en
Feedback
Last Era Analysis ⛛

Last Era Analysis ⛛

Closed channel

Our Official : ⟫ ⓕ Facebook Page : https://www.facebook.com/lastera.analysis ⟫ 🆆 Website : https://last-era-analysis.blogspot.com ⟫ 📂 File Archive : @filearchivebd ⓘ About Us @lastera_analysis

Show more
2 265
Subscribers
+124 hours
-47 days
-1730 days
Posts Archive
বাংলাদেশে কি আল-কায়েদা বোম্বিং করবে?
যেহেতু রাজনীতি নিয়ে অনেক আগে থেকেই টুকটাক লিখালিখি করি, তাই আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন নিয়ে কমবেশি স্টাডি করতে হয়। আমার সাধ্যমতো অনলাইনে আল-কায়েদা নিয়ে যতটুকু অনুসন্ধান করে জেনেছি, আল-কায়েদা সংগঠনটি বাংলাদেশকে সশস্ত্র লড়াইয়ের ভূমি মনে করে না। তারা বাংলাদেশে স্রেফ দাওয়াতের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ইসলামী শাসনের গুরুত্ব বোঝাবে, মৌলিক ইসলাম শেখাবে। ব্যস এটুকুই। তবে সশস্ত্র লড়াইয়ের জন্য তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ভারত। বাংলাদেশ তাদের কাছে ভারতবিরোধিতার জন্য স্রেফ একটা সাপোর্টিং ল্যান্ড হতে পারে সর্বোচ্চ; এর বেশি কিছু না। আল-কায়েদার কৌশল হচ্ছে—ভারতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে, বাংলাদেশেও ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা সহজ হবে। কারণ, বাংলাদেশে ইসলামবিরোধী রাজনৈতিক, সামরিক, সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, অর্থনৈতিক শক্তিকে টিকিয়েই রেখেছে ভারত। অর্থাৎ দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ভারত হচ্ছে সাপের মাথা। আর বাংলাদেশ হচ্ছে সাপের লেজ। দক্ষ সাপুরেরা কখনো সাপের লেজে আঘাত করে না; আঘাত করে মাথায়। যেমন—আন্তর্জাতিকভাবে ইসলামবিরোধিতায় আমেরিকা হচ্ছে সাপের মাথা। আমেরিকা ধ্বংস হলে সারাবিশ্বে মুসলমানদের ওপর সকল অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন, গণহত্যা বন্ধ হবে। ইসলাম বিজয়ী হতে পারবে। ইউরোপীয় ক্রুসেডাররা চুপসে যাবে। তাই আন্তর্জাতিক ময়দানে আল-কায়েদার মূল টার্গেট জামাত-শিবিরের প্রিয় আব্বো আমেরিকা। আল-কায়েদা ৯/১১-তে সরাসরি আমেরিকা নামক সাপের মাথায় আঘাত করে আমেরিকাকে যুদ্ধের ময়দানে টেনে নিয়ে যায়। আমেরিকা একযোগে আফগানিস্তান ও ইরাকের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। অসীম দম্ভ ও অহংকার নিয়ে যুদ্ধে গেলেও; Brown University এর গবেষণা বলছে—দীর্ঘ ২০ বছর পর সুদ সহ ৮ ট্রিলিয়ন বা ৮,০০,০০০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণের জালে আটকে গিয়েছে আমেরিকা। ২০৫০ সালের মধ্যে এই ঋণ আমেরিকাকে পরিশোধ করতে হবে। মার্কিন সাময়িকী Forbes বলছে—এই ওয়ার অন টেরর প্রজেক্টে আমেরিকার সর্বমোট খরচ জেফ বেজোস, ইলন মাস্ক, বিল গেটস সহ বিশ্বের শীর্ষ ৩০ ধনকুবেরের মোট সম্পত্তির পরিমাণকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। নতুন আরো কিছু গবেষণা বলছে, এই ঋণের সুদ সামনে আরো বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ এই ঋণের জাল থেকে আমেরিকা বের হতে পারবে না। কী এক চোরাবালিতে আটকে গিয়ে পোঙ্গা মারা খাচ্ছে সেটা একমাত্র আব্বো আমেরিকাই জানে। জানে না কেবল জামাত-শিবির। আমেরিকার পোদবালক জামাত-শিবির পিতার পশ্চাৎদেশের ব্যথাটা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, এই গাছবলদগুলো হুদাভাসি। বাতাসের ফাঁপড়ে হুদাই লাফালাফি করে। কদু শিশিরের মতো থার্ড ক্লাশ সাংবাদিক সহ কিছু জামাতি একটিভিস্ট আল-কায়েদা নিয়ে সামান্যতম হোমওয়ার্ক না করেই ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চার মতো কয়েকদিন ধরে লাফাচ্ছে। আমেরিকার মতো এই একই আঘাত ভারতকে করলে ভারত টিকতে পারবে না, টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। কারণ, ভারত দরিদ্র দেশ; আমেরিকার মতো ধনী দেশ না। সুতরাং আল-কায়েদার কৌশলটা দীর্ঘ পরিকল্পনার অংশ এবং বেশ কার্যকরী হবে বলে মনে হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্র নতুন করে অংকিত হবে। রচিত হবে নতুন রাজনৈতিক ইতিহাস। তাছাড়া বাংলাদেশ তিনদিক থেকে ভারত এবং একটা অংশ মিয়ানমার দ্বারা পরিবেষ্টিত। সশস্ত্র লড়াই করে টিকে থাকার রসদ পাওয়া সম্ভব না এখানে। অদক্ষ, আবেগি, অদূরদর্শীরাই কেবল বাংলাদেশের মাটিতে সশস্ত্র লড়াই করতে পা বাড়াবে। তাই বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আল-কায়েদা কতৃক বোম্বিং করার আলাপটা কোনো যুক্তির মধ্যেই পরে না। এটা অবাস্তব, ভিত্তিহীন, গাঁজাখোরি গল্প। অন্তত আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে যারা একটু নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখে তারা এই ব্যাপারটা আমলে নেয়নি। আমেরিকার গৃহপালিত জাতিসংঘ এই বিবৃতি কেন দিয়েছে সেটা নিয়ে গতকাল রাতে বিস্তারিত একটা পোস্টে বলেছি। কিন্তু ডেইট ফেল বাম আর জামাত-শিবির ছাড়া সচেতন কাউকে এই হাস্যকর বোম্বিংয়ের দাবিটা নিয়ে মাতামাতি করতে দেখলাম না। কারণ বাংলাদেশে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী দল বলতে এই দুটোই আছে। — কারিম শাওন

Repost from Nasim Ahmad
“Vaccines Under the Microscope, A Muslim Doctor’s Perspective” আর্টিকেলের বাংলা অনুবাদ আপনাদেরকে আমি দিয়েছিলাম- ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে। কে পড়েছেন, কতটুকু পড়েছেন জানি না। যারা পড়েছেন আশা করছি টিকা কতটা ক্ষতিকর সেটা উপলব্ধি করতে পেরেছেন। এটাও আশা রাখি জেনে গেছেন আগামীর প্রজন্মকে টিকাদানের প্রয়োজন নেই কতটুকু বুঝেছেন। যাইহোক, এতো দিন বাংলা অনুবাদ পড়েছেন। ইংরেজি PDF হয়তো অনেকে খুঁজেছেন পান নাই। আমি উক্ত আর্টিকেলের ইংরেজি PDF কাজ শেষ করেছি, আপনাদের দিতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত, আলহামদুলিল্লাহ। “Vaccines Under the Microscope, A Muslim Doctor’s Perspective” Bangla Translation and English (PDF & Word) file Download Link : 🔗 Bangla Translation PDF (বাংলা অনুবাদ) 🔗 English PDF ⓘ যাদের টেলিগ্ৰাম নেই তাদের কাছে এই ডাউনলোড লিংক শেয়ার করুন। ⓘ নিচের ফাইলগুলো ডাউনলোড দিতে এখানে JOIN হতে হবে। 🔗 Word File (English) 🔗 Word File (Bangla) 🔗 HTML File (English) 🔗 টিকার ব্যপারে পশ্চিমারা কী বলে?Not Editable, Read Only ✅ Join & Invite - ⇲ @lastera_analysis@nasimahmad_official

Repost from Nasim Ahmad
“Vaccines Under the Microscope, A Muslim Doctor’s Perspective” আর্টিকেলের বাংলা অনুবাদ আপনাদেরকে আমি দিয়েছিলাম- ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে। কে পড়েছেন, কতটুকু পড়েছেন জানি না। যারা পড়েছেন আশা করছি টিকা কতটা ক্ষতিকর সেটা উপলব্ধি করতে পেরেছেন। এটাও আশা রাখি জেনে গেছেন আগামীর প্রজন্মকে টিকাদানের প্রয়োজন নেই কতটুকু বুঝেছেন। যাইহোক, এতো দিন বাংলা অনুবাদ পড়েছেন। ইংরেজি PDF হয়তো অনেকে খুঁজেছেন পান নাই। আমি উক্ত আর্টিকেলের ইংরেজি PDF কাজ শেষ করেছি, আপনাদের দিতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত, আলহামদুলিল্লাহ। “Vaccines Under the Microscope, A Muslim Doctor’s Perspective” Bangla Translation and English (PDF & Word) file Download Link : 🔗 Bangla Translation PDF (বাংলা অনুবাদ) 🔗 English PDF 🔗 Bangla+English ⓘ যাদের টেলিগ্ৰাম নেই তাদের কাছে এই ডাউনলোড লিংক শেয়ার করুন। ⓘ নিচের ফাইলগুলো ডাউনলোড দিতে এখানে JOIN হতে হবে। 🔗 Word File (English) 🔗 Word File (Bangla) 🔗 HTML File (English) 🔗 টিকার ব্যপারে পশ্চিমারা কী বলে?Not Editable, Read Only ✅ Join & Invite - ⇲ @lastera_analysis@nasimahmad_official

বিবাহিত বোনদের জন্য কিছু কথা : ১. বিয়ের পর যদি মনে হয় আপনার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল, তখন এটাও ধরে নেন, আপনার স্বামীর সিদ্ধান্তও সঠিক ছিল না। সুতরাং এ অবস্থায় আক্রোশ আর আফসোস নিয়ে পড়ে না থেকে একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ে আসুন। ২. স্বামীর সবকিছু শুরু থেকে গোয়েন্দাগিরি করবেন না। তাকে বোঝান যে, আপনি তাকে স্বাধীনতা দিয়েছেন। তবে হ্যাঁ, সাথে এ-ও বলে দিন, আমি সব সহ্য করব; কিন্তু চারিত্রিক অধঃপতন সহ্য করব না। এ সিদ্ধান্ত আপনি আপনার স্বামীর মানসিকতা বুঝে তারপর নেবেন। ৩. স্বামী যতই অগোছালো থাকুক না কেন, আপনি তার পছন্দমাফিক নিজেকে গোছগাছ রাখার চেষ্টা করবেন। যাতে কখনো পরকীয়ায় যুক্ত হয়ে আপনার স্বামী এ কথা বলার সুযোগ না পায় যে, তুমি তো নিজেকে আপডেট করতে পারোনি, তুমি আমার পছন্দকে গুরুত্ব দেওনি। ৪. সব সময় যৌথ পরিবার খারাপ হয় না। যদি একসাথে থাকতে হয়, তাহলে নিজের সমস্যাগুলো আগে সমাধান করুন। রাগ কমান। সন্দেহ কমান। নিজেকে জালেম নয়, মাজলুম পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করবেন। ভবিষ্যতে আপনিও শাশুড়ি হবেন, সেই চিত্র সামনে নিয়ে নিজের শাশুড়ির সহনীয় ভুলগুলো এড়িয়ে চলুন। তবে একসাথে থাকা কোনোমতে পসিবল না হলে সুন্দরভাবে আলাদা হোন। স্বামীকে বারবার মা-বাবা ও তার ভাইবোনের হক আদায়ের ব্যাপারে রিমাইন্ডার দিন। এতে আপনি তার কাছে আলাদা একটা সম্মানের জায়গা পাবেন ইনশাআল্লাহ। ৫. নিজের শখকে বিসর্জন দেবেন না। নিয়মিত বই পড়বেন। সুযোগ থাকলে ছাদবাগান বা বারান্দায় গাছ লাগাবেন। সব কাজের পাশাপাশি নারীদের জন্য ঘরোয়া যে কাজ আছে, সেগুলো শিখবেন। দ্বীনি হুকুম-আহকাম, প্যারেন্টিং, ফ্যামিলি ম্যানেজমেন্ট, মানি ম্যানেজমেন্ট, পজিটিভ মাইন্ড নিয়ে নিয়মিত স্ট্যাডি করবেন। ৬. সন্তান ও পরিবারের রোগব্যাধির বিষয়ে আপনি সবচেয়ে বেশি স্ট্রং থাকবেন। আল্লাহর ওপর তওয়াক্কুল রেখে বুঝেশুনে চিকিৎসা নেবেন। হুটহাট বাচ্চা বা নিজেদের জন্য এন্টিবায়োটিক নেবেন না। ঘরোয়া চিকিৎসায় গুরুত্ব দেবেন। কুরআনি চিকিৎসায় ফোকাস দেবেন। প্রাকৃতিক সমাধানে আগে যাবেন। ৭. নাটক, মুভি বা গল্প-উপন্যাসের রঙিন ও বেদনাময় চরিত্রের সাথে নিজেকে বা নিজের হালতকে মেলাতে যাবেন না। বাস্তব জীবন কখনোই সেগুলোর মতো হয় না। বাস্তবতা আলাদা। সুতরাং সেগুলো পড়ে নিজের স্বামী বা শ্বশুর বাড়ির সবাইকে মাপতে যাবেন না। ৮. নিজের আবেগ ও বাড়তি চাহিদা কন্ট্রোল করুন। গীবত ও পরনিন্দা থেকে জবানকে সব সময় হেফাজতে রাখুন। স্বামীর ইনকাম সামনে রেখে নিজের প্রয়োজন মেটাবেন। স্বামীর মানি ম্যানেজমেন্ট দুর্বল হলে আপনি তাকে নমনীয় ভাষায় ভবিষ্যতের কথা টেনে বোঝানোর চেষ্টা করবেন। ৯. অভিমান করুন, তাতে না নেই। কিন্তু সেই অভিমানের সময়সীমা যেন অতিরিক্ত না হয়। স্বামী যদি মানাতে আসেন, তাহলে অতিরিক্ত সময় ব্যয় না করে প্রয়োজনে তাকে সরি বলিয়ে অভিমান ভাঙবেন। ১০. স্বামীর বৈধ শখকে সম্মান করুন। তার মানসিকতা বুঝে আচরণ করুন। অফিস বা কাজে যাওয়ার সময়, কাজ থেকে আসার পর সাথে সাথে সাংসারিক কোনো অভিযোগ বা গুরুত্বপূর্ণ বেদনাদায়ক সংবাদ না পারতে দেবেন না। ১১. স্বামীর আমল-আখলাক উন্নত করতে সব সময় নিজেকে এগিয়ে রাখবেন৷ নিজের আমলের প্রতি জোর দেবেন। কে কী করল, কার কী হলো, অপরের তুলনা থেকে দূরে থেকে নিজেদের দুনিয়া ও আখিরাতের ফিকির নিয়ে চিন্তা করবেন। ১২. সন্তানদের পড়াশোনা, মানসিক বিকাশ, চারিত্রিক গঠন নিয়ে দুজনই একটি নতুন সিলেবাস বা নীতিমালা প্রণয়ন করবেন। সব সময় সন্তানদের জন্য নেক দু‘আ জারি রাখবেন। পরিচিত মানুষের নিকট তাদের জন্য দু‘আ চাইবেন৷ তাদের সকল অ্যাক্টিভিটি বা পজিটিভ কার্যক্রম সবাইকে বলে বেড়াবেন না। ১৩. ঘরোয়া আলাপসালাপ, বাচ্চাদের ছবি, স্বামী-স্ত্রীর ছবি অনলাইনে দেওয়া থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকবেন। © Rashed Muhammad

ভূ-রাজনীতি ও জাতিসংঘের দ্বিচারিতা: আফগানিস্তান থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম https://last-era-analysis.blogspot.com/2026/08/blog-post.html?m=1 অথবা, https://t.me/c/2056291503/3556 ━ ⌯⌲ TelegramFacebook 📂 File Archive

ভূ-রাজনীতি ও জাতিসংঘের দ্বিচারিতা: আফগানিস্তান থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম https://last-era-analysis.blogspot.com/2026/08/blog-post.html?m=1

শোক নয়, আজ বিজয় দিবস। 🌼
আফগান ইসলামী ইমারাহ —এর ৫ বছর পূর্ণ হলো। 💞 আলহামদুলিল্লাহ। ━ ⌯⌲ TelegramFacebook 📂 File Archive

শোক নয়, আজ বিজয় দিবস। 🌼
আফগান ইসলামী ইমারাহ —এর ৫ বছর পূর্ণ হলো। 💞 আলহামদুলিল্লাহ।

Repost from Nasim Ahmad
শোক নয়, আজ বিজয় দিবস। 🌼
আফগান ইসলামী ইমারাহ —এর ৫ বছর পূর্ণ হলো। 💞 আলহামদুলিল্লাহ।

Repost from Nasim Ahmad
একটা বিষয় খেয়াল করুন। জাতিসংঘ আফগানিস্তানে ব্যর্থ হয়ে এখন বাংলাদেশ নিয়েও প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। যে, বাংলাদেশে নাকি আল কায়েদা আছে। অথচ পাহাড়ে উগ্ৰ উপজাতি সন্ত্রাসীদের নিয়ে তারা কখনো কথা বলে না। কারণ উপজাতি উগ্ৰ উপজাতি সন্ত্রাসীরা তাদের আনুগত্য। চট্টগ্রাম নিয়ে পশ্চিমাদের অনেক জল্পনাকল্পনা আছে। সেজন্য এরা পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসী বলে না। কারণ তাদেরকে ছাড়া পাহাড়কে উত্তপ্ত করা যাবে না। পাহাড় উত্তপ্ত না হলে দখলও করতে পারবে না। কাংলো মুসলমানদের জন্য সত্যি ব্যথিত হই আবার হাসতেও মন চায়। কি এক কষা মাইর অপেক্ষা করেছে কল্পনারও বাইরে। এরা আজ পর্যন্ত না পারলো একটা শক্তিশালী মিডিয়া গড়ে তুলতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে। না পারলো দাওয়াতি কাজটা সঠিক জায়গায় প্রয়োগ করতে। এজন্য বলতে ইচ্ছে হয়—
“গোবর খায় হিন্দুস্তানে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পড়ে বাংলাস্তানে।”
Nasim Ahmad . 🔗 Facebook link

Repost from Nasim Ahmad
একটা বিষয় খেয়াল করুন। জাতিসংঘ আফগানিস্তানে ব্যর্থ হয়ে এখন বাংলাদেশ নিয়েও প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। যে, বাংলাদেশে নাকি আল কায়েদা আছে। অথচ পাহাড়ে উগ্ৰ উপজাতি সন্ত্রাসীদের নিয়ে তারা কখনো কথা বলে না। কারণ উপজাতি উগ্ৰ উপজাতি সন্ত্রাসীরা তাদের আনুগত্য। চট্টগ্রাম নিয়ে পশ্চিমাদের অনেক জল্পনাকল্পনা আছে। সেজন্য এরা পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসী বলে না। কারণ তাদেরকে ছাড়া পাহাড়কে উত্তপ্ত করা যাবে না। পাহাড় উত্তপ্ত না হলে দখলও করতে পারবে না। কাংলো মুসলমানদের জন্য সত্যি ব্যথিত হই আবার হাসতেও মন চায়। কি এক কষা মাইর অপেক্ষা করেছে কল্পনারও বাইরে। এরা আজ পর্যন্ত না পারলো একটা শক্তিশালী মিডিয়া গড়ে তুলতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে। না পারলো দাওয়াতি কাজটা সঠিক জায়গায় প্রয়োগ করতে। এজন্য বলতে ইচ্ছে হয়—
“গোবর খায় হিন্দুস্তানে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পড়ে বাংলাস্তানে।”
Nasim Ahmad . 🔗 Facebook link

Repost from Nasim Ahmad
Late Night Post——
[১]
ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ নিয়ে প্রচুর প্রচার-প্রচারণা করা হয়েছে। তারপরও মেয়েগুলো গেরুয়া ফাঁদে পরছে। কেন পরছে, কারণ কি, মূল সমস্যা কোথায় হচ্ছে সেটা খুঁজে বের করে সমাধান করতে হবে। কিন্তু সেটা না করে করা হচ্ছে অনলাইনে ভিডিও প্রচার, অফলাইনে প্রতিরোধমূলক কাজ আর লিফলেট। বাংলাদেশের অধিকাংশ মুসলিমরা জন্মগতভাবে মুশরিকদের অনুসরণ করে বেশি। সারাটা জিন্দেগী কোনো না কোনো দিক দিয়ে মুশরিকদের মতো মিল আছেই। এমন অবস্থায় যে ইসলামের ‘ই’ টাও জানে না এমনো আছে। আচ্ছা যাইহোক, ধর্মজ্ঞানহীন পরিবারগুলোকে সচেতন না করে কীভাবে ভাবতে পারেন যে, মেয়েটা ছোট থেকে অবাধ স্বাধীনতা পেয়েছে সে আপনার কথা শুনবে??? আপনাদের উচিত ছিল পরিবারগুলোকে প্রথমে সচেতন করা, মেয়ে কার সাথে কি করছে জানানো। একটা ছেলে/মেয়ে পরিবার থেকে প্রথম শিক্ষা পায়। তাই গাছের ডালপালা কেটে কোনো লাভ হবে না। গাছের মূলে হাত দেন, সমর্থন পেলে এগিয়ে যান, অনলাইনে প্রচার করুন। আর যদি পরিবার বাঁধা দেয় তাহলে থেমে যান। অনলাইনে জেলা, উপজেলা, গ্ৰামসহ তথ্য আর্কাইভ রাখুন। যেন যেকোনো সময় খুঁজে পাওয়া যায় এবং কোনো মুসলিম বিয়ে করে প্রতারিত না হয়।
[২]
এখন একটা তিক্ত কথা তুলে ধরবো। জানি অনেকের হজম হবে না। কি আর করার আস্কে ডিজিটাল দাঈদের মন ভালো নেই। শুরু করা যাক, বলতেছি আমাদের দেশের ডিজিটাল দাঈদের কথা। যাদের সামনে ১ ডজন ক্যামেরা থাকবে, স্টেজ নাদুসনুদুস সাজানো গোছানো থাকবে আর বয়ান দেওয়ার কেন্দ্রবিন্দু হবে ঢাকা শহর। বাদবাকি ৬৩ জেলায় কোনো মুসলমান নেই। শুধু ঢাকাতেই মুসলমান। তাদেরকে নিয়ে ইসলামিক ঢাকা গড়ে তোলা হবে। পতাকা হবে কালেমার পতাকা। বাকী ৬৩ জেলার পতাকা হবে গামছা! আচ্ছা ঢাকায় এতো এতো দাওয়াতি আজ করছেন তবুও কয়জন পুরুষকে পারছেন দাইয়্যুস হয়ে জাহান্নামের যাওয়ার পথ থেকে ফিরাতে? কয়জন নারীকে পারছেন বেপর্দা আর জাহেলি কর্মকান্ড থেকে ফিরিয়ে আনতে? আমি তো দেখছি উল্টো লেংটা বাবার দরবারে মুরিদের সংখ্যা বাড়তেছে? আমি বলছি না ঢাকাতে দাওয়াতি কাজ করা যাবে না। যেখানে ফিতনা-ফাসাদ, ধর্ম থেকে বিচ্যুতি বেশি সেখানেই বেশি বেশি দাওয়াতি কাজ করতে হবে। কিন্তু তাই বলে সবসময় একটা জেলাতেই? বাকী ৬৩ জেলায় কী ৪ ভাগের ১ ভাগ সময় দেওয়া যায় না? নাকি দাওয়াতি কাজটা সভা-সেমিনার, ২০০ সিট আর ১০০০/২০০০ টাকার টিকিটের মধ্যে সীমাবদ্ধ? ২০০ জন দ্বীনের দাওয়াহ পাক বাকীগুলো অনলাইন থেকে দাওয়াত পাবে! স্ক্রল করলেই যে নানান রকমের ভিডিও প্রদর্শিত হয়? অনেকটা এমন এক কান দিয়ে ঢুকল অন্য কান দিয়ে বেরিয়ে গেল। একজন মানুষের ১০০০/২০০০ টাকা উপার্জন করতে কতদিন লাগে সেটা কি জানে সেমিনার নির্মাতারা? আরেকদল আছে হক গোপন করে মোটিভেশনাল বই লিখবে, একদল নারীকে ব্রেইন ওয়াশ করে নিজের দলে ভিড়িয়ে নিবে। দাওয়াতি কাজটা চাইলে কিন্তু তারা বড়সড় মাঠে এই আয়োজন করতে পারতো। গ্ৰামেগঞ্জের মাহফিলগুলোর মতো। সেখানে কি ২০০ জনে সীমাবদ্ধ থাকতো? নাকি পুরো এলাকাবাসী তো বটে আশেপাশের এলাকা থেকেও মানুষজন আসতো। কেন ‘আল ইন্তিফাদা’ ভাই বলতেন দ্বীনি সেলিব্রিটিরা উম্মাহর ক্যান্সার খুব ভালো করে উপলব্ধি করতে পারছি। যেসব দাঈরা মাঠে ময়দানে দাওয়াতি কাজ করে তাদেরকে আমি সাধুবাদ জানাই, আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। তাদেরকে যদি একটা সুতা দিয়েও সহযোগিতা করতে পারতাম নিজেকে ভাগ্যবান মনে করতাম। তারা যেই ক্ষতবিক্ষত পথে হাঁটে স্টেজে দাঁড়িয়ে বয়ান দেওয়া সেলিব্রিটি, ইসলামের নামে রসালো মোটিভেশনাল বই বিক্রেতারা কখনো বুঝবে না।
[৩]
৯ আগস্ট তালিবানের গোয়েন্দা সংস্থা (GDI) হেরাত থেকে গুপ্তচরবৃত্তি ও নাশকতার অভিযোগে জাতিসংঘের ২ জন পুরুষ কর্মীকে আটক করেছে। জাতিসংঘ বারবার তাদের কর্মীদের মুক্তির দাবি জানালেও ইমারাত কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যাখ্যান করে। শেষমেষ চুলকানি সহ্য করতে না পেরে প্রোপাগান্ডা প্রচার করতে লাগলো যে,
"২০২১ সালে তালিবানরা ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে আফগানিস্তানের প্রায় ২৪ লাখ মেয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।"
আফগানিস্তানের মেয়েরা বাংলাদেশের তুলনায় যথেষ্ট এগিয়ে আছে, নিরাপদ আছে। তারা নিজ দেশের ফ্রিমিক্সং মুক্ত পড়াশোনা করছে, ফ্রিমিক্সং মুক্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছে, ফ্রিমিক্সং মুক্ত ফ্যাক্টরিসহ নানা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে, সাবলম্বী হচ্ছে।
তাদেরকে নিয়ে কাংলো সুশীলপাড়া আর মিডিয়াপাড়ায় পেপু বাঁশি বাজানোর প্রয়োজন নেই। আগে নিজেদের চরকায় আগে তেল দাও। তো এমন বিদেশি এনজিও /সংস্থা বাংলাদেশেও আছে। রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির, উত্তরবঙ্গ এবং পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে এসব সংস্থাগুলো রয়েছে। এদের কাজ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয়গুলো পশ্চিমা বিশ্বে পাচার করা। খ্রিষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করা, পাহাড়ি অঞ্চল বা তাদের টার্গেটেড স্থান উত্তপ্ত করতে বিভিন্ন উগ্ৰ গোষ্ঠীকে উস্কে দেওয়া।

ভূ-রাজনীতি ও জাতিসংঘের দ্বিচারিতা: আফগানিস্তান থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্প্রতি আফগানিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা (GDI) গুপ্তচরবৃত্তি ও নাশকতার অভিযোগে জাতিসংঘের দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। এরপর জাতিসংঘ বারবার তাদের কর্মীদের মুক্তির দাবি জানালেও ইমারাত কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যাখ্যান করে। আর এর পরপরই দেখা যায় জাতিসংঘের সেই পুরোনো কৌশলের প্রয়োগ; মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে একটি মনগড়া বয়ান তৈরি করা। জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন ইউনেস্কো (UNESCO) দ্রুতই এক বিবৃতিতে দাবি করে, আফগান সরকার নারীদের ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছে না। নারীদের শিক্ষার পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে। বর্তমান প্রশাসনের অধীনে নারীরা সম্পূর্ণ নিরাপত্তাহীন। পশ্চিমা বিভিন্ন গণমাধ্যম ও তাদের এদেশীয় দালাল মিডিয়াগুলি এই বিবৃতিকে একপাক্ষিক ও ব্যাপকভাবে প্রচার করতে শুরু করে। অথচ ইমারাত কর্তৃপক্ষ যদি তাদের কর্মীদের ছেড়ে দিত, তবে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এমন কোনো জোরালো বিবৃতি আসত কি না তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। এটিকে দ্বিচারিতা (Hypocrisy) ছাড়া আর কী-ই বা বলা যায়! . বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলকে ঘিরে পশ্চিমাদের দীর্ঘমেয়াদি ভূ-রাজনৈতিক চক্রান্তের কথা কারো অজানা নয়। কয়েক দশক ধরে সেখানে 'আদিবাসী-অধিবাসী' বিতর্ক উস্কে দিয়ে এক ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে। নানা আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করে উক্ত অঞ্চলে জাতিসংঘের অবাধ প্রবেশাধিকারকে অনেকটা আইনগতভাবে বৈধ করে রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সেখানকার বিভিন্ন সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী ও মিলিশিয়া গোষ্ঠীর সঙ্গে পশ্চিমা সংস্থাগুলোর সখ্য স্পষ্ট। এসব গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতাদের পশ্চিমা দেশগুলো সফর করা এবং উচ্চপদস্থ বিদেশি কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক প্রমাণ করে, এই অঞ্চলকে নিয়ে তাদের উদ্দেশ্য মোটেও সাধারণ নয়। কেননা ইতিপূর্বেও আমরা দেখেছি, কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (KNF)-এর প্রধান নাথান বম ২০২৩-২৪ সালের দিকে ইউরোপের কয়েকটি দেশের সামরিক ঘাঁটির ‘এয়ার বেজ’ ও অস্ত্রাগার পরিদর্শন করে। কোনো রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিত্ব বা প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া একজন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার বিদেশি রাষ্ট্রের স্পর্শকাতর সামরিক ঘাটিতে প্রবেশের সুযোগ পাওয়া কোনো সাধারণ বিষয় হতে পারে না। . সম্প্রতি পশ্চিমা শক্তিগুলো পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুটিকে নতুন করে উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কারণে তাদের সে চেষ্টা ধাক্কা খেয়েছে। সরকারের দায়িত্বশীলদের পক্ষ থেকে সাহসিকতার সঙ্গে তথাকথিত 'আদিবাসী' বয়ান প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পশ্চিমা মহল এবার ভিন্ন পথ অবলম্বন করছে। বাংলাদেশকে চাপে ফেলতে আবারও তাদের পুরোনো বয়ান তৈরি শুরু করেছে।যেমন: "বাংলাদেশে All-কায়েদার নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টা চলছে" কিংবা "Jঙ্গিবাদের উত্থান ঘটছে"। এগুলো তাদের ভাণ্ডারে থাকা অত্যন্ত পুরোনো এবং পরীক্ষিত কৌশল। অতীতেও এই ধরনের বয়ান তৈরি করে বিশ্বের অনেক সার্বভৌম রাষ্ট্রকে দুর্বল ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়েছে। . কুফফার মিডিয়া ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর এসব মনগড়া বয়ান ও চক্রান্তের সামনে মুসলিম উম্মাহকে এখন সর্বোচ্চ সতর্ক ও সচেতন হতে হবে। পশ্চিমা কুফফারদেরদের এই দ্বিমুখী নীতি ও চক্রান্তের ফাঁদে পা দিয়ে ঘাবড়ে যাওয়া বা বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। পশ্চিমাদের তৈরি এই ভুয়া বয়ানের বিরুদ্ধে পুরো মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতে হবে। তাদের প্রতিটি মিথ্যা বয়ান ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বুদ্ধিভিত্তিক, কূটনৈতিক ও সামাজিকভাবে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। জাতিসংঘ বা যেকোনো পশ্চিমা সংস্থার এই ধরনের প্রপাগাণ্ডা ও আগ্রাসী তৎপরতার মুখে চুপ না থেকে, উম্মাহর সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের সজাগ থাকা এবং সুদৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলা সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। তাই এই লেখাটি উম্মাহর কাছে পৌছে দেয়া আপনার দায়িত্ব। — আহমাদ ফাইয়াজ ━ ⌯⌲ TelegramFacebook 📂 File Archive

৯ আগস্ট তালিবানের গোয়েন্দা সংস্থা (GDI) হেরাত থেকে জাতিসংঘের ২ জন পুরুষ কর্মীকে আটক করেছে। জাতিসংঘ প্রথম দুই দিন (৯ ও ১০ তারি
৯ আগস্ট তালিবানের গোয়েন্দা সংস্থা (GDI) হেরাত থেকে জাতিসংঘের ২ জন পুরুষ কর্মীকে আটক করেছে।
জাতিসংঘ প্রথম দুই দিন (৯ ও ১০ তারিখ) তালিবান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই ঘটনার সমাধান এবং কর্মীদের মুক্ত করার চেষ্টা করেছিল।
কিন্তু তৃতীয় দিনেও যখন কাজ হলোনা, তখন চতুর্থ দিনে এসে ইউনেস্কো রিপোর্ট করে বসে—
"২০২১ সালে তালিবানরা ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে আফগানিস্তানের প্রায় ২৪ লাখ মেয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।"
— আবু উসামা

Repost from Nasim Ahmad
“বেপর্দা নারী = চাকা ছাড়া গাড়ি।”
— “ডলাডলি করা নারী = ইঞ্জিন ছাড়া গাড়ি।”
বিয়ের ক্ষেত্রে এই দুই শ্রেণীর নারীকে বাদ দিবেন। যুহুদ, চরিত্রবান এবং প্রকৃত ধার্মিককে প্রাধান্য দিবেন। ❯ @nasimahmad_official

ফেসবুকের তরুন এক্টিভিস্ট ছোট ভাইয়েরা, তোমরা যারা আমার মত নিন্ম মধ্যবিত্ত অথবা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান তাদের জন্যই আমার এই লেখাটি..... আমার এখন বয়স ৩৮ বছর। তোমাদের মত বয়সে ২০১৩ সালে কোর্ট শেষ করে কাশেমপুর কারাগারে যাবার পথে প্রিজনভ্যানে থেকে আমরাও নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার শ্লোগান ধরতাম শাহবাগ কিংবা কোর্ট প্রাঙ্গণে। মাওলানা মামুনুল হক, শিবিরের দেলোয়ারসহ ডার্ক সাইটের অনেক নেতারাও আমাদের প্রিজন ভানে থাকতো। ২০০৫ সালে কওমী শিক্ষার স্বীকৃতির জন্য পল্টনে সমাবেশে যোগ দেয়া থেকে আমীনি সাহেবের হরতাল সহ বিপ্লব আন্দোলন জেল জুলুম কোনো দিক থেকেই কমতি ছিলো না। আজকে তোমাদের এক্টিভিটি দেখে আমি অবাক হইনা কারন এগুলো বয়সের উন্মাদনা। এই বয়সটাই হলো এগুলো করার। তবে একটি কথা বলি শুনো.... জীবনের ২য় ভাগ হলো যৌবনকাল। এই সময়ে এসে টাকা এবং ইবাদত উভয়টা ব্যালেন্স করে প্রচুর পরিমান অর্জন করতে হয়। এটাই বাস্তবতা। নতুবা একটা সময়ে এসে দেখবে শরীরের সেই শক্তি আর পাচ্ছো না। কাজের প্রতি সেই মনযোগ আর দেয়া যাচ্ছে না।। তো যাই হোক ২০১৩ সালেই পড়াশোনার পাশাপাশি আমি যেই চাকরি করতাম সেখানে আমার বেতন ছিলো ১৫ হাজার। জেলে গেলাম। জেল থেকে বের হবার পরের দিন থেকে আবার সেই একই প্রতিষ্ঠানে জয়েন করে আগের মত চাকরি করা শুরু করি। এখানে কেন আমাকে তারা নিলো? আমার সেই স্কিল ছিলো। এমনকি সর্বশেষ ২০১৫ সালে যখন আমি এরেস্ট হই তখনও আমার বেতন ছিল ২০ হাজার টাকা। প্রিয় ছোট ভাইয়েরা, আমার গল্প বলার একটা উদ্দেশ্য আছে। তা হলো, এই যে তোমাদের বড় ভাইয়েরা যাদের কথায় তোমরা চলো তারা হয়ত বাবার দিক থেকে প্রতিষ্ঠিত নতুবা পড়া শুনা করে প্রতিষ্ঠিত। তাদের ইনকাম কিংবা দান অনুদান আসা চলমান। তারা যদি কাজ নাও করে অথবা কোনো কারনে জেলে যায় তাদের ফ্যামিলিতে কোনো কষ্ট হবেনা। সাহায্য সহযোগিতা সহ অন্যন্য উপকরন সব এমনিতেই হাজির হবে। এটাই নিয়ম। শাপলা চত্তর থেকে জেলে যাবার পরে হেফাজত নেতাদের সাথে পরিচয় থাকার সুবাদে আমার পিসিতে এক নেতা ১০ হাজার টাকা দিয়ে যায় কিন্ত আমার সাথে থাকা অন্যদেরকে এক টাকাও দেয়া হয় নাই। যদিও আমি টাকা গুলো সবাইকে ভাগ করে দিয়ে দিয়েছিলাম। ছোট ভাইয়েরা, তোমরা এখনো তরুন মাত্র। কারো পড়াশুনা শেষ হয়েছে কারোটা চলমান। তোমাদের অনেকের ই পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। মা বাবা অনেক আশা নিয়ে পড়িয়েছেন। ছেলে আলেম হবে উপার্জন করবে। বৃদ্ধকালে মা বাবাকে দেখবে। এরপরে ভাই বোন আত্মীয় স্বজন কিংবা বিবাহ করলে স্ত্রী তো আছেই। তোমরা যাদেরকে আদর্শ ভেবে এক্টিভিটি চালাও। শুধু ফেসবুকে সময় কাটাও ঘণ্টার পর ঘন্টা। তারা কিন্ত কখনো তোমার অথবা তোমার পরিবারের দায়িত্ব নিবেনা। তোমার বিপদে ( যদি একান্ত অনুগত না হও) তাহলে পাশেও দাড়াতে চাইবেনা। তোমার মা বাবাকে গিয়ে শান্তনাও দিবেনা। তারা অন লাইনে হয়ত তোমাকে বাহ বাহ দিবে অথবা কখনো দেখা হলে অফ লাইনে। এই পর্যন্তই। উলটা তুমি আরো তাদের সচ্ছলতার কারন। যাই হোক, ফেসবুক কিংবা অন্যন্য এক্টিভিটি থেকে যদি দু চার পয়সা হালাল ইনকাম হয় তাহলে সেটা মন্দ নয়। তবে যারা শুধু শুধু ফেসবুকে পাঠক কিংবা পোস্ট দাতা হিসেবে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটাও তাদেরকে বলবো "জীবন এরকম যাবেনা"। সামনের জীবন আরো কঠিন। টাকা পয়সা পর্যাপ্ত না থাকলে মা বাবা পর্যন্ত সন্তানকে ভালো জানেনা অনেক সময়। এছাড়া নিজের ভেতরে হীনমন্যতায় ভোগা তো আছেই। সুতরাং অনলাইনে ফাউ কামলা খাটা বা একটিভিটি বাদ দিয়ে এই ২০-২৫ বছর থেকেই ব্যবসা চাকরি কিংবা খামার শুরু করে দেও। ১০ বছর পরে তোমাদের এসব বড় ভাইয়েরা ডোনার হিসেবেই তোমাকে আলাদা মর্যাদা দিবে। মা বাবা আত্মীয় স্বজন প্রতিবেশি সবার উপর তোমার কর্তৃত্ব বজায় থাকবে। যা তাওহীদের দাওয়ার ক্ষেত্রে খুবই জরুরি। আজকের এই লেখা লিখতাম না। লিখলাম নিজের কিছু ভুল ভাবনার কথা সবাইকে জানাতে। আমার ফুপু আমাকে বলতেন ২০ বছর থেকে টাকা কামানোর বয়স। কিন্ত আমি এগুলোকে দুনিয়াদারি ভেবে এড়িয়ে গেছি পাত্তা দেয় নাই। আমার সেইম বয়সের অনেকেই এখন কোটিপতি। তাদের অধীনের ৫০-১০০ জন লোক কাজ করে। অন্যদিকে আমার কাছে সপ্তাহে অনেকেই বলে ভাই কাজের ব্যবস্থা করে দেন। ব্যবসা ধরিয়ে দেন। চাকরি ধরিয়ে দেন। তাদের অনেকেই তোমাদের বয়সটা পার হয়েছে মাত্র আবার অনেকেই আমাদের মত সেইম বয়সী। যাই হোক, লেখাটা আরো ছোট করার দরকার ছিলো। হয়তো একটু বড় হয়ে গেলো। তবে কথা গুলো মানলে ৩৫ বছরে এসে তুমি নিজেকে ভালো অবস্থানে দেখতে পাবে ইনশাআল্লাহ। — আলতাফ হোসেন

ইন্টেরিমের সময় বিএনপি বিরোধিতা করেছিল এই আমেরিকান প্রজেক্টের। তারা বলেছিল, এই সিদ্ধান্ত নিবে নির্বাচিত সরকার। কিন্তু নির্বাচন
ইন্টেরিমের সময় বিএনপি বিরোধিতা করেছিল এই আমেরিকান প্রজেক্টের। তারা বলেছিল, এই সিদ্ধান্ত নিবে নির্বাচিত সরকার।
কিন্তু নির্বাচনের ৩ দিন আগে আমেরিকার সাথে চুক্তি কিন্তু ইন্টেরিমই করে গেছে। সেই বিরোধিতা ছিল মূলত জনগনের স্বার্থে না, বরং সব ইন্টেরিম দিয়ে দিলে বিএনপি কি দিবে? এইজন্যেই এই বিরোধিতা ছিল, যাতে বিএনপি টার্মিনাল দিয়ে আমেরিকার সাথে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের কোন তোয়াক্কা না করে বন্দর তুলে দেওয়া হচ্ছে আমেরিকান অনুগত ডিপি ওয়ার্ল্ড কে, যেখানে তারা কোন বিনিয়োগই করবে না। শুধু পরিচালনা করে আমাদের রিভিনিউ নিয়ে যাবে। এছাড়াও বন্দরের ডাটা চলে যাবে তাদের হাতে, বন্দর দিয়ে আনা হবে প্রো-আমেরিকা আরাকান আর্মির জন্য সামরিক রসদ। কিন্তু দেশের জানার সুযোগ থাকবে না।
আর জঙ্গি নাটকের জন্য বোমা বিশেষজ্ঞ সাভারে বসে থাকবে না, আমেরিকা দেশে নেটফ্লিক্স সিরিজ চালু করতে এখন বিদেশী বোমা বন্দর দিয়েই দেশে ঢুকাবে।
— আবদুল্লাহ সোলাইমান ━ ⌯⌲ TelegramFacebook 📂 File Archive

ইসলামী শরীয়াহ আইনে যিনা ও ব্যাভিচারের শাস্তি কি জানেন? তাহলে শুনুন– রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
“যদি কোন অবিবাহিত পুরুষ কোন কুমারী মেয়ের সাথে ব্যাভিচার করে তবে একশ’ বেত্ৰাঘাত কর এবং এক বছরের জন্য নির্বাসন দাও। আর যদি বিবাহিত ব্যক্তি কোন বিবাহিতা মহিলার সঙ্গে ব্যাভিচার করে, তবে তাদেরকে প্রথমত একশ’ বেত্ৰাঘাত করবে, এরপর পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করবে।”
(সহীহ মুসলিম : ১৬৯০) এবার তাহলে বাংলাদেশের আইন তথা সেক্যুলার আইনে কি শাস্তি তা শুনুন। তা হলো–
কিছুই না। জ্বী, সেক্যুলার আইনে এর কোনো শাস্তি নেই।
কেন আমরা শরীয়াহ আইন বাস্তবায়নের কথা বলি, কারণ একমাত্র শরীয়াহ আইনে ন্যায়বিচার ও ইনসাফ রয়েছে। শরীয়াহ আইনে অপরাধীকে এমন কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়, যা দেখে ভবিষ্যতে অন্যরা সে অপরাধ করা থেকে বিরত থাকে। অপরাধের শাস্তি তো এমনই হওয়া উচিৎ।
আফসোস, এটা কবে বুঝবে আমাদের তথাকথিত ৯০ শতাংশ মুসলমান!
লেখা : মাহমুদুল হাছান ➥ TelegramFacebookFile Archive

Repost from Nasim Ahmad
অনেক দূর থেকে অনেক অনেক দিন পরে মালু আসছে ফিটার খাইতে।
বেশ্যাটা কেমনে মালুর পক্ষ নিলো দেখলেন তো। এসব ভাগওয়া ট্র্যাপে বেশিরভাগ মেয়েদের দেখবেন এরা স্টাইলিশ নটি। কথিত পর্দার নিচেও মেকআপ করবো, বেডা দেখলে ১০০ বার চাইবে, পাছা ঘুরিয়ে হাঁটবে নটির মতো। বোরকাওলী মানে পর্দাশীল মেয়ে সেটা ভুলে যান (সবাই একরকম নয়)। ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপে পরার ৪ টি কারণ আমি শনাক্ত করতে পেরেছি।
১। ধর্মীয় শিক্ষাদীক্ষা এবং শাসনের ঘাটতি। (অর্থাৎ অধিকাংশ পরিবারগুলো জাহিল। ধর্ম সম্পর্কে জানে না, শিক্ষাও দিতে পারে না। এজন্য তো দাইয়্যুস জাহান্নামে যাবে।)
২। সময়মতো বিয়ে না দেওয়া।
৩। অবাধ স্বাধীনতা এবং মোবাইল।
৪। কালোজাদু। (কুফরী কাজ, এ থেকে মুসলিমরা দূরে থাকুন।)
এদেরকে বাপ-মা ছেঁড়ে দিছে........... “বাকীটা ফেসবুকে পড়ুন।”

When a simple question becomes so difficult …