en
Feedback
Hidayat-হিদায়েত

Hidayat-হিদায়েত

Open in Telegram

ইসলামিক দাওয়াহ চ্যানেল

Show more
6 655
Subscribers
-524 hours
-17 days
-6030 days
Posts Archive
ভাইদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ‼️
ভাইদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ‼️

সুবহানাল্লাহ! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! [রাহিমাহুল্লাহ ]
সুবহানাল্লাহ! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! [রাহিমাহুল্লাহ ]

দুর্ভাগ্যের আলামত ৪টি : ১) আল্লাহর স্মরণে অন্তর নরম না হওয়া, অন্তর শক্ত থাকা। ২) আল্লাহর ভয়ে কান্না না আসা, চোখ শুকিয়ে যাওয়া। ৩) দুনিয়াবি জীবন নিয়ে আশা-আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যাওয়া। ৪) দুনিয়াবি জিনিসের প্রতি আগ্রহ-লোভ বেড়ে যাওয়া। — হাসান বাসরি (রহি.) [সূত্র : কিতাবুয যুহদ, ইবনু আবিদ দুনইয়া, ৩৬]

এই ফিতনাময় দুনিয়ায় আপনি নিজেকে হিফাজত করতে পারছেন! এটাই তো সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য!

ছয় দিন। একটা মা ডলফিন তার মরা বাচ্চাটাকে পিঠে নিয়ে ঘুরছিল ছয়টা দিন। ছেড়ে দিচ্ছিল না। মাঝে মাঝে বাচ্চাটা পানিতে পড়ে যাচ্ছিল। মা আবার ডুব দিয়ে তুলে আনছিল। বুকে চেপে ধরছিল। যেন ঘুমিয়ে আছে, যেন এক্ষুনি জেগে উঠবে। বাচ্চাটার বয়স হয়েছিল মাত্র দুই সপ্তাহ। আর এই মা এর আগেও বারবার সন্তান হারিয়েছে। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার শান্ত এক মোহনায় ড্রোনে ধরা পড়া এই দৃশ্যটা সারা পৃথিবী দেখেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন — এটা নিছক অভ্যাস নয়। এটা শোক। মায়ের মমতা মৃত্যুর পরও থামে না। একটা কথা জানেন কি? গবেষণা বলছে, ডলফিন কুড়ি বছর পরও একজন পুরোনো সঙ্গীর ডাক চিনে ফেলতে পারে। তার মানে এই মা তার হারানো বাচ্চাটার কথা কোনোদিন ভুলবে না। বছরের পর বছর মনে রাখবে। ভাবতে পারেন? একটা প্রাণী, যার কোনো ভাষা নেই, কোনো নামাজ নেই, কোনো আখিরাতের হিসাব নেই — তার বুকেও আল্লাহ এত গভীর মমতা রেখে দিয়েছেন। এই মমতাটা কোত্থেকে এলো? মা ডলফিন নিজে বানায়নি। নিজে শেখেনি। এটা তার ভেতরে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। যিনি বসিয়েছেন, তিনি আর-রাহমান — পরম দয়াময়। সাগরের একটা প্রাণীর বুকে যিনি এত মায়া দিতে পারেন, তাঁর নিজের মায়াটা তাহলে কত গভীর? এবার একটা হাদিস শুনুন। বুকে গেঁথে যাওয়ার মতো। একবার কিছু যুদ্ধবন্দিকে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে আনা হলো। তাদের মধ্যে এক মা ছিলেন, যিনি নিজের হারানো সন্তানকে খুঁজছিলেন। বুক দুধে ভরে উঠছিল। তিনি বন্দিদের ভেতর যে শিশুকেই পাচ্ছিলেন, বুকে চেপে ধরে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন। তারপর তিনি নিজের হারানো সন্তানকে খুঁজে পেলেন। জড়িয়ে ধরলেন বুকের সাথে। রাসূলুল্লাহ ﷺ সাহাবিদের জিজ্ঞেস করলেন — "তোমরা কি মনে করো, এই মা তার সন্তানকে আগুনে ছুঁড়ে ফেলতে পারবে?" সাহাবিরা বললেন — "না, কখনোই না। যদি ঠেকানোর সামান্যতম ক্ষমতাও তার থাকে।" তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন — "আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি এই মায়ের চেয়েও বেশি দয়ালু।" (সহিহ বুখারি) যে মা সন্তানকে আগুন থেকে বাঁচাতে নিজের জীবন দিয়ে দেবে — আল্লাহ আপনার প্রতি তার চেয়েও বেশি দয়ালু। ডলফিন মা ছয় দিন মরা বাচ্চাকে ছাড়েনি। মানুষ মা সন্তানকে আগুনে ফেলতে পারে না। এগুলো তো আল্লাহর দয়ার একটা ছোট্ট প্রতিফলন মাত্র। মূল উৎসটা তাহলে কত বিশাল? আমরা ভাবি আল্লাহ বুঝি রাগ করে বসে আছেন। ভুল করলেই বুঝি শাস্তি। অথচ তিনি নিজেই লিখে রেখেছেন "নিশ্চয়ই আমার রহমত আমার ক্রোধের ওপর জয়ী হয়েছে"। (সহিহ বুখারি) আপনি যতবার ফিরে আসবেন, আর-রহমান ততবার বুকে টেনে নেবেন। একটা মা যেমন হারানো সন্তানকে খুঁজে পেয়ে আর ছাড়ে না — ঠিক তেমনি, তার চেয়েও গভীরভাবে। গুনাহের বোঝা নিয়ে যে ভাবছেন "আমাকে দিয়ে আর হবে না" — একবার শুধু ফিরে দেখুন। যিনি ডলফিনের বুকে এত মমতা রেখেছেন, তিনি আপনার জন্য অপেক্ষা করে আছেন। আল্লাহ সূরা আয-যুমারের ৫৩ নাম্বার আয়াতে বলেন, "যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছ, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করেন। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" আল্লাহ আমাদের তাঁর সেই অসীম দয়ার ছায়ায় জায়গা দিন। আর তাঁর রহমত থেকে কখনো নিরাশ না হওয়ার তাওফিক দিন। আমীন। 🤍 লেখাঃ Abu MuHammad Rafiuzzaman

তোমরা কি জানো জান্নাত কেন সুন্দর? কারণ জান্নাতের ছাদ হলো রব্বুল ‘আলামিনের আরশ।’ — ফুদ্বাইল ইবন ইয়াদ্ব (রাহিমাহুল্লাহ) [হাদীউল আরওয়াহ ইলা বিলাদিল আফরাহ: ১/৫৭]

সবচেয়ে কষ্টের মুহুর্ত টা কি জানেন? যখন দেখবেন একজন হিদায়েতপ্রাপ্ত ব্যক্তি শয়তানের প্ররোচনায় দ্বীন ছিটকে পড়ে দুনিয়ার পাপচারে লিপ্ত হয়ে পড়ে!!

যার যার ওবস্থান থেকে পালাও...!!
যার যার ওবস্থান থেকে পালাও...!!

এই দ্বীন যেমন আমার! এই জমীন ও আমার 🔥

একদম! 🔥
একদম! 🔥

কেন দ্বীনদার স্ত্রী এবং নেককার সন্তানের জন্য এত দু'আ করো? - এই যে উত্তর!
কেন দ্বীনদার স্ত্রী এবং নেককার সন্তানের জন্য এত দু'আ করো? - এই যে উত্তর!

ঘোড়া এক এমেইজিং প্রাণী। ঘোড়া সম্পর্কে কিছু ইন্টারেস্টিং তথ্য আপনাদের দেই— - ঘোড়া সাধারণত সাপের কামড়ে মরে না বরং তার থেকেই এন্
ঘোড়া এক এমেইজিং প্রাণী। ঘোড়া সম্পর্কে কিছু ইন্টারেস্টিং তথ্য আপনাদের দেই— - ঘোড়া সাধারণত সাপের কামড়ে মরে না বরং তার থেকেই এন্টিভেনম তৈরি হয়। - ঘোড়া দাঁড়িয়ে ঘুমাতে পারে। - ঘোড়া অন্ধকার রাতেও চোখে দেখে। - ঘোড়া রাস্তা ভুলে না। - ঘোড়া মাইলের পর মাইল বিরতিহীন ভাবে চলতে পারে আর অনেক ভারী বোঝা বহন কর‍তে পারে। - ঘোড়া সামনে পিছনে (৩৬০° প্যানোরামিক ভিউ) এক সাথে দেখতে পারে। . ইসলাম ও ঘোড়াকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে- রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ঘোড়ার কপালে কিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ লিখে দেওয়া হয়েছে।" [সুনান আন-নাসায়ী, ৩৫৭৪ ]। আর আপনি জেনে অবাক হবেন যে- ঘোড়া চালাতে পেট্রোল লাগে না এবং অচিরেই আবার ঘোড়ার যুগ ফিরে আসছে। . . ~ সুমন আহমাদ

ফোনটা যত স্মার্ট কিংবা দামীই হোক, চার্জ না দিলে কিন্তু চলে না। ঈমানও তেমনি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, সৎকাজ আর দোয়া-জিকির হলো সেই চার্জ। দিনে দিনে গুনাহ, অলসতা, দুনিয়াদারিতে সেই চার্জ কমে যায়। রিচার্জ না করলে এক সময় অফ হয়ে যায়! অতএব কার ঈমান কী অবস্থায় আছে— সে তার আমল দিয়েই বুঝে নিতে পারে। ~ মুফতী উমায়ের কোব্বাদী হাফি.

সবর করা এত সহজ নয়! সবর মানে কান্না, সবর মানে একাকীত্ব। সবর মানে অপমানকে গিলে ফেলা, হাসি দিয়ে কান্নাকে ঢেকে রাখা। সবরের অর্থ কেবল শারীরিক আঘাতে কিংবা প্রিয়জন হারানোর বেদনায় ধৈর্য ধরা নয়। অতি আপনজনের কুটিল হাসি, মিষ্টি ধারালো কথা এবং নীরব বাঁকা চাহনিকে এক আল্লাহর জন্য দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করাও তো সবর! সব র*ক্তের সম্পর্ক আপন হয় না। সব র*ক্তের রংও লাল নয়। হৃদয়ের র*ক্তক্ষরণের যে কোন রং নেই। কারো সাধ্যও নেই তা পড়ে নেয়ার। যিনি না বলা কথাও শুনেন, যিনি বোবার ভাষাও বোঝেন… তাঁর ফায়সালার অপেক্ষার নামই তো সবর! — রিজওয়ানুল কবির

একদম! 🔥
একদম! 🔥

শাইখুনা, হাফিজাহুল্লাহ! 🔥
শাইখুনা, হাফিজাহুল্লাহ! 🔥

গান প্রচারকারীরা যদি স্টোরির সেই ২৪ ঘন্টা হওয়ার পর আপনাদের আমলনামা দেখতে পেতেন তাহলে দেখতেন কি বিপুল পরিমাণ গুনাহ আপনার আমলনামায় লিপিবদ্ধ হয়ে গিয়েছে। কথা : সংগৃহীত

“প্রত্যেক মানুষের অন্তরেই রয়েছে অস্থিরতা, যা কেবল আল্লাহর কাছে ফিরে গেলেই ঠিক করা সম্ভব।” - ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ (মাদারিজুস সালেকিন, ৩/১৫৬)

জীবনে পরিবর্তন আনতে সর্বদা মনে রাখুন: ১. আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা সবকিছু দেখেন আর সবকিছু শোনেন৷ কোনোকিছুতেই তাঁকে ফাঁকি দেওয়া যায় না। ২. আপনার কোনো ভালো কাজ আর ভালো চেষ্টাকে তিনি বৃথা যেতে দেন না৷ সেসবের প্রতিদান আপনাকে অবশ্যই দেওয়া হবে৷ হয় দুনিয়া এবং আখিরাত—দুই জায়গাতেই, অথবা—শুধু আখিরাতে। - সংগৃহীত!