es
Feedback
স্বাধীন বাংলার বেতারকেন্দ্র

স্বাধীন বাংলার বেতারকেন্দ্র

Ir al canal en Telegram

দেশের চলমান বিভিন্ন খবরাখবরই এখানে উপলব্ধ।

Mostrar más
4 214
Suscriptores
-324 horas
-117 días
-4730 días

Carga de datos en curso...

Nube de Etiquetas
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Menciones Entrantes y Salientes
---
---
---
---
---
---
Atraer Suscriptores
agosto '26
agosto '26
+26
en 0 canales
julio '26
+65
en 1 canales
Get PRO
junio '26
+54
en 0 canales
Get PRO
mayo '26
+41
en 0 canales
Get PRO
abril '26
+32
en 0 canales
Get PRO
marzo '26
+23
en 0 canales
Get PRO
febrero '26
+53
en 0 canales
Get PRO
enero '26
+39
en 0 canales
Get PRO
diciembre '25
+44
en 0 canales
Get PRO
noviembre '25
+33
en 0 canales
Get PRO
octubre '25
+37
en 0 canales
Get PRO
septiembre '25
+23
en 0 canales
Get PRO
agosto '25
+51
en 0 canales
Get PRO
julio '25
+43
en 0 canales
Get PRO
junio '25
+35
en 2 canales
Get PRO
mayo '25
+28
en 0 canales
Get PRO
abril '25
+44
en 0 canales
Get PRO
marzo '25
+24
en 0 canales
Get PRO
febrero '25
+53
en 0 canales
Get PRO
enero '25
+58
en 0 canales
Get PRO
diciembre '24
+133
en 2 canales
Get PRO
noviembre '24
+102
en 0 canales
Get PRO
octubre '24
+110
en 0 canales
Get PRO
septiembre '24
+115
en 0 canales
Get PRO
agosto '24
+1 192
en 24 canales
Get PRO
julio '24
+5 031
en 36 canales
Fecha
Crecimiento de Suscriptores
Menciones
Canales
26 agosto0
25 agosto0
24 agosto+1
23 agosto+2
22 agosto0
21 agosto0
20 agosto0
19 agosto0
18 agosto0
17 agosto0
16 agosto0
15 agosto0
14 agosto0
13 agosto+4
12 agosto0
11 agosto+2
10 agosto0
09 agosto+1
08 agosto+1
07 agosto+3
06 agosto+3
05 agosto+2
04 agosto+2
03 agosto+1
02 agosto+3
01 agosto+1
Publicaciones del Canal
অর্থ পাচার ও ব্যাংকের অর্থ লুটপাটের অভিযোগ থাকা এস আলম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে সব ধরনের পণ্য শতভাগ
অর্থ পাচার ও ব্যাংকের অর্থ লুটপাটের অভিযোগ থাকা এস আলম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে সব ধরনের পণ্য শতভাগ বাকিতে আমদানির সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

2
সিন্ডিকেট করে গ্যাস সঙ্কট চূড়ান্ত দিকে নেয়া হচ্ছে। এলপি গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী তেলের দাম অস্বাভাবিক মাত্রায় বাড়ানোর জন্য ভ
সিন্ডিকেট করে গ্যাস সঙ্কট চূড়ান্ত দিকে নেয়া হচ্ছে। এলপি গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী তেলের দাম অস্বাভাবিক মাত্রায় বাড়ানোর জন্য ভাইয়া একই পদ্ধতি গ্রহণ করেছিলেন। তেলের জন্য রাস্তায় দিন-রাত লাইন দিয়ে থেকেছে দেশের মানুষ। মানুষকে ভোগান্তির চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে গ্যাসের দাম অস্বাভাবিক মাত্রায় বাড়িয়ে দিলেই দেখবেন সব সঙ্কট শেষ। এটাই সাইন্স। এটাই ভাইয়ার সেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’!
1 371
3
Sin texto...
1 162
4
যোগ করতে পারেন, যা এর সঙ্কোচনীয় (Astringent) গুণের জন্য পরিচিত। ৩. স্টিভিয়া যোগ করা: মিশ্রণটিতে লিকুইড স্টিভিয়া মিশিয়ে নিন। এটি ভেষজ গুণাগুণ নষ্ট না করেই মিশ্রণে কিছুটা মিষ্টি ভাব আনবে। সব উপাদান যেন ভালোভাবে মিশে যায় সেজন্য পুনরায় নেড়ে নিন। ৪. সংরক্ষণের পাত্রে স্থানান্তর: প্রস্তুতকৃত মাউথওয়াশটি সাবধানে মেসন জার বা অন্য কোনো উপযুক্ত পাত্রে ঢালুন এবং শক্তভাবে ঢাকনা বন্ধ করে দিন। এর কার্যকারিতা অক্ষুণ্ণ রাখতে মাউথওয়াশটি সরাসরি আলো পড়ে না এমন শীতল ও অন্ধকার জায়গায় সংরক্ষণ করুন। . ব্যবহারের নিয়ম: প্রতিদিন দুইবার এই ভেষজ মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন। প্রতিবার ব্যবহারের আগে পাত্রটি ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন। রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে এবং মাড়ির স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য নিয়মিত নরম টুথব্রাশ বা আঙুল দিয়ে মাড়ি মালিশ করুন।
1 061
5
নিজের হাতে বানান প্রাকৃতিক টুথপেস্ট আর মাউথওয়াশ! প্রাকৃতিক ভেষজ টুথপেস্ট প্রচলিত টুথপেস্টে ব্যবহৃত ফ্লোরাইড, গ্লিসারল, কৃত্রিম মিষ্টিকারক, ট্রাইগ্লিসারাইড এবং সালফেট—এসব উপাদানের প্রকৃত উপকারিতা বা সম্ভাব্য ক্ষতি নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী বিতর্ক রয়েছে। নিজের টুথপেস্ট নিজে তৈরি করলে বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদানের ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত গুণাগুণগুলো কাজে লাগানো সম্ভব। বেকিং সোডা দাঁতের প্লাক বা ময়লা দূর করার ক্ষমতার জন্য পরিচিত, আর কোকো পাউডারে থাকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আদা প্রদাহবিরোধী (anti-inflammatory) প্রভাব ফেলে এবং দারুচিনি এর জীবাণুনাশক গুণের জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত। ক্যালেন্ডুলা প্রদাহ কমানোর গুণের জন্য পরিচিত এবং নারকেল তেল টুথপেস্টের মসৃণ বিন্যাস নিশ্চিত করার পাশাপাশি জীবাণুনাশক হিসেবেও কাজ করে। ইয়ারো (Yarrow) এসেনশিয়াল অয়েল ব্যাকটেরিয়ারোধী ও প্রদাহবিরোধী প্রভাবের মাধ্যমে মুখের সার্বিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। . উপাদানসমূহ: ১. ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ২. ১ টেবিল চামচ কোকো পাউডার ৩. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়ো ৪. ১/২ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো ৫. ১/২ চা চামচ ক্যালেন্ডুলা পাউডার ৬. ২ টেবিল চামচ (২৭ গ্রাম) নারকেল তেল ৭. কয়েক ফোঁটা ইয়ারো এসেনশিয়াল অয়েল ৮. ২ টেবিল চামচ পানি . নির্দেশনা: ১. শুকনো উপাদান মেশান: একটি পাত্রে বেকিং সোডা, কোকো পাউডার, আদা গুঁড়ো, দারুচিনি গুঁড়ো এবং ক্যালেন্ডুলা পাউডার একত্রে মিশিয়ে নিন। ২. তরল উপাদান যোগ করুন: নারকেল তেল গলিয়ে নিয়ে শুকনো মিশ্রণে ঢেলে দিন এবং ভালোমতো মেশান। ৩. ইয়ারো তেল যুক্ত করুন: মিশ্রণে কয়েক ফোঁটা ইয়ারো এসেনশিয়াল অয়েল দিন এবং ভালো করে নাড়ুন। ৪. ঘনত্ব সমন্বয় করুন: মিশ্রণটি বেশি ঘন মনে হলে কাঙ্ক্ষিত ঘনত্ব না আসা পর্যন্ত ধীরে ধীরে পানি যোগ করুন। দ্রুত কাঙ্ক্ষিত ঘনত্ব পেতে ব্লেন্ডার বা মিক্সারও ব্যবহার করতে পারেন। ৫. সংরক্ষণ: টুথপেস্টটি একটি ছোট এবং বায়ুরোধী (airtight) পাত্রে ভরে সংরক্ষণ করুন। এটি ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায় রাখুন। সতেজতা বজায় রাখতে এক মাসের মধ্যে ব্যবহার করুন। বাড়িতে তৈরি এই টুথপেস্টের স্বাদ কিছুটা লবণাক্ত এবং এটি প্রচলিত টুথপেস্টের মতো ফেনা তৈরি করে না। এর অনন্য স্বাদ ও গঠনের সাথে অভ্যস্ত হতে কয়েকবার ব্রাশ করার প্রয়োজন হতে পারে। তবে ভিন্নধর্মী হওয়া সত্ত্বেও ব্যবহারের পর মুখ পরিষ্কার ও সতেজ অনুভূত হবে। . বিশেষ দ্রষ্টব্য: ক. আপনার বাড়িতে তৈরি টুথপেস্টে জাইলিটল (Xylitol), বেন্টোনাইট ক্লে (bentonite clay) এবং নিম (neem)-এর মতো আরও কিছু উপাদান যুক্ত করা যেতে পারে। খ. টুথপেস্টটি গিলে ফেলা থেকে বিরত থাকুন। গ. যদি কোনো প্রকার জ্বালা বা অস্বস্তি দেখা দেয়, তবে ব্যবহার বন্ধ করুন। . ব্যবহারের মাত্রা: প্রতিবার ব্রাশ করার সময় টুথব্রাশে মটরদানার সমান পরিমাণ ভেষজ টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। .. মাড়ি মজবুত করার ভেষজ মাউথওয়াশ সামগ্রিক মুখের স্বাস্থ্যের জন্য মাড়ি শক্তিশালী ও সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি। এই ভেষজ মাউথওয়াশটি কেবল দাঁতই পরিষ্কার করে না, বরং এতে এমন কিছু খনিজ উপাদান এবং ভেষজ এসেনশিয়াল অয়েল রয়েছে যা ঐতিহাসিকভাবে মুখের অণুজীবের (microbiome) ভারসাম্য রক্ষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মুখের অণুজীবের ভারসাম্য নষ্ট হলে মাড়ি সরে যাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনার দৈনন্দিন রুটিনে এই ভেষজ মাউথওয়াশটি যুক্ত করে আপনি কার্যকরভাবে মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষা এবং মুখের অণুজীবের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারেন। . উপকরণ: ১. ২ কাপ ফিল্টার করা পানি ২. ১ চা চামচ খনিজ সমুদ্রের লবণ (Mineral sea salt) ৩. ১০ ফোঁটা অর্গানিক পেপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল ৪. ৬ ফোঁটা অর্গানিক টি-ট্রি এসেনশিয়াল অয়েল ৫. ৩ ফোঁটা অর্গানিক লবঙ্গ এসেনশিয়াল অয়েল ৬. ৬ ফোঁটা লিকুইড স্টিভিয়া (Liquid stevia) ৭. সংরক্ষণের জন্য দেড় থেকে দুই পিন্ট বা এক কোয়ার্ট সাইজের মেসন জার বা অন্য কোনো উপযুক্ত পাত্র . বিশেষ সতর্কবার্তা: এই মাউথওয়াশটি শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য; এটি কোনোভাবেই গিলে ফেলবেন না। ব্যবহারের ফলে যদি কোনো ধরনের জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি অনুভব হয়, তবে ব্যবহার বন্ধ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এই ভেষজ মাউথওয়াশটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নিরাপদ হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের আগে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। . প্রস্তুত প্রণালি: ১. ভেষজ দ্রবণ তৈরি: ২ কাপ ফিল্টার করা পানি হালকা গরম করে নিন। এই গরম পানিতে খনিজ সমুদ্রের লবণ দিন এবং পুরোপুরি না মিশে যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। ২. এসেনশিয়াল অয়েল মেশানো: লবণের মিশ্রণে অর্গানিক পেপারমিন্ট, টি-ট্রি এবং লবঙ্গের এসেনশিয়াল অয়েলগুলো যোগ করুন। অয়েলগুলো যেন পানির সাথে সমানভাবে মিশে যায় সেজন্য ভালোভাবে নাড়ুন। ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী এসেনশিয়াল অয়েলের পরিমাণ কিছুটা কম-বেশি করা যেতে পারে। মাড়িকে আরও মজবুত করতে এই মিশ্রণে এক চিমটি গুগুল বা মীরের (Myrrh - Commiphora myrrha) গুঁড়ো
836
6
Sin texto...
388
7
আমার স্ত্রী মারিয়ামের একটা অদ্ভুত অভ্যাস আছে। রাতে ঘুমানোর আগে পুরো বাসার সব দরজা-জানালা অন্তত তিনবার পরীক্ষা করে। আমি মাঝেমধ্যে বিরক্ত হয়ে বলি, —“চোর যদি আসতেই চায়, তোমার তিনবার চেক করা দেখে ফিরে যাবে নাকি?” সে হেসে উত্তর দেয়, —“চোরের জন্য না।” —“তাহলে?” সে কখনো উত্তর দেয় না। শুধু প্রধান দরজার লকটা আরেকবার টেনে দেখে। ⸻ বিয়ের চার বছর হয়ে গেছে। এর মধ্যে কোনো দিন তাকে দরজা খোলা রেখে ঘুমাতে দেখিনি। একদিন মজা করে জিজ্ঞেস করলাম, —“এত ভয় পাও কেন?” সে কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, —“ছোটবেলায় একবার মাঝরাতে ঘুম ভেঙে দেখি, আমাদের বাসার প্রধান দরজা পুরো খোলা।” —“তারপর?” —“সকালে সবাই বলল, হয়তো ঠিকমতো বন্ধ করা হয়নি। কিন্তু আমি নিশ্চিত… রাতে দরজা বন্ধই ছিল।” আমি হেসে বললাম, —“তুমি স্বপ্ন দেখেছিলে। মাঝেমধ্যে এমন মনে হয়। একেবারে রিয়েল যেন।” সে ইতস্ততভাবে মাথা নেড়ে বলল, —“হতে পারে।” কিন্তু তার চোখের দিকে তাকিয়ে মনে হলো, সে নিজেও কথাটা বিশ্বাস করতে পারছে না। ⸻ সেদিন অফিস থেকে ফিরতে একটু দেরি হয়ে গেল। রাত প্রায় সাড়ে এগারোটা। কলিংবেল বাজাতেই মারিয়াম দরজা খুলল। কিন্তু আজ তার মুখে সেই পরিচিত হাসিটা নেই। আমি জুতা খুলতে খুলতেই বললাম, —“কী হয়েছে?” সে আস্তে করে বলল, —“আজ দুপুরে কেউ দরজায় নক করেছিল।” —“খুলেছিলে?” —“না।” —“তাহলে?” সে আমার দিকে তাকাল। —“বাইরে থেকে তোমার গলায় ডাকছিল।” আমার বুকের ভেতরটা হালকা কেঁপে উঠল। —“আমার গলায়?” —“হ্যাঁ। একদম তোমার মতো। বলছিল, ‘মারিয়াম, দরজা খোলো।’” আমি হেসে উড়িয়ে দিতে চাইলাম। —“কারও প্র্যাঙ্ক হবে।” সে মাথা নেড়ে বলল, —“তুমি তো তখন অফিসে ছিলে।” আমি আর কিছু বললাম না। ⸻ পরদিন রাত। ঘড়িতে প্রায় দুইটা। হঠাৎ কলিংবেলের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল। টিং… টং… টিং… টং… আমি বিরক্ত হয়ে উঠে বসলাম। —“এত রাতে আবার কে?” মারিয়াম আমার হাত শক্ত করে চেপে ধরল। ফিসফিস করে বলল, —“যেও না।” —“দেখে তো আসি।” —“না।” তার কণ্ঠে এমন ভয় ছিল, যে আমি থেমে গেলাম। ঠিক তখনই বাইরে থেকে আমার নিজের গলা ভেসে এল। —“মারিয়াম… দরজা খোলো।” আমার শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল। কারণ… আমি তো তখন তার পাশেই বসে আছি। আমরা দুজনেই নিঃশ্বাস বন্ধ করে শুনতে লাগলাম। বাইরে আবার সেই গলা। —“আমি এসেছি।” আমি সাহস করে দরজার কাছে গিয়ে আইহোলে চোখ রাখলাম। কেউ নেই। একেবারেই কেউ নেই। কিন্তু গলাটা এবার আরও কাছে শোনা গেল। ঠিক দরজার ওপাশ থেকে। —“খুলে দাও…” আমি তাড়াতাড়ি সরে এলাম। সারা রাত আর ঘুম হলো না। ⸻ এরপর থেকে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই একই ঘটনা ঘটতে লাগল। রাত দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে। প্রথমে কলিংবেল। তারপর আমার নিজের গলা। মাঝে মাঝে মারিয়ামের গলাও। এক রাতে তো শুনলাম, সে নিজেই বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁদছে। —“দরজাটা খোলো… আমি বাইরে আটকে গেছি…” আমি পাশে তাকিয়ে দেখি, আসল মারিয়াম আমার কাঁধে মুখ গুঁজে কাঁপছে। ⸻ অবশেষে সিদ্ধান্ত নিলাম, একটা ক্যামেরা লাগাব। পরদিন অফিস থেকে ফিরে দরজার সামনে মোশন ক্যামেরা বসিয়ে দিলাম। সেই রাতেও ঠিক দুইটা বেজে সাত মিনিটে কলিংবেল বাজল। কিন্তু আমরা কেউ দরজা খুললাম না। সকালে উঠে ক্যামেরার ফুটেজ চালালাম। ভিডিওর শুরুতে কিছুই নেই। হঠাৎ কলিংবেল নিজে থেকেই বেজে উঠল। তারপর… ধীরে ধীরে ফ্রেমের একেবারে বাঁ দিক থেকে একজন মানুষ হেঁটে এল। আমার মতো উচ্চতা। আমার মতো হাঁটা। আমার মতো মুখ। সে দরজার সামনে এসে দাঁড়াল। ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে হাসল। তারপর… সে কলিংবেল চাপল না। বরং খুব আস্তে করে ক্যামেরার দিকে মুখ এনে বলল, —“ভেতরে যে আছে… সে কে?” ভিডিওটা সেখানেই শেষ। ⸻ আমি আর মারিয়াম সেদিনই বাসা ছেড়ে অন্য জায়গায় উঠে গেলাম। পুরোনো ফ্ল্যাটে আর কোনো দিন ফিরিনি। প্রায় ছয় মাস পরে নতুন বাসায় এক রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল। কারণ… কলিংবেল বাজছে। টিং… টং… আমি ধীরে ধীরে দরজার কাছে গিয়ে আইহোলে চোখ রাখলাম। বাইরে কেউ নেই। ঠিক তখনই… আমার পকেটের ফোনটা কেঁপে উঠল। নোটিফিকেশন। পুরোনো বাসার সেই ক্যামেরা—যেটা আমি খুলেই এনেছিলাম বলে নিশ্চিত ছিলাম—সেখান থেকে লাইভ অ্যালার্ট এসেছে। কাঁপতে কাঁপতে ভিডিও খুললাম। অন্ধকার ফ্ল্যাট। নিঃশব্দ ড্রয়িংরুম। তারপর…হটাৎ ক্যামেরার সামনে কেউ এসে দাঁড়াল। সে আমি। একদৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে রইল। ধীরে ধীরে ঠোঁট নড়ল। “এত দিন কোথায় ছিলে?” তারপর স্ক্রিনটা নিজে থেকেই কালো হয়ে গেল। আর ঠিক সেই মুহূর্তে… আমাদের নতুন বাসার প্রধান দরজায় খুব আস্তে করে তিনবার নক পড়ল। ঠক… ঠক… ঠক… “দরজার ওপাশ” লেখা: নাবিলা নোশিন সেজুতি
661
8
কোনো কোনো ধর্মীয় সংঘে এই হার ছিল চল্লিশ শতাংশেরও বেশি। ১৯৮০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চার হাজার চারশো চুয়াল্লিশ জন অভিযোগ করেছিলেন, এক হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠানে। অস্ট্রেলিয়ার একই কমিশনের হিসাব বলছে, একেকটা নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে গড়ে সময় লেগেছে তেত্রিশ বছর। মানে যে শিশুটা দশ বছর বয়সে নির্যাতিত হয়েছিল, তার কথা প্রথম শোনা গেছে সে চুয়াল্লিশ পেরোনোর পর। আর আয়ারল্যান্ড? ২০০৯ সালের রায়ান রিপোর্ট বলছে, ১৯৩০ থেকে ১৯৯০-এর দশক পর্যন্ত চার্চ পরিচালিত "ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কুল" আর এতিমখানায় অন্তত ত্রিশ হাজার শিশু পাঠানো হয়েছিল—এতিম, দরিদ্র পরিবারের সন্তান, বা "অবিবাহিত মায়েদের" সন্তান হিসেবে চিহ্নিত শিশুরা। বিচারক শন রায়ান তার রিপোর্টে লেখেন, ছেলেদের প্রতিষ্ঠানগুলোতে যৌন নির্যাতন ছিল "সর্বব্যাপী"। ➖ সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটা হয়তো থিওডোর ম্যাককারিকের। আমেরিকার সবচেয়ে ক্ষমতাশালী কার্ডিনালদের একজন ছিলেন তিনি। ওয়াশিংটনের আর্চবিশপ। ২০১৮ সালে অভিযোগ ওঠে, তিনি সেমিনারিয়ান আর শিশুদের যৌন নির্যাতন করেছেন দশকের পর দশক ধরে। ২০১৯ সালে তাকে যাজকের দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়, যা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো কার্ডিনালের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ২০২০ সালে ভ্যাটিকান নিজেই একটা ৪৬১ পাতার রিপোর্ট প্রকাশ করে, যেটাতে স্বীকার করা হয়, অন্তত তিনজন বিশপ জানতেন ম্যাককারিকের অতীত, কিন্তু তাঁরা কিছু করেননি। পোপ দ্বিতীয় জন পল, যাকে পরে সাধু ঘোষণা করা হয়, তিনিও ১৯৯৯ সালে একটা চিঠি পেয়েছিলেন সতর্কবার্তা হিসেবে। তবু ২০০০ সালে ম্যাককারিককে ওয়াশিংটনের আর্চবিশপ বানান। মানে এই ঘটনা শুধু "কিছু খারাপ যাজক"-এর গল্প না। এটা এমন একটা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর গল্প, যেখানে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মানুষও জানতেন, তবু চুপ ছিলেন। ➖ এই পুরো প্যাটার্নটা একটু আলাদা করে দেখা দরকার, কেন এটা এত বছর ধরে চলল? প্রথমত, প্রাতিষ্ঠানিক গোপনীয়তার নিয়ম—Crimen Sollicitationis-এর মতো নথি, যা তদন্তকে রাখত গির্জার নিজস্ব বন্ধ দরজার ভেতরে, পুলিশের নাগালের বাইরে। কারণ, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, কোনো শব্দ করা যাবে না, একদম চুপ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, "বদলি" নীতি। অভিযুক্ত যাজককে সরিয়ে দেওয়া হতো আরেক প্যারিশে। শাস্তি হিসেবে না, বরং সমস্যাটাকে চোখের আড়াল করার উপায় হিসেবে। নতুন প্যারিশের মানুষ জানতই না, কার হাতে তাদের সন্তানকে তুলে দিচ্ছে। তৃতীয়ত, "ক্লেরিকালিজম"। যাজকদের প্রতি এমন একটা শ্রদ্ধা-বিশ্বাসের সংস্কৃতি, যেখানে একজন সাধারণ মানুষের কথার চেয়ে যাজকের কথাই বিশ্বাসযোগ্য বলে ধরে নেওয়া হতো। শিশুরা যখন অভিযোগ করত, তাদের কথা বিশ্বাসই করা হতো না। চতুর্থত, প্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষার তাগিদ। মামলা, কেলেঙ্কারি, সংবাদ শিরোনাম, এগুলো এড়ানোর চেষ্টাই সবসময় প্রাধান্য পেয়েছে যৌন নির্যাতনের শিকারদের সুরক্ষার তুলনায়। ➖ আজ, প্রায় দুই দশকের প্রকাশ্য কেলেঙ্কারির পর, চার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে বহুবার। পোপ ফ্রান্সিস "গোপনীয়তার শপথ" তুলে দিয়েছেন। রিপোর্টিং বাধ্যতামূলক করার নতুন নিয়ম এসেছে। কিন্তু যে প্রশ্নটা থেকে যায়, এই স্বীকারোক্তি এলো কীভাবে? স্বেচ্ছায় না। প্রতিটা দেশে, প্রতিটা রিপোর্টের পেছনে ছিল বছরের পর বছর ধরে সাংবাদিক, আইনজীবী, আর সবচেয়ে বেশি—নিজেরাই শিকার হওয়া মানুষদের লড়াই। প্রতিষ্ঠানটা নিজে থেকে দরজা খোলেনি। দরজাটা ভাঙতে হয়েছে বাইরে থেকে। গোপনীয়তার শপথ, বদলির নিয়ম, অন্ধ বিশ্বাসের সংস্কৃতি, প্রতিটাই আলাদাভাবে দেখলে হয়তো নিরীহ। কিন্তু একসাথে দেখলে, সেটাই হয়ে ওঠে এমন একটা যন্ত্র, যা দশকের পর দশক ধরে হাজার হাজার শিশুর কণ্ঠস্বর আটকে রেখেছিল। #চার্চের_কেলেঙ্কারি #শিশু_নির্যাতন #ভ্যাটিকান #জবাবদিহিতা #সেক্সুয়াল_এবিউজ
614
9
১৯৬২ সাল। ভ্যাটিকান থেকে একটা গোপন নথি পাঠানো হলো পৃথিবীর সব বিশপের কাছে। নাম—ক্রাইমেন সলিসিটেশনিস। নথিটা বলছিল, কোনো যাজকের বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ উঠলে সেই তদন্তের পুরো প্রক্রিয়াটা রাখতে হবে সর্বোচ্চ গোপনীয়তায়। অভিযোগকারী, সাক্ষী, তদন্তকারী, কেউ কোনো কথা বলতে পারবে না। তাই এই শপথ। চুপ থাকার শপথ। শপথ ভাঙলে শাস্তি ছিল চার্চ থেকে বহিষ্কার। চার দশক পর, ২০০১ সালে, এই একই নিয়ম আরও কড়াভাবে পুনর্বহাল করেন কার্ডিনাল জোসেফ রাৎসিঙ্গার। যিনি পরে হয়েছিলেন পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট। চার্চের আইনজ্ঞদের একাংশের দাবী, এই গোপনীয়তার পেছনে যুক্তি হল—সাক্ষীদের নিরাপদে কথা বলার সুযোগ, আর প্রমাণ হওয়ার আগে অভিযুক্তের সম্মান রক্ষা। কিন্তু বাস্তবে? এটা সেক্সুয়াল এবিউজের শিকার শিশুদের চুপ করিয়ে রাখতে, পুলিশকে দূরে রাখতে, অপরাধীকে বদলি করে আরেকটা প্যারিশে পাঠিয়ে দিতেই সাহায্য করত। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে, প্রায় ষাট বছর পর, পোপ ফ্রান্সিস এই নিয়ম বাতিল করেন যৌন নির্যাতনের মামলার ক্ষেত্রে। তাও সেটা বাধ্য হয়ে। কারণ, পৃথিবীর দেশে দেশে একে একে প্রকাশ পাচ্ছিল—এই গোপনীয়তার আড়ালে কী পরিমাণ নির্যাতনের ঘটনা একের পর একেই ঘটেই যাচ্ছে। ➖ যুক্তরাষ্ট্রে ২০০২ সালে এর শুরু। বোস্টন গ্লোবের একটা সাংবাদিক দল একটা প্যারিশের এক যাজকের বিরুদ্ধে অভিযোগ খুঁড়তে গিয়ে দেখল যেম খুবই ভয়ানক ঘটনা। ছিল একটা প্যাটার্ন। অভিযোগ উঠতো। যাজককে চুপচাপ আরেক প্যারিশে বদলি করা হতো। সেখানে গিয়েও সে আবার একই কাজ করত। কেসটার নাম জন গিহান। বোস্টনের এই যাজক, তিরিশ বছরের ক্যারিয়ারে অন্তত ছয়টা প্যারিশে কাজ করেছেন। ১৯৮২ সালেই এক পরিবার বিশপের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিল তার বিরুদ্ধে। ১৯৮৪ সালে কার্ডিনাল বার্নার্ড ল—যিনি সেই বছরই বোস্টনের নতুন আর্চবিশপ হয়েছেন—গিহানকে সরিয়ে নিলেন একটা প্যারিশ থেকে, অভিযোগ পাওয়ার পরই। কিন্তু বরখাস্ত করলেন না। দুই মাসের মধ্যে তাকে বসিয়ে দিলেন আরেকটা প্যারিশে, ওয়েস্টনের সেন্ট জুলিয়াস-এ, যেখানে তার হাতে তুলে দেওয়া হলো তিনটা যুব-সংগঠনের দায়িত্ব, তার মধ্যে অল্টার বয়দের দলও। তিন সপ্তাহ পরই আরেক বিশপ লিখিতভাবে ল-কে সতর্ক করেছিলেন, এই বদলি নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়ে। গিহানকে অবশেষে বহিষ্কার করা হয় ১৯৯৮ সালে, প্রথম লিখিত অভিযোগের ষোলো বছর পর। ততদিনে অন্তত ১৩০ জন মানুষ সামনে এসে বলেছেন, শিশু থাকাকালীন তারা তার হাতে নির্যাতিত হয়েছেন। এই যাজকের হাতে যৌন শিকারদের একজনের বয়স ছিল মাত্র চার বছর। ভাবতে পারছেন, ৪ বছরের শিশু থেকে শুরু করে এই বয়সী শিশুদের অন্তত ১৩০ জন তার হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার! ➖ ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিশপদের নিজেদের অনুরোধে জন জে কলেজের গবেষকরা একটা রিপোর্ট প্রকাশ করেন। সংখ্যাগুলো ছিল এরকম, ১৯৫০ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত অন্তত ১০ হাজার ৬৬৭ জন শিকারের অভিযোগ, ৪ হাজার ৩৯২ জন যাজকের বিরুদ্ধে। অর্থাৎ তৎকালীন মোট যাজকের প্রায় চার শতাংশ। আর যারা এই এবিউজের শিকার, তাদের চল্লিশ শতাংশের বেশি ছিল এগারো থেকে চৌদ্দ বছর বয়সী। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া রাজ্য থেকে আরও ভয়ংকর তথ্য বের হয়। ছয়টা চার্চ-অঞ্চলে (ডায়োসিসে) নয় বছর ধরে তদন্ত চালায় একটা সরকারি তদন্তকারী দল (গ্র্যান্ড জুরি)। তারা পুরনো ফাইল আর গোপন নথি ঘেঁটে দেখে। তদন্তে বেরিয়ে আসে, গত সত্তর বছরে অন্তত ৩০১ জন যাজক পরিকল্পিতভাবে শিশুদের যৌন নির্যাতন করেছেন। এই যাজকদের হাতে নথিভুক্ত শিকারের সংখ্যা অন্তত এক হাজার। তদন্তকারীরা বলেছিলেন, আসল সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে। কারণ অনেক ঘটনার কোনো নথিই রাখা হয়নি। রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, প্যাটার্নটা ছিল সবসময় একইরকম—"নির্যাতন, অস্বীকার, আর ধামাচাপা।" গ্র্যান্ড জুরির ভাষায়, চার্চের নেতারা বারবার নির্যাতনকে বর্ণনা করতেন "দুষ্টুমি" বা "অনুপযুক্ত আচরণ" বলে। বাস্তবে সেটা ছিল ধর্ষণের মতো ভয়াবহ অপরাধ। ➖ যুক্তরাষ্ট্র একা না। ২০২১ সালে ফ্রান্সে প্রকাশ পায় সোভে কমিশনের রিপোর্ট। আড়াই বছরের স্বাধীন তদন্তের ফল। সংখ্যাটা এত বড় যে বিশ্বাস করা কঠিন। ১৯৫০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ফরাসি ক্যাথলিক চার্চে অন্তত দুই লাখ ষোলো হাজার শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে যাজকদের হাতে। গির্জার সাথে যুক্ত অন্য কর্মী মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়ায় তিন লাখ তিরিশ হাজারে। কমিশনের প্রধান বলেছিলেন, ২০০০ সাল পর্যন্ত চার্চের মনোভাব ছিল নির্যাতনের শিকারদের প্রতি " নিষ্ঠুর উদাসীনতা"। তাদেরকে বিশ্বাস করা হতো না, উল্টো তাদেরই দোষী ভাবা হতো। ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার রয়্যাল কমিশন জানায়, ১৯৫০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত দেশটার সাত শতাংশ ক্যাথলিক যাজকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল।
408
10
Sin texto...
364
11
ভারতের কাশ্মীরে , হিন্দু গ্রামবাসীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। ঠিক ইসরাইলের নেতানিয়াহুর মতো। ইসরাইলের মন্ত্রী বেনগাভির কুকুরের মতো..... ইসরায়েল যেমন ফিলিস্তিনের মুসলিমদের বিরুদ্ধে হামলা করার জন্য , তাদের অনুপ্রবেশকারী অবৈধ সেটেলারদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে। ঠিক তেমনিভাবে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপির হিন্দু সন্ত্রাসীরাও কাশ্মিরের মজলুম মুসলিমদের বিরুদ্ধে গনহত্যা চালানোর জন্য , কাশ্মিরে অনুপ্রবেশকারী সন্ত্রাসী হিন্দুদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে । এরা যে কতটা টক্সিক তাতো দেখছেন ই । ভারত আর ইসরাইলের পরিকল্পনার মধ্যে অনেক মিল আছে এটা নোট করবেন কিন্তু । ইসরাইল যেমন ফিলিস্তিন দখল করতে চাই । তেমনি ভারত ও "অখন্ড ভারত" গড়তে চাই । এ জন্য ইসরাইল ও আমেরিকার বুদ্ধিতে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, কাশ্মির দখল করতে চাই ‌। আধিপত্যবাদ নীতি প্রাধান্য দিচ্ছে ভারত...... বাংলাদেশের যেইসব বাঙ্গ সেকুলাঙ্গার-শাহবাগীরা পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের স্বাধীনতা নিয়ে হাইপ তুলেছে তাদের বলেন তো কাশ্মীরের স্বাধীনতা নিয়ে তারা কি ভাবে........??? দেখবেন মুহুর্তেই মুখ অন্ধকার হয়ে গেছে ।ফিলিস্তিনের জনগণ যেমন ১৯৪৮ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত নিজের ভূমিতে অবৈধ ইসরাইলের জুলুমের শিকার । ঠিক তেমনিভাবে আমাদের কাশ্মীরের ভাই-বোনেরা ও ১৯৪৭ সাল থেকে ভারতের প্রচন্ড জুলুম ও নির্যাতনের শিকার । মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরে গনতন্ত্র নেই কেন......??? কারন ভারত ভয় পাই । যদি কাশ্মির গনভোটের কথা বলে.? যদি স্বাধীন হতে চাই....? যদি ভারত থেকে আলাদা হতে চাই....? এজন্য ই ভারত সরকার প্রতিদিন , প্রতিমুহূর্তে কাশ্মিরের মুসলিমদের ওপর দমনপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে । এখন‌ , ভারত যদি পাকিস্তানের বেলুচিস্তান কে স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেয় । তবে পাকিস্তানও , ভারতের কাশ্মীর, মনিপুর, অরুনাচল, খালিস্তান, মিজোরামের স্বাধীনতায় স্বীকৃতি দিয়ে দিবে। তখন কেমন হবে বাঙ্গুরা........??? মাথার মধ্যে ঘিলু থাকলে লাফালাফি বন্ধ করে দেশের কথা ভাবতো বাঙ্গুরা....... ©
478
12
Sin texto...
355
13
শেখ হাসিনার একটা অন্যরকম ব্যাপার দেখবেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছে অথবা জিয়া হ*|ত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত অথবা ওই সময়ে জিয়া বিরোধী হিসেবে মামলার শিকার এমন সবাইকে হাসিনা বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। এমনকি এই মর্যাদা দানের ক্ষেত্রে কয়েক পক্ষের লোককেও একসঙ্গে করেছে। কর্নেল তাহেরের লোকেরা জিয়ার উপরে কেন ক্ষেপা, আপনারা জানেন। তাহেরের ভাই ওয়ারেসাত বেলালকে এমপি বানিয়েছে। আরেক ভাই ডক্টর আনোয়ারকে জাহাঙ্গীরনগরের ভিসি বানিয়েছে। আবার ৭৫- এর নভেম্বরের অপরপক্ষ খালেদ মোশাররফের ভাই রাশেদ মোশাররফ (মৃত)- কে 96 to 2001 আমলে প্রতিমন্ত্রী বানিয়েছিল। খালেদ মোশাররফের মেয়ে মাহজাবিন খালেদকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি বানিয়েছে। ইনুদেরকে মন্ত্রী বানানোর কথা আপনি জানেন। ৯৬ টু ২০০১ সময়ে 'ঐক্যমত্যের' সরকারে অসম আব্দুর রবকেও মন্ত্রী বানিয়েছিল হাসিনা। ৮১-তে জিয়া হত্যার সাথে জড়িত/অভিযুক্ত ব্যক্তি ও পরিবারকে স্পেশাল সম্মান দিয়েছে। গফরগাঁও-এর ক্যাপ্টেন গিয়াসকে এমপি বানানো হয়েছিল। সে জিয়া হ'ত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ছিল। ৭ নভেম্বরে নিহত কর্নেল হুদার পরিবারকে সামনে আনা হয়েছে। জিয়া হ|ত্যার প্রধান দায় যার দিকে যায়- চট্টগ্রামের তৎকালীন জিওসি জেনারেল মঞ্জুরের পরিবারের কাউকে সম্ভবত এমপি বানানো হয়েছিল। জিয়া হ|ত্যা মামলায় আসামি হয়েছিলেন সন্দেহভাজন হিসেবে, এ কারণে হাসিনার আস্থা পেয়েছিলেন জেনারেল মইনুল ইসলাম। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর কর্নেল অবস্থায় তাকে ব্রিগেডিয়ার বানিয়ে ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে বিডিআরের উপরে বসানো হয়েছিল। পরে সেনাবাহিনীতে এসে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল পর্যন্ত হয়েছেন। জেনারেল মইনুল ইসলামের আপন ছোট ভাই হওয়ার কারণে মেয়র আতিকুল ইসলাম হাসিনার আস্থার দৃষ্টি অর্জন করেছেন। এরকম আপনি অনেক পাবেন। আজকে গ্রেফতারকৃত মেজর মোজাফফরে্র খবর চোখে পড়লো। ৪৫ বছর পর গ্রেফতার হয়েছে। এর আগে নাকি আত্মগোপনে ছিলেন। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, হাসিনা কি তাকে চিনতেন না? তাহলে তো ভালো একটা পোস্টিং দিয়ে দেশের বাইরের কোনো দূতাবাসে বসিয়ে দিতে পারতেন! একটু ঝুঁকি থাকে পলাতক এ জাতীয় লোককে পদায়নে। কিন্তু হাসিনা সেগুলোকে পাত্তা দেওয়ার লোক ছিলেন না। বেচারা মোজাফফরের কিসমত! শেখ হাসিনা আসলে রাজনীতির খেলোয়াড় হিসেবে অন্য মাপের ছিলেন। ধরে ফেলা- মে|রে ফেলা এগুলো তো ছিলই। এর বিপরীতে বা পাশাপাশি অনেককে অনেক রকম পুরস্কৃত করা, উৎকোচ দেওয়ার ব্যাপারগুলোও ছিল। তিনি বন্ধুকে তো বন্ধু বানাতেনই, শত্রুর শত্রুকেও বন্ধু বানানোর মাস্টার ছিলেন। ৭৫-এর নভেম্বর থেকে ৮১ পর্যন্ত সময়ের ঘটনা এবং পরবর্তীতে হাসিনা কর্তৃক পদায়ন ও পুরস্কৃতকরণের দৃশ্যগুলো দেখলে এটা ধরতে পারবেন। হাসিনার এই আচরণ ও পলিসিকে আপনি কী বলবেন? দয়া, সহানুভূতি, নাকি চাতুর্য এবং স্বার্থের ব্যবহার? ♦
592
14
Sin texto...
424
15
Sin texto...
624
16
Sin texto...
1 047
17
ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনের ভেতরে দোকান করার জন্য জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে আনিসুর রহমান ওরফে টিপু নামের এক ঠিকাদারকে। কোনো ধরনে
ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনের ভেতরে দোকান করার জন্য জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে আনিসুর রহমান ওরফে টিপু নামের এক ঠিকাদারকে। কোনো ধরনের দরপত্র ছাড়া তিনি রেলস্টেশনের জায়গা পেয়েছেন, যেখানে কখনোই কাউকে দোকান করতে দেওয়া হয়নি। দোকানের জায়গাটি স্টেশনের নকশাবহির্ভূত। শুধু কমলাপুরে দোকান নয়, রেলের একের পর এক ঠিকাদারি কাজ পাচ্ছেন আনিসুর রহমান। রেলওয়ের ঠিকাদারি কাজের নিয়ন্ত্রক হিসেবে তাঁর পরিচিতি তৈরি হয়েছে। নিয়েছেন শৌচাগার বা টয়লেট ইজারা। অন্যদিকে বিমানবন্দর রেলস্টেশনের পার্কিং এলাকা ইজারা পেতে যাচ্ছে তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা প্রতিষ্ঠান। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রেলের কমলাপুর অঞ্চলের ঠিকাদারি, জমি ও পার্কিং ইজারা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। আওয়ামী লীগ সরকার অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো চালানোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করলে ২০১৯ সালে গ্রেপ্তার হন খালেদ। রেলওয়ে সূত্র বলছে, আনিসুর রহমান ছিলেন খালেদের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আনিসুর বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ান। বিশেষ করে বিএনপির সংসদ সদস্য (ফেনী-১) ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ
747
18
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থেকে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ‘রামমূর্তি’ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরনীকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থেকে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ‘রামমূর্তি’ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরনীকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সোমবার ১০ টার দিকে টাইমস অব বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান এবং ডিএমপির উত্তরা জোনের ডিসি মির্জা তারেক আহমেদ বেগ। এর আগে, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার সিআইডির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান বলেন, ‘ঢাকা থেকে আসা সিআইডির বিশেষ দলটি রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে হরিদাসকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। ঢাকার উত্তরার পশ্চিম থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মানিলন্ডারিং মামলা রয়েছে। সেই মামলায় পলাশবাড়ী পুলিশের সহযোগিতায় রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নিয়ে যায় সিআইডি। হরিদাস চন্দ্র তরনী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নানা কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচিত ছিলেন। ধর্মকে পুুঁজি করে প্রতিনিয়ত তিনি প্রতারণা করে আসছেন। ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদ টাইমস অব বাংলাদেশকে জানিয়েছেন, রোববার রাতে তরনীর বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মানি লন্ডারিং আইনে মামলা হয়েছে। সিআইডির ফিনান্সিয়াল ক্রাইম টিম মামলা তদন্ত করছে। তারা তরনীকে হেফাজতে নিয়েছে। এর আগেও ২০২২ সালে ৮ নভেম্বর বিভিন্ন অফিসার, মন্ত্রীর ভুয়া পরিচয়ে বদলি বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে কোটি টাকা আত্মসাত মামলায় র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন। সেই মামলা থেকে জামিন নিয়ে তিনি পালিয়ে যান। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে ফিরে মূর্তি ও ধর্মের নামে নানা ধরনের প্রতারণা শুরু করেন। এর আগে, তিনি ধর্ম পরিবর্তন করে তাওহীদ ইসলাম নাম রাখেন। সেই সময় সুমি ইসলাম নামে একজনকে বিয়ে করেছিলেন বলে জানা যায়।
526
19
Sin texto...
111
20
প্রকাশ্য দিবালোকে ২০/২৫ জন হিন্দু যুবক মিলে পশ্চিম বঙ্গের হাওড়ার কলেজ পড়ুয়া আছমা খাতুন কে তুলে নিয়ে চলে গেল। ভাতরের মুসলিমরা+3
প্রকাশ্য দিবালোকে ২০/২৫ জন হিন্দু যুবক মিলে পশ্চিম বঙ্গের হাওড়ার কলেজ পড়ুয়া আছমা খাতুন কে তুলে নিয়ে চলে গেল। ভাতরের মুসলিমরা এমন দৃশ্য দেখার পরও চুপ করে বসে আছে, আর কত নত হয়ে হিন্দুদের সাথে চলবে। তোমাদের ইজ্জৎ নিয়ে হিন্দুরা ছিনিমিনি খেলছে আর তোমরা চুপ হয়ে হাতে চুড়ি পরে ঘরে বসে আছো তোমাদের প্রতি আল্লাহর লানত। যেই শুভেন্দুর বাচ্চারা এই ধরনের নেককার জন্য ঘটনা ঘটাবে, মুসলিম মেয়েদের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করো। এবং সুভিন্দুর বাচ্চাদের যেখানে পাবে সেখানেই কবর তাদের কবর রচনা কর। শুভেন্দুর বাচ্চাদের সাহস এতটাই বেড়ে গেছে যে, এখন আর আইনের কোনো তোয়াক্কা করে না। প্রানের ভয়ে আশেপাশের মুসলিমরা কেউ এগিয়ে আসেনি। ভয়কে জয় করে সকল মুসলিমরা জালিমদের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোল। রাস্তায় নেমে আসো প্রতিবাদ করো। জালিমদেরকে ছাড় দেওয়া যাবে না। জালেমদেরকে শক্ত হাতে দমন কর। .©
673