en
Feedback
ATLAS Official

ATLAS Official

Open in Telegram

Welcome to ATLAS Family ✅সকল টেলিগ্রাম চ্যানেল ও গ্রুপ: https://t.me/addlist/ReVLKekMuRo2MjJl 🚀Youtube Channel: https://shorturl.at/U9HXO 📞01754365403 👨‍⚕️Founder:Amir Hamza Rafi[MBBS] 🌟Telegram id @rafi_somc

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel ATLAS Official

Channel ATLAS Official (@mediatlas) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 23 430 subscribers, ranking 8 511 in the Education category and 896 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 23 430 subscribers.

According to the latest data from 17 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -666 over the last 30 days and by -16 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 7.36%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 3.44% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 1 724 views. Within the first day, a publication typically gains 805 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 23.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
Welcome to ATLAS Family ✅সকল টেলিগ্রাম চ্যানেল ও গ্রুপ: https://t.me/addlist/ReVLKekMuRo2MjJl 🚀Youtube Channel: https://shorturl.at/U9HXO 📞01754365403 👨‍⚕️Founder:Amir Hamza Rafi[MBBS] 🌟Telegram id @rafi_somc

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 18 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Education category.

23 430
Subscribers
-1624 hours
-1547 days
-66630 days
Posts Archive
📚 ৩ ঘণ্টা পড়েও পরের দিন কিছুই মনে থাকে না, কিন্তু তোমার বন্ধু ৪০ মিনিট পড়ে সব মনে রাখে? এটা মেধার পার্থক্য না, বরং পড়ার কৌশলের (Technique) পার্থক্য আমাদের অনেকেই একই জিনিস বারবার পড়ি, হাইলাইট করি, বা বইয়ের দিকে তাকিয়ে থাকি। এতে মনে হয় অনেক পড়া হয়েছে, কিন্তু আসলে ব্রেন শুধু তথ্যটাকে চিনে (Recognition), ভালোভাবে মনে রাখে না (Memory) 🧠 তাহলে কী করবে ? যা শিখছো, সেটা অন্যকে শেখানোর চেষ্টা করো । এটা হলো বিখ্যাত Feynman Technique যেকোনো টপিক পড়ার পর নিজের ভাষায় এমনভাবে বুঝিয়ে বলো, যেন ১০ বছরের একটা বাচ্চাও বুঝতে পারে । বন্ধুদের শেখাও। ছোট ভাই-বোনকে বুঝাও। কেউ না থাকলে দেয়ালকে বুঝাও ! আর একদম কেউ না থাকলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেই নিজেকে পড়াও মজার ব্যাপার হলো, অনেক সময় ১৫ মিনিট কাউকে বুঝিয়ে বললে যে পরিমাণ শেখা হয়, সেটা ১ ঘণ্টা চুপচাপ বই পড়েও হয় না ✨ Feynman Technique এর সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলো: ✅ মুখস্থের বদলে Concept Clear হয় ✅ দুর্বল জায়গাগুলো দ্রুত ধরা পড়ে ✅ দীর্ঘদিন মনে থাকে ✅ পরীক্ষায় নিজের ভাষায় উত্তর লেখা সহজ হয় ✅ কম সময় পড়েও বেশি শেখা যায় তাই শুধু Reader না, মাঝে মাঝে Teacher-ও হও । কারণ শেখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো অন্যকে শেখানো

🩺 মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা : ফিজিক্স নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা ও সঠিক পড়ার কৌশল 🎯 মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার কথা আসলেই আমাদের মাথায় শুধু বায়োলজি আর কেমিস্ট্রির কথা ঘোরে। ফিজিক্সকে অনেকেই একপাশে ফেলে রাখে। কিন্তু মনে রেখো, ফিজিক্সে কিন্তু পুরো ১৫ নম্বর বরাদ্দ রয়েছে! শুরু থেকেই অনেককে ব্রেনওয়াশ করা হয় যে মেডিকেলে কোনো ম্যাথ বা ফিজিক্স লাগে না। ফলে শেষ সময়ে গিয়ে ফিজিক্সে অনেকেই ধরা খায় তাহলে মেডিকেল ফিজিক্সে ভালো করার এবং ১৫ তে ১৫ তোলার সঠিক উপায়টি কী? চলো জেনে নেওয়া যাক: ৯৫% থিওরি এবং মাত্র ৫% ম্যাথ : মেডিকেলের ১৫টি প্রশ্নের মধ্যে প্রায় ১১-১৩ টি প্রশ্নই থাকে সরাসরি থিওরিটিক্যাল। সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ টি ছোট ম্যাথ আসতে পারে, যা এইচএসসির বেসিক নলেজ (যেমন: সাধারণ তুল্যরোধ বের করা) থাকলেই সহজে পারা সম্ভব। তাই জটিল ম্যাথ নিয়ে মাথা নষ্ট না করে থিওরিতে বেশি ফোকাস করো 🎯 ফিজিক্সে ভালো করার ৫টি মূল হাতিয়ার 1. একক ও মাত্রা : এখান থেকে ১০০% একটি প্রশ্ন পরীক্ষায় পাবেই 2. সূত্র ও সূত্রের ব্যাখ্যা : সমানুপাতিক বা ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক এবং সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের প্রশ্নগুলোর জন্য সূত্র ভালো করে বুঝতে হবে 3. সারসংক্ষেপ : ইসাক স্যারের বইয়ের প্রতিটি চ্যাপ্টারের শেষে থাকা প্রয়োজনীয় বিষয়াবলী বা সারসংক্ষেপ মুখস্থ রাখতে হবে 4. অনুশীলনী MCQ : মূল বইয়ের পেছনের অনুশীলনী এমসিকিউ কোনোভাবেই মিস করা যাবে না 5. বিগত বছরের প্রশ্ন : বিগত বছরের মেডিকেল প্রশ্নের ব্যাখ্যামূলক সমাধান দারুণভাবে হেল্প করবে ✍ Shafin Ahmed Shaon

জাতীয় বাজেট-২০২৬ নিয়ে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে পোল/কুইজ/ওয়েবসাইট এক্সাম ✅লিংক:

ফেইসবুক,মেসেঞ্জার সার্ভার ডাউন🚀 লালা ভাগছে😁

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় একটা প্রশ্ন চলে আসতে পারে🔥

Repost from GK Master By ATLAS
🌟Important Poll Solve By ATLAS 🔥Topic Name: "সাম্প্রতিক:"ফিফা ওয়ার্ড কাপ-২০২৬"" ✅প্রশ্ন সংখ্যা: 24 https://t.me/GkMasterAtlas/1689

জাতীয় বাজেট নিয়ে সকল তথ্য! পোল/কুইজ সলভ করতে চাও?
+1
জাতীয় বাজেট নিয়ে সকল তথ্য! পোল/কুইজ সলভ করতে চাও?

যাদের টার্গেট ডাক্তার হওয়া তারা অবশ্যই একবার এই লেখাটা পড়বা , তারপরে নিজের ডাক্তার হওয়ার পথে এগোবা

বাংলাদেশের দুর্নীতি, প্রশাসনিক জটিলতা, সীমিত চাকরির বাজার, গবেষণার অভাব এবং জীবনমানের নানা সীমাবদ্ধতা দেখে অনেক স্টুডেন্টই ভাবে, "The Biggest Bangladeshi Dream is to Leave Bangladesh." কিন্তু বিদেশে সেটেল হতে চাইলে একটা প্রশ্ন খুব গুরুত্বপূর্ণ: Medical naki Varsity ? প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়ার সংখ্যা (আনুমানিক) : 🎓 B.Sc / Varsity Graduates: ৫০,০০০+ জন 🩺 MBBS / BDS Graduates : ৫০০-৬০০ জন (সর্বোচ্চ) The Hard Truth : যে ৫০০–৬০০ জন ডাক্তার প্রতি বছর কানাডা, অস্ট্রেলিয়া বা জার্মানিতে যান, তাদের বেশিরভাগই সরাসরি Clinical practice এর জন্য যান না ! তারা সাধারণত MPH (Public Health), Health Informatics বা অন্যান্য Non-Clinical বিষয়ে পড়তে যান যেটা অনেকটা ভার্সিটির গ্রাজুয়েটদের মতোই । অর্থাৎ, শেষ পর্যন্ত হিসাব করলে বাংলাদেশ থেকে যদি ১০০ জন সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বিদেশে যান, সেখানে মেডিকেল থেকে যেতে পারেন বড়জোর ১–২ জন ! এত বিশাল পার্থক্যের কারণ কী কী ? 1 . Degree Recognition & Transferability : বাংলাদেশি ভার্সিটি গুলোর জেনারেল ডিগ্রি (B.Sc, BBA) আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও স্বীকৃত । কিন্তু বাংলাদেশের MBBS ডিগ্রির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা অত্যন্ত সীমিত ( নিম্নমানের মেডিকেল কলেজ হওয়ার কারণে ) বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা সেবা দিতে চাইলে বাংলাদেশি ডাক্তারদের প্রতি পদে পদে অতিরিক্ত কোর্স, সার্টিফিকেট ভেরিফিকেশন এবং কঠোর স্ক্রিনিংয়ের মুখোমুখি হতে হয় 2 . Funding & Scholarships : STEM, Engineering, Business ও life science এ প্রতিবছর বিলিয়ন ডলারের গবেষণা ফান্ডিং থাকে । ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সহজেই TA (Teaching Assistantship), RA (Research Assistantship) বা Full Scholarship পেয়ে যান । অন্যদিকে Medical/Dental ক্ষেত্রে, Clinical ট্রাক এ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য Funding পাওয়া অত্যন্ত কঠিন । উন্নত দেশগুলো প্রথমে নিজেদের নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেয়। ফলে অনেক মেডিকেল গ্র্যাজুয়েটকে Non Clinical Track এ যেতে হয়, যেখানে প্রতিযোগিতাও অত্যন্ত বেশি 3 . Licensing & Work Permits : বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ডিগ্রি শেষ করে সহজেই OPT বা Post Study Work Permit পেয়ে চাকরিতে প্রবেশ করতে পারেন । আলাদা কোনো Professional License লাগে না । Medical/Dental এর স্টুডেন্টরা এখানে এসেই সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খায় ! দেশে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে MBBS ডিগ্রি শেষ করলেও যতক্ষণ না ওই দেশের নির্দিষ্ট মেডিকেল বোর্ডের লাইসেন্সিং পরীক্ষা (যেমন: আমেরিকার USMLE Step 1, 2, 3 বা UK এর PLAB/UKMLA) পাস করা যাচ্ছে, ততক্ষণ হাসপাতালের ভেতরে ঢোকার বা রোগী স্পর্শ করার কোনো অনুমতি মেলেনা না ! এই লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া শেষ করতে বছরের পর বছর অমানুষিক পরিশ্রম, মানসিক চাপ এবং লাখ লাখ টাকা খরচ করতে হয়। বাইরে থেকে ডাক্তার নেওয়ার ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলো আক্ষরিক অর্থেই ১০০টি ফিল্টার বসিয়ে রেখেছে । পরীক্ষাগুলোতে পাসের হার ভালো হলেও, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে UK-তে ৩০০ জন এবং আমেরিকায় মাত্র ৫০-৮০ জনের বেশি ডাক্তার ক্লিনিক্যাল রেসিডেন্সিতে (পেইড জব) সুযোগ পান না । বাকিদের স্ট্রাগল চলতেই থাকে 4. Research Profile & Publications : ভার্সিটিতে আন্ডারগ্র্যাড লেভেলেই থিসিস, প্রজেক্ট, পেপার পাবলিশ করার সুযোগ থাকে। মেডিকেলে সিলেবাস মুখস্থনির্ভর, রিসার্চ কালচার প্রায় নেই। ফলে বিদেশে অ্যাডমিশন ও ফান্ডিংয়ে পিছিয়ে পড়েন। ( কোনোদিনও শুনছেন ঢাকা মেডিকেল বা সলিমুল্লাহ মেডিকেল থেকে রিসার্চ পাবলিশ করতে ? ) ফলে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ডে Research Profile ভারী না হওয়ায় ডাক্তাররা শুরুতেই কিছুটা পিছিয়ে পড়েন শেষ কথা , মেডিকেল বা ডেন্টাল পড়াশোনা দেশে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ হলেও, এর গণ্ডি মূলত দেশের মধ্যেই ভীষণভাবে সীমাবদ্ধ ! তাই আন্তর্জাতিকভাবে Move করা অনেক কঠিন । অপরদিকে জেনারেল বা ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটির কারিকুলাম ডিজাইনই করা হয় Global Standard-এ । যার কারণে গ্লোবাল ইমিগ্রেশন, কর্পোরেট জব ও স্কলারশিপের মার্কেটটা ভার্সিটি স্টুডেন্টদের জন্য অনেক বেশি ওপেন, স্মুথ এবং ইজি

একটা বিষয় আগে থেকেই Clear করে রাখি 🙂 আমি নিজে কোনো Medical Student না । তাই নিজের থেকে মেডিকেল প্রিপারেশন বা গাইডলাইন রিলেটেড এক লাইনও দিবো না ( তবে ভার্সিটির দিতে পারি ) Medical নিয়ে যেসব তথ্য, পরামর্শ বা Preparation Content শেয়ার করব, সেগুলো হবে মেডিকেলে পড়ুয়া বা এই পথটা ইতোমধ্যে পার করা ভাইয়া-আপুদের লেখা অবশ্যই তাদের Proper Credit সহ । কারণ Social Media-তে সব বিষয়ে Expert হওয়ার চেয়ে, সঠিক তথ্য সঠিক মানুষের কাছ থেকে পৌঁছে দেওয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ

📌 সেকেন্ড টাইম মেডিকেল প্রস্তুতি: মেন্টাল ব্রেকডাউন কাটিয়ে যেভাবে শুরু করবে A to Z গাইডলাইন ! 🩺💡 মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথমবার কোনো কারণে চান্স মিস হওয়া এবং সেকেন্ড টাইম প্রিপারেশন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এই সময়টাতে মেন্টাল ব্রেকডাউন হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক । কিন্তু মনে রেখো, এই পরিস্থিতি যত দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারবে, লাভ তোমারই। নিজেকে একজন ফার্স্ট টাইমারের মতোই ভাবো এবং নতুন উদ্যমে শুরু করো তোমার সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট হলো, তোমার আগে একবার পড়া আছে এবং এক্সাম হলের এক্সপেরিয়েন্স আছে। এখন শুধু দরকার সঠিক নিয়মানুবর্তিতা। সেকেন্ড টাইম মেডিকেল জয়ের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস: ১. পড়াশোনায় নিয়মিত হওয়া (Consistency) : একটা দিনও মিস দেওয়া যাবে না। প্রতিদিন অন্তত ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা ইফেক্টিভ পড়াশোনা ধরে রাখতে হবে ২. রিভিশন প্ল্যান (Revision Plan) : একটি গোছানো রিভিশন প্ল্যান তৈরি করো। প্রথম ১ মাসে পুরো বইয়ের সবকিছু একবার ভালোভাবে শেষ করো। এরপরের রিভিশন ২০ দিনে, এভাবে পর্যায়ক্রমে সময় কমিয়ে পরীক্ষার আগে যেন অন্তত ১৫ থেকে ২০ বার রিভিশন দেওয়া হয়ে যায় ৩. টার্গেট রাখো আকাশচুম্বী (High Target) : তোমার টার্গেট যদি থাকে ৯০+ মার্কস পাওয়ার, তবে পরীক্ষা একটু খারাপ হলেও যেন ৮০-৮৫ পাও । এতে সেকেন্ড টাইমে নম্বর কাটা যাওয়ার পরেও তোমার সিট নিশ্চিত থাকবে ৪. মানসিক শক্তি ও মানুষের কথায় কান না দেওয়া : আশেপাশের মানুষ কে কী বলছে, তাতে কান দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। সফল হলে সবাই ক্রেডিট নিতে আসবে, আর ব্যর্থ হলে কেউই পাশে থাকবে না। নিজের উপর বিশ্বাস রাখো, বেশি করে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করো এবং একটি ডিসিপ্লিনড লাইফস্টাইল মেইনটেইন করো ৫. বায়োলজি রিভিশন স্ট্র্যাটেজি : বায়োলজিতে যেহেতু মুখস্থ করার বিষয় বেশি, তাই ভুলে যাওয়া স্বাভাবিক। এজন্য প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার হলেও পুরো বায়োলজি বইটা রিভাইজ করার চেষ্টা করো ✍ Credit : রুশা জাহানিমা, নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ

🚀 কে এই Elon Musk? (The Real-Life Iron Man) Elon Musk শুধু একজন মানুষ নন, তিনি একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় Living Legend . তিনি হলেন বর্তমান বিশ্বের এক নম্বর ধনী, পৃথিবীর ইতিহাসে খুব কম মানুষই আছেন যারা একইসাথে Automobile, Space Technology, Artificial Intelligence, Robotics এবং Internet Infrastructure এর ভবিষ্যৎ গঠনে সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন বর্তমানে Elon Musk এর সম্পদের পরিমাণ প্রায় $350+ Billion . তুলনা করার জন্য বলা যায়, বাংলাদেশের পুরো অর্থনীতির (GDP) আকার প্রায় $450 Billion . অর্থাৎ, একজন মানুষের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ একটি ২০ কোটির দেশের অর্থনীতির প্রায় ৮০% এর সমান ! 🤯 🎓 Student Life এ Elon Musk থেকে ২টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা : 1. Dream Bigger Than Others : বেশিরভাগ মানুষ একটি চাকরির স্বপ্ন দেখে। Elon Musk স্বপ্ন দেখেন মানবজাতিকে বহু-গ্রহের সভ্যতায় রূপান্তর করার । তুমি আজ যে লক্ষ্য নির্ধারণ করবে, আগামীকাল তোমার জীবনও সেদিকেই এগোবে । ছোট লক্ষ্য ছোট ফলাফল আনে, বড় লক্ষ্য বড় অর্জনের সুযোগ তৈরি করে 2. Failure মানেই Game Over নয় : Rocket বিস্ফোরণ হয়েছে। কোম্পানি দেউলিয়া হওয়ার পথে গেছে। পৃথিবীর অসংখ্য মানুষ তাকে ব্যর্থ বলেছে। তবুও তিনি থামেননি । মনে রেখো, Success এর বিপরীত শব্দ Failure নয়; Success এর বিপরীত শব্দ হলো Give Up . যারা হাজারো ব্যর্থতার পরও লেগে থাকে, শেষ পর্যন্ত তারাই ইতিহাস লিখে

সম্পর্ক হতে হবে সমতার, মর্যাদার। কথা হবে চোখে চোখ রেখে। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সম্মানের প্রশ্নে বিন্দুমাত্র ছাড় নয়। সীমান
সম্পর্ক হতে হবে সমতার, মর্যাদার। কথা হবে চোখে চোখ রেখে। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সম্মানের প্রশ্নে বিন্দুমাত্র ছাড় নয়। সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিজিবি, সাবাস।

🌟Important Poll Solve By ATLAS 🔥Topic Name: Random ✅প্রশ্ন সংখ্যা: 8 https://t.me/BiologyMasterAtlas/7368

রাস্তা যতই কঠিন হোক, নিজের target থাকতে হবে একদম unshakeable। লক্ষ্য যদি ঠিক থাকে, তবে কোনো বাধাই ম্যাটার করে না! 🎯
রাস্তা যতই কঠিন হোক, নিজের target থাকতে হবে একদম unshakeable। লক্ষ্য যদি ঠিক থাকে, তবে কোনো বাধাই ম্যাটার করে না! 🎯

Repost from GK Master By ATLAS
আমরা প্রতি বছর ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা নিয়ে তর্ক-বিতর্কে মেতে উঠি, চায়ের কাপে ঝড় তুলি । কিন্তু ফুটবলের মাঠের বাইরে, বিশ্বমঞ্চে
আমরা প্রতি বছর ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা নিয়ে তর্ক-বিতর্কে মেতে উঠি, চায়ের কাপে ঝড় তুলি । কিন্তু ফুটবলের মাঠের বাইরে, বিশ্বমঞ্চে অর্থনীতির দিক থেকে আমরা আসলে ব্রাজিল আর্জেন্টিনার তুলনায় কোথায় দাঁড়িয়ে আছি ?

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আগামী ১৫ জুন থেকে বিরতণ করা হবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকা

Medi Chemistry এর জন্য কিছু গাইডলাইন 1. মেইন বই বনাম হেল্পিং বুক (মেডিট্রিক্স/ডাইজেস্ট) 📚 হাজারী স্যার বা কবির স্যারের মেইন বইগুলো অনেকের কাছেই কিছুটা অগোছালো লাগতে পারে। তাই রিভিশন সহজ করার জন্য মেইন বইয়ের পাশাপাশি একটা ভালো হেল্পিং বুক (যেমন: মেডিট্রিক্স বা ডাইজেস্ট) সাথে রাখা বাধ্যতামূলক পড়ার নিয়ম : কোনো অধ্যায় মেইন বই থেকে পড়ার আগে মেডিট্রিক্স থেকে একটু উল্টে নাও। এতে বুঝবে কোন লাইনগুলো ইম্পর্টেন্ট। এরপর মেইন বই ও মেডিট্রিক্সের সেই অংশগুলো সুন্দর করে দাগিয়ে পড়ো, যেন পরীক্ষার আগের রাতে পুরো মেইন বই না পড়ে শুধু দাগানো অংশ দেখেই দ্রুত রিভিশন দেওয়া যায় 2. মেডিকেলে কেমিস্ট্রি থেকে ২-৩ টা ম্যাথ আসে । এর জন্য সব অধ্যায়ের ম্যাথ করার কোনো প্রয়োজন নেই পরিবেশ রসায়ন, রাসায়নিক পরিবর্তন এবং পরিমাণগত রসায়ন— এই ৩টি অধ্যায়ের হাজারী স্যারের বইয়ের মেডিকেল স্ট্যান্ডার্ড ও হাতে ক্যালকুলেট করা যায় এমন ম্যাথগুলো বারবার প্র্যাকটিস করো। ভার্সিটি টাইপ কঠিন ম্যাথ স্কিপ করতে পারো ~~ Ishmum Ahmed , SSMC

📚 কেন লিখে লিখে পড়া এত বেশি Effective ? একটা ছোট প্রশ্ন— তুমি যদি কোনো টপিক ৫ বার পড়ো আর অন্য কেউ সেই টপিক ১ বার পড়ে ১ বার লিখে ফেলে, তাহলে পরীক্ষার হলে কার বেশি মনে থাকার সম্ভাবনা ?বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় জনের । কারণ আমাদের মস্তিষ্ক শুধু তথ্য দেখলে শেখে না, তথ্য মনে করে বের করতে (Recall) বাধ্য হলে বেশি শেখে। আর লিখে পড়া ঠিক এই কাজটাই করে 🧠 Psychology বলে, যত বেশি তুমি কোনো তথ্য মনে থেকে বের করার চেষ্টা করবে, তত বেশি সেই তথ্য তোমার Long term Memory-তে শক্তভাবে সংরক্ষিত হবে। তাই শুধু পড়ার বদলে লিখে লিখে পড়ার কিছু বড় সুবিধা হলো— ✅ পড়া জিনিস বেশি দিন মনে থাকে ✅ কোথায় দুর্বলতা আছে দ্রুত ধরা পড়ে ✅ পরীক্ষার হলে উত্তর Recall করা সহজ হয় ✅ মনোযোগ বাড়ে, কারণ লিখতে গেলে Active থাকতে হয় ✅ Writing speed ও Presentation Skill উন্নত হয় অনেকেই বলে, "পড়া তো হয়, কিন্তু পরীক্ষার হলে মনে আসে না।" এর অন্যতম কারণ হলো তারা শুধু Input নিয়েছে, কিন্তু Output Practice করেনি । তাই শুধু পড়ে যাওয়ার বদলে মাঝে মাঝে বই বন্ধ করে লিখে দেখো— "আমি আসলে কতটুকু মনে রাখতে পেরেছি?" এই ছোট অভ্যাসটাই তোমার Preparation-কে অন্য লেভেলে নিয়ে যেতে পারে

গুচ্ছের সাবজেক্ট চয়েস এর ফলাফল প্রকাশিত । কে কোন ইউনিভার্সিটির কোন সাবজেক্ট পাইলা জানাও

ATLAS Official - Statistics & analytics of Telegram channel @mediatlas