স্বাধীন বাংলার বেতারকেন্দ্র
Open in Telegram
4 297
Subscribers
-424 hours
-147 days
-4430 days
Data loading in progress...
Similar Channels
Tags Cloud
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Incoming and Outgoing Mentions
---
---
---
---
---
---
Attracting Subscribers
June '26
June '26
+42
in 0 channels
May '26
+41
in 0 channels
Get PRO
April '26
+32
in 0 channels
Get PRO
March '26
+23
in 0 channels
Get PRO
February '26
+53
in 0 channels
Get PRO
January '26
+39
in 0 channels
Get PRO
December '25
+44
in 0 channels
Get PRO
November '25
+33
in 0 channels
Get PRO
October '25
+37
in 0 channels
Get PRO
September '25
+23
in 0 channels
Get PRO
August '25
+51
in 0 channels
Get PRO
July '25
+43
in 0 channels
Get PRO
June '25
+35
in 2 channels
Get PRO
May '25
+28
in 0 channels
Get PRO
April '25
+44
in 0 channels
Get PRO
March '25
+24
in 0 channels
Get PRO
February '25
+53
in 0 channels
Get PRO
January '25
+58
in 0 channels
Get PRO
December '24
+133
in 2 channels
Get PRO
November '24
+102
in 0 channels
Get PRO
October '24
+110
in 0 channels
Get PRO
September '24
+115
in 0 channels
Get PRO
August '24
+1 192
in 24 channels
Get PRO
July '24
+5 031
in 36 channels
| Date | Subscriber Growth | Mentions | Channels | |
| 24 June | 0 | |||
| 23 June | +4 | |||
| 22 June | +3 | |||
| 21 June | 0 | |||
| 20 June | +3 | |||
| 19 June | +2 | |||
| 18 June | +1 | |||
| 17 June | +1 | |||
| 16 June | +2 | |||
| 15 June | +1 | |||
| 14 June | +1 | |||
| 13 June | +1 | |||
| 12 June | +2 | |||
| 11 June | +2 | |||
| 10 June | +4 | |||
| 09 June | +1 | |||
| 08 June | +1 | |||
| 07 June | +3 | |||
| 06 June | +2 | |||
| 05 June | +1 | |||
| 04 June | +1 | |||
| 03 June | +3 | |||
| 02 June | +3 | |||
| 01 June | 0 |
Channel Posts
ঢাকা শহরটা একটা টাইম বো-মার উপরে দাড়ানো!
সেই বো-মার রিমোটটা হইলো ,ভূমিকম্প!
৬.৫ মাত্রার উপরে ভূমিকম্প হলে পুরো বাংলাদেশের শহরগুলোতে জাহান্নাম নেমে আসবে।
এই মৃত্যুপুরীতে রাজনৈতিক নেতা, আমলা, এলিট, ,ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ,সাংবাদিক ,শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী,দেশের সাধারণ ,অসাধারণ প্রত্যেকটা শ্রেণী পেশার মানুষ কেউ বাঁচবে না!
এই নিয়া সংসদে আলাপ নাই! কেউ দীর্ঘশ্বাসও ফালায় না!
কোন প্ল্যান ,পলিসি নাই! অলিগলি চিপাচাপায় নামে বেনামে মা-বাপহীন দেশে শুধু বিল্ডিং আর বিল্ডিং হচ্ছে।
এমন একটা দিন আসবে ,হয়তো আপনার দেহটা বিল্ডিংয়ের চিপায় আটকে আছে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
কিন্তু আপনাকে উদ্ধার করার মতো লোক নাই।
উদ্ধার করার মতো Equipment নাই। জনবল নাই! প্রশিক্ষণ নাই! থাকবে শুধু চিৎকার! পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অসহায়ত্বের চিৎকার! এছাড়া আমাদের রিয়েলাইজেশন নাই!
পাপের ফল প্রাকৃতিক দুর্যোগ (ভূমিকম্প ) জানি কিন্তু মানি না! তারপরেও ৭ বছরের শিশুটা ধর্ষিত হচ্ছে। ক্লাস ৮ এর বাচ্চা মেয়েটারে ধর্ষণ করে মেরে জঙ্গলে ঝুলিয়ে রাখছে।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় একজন আরেকজনে মেরে ফেলছে!
প্রকাশ্যে দিবালোকে কোটি কোটি টাকার ঘোষ বানিজ্য হচ্ছে! অর্থ পাচার হচ্ছে! ব্যবসায়ীরা মানুষরে ঠকাচ্ছে!
দেশের মেক্মিমাম মানুষ বসেই আছে সুযোগে আরেকজনকে মেরে নিজে বড় হইতে।
প্রায় মনে হয় আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত জাতি বড় একটা ডিজিস্টার ডিজার্ভ করি! তার আগে হয়তো আমরা বদলাবো না!
"বারবার ওয়ার্নিং আসতেছে, বারবার সুযোগ পাচ্ছি। তবু অকৃতজ্ঞের মতো বারবারই অবহেলা করে যাচ্ছি।
হয়তো এটাই শেষ সুযোগ ছিলো শুধরানোর! হয়তো এটাই শেষ সুযোগ ছিলো!!
@Collected
| 2 | ব্রিটিশ আমলে ভারতের অসহনীয় গরম থেকে বাঁচতে সিলিং থেকে কাপড়ের বড় পাখা ঝুলিয়ে রাখা হতো, যা 'টানা পাখা' নামে পরিচিত ছিল। আর এই পাখাগুলো দড়ি টেনে অবিরাম নাড়ানোর জন্য নিয়োজিত থাকতো একদল দরিদ্র ভারতীয় ভৃত্য, যাদের বলা হতো 'পাঙ্খাওয়ালা'।
পাঙ্খাওয়ালারা সাধারণত ঘরের বাইরে, বারান্দায় বা দেয়ালের আড়ালে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দড়ি টেনে পাঙ্খা নাড়াতেন।
ব্রিটিশ প্রভুরা যাতে আরামে ঘুমাতে পারেন, সেজন্য পাঙ্খাওয়ালাদের রাত-দিন জেগে বাতাস করতে হতো। ক্লান্ত হয়ে ঘুমে চোখ লেগে গেলে বা পাখা টানার গতি কমে গেলে তাদের ওপর নেমে আসত অকথ্য শারীরিক নির্যাতন ও জরিমানা।
পেটের দায়ে সমাজের নিম্নশ্রেণির মানুষরাই বাধ্য হয়ে এই কাজ বেছে নিতেন। সারাদিন বা রাতভর অমানুষিক পরিশ্রমের বিনিময়ে তাদের বেতন ছিল খুবই সামান্য।
১৮ শতক থেকে ১৯ শতকের শেষভাগ পর্যন্ত এই প্রথা চালু ছিল। এরপর বিদ্যুৎ আবিষ্কারের ফলে যখন বৈদ্যুতিক পাখা আসতে শুরু করে, তখন ধীরে ধীরে এই অমানবিক পেশাটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। পাঙ্খাওয়ালাদের এই ইতিহাস ঔপনিবেশিক ভারতের এক করুণ ও অমানবিক বাস্তবতার নীরব সাক্ষী।
সারাংশ: এই অসভ্যদের 'সভ্যতার' গল্পই আজ সারাদিন আমাদের শুনতে হয়-তাদেরই রেখে যাওয়া কিছু মনস্তাত্ত্বিক গোলামদের কাছ থেকে! যারা আজও নিজেদের অতীত ভুলে শ্বেতাঙ্গদের সেই মানসিক দাসত্ব বয়ে বেড়াচ্ছে। | 156 |
| 3 | No text... | 147 |
| 4 | এরা মুসলিম দেশে বসবাস করে, মুসলিম দেশের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তরে চাকরি করে - মুসলমানদের বিরুদ্ধে ধর্মযু_দ্ধ করতে চায়, মুসলমানদের হ৩্যা করতে চায়!! বাংলাদেশকে বিভক্ত করতে চাওয়া দেশদ্রোহী চৈতালি চক্রবর্তীকে ৪৮ ঘন্টার পরও যখন গ্রেফতার হয়নি, এই হিন্দু নেতারও কিছু হবেনা।
#Save_Bengali_Muslim | 192 |
| 5 | https://getsnap.link/T8LtUcxb7FV?share_arg3=copy%20link | 1 |
| 6 | 'অনুমতি ছাড়া শিব মূর্তি কিভাবে তৈরি হচ্ছে ?' | 302 |
| 7 | গণহত্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত—এমনটাই মনে করছেন জেনোসাইড ওয়াচ-এর প্রতিষ্ঠাতা ড. গ্রেগরি স্ট্যান্টন।
কেন তিনি এমনটা মনে করছেন? কীভাবে ভারতের মুসলিমরা ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে বিলুপ্তির দিকে?
#India #Genocide #Muslims #RingOfFire@BdAllStudent | 313 |
| 8 | নতুন নমরুদের পতন হবে আরশোলার হাতে?
প্রতিবেদন!
. | 296 |
| 9 | আরেকটা মাস্টারপিস প্রতিবেদন 🔥
. | 305 |
| 10 | গতকাল রাতে আবারো বরাবরের মতো এবার পারমাণবিক বো**মা ফাটালো NTV
রংপুর দখল করে নিয়েছে ভারত?
সেরা এক প্রতিবেদন 🔥 | 311 |
| 11 | স্মার্টফোন ব্যবহার করলেই কোর্ট মার্শাল! তালেবানের নতুন ডিক্রি
ডিজিটাল দুনিয়া থেকে নিজেদের আরও গুটিয়ে নিচ্ছে তালেবান প্রশাসন। এবার আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা মোল্লা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার এক নতুন মৌখিক নির্দেশনায় সব তালেবান সদস্য এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁস ঠেকাতে কান্দাহার থেকে এই কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
নিয়ম অমান্য করে কেউ স্মার্টফোন ব্যবহার করলে তাকে 'অপরাধী' হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সরাসরি সামরিক আদালতে (Court-Martial) বিচার করা হবে।
প্রতিটি জোনের সামরিক আদালত এবং গোয়েন্দা সংস্থাকে এই নির্দেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তা ও সৈন্যদের নাম, পদবি এবং ফোন নম্বর দিয়ে একটি সেন্ট্রাল ডাটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে যাতে কেউ বেসিক বা বাটন ফোন ছাড়া অন্য কিছু ব্যবহার করতে না পারে।
খবরটি আসার পরপরই পাক্তিকার মতো বেশ কিছু প্রদেশ থেকে খবর আসছে, যেখানে স্থানীয় তালেবান কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে নিজেদের স্মার্টফোন ভেঙে ফেলার মাধ্যমে এই আদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করছেন।
এটি হঠাৎ কোনো সিদ্ধান্ত নয়। এর আগে স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তালেবান প্রশাসনের মতে, স্মার্টফোন হলো অন্যতম বড় এক "শত্রু"। মূলত জিপিএস ট্র্যাকিং, অভ্যন্তরীণ গোপনীয়তা রক্ষা এবং জীবন্ত বস্তুর ছবি তোলার ওপর ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞার কড়াকড়ি করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। | 885 |
| 12 | No text... | 732 |
| 13 | পোশাক পরিচ্ছদে মনে হচ্ছে হতভাগা এই মানুষগুলো মুসলিম ধর্মাবলম্বী। কারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের হলে জোগি-মোদির বিজেপি তাদেরকে অন্যায়ভাবে তাড়িয়ে দেয়ার জুলুম করতো না। কিন্তু কী নিষ্ঠুর রাষ্ট্রনীতি! মুসলিম দেশ হয়েও বাংলাদেশ তাদেরকে কবুল করতে পারছে না, আবার ভারতের উপর কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে অসহায় মুসলমানদের ইজ্জত আর নিরাপত্তা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকারটুকুও নিশ্চিত করতে পারছে না।
পৃথিবীতে যদি নিষ্ঠুরতম কোনো ব্যবস্থা বা নীতিমালা থাকে, তার নাম হলো জাতিভেদ বিভক্তি এবং জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে কাঁটাতারের বেড়া। অথচ ইসলাম এধরণের বিভক্তিকে প্রশ্রয় দেয় না। ইসলামী রাষ্ট্র অসহায় আশ্রয়প্রার্থী কোনো ব্যক্তিকে বিতাড়িত করে না—চাই সে মুসলিম হোক বা অমুসলিম। ভাষা বা সংস্কৃতির ভিত্তিতে মানুষের মাঝে বিভক্তি করা ইসলাম সমর্থন করে না। ব্রিটিশরা পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় মানবতাবিরোধী যেই কাজটি করেছে তা হলো, কাঁটাতারের মাধ্যমে মানুষের মাঝে বিভক্তি। | 1 063 |
| 14 | নিয়ত করে শুনতে পারেন ইনশাআল্লাহ। | 799 |
| 15 | • রুকইয়াহ শারইয়্যাহ •
যারা বদনজর, হাসাদ ও বিভিন্ন ধরনের যাদুতে আক্রান্ত, তারা চাইলে শুনতে পারেন ইনশাআল্লাহ।
শুনার আগে করণীয়ঃ
পেট ভরে পানি পান করবেন। তারপর নিয়ত করবেন (হে আল্লাহ আমার শারীরিক-মানসিক সকল অসুস্থতা থেকে আমাকে সুস্থতা দান করেন। আমাকে বদনজর, হাসাদ ও সকল ধরনের যাদু থেকে শিফা দান করুন)।
তারপর রিলেক্স হয়ে বসে চোখ বন্ধ রেখে মনোযোগ দিয়ে শুনবেন ইনশাআল্লাহ।
অর্থাৎ পানি পান করা+ নিয়ত করবেন+ রিলেক্স হয়ে বসা+ পুরো সেশন চোখ বন্ধ রাখা। | 812 |
| 16 | বিএনপির প্রতি রাগ ক্ষোভ যতই থাক। এই ঘটনার সাথে যারাই জড়িত বিএনপি এনসিপি জামাত শিবির এক সাথে হয়ে ওদের নিজের হাতে শাস্তি দেওয়া উচিৎ... এমন শাস্তি দেওয়া উচিৎ যে বাপের নাম জেনো ভুইলা যায়। | 752 |
| 17 | চাঁদপুর জেলার হাইমচর নিবাসী মুন্না ২০০৭ সাল থেকে মতিঝিলের শরীফ ম্যানসনের গলির ফুটপাতে একটা ছোট্ট ভাতের দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। স্ত্রী রুপা, ৫ বছরের ছেলে রাহী এবং ২ বছরের ছেলে ইব্রাহীমকে নিয়ে মুগদায় তার ছোট্ট সংসার। স্ত্রী বাসা থেকে রান্না করে দিত আর সেই রান্না করা খাবার এনে ফুটপাতে বিক্রি করতো মুন্না।
মতিঝিল এলাকার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জাহিদ ও ছাত্রদল নেতা শুভ মুন্নার কাছে ঈদ উপলক্ষ্যে এককালীন ৩০,০০০ টাকা ও প্রতি মাসে ১০,০০০ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে না পারলে দোকান ভেঙ্গে দিয়ে অন্য কাউকে দিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। এই চাঁদা দেয়ার সামর্থ্য মুন্নার ছিলো না। ছোট্ট দুই সন্তানের কথা বলেও চাঁদাবাজদের মন গলাতে পারেনি। তার দোকানটা ভেঙ্গে দেয় চাঁদাবাজ জাহিদ-শুভ গং। | 546 |
| 18 | অভিনন্দন 😁
ঘটনা নোয়াখালী সদর উপজেলায় | 348 |
| 19 | بسم الله الرحمن الرحيم
সীরাত প্রতিযোগিতা ২০২৬ (সপ্তম)
আয়োজনে: সীরাতে মুহাম্মাদ ﷺ গ্রুপ।
⭕ রেজিস্ট্রেশন: চলছে, ইনশাআল্লাহ।
রেজিস্ট্রেশন: সম্পূর্ণ ফ্রি।
⚠️ রেজিস্ট্রেশন ০১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
👉 ঐচ্ছিক ডোনেশন: ২০/৫০/১০০+২০০+৫০০ টাকা। টাকা পাঠানোর সময় রেফারেন্সে অবশ্যই s2026 লিখে দিবেন।
নগদ নাম্বার: 01732725745
বিকাশ নাম্বার: 01855640147
📌📌 বিঃদ্রঃ: আপনাদের ঐচ্ছিক ডোনেশন আমাদের কাজকে সহজ ভাবে সামনে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে ইনশাআল্লাহ।
◼️ রেজিস্ট্রেশন লিংক 👇👇👇
https://forms.gle/3xMDq5v6AgrVoX9i6
⭕◼️ পুরস্কার ◼️⭕
◼️ প্রথম পুরষ্কার: ৫,০০০ টাকা
◼️ দ্বিতীয় পুরস্কার: ৩,০০০ টাকা
◼️ তৃতীয় পুরস্কার: ২,০০০ টাকা
◼️ ৪-৩০ নাম্বার: ৪০০×২৭= ১০,৮০০ টাকা
◼️⭕ সর্বমোট ৩০ জন প্রতিযোগীকে পুরস্কৃত করা হবে ইনশাআল্লাহ ⭕◼️
📌📌 নির্ধারিত গ্রন্থ: নূরের পর্বত থেকে সবুজ গম্বুজ।
⚠️পরীক্ষা: ০৩ সেপ্টেম্বর, রাত ৯:৩০ মিনিটে, ইনশাআল্লাহ।
👉 পরীক্ষা অনলাইনে গুগল ফরমের মাধ্যমে হবে ইনশাআল্লাহ।
➡️ মোট ১০০ টি MCQ এর উত্তর ৪০ মিনিটের মধ্যে দিতে হবে।
""جزاكم الله خيرا في الدارين"" | 361 |
| 20 | শুধু মুসলিম হবার কারনে, ভারত থেকে মুসলিমদের বাহির করে দেয়া হচ্ছে, সেই ভারতের অর্থায়নে গাইবান্ধা পলাশবাড়ীতে বিশাল রামের মূর্তি নির্মিত হচ্ছে,
যদি তারা এই মূর্তি তাদের মন্দিরে নির্মাণ করত, তাহলে আমরাও কিছু বলতাম না, কিন্তু তারা এটা রাস্তার পাশে করতে আসা মানে ভিন্ন কোন মতলব তো আছেই। | 282 |
Available now! Telegram Research 2025 — the year's key insights 
