7 623
Subscribers
No data24 hours
-267 days
-11630 days
Posts Archive
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
পশ্চিমবঙ্গের খবর জানেন?
গতকাল ডারতে ছিল রাম নবমীর শোভাযাত্রা,
শোভাযাত্রার সময় মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে
মুসলিমদের দোকানপাটে হেদুরা কোন কারণ ছাড়াই এ্যা__ট| ক করে বসে।
জয় শ্রী__র| ম স্লোগান দিতে দিতে দোকানপাটে আগুন আর ভাঙ্গচুর চালায়।
স্লোগানটা পরিচত না?
দেশীয় হেদুরা এই স্লোগান সবসময় দেয়।
মুর্শিদাবাদে এসব কিন্তু কিন্তু গোপনে হয়নি বরং পুলিশের উপস্থিততে।
কয়েকজন মুসলিম দোকানীরা এসবে বাঁধা দিতে আসলে তাদেরকে হেদুরা গুরু*তর জ*খ*মী করে,
অসংখ্য ভাই এখন হসপিটালে।
আল্লাহর কসম,
হেদুদের এসব কর্মকাণ্ড শুধু কাঁটাতারের ওপারে সীমাবদ্ধ থাকবে না,
পশ্চিমবঙ্গ কিন্তু খুব দূরে নয় বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চল।
সময় থাকতে সতর্ক হোন, হিন্দুত্ববাদী ঝড় মো*কাবিলার প্রস্তুতি নিন,তৈরি হোন চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য।
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
একই গর্জন, নতুন কণ্ঠ: পাকি সেনাদের বিরুদ্ধে মুফতি আব্দুর রউফ হাফি.-এর ঐতিহাসিক ফতোয়া :
গতকাল ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শীর্ষ সদস্য এবং শায়খুল হাদিস মুফতি আব্দুর রউফ হাফি. এক বজ্রকঠিন ঐতিহাসিক ফতোয়া দিয়েছেন। তিনি পাকি সেনাদের বর্তমান কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিহাদকে 'ফরজ' বলে ঘোষণা করেছেন।
এই ফতোয়া শুনে অনেকেই হয়তো আঁতকে উঠছেন বা মেনে নিতে পারছেন না, কিন্তু সত্য হলো—এটি কোনো নতুন ফতোয়া নয়। বরং এটি ইতিহাসের সেই অমোঘ সত্য, যা পূর্বসূরি হক্কানি আলেমগণ বহু আগেই বলে গেছেন; মুফতি সাহেব কেবল সেই হারানো সুরকেই নতুন করে পুনরুজ্জীবিত করেছেন।
ইতিহাসের সেই প্রেক্ষাপট:
নাইন-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে পাকি সেনারা যখন দ্বীন ও মিল্লাতের সাথে গাদ্দারি করে আমেরিকার 'ভাড়াটে সৈনিক' বা প্রক্সি হিসেবে লড়াই শুরু করল, তখনই গর্জে উঠেছিলেন করাচির বিখ্যাত জামিয়া বিন্নুরী টাউনের শায়খুল হাদিস এবং দারুল ইফতার প্রধান মুফতি নিজামুদ্দিন শামজাঈ (রহ.)। তিনি পাকি সেনাদের এই কুফরি আদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অকাট্য ফতোয়া দিয়েছিলেন। সেই হক কথা বলার অপরাধেই ২০০৪ সালে তাঁকে করাচির রাস্তায় বুলেট দিয়ে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
৫০০ আলেমের সেই সম্মিলিত
অঙ্গীকার:
পরবর্তীতে ২০০৪ সালে যখন পাকি সেনারা ওয়াজিরিস্তানে নিজ দেশের মুসলমানদের ওপর অপারেশন শুরু করে, তখন দারুল উলুম হাক্কানিয়া এবং লাল মসজিদের সিংহশাবক নায়েবে খতিব মুফতি আব্দুল রশিদ গাজী (রহ.)-এর সাহসী নেতৃত্বে করাচিতে এক বিশাল ও ঐতিহাসিক আলেম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই মজলিসে পাকিস্তানের ৫০০-এর বেশি শীর্ষস্থানীয় আলেম সম্মিলিতভাবে পাকি সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফতোয়া জারি করেন এবং তাতে স্বাক্ষর করেন।
লড়াইয়ের মূল ভিত্তি:
আজকের পাক 'ছাত্র ভাই' বা মুজাহিদিনরা কোনো আবেগ বা লক্ষ্যহীন পথে নয়, বরং বিন্নুরী টাউনের সেই শামজাঈ (রহ.) এবং করাচির ৫০০ আলেমের দেওয়া সেই অটল ফতোয়ার ওপর ভিত্তি করেই দীর্ঘ দুই দশক ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
মুফতি আব্দুর রউফ হাফি. গতকাল মূলত সেই পুরনো দলিলেই নতুন করে মোহর মেরেছেন। এটি কেবল একটি ফতোয়া নয়, বরং এটি সেই সব মজলুমের কণ্ঠস্বর যারা বছরের পর বছর ধরে পাকি সেনাদের জুলুমের শিকার।
-মুসান্না আল ফাইয়াজ
7 623
Repost from Al Firdaws
আফগানিস্তানের একটি বেসামরিক বসতবাড়িতে পাকিস্তানি সন্ত্র|সী বাহিনীর গো/লাব/র্ষণে একজন শহীদ হয়েছেন এবং বাড়িটি সম্পূর্ণ ধ্বং*স হয়ে গেছে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নানগারহার প্রদেশের কামদেশ এলাকায় এই হ|মলার ঘটনা ঘটে, যেখানে গো/লাব/র্ষণের পর আগুন ধরে গিয়ে পুরো বাড়িটি পু/ড়ে যায়।
ইমারাতে ইসলামিয়ার উপমুখপাত্র মৌলভী হামদুল্লাহ ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ জানান, ১৫ মার্চ, রবিবার রাত প্রায় দশটার দিকে পাকিস্তানি সন্ত্র|সী ইসরা বাহি/নীর যু/দ্ধবিমান কান্দাহার প্রদেশে একটি পুরনো মা/দক নিরাময় কেন্দ্রেও হ|মলা চালায়। এই কেন্দ্রটি আরগিস্তান জেলার দিকে যাওয়ার সড়কের পাশে অবস্থিত ছিল।
মৌলভী হামদুল্লাহ ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আফগানিস্তানের গ্রামীণ এলাকায় বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে বারবার হ|মলা চালিয়েছে পাকিস্তানি সন্ত্র|সী বা\হিনী। এসব হ|মলায় আফগানিস্তানের খোস্ত, পাকতিকা, নানগারহার, কুনার ও পাকতিয়াসহ বিভিন্ন প্রদেশে শতাধিক বেসামরিক নাগরিক নি\হত ও আ\হত হয়েছেন এবং হাজারো পরিবার ব|স্তুচ্যুত হয়েছেন।
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
আল্লাহুআকবার,
ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
বিজয় মাস রমাদানে হৃদয় প্রশান্তকারী সুসংবাদ গ্রহণ করুন।
শরীয়াহ শাসন ফিরে আসছে আবার আফ্রিকার দেশ সোমালিয়ায়।
গত দেড় মাসে অন্তত ৪৫ মার্কিন চরের উপর জনসম্মুখে শরীয়াহ আদালতে কিসাস কায়েম করেছে ইসলামি প্রতিরোধ যো**দ্ধা
বীর শ | ব| ব।
বীরেরা জানিয়েছে,
এটি সম্প্রতি সময়ে আম্রিকা ও সোমালি পুতুল সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার উপর সবচেয়ে বড় ধরনের আঘাত গুলোর একটি।
এসকল কিসাসের মাধ্যমে যেমন ওদের নেটওয়ার্ক ধ্বসে পড়বে,
তেমনিভাবে মানুষ ওদের হয়ে জাসুসগিরি করতে হাজার বার চিন্তা করবে।
নেক দো'আ জারি রাখুন,
গোটা আফ্রিকার বুকে যেন শীঘ্রই আমরা আল্লাহর শরীয়াহ'র বাস্তবায়ন দেখতে পারি।
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
+3
খোস্ত প্রদেশে সন্ত্রাসী পাকিস্তানি সেনাদের বিমান হামলায় একই পরিবারের চারজন নিহত :
আফগানিস্তানের খোস্ত প্রদেশে বিমান হামলায় একটি পরিবারের চারজন নিহত এবং তিন শিশু আহত হয়েছে। আজ ভোরে আলিশেরো–ত্রিজিও জেলার সদকো গ্রামে বসতবাড়ি ও কোচি যাযাবরদের তাঁবুর ওপর হামলা চালানো হয়। নিহতদের মধ্যে একজন নারী, একজন পুরুষ এবং দুই শিশু রয়েছে।
এদিকে কুনার প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায়ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণহানির খবর না থাকলেও কয়েকটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং স্থানীয়দের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
7 623
Repost from Reality Check BD
১৯৭১ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত অ্যামেরিকা ৩কোটি ৮০লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে! যদিও এটা অফিশিয়াল হিসাব মাত্র। অফিশিয়াল রেকর্ডের বাইরের সংখ্যা আমাদের অজানা! এটি আমাদের কথা নয়, অ্যামেরিকান প্রফেসর এবং স্কলার John Mearsheimer এর কথা! আমরা একথাটা প্রায়ই বলি আমাদের অনুভূতি ভোঁতা হয়ে গেছে, এই সংখ্যাটা আমাদের কাছে কেবল সংখ্যা মাত্র। এই সংখ্যাটি কত বিশাল বুঝার জন্য একটি উদাহরণ দেখাই, অস্ট্রেলিয়ার মোট জনসংখ্যা কম বেশী ৩ কোটি।
আমরা স্পষ্ট করে, দ্বিধাহীন ভাবে বলতে চাই- অ্যামেরিকা বিশ্বমানবতার সবচেয়ে বড় হুমকি! অ্যামেরিকা মুগ্ধতা- চূড়ান্ত গোলামি মানসিকতা এবং স্বার্থ সংকীর্ণতা ছাড়া আর কিছুই না!
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
শায়খ আরও কহেন,
শতাব্দীর লা*ঞ্চনার পর মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে বদরের জিহাদি চেতনা আবারও সঞ্চারিত হতে শুরু করেছে।
নিঃসন্দেহে এই শতাব্দী মুসলিম উম্মাহর বিজয়ের শতাব্দী,ইনশাআল্লাহ এই শতাব্দী খলিফাতুল্লাহ মাহদীর শতাব্দী।
খোরাসানের অবিস্মরণীয় বিজয়,ইয়েমেন ও সিরিয়ায় আল্লাহর সৈনিকদের বিস্ময়কর উত্থান, সোমালি,মালিতে জানবাজ মুজাহিদদের দাপট'ও পরাক্রম আর উপমহাদেশে এদাদ ও জি হ|দী চেতনার এক অভূতপূর্ব বিস্ফোরণ মুসলিম উম্মাহর পুনরুত্থানকে সম্ভাবনাময় করে তুলেছে। পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতি বারবার আমাদের একই বার্তা দিয়ে যাচ্ছে।
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
আল্লাহুআকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
আফগানে মসজিদ-মাদ্রাসা এবং নারী-শিশুদের উপর পাকি সেনাদের এয়ার স্ট্রাইকের জবাবে ছাত্র ভাইয়েরা “রুদ্দুল জুলুম” শিরোনামে শক্তিশালী অভিযান ঘোষণা করেছেন।
অপারেশনের অংশ হিসেবে কান্দাহার, নাঙ্গারহার, কুনার, খোস্ত, পাকতিয়া এবং পাকতিকা প্রদেশে কাল্পনিক ডুরান্ড লাইন বরাবর পাকি সেনাদের উপর তীব্র আক্রমণ চালানো হয়েছে।
এতকরে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ২৫৭ পাকি সেনা হতাহত হয়েছে। এরমধ্যে ১০৯ জন পটল তুলেছে আর ১৪৮ জন হাসপাতালে।
১৪টা চেকপোস্ট জয় বাংলা হয়েছে। জ্বি, আপনি ঠিকই শুনেছেন—আমি একটুও বাড়িয়ে বলছি না।
এসব আমার কথাও না, ছাত্র ভাইদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের কথা।
নিজের কানেই শুনুন।
7 623
সারা বিশ্বজুড়ে মার্কিনিদের স্বার্থে আঘাত করুন, বিশ্ব সন্ত্রাসী ও সাপের মাথা হচ্ছে আমেরিকা তার ধ্বংস ছাড়া কোন সমাধান নেই
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
হিজ্রায়েলের দিকে ছোঁড়া ইরানের সব ক্ষেপণাস্ত্র আরবের মার্কিন ঘাঁটিগুলো থেকে প্রতিহত করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের আরব ভূখণ্ডে আনুমানিক ১০–১৫টি মার্কিন ঘাঁটি আছে।
কাজ হল,হিজ্রাকে নিরাপদ রাখা,আরবে মার্কিন আধিপত্য বজায় রাখা।
আল্লাহ তাআ'লা একবিংশ শতাব্দীর মহান ইমাম শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ-র প্রতি রহম করুক। তিনিই প্রথম আরবে মার্কিন উপস্থিতির বিরোধীতা করেছিলেন।
সৌদি যখন নিরাপত্তার অজুহাতে আমেরিকাকে আমন্ত্রণ জানায়, শায়খ ওবিএল বলেন:
> “সৌদির প্রতিরক্ষায় মুসলিম যোদ্ধারাই যথেষ্ট। পবিত্র মক্কা-মদিনার ভূমিতে বিদেশি কাফের সেনা দরকার নেই।”
সৌদি কর্ণপাত করেনি। তারা মার্কিন সেনাদের আরবে ঘাঁটি গড়তে দেয়।শায়খের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয় এবং দেশত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়।
এরপরই শায়খ ওবিএল ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন, যা আমেরিকার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী জিহাদের ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।
তিনি বলেন:
> “আমেরিকা ততদিন শান্তিতে থাকার কল্পনাও করতে পারবে না, যতদিন না ফিলিস্তিনে শান্তি আসে এবং আরবের পবিত্র ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনারা বের হয়ে যাচ্ছে।”
-মুসান্না আল ফাইয়াজ
https://www.facebook.com/share/p/186sBTJhwi/
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
+2
পাকিস্তান বলেছে তারা নাকি গতকাল রাতে তথাকথিত জঙ্গিদের ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে,
বাংলাদেশের হলুদ মিডিয়া গুলোও সেটা প্রচার করতেছে।
অথচ বাস্তবতা দেখেন কী ফুলের মতো শিশুগুলোকে ওরা ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছে।
হিজরাইলও রমাদানে বেসামরিক মুসলিমদের শহিদ করে পাকিস্তানও সেইম কাজ করছে! এদের মধ্যে পার্থক্য কী?সত্য প্রচার করুন, হলুদ মিডিয়ার বিরুদ্ধে আমাদের কিবোর্ডই হয়ে উঠুক একেকটি মিডিয়া।
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
আমার মনে হয় রমাদানে নিজেকে বদলাতে এই বয়ানগুলোই যথেষ্ট ইনশাআল্লাহ। নিজে শুনবেন আমল করবেন এবং সাদাকায়ে জাড়িয়ার নিয়তে শেয়ার করবেন,ছড়িয়ে দিবেন। রামাদান নিয়ে পূর্বের কিছু বয়ান, সবাই শুনতে পারেন। ১। রামাদানের ২৪ ঘন্টা কীভাবে কাটাবেন? লিংক…. https://www.youtube.com/watch?v=Bo7EuQmgWxs&ab_channel=UmmahNetwork . ২। রামাদান নিয়ে কিছু উত্তম নাসিহাহ https://www.youtube.com/watch?v=HSt8EboGgeI&ab_channel=UmmahNetwork . ৩। আসছে মাহে রামাদান | আপনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন তো? লিংক…. https://www.youtube.com/watch?v=kTu_e_HqTiE&ab_channel=UmmahNetwork . ৪। রামাদানে জীবনের যে পাঁচটি বিষয় পরিবর্তন আনতে হবে লিংক…. https://www.youtube.com/watch?v=sfZfrOALze8&ab_channel=UmmahNetwork . ৫। রামাদানজুড়ে আমলের উৎসাহ ধরে রাখার পাঁচটি নির্দেশনা লিংক…. https://www.youtube.com/watch?v=ImUrrjgF6Ns&ab_channel=UmmahNetwork . ৬। ইবাদতের মাস রামাদান লিংক…. https://www.youtube.com/watch?v=LGcANukYMRQ&ab_channel=UmmahNetwork . ৭। মাহে রামাদান জীবন পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন লিংক…. https://www.youtube.com/watch?v=F-JiFmlbD2M&ab_channel=UmmahNetwork . ৮। পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে এলো মাহে রামাদান লিংক…. https://www.youtube.com/watch?v=WtJFxHMp0uw&ab_channel=UmmahNetwork . এই লিংকে গেলো রামাদান নিয়ে সবগুলো বয়ান পাবেন….. https://www.youtube.com/@UmmahNetwork/search?query=%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8 শায়খ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
+4
আমি ভেlট দিব না-
শয়তানের অনুসারীদের বানানো ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে সহযোগী হবোনা।
আমি ভেlট দিব না-
আল্লাহকে বাদ দিয়ে মানুষকে আইনপ্রণেতা বানাবো না।
আমি ভেlট দিব না-
জ্ঞানী মুর্খ সবাইকে এক কাতারে নামাবো না।
আমি ভেlট দিব না-
দলে দলে বিভক্ত হয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে মারামারি করবো না।
-
কারন আমি জানি…
ইসলাম পরিপূর্ণ, খাবার আদব থেকে শুরু করে শাসক নির্ধারণ, শাসককে অপসারণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনা সহ জীবনের সকল বিষয়ে ইসলামে পরিপূর্ণ দিক নির্দেশনা দেওয়া আছে। কোন জাতি, ধর্ম বা মতবাদ থেকে আমাদের কিছু ধার করতে হবেনা।
-শায়খ তামিম আল আদনানি হাফিজাহুল্লাহ
(প্রচার করতে পারেন ইনশাআল্লাহ)
7 623
Repost from ইসলামিক পিডিএফ সমাহার
যে বই গুলো আপনার পড়া উচিৎ।
বই : তাওহীদের কালিমা
https://t.me/Islamicpdfshomahar/6
বই : তাওহীদ পরিচিতি
https://t.me/Islamicpdfshomahar/9
বই : নেদায়ে তাওহীদ
https://t.me/Islamicpdfshomahar/170
বই ঈমান সবার আগে
https://t.me/Islamicpdfshomahar/12
বই : কিতাবুল ঈমান
https://t.me/Islamicpdfshomahar/15
বই : গনতন্ত্র একটি দ্বীন
https://t.me/Islamicpdfshomahar/20
বই : ইসলাম ও গনতন্ত্র
https://t.me/Islamicpdfshomahar/32
বই : গনতন্ত্র নয় পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব
https://t.me/Islamicpdfshomahar/34
বই : প্রচলিত রাজনীতি নয় জিহাদই কাম্য
https://t.me/Islamicpdfshomahar/39
বই : ইসলামের দৃষ্টিতে গনতন্ত্র ও ভোটাভুটি
https://t.me/Islamicpdfshomahar/48?single
বই : মুক্তির পথ
https://t.me/Islamicpdfshomahar/95?single
7 623
Repost from Al Firdaws
সম্প্রতি ইমারাতে ইসলামিয়ার পরিবহন ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের অধীন বেসামরিক বিমান চলাচল ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের জন্য এক সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন শাখায় দুই বছরের পাঠ্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করে এবছর মোট ১০৮ জন শিক্ষার্থী স্নাতক হয়েছেন।
বর্তমানে জাতীয় বিমান ইনস্টিটিউটে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, বিমান প্রযুক্তি, স্থল পরিবহন, বিমান ব্যবস্থাপনা ও অগ্নিনির্বাপণসহ বিভিন্ন শাখায় শত শত শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পেশাদার জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ইমারাতে ইসলামিয়ার বিমান খাতকে আরো গতিশীল ও আধুনিক করে তোলার লক্ষ্যে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ভবিষ্যতে বিমান খাতের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিমান ব্যবস্থার মানোন্নয়ন ও সেবার পরিধি বিস্তারে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রশিক্ষণ খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও বিমান সংশ্লিষ্ট নানা পেশায় যোগ্য ব্যক্তিদের তৈরি করতে এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো কৃতিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবে বলে আশা করা যায়।
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
ফরিদপুরে দু'জন খৃষ্টান ইমাম ধরা পড়েছে
তা ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন।
সুলতান সালাউদ্দিনের শাসনকালেও এরকম শত-শত ইমাম ছিল,
তখন খি*লা*ফত থাকা সত্বেও মুসলিম সমাজে এভাবে খৃষ্টানরা মুসলিম বেশ ধরে ইমামতির নামে মুসলিমদের ধোঁ**কা দিত।
ইসলামকে বিকৃত করত।
আর তাহলে এখন কী অবস্থা তা বলার অপেক্ষা
রাখে না।
পার্বত্য অঞ্চলে এবং উত্তরবঙ্গে এরকম অসংখ্য খৃষ্টান রয়েছে যারা ইমাম সেজে উম্মাহকে ধোঁ**কা দিচ্ছে।
মিশনারীর কাজ করে যাচ্ছে।
ও-ই সকল অঞ্চল গুলোতে আমাদের ফোকাস করা জরুরি।
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
মার্কিন প্রেসিডেন্টদের নারী কেলেঙ্কারির ইতিহাস!!!
পশ্চিমারা প্রায় সব কয়টাই একেকটা এপস্টিন!
https://t.me/ummaahnews
7 623
Repost from সম্ভাব্য সত্য
আফগানিস্তানের নতুন ফৌজদারি আইন নিয়ে গণমাধ্যম মিথ্যাচার করছে। তারা এমনভাবে সংবাদ পরিবেশন করেছে, যেন সেখানে অপরাধ নয়, বরং মানুষের সামাজিক শ্রেণি দেখে শাস্তি দেওয়া হবে। শিরোনাম পড়েই যে ধারণা তৈরি হয়, তা স্বাভাবিকভাবেই আপত্তিকর। কিন্তু আইনের ভেতরের বক্তব্য ও ফিকহি প্রেক্ষাপট বুঝলে দেখা যায়, বিষয়টি এভাবে উপস্থাপন করা বাস্তবতা ও আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
আফগানিস্তানের অধিকাংশ মানুষ মুসলমান এবং তাদের বড় অংশ হানাফি মাযহাবের অনুসারী। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে আইনটি হানাফি ফিকহের তাযীর নীতির আলোকে প্রণয়ন করা হয়েছে।
ইসলামে ফৌজদারি শাস্তির দুটি দিক আছে। হদ ও তাযির। হদ নির্ধারিত এবং এখানে সবাই সমান। এজন্য আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা দিয়েছিলেন, যদি তার মেয়েও চুরি করে তার হাত কাটা হবে। সুতরাং চুরি, যিনা, মদ্যপান, যিনার অপবাদ ইত্যাদি হুদুদের ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগে কোন বৈষম্য চলবে না।
আর তাযীর এমন একটি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, যেখানে অপরাধের ধরন, অপরাধীর অবস্থা, অপরাধের সামাজিক প্রভাব এবং সংশোধনের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে বিচারক শাস্তি নির্ধারণ করেন। এখানে মানুষের মর্যাদা বা অধিকারভিত্তিক কোনো শ্রেণিবিভাজনের বিষয় নয়। বরং অপরাধের ধরণের বিভাজনের কথা বলা হচ্ছে।
মিডিয়ায় দাবি করা হয়েছে যে, আইনটি সমাজকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে একই অপরাধে ভিন্ন ভিন্ন শাস্তি নির্ধারণ করেছে। বাস্তবে আইনটি এমন কোনো স্থায়ী বা বৈষম্যমূলক শ্রেণিবিন্যাস করে না। বরং ফিকহ অনুযায়ী বিচারকের বিবেচনাধিকারকে ব্যাখ্যা করেছে। যার উদ্দেশ্য হলো অপরাধীর সংশোধন ও সমাজের কল্যাণ নিশ্চিত করা।
মিডিয়া আরো মিথ্যাচার করছে যে, ধর্মীয় আলেমরা নাকি শাস্তির বাইরে থাকবেন। এটাও আইনের ভুল উপস্থাপন। ছোটখাটো অপরাধে কারো ক্ষেত্রে উপদেশই যথেষ্ট হতে পারে, আবার গুরুতর অপরাধে আলেমদের ক্ষেত্রেও তাযীর প্রযোজ্য হতে পারে। পার্থক্য শাস্তির পদ্ধতিতে, দায়মুক্তিতে নয়। প্রথমবার অপরাধ, বারংবার অপরাধের মাঝে অবশ্যই পার্থক্য আছে। দুটোর শাস্তি ও বিবেচনাতেও ফলে পার্থক্য হবে। আইনে কেবল অপরাধের এমন সব বিবেচনা ও স্তরের পার্থক্যের কথা বলা হয়েছে।
আবার এসব গণমাধ্যম ‘দাস’ বা ‘গোলাম’ শব্দের ব্যবহার নিয়ে দাবি করেছে যে, এই আইন দাসপ্রথা ফিরিয়ে এনেছে। বাস্তবে এই শব্দগুলো ফিকহি গ্রন্থে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, বর্তমান সমাজে মানুষকে দাসে পরিণত করার কোনো বিধান এতে নেই। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যাচার ও ভুল ব্যাখ্যা।
সব মিলিয়ে বলা যায়, “শ্রেণিভিত্তিক আইন” বলে যে চিত্র গণমাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে, তা মূলত ফিকহি নীতির বিকৃতি এবং অতিরঞ্জিত উপস্থাপন। আইনটির লক্ষ্য বৈষম্য নয়, বরং পরিস্থিতি অনুযায়ী ন্যায়বিচার ও সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষা করা।
✍️ ইফতেখার সিফাত হাফি.
7 623
Repost from Tasawwuf - তাসাউফ
নাম মুফতি আবদুল্লাহ মায়মুন। সদ্য বিবাহিত এই আলেমকে হাসিনা রেজিমের সময়ে দিনের পর দিন গুম করে রাখা হয়। দীর্ঘ সময় পর তাঁকে মিডিয়ার সামনে আনা হলে দেখা যায়, তাঁর চুল ও দাঁড়ি অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে গিয়েছিল। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না; সে কারণেই আগস্টের পর আগস্ট পেরিয়ে গেলেও তাঁর মুক্তি হয়নি—এমন কথাও উঠছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, অনেক দৌড়ঝাঁপ করে তাঁর জামিনের ব্যবস্থা করা হয়। তাঁদের দাবি, পরশুদিন জামিন দেওয়ার কথা থাকলেও নানা তালবাহানার কারণে জামিন কার্যকর করা হয়নি। গতকাল সকালে পরিবার তাঁকে নিতে কারাগারে গেলে জানানো হয় যে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে; তবে বাইরে থেকে কেউ তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে কি না, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নয় এবং ডিবিতে (DB) খোঁজ নিতে বলা হয়।
জামিন দিয়ে কারাগারের গেট থেকেই পুনরায় তুলে নেওয়া পতিত স্বৈরাচার হাসিনা আমলের একটি পরিচিত সংস্কৃতি ছিল। প্রশ্ন উঠছে—সেই সংস্কৃতি কি এখনো চলমান?
জামিন পাওয়ার পরও কেন মুফতি আবদুল্লাহ মায়মুনের সঙ্গে তাঁর পরিবারের দেখা হয়নি, সে প্রশ্ন উঠেছে। কেন একজন আলেম জামিন পেয়েও ঘরে ফিরতে পারছেন না, তা নিয়ে উদ্বেগ নেহায়েত কম নয়।
7 623
Repost from মুসান্না আল ফাইয়াজ
+1
আ# ম্রিকার ড্রোনের আ-ঘা-তে গোটা পরিবারসহ শ*হি*দ হয়েছেন ভাই মুহতারাম হাওলান আস-সানআনি রহিমাহুল্লাহ।
তিনি রহিমাহুল্লাহ ইয়েমেনী আল কায়েদা শাখার একজন বীর সেনা ছিলেন।
আপনি যখন মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আনীত শ**রী*য়াহ অনুযায়ী চলবেন তখন জামানার আবু জাহেলরা আপনাকে টার্গেট করবে।
আর যখন আপনি মডারেট ইসলাম পালন করবেন তখন জামানার আবু জাহেলরা (প# শ্চি**মারা) আপনাকে সাপোর্ট করবে,প্রমোট করবে,বাহবাহ দিবে,
এমনকি আপনাকে ক্ষমতায়ও বসাবে।
ইসলাম সেটা নয় যেটাকে পশ্চিমারা ভালোবাসে,
প্রকৃত ইসলাম তো সেটা যেটার বিরুদ্ধে
পশ্চি*মারা দিনরাত যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।
আরব উপদ্বীপের দূর্বল,গরীব মানুষ গুলো এভাবেই মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রকৃত শ*রী*য়াহ'র জন্য জীবন বিলিয়ে দিচ্ছে,
কিন্তু এদিকে আমাদের দেশে একদল মামুষ আ*ম্রি**কার সুনজরে আসার জন্য দিনরাত ইসলামকে বি*কৃ*ত করেই যাচ্ছে।
