবিত্র কুরআন তোমাদের রোগও বলে দেয় এবং উক্ত রোগের চিকিৎসাও বলে দেয়। সুতরাং তোমাদের রোগ হলো গুনাহ্ আর তোমাদের চিকিৎসা হলো ইস্তিগফার।” –[কাতাদাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হ)]
▪️শক্তির রহস্য হচ্ছে ইস্তিগফার।
▪️সুকুন হচ্ছে অমূল্য, যা আসবে খাঁটি ইস্তিগফারের দ্বারা।
▪️সকল আঘাতের উপশম হলো ইস্তিগফার।
▪️আশ্চর্য তার জন্যে, যে ধ্বংস হয় অথচ তার সঙ্গেই রয়েছে মুক্তি।
আরয করা হলো— তা কি?
বললেন— ‘ইস্তিগফার’।
_
আলী ইবনে আবি ত্বালিব রাযিয়াল্লাহু 'আন্হ
▪️সর্বোত্তম দু'আ হচ্ছে ইস্তিগফার।
▪️ইস্তিগফারের দাবিই হচ্ছে তাক্বওয়া। যে ইস্তিগফারের হক্ব আদায় করে ইস্তিগফার করে তার তাক্বওয়ার দৌলত নসিব হয়ে যায়।
▪️এটাও গুনাহের একটি মন্দ প্রভাব যে, ইস্তিগফারের এতো বড়ো বড়ো উপকারিতা কুরআন-সুন্নাহ্তে পাঠ করেও মানুষ ইস্তিগফারকে অবলম্বন করে না।
_
মুফতি মুহাম্মাদ খুবাইব (হাফিযাহুল্লাহ্)
▪️ইস্তিগফার হচ্ছে এমন এক সিঁড়ি চড়া— যার উঁচুত্ব চিন্ত্য নয়। যতোই উপরে উঠা হয়, ততোই মর্যাদা বুলন্দ হয়। | 483 |
| 16 | “৯ই জিলহজ্ব আরাফার দিন”
রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন–
“অন্যান্য দিনের তুলনায় আরাফার দিনে আল্লাহ তা‘আলা বান্দাকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন।’”
[মুসলিম, হা/৩৩৫৪; নাসাঈ, হা/৩০০৩]
আরাফার দিনের দু‘আ মর্যাদাপূর্ণ:–
রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন –
“সর্বোত্তম দু‘আ হলো আরাফার দিনের দু‘আ। আমি ও আমার পূর্ববর্তী নবিগণ এদিনে উত্তম যে দু‘আটি পড়েছি, তা হলো—
.
لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ
.
উচ্চারণ:- লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহূ লা শারীকা লাহূ লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর
.
অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি এক; তাঁর কোনো অংশীদার নেই। তাঁর জন্যই সকল প্রশংসা ও রাজত্ব; তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
[তিরমিযি, হা/৩৫৮৫] | 2 180 |
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
