en
Feedback
Hidayat-হিদায়েত

Hidayat-হিদায়েত

Open in Telegram

ইসলামিক দাওয়াহ চ্যানেল

Show more
6 660
Subscribers
-124 hours
+57 days
-5730 days
Posts Archive
তারা এই জামানার সাহাবী! 🔥
তারা এই জামানার সাহাবী! 🔥

মাটির নিচে শুয়ে থাকা মানুষগুলো জানে এক ওয়াক্ত নামাজের কত দাম! কথা- সংগৃহীত!

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

একদম! 🔥
একদম! 🔥

ক্যারিয়ার নামক যে রশি গলায় লটকানো হয়েছে। তা থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন৷ অর্থ মানব সমাজের মৌলিক চাহিদা। যার উপর নির্ভর করে মানুষের স্বাভাবিক জীবন প্রবাহ৷ খাওয়া-দাওয়া,ঘুম,পোশাক,বিশ্রাম যেমন মানুষের স্বাভাবিক অপরিহার্য জিনিস। তার সাথে দৈহিক চাহিদাও স্বাভাবিক অপরিহার্য জিনিস। অর্থনৈতিক মন্দা থাকলেও যুবকদের খাওয়া-দাওয়া,ঘুম,বিশ্রাম,পোশাক হতে সব মানবীয় চাহিদা পূরণ হচ্ছে৷ কিন্তু অর্থ (ক্যারিয়ার) এর জন্য বিয়ে টা আটকে আছে৷ বিয়েটা যে বিশেষ উপভোগ্য এমন নয়। এটা ঘুম,খাওয়া,দাওয়া, বিশ্রাম সব কিছুর মতই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, এই স্বাভাবিক জিনিস আটকে রাখা বা তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পরিণতি কি হতে পারে? ঘুম স্বাভাবিক, কিন্তু টানা নির্ঘুম থাকলে এটা তখন স্বাভাবিক থাকে না। খাওয়া দাওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু ক্ষুধার্ত থাকলে সেটা স্বাভাবিক থাকে না। নির্ঘুম যেমন মানুষের মস্তিষ্ক ও চোখ কে তীব্র যন্ত্রণা দেয়। তেমনি ক্ষুধার্ত পেট মানুষ কে উন্মাদ বানিয়ে দেয়। বর্তমানে মানুষ মানবীয় সব চাহিদা কে সময়ের সাথেই পূরণ করে। কিন্তু দৈহিক চাহিদা টা কে আটকে রাখা হয়েছে ক্যারিয়ার নামক সিস্টেমে। আর ক্যারিয়ার টাও দৈহিক চাহিদার সময়সাপেক্ষে আসছে না। এটা কে পরিকল্পিত ভাবেই দূরত্বে ঠেলে দিয়েছে৷ কারণ এটা যখন দূরত্বে ঠেলে দিবে। তখন মানুষ জৈবিক তাড়নায় তার চাহিদার অন্বেষণে যাবে। তখন অবৈধ ব্যভিচার টা তার কাছে সহজলভ্য হয়ে উঠে৷ মানুষের মাঝে বিবেক বিবেচনা রাখার সংখ্যাটা খুব কম। আর সবাই যদি বিবেক বিবেচনা রাখতো তাহলে ইসলামের এত কঠিন বিধান আসতো না। পুঁজিবাদী ক্যারিয়ারের দীর্ঘসূত্রিতার গর্ত কেই এখন হাদীসের ব্যাখ্যায় দাঁড় করানো হচ্ছে৷ বলা হচ্ছে সামার্থ্য না থাকলে রোজা রাখো। সামার্থ্য মানে কথিত ট্র‍্যাডিশনাল সিস্টেমে বন্দি রাখা? এটার বাহিরে কি রিযিক নেই? সার্টিফিকেট ই কী রিযিক? তাছাড়া যে বয়সী ছেলেদের কে সামার্থ্যের অপব্যাখ্যা শুনানো হচ্ছে। সেইম বয়সী মেয়েরাও এখন বিয়েহীন। মেয়েদের কী সামার্থ্য নামক দায়িত্বে পড়ে? তারপরও ক্যানো তারা সবকিছু ছেড়ে কথিত স্ট্যাডি তে বুঁদ হয়ে আছে? মাহরাম ছাড়া দূর পথ অতিক্রম করে ভার্সিটি গুলো তে অবস্থান করে জ্বিনা কে সহজলভ্য করে দিচ্ছে? (ব্যাপার গুলো নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হবে ইনশাআল্লাহ, আজ আপাতত এতটুকুই) - আল ইন্তিফাদা

নারীবাদীরা যে কথা আপনাকে বলবে না!
নারীবাদীরা যে কথা আপনাকে বলবে না!

প্রতিদিন তুমি তোমার মৃত্যুকে স্মরণ করো...

একদম!
একদম!

হযরত আশরাফ আলী থানবী রহ. বলতেন, ‎ ‎কুদৃষ্টি করলে বিশ রাকাত নফল নামাযের সাজা নির্ধারণ করে নেবে। দুয়েকদিন এমন করলেই প্রবৃত্তি চ
হযরত আশরাফ আলী থানবী রহ. বলতেন, ‎ ‎কুদৃষ্টি করলে বিশ রাকাত নফল নামাযের সাজা নির্ধারণ করে নেবে। দুয়েকদিন এমন করলেই প্রবৃত্তি চিৎকার- চ্যাঁচামেচি শুরু করবে এবং কুদৃষ্টি থেকে ফিরে আসবে। শয়তানও বলতে শুরু করবে, এই ব্যক্তি একবার কুদৃষ্টির কারণে আল্লাহ তাআলাকে ৪০ বার সেজদা করছে, না জানি তার গুনাহগুলো নেকীতে পরিবর্তন করে দেয়া হয়! তাহলে তো আমার সারা জীবনের শ্রম পণ্ড হয়ে যাবে। সুতরাং তাকে কুদৃষ্টির জন্য উদ্বুদ্ধই করার দরকার নেই। ‎ ‎বই: এখন যৌবন যার

জাহান্নাম কোনো রূপকথার গল্প নয়। এটি বাস্তব। এটি খুবই ভয়ংকর এক স্থান। যার আ*গুন দুনিয়ার আ*গুনের চেয়ে সত্তর গুণ বেশি উত্তপ্ত। ভ
জাহান্নাম কোনো রূপকথার গল্প নয়। এটি বাস্তব। এটি খুবই ভয়ংকর এক স্থান। যার আ*গুন দুনিয়ার আ*গুনের চেয়ে সত্তর গুণ বেশি উত্তপ্ত। ভাবুন তো, যে আ*গুনে এক সেকেন্ড হাত দিলেও সহ্য হয় না, সেই আ*গুনের চেয়ে সত্তর গুণ বেশি তাপযুক্ত আ*গুনে কীভাবে দাঁড়িয়ে থাকবেন? জাহান্নামের আ*গুন খুবই ভয়াবহ। এটা শুধু জ্বা*লাবেই না; দেহ গ*লিয়ে ফেলবে, ত্বক পু*ড়িয়ে ফেলবে, আবার নতুন ত্বক সৃষ্টি হবে যেন শা*স্তি থেমে না যায়। আল্লাহ বলেন- "তাদের চামড়া যখন পু*ড়ে যাবে, আমি তাদের অন্য চামড়া দেব, যেন তারা শা*স্তির স্বাদ পায়।” সেই আ*গুন শুধু শরীরের ওপর নয়, আত্মার মধ্যেও প্রবেশ করবে। মুখে আ*গুন ঢালা হবে। চোখ থেকে আ*গুন বের হবে। হৃদয় ফেটে যাবে তাপে। বই: অশ্লীলতার বিরুদ্ধে লড়াই।

কীভাবে !!?
কীভাবে !!?

‎কুদৃষ্টি দেয় এমন ব্যক্তির ব্যাপারে শয়তানের বড় আশা ‎ ‎এক বুযুর্গের শয়তানের সাথে কথা হলে তিনি অভিশপ্ত শয়তানকে জিজ্ঞাসা করলেন,
‎কুদৃষ্টি দেয় এমন ব্যক্তির ব্যাপারে শয়তানের বড় আশা ‎ ‎এক বুযুর্গের শয়তানের সাথে কথা হলে তিনি অভিশপ্ত শয়তানকে জিজ্ঞাসা করলেন, এমন ক্ষতিকর কোনো আমলের কথা বলো যার কারণে মানুষ সহজেই তোমার ফাঁদে ফেঁসে যায়। বিতাড়িত শয়তান উত্তর দিল, পরনারীর প্রতি কামনার দৃষ্টিতে দেখা এমন যে, আমি ওই ব্যক্তির ব্যাপারে বড়ই আশাবাদী, কখনো না কখনো তাকে আমি গুনাহে লিপ্ত করে আমার জালে বন্দী করেই নেব। যারা দৃষ্টি নত রাখে আমার অনেক আক্রমণই তাদের ওপর কার্যকরী হতে পারে না। আমি চতুর্দিক থেকে মানুষকে বিপথগামী করার কসম খেয়েছি। কিন্তু নিচের দিকটি নিরাপদ। যে দৃষ্টি অবনত রাখে সে আমাকে নিরাশ করে দেয়। ‎ ‎বই: এখন যৌবন যার, পৃষ্ঠা: ৬২

দ্বীনদারির ভিত দুর্বল করে দেয়— • কুরআন ত্যাগ • বিলম্বে সালাত • জিকির-ইবাদতহীন সময় কাটানো • গাফেলের সঙ্গ • দৃষ্টি ও জবানের লাগামহীনতা। ~ শায়েখ আতীক উল্লাহ (হাফি.)

একদম! 🔥
একদম! 🔥

‎ভালোবাসা ও ঘৃণায় ব্যালেন্স করবেন যেভাবে ‎. ‎রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন- ‎"যাকে ভালোবাসো তাকে পরিমিতভাবে ভালোবাসো, কারণ কোনো একদিন তাকে তোমার অপছন্দ হতে পারে। আর যাকে অপছন্দ করো তাকে পরিমিতভাবে অপছন্দ করো, কারণ কোনো একদিন তাকে তোমার ভালো লাগতে পারে।" (জামে তিরমিজি, হাদীস ১৯৯৭) ‎. ‎হাদিসটি ইসলামের ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির এক চমৎকার দৃষ্টান্ত। আলেমগণ এই হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেন যে, এটি মানুষকে আবেগপ্রবণতা পরিহার করে মধ্যমপন্থা অবলম্বনের শিক্ষা দেয়। এখানে ভালোবাসায় এতটাই মগ্ন না হতে বলা হয়েছে যে তা অন্ধত্বে পরিণত হয় এবং ভালোবাসার মানুষের ত্রুটিগুলো অদৃশ্য হয়ে যায়। কারণ, পরিস্থিতি সবসময় এক রকম নাও থাকতে পারে, এবং বর্তমানের প্রিয় ব্যক্তি ভবিষ্যতের অপ্রিয়জনে পরিণত হওয়াটা অস্বাভাবিক না। তখন অতিরিক্ত ভালোবাসা গভীর হতাশায় রূপ নিতে পারে। ‎. ‎একইভাবে, কাউকে অপছন্দ করার ক্ষেত্রেও সীমা অতিক্রম না করতে বলা হয়েছে। মানুষের ভুল-ত্রুটি বা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তাকে অপছন্দ করা যেতে পারে, কিন্তু তা যেন বিদ্বেষ বা শত্রুতায় পরিণত না হয়। কারণ, মানুষের অন্তর পরিবর্তনশীল। আজকের অপছন্দের মানুষটি হয়তো কালকে তার আচরণ বা পরিস্থিতির কারণে পছন্দনীয় হয়ে উঠতে পারে। ‎. ‎তাই আলেমগণ এই হাদিস থেকে শিক্ষা দেন যে, সম্পর্কে সবসময় একটি সুস্থ সীমা বজায় রাখা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে অনুশোচনা বা বাড়াবাড়ি থেকে বাঁচা যায়। এটি ব্যক্তিজীবনে শান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে অপরিহার্য। ‎ ‎- ওয়াফিলাইফ হতে সংগৃহিত ‎

সুবহানাল্লাহ! 🔥
সুবহানাল্লাহ! 🔥

ফজর পড়া মানুষ জানে— শান্তি আসলে কোথায় পাওয়া যায়!

এভাবে কখনো ভেবে দেখছেন!?
এভাবে কখনো ভেবে দেখছেন!?

চোখের গুনাহ করলে ৫টি ক্ষতি— ১. ফরয নামাযে তাকবিরে উলা থেকে মাহরুম হবে। ২. তাহাজ্জুদের নেয়ামত থেকে মাহরুম হবে। ৩. রুজির বরকত কমে যাবে। ৪. মুখস্ত কুরআন ও দুআ ভুলে যাবে। ৫. মৃ*ত্যুর সময় ঈমানি হালাতে মৃ*ত্যু হওয়ার সম্ভবনা কমে যাবে। উল্টো দিকে নজরের হেফাজত করতে পারলে ঈমানের মজা পাবে আর ঈমানের মধ্যে নূর হাসিল হবে। — মাওলানা ইউসুফ কান্ধলবী (রাহি.)