en
Feedback
Hidayat-হিদায়েত

Hidayat-হিদায়েত

Open in Telegram

ইসলামিক দাওয়াহ চ্যানেল

Show more
6 660
Subscribers
+324 hours
+57 days
-5830 days
Posts Archive
রাদিয়াল্লাহু আনহা। 🍂
রাদিয়াল্লাহু আনহা। 🍂

বারবার ফিরে আসা আল্লাহর প্রিয় বান্দা! 🤍
বারবার ফিরে আসা আল্লাহর প্রিয় বান্দা! 🤍

দু'আ, সবর & অপেক্ষা!
দু'আ, সবর & অপেক্ষা!

যুবক বয়সের ইবাদাত আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়!
যুবক বয়সের ইবাদাত আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়!

সিরিয়ার প্রাজ্ঞ ও প্রখ্যাত মুহাদ্দিস বদরুদ্দীন আল হাসানি রহমতুল্লাহি তা'আলা 'আলাইহিকে একবার ছাত্ররা জিজ্ঞাসা করেছিলো, 'শায়খ! আমরা কি ওই যুগে বাস করছি যার সম্পর্কে সুনানে তিরমিজির হাদিসে এসেছে- "দ্বীনকে আঁকড়ে ধরা জ্বলন্ত অঙ্গার হাতের মুঠোয় রাখার মতো কঠিন হয়ে যাবে।?" প্রত্যুত্তরে শায়খ বললেন, 'সেই যামানা তো অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। এখন আমরা বাস করছি সহিহ মুসলিমের ওই হাদিসের সময়ে- "যখন মানুষ সকালে ঈমানদার, বিকালে কাফির কিংবা বিকালে ঈমানদার, সকালে কাফির হতে থাকবে!" Ashraful Alam হাফিঃ

যে ব্যক্তি এমন কিছু প্রচার করে যেটার মাধ্যমে মানুষের উপকার হয়, তাহলে উপকৃত ব্যক্তি যতটুকু প্রতিদান পাবে, প্রচারকারী ব্যক্তিও অনুরূপ প্রতিদান পাবে। — শায়খ আব্দুল আযিয ইবনে বায (রহি.) [সূত্র : মাজমুউল ফতওয়া, ০৬/১৭৯]

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে এসেছিলো কিছু সম্পদ লাভের আশায়। সে রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে সম্পদ চেয়েও ফেললো! রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকে ছাগল দান করলেন। একটি-দুটি ছাগল না। হাদীসে উল্লেখ আছে- “তাকে এত বেশী ছাগল দিলেন যাতে দু’উপত্যকার মাঝামাঝি স্থান পরিপূর্ণ হয়ে যাবে।” এখন চিন্তা করুন, দুই উপত্যকার মাঝামাঝি স্থান পূর্ণ হয়ে যাবে, এরকম কতো ছাগল লাগতে পারে? ৫০০? ১০০০ ছাগল? সংখ্যা শখানেক হোক বা হাজার, কিন্তু এটা স্পষ্ট যে, অনেক ছাগল দেয়া হয়। যা সে ভাবতেও পারেনি! একসাথে এতো সম্পদ পেয়ে সেই বেদুইনের প্রতিক্রিয়া কী ছিলো জানেন? সে খুশিতে আত্মাহারা হয়ে তার গোত্রে চলে গেলো চিৎকার করতে করতে- “হে আমার জাতির ভাইয়েরা! তোমরা ইসলাম গ্রহণ করো। কারণ মুহাম্মদ ﷺ অভাবের আশঙ্কা না করে এতো দান করতে থাকেন (তোমরা ভাবতেও পারবে না)!” (সহীহ মুসলিম: ৫৯১৪) . এই হাদীসের ব্যাখ্যায় ইমাম নববী রাহিমাহুল্লাহ বলেন- “এই বেদুঈন প্রথমে কেবল দুনিয়াবি লাভের আশায় নবী ﷺ–এর কাছে এসেছিলেন। কিন্তু রাসূল ﷺ–এর অসাধারণ উদারতা ও দানশীলতা দেখে তাঁর অন্তর ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং তিনি আন্তরিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর তাঁর গোত্রও ইসলাম গ্রহণ করে।” . জীবনের প্রথম পরিচয়ে যে বেদুঈনের কাছে মনে হলো- রাসূলুল্লাহ ﷺ গরীব নন, তিনি অভাবের আশঙ্কা করেন না, তিনি দুহাত খুলে দান করেন, আর সেই রাসূল ﷺ সম্পর্কে আমরা কী মন্তব্য করি? যেই নবী ﷺ একটি সুন্দর জামা পরে আসলে কেউ যদি বলতো জামাটা আমাকে দিবেন? তিনি সাথে সাথে জামা খুলে দিতেন, সেই নবীর অর্থনৈতিক জীবন বলতে গিয়ে আমরা শুধু তাঁর দারিদ্র্যের গল্প শুনাই? আমাদের সময়ের প্রেক্ষাপটে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর জীবনে কোটি কোটি টাকা দান করেছেন। সেই রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর ইমেইজ দাঁড় করানো হয়েছে কেবল ৩ মাস চুলোয় আগুন জ্বলেনি এই থিমের ওপর! অথচ আমার রাসূলকে দুনিয়া অফার করা সত্ত্বেও তিনি দুনিয়া বেছে নেননি, তারপরও দুনিয়া তাঁর কাছে এসেছিলো। সেই দুনিয়াটাও তিনি গ্রহণ না করে দান করে গেছেন। যার দানশীলতা দেখে একজন-দুজন না, একেকটা গোত্র ইসলাম গ্রহণ করতো, মক্কার কাফিররা যারা মক্কা বিজয়ের পরও মনে প্রাণে ইসলাম গ্রহণ করেনি, তাঁর দানশীলতা দেখে মুগ্ধ হয়ে পরবর্তীতে তাদের মন জয় হয়। সেই রাসূলকে কিনা বলা হয় গরীব ছিলেন! অনাহারে থাকতেন। . রাসূলুল্লাহ ﷺ –কে ভালোবাসতে তাঁকে সম্পূর্ণভাবে জেনেই ভালোবাসতে হবে। আপনার কল্পিত ধারণা অনুযায়ী যে ইমেইজ দাঁড় করাতে চাচ্ছেন, সেভাবে না। বরং তিনি যেমন ছিলেন, ঠিক তেমনভাবেই তাঁকে চিন্তা করুন। জোর করে ভালোবাসতে হবে না। ঐ ঘটনাগুলো পড়লে এমনিতেই ভালোবাসা জন্মাবে। © আরিফুল ইসলাম

যিনি হেদায়েত দানের মালিক, তিনি কি রিযিক দানের মালিক নন?
যিনি হেদায়েত দানের মালিক, তিনি কি রিযিক দানের মালিক নন?

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 🤍
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 🤍

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 🤍
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 🤍

'বিদায় হজ্জ' নামটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ই এমন নাম ছিলো। সাহাবীরা বুঝতে পারেননি কেনো এটাকে বিদায় হ
'বিদায় হজ্জ' নামটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ই এমন নাম ছিলো। সাহাবীরা বুঝতে পারেননি কেনো এটাকে বিদায় হজ্জ বলা হচ্ছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকালের পর তারা সত্যিকারার্থে নামকরণ বুঝতে পারেন! হজ্জের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্তত ৩ বার তাঁর ইন্তেকালের কথা বলেন! . "হে লোকসকল! আমার কথা শোনো। আমি জানি না এই বছরের পর এই স্থানে তোমাদের সাথে আমার আর কখনো দেখা হবে কি না।" . "তোমরা শীঘ্রই তোমাদের রবের সাথে মিলিত হবে... সাবধান! আমার প্রস্থানের পর তোমরা আবার পথভ্রষ্ট হয়ে একে অপরের গর্দান ছেদন করো না।" . "তোমরা আমার কাছ থেকে হজ্জের নিয়মাবলী শিখে নাও, কারণ আমি জানি না এরপর আমি আর হজ্জ করতে পারব কি না।" ~ আরিফুল ইসলাম

আমি আপনাকে ভালোবাসি নবীজি ﷺ

রাসুল (ﷺ‎) যখন সবার মাঝে বসে থাকতেন, তাঁকে আলাদা করে চেনা যেতো না। তাঁর জন্য সবার থেকে আলাদা কোন উঁচু আসন বা চেয়ারও থাকতো না। অপরিচিত কেউ এলে তাকে জিজ্ঞেস করতে হত, তোমাদের মধ্যে মুহাম্মদ কে? সাহাবীদেরকে নিয়ে কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন হলে, তিনি থাকতেন সবার পেছনে। এমন ভাবে সবার সাথে মিশে যেতেন, প্রয়োজন পড়তো তাঁকে খুঁজে নেয়ার। তিনি যখন কারো সাথে মুসাফাহা করতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত নিজের হাত সরিয়ে নিতেন না, যতক্ষণ না মুসাফাহাকারী নিজের হাত সরিয়ে নেন। কারো সাথে যখন কথা বলতেন, তাঁর দিকে ফিরে কথা বলতেন। বাঁকা চোখে অন্য দিকে তাকিয়ে থাকতেন না। অধিকাংশ সময়ই তাঁর ঠোটে লেগে থাকতো মুচকি হাসি। দূর থেকে কেউ তাঁকে দেখলে তাঁর ব্যক্তিত্ত্বের কারনে ভয় পেতো। কিন্তু তাঁর সাথে মিশতে শুরু করলেই তিনি হয়ে উঠতেন সবচেয়ে প্রিয়। তিনি ছিলেন সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত বংশের মানুষ। সবচেয়ে সুন্দর, সবচেয়ে প্রভাবশালী। তিনি ছিলেন আল্লাহর রাসুল, তিনি হবেন সর্বপ্রথম সুপারিশকারী। পৃথিবীতে যদি কারো জন্য অহংকার করা জায়েজ থাকতো, তাহলে অহংকার করার সবচেয়ে বড় হকদার ছিলেন আল্লাহর রাসুল। অথচ এই মানুষটিই ছিলেন সবচেয়ে বেশি নিরহঙ্কারী, সবচেয়ে বেশি বিনয়ী। সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম 'আলা নাবিইয়্যিনা মুহাম্মাদ! . — রিজওয়ানুল কবির (হাফি.)

জান্নাতে যাওয়ার ১০ শর্তঃ ১। ঈমানঃ এটা হলো জান্নাতে যাওয়ার রূহ। ২। আমলঃ এটা জান্নাতে যাওয়ার দেহ। ৩। ইহসানঃ এটা হলো রূহ এবং দেহের শক্তি। হাদিসে আছে, এমনভাবে আল্লাহ তা'আলার ইবাদত করতে হবে যেন আমি আল্লাহ তা'আলা কে দেখছি, এমন সম্ভব না হলে এটা মনে করা যে আল্লাহ তা'আলা আমাকে দেখছেন। ইহসান দুইভাবে হাসিল হয়ঃ ক) অধিক পরিমাণে আল্লাহ তা'আলার জিকরের মাধ্যমে খ) হক্কানি উলামায়ে কেরামের সাহচর্যের দ্বারা । ৪। সুন্নাহঃ এটা হলো জান্নাতে যাওয়ার রাস্তা। তবে শুধু টুপি দাড়ি লম্বা জামা এসব ই সুন্নত নয়, রাসুল সাল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের তরিকা নয়। সমস্ত ইসলাম ই রাসুল সাল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের তরিকা। ৫। ইলমে ওহিঃ এটা হলো জান্নাতে পৌছানোর রাস্তা। কুরআন ও হাদিসের সহিহ ইলম। ৬। আল কুরআনঃ এটা হলো জান্নাতে যাওয়ার জন্য আলো। ৭। রাসুল সাল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামঃ তিনি হলেন জান্নাতে যাওয়ার পথ প্রদর্শক। তিনি দুনিয়ায় তাঁর ওয়ারিশ হিসেবে রেখে গেছেন হক্কানি উলামায়ে কেরাম। তাঁরা রাসুল সাল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অবর্তমানে পথ প্রদর্শক। ৮। সর্ব প্রকার হারাম এবং গুনাহ থেকে বিরত থাকাঃ হারাম কাজ জান্নাতে যাওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা। ৯। ইখলাসঃ এটা হলো নিরাপত্তা। ইখলাস ওয়ালা আমল নিরাপদে জান্নাতে যাওয়ার রাস্তা। ১০। ইকদামঃ নেক আমলের প্রতি উদ্বুদ্ধ হওয়া। আমলের আগ্রহ না থাকলে জান্নাতে যাওয়া যাবেনা। -মুফতি দিলাওয়ার হুসাইন হাফিযাহুল্লাহ এর বয়ান থেকে সংগৃহীত

নেপালের ভয়াবহ বন্যার পরিস্থিতি দেখে আপনার মনে কি এসেছে প্রথমে!?

আল্লাহর ফয়সালার অপেক্ষা করার নামই সবর! 🤍
আল্লাহর ফয়সালার অপেক্ষা করার নামই সবর! 🤍

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 🤍
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 🤍

ঈদে মিলাদুন্নবী নামে কোন ঈদ নাই!
ঈদে মিলাদুন্নবী নামে কোন ঈদ নাই!

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! 🤍
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! 🤍