en
Feedback
Last Era Analysis ⛛

Last Era Analysis ⛛

Closed channel

Our Official : ⟫ ⓕ Facebook Page : https://www.facebook.com/lastera.analysis ⟫ 🆆 Website : https://last-era-analysis.blogspot.com ⟫ 📂 File Archive : @filearchivebd ⓘ About Us @lastera_analysis

Show more
2 265
Subscribers
+124 hours
-47 days
-1730 days

Data loading in progress...

Tags Cloud
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Incoming and Outgoing Mentions
---
---
---
---
---
---
Attracting Subscribers
September '26
September '26
+8
in 2 channels
August '26
+28
in 2 channels
Get PRO
July '26
+1 380
in 2 channels
Get PRO
June '260
in 1 channels
Get PRO
May '260
in 2 channels
Get PRO
April '260
in 1 channels
Get PRO
March '260
in 1 channels
Get PRO
February '260
in 1 channels
Get PRO
January '260
in 1 channels
Get PRO
December '250
in 1 channels
Get PRO
November '250
in 2 channels
Get PRO
October '250
in 1 channels
Get PRO
September '250
in 0 channels
Get PRO
August '250
in 0 channels
Get PRO
July '250
in 2 channels
Get PRO
June '250
in 1 channels
Get PRO
May '250
in 0 channels
Get PRO
April '250
in 1 channels
Get PRO
March '250
in 0 channels
Get PRO
February '250
in 1 channels
Get PRO
January '250
in 1 channels
Get PRO
December '240
in 1 channels
Get PRO
November '240
in 3 channels
Get PRO
October '240
in 4 channels
Get PRO
September '24
+44
in 0 channels
Get PRO
August '24
+225
in 2 channels
Get PRO
July '24
+31
in 0 channels
Get PRO
June '24
+35
in 1 channels
Get PRO
May '24
+17
in 0 channels
Get PRO
April '24
+50
in 2 channels
Get PRO
March '24
+124
in 4 channels
Get PRO
February '24
+472
in 1 channels
Date
Subscriber Growth
Mentions
Channels
10 September0
09 September+1
08 September0
07 September0
06 September0
05 September+2
04 September+3
03 September+1
02 September0
01 September+1
Channel Posts
Repost from Nasim Ahmad
মাইক্রোস্কোপের নিচে টিকা কেমন দেখায়? ভিডিওতে দেখুন— (মিউজিক আছে, মিউট করে দেখুন।) ভিডিওটির উপরে টিকার নাম দেখাবে, কোনটা কোন টিকার মাইক্রোস্কোপ দৃশ্য। ভিডিওটি যদি ভালো করে লক্ষ্য করেন তাইলে দেখবেন। বিভিন্ন আকৃতির উপাদান চকচক করছে, লম্বা ফিতার মতো (কৃমি) আকৃতির কিছু দেখা যাচ্ছে, ব্যাকটেরিয়ার মতো কিছু দেখা যাচ্ছে।
১। হেপাটাইটিস-বি এ যেটা দেখা যাচ্ছে সেটা অ্যালুমিনিয়াম গুঁড়া করে পানিতে ভিজিয়ে যখন কোথাও রেখে ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলবেন এ দৃশ্যটা দেখতে পাবেন। (থাই গ্লাস লাগানোর সময় যে গুঁড়োগুলো পরে থাকে সেগুলো দিয়ে দেখতে পারেন।)
২। সবচাইতে অবাক করার ব্যাপার হচ্ছে “করোনার টিকায় বুদবুদের মতো দেখা যাচ্ছে। করোনার টিকা নিয়ে এতো এতো মানুষ হার্ট অ্যাটাক আর ব্রেইন স্ট্রোকে মারা গেল। এই বুদবুদ ঐ কি মূল কারণ?
আমরা ফ্রিতে কিছু পেলে প্রশ্ন করতে ভুলে যাই। ভাবি না এটা প্রয়োজন কতটুকু, কতটুকু ক্ষতিকর যা আমাদের মৃত্যুর দুয়ার পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারে......! আমি দুইটা উল্লেখ করে বুঝিয়ে দিলাম, বাকী গুলো আপনারা চেষ্টা করেন। ━━ ❯❯❯ Join ℘ Invite : @nasimahmad_official 🔗 Facebook Link

2
এনসিপির কোনো একটা ছেলেকে দেখলাম লোডশেডিংয়ের জন্য বিএনপি ও তারেক রহমানকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করছে। এর পেছনে দুটো কারণ থাকতে পারে। রাতারাতি ভাইরাল হওয়া। অথবা উসকানি দিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তোলা। উদ্দেশ্য যেটাই হোক; ওই ছেলে ন্যাক্কারজনক ও জঘন্যতম একটা কাজ করেছে। এককথায় এটা সীমালঙ্ঘনমূলক কাজ ছিল। ওর শাস্তি হওয়া উচিত। পাশাপাশি এ রকম গালাগালি বন্ধে শক্ত আইন করা উচিত। কোনো প্রকার উসকানি বা গুরুতর কারণ ছাড়া স্বপ্রণোদিত হয়ে কেউ কোনো গণ্যমান্য ব্যক্তি, দল ও ধর্মকে নিয়ে বাজে ভাষায় কথা বললে তার বিরুদ্ধে সাথে সাথে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। জামাত-শিবিরের মতো গালিবাজ দলের সদস্যের কাছ থেকে এর চেয়ে বেশি কী বা আশা করা যায়। গালি হচ্ছে জামাত-শিবিরের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। জাশির আদর্শের অন্যতম স্তম্ভ হচ্ছে অশ্রাব্য গালি। অথচ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অশালীন শব্দ বা গালি ব্যবহার করতে কুরআনুল কারিমে স্পষ্টভাবে নিষেধ করা আছে। এমনকি মুসা আ.-কে ফিরাউনের মতো একটা জঘণ্য লোকের সাথেও নম্র ভাষায় কথা বলার নির্দেশ দিয়েছিলেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা। ফিরাউনের সাথে তুলনা করলে লোডশেডিং ছোটো সমস্যা। সমালোচনা শক্ত ভাষায় হলেও, শব্দচয়ন কড়া হলেও তা যেন সীমালঙ্ঘন না করে। কেবল নিচু স্তর ও হীন শ্রেণির লোকেরাই অহেতুক বাজে ভাষায় প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে। কারণ, এই নোংরা মস্তিষ্কের লোকগুলো জানে ওরা যুক্তি-তর্কে পরাজিত হবে। তাই প্রথমেই ওরা এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করে—যেন যৌক্তিক আলাপের কোনো স্বাভাবিক পরিবেশ আর না থাকে। ওরা প্রতিপক্ষকে ওদের কাতারে নামিয়ে আনতে চায়। ২০১৩ সালে বাংলাদেশের অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বাম-নাস্তিক তথা শাহবাগীরা মুক্তবুদ্ধি চর্চার নামে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ও রাসূল সা.-কে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করা শুরু করে। বাংলাদেশের মানুষ তখনই বুঝে গিয়েছিল বিজ্ঞানচর্চা নামে অন্ধকার জগতের এই ঘৃণাজীবী গোষ্ঠীটি আসলে কলা-বিজ্ঞানী। তাই আজ বাংলাদেশের মানুষের কাছে সবচেয়ে হীন ও নিচ গোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে শাহবাগীরা। যেকোনো দল বা মতাদর্শের বিরোধিতা করা যেতেই পারে। হাজারটা প্রশ্ন ও সমালোচনা করতে পারেন আপনি। কিন্তু প্রতিবাদ বা বিরোধিতার ভাষা শালীন হতে হবে। সমালোচনা হতে হবে গঠনমূলক। স্রেফ আধুনিক দালান-কোঠা দিয়ে সভ্যতা পরিমাপ করা হয় না। মার্জিত ও রুচিসম্মত আচার-ব্যবহার সভ্য জাতি, সভ্য সম্প্রদায়, সভ্য গোষ্ঠী, সভ্য সমাজ, সভ্য পরিবার ও সভ্য ব্যক্তির পরিচয়। — কারিম শাওন Stay With Us : ⌯⌲ Telegram ⓕ Facebook
98
3
Last Era Analysis এর এডমিন @nasimahmad_official চ্যানেলে জয়েন হতে পারেন। খুব শীঘ্রই কোন টিকায় কি থাকে মাইক্রোস্কোপের মধ্যমে দেখতে পাবেন।
105
4
Last Era Analysis এর এডমিন @nasimahmad_official চ্যানেলে জয়েন হতে পারেন। খুব শীঘ্রই কোন টিকায় কি থাকে মাইক্রোস্কোপের মধ্যমে দেখতে পাবেন।
1
5
এটা দাজ্জালি মিশনের ওয়ান আই গডের (দাজ্জাল) নির্দেশে। যা দাজ্জালের এজেন্টরা বিশ্বব্যাপী তথাকথিত সুবিধা বলে জনপ্রিয় এবং প্রচলন করতে উঠেপড়ে লেগেছে। দাজ্জালের দুনিয়ায় এক ধর্ম, এক পরিচয়, এক খাবার, এক আইন এবং এক কারেন্সি (টাকা) নিয়ে আসতে যাচ্ছে শীগ্রই। দাজ্জালের "One World Government System" প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক আইডি বা ডিজিটাল আইডি নিয়ে আসছে। এবং প্রতিটা ক্ষেত্রে এই ডিজিটালাইজেশন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বলা হচ্ছে এটাই আধুনিকতা, নিরাপত্তার সুনিশ্চিত। অথচ অধিকাংশ মানুষ জানে না এই ষড়যন্ত্রের গভীরতা কতটুকু।‌ আমি কিন্তু ঠিকই বুঝতে পারছি। টাকা দিয়ে একটা উদাহরণ দিলে বুঝবেন, ১। একসময় বিনিময়ের মাধ্যমে লেনদেন হতো। এ ব্যাপারে হাদিস আছে, আলেমদের কাছে থেকে কীভাবে কি জেনে নিবেন। ২। তারপর আসলো স্বর্ন-রৌপ্য মুদ্রা। যা ইসলাম হালাল করেছে, বাকী মুদ্রা সব হারাম। ৩। তারপর আসলো কাগজের মুদ্রা। যার কোনো মূল্যে নেই, কাগজ মাত্র। এই টুকু পর্যন্ত আপনার অর্থসম্পত্তি হাতেই ছিল। চাইলে যখনতখন খরচ করতে পারতেন। নিরাপদও ছিল। ৪। তারপর আসলো ডিজিটাল সংখ্যা অর্থ। বিকাশ, নগদ, ব্যাংক কার্ড ইত্যাদি। যেগুলো ধরাছোঁয়া যায় না, হ্যাক করে নিয়ে যেতে পারবে। যে দেশের সার্ভারে রাখা হবে চাইলে একাউন্ট ফ্রিজ করে দিতে পারবে। যেগুলো একসময় আপনার হাতে ছিল সেগুলো এখন ডিজিটাল মনিটর বা সার্ভার বা কার্ডে চলে যাচ্ছে। কত কঠোরভাবে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব ভেবেছেন কী? #NWO #দাজ্জাল ━━ ❯❯❯ Join ℘ Invite : Nasim Ahmad
158
6
বিস্তারিত পড়ুন - ⤵️
বিস্তারিত পড়ুন - ⤵️
171
7
আমিও চাইলে পারি আমার এলোকেশী চুলগুলো কাধের একপাশে ঝুলিয়ে দিয়ে, ঠোঁটে হালকা লিপস্টিকের আভা দিয়ে, চোখে কাজল লাগিয়ে মুচকি হাসি দ
আমিও চাইলে পারি আমার এলোকেশী চুলগুলো কাধের একপাশে ঝুলিয়ে দিয়ে, ঠোঁটে হালকা লিপস্টিকের আভা দিয়ে, চোখে কাজল লাগিয়ে মুচকি হাসি দিয়ে সোশাল মিডিয়ায় আপলোড করে নিজেকে প্রদর্শন করতে। আমিও চাইলে পারি টান টান ড্রেস পরে, গলায় ওড়না ঝুলিয়ে নিজের সৌন্দর্য প্রদর্শন করতে। কিন্তু আমার কেনো জানি নিজেকে এতো সস্তা মনে হয় না..! আমাকে মাত্র 1GB থেকে 1MB খরচ করে দেখে ফেলবা? আর কমেন্ট করবা- নাইস, বিউটিফুল, কিউটের ডিব্বা, এই সেই। তারপর শতশত লাভরিয়েক্ট, তারপর ইনবক্স..! আমি এতোই সস্তা?? না, আমি এতো সস্তা হতে চাই না। আমার নিজেকে প্রচন্ড দামি, অহং'কারী মনে হয়। আমি সবার জন্য না! আমার সৌন্দর্য তো সেই মানুষটির জন্য। যার জন্য আমাকে মহান রব তৈরি করেছেন! আমি শুধু তার জন্য উ'ন্মুক্ত। প্রত্যেকটা নারীর এমন চিন্তা করা উচিত। বই: মুহস্বানাত Stay With Us : ⌯⌲ Telegram ⓕ Facebook
185
8
আমিও চাইলে পারি আমার এলোকেশী চুলগুলো কাধের একপাশে ঝুলিয়ে দিয়ে, ঠোঁটে হালকা লিপস্টিকের আভা দিয়ে, চোখে কাজল লাগিয়ে মুচকি হাসি দ
আমিও চাইলে পারি আমার এলোকেশী চুলগুলো কাধের একপাশে ঝুলিয়ে দিয়ে, ঠোঁটে হালকা লিপস্টিকের আভা দিয়ে, চোখে কাজল লাগিয়ে মুচকি হাসি দিয়ে সোশাল মিডিয়ায় আপলোড করে নিজেকে প্রদর্শন করতে। আমিও চাইলে পারি টান টান ড্রেস পরে, গলায় ওড়না ঝুলিয়ে নিজের সৌন্দর্য প্রদর্শন করতে। কিন্তু আমার কেনো জানি নিজেকে এতো সস্তা মনে হয় না..! আমাকে মাত্র 1GB থেকে 1MB খরচ করে দেখে ফেলবা? আর কমেন্ট করবা- নাইস, বিউটিফুল, কিউটের ডিব্বা, এই সেই। তারপর শতশত লাভরিয়েক্ট, তারপর ইনবক্স..! আমি এতোই সস্তা?? না, আমি এতো সস্তা হতে চাই না। আমার নিজেকে প্রচন্ড দামি, অহং'কারী মনে হয়। আমি সবার জন্য না! আমার সৌন্দর্য তো সেই মানুষটির জন্য। যার জন্য আমাকে মহান রব তৈরি করেছেন! আমি শুধু তার জন্য উ'ন্মুক্ত। প্রত্যেকটা নারীর এমন চিন্তা করা উচিত। বই: মুহস্বানাত #MA
2
9
কলেরার টিকা নিয়া আবার হাজির হইছে। মানে একটু শান্তি তো দূরের কথা, অবসরে যাইতে দিবে না। এই হচ্ছে অবস্থা। কলেরা হয়ে মরছে এমন ঘ
কলেরার টিকা নিয়া আবার হাজির হইছে। মানে একটু শান্তি তো দূরের কথা, অবসরে যাইতে দিবে না। এই হচ্ছে অবস্থা। কলেরা হয়ে মরছে এমন ঘটনা এখন আর নাই। আর কলেরা আপনার হইবো কেন? কয়জনের হইতে দেখছেন? স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস আর বিশুদ্ধ পানি খাবেন। তাইলে কলেরা হইবো না। পোস্ট, ভিডিওতে স্পষ্ট করে দিছি। টিকার ফাঁদে পড়ে মরতে চাইলে মরেন গিয়ে। ━━ ❯❯❯ Join ℘ Invite : Nasim Ahmad
160
10
বামিয়ানের ঐতিহাসিক বুদ্ধমূর্তি ধ্বংসকারী ‘আবদুল্লাহ সারহাদি’ যিনি ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তানের প্রথম শাসনামলে বামিয়ানের পুলি
বামিয়ানের ঐতিহাসিক বুদ্ধমূর্তি ধ্বংসকারী ‘আবদুল্লাহ সারহাদি’ যিনি ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তানের প্রথম শাসনামলে বামিয়ানের পুলিশ প্রধান ছিলেন— সম্প্রতি বিবিসির এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেন: “বামিয়ানে বুদ্ধের মূর্তিগুলো ধ্বংস করার জন্য কি আপনার কোনো অনুশোচনা হয়?” জবাবে ‘আবদুল্লাহ সারহাদি’ বলেন: ❝আমি যে কাজই করেছি, সেটাকে আমিরের আনুগত্য এবং আল্লাহর নির্দেশ হিসেবে মনে করি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি গর্বিত যে আমি একজন মূর্তি-ধ্বংসকারী, মূর্তি বিক্রেতা নই।❞ এই মানুষগুলো এতো ঘোরানো-পেচানো বোঝে না। ইসলাম অনুযায়ী যা সঠিক মনে হয়েছে, আমির যেই কাজের নির্দেশ দিয়েছেন, ব্যস সেটা কোনোপ্রকার চিন্তাভাবনা ছাড়া বাস্তবায়ন করেছেন। না সেই কাজ আঞ্জাম দিয়ে তারা অনুতপ্ত হয়েছে, আর না তারা এক্ষেত্রে কোনো পরাশক্তির চোখ রাঙানীর ভয় পেয়েছেন। তারা এমনই। এজন্যই তারা সফল। Stay With Us : ⌯⌲ Telegram ⓕ Facebook
202
11
গতকাল একটা ডকুমেন্টারি দেখলাম হাসিদিক ইহুদীদেরকে নিয়ে। পুরো পৃথিবীকে জায়োনিস্ট ফ্রন্ট বিনোদনের জগতে ডুবিয়ে রাখলেও ওরা নিজেদের একটা গ্রুপকে এগুলো থেকে পুরোপুরি দূরে সরিয়ে রেখেছে। শুধু এটাই না, ওদের চাপানো কলেজ-ভার্সিটি ক্যারিয়ার নিয়ে আমাদের মেয়েরা ব্যস্ত, কর্পোরেট স্ট্রাকচারে ছেলেরা ব্যস্ত হলেও ওরা একেকজন বিয়ে করে কমপক্ষে ১০ টা বাচ্চা নেয়। বাচ্চা নিলে ভাতা আছে, বিভিন্ন প্রণোদনা আছে। আমরা এভারেজে একবছরে যা ইনকাম করি, সেটা একমাসে শুধু বাচ্চা লালন পালনের জন্য তাদেরকে দেয়া হয়। বাচ্চা না নিলে Rabbi দের থেকে অনুমতি নিতে হয়, বিশেষ কারণ দেখালে কেবল তখনই ছাড় পায়। একবার চিন্তা করে দেখেন, মসজিদের ইমামের অনুমতি ছাড়া বাচ্চা নেয়া বন্ধ করা যাবে না, এমন হলে পুরো পৃথিবী কেমন রিঅ্যাকশন দেখাতো? এসব ছাড়াই বলে মুসলিমরা নাকি বাচ্চা তৈরি করার মেশিন হিসেবে মেয়েদেরকে ট্রিট করে! অথচ পুরো পৃথিবীতে ওদের পপুলেশন যখন ডাবল হয় ততদিনে আমাদের গ্রোথ হয় ১.২% করে। মুসলিমরা হিজাব, নিকাব পরে নাকি Oppressed হয় অথচ ওদের নিয়ম হলো বিয়ের সময় মাথার চুলগুলো ফেলে দিতে হবে। কেউই তাদের চুল কখনোই দেখতে পারে না। চুল ঢেকে রাখার জন্য wig ব্যবহার করে, স্কার্ফ ব্যবহার করে। ওরা টেক্সটিং করে না, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে না, ইন্টারনেট ব্যবহার করে না। ওরা নিজেদের প্রাইভেসির ব্যাপারে একদম কঠোর। আমরা সঠিক দ্বীন পেয়েও দুনিয়ায় হারিয়ে গেলাম, ওরা ওদের লক্ষ্য ঠিক রেখে এগিয়ে চলছে আল আকসা ধ্বংস করে থার্ড টেম্পল তৈরি করে দাজ্জালকে ফিরিয়ে আনতে। — Mayraj Hossain Stay With Us : ⌯⌲ Telegram ⓕ Facebook 📂 File Archive
213
12
✨ হে আল্লাহ আপনার অনুগ্রহ করুন, আমার অন্তরটা বদলে দিন। 🌼🍂 — প্রবৃত্তি ও লোভে আসক্ত আমার হৃদয়টা বদলে দিন।💔 #Nasheed ━━ ❯❯❯
✨ হে আল্লাহ আপনার অনুগ্রহ করুন, আমার অন্তরটা বদলে দিন। 🌼🍂 — প্রবৃত্তি ও লোভে আসক্ত আমার হৃদয়টা বদলে দিন।💔 #Nasheed ━━ ❯❯❯ Join ℘ Invite : Nasim Ahmad
6
13
আলহামদুলিল্লাহ, অনেক অনেক মাস পর পিডিএফ বানালাম। বিভিন্ন সময়ে লেখা আল ইন্তিফাদা ভাইয়ের এমন ৪৫ টি লেখার একটি পিডিএফ করেছি। ওয়ার্ড ফাইল ডাউনলোড করতে - ক্লিক করুন ━━ @nasimahmad_official
176
14
রুহি সেনেট সম্প্রতি নিউইয়র্ক সিটিতে ইহুদিদের জীবনযাপন নিয়ে একটি ভিডিও বানিয়েছে। ভিডিওটি আমাদের সকলের দেখা খুবই জরুরি বলে মনে করি। ভিডিওতে উঠে আসা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংক্ষেপে তুলে ধরছি : ১. তারা নিচের একটি কক্ষে দিনে তিনবার প্রার্থনা করে এবং সারাদিন গবেষণা ও পড়াশোনা করে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা প্রতিদিন ১০ ঘণ্টারও বেশি পড়াশোনা করে। সেখানে প্রায় ৫০০ জন ছেলে রয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ইসরাইল থেকে এসেছে। তারা বলছিল, একজন মা যেমন সন্তান প্রসবের সময় নয় মাসের মধ্যে শেষ মাসে সবচেয়ে বেশি কষ্ট করেন, তেমনি পৃথিবীও এখন শেষ সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিশ্বাস, খুব শিগগিরই মাসীহ (দাজ্জাল) আসবেন এবং পবিত্র ভূমিতে তৃতীয় মন্দির নির্মাণ করে তারা সেখানে ফিরে যাবেন। ২. তারা কেউ মোবাইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি ব্যবহার করে না। কারণ, তারা বিশ্বাস করে এসব তাদের রুহানিয়াত ও ঈশ্বরের প্রতি মনোযোগ নষ্ট করে দেয়। সুতরাং, এসব থেকে বিরত না থাকলে ইবাদতের স্বাদ নষ্ট হবে এবং তাদের মধ্যে আধ্যাত্মিকতা অবশিষ্ট থাকবে না। ৩. তাদের আয়-রোজগার ও ক্যারিয়ার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা বলে, এসব নিয়ে এত চিন্তা করার কিছু নেই; ঈশ্বরই ব্যবস্থা করে দেবেন। ৪. তারা ইবাদতের শুরুতেই দান করে এবং জেরুজালেমের দিকে মুখ করে ইবাদত করে। তাদের ইবাদতখানায় স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দান বাক্স রয়েছে। তারা সেসব বাক্সে দান করে। ৫. তারা বারবার জিজ্ঞেস করছিল, ‘আপনি ইহুদি কি না?’ কারণ, তারা ইহুদি ছাড়া অন্যদের সঙ্গে কথা বলতে পছন্দ করে না। এমনকি যোগাযোগের জন্য তাদের আলাদা মোবাইলও রয়েছে। তারা ভিডিও ক্যামেরা পছন্দ করে না; প্রয়োজন হলে ছবি তোলে। ইন্টারনেটের কথা তো বাদই দিলাম — টিভি, সিনেমা ইত্যাদি সম্পর্কেও তাদের তেমন কোনো ধারণা নেই। কোনো খেলোয়াড় বা সেলিব্রিটির নামও তারা জানে না। তারা জানে কেবল তাদের রাব্বি বা ধর্মগুরু কী বলেছেন এবং তিনি কোথায় থাকেন। ৬. তারা সাধারণত ১০ জনের কম সন্তান নেয় না; অর্থাৎ তাদের পরিবারে সন্তানসংখ্যা অনেক বেশি। সন্তান নেওয়া বা সন্তান নেওয়া বন্ধ করার মতো বিষয়েও তাদের রাব্বি বা প্রধান ধর্মগুরুর কাছে যেতে হয়। কারণ, তারা তাঁর কথাকে ঈশ্বরের নির্দেশের মতোই বিশ্বাস করে। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রতি ২০ বছর পরপর তাদের জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। ৭. তাদের নিজস্ব বিচারব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে তারা তাওরাত অনুযায়ী বিচার করে। এমনকি তারা নিজেদের মধ্যে একে অপরকে খুবই সহযোগিতা করে। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও পরস্পরকে সাহায্য করতে তারা খুব পছন্দ করে। তাদের নিজস্ব পুলিশবাহিনীও রয়েছে, যারা টহল দেয় এবং কোনো ইহুদি নারী অশালীন পোশাক পরেছেন কি না বা মাথা ঢেকে চলছেন কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখে। তাদের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সও রয়েছে। এক কথায়, তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার প্রায় সবকিছুই রয়েছে। ৮. তাদের নারীরা বেশি সন্তান নেওয়া কিংবা টিভি-সিনেমা দেখতে না পারা নিয়ে কোনো অভিযোগ করে না। তারাও শালীন পোশাক পরেন এবং ইবাদতের জন্য ইবাদতগাহে যান। তবে ইবাদতগাহে তাঁদের জন্য আলাদা জায়গা রয়েছে, যেখানে কাঁচ দিয়ে ঘেরা পৃথক অংশে তাঁদের ইবাদত করতে হয়। প্রস্তুত হচ্ছে মিথ্যা মাসীহ দাজ্জাদের সৈন্যরাও। এখন একবার আমাদের কথা চিন্তা করুন? আমরা কতটা ধোঁকার মধ্যে পড়ে আছি? - কপি
233
15
নিউ ইয়র্কে বসবাস করা হাসিদিক সম্প্রদায়ের ইহুদিদের নিয়ে বানানো রুহি সেনেটের দীর্ঘ ডকুমেন্টারি।
নিউ ইয়র্কে বসবাস করা হাসিদিক সম্প্রদায়ের ইহুদিদের নিয়ে বানানো রুহি সেনেটের দীর্ঘ ডকুমেন্টারি।
265
16
🇮🇶🇺🇸 ইরাকে আমেরিকান সেনাদের কর্মকাণ্ড পৃথিবীকে সভ্যতার পাঠ দেওয়া গনতন্ত্রের রক্ষাকর্তা আমেরিকান সেনাদের কিছু সভ্য আচরনের
🇮🇶🇺🇸 ইরাকে আমেরিকান সেনাদের কর্মকাণ্ড পৃথিবীকে সভ্যতার পাঠ দেওয়া গনতন্ত্রের রক্ষাকর্তা আমেরিকান সেনাদের কিছু সভ্য আচরনের দৃশ্য তাদের ক্যামেরাতেই ধারন করা হয়েছে। সভ্যতার যেসব নিদর্শন দেখবেন এই ক্লিপে বেসামরিক এলাকায় রাস্তার উল্টোদিকের লেনে সামরিক যান নিয়ে দ্রুতগতিতে ধেয়ে যাওয়া সাধারণ মানুষের গাড়ির উপর সামরিক যান উঠিয়ে দেওয়া( ক্লিপের 00:15 সেকেন্ডে ) বেসামরিক যানবাহন লক্ষ্য করে হুট করেই হামলা করা ( ক্লিপের 00:06 সেকেন্ডে ) বেসামরিক যানবাহনে পিছন হতে গিয়ে সামরিক যান দিয়ে ধাক্কা দেওয়া ( কোনো হর্ন না দিয়েই)। বেশিরভাগ যানবাহনেরই পিছনের অংশ হয়তো ভেঙে গিয়েছে। ( দেখুন ক্লিপের 03:38 এ) বেসামরিক জনগন ও স্থাপনায় সামরিক যান হতে হামলা করা ( ক্লিপের 01:17 এ) #AM1988
209
17
রাসূল (ﷺ) যেসব খাবার খেতেন : ১। নিয়মিত খাবার (প্রতিদিনের সাধারণ খাদ্যতালিকা) খেজুর, রুটি, দুধ, পানি। ২। মাত্র কয়েকবার খেয়ে
রাসূল (ﷺ) যেসব খাবার খেতেন : ১। নিয়মিত খাবার (প্রতিদিনের সাধারণ খাদ্যতালিকা) খেজুর, রুটি, দুধ, পানি। ২। মাত্র কয়েকবার খেয়েছেন এমন খাবার : খরগোশ, মুরগি, রাজহাঁসের গোশত, সামুদ্রিক আম্বর মাছ (তিমি জাতীয়)। ৩। প্রিয় খাবার (পছন্দের হলেও সবসময় আয়োজনের সামর্থ্য ছিল না।) 💔 মধু, মিষ্টান্ন, খাসির সামনের রান, সিনা, বাহুর গোশত, পায়া বা নলা, লাউ, সারদি (রুটি- শোরবার এক ঐতিহ্যবাহী পদ), পনির, মাখন, সিরকা, ঘি মাখানো রুটি, ডালিম, কিশমিশ। ৪। মিশ্র খাবার (খেজুরের সাথে মিশিয়ে যেসব খেতেন) : তরমুজ + খেজুর, শসা + খেজুর, মাখন + খেজুর। উল্লেখিত খাবারগুলো রাসূল (ﷺ)-এর জীবনে পছন্দনীয় ও গ্ৰহণীয় কিছু খাবারের তালিকা। নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকা অনুসরণে উৎসাহিত করার জন্য নয়। এগুলো শরঈ খাদ্যতালিকাও না, পুষ্টির একমাত্র উৎস বলা হচ্ছে না। সুন্নাহ হলো হালাল ও পরিমিত খাদ্য গ্ৰহণ, অপচয় থেকে বিরত থাকা। প্রাত্যহিক জীবনে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পুষ্টিকর সুষম খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। প্রায় সাড়ে ১৪'শ বছর আগে রাসূল (ﷺ) শিখিয়েছেন খাবারের ভারসাম্যের এক অনন্য নীতি : পেটের ৩ ভাগের ১ম ভাগে খাবার, ২য় ভাগে পানি এবং ৩য় ভাগ শ্বাসের জন্য।
201
18
প্রথম আলো জানেনা কে মারলো। আচ্ছা আমরাই বলে দিচ্ছি - কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস এবং বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে - সিদ্ধার্থ দাস। প্রথম
প্রথম আলো জানেনা কে মারলো। আচ্ছা আমরাই বলে দিচ্ছি - কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস এবং বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে - সিদ্ধার্থ দাস। প্রথম আলোঃ উপস সরি, সব 'দাস'। আমরাও ভারত চন্দ্রের দাস, সো… ইয়েস টাইটেল রিমেইন্স। এখনো আমরা জানিনা কে মারলো, অল আইজ ক্লোজড। তুমি আসলে পাশবিক কিউট প্রথম আলো! ভীতিকর নির্লজ্জ এবং তোমার প্রভু ভারতের মন রক্ষার্থে তুমি কাপড় কেন প্রয়োজন হলে নিজের চামড়াও খুলে দিবে!
275
19
No text...
234
20
বাংলাদেশে কি আল-কায়েদা বোম্বিং করবে? যেহেতু রাজনীতি নিয়ে অনেক আগে থেকেই টুকটাক লিখালিখি করি, তাই আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন নিয়ে কমবেশি স্টাডি করতে হয়। আমার সাধ্যমতো অনলাইনে আল-কায়েদা নিয়ে যতটুকু অনুসন্ধান করে জেনেছি, আল-কায়েদা সংগঠনটি বাংলাদেশকে সশস্ত্র লড়াইয়ের ভূমি মনে করে না। তারা বাংলাদেশে স্রেফ দাওয়াতের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ইসলামী শাসনের গুরুত্ব বোঝাবে, মৌলিক ইসলাম শেখাবে। ব্যস এটুকুই। তবে সশস্ত্র লড়াইয়ের জন্য তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ভারত। বাংলাদেশ তাদের কাছে ভারতবিরোধিতার জন্য স্রেফ একটা সাপোর্টিং ল্যান্ড হতে পারে সর্বোচ্চ; এর বেশি কিছু না। আল-কায়েদার কৌশল হচ্ছে—ভারতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে, বাংলাদেশেও ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা সহজ হবে। কারণ, বাংলাদেশে ইসলামবিরোধী রাজনৈতিক, সামরিক, সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, অর্থনৈতিক শক্তিকে টিকিয়েই রেখেছে ভারত। অর্থাৎ দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ভারত হচ্ছে সাপের মাথা। আর বাংলাদেশ হচ্ছে সাপের লেজ। দক্ষ সাপুরেরা কখনো সাপের লেজে আঘাত করে না; আঘাত করে মাথায়। যেমন—আন্তর্জাতিকভাবে ইসলামবিরোধিতায় আমেরিকা হচ্ছে সাপের মাথা। আমেরিকা ধ্বংস হলে সারাবিশ্বে মুসলমানদের ওপর সকল অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন, গণহত্যা বন্ধ হবে। ইসলাম বিজয়ী হতে পারবে। ইউরোপীয় ক্রুসেডাররা চুপসে যাবে। তাই আন্তর্জাতিক ময়দানে আল-কায়েদার মূল টার্গেট জামাত-শিবিরের প্রিয় আব্বো আমেরিকা। আল-কায়েদা ৯/১১-তে সরাসরি আমেরিকা নামক সাপের মাথায় আঘাত করে আমেরিকাকে যুদ্ধের ময়দানে টেনে নিয়ে যায়। আমেরিকা একযোগে আফগানিস্তান ও ইরাকের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। অসীম দম্ভ ও অহংকার নিয়ে যুদ্ধে গেলেও; Brown University এর গবেষণা বলছে—দীর্ঘ ২০ বছর পর সুদ সহ ৮ ট্রিলিয়ন বা ৮,০০,০০০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণের জালে আটকে গিয়েছে আমেরিকা। ২০৫০ সালের মধ্যে এই ঋণ আমেরিকাকে পরিশোধ করতে হবে। মার্কিন সাময়িকী Forbes বলছে—এই ওয়ার অন টেরর প্রজেক্টে আমেরিকার সর্বমোট খরচ জেফ বেজোস, ইলন মাস্ক, বিল গেটস সহ বিশ্বের শীর্ষ ৩০ ধনকুবেরের মোট সম্পত্তির পরিমাণকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। নতুন আরো কিছু গবেষণা বলছে, এই ঋণের সুদ সামনে আরো বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ এই ঋণের জাল থেকে আমেরিকা বের হতে পারবে না। কী এক চোরাবালিতে আটকে গিয়ে পোঙ্গা মারা খাচ্ছে সেটা একমাত্র আব্বো আমেরিকাই জানে। জানে না কেবল জামাত-শিবির। আমেরিকার পোদবালক জামাত-শিবির পিতার পশ্চাৎদেশের ব্যথাটা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, এই গাছবলদগুলো হুদাভাসি। বাতাসের ফাঁপড়ে হুদাই লাফালাফি করে। কদু শিশিরের মতো থার্ড ক্লাশ সাংবাদিক সহ কিছু জামাতি একটিভিস্ট আল-কায়েদা নিয়ে সামান্যতম হোমওয়ার্ক না করেই ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চার মতো কয়েকদিন ধরে লাফাচ্ছে। আমেরিকার মতো এই একই আঘাত ভারতকে করলে ভারত টিকতে পারবে না, টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। কারণ, ভারত দরিদ্র দেশ; আমেরিকার মতো ধনী দেশ না। সুতরাং আল-কায়েদার কৌশলটা দীর্ঘ পরিকল্পনার অংশ এবং বেশ কার্যকরী হবে বলে মনে হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্র নতুন করে অংকিত হবে। রচিত হবে নতুন রাজনৈতিক ইতিহাস। তাছাড়া বাংলাদেশ তিনদিক থেকে ভারত এবং একটা অংশ মিয়ানমার দ্বারা পরিবেষ্টিত। সশস্ত্র লড়াই করে টিকে থাকার রসদ পাওয়া সম্ভব না এখানে। অদক্ষ, আবেগি, অদূরদর্শীরাই কেবল বাংলাদেশের মাটিতে সশস্ত্র লড়াই করতে পা বাড়াবে। তাই বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আল-কায়েদা কতৃক বোম্বিং করার আলাপটা কোনো যুক্তির মধ্যেই পরে না। এটা অবাস্তব, ভিত্তিহীন, গাঁজাখোরি গল্প। অন্তত আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে যারা একটু নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখে তারা এই ব্যাপারটা আমলে নেয়নি। আমেরিকার গৃহপালিত জাতিসংঘ এই বিবৃতি কেন দিয়েছে সেটা নিয়ে গতকাল রাতে বিস্তারিত একটা পোস্টে বলেছি। কিন্তু ডেইট ফেল বাম আর জামাত-শিবির ছাড়া সচেতন কাউকে এই হাস্যকর বোম্বিংয়ের দাবিটা নিয়ে মাতামাতি করতে দেখলাম না। কারণ বাংলাদেশে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী দল বলতে এই দুটোই আছে। — কারিম শাওন
336