en
Feedback
Last Era Analysis ⛛

Last Era Analysis ⛛

Closed channel

Our Official : ⟫ ⓕ Facebook Page : https://www.facebook.com/lastera.analysis ⟫ 🆆 Website : https://last-era-analysis.blogspot.com ⟫ 📂 File Archive : @filearchivebd ⓘ About Us @lastera_analysis

Show more
2 265
Subscribers
+124 hours
-47 days
-1730 days
Posts Archive
“প্রতিটি মুসলিমের উদ্দেশ্য একটি বার্তা।” 📜
— শায়েখ জসিম উদ্দিন রাহমানি (হাফিজাহুল্লাহ) 💕

নিজের নফসকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন? - মাওলানা সাজ্জাদ নোমানি হাফিজাহুল্লাহ

@lastera_analysis এর অফিসিয়াল আলোচনামূলক গ্ৰুপে জয়েন করুন। https://t.me/+CZYIRk8m4jFiNzdl

রিজিক বাড়াতে একটা লুকায়িত ক্ষমতার কথা বলি,
হাসান বাসরি (রহি.) নামে এক বিরাট আলিম থাকতেন মাদিনায়। একবার এক লোক এসে তাঁকে বললেন, এলাকায় খরা চলেছে। হাসান বাসরি (রহি.) বললেন, "ক্ষমা চান আল্লাহর কাছে।" কিছুক্ষণ পর আরেকজন এসে জানাল, তার ছেলে-মেয়ে হচ্ছে না। হাসান বাসরি (রহি.) বললেন, "ক্ষমা চান আল্লাহর কাছে।" আরেকজন এলেন। তার বাগানে ফল ধরে না। হাসান বাসরি (রহি.) বললেন, "ক্ষমা চান আল্লাহর কাছে।" সবাইকে একই সুরাহা দিতে দেখে তাঁর এক ছাত্রের আক্কেল গুড়ুম : "আজিব তো! ৩ জন এলেন ৩ সমস্যা নিয়ে। আপনি সবাইকেই একই ওষুধ দিলেন!" উস্তাদ হাসান বাসরি (রহি.) বললেন, "আমি নিজের থেকে কিছু বলিনি। সূরা নূহে আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন এই টোটটকা।" টোটকাটা কী? নূহ (আ.) বলেছেন, "তোমাদের প্রভুর কাছে ক্ষমা চাও— তিঁনি যে বারে বারে ক্ষমা করেন। তিঁনি তাহলে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি দেবেন মুষলধারে। তোমাদের আয়-রোজগার বাড়াবেন। বংশধর বাড়াবেন। বাগান দেবেন। নদ-নদীর ফোয়ারা প্রবাহিত।"
[সূরা নূহ, আয়াত : ১০-১২]
লেখা : মাসুদ শরীফ (পরিমার্জিত)

ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে চট্টগ্রাম বন্দর : পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে অস্ত্র পাচারের চরম ঝুঁকি স্পেশাল করেসপন্ডেন্টে : সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’-এর হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে এক ভয়ানক জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি সামনে এসেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গোয়েন্দা ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ড পরিচালিত বন্দরগুলো ব্যবহার করে গৃহযুদ্ধ কবলিত দেশগুলোতে অবৈধ অস্ত্র সরবরাহের নজির রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, ডিপি ওয়ার্ল্ডকে চট্টগ্রাম বন্দরের নিয়ন্ত্রণ দিলে ভারতীয় প্ররোচনায় পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এবং পার্শ্ববর্তী দেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর হাতে অবৈধ অস্ত্র পৌঁছানোর এক নিরাপদ করিডোর তৈরি হতে পারে, যা দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘মিডল ইস্ট আই’-সহ একাধিক তদন্তকারী সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, সুদানের আধা-সামরিক বাহিনী 'র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস’ (আরএসএফ)—যারা বর্তমানে সেদেশে গণহত্যা ও ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে লিপ্ত—তাদের কাছে অস্ত্র পৌঁছানোর জন্য সোমালিয়ার ‘বসাসো বন্দর’ এবং সোমালিল্যান্ডের ‘বারবেরা বন্দর’ ব্যবহার করা হয়েছে। এই দুটি বন্দরই ডিপি ওয়ার্ল্ড ও তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান পিঅ্যান্ডও পোর্টস পরিচালনা করে। অভিযোগ রয়েছে, দুবাই থেকে আসা রহস্যময় কার্গো ও বিমানে করে সামরিক সরঞ্জাম এই বন্দরগুলোর মাধ্যমে বিদ্রোহীদের হাতে পৌঁছানো হয়। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ডিপি ওয়ার্ল্ড ২০২০ সালে ইউক্রেনের পিভডেন্নি বন্দরে অবস্থিত টিআইএস কন্টেইনার টার্মিনাল লিজ নেয়। কিন্তু ইউক্রেনের নিরাপত্তাকে তোয়াক্কা না করে ২০২১ সালে ডিপি ওয়ার্ল্ড রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক সংস্থা Rosatom-এর সঙ্গে Northern Sea Route উন্নয়নে সহযোগিতা চুক্তি করে। এই চুক্তিটি ইউক্রেনের নিরাপত্তার জন্য হুমকী এবং ইউক্রেনের সাথে ডিপি ওয়ার্ল্ড এর গাদ্দারী চুক্তি ছিল। অর্থাৎ ইউক্রেনের বন্দর পরিচালনার অন্তরালে ভারতের মিত্র রাশিয়াকে গোপন তথ্য পাচার ও সহায়তা করে। ফলে ইউক্রেন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে "International Sponsor of War" বা ‘আন্তার্জাতিক যুদ্ধের পৃষ্ঠপোষক‘ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, কেবল বাংলাদেশ নয়, ডিপি ওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রিত এই বন্দরটি মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘আরাকান আর্মি’র জন্যও একটি নিরাপদ অ-স্ত্র সরবরাহের করিডোর হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আরাকানের নৈকট্য ব্যবহার করে ডিপি ওয়ার্ল্ডের আন্তর্জাতিক লজিস্টিক চেইন যদি এই বিদ্রোহে সাহায্য করে, তবে বাংলাদেশ এক ভয়াবহ আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকটে পড়বে। এতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে কূটনৈতিক ও সামরিক টানাপোড়েন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। বিশেষ করে সম্প্রতি চীনের প্রস্তাবিত চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর বাস্তবায়নের সম্ভাবনা হ্রাস পেতে পারে। এনসিটি টার্মিনালটি বাংলাদেশের অত্যন্ত স্পর্শকাতর নৌ-ঘাঁটি ‘বিএনএস ঈসা খাঁ’ এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনার ঠিক পাশেই অবস্থিত। জিবুতি ও সোমালিয়ার মতো ডিপি ওয়ার্ল্ড যদি এই বন্দরটিকেও কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা বা লজিস্টিক ব্লুপ্রিন্টের অংশ হিসেবে ব্যবহার করে, তবে বাংলাদেশের অখন্ডতা ও সার্বভৌমত্ব সংকটের মধ্যে পড়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিপি ওয়ার্ল্ডকে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়া শুধু বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি একটি কৌশলগত ঝুঁকি। জিবুতি, সোমালিয়া, সোমালিল্যান্ড, ইয়েমেন ও ইউক্রেনের তিক্ত অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে, ডিপি ওয়ার্ল্ড যেখানেই গেছে সেখানেই রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে নতুন কোনো গৃহযুদ্ধের রক্তক্ষরণ এড়াতে এবং জাতীয় নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রাখতে এই বিতর্কিত চুক্তি প্রক্রিয়া এখনই বাতিল করার দাবি উঠেছে সচেতন মহলে। কপি : বন্দর টাইমস

হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে বসে ইসকনের মিটিং! | Amar Desh

মাদরাসা জীবনের এক লজিংবাড়িতে পেঁয়াজ-মরিচ আর পান্তাভাত ছিল আমার নিয়মিত খাবার। আজ চারিদিকে যখন বৈষয়িকতা, আত্মকেন্দ্রিকতা আর স্বার্থপরতার মন খারাপ করা নানান গল্প শুনি, তখন শৈশবের সেই স্মৃতিটা বারবার মনে পড়ে যায়। স্মৃতিটি একই সাথে করুণ আবার মধুরও। আমার বয়স তখন এগারো-বারো। ওই অল্প বয়সে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার দোয়ালিয়া গ্রামের একটি মাদরাসায় ভর্তি হয়েছি। কিতাব বিভাগের একেবারে প্রথম দিকের ক্লাসে পড়ি। সে সময় গ্রামাঞ্চলে ছাত্রদের লজিং রাখার চল ছিল। তখন আমিও একটা বাড়িতে লজিং থাকা শুরু করি। মাদরাসার খাবারের খরচ জোগানোর সামর্থ্য আমার বাবার ছিল। কিন্তু বোর্ডিংয়ের খাবারের তুলনায় লজিং বাড়ির খাবার কিছুটা ভালো হওয়ায় আমার এই লজিং থাকার সিদ্ধান্ত। সেকালে যারা ছাত্রদেরকে লজিং রাখতেন, তারা যে খুব অবস্থাপন্ন ছিলেন, তা কিন্তু নয়। বরং বাবা-মার আদর ফেলে দূর থেকে পড়তে আসা একটা নাবালেগ ছেলের খাবারের দায়িত্ব নেয়াকে তারা নিজেদের কর্তব্য মনে করতেন। কাজটাকে তারা ভালোও বাসতেন। লজিংয়ে পালাক্রমে কয়েকটি পরিবার থেকে আমার খাবারের ব্যবস্থা হতো। একটি পরিবারের কথা স্মরণ হলে এখনো আমার মন খারাপ হয়। পরিবারটি ছিল অত্যন্ত গরিব। বাঁশের বেড়া দেয়া একচালা টিনের ঘর ছিল তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই। একটু জোরে বাতাস হলেই পুরো ঘর নড়বড় করত। দিনের বেলা বেড়ার ফাঁক দিয়ে ঢুকত সূর্যের আলো। এমন বহুবার হয়েছে, আমি ঘরের মেঝেয় বসে ভাত খাচ্ছি আর আমার মুখের ওপর এসে পড়েছে রোদের কিরণ। ঘরের আসবাবপত্র বলতে ছিল বাঁশের খুঁটির ওপর কাঠের পাটাতন দেয়া চৌকি। ঘরের কোনায় কাঠের তাকের ওপর রাখা হতো থালা-বাসন, রশির সাথে ঝুলত কাপড়-চোপড়। এই পরিবারটির কাছে যখন আমার খাবারের পালা আসত, পেঁয়াজ-মরিচ দিয়ে পান্তাভাতের থালা সাজিয়ে দিত। আর সাথে থাকত বাড়ির পোষা মুরগির ডিম ভাজি। হলুদ রঙের ডিম ভাজিটি সাদা পান্তার পটভূমিকায় প্লেট জুড়ে ফুলের মতো ফুটে থাকত। তখন না বুঝলেও এখন বুঝি, এই ডিম গরিব সেই পরিবারটির আয়ের অন্যতম উৎস ছিল। আজ হতে বহু বছর আগে অচেনা এক মাদরাসা-বালকের জন্য হতদরিদ্র পরিবারটি যে দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন, ভাবলে এখন হৃদয় বিগলিত হয়। এই পরিণত বয়সে এসে এখন উপলব্ধি করতে পারি, গরিব হলেও তাদের হৃদয়টা ছিল বড়। সেই বড় হৃদয় তাদেরকে অমন দুঃসাহসী হওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছিল। আজ আমরা, গ্রাম বলুন কিংবা শহর, অর্থনৈতিকভাবে ওই পরিবারটির চেয়ে বহুগুণ ভালো আছি। কিন্তু তারপরও অচেনা শিক্ষার্থীর দু বেলা খাবারের দায়িত্ব নেয়া দূরে থাক, আত্মীয়-স্বজন আসলেই বেশিরভাগ মানুষ আমরা বিরক্ত হই। আত্মীয় বিদায় নিলে স্বস্তিবোধ করি। কেন এমন হলো? কারণ, সময়ের পালাবদলে আজ আমাদের অর্থের বৈভব বেড়েছে, কিন্তু হৃদয়টা সেভাবে বড় হয়নি। ফলে এই সংকীর্ণ হৃদয়ে পরার্থপরতা ও ত্যাগের মতো মহৎ গুণের আর জায়গা হয় না। আর একারণে বিত্তবান হওয়া সত্ত্বেও আত্মিকভাবে আমরা সুখী হয়ে উঠতে পারছি না। নবীজি (সা.) ঠিকই বলেছেন, ধন-সম্পদ বেশি থাকাই প্রকৃত ধনাঢ্যতা নয়; বরং প্রকৃত ধনাঢ্যতা হলো আত্মার ধনাঢ্যতা। তাই আসুন, প্রকৃত সুখী মানুষ হওয়ার জন্য অল্পে তুষ্ট থাকি, আত্মাকে বড় বানাই, ভোগ নয় ত্যাগের সাধনায় নিজেকে ব্যাপৃত রাখি। -শায়খ আহমাদুল্লাহ

ওই সময় দোকানদার লক্ষ্য করলেন ছেলেটি হাতে লাল ফিতা বাঁধা রয়েছে, যার ফলে বিষয়টি দোকানদারের সন্দেহ হলে তিনি তাদেরকে অনুসরণ করেন এবং স্থানীয়দের অবগত করেন। ইতোমধ্যে হিন্দু ছেলেটি মেয়েটিকে নিয়ে নিয়ে হোটেলে চলে যায়। পরে স্থানীয় জনতা হোটেল ম্যানেজারকে নিয়ে ওই রুমের দরজায় নক করলে হিন্দু যুবক দরজা খোলতে রাজি হয়নি। অনেকক্ষণ চেষ্টার পর দরজা খোললে হাতেনাতে যুবককে আটক করা হয়। এ ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ‎ ‎পরবর্তীতে জনতা হিন্দু ছেলেটিকে স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩ বছর বয়সী মাদরাসা ছাত্রীকে ফুসলিয়ে হোটেল এনে ধর্ষণ করা অবস্থায় আটক হিন্দু যুবক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩ বছরের এক মাদরাসায় পড়ুয়া ছাত্রীকে ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে আবাসিক হোটেলে এনে ধর্ষণ করেছে এক হিন্দু যুবক। এ সময় স্থানীয় জনতা হোটেল থেকে হাতেনাতে হিন্দু যুবককে আটক করেছে। শনিবার (৪ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশ্বরোড মোড়ে লালশালুক নামে একটি হোটেলের আবাসিক কক্ষের ভিতর থেকে জনতা তাকে আটক করে। ‎ ‎ঘটনার বিবরণে জানা যায়, হিন্দু ছেলেটি মুসলিম মেয়েটিকে ফুসলিয়ে বিশ্বরোড মোড়ে আসতে বলে। মেয়েটির কাছে মোবাইল না থাকায় মোড়ে এসে সে হোটেলের পাশের একটি দোকানদারের মোবাইল থেকে হিন্দু ছেলেটিকে ফোন করে। ফোন করার পর ছেলেটি মেয়েটির কাছে আসে।

আপনার কি আসলেই ইচ্ছাশক্তির (Willpower) অভাব, নাকি ফুড ইন্ডাস্ট্রি আপনার ব্রেন হাইজ্যাক করছে? আজকাল সুপারশপে গেলে বা বাচ্চার টিফিনের জন্য খাবার কিনতে গেলে আমরা কি আসলেই পুষ্টিকর কিছু কিনছি, নাকি ব্রেনকে আসক্ত করার কোনো ফাঁদে পা দিচ্ছি? ইউএসসি (USC)-এর গবেষকদের একটি সাম্প্রতিক গবেষণা এবং ব্রেন স্ক্যান (Brain Scan) রিপোর্ট আমাদের চোখ খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা প্রতিনিয়ত যে হাই-ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ (High Fructose Corn Syrup - HFCS) বা রিফাইনড ফ্রুক্টোজ খাচ্ছি, তা আমাদের মস্তিষ্কের সাথে ভয়ঙ্কর এক খেলা খেলছে। গবেষণার মূল ৫টি তথ্য যা একজন সচেতন মানুষ বা প্রফেশনাল হিসেবে আপনার জানা জরুরি: ১. তীব্র আকাঙ্ক্ষার এক অন্তহীন চক্র (Craving Loop) গ্লুকোজের তুলনায় কৃত্রিম ফ্রুক্টোজ আমাদের মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সেন্টারে (Reward Centre) ৪০% পর্যন্ত বেশি উদ্দীপনা তৈরি করে। স্ক্যান রিপোর্টে ফ্রুক্টোজ খাওয়ার পর মস্তিষ্কে যে লাল রঙের বড় বিস্ফোরণ দেখা যায়, তা কিন্তু তৃপ্তির নয়। এটি মূলত মস্তিষ্ককে এমন এক তীব্র আকাঙ্ক্ষার চক্রে ঠেলে দেয়, যার ফলে আপনার খাওয়া শেষ হওয়ার আগেই ব্রেন আরও বেশি খাবার দাবি করতে থাকে। ২. "পেট ভরেছে" - এই সংকেতটাই ব্রেন পায় না স্বাভাবিক গ্লুকোজ শরীরে ইনসুলিন নিঃসরণ করে ব্রেনকে সংকেত দেয় যে পেট ভরে গেছে, এবার খাওয়া বন্ধ করো। কিন্তু ফ্রুক্টোজ এই পুরো সিস্টেমটাকে বাইপাস বা এড়িয়ে যায়। এই কারণেই এক বোতল কোল্ড ড্রিংকস বা এনার্জি ড্রিংকস খাওয়ার ২০ মিনিট পরেও আমাদের ক্ষুধা কমে না, বরং আরও ফাস্টফুড খেতে ইচ্ছে করে। ৩. আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নষ্ট করে গবেষণায় দেখা গেছে, ফ্রুক্টোজ সেবনের পর মানুষ ভবিষ্যতের বড় কোনো রিওয়ার্ড (যেমন: টাকা) ছেড়ে দিয়ে তাৎক্ষণিক উচ্চ-ক্যালোরির অস্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেয়। অর্থাৎ, দোষ আপনার ইচ্ছাশক্তির নয়; ফ্রুক্টোজ সরাসরি আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে হাইজ্যাক করে। ৪. বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি কোথায় লুকিয়ে আছে? আমরা ভাবি ফ্রুক্টোজ মানে শুধু কোক, পেপসি বা মিষ্টি খাবার। ভুল! আমাদের দেশের বাজার ও সুপারশপগুলোর দিকে তাকান: * বাচ্চাদের স্কুলের টিফিনের পাউরুটি বা বান * টমেটো ক্যাচআপ বা পাস্তা সস * তথাকথিত হেলদি প্যাকেটজাত দই (Yogurt) * সালাদ ড্রেসিং, চিপস এবং বিভিন্ন চাটনি বা আচার এমনকি যে খাবারগুলো খেতে মিষ্টি নয়, সেগুলোতেও স্বাদ বাড়ানো এবং সংরক্ষণের জন্য এই ফ্রুক্টোজ লুকিয়ে রাখা হয়। আমরা অজান্তেই দিনে বহুবার এটি খাচ্ছি। ৫. তাহলে কি ফল খাওয়াও ক্ষতিকর? একেবারেই না! আস্ত ফলের (Whole Fruit) ফ্রুক্টোজ এবং প্রসেসড ফ্রুক্টোজের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত রয়েছে। ফলের মধ্যে থাকা ন্যাচারাল ফাইবার (Fibre) ফ্রুক্টোজ শোষণের গতিকে ধীর করে দেয়, যা শরীরের জন্য নিরাপদ। সমস্যা আপেল বা আমে নয়; সমস্যা হলো ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা প্রসেসড ফ্রুক্টোজে। সচেতনতার সময় এখনই সুপারমার্কেটের তাকে থাকা সিংহভাগ প্যাকেটজাত খাবারই এমনভাবে 'ডিজাইন' বা ইঞ্জিনিয়ারড করা হয়েছে, যাতে আপনার ব্রেন এগুলোর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। পরের বার বাজারের ব্যাগ হাতে নেওয়ার আগে বা বাচ্চার জন্য কোনো প্যাকেটজাত খাবার কেনার আগে, লেবেলটি ভালো করে পড়ে নিন। কর্পোরেট লাইফের ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে নিজের এবং পরিবারের অজান্তে কোনো ক্ষতি করছেন না তো? © সংগৃহিত

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন, গুনাহ বা পাপকাজ ত্যাগ করার উপকারীতা হলো : ১. সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ২. মানুষের অন্তরে মর্যাদা লাভ হয়। ৩. পূর্বে লোকেরা ক্ষতি করে থাকলে লোকদের কাছ থেকে সাহায্য এবং নিরাপত্তা। ৪. লোকেরা যদি গীবত করে থাকে, তাহলে তার সম্মান রক্ষা পায়। ৫. আল্লাহ তার দুয়া কবুল করেন। ৬. আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য। ৭. ফেরেশতাদের নৈকট্য। ৮. মানুষ ও জিনদের মধ্য থেকে যারা শ*য়তান তারা দূরে সরে যায়। ৯. লোকেরা তাকে সাহায্য করার জন্য, তার চাহিদা পূরণ করার জন্যে এবং তার সাহচর্য ও ভালোবাসা পাওয়ার জন্য প্রতিযোগীতা করবে। ১০. সে মৃ*ত্যুকে ভয় করবেনা। বরং আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাৎ লাভের জন্য ও তাঁর কাছ থেকে পুরষ্কার পাওয়ার জন্যে আগ্রহী হবে। ১১. এই দুনিয়া তার দৃষ্টিতে তুচ্ছ মনে হবে এবং পরকালকে অনেক মূল্যবান মনে করবে। ১২. পরকালে অনেক বড় রাজত্ব ও মর্যাদা পাওয়ার জন্যে চেষ্টা করবে। ১৩. আল্লাহর আনুগত্যের স্বাদ ফিরে পাবে। ১৪. ঈমানের মিষ্টতা অনুভব করবে। ১৫. আরশ বহনকারী ফেরেশতা ও আরশের চারপাশে আল্লাহর প্রশংসাকারী ফেরেশতাদের দু'আ লাভ করবে। ১৬. কেরামান কাতেবীন- দুইজন ফেরেশতা তার উপরে খুশি থাকবে এবং তারা তার জন্যে দু'আ করবে। ১৭. জ্ঞান, বুদ্ধি ও ঈমান বৃদ্ধি পাবে। ১৮. আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হবে। ১৯. আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ কামনা করবে। ২০. তওবাহ করে পবিত্র জীবন-যাপনের উপরে সন্তুষ্ট থাকবে। ২১. আল্লাহ তাকে এমন সুখ ও শান্তি দান করবেন, যা সে যখন পাপ কাজে লিপ্ত ছিলো তা থেকে বঞ্চিত ছিলো।
[সূত্র : আল-ফাওয়ায়েদ, পৃ. ২৫৫]

সরকার ১৫ বছর পর পর NID নবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা ভাবছে। ১০০ টাকা করে চার্জ করবে। সরকারের একটা ভালো আয় হবে সন্দেহ নাই। তবে ন
সরকার ১৫ বছর পর পর NID নবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা ভাবছে। ১০০ টাকা করে চার্জ করবে। সরকারের একটা ভালো আয় হবে সন্দেহ নাই। তবে নবায়নের কারণ হিসেবে যা দেখানো হচ্ছে, তার একটি ধারা উদ্বেগজনক। বলা হচ্ছে মানুষ লিঙ্গ পরিবর্তন সার্জারি করে লিঙ্গ পরিবর্তন করতে পারেন, তাই NID নবায়ন করতে হবে। দেশের ২০ কোটি মানুষের কতজন লিঙ্গ পরিবর্তন সার্জারি করে? হিজড়াদের কেউ যদি করে, তাহলে সেটা কত শতাংশ হতে পারে? সেটা তো উল্লেখযোগ্য কোন কারণ হতে পারে না। কোন হিজড়া সার্জারি করলে সেটা নিজ উদ্যোগেই NID সংশোধন করা যায়। দেশব্যাপী নবায়নের একটা কারণ তো তা হতে পারে না। রইল বাকি এলজিটিভির গান্ডুগুলো। এই গান্ডূগুলো ছেলে থেকে মেয়ে হবার চেষ্টা করছে সার্জারির মাধ্যমে। জেন্ডার ডিসফোরিয়ার কারণে কিছু গান্ডু দেশের বাইরে গিয়ে এই কাজ করে আসছে। বিশেষ করে ভারত এই সুবিধা দিচ্ছে। এই মানসিক বৈকল্যকে গুরুত্ব দেয়ার কারণ কী? সরকার কি তাহলে এই বিকৃতির স্বীকৃতি দিতে চাইছে?

যারা PDF, DOC, HTML, XLS, APK, PLP, ZIP, FONT, MP3, MP4, JPG, PNG এবং আরো অন্যান্য ফাইল ডাউনলোড দিতে চান তারা চ্যানেলে জয়েন হয়ে যান। ইনবাইট দিন, শেয়ার করুন। চ্যানেল লিংক - https://t.me/+HctdW8q2RxFiMjQ1

Repost from Nasim Ahmad
গাইবান্ধায় রাম মূর্তি নির্মাণে আলোচিত হরিদাস সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল সিআইডিঃ ১। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর মধ্য রামচন্দ্রপুর
গাইবান্ধায় রাম মূর্তি নির্মাণে আলোচিত হরিদাস সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল সিআইডিঃ
১। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্ৰামের বাসিন্দা হরিদাস চন্দ্র তরনীদাস।
২। ২০১০ সালে অবৈধভাবে ভারতে গিয়ে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফেরেন।
৩। ২০১৯ সালে ইসলাম ধর্ম গ্ৰহণ করে “তৌহিদ ইসলাম” নাম ধারণ করেন।
৪। নিজেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তার করতেন।
৫। ২০২২ সালে প্রতারণা ও জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় RAB এর হাতে গ্রেপ্তার হোন।
৬। মুক্তির পর এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
৭। ২০২৫ সালে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ৮১ ফুট উচ্চতার রাম মূর্তি নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে কাজ শুরু করেন।
৮। তার বিভিন্ন ব্যাংক ও এমএফএস হিসাবে ৯.৩৫ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
৯। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ধারায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এবার একটু ভেবে দেখেন তো, হিন্দু মুসলিম সাজা বা নাম পরিবর্তন করে মুসলিম পরিচয় দেওয়া। এবং চলমান ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপের ঘটনা কত পুরোনো! এই পুরোনো গভীর ষড়যন্ত্র এখন বাস্তবে চোখের সামনে। — Nasim Ahmad

Disclaimer: This is not an antisemitic post ইসরাইল ও গাযার সাথে আমাদের ম্যাপের খুব মিল। তিনদিকে শত্রুদেশ, আর একদিকে সাগর। গাযার মত পরিণতি আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে, যদি আমরা ইসরাইলের মতো প্রস্তুতি না নিই। ইসরাইল এর মাঝে ৩টা যুদ্ধ করে ফেলেছে প্রতিবেশীদের সাথে। ১৯৪৮, ১৯৬৭, ১৯৭৩। তিনটাতেই জিতেছে। আমি ২টা কারণ বের করেছি। ১. গণ-রেডিকালাইজেশন (খারাপ অর্থে না) ২. গণ-মিলিটারাইজেশন মানে, 'এই ধরনের ম্যাপে' আপনি এই দুটা জিনিস ছাড়া স্বাধীনতা ধরে রাখতে পারবেন না। মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারবেন না। ১. গণ-রেডিক্যালাইজেশন: জায়োনিস্টদের মাঝে একটা অংশ নাস্তিক হলেও সাধারণ ইসরাইলী নাগরিকদের মাঝে তারা কট্টর ধর্মীয় রাজনীতিটা মেইনস্ট্রীম করতে পেরেছে। ইসরাইলের প্রত্যেক সেটেলার ধার্মিক না হলেও ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদী ও কট্টর সাম্প্রদায়িক। তাদের শিক্ষাব্যবস্থা, মিডিয়া সবকিছুতে আরবদের প্রতি ঘৃণা উস্কানো হয়। নৃতাত্ত্বিকভাবে বিচ্ছিন্ন (পোলিশ, রুশ, জার্মান, আরব, আফ্রিকান, হিব্রু) হওয়া সত্ত্বেও ইহুদি ধর্ম এবং ইহুদি জাতির স্বদেশের প্রেরণা তাদেরকে সিমেন্টিং করে রাখে। এই রেডিক্যালাইজেশন তাদেরকে কয়েকটা জিনিস জোগায়: - জাতীয় ঐক্য ও সংগঠিত থাকা (ভাসাভাসা না) - জাতীয় সজাগ অবস্থা (এলার্টনেস) - মজবুত আত্মপরিচয় (কনফিউশনহীন) - আত্মোৎসর্গের একটা শক্তপোক্ত কারণ (শাহাদাত) এগুলো না হলে তারা এত বছর আরব রাষ্ট্রগুলোর ঘেরাওয়ে টিকে থাকতে পারত না। ইসরাইলীরা যদি আমাদের মত অসাম্প্রদায়িক হত, তাদের শাসকরা যদি রাম-বাম-শাহবাগী-সেক্যুলার হত, আর আমাদের মত মিডিয়া সাহা যদি ওদেশে থাকত, তাহলে তারা বহু আগেই আরবদের কাছে হেরে বসে থাকতো। কারণ সেক্যুলাররা ধর্মকে লঘুকরণ করে এই ৪টা জিনিস কমিয়ে দেয়, যা 'এ ধরনের ম্যাপে' আত্মহত্যার শামিল। ২. গণ-মিলিটারাইজেশন: ইসরাইলে ১৮ বছর হলে নারী-পুরুষ সবাই বাধ্যতামূলক সামরিক ট্রেনিং গ্রহণ ও সেনাবাহিনীতে সার্ভিস করে। পুরুষ ন্যূনতম ৩২ মাস, নারী ২৪ মাস চাকরি করে। কিছু কারণ দেখালে মাফ পাওয়া যায়, তারপরও ৫০% ইহুদি নাগরিক এই ট্রেনিং গ্রহণ করে। এবং ৪০ বছর বয়স অব্দি রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে যেকোন সময় তাদেরকে ডাকা হতে পারে। ৮০ লক্ষ ইহুদির মধ্যে অর্ধেক বাদ দেন ১৮ এর কম, ৪৫ এর বেশি। ৪০ লক্ষ নাগরিকই ট্রেনিংপ্রাপ্ত সৈন্য। এটা একটা বিরাট ডিটারেন্স (ভয়প্রদর্শন) প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোর জন্য। তাদের সবগুলোর রেগুলার-রিজার্ভ মিলিয়ে এত সৈন্য নেই। আর সরকারি বাজেটের ২০% প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করে ইসরাইল, ৩৪ বিলিয়ন ডলার ফিবছর। আমেরিকা থেকে কেনার পাশাপাশি নিজেও উচ্চমানের যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরি ও রপ্তানি করে। এখন কল্পনা করেন, বাংলাদেশে ১৬ কোটি মুসলিম ধরলাম। ৮ কোটি বাদ দেন ১৮ এর নিচে, ৪৫ এর উপরে। ৪ কোটি নারীও বাদ দেন। অজুহাত দেখিয়ে ৫০% পুরুষও বাদ দেন। তবু ২ কোটি প্রশিক্ষিত সৈন্য থাকবে, যারা অস্ত্র চালাতে জানে। এটাই ডারতের জন্য ডিটারেন্স। সম্প্রতি সরকার দলীয় একজন এমপি এই প্রস্তাব রেখেছেনও। আর প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াতে হবে। এনসিপির একজন নেতা বলেছিলেন, একবেলা কম খেয়ে হলেও সামরিক বাজেট বাড়াতে। জি, এটাই 'এই ম্যাপে' বাস্তবতা। নিজ ঘরে স্ত্রী-কন্যাদের ডারতীয় বাহিনীর হাতে ধর্ষিত হতে দেখার চেয়ে এক বেলা কম খেয়ে শক্তি জোগাড় করা ভাল। 'এই টাইপ ম্যাপে' এটা ছাড়া উপায় নেই। বিএনপি সরকার এখন পর্যন্ত এসব ব্যাপারে ইতিবাচক অবস্থানেই আছে। বগুড়ায় ড্রোন কারখানা নির্মাণ, ঠাকুরগাঁও এয়ারপোর্ট, রংপুর বিভাগে আধুনিক বিমানঘাঁটি, চীনা বিমান ক্রয়, সেনাবাহিনী উন্নত করতে ৮৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা এগুলো অত্যন্ত পজিটিভ। তবে বিএনপির ভিতরও কিছু ডারতীয় ইলিমেন্টস আছে, সেগুলোকে শক্তিশালী হয়ে গেলে সমস্যা। তবে লক্ষ্য করবেন তথাকথিত অসাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী রাম-বাম-মিডিয়া মিলে প্রায়ই এসব পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কথা বলে। ডারতের পক্ষে প্রক্সি কারা দিচ্ছে, আমরা আগে থেকেই জানি, এই ইস্যুতে আরও স্পষ্ট হয়ে যায়। ইনিয়ে বিনিয়ে গণ-রেডিক্যালাইজেশন ও গণ-মিলিটারাইজেশনের বিরুদ্ধে এরা কথা বলে। উগ্র সাম্প্রদায়িক শত্রুর বিপরীতে অসাম্প্রদায়িকতার দোহাই দিয়ে আমাদের অপ্রস্তুত রাখতে চায়। সমাজে ইসলামের প্রভাব কমানো, অনৈসলামী উপাদান বাড়ানোর পক্ষে এডভোকেসি করে এরা আমাদের সংহতি কমিয়ে রাখে, কনফিউশন তৈরি করে। সামরিক বাজেট বাড়ানো হলে এদের নাকিকান্না শোনা যায়। পাহাড়ে শৃঙ্খলা আনতে চাইলে, সেনাক্যাম্প হটাও বলে এদের হুক্কাহুয়া শুরু হয়। আমার আপনার ঘরে কাশ্মীরের মত ডারতীয় বাহিনী ঢুকে পড়লে সে দায় থাকবে এই ফিফথ কলামের, ২৪-এর পর এরাই নব্য-রেজাকার, ঘরের শত্রু বিভীষণ। শুরুর কথাটাই আবার বলি: যদি আমরা ইসরাইলের মত প্রস্তুতি না নিই, আমাদের পরিণতি হবে গাযার মতো। - ডা. শামসুল আরেফীন শক্তি (হাফিজাহুল্লাহ)

যদি আমরা ইসরাইলের মত প্রস্তুতি না নিই, আমাদের পরিণতি হবে গাযার মতো। বিস্তারিত পরের পোস্টে....
যদি আমরা ইসরাইলের মত প্রস্তুতি না নিই, আমাদের পরিণতি হবে গাযার মতো। বিস্তারিত পরের পোস্টে....

আখেরী জামানা নিয়ে কি লেখা চান জানতে চেয়েছিলাম। মাত্র ২ জন প্রশ্ন করেছেন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তরগুলো দেওয়া হলো-
প্রশ্নকর্তা -১
গ্লোবাল এলিটদের দৈনিক রুটিন, তারা কীভাবে সারাদিন পার করে, কী তেলে খাবার খায়, সন্তানদের কী শেখায়, তাদের বিশাল এস্টেট-এ কি বিকালে ঘোড়া নিয়ে প্রকৃতি দেখে, ইন্টারনেট কীভাবে ব্যবহার করে? তারা আমাদের যা বলে অবশ্যই তারা তা মানে না।
উত্তরঃ
গ্লোবাল এলিটরা দৈনিক রুটিন, সারাদিন পার করে কীভাবে এটা জানা সম্ভব নয়। তবে এটা নিশ্চিত পৃথিবীবাসীকে যে নিয়ম ধরিয়ে দিয়েছে তা তারা মানে না। পশ্চিমারা সন্তানদের কি শিখাবে আর, অপসংস্কৃতি আর উসৃঙ্খলা শিখায়। যেমনটা পশ্চিমা দেশগুলোতে দেখেন। তাদের এই অপসংস্কৃতি আমাদের দেশে প্রচলন করতে সূক্ষ্মভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের সচেতন হওয়া উচিত। তারা কী তেলে খাবার খায় জানতে হলে তাদের কিচেন দেখে আসতে হবে। এছাড়া জানার উপায় নেই। তারা শুধু ঘোড়া না, সবধরনের বিনোদন ঐ করে। আর ইন্টারনেট সীমিত ব্যবহার করে। আমাদের মতো অনিয়ন্ত্রিত নয়। তারা এমনভাবে ভ্রম সৃষ্টি করেছে যে, আমরা তাদের নিয়ন্ত্রণে কখন চলে গেছি সেটাও অজানা।
প্রশ্নকর্তা -২
১.ইরানের আমেরিকা বিজয়ের তাৎপর্য। নির্মোহ বিশ্লেষণ চাই। যুদ্ধ কি বন্ধ হয়ে গেল না কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রয়েছে? ২. সামনে সুন্নী শিয়া গৃহযুদ্ধ আসন্ন কিনা? ৩. আল্লাহ সব কিছু ভালো জানেন। সামনে যদি ইমামুল মাহদী শিয়াদের মধ্য থেকে আসেন (যেহেতু রাসুল বলছেন তার ডিসেনডেন্ট থেকে হবেন,হলেও হতে পারে আল্লাহ ভালো জানেন) আমাদের করণীয় কি? ৪. সামনের কোন ভারতীয় আগ্রাসনে যদি আমার কোন বাংলাদেশী ভাই আমার বিপক্ষে চলে যাই আমার করণীয় কি হবে?
উত্তরঃ
১. ইরানের ইসফাহান থেকে দাজ্জাল বের হবে এবং ইসফাহানের ৭০ হাজার ইহুদি অনুসারী হবে। ইসরায়েলের আনুগত্য করবে এমন সরকার বসাতে হবে আর নয়তো যুদ্ধ করে দখল নিতে হবে। এই দুই পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে যুদ্ধ চলবে নাকি বন্ধ হবে। ২. সুন্নী শিয়া গৃহযুদ্ধ হবে কিনা এটা ভবিষ্যতের পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল। বর্তমান দেখা বলা সম্ভব নয়। ৩. আপনি ভুল জানেন। ইমাম মাহদী শিয়াদের থেকে আসবে না। ৪. ভারতীয় আগ্রাসনে ব্যপারে বুঝিতে হবে। ভারত কেন শত্রু সেটা বুঝাতে হবে। ইসলামের অতীত ইতিহাস দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি ভূরাজনীতি, কুরআন-সুন্নাহ দিয়েও বুঝতে হবে।

আর যে ঘরে একজন মা ক্লান্ত, হাঁপিয়ে ওঠা — সেই ঘরের পুরুষদের জন্যও কথা আছে। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরের কাজে হাত লাগাতেন, পরিবারকে সময় দিতেন। স্ত্রীর দীর্ঘশ্বাস শোনার মানুষ থাকলে সে প্রজাপতি হতে চায় না। উড়ে যাওয়ার দরকার নেই। ডানা নয়, দরকার উদ্দেশ্য। আল্লাহ আমাদের ঘরগুলোকে প্রশান্তির জায়গা বানিয়ে দিন। আমীন।

সম্প্রতি অনলাইনে একজন নারীর পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। সেখানে সেই নারী বলেছে, 'মাঝে মাঝে তার ইচ্ছে করে স্বামীকে ডিভোর্স দিতে, তার নি
সম্প্রতি অনলাইনে একজন নারীর পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। সেখানে সেই নারী বলেছে, 'মাঝে মাঝে তার ইচ্ছে করে স্বামীকে ডিভোর্স দিতে, তার নিজের ছেলেকে এবান্ডান করতে এবং প্রজাপতি হয়ে উড়ে যেতে।' রসিকতার ছলে বলা হয়তো, কিন্তু ভেতরে একটা দীর্ঘশ্বাস লুকানো — এই সংসার, এই দায়িত্ব, এই একঘেয়ে জীবন থেকে পালিয়ে কোথাও চলে যাই। এই জীবন থেকে মনে হয় কীটপতঙ্গের জীবনই ভালো। প্রশ্নটা হাসির না। প্রশ্নটা গভীর — এত কিছু থাকার পরও শূন্য লাগে কেন? উত্তরটা হয়তো এখানে: মানুষ শুধু খেয়ে-পরে বাঁচার জন্য সৃষ্টি হয়নি। মানুষের অন্তর বানানোই হয়েছে একটা উদ্দেশ্যের জন্য — তার রবের পরিচয়, তাঁর ইবাদত, তাঁর সন্তুষ্টি। এই উদ্দেশ্যটা জীবনে না থাকলে প্রাসাদেও দম বন্ধ লাগে। আর থাকলে? তখন ন্যাপি বদলানোও ইবাদত হয়ে যায়। রাত জেগে বাচ্চা সামলানো হয়ে যায় সদকা। সংসারের প্রতিটা ক্লান্তি হয়ে যায় মিযানের পাল্লায় জমা হওয়া নেকি। একই কাজ, একই ক্লান্তি — শুধু নিয়্যত বদলে গেলে পুরো জীবনের মানে বদলে যায়। জান্নাত মায়েদের পায়ের নিচে — এই ঘোষণা যিনি দিয়েছেন, তিনি জানতেন মাতৃত্ব কত কঠিন। কঠিন বলেই তো এত বড় প্রতিদান।

আমি ফুটবল দেখিনা। তবে, FIFA World Cup এ আর্জেন্টিনা ও মিশরের আলোচিত ম্যাচটির বিষয়ে কিছু মজার তথ্য দিতে পারি আমি।
০১|
আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার ম্যাচের রেফারির নাম হলো François Letexier। আলোচ্য ফ্রেঞ্চ রেফারির জন্ম হয়েছিল একটি অর্থোডক্স ইয়াহুদি পরিবারে। যার দাদা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানদের থেকে পালিয়ে পরবর্তীতে ওদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল। আশা করি বোঝা গিয়েছে।
০২|
Peter Thiel নামের একজন ব্যক্তি রয়েছে। যার Palantir Technologies Inc দুনিয়ার অধিকাংশ ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশন ও সামরিক বাহিনীর ওপর প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করতে সমর্থ হয়েছে। বিশেষ করে US Intelligence Community, UK Intelligence Community যার মাঝে উল্লেখযোগ্য। Israeli Intelligence Community এর সাথে লোকটির নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। গাজায় Israeli Air Force এর বিমান হামলার টার্গেট সিলেকশনে লোকটির সংস্থার তৈরি করা Artificial Intelligence সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কিছুদিন হলো Peter Thiel নিজের পুরো পরিবার নিয়ে আর্জেন্টিনায় চলে গিয়েছে৷ সেখানে ১২ মিলিয়ন ডলারের ম্যানশন কিনে নিজের বাচ্চাদের আর্জেন্টিনার রাজধানী শহরের একটি স্কুলে ভর্তি করিয়েছে।
০৩|
আর্জেন্টিনার বর্তমান রাষ্ট্রপতি একজন কট্টর ইসরায়েলপন্থী। এমনকি সে নিজেকে ইয়াহুদী বংশোদ্ভূত দাবি করে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের সাথে আর্জেন্টিনার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে সে অত্যধিক সোচ্চার। এমনকি, সে নিজেকে উগ্র ইয়াহুদী বলে দাবি করে থাকে। রাষ্ট্রপতি পদ গ্রহণের পূর্বে সে নিঊ ইয়র্কে Chabad-Lubavitch Hasidic Movement এর ইয়াহুদি ধর্মগুরু Menachem Mendel Schneerson এর কবর পরিদর্শন করেছিল। মনে রাখার বিষয় হলো, রাষ্ট্রপতি হওয়ার পূর্বে President Donald Trump নিজেও একই কাজ করেছিল। সবমিলিয়ে, বর্তমান আর্জেন্টিনা দেশটি একটি অন্ধকারের আবরণে আচ্ছাদিত হয়ে রয়েছে। আমি যার খুব সামান্য একাংশ তুলে ধরেছি। স্বল্প পরিসরে এর থেকে বেশি সম্ভব না আসলে। আর্জেন্টিনা স্রেফ নিরপরাধ ফুটবলের দেশ নয়। এটি স্মরণে রাখলে ভালো করবেন। মুহাম্মাদ ফাওয়াজ আল-ওয়াহিদি, মিসরের পক্ষ হতে গাজায় শরণার্থী সহায়তার দায়িত্ব পাওয়া একজন কর্মকর্তা। তিনি গাজায় শরণার্থীদের ফুটবল দেখার জন্য স্ক্রিনের ব্যবস্থা করছিলেন। গতকাল Israel Defense Forces মিসর ও আর্জেন্টিনার ম্যাচ শুরুর ০১ ঘন্টা পূর্বে হত্যা করে। গতকালের ম্যাচের ওপর ইসরায়েল খুব ঘনিষ্ঠ নজর রেখেছিল। এর অর্থ এখন নিজের মতো করে ভেবে নিন। ধন্যবাদ। — Revan M