মুসান্না আল ফাইয়াজ
আমার ফেইসবুক আইডি https://www.facebook.com/share/1AWFPfowCD/
Show more📈 Analytical overview of Telegram channel মুসান্না আল ফাইয়াজ
Channel মুসান্না আল ফাইয়াজ (@musannaalfaiyyaz) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 17 470 subscribers, ranking 4 695 in the Religion & Spirituality category and 1 312 in the Bangladesh region.
📊 Audience metrics and dynamics
Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 17 470 subscribers.
According to the latest data from 25 August, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by 408 over the last 30 days and by 1 over the last 24 hours, overall reach remains high.
- Verification status: Not verified
- Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 11.61%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 5.24% reactions from the total number of subscribers.
- Post reach: On average, each post receives 2 028 views. Within the first day, a publication typically gains 915 views.
- Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 50.
📝 Description and content policy
The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
“আমার ফেইসবুক আইডি https://www.facebook.com/share/1AWFPfowCD/”
Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 26 August, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.
Data loading in progress...
| Date | Subscriber Growth | Mentions | Channels | |
| 26 August | 0 | |||
| 25 August | +4 | |||
| 24 August | +3 | |||
| 23 August | 0 | |||
| 22 August | +4 | |||
| 21 August | 0 | |||
| 20 August | +5 | |||
| 19 August | 0 | |||
| 18 August | 0 | |||
| 17 August | +11 | |||
| 16 August | 0 | |||
| 15 August | 0 | |||
| 14 August | +1 | |||
| 13 August | +5 | |||
| 12 August | +3 | |||
| 11 August | 0 | |||
| 10 August | 0 | |||
| 09 August | +58 | |||
| 08 August | +94 | |||
| 07 August | +41 | |||
| 06 August | +50 | |||
| 05 August | +41 | |||
| 04 August | +2 | |||
| 03 August | 0 | |||
| 02 August | 0 | |||
| 01 August | +2 |
| 2 | No text... | 596 |
| 3 | পূর্ণিমার চাঁদের চেয়েও সুন্দর তিনি।
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
-শায়খ তামিম আল আদনানি | 595 |
| 4 | মালিয়ান সেনা পোস্টে JNIM-এর হামলা, ২ সেনা নিহত:
JNIM মালির মোপতি অঞ্চলের কারেফুর-জেন্নে শহরে মালিয়ান সেনাবাহিনীর একটি পোস্টে হামলার ভিডিও প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হামলায় মালিয়ান সেনাবাহিনীর দুইজন সেনাসদস্য নিহত হয়েছে। এছাড়া ৩টি সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস এবং আরও
৩টি সামরিক সরঞ্জাম দখল করা হয়েছে।
পাশাপাশি কিছু পরিমাণ হালকা ও ভারী অস্ত্রও দখল করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। | 613 |
| 5 | অনেক খোঁজাখুজির পর গ্যালারেতি
শায়খের এই বয়ানটা খুঁজে পেলাম।
এ দেশে হালুয়া-রুটি খানেওয়ালা আশেকে রাসূলের অভাব নেই।
অভাব শুধু প্রকৃত আশেকে রাসূলের।
শা*তি*মদের কারণে আকাশ-বাতাস আজ ভারী হয়ে আসছে!
জিলাপী নিয়ে কা'ড়া'কা'ড়ি করার লোকের অভাব না থাকলেও,
শা'তি'মদের পাওনা বুজিয়ে দেওয়ার লোকের আজ বড়ই অভাব। | 1 022 |
| 6 | গাজায় দুটি মসজিদে হামলা:
এটি একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মসজিদ, যা দখলদার ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠারও বহু আগে নির্মিত; আর অন্যটি নাইলন ও কাঠ দিয়ে তৈরি একটি অস্থায়ী মসজিদ।
দখলদার বাহিনী মসজিদ দুটিতে বোমা হামলা চালিয়েছে। পবিত্র কুরআনের কপিগুলো ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে; আর পাথর ও নাইলনের তৈরি কাঠামো বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।
হে মুসলিমরা!!!
আপনারা কি দেখছেন, আমাদের মসজিদগুলোর কী অবস্থা করা হচ্ছে?! | 987 |
| 7 | No text... | 940 |
| 8 | হাঁরানো সংবাদ :
নাম: হাফেজ রিয়াদ হোসেন ফাহিম
পিতা : সোলেমান হোসেন
গ্রাম :পশ্চিম মধুগ্রাম
ইউনিয়ন: ১নং মির্জানগর
উপজেলা : পরশুরাম
হারানোর স্থান: ফেনী জামেয়া রশিদিয়া শাখা( ২)
হারানোর সময় গতকাল দুপুর ১.৩০ মিনিটের সময় মাদ্রাসা থেকে চলে যায় একাধিক যোগাযোগ করার পর কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।
যদি কোন হৃদয়বান ব্যক্তি পেয়ে থাকেন
এই নাম্বার যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
মোবাইল 01626982747
মোবাইল 01609831159
পোস্টটা সবাইক শেয়ার করা এবং ফেইসবুকে প্রচার করার অনুরোধ করছি। | 959 |
| 9 | শব্দের মারপ্যাঁচে ট্রান্সজেন্ডার/সমক|*মীদেরকে হিজড়া হিসেবে উল্লেখ করে তাদের ‘অধিকার’ প্রতিষ্ঠার দাবি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরীর। এছাড়া উল্লিখিত বক্তব্য শারিয়াহ আইন নিয়েও তার মানসিকতা ফুটে উঠেছে | 1 255 |
| 10 | শ*রী*য়াহ প্রতিষ্ঠার কথা বলাতে গঙ্গি তকমা দিয়ে দাওয়াতি সংগঠন ফুরকান আন্দোলনের নেতা
আল্প আরসালান কুইতুল সহ ৫৬ জন কে আ# টক করেছে এরদোয়ান সরকার।
আপনাদের জানার জন্য বলে রাখি,
এই সংগঠন কোন স*শ**স্ত্র লড়াই করতে চায় না,
তারা দাওয়াতের মাধ্যমে দ্বীনকে বিজয় করতে চায়।
তা সত্বেও এরদোয়ান সরকার ওনাদেরকে ব**ন্দি করেছে।
তাদের অপরাধ শুধু তারা আল্লাহর জমিনে আল্লাহর শরীয়াহ চায়।
এরদোয়ানকে অনেকেই খলিফা মনে করে,
কিছুদিন আগেও দেখলাম এক মুফতি সাহেব তুরস্কে গিয়ে এরদোয়ানকে সুলতান হিসেবে উপস্থাপন করার ব্যার্থ চেষ্টা করেছে।
এখন ওনারা কোথায়?
বেশিকিছু বললাম না বললে তো আবার খারেজি হয়ে যাব। | 1 373 |
| 11 | উভয় বাহিনীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি এই যুদ্ধ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। যুদ্ধে শত্রু সেনাবাহিনী ব্যাপক হতাহত ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছে।
এর আগে গত ২১ আগস্ট শুক্রবার আসরের সময়, ওরাকজাই এজেন্সির শিরিন দাররা এলাকায় একটি অতর্কিত আক্রমণ চালান আইএমপি প্রতিরোধ যোদ্ধারা। অভিযানটি উক্ত এলাকায় অবস্থিত শত্রু বাহিনীর একটি এফসি পোস্ট লক্ষ্য করে স্নাইপার ও হালকা অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে চালানো হয়। ফলশ্রুতিতে শত্রু বাহিনীতে ব্যাপক হতাহত ও বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। | 1 279 |
| 12 | পাকিস্তানের ওরাকজাই এজেন্সির শিরিন দাররা এবং সাফল দাররা এলাকায় শত্রু সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ভারী আক্রমণে অবতীর্ণ হয়েছেন প্রতিরোধ বাহিনী আইএমপি'র যোদ্ধারা। এসময় প্রতিরোধ যোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণে ব্যাপক হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে শত্রু সেনাবাহিনী।
আইএমপি মুখপাত্র মাহমুদুল হাসান (হাফিযাহুল্লাহ) এর জারি করা বিবৃতি অনুযায়ী, গত ২২ আগস্ট শনিবার পাকিস্তানের ওরাকজাই এজেন্সির সাফল দাররা এলাকায় প্রতিরোধ যোদ্ধাদের অবস্থান লক্ষ্য করে সামরিক আগ্রাসন চালানোর চেষ্টা করে সন্ত্রাসী পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। প্রতিরোধ যোদ্ধারা তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তুলেন এবং শত্রুবাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। এই আক্রমণে প্রতিরোধ যোদ্ধারা স্নাইপার, ছোট-বড় অস্ত্র এবং বিস্ফোরক ব্যবহার করেন।
একই সময় জোটসঙ্গী অন্যান্য প্রতিরোধ যোদ্ধারাও ১৮০ মিটার দূর থেকে শত্রু সেনাবাহিনীর উপর অতর্কিত আক্রমণ চালাতে শুরু করেন। এর ফলে শত্রু সেনাবাহিনী তাদের অসংখ্য সৈন্যের মৃতদেহ টেনে নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। | 1 252 |
| 13 | বাদাখশানে বড় ধরনের অস্ত্র জব্দ ইমারতে ইসলামিয়া আফগান বাহিনীর:
আফগান নিরাপত্তা বাহিনী বাদাখশানে একটি অভিযান চালিয়ে ভারী অস্ত্র, একটি বড় ক্ষেপণাস্ত্র এবং শত শত সামরিক সরঞ্জাম জব্দ করেছে।
অভিযানটি জুমা খান ফাতেহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব সামরিক সরঞ্জাম একটি বিদ্রোহের প্রস্তুতির জন্য মজুত করা হচ্ছিল। | 1 077 |
| 14 | মালিতে ডোজো মিলিশিয়াদের ওপর JNIM-এর হামলা:
জিহাদি সংগঠন JNIM জানিয়েছে, ‘ডোজো’ মিলিশিয়াদের অবস্থানে দুটি হামলার ঘটনায় কিলি এলাকায় (সেগু অঞ্চল) ১৭ জন মিলিশিয়া নিহত হয়েছে এবং অস্ত্র ও বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল দখল করা হয়েছে।
এছাড়াও দোগানি এলাকায় (মোপতি অঞ্চল) ৭ জন মিলিশিয়া নিহত হয়েছে এবং অস্ত্র ও বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল দখল করা হয়েছে। | 1 059 |
| 15 | বুরকিনা ফাসোর কিফার্তো এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে জেএনআইম মুজাহিদগণ।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ২২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জিহাদি সংগঠন JNIM কিফার্তোর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে।
এলাকাটি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে গণিমত লাভ হয়েছে। | 1 043 |
| 16 | পাকিস্তানে সশস্ত্র জিহাদী সংগঠন IMP-এর নতুন ভিডিও প্রকাশ:
পাকিস্তানে সশস্ত্র সংগঠন ইত্তেহাদ আল-মুজাহিদিন (IMP) প্রায় ১৩ মিনিটের একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করেছে।
ভিডিওটিতে সংগঠনটির একটি সামরিক ক্যাম্পের দৃশ্যের পাশাপাশি পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত একাধিক অভিযানের দৃশ্যের ঝলকও রয়েছে। | 1 186 |
| 17 | টুইটারে ঢুকলেই কখনো কখনো মনে হয়, যেন কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত শহরে ঢুকে পড়েছি।
কখনো দেখি আরাকান ও কাশ্মীরে রক্ত ঝরছে, বিশ্বের কোথাও মসজিদ মাদ্রাসা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, কোথাও রাস্তায় মা বোনদের হিজাব খুলে নেওয়া হচ্ছে।
কোথাও ভেসে উঠে আবার বেলুচ শিশুদের আহাজারি। কখনো গাজার ক্ষুধার্ত শিশুর কান্না, কখনো উইঘুরের ছোট ছোট মুসলিম শিশুদের বন্দিশিবিরে নিয়ে যাওয়ার খবর। আবার ভেসে ওঠে ইয়েমেন ও লেবানন কিংবা ইরানে বোমার দৃশ্য।
সব দেখতে দেখতে সত্যিই কনফিউজড হয়ে যাই কোনটা রেখে কোনটা আপনাদের কাছে শেয়ার করব? একটার কথা লিখতে গেলে আরেকজন মজলুমের আর্তনাদ চোখের সামনে ভেসে ওঠে। কোন কান্নাটাকে আগে তুলে ধরব, আর কোনটা পরে?
সত্যি বলতে, এই অসংখ্য মানুষের আহাজারির ভিড়ে কখনো কখনো শব্দ হারিয়ে ফেলি। শুধু মনে হয় কত কান্না দেখলে উম্মাহর বিবেক জাগবে?
আর হ্যাঁ, ছবিটা গাজার শিশুর। | 1 449 |
| 18 | ২০০ কোটি মুসলিমদের সামনেই
গা# জা শেষ হয়ে গেল,
তবুও আমাদের ঘুম ভাঙ্গল না।
২০০ কোটির মধ্যে প্রকৃত মুসলিম আমরা কতজন সেটা একটা বিরাট প্রশ্ন! | 1 189 |
| 19 | হুমাম খলি/ল আবু মুল্লা/ল আল-বা/লাউই (আবু দু/জা/না আল-খো/রা/সানি রহিমাহুল্লাহ)। তিনি ছিলেন একজন জর্ডানীয় চিকিৎসক ও ডাবল এজেন্ট, যিনি ২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর আফগানিস্তানের খোস্তে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা CIA-এর একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত ঘাঁটিতে ইশ্তিহাদি (আত্মঘাতী) হামলা চালান।
কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ থেকে বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক গোয়েন্দা অভিযানের কেন্দ্রে—একজন চিকিৎসক, যিনি এমন এক গোয়েন্দা সংস্থাকেই ধোঁকা দিতে সক্ষম হয়েছিলেন, যে সংস্থা (CIA) নিজেকে প্রতারণার খেলায় অতুলনীয় মনে করত।
তিনি এমনকি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা CIA-কেও নিজের জালে ফেলতে সক্ষম হয়েছিলেন!
জর্ডানের গোয়েন্দা সংস্থা (General Intelligence Directorate - GID) তাকে গ্রেপ্তার করে এবং পরবর্তীতে আল-কা/য়ে/দার অভ্যন্তরে নিজেদের ইনফর্মার (তথ্যদাতা) হিসেবে নিয়োগ করে। এরপর তাকে মার্কিন গোয়েন্দাদের (CIA) কাছে হস্তান্তর করা হয়, যাতে তিনি আল-কা/য়ে/দার উচ্চপর্যায়ের নেতাদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের উৎস হিসেবে কাজ করেন। জর্ডানি ও মার্কিন গোয়েন্দারা ধারণা করেছিল, তাকে কাজে লাগিয়ে তারা সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্ব বিশেষ করে আ/ইমা/ন আল-জা*ওয়া/হিরি রহিমাহুল্লাহ—এর কাছে পৌঁছাতে পারবে। তাদের দৃষ্টিতে তিনি ছিলেন আল-কা*য়ে*দার অভ্যন্তরে প্রবেশের এক 'গোল্ডেন সোর্স' (সোনার চাবি)।
কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। যাকে তারা নিজেদের জন্য মূল্যবান তথ্যের উৎস এবং নিয়ন্ত্রিত ইনফর্মার মনে করেছিল, তিনিই শেষ পর্যন্ত তাদের আস্থাকে কাজে লাগিয়ে তাদের গোয়েন্দা ব্যবস্থার ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পান।
তিনি তাদের চারপাশে বিশ্বাসের জাল অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বুনেছিলেন এবং তাদের এতটাই কাছাকাছি এসেছিলেন যে, মার্কিন গোয়েন্দারা তাকে আল-কা/য়ে/দার শীর্ষ নেতৃত্বে পৌঁছানোর সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসূত্র হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে। সেই আস্থার ফলেই ৩০ ডিসেম্বর ২০০৯ তাকে আফগানিস্তানের খোস্ত প্রদেশের অত্যন্ত সুরক্ষিত ক্যাম্প চ্যাপম্যান-এ একটি গোয়েন্দা বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। বৈঠকটি ছিল আল-কা/য়ে/দার শীর্ষ নেতা আ/ই/মান আল-জাও/য়া/হিরি সম্পর্কে তার দাবিকৃত তথ্য যাচাই ও সংগ্রহের উদ্দেশ্যে।
তাকে এতটাই বিশ্বাস করা হয়েছিল যে ঘাঁটিতে প্রবেশের সময় কোনো নিবিড় তল্লাশি করা হয়নি। তিনি যখন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছান, তখন নিজের পোশাকের নিচে লুকিয়ে রাখা বিস্ফোরক বিস্ফোরণ ঘটান। এতে CIA-এর সাতজন কর্মকর্তা ও ঠিকাদারসহ মোট নয়জন নিহত হন; এবং তিনি নিজেও শহীদ হোন।
এভাবেই যাকে মার্কিন গোয়েন্দারা মূল্যবান তথ্যসূত্র ও সম্ভাব্য ‘গোল্ডেন সোর্স’ হিসেবে বিবেচনা করেছিল, সেই ব্যক্তিই শেষ পর্যন্ত তাদের আস্থাকে ব্যবহার করে ক্যাম্প চ্যাপম্যানের অত্যন্ত সুরক্ষিত স্থানে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। ঘটনাটি CIA-এর জন্য একটি বড় গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বিপর্যয়ে পরিণত হয়।
এটি ছিল ১৯৮৩ সালের বৈরুত দূতাবাস হামলার পর CIA-এর ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ও মারাত্মক গোয়েন্দা বিপর্যয়ের একটি।
মৃত্যুর পর আল-কা/য়ে/দা তার আগে থেকে রেকর্ড করা ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে। সেখানে তিনি দাবি করেন যে তিনি মূলত আমেরিকান ও জর্ডানি গোয়েন্দা সংস্থাকে বিভ্রান্ত করার ফাঁদ পেতেছিলেন।
একই ভিডিওতে তিনি দাবি করেন যে ১৯৮৯ সালে পেশোয়ারে আল-কা/য়ে/দার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ড. আবদুল্লাহ আজামকে (তাকাব্বালাল্লাহ) হ/ত্যার পেছনে জর্ডানের গোয়েন্দা সংস্থার হাত ছিল।
তিনি যদি কোনো পশ্চিমা রাষ্ট্রের কিংবা কোনো সেক্যুলার ব্যবস্থার হয়ে কাজ করতেন, তাহলে হয়তো আজ কোনো সিনেমা, ক্রাইম থ্রিলার, অ্যাকশন মুভি, ওয়েব সিরিজ কিংবা উপন্যাসে তাকে এক দুর্ধর্ষ ও বুদ্ধিমান হিরো চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করা হতো—যে একাই বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থাকে বুদ্ধি ও কৌশলে পরাস্ত করেছিল।
কিন্তু বাস্তবতার এই দ্বৈত মানদণ্ডের প্রশ্নটি এখানেই সামনে আসে—তিনি আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেই আজ তাকে মূলত ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিত্রিত করা হয়; অথচ একই ধরনের কৌশল, সাহস ও গোয়েন্দা দক্ষতা যদি কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে ব্যবহৃত হতো, তাহলে হয়তো সেই একই ব্যক্তিকে ভিন্ন ভাষায় ‘দুর্ধর্ষ এজেন্ট’, ‘কৌশলী অপারেটিভ’ কিংবা ‘জাতীয় বীর’ হিসেবে উপস্থাপন করা হতো।
আফসোস, আমাদেরই—আমরা মুসলমানরা আজ কাদের ‘হিরো’ হিসেবে গ্রহণ করছি! অথচ আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাসজুড়ে এমন অসংখ্য মহান ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, যাঁদের ঈমান, জ্ঞান, চরিত্র, ত্যাগ, সাহস ও ন্যায়পরায়ণতা আমাদের জন্য প্রকৃত অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে।
আল্লাহর আপনার জান্নাতের মাকাম বুলন্দ করে দিন, হে শহীদ! | 1 135 |
| 20 | No text... | 1 020 |
