Hidayat-হিদায়েত
Open in Telegram
6 663
Subscribers
+424 hours
-47 days
-6430 days
Posts Archive
6 663
"ইবলিশ যদি কখনো ওয়াসওয়াসা দেয়, 'তুমি তো বহুবার দুআ করেছ। কিন্তু কয়বার কবুল হতে দেখেছ?', তখন তাকে বলবে 'দুআ আমার কাছে ইবাদত। দুআর মাধ্যমে আমি রবেরই বন্দেগী করি।'"
.
— ইবনুল জাওযী (রহ.)
সূত্র: সাইদুল খতির, পৃঃ ২২২
6 663
মানুষের সাথে মেলামেশায় আত্মিক প্রশান্তি
.
ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.)-এর ৪ নীতি মেনে চলার কথা বলেছেন:
“১. আপনি মানুষের সাথে যে আচরণ করতে যাচ্ছেন, তা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই করবেন। মানুষের ব্যাপারে আপনার সমস্ত আশা-আকাঙ্ক্ষা থাকবে এক আল্লাহর ওপর, মানুষের ওপর নয়।
২. অন্যের অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে আপনি একমাত্র আল্লাহকে ভয় করবেন। লোকে কী বলবে, এসব ভেবে নয়।
৩. আল্লাহর কাছে পুরস্কার পাবার আশায় মানুষের প্রতি উদার হবেন। মানুষের কাছ থেকে কোনো প্রতিদান বা কৃতজ্ঞতা পাবার আশায় নয়।
৪. আল্লাহকে ভয় করে তাদের ওপর অন্যায় করা থেকে বিরত থাকবেন, মানুষের ভয় বা প্রতিপত্তির কারণে নয়।”
[মাজমুউল ফাতাওয়া: ১/৫১]
6 663
বান্দার প্রতি আল্লাহর একটি দয়া হলো– তিঁনি তাকে এমন কিছু পরীক্ষায় ফেলেন যা সে না পারে কাউকে বলতে, আর না পারে কাউকে নিজের কষ্টটা বোঝাতে। আল্লাহ এটা এই জন্যই করেন যাতে বান্দার মন অন্য সবার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে কেবল আল্লাহর দিকেই নিবিষ্ট হয় এবং সে যেন নিজের সবটুকু দুঃখ নিয়ে একমাত্র তাঁর কাছেই হাজির হয়।
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)
[সূত্র : আল-ওয়াবিলুস সায়্যিব, ৩৫]
6 663
আমি গনতন্ত্রে বিশ্বাস করিনা। গনতন্ত্রকে কুফর-শিরক মনে করি৷আমি নিজে কখনোই ভোট দেই নাই এবং আব্বা আম্মাকে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করি। সাথে অন্যান্য আত্মীয় স্বজনদেরকেও আহবান করি।
ইসলাম ও গনতন্ত্র দুটি আলাদা জীবন ব্যবস্থা। দুটি আলাদা দ্বীন। দুটি আলাদা দুই ধর্ম। তাই আমি বিশ্বাস করি জেনে বুঝে গনতন্ত্র বিশ্বাস করলে, গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করলে ইমান নস্ট হয়ে যায়।
আল্লাহর আইনের পরিবর্তে যারা নতুন আইন রচনা করে তাদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই। এই ক্ষেত্রে আমি মিল্লাতে ইব্রাহিমের অনুসারী। আল্লাহর সাথে সীমালঙ্ঘনকারী শাসকের ব্যাপারে আমার ওই একই কথা যা ইবরাহীম আলাইহিস সালাম নমরুদ ও তার কওমকে বলেছিলেন।
আমি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসারী। আমরা গুনাহের কারণে খারিজিদের মত তাকফির করি না আবার মুরজিয়াদের মত কুফর দেখার পরেও ছাড়াছাড়ি করিনা।
পৃথিবীর বুকে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা ই একমাত্র শান্তি আনতে পারে অন্যান্য যত শাসন ব্যবস্থা আছে তা কখনোই মানবজাতির মুক্তি ও শান্তি বয়ে আনতে পারবে না।
আমি নিজে কোন দল করি না এবং অন্যদেরকেও নিজের দিকে আহবান করিনা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সত্য প্রচারের পাশাপাশি নিরিবিলি জীবন যাপন করাই আপাতত উত্তম মনে করি।
আমরা এই দ্বীনের জন্য নিজের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়েছি। হাসিনার আমলে জেল জুলুম ও মামলা হামলার শিকার হয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ তবুও আমরা সেই দ্বীনের ওপর আছি যে দ্বীনের উপর অটল থাকার জন্য ইয়াকুব আলাইহিস সালাম মৃত্যুর সময় তার সন্তানদের থেকে ওয়াদা নিয়েছিলেন। তা হলো এক আল্লাহর দাসত্ব করার দ্বীন পালনের ওয়াদা।
আমাদের কাছে দ্বীন ইসলাম সবার আগে। দ্বীন ধর্ম, আকিদা আমল বিসর্জন দিয়ে আমরা পুরো পৃথিবী কুক্ষিগত করতেও রাজি নয়।
আমরা আমাদের দ্বীনের উপর অটল আছি ও থাকব ইনশাআল্লাহ৷ যদিও আমাদের হত্যা করে ফেলা হয় অথবা আগুনে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়।
নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর থেকেই এসেছি। আবার আল্লাহর দিকেই ফিরে যাব। আমাদের জীবন মরন ধন সম্পদ, পরিবার পরিজন সব আল্লাহ তায়ালার জন্য।
এই পথে অনেক রথি মহারথীকেও আমরা দেখেছি। কতজনে থেমে গেলো আর কত সেরাদের সেরারাও পথ থেকে ছিটকে গেলো!
আমরা এগিয়ে যেতে থাকব দ্বীনের পথ ধরে........
"أَمْ كُنتُمْ شُهَدَاءَ إِذْ حَضَرَ يَعْقُوبَ الْمَوْتُ إِذْ قَالَ لِبَنِيهِ مَا تَعْبُدُونَ مِن بَعْدِي قَالُوا نَعْبُدُ إِلَٰهَكَ وَإِلَٰهَ آبَائِكَ إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ إِلَٰهًا وَاحِدًا وَنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُونَ
6 663
নারী হলো পুরুষ গড়ার কারখানা, পুরুষকে মুগ্ধ করার উপকরণ নয়!
যখন নারীরা পুরুষ গড়ার কারিগর হবে, পুরুষকে মুগ্ধ করার উপকরণ নয় — তখনই সমাজের অবস্থা পরিবর্তন হবে।
ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ.) তার মাকে নিয়ে বলেছেন —
“আমার মা আমাকে দশ বছর বয়সে কুরআন মুখস্থ করিয়েছিলেন।
তিনি ফজরের নামাজের আগে আমাকে জাগিয়ে দিতেন,
বাগদাদের শীতল রাতে আমার জন্য ওজুর পানি গরম করতেন,
আমার পোশাক পরিয়ে দিতেন,
তারপর নিজে চাদর ও পর্দা দিয়ে নিজেকে ঢেকে
আমার সঙ্গে মসজিদে যেতেন —
কারণ,
আমাদের বাড়ি মসজিদ থেকে দূরে ছিল,
আর রাস্তা ছিল অন্ধকার।”
-মুফতি মাসুম বিল্লাহ হাফি.
6 663
চেহারা ভাল না, ভালভাবে গুছিয়ে কথা বলতে পারে না, টাকা পয়সা নাই - এসমস্ত মানবিক দূর্বলতার কারনে কত গুনাহ থেকে একজন মানুষ বেঁচে যায়। বাটপারী করতে পারে না, ধোঁকা দিতে পারে না, খোঁচার জবাবে খোঁচা দিতে জানে না, এসমস্ত ত্রুটিগুলোর জন্য সে হয়তো সারাজীবনই ধাক্কা খেয়ে যায়। হীনমন্যতায় ভোগে। অথচ এটাই একসময়ে তার চরম সৌভাগ্যের কারন হবে।
কিয়ামতের দিনের এক অদ্ভুত শিরোনাম আল্লাহ দিয়েছেন-
“হার-জিতের দিন”
বিজয়ের গর্বে গর্বিত বহু মানুষই সেদিন পরাজিত নত মস্তকে দাঁড়িয়ে থাকবে। সারাজীবন অবজ্ঞার পাত্র হয়ে থাকা মানুষগুলো হয়তো সেদিন হাসতে হাসতে পার হয়ে যাবে।..
- রিজওয়ানুল কবির হাফি.
6 663
প্রিয় নবীজি ﷺ-এর রওজা মোবারকের পাশ থেকে চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করে। তারা কোনো কথা না বলেই সাথে সাথে যুবকটির পেছনে দড়ি দিয়ে তার দু’হাত বেঁধে ফেলে। যুবকটি পুলিশদের জিজ্ঞেস করতে লাগল, তোমাদের কী হয়েছে? আমিতো চোরও নই, ডাকাতও নই, তাহলে আমার সাথে এমন আচরণ করছ কেন?!
দূর থেকে একজন বয়স্ক মুরব্বি পুরো বিষয়টি লক্ষ্য করছিলেন। তখন তিনি কাছে এসে পুলিশদের বললেন, “আমি এই যুবককে চিনি।”
পুলিশরা তাকে বলল: আপনি তাকে কীভাবে চিনেন?
মুরব্বি বললেন: আমি তাকে দেখি, সে সব সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রওজার সামনে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে, বসে-বসে দরূদ পড়ে, সালাম দেয়, কান্নাকাটিও করে। তোমরা তাকে গ্রেফতার করেছ কেন? সে কি চোর?
যুবকটি ছিল আলবেনিয়ার নাগরিক, বয়স ৩৫ অথবা ৩৬ হবে। তার মাথাভর্তি ঘাড় বাবরি চুলে আর মুখভর্তি হালকা দাড়িতে।
পুলিশ বলল: না, সে চোর নয়। এই যুবক আলবেনিয়ার অধিবাসী। সে মদিনায় ছয় বছর ধরে বসবাস করছে, অথচ এখানে তার কোনো বসবাসের কাগজপত্র নেই। আমরা তাকে ধরে আলবেনিয়ায় পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছি ছয় বছর যাবৎ। কিন্তু প্রতিবারই তাকে ধরার পর সে আমাদের কাছ থেকে পালিয়ে যায়। আমরা তাকে প্রতিবারই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ থেকে ধরি। এবারও তাই হলো। তাকে এবার পাওয়ামাত্রই সাথে সাথে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় ছিল না!
মুরব্বি পুলিশদের বললেন: এখন তোমরা তাকে নিয়ে কী করবে?
তারা বলল: রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ করব। আমরা তাকে এখন ধরে নিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দেব, তারপর সে আলবেনিয়ায়...
যুবকটি তখন কাঁদছিল আর ভাবছিল, এবার মনে হয় তাকে সত্যি সত্যিই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ ছেড়ে যেতে হবে! রাসূলের স্মৃতিবিজড়িত মদিনা শহর ছেড়ে যেতে হবে!
কিছুক্ষণ ভেবে যুবকটি পুলিশদের বলতে লাগল: দেখুন ভাই, আমি এখানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও কারও সাথে প্রতারণা করি না। আমি এখানে এসেছি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসার টানে। এছাড়া অন্য কোনো দুনিয়াবি উদ্দেশ্য আমার নেই।
পুলিশরা বলল: না, এটা গ্রহণযোগ্য কথা নয়। আপনাকে অবশ্যই দেশে ফিরে যেতে হবে। বহিরাগতদের রাষ্ট্রীয় আইনে এখানে থাকার সুযোগ নেই।
পুলিশরা যুবককে নিয়ে মসজিদে নববী থেকে বের হয়ে গেল। যুবক পথিমধ্যে তাদের বলল: আমার একটি শেষ অনুরোধ রাখবেন?
পুলিশরা তার অনুরোধ শুনল এবং সুযোগ দিল।
যুবকটি তখন সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে আবেগতাড়িত কণ্ঠে বলল:
هل هكذا كان الاتفاق بيننا؟!
“ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাদের মধ্যে চুক্তিটা কি এমন হয়েছিল!
হে রাসূল! আপনার প্রতিবেশী হব, তাই আমি আমার দোকান, ব্যবসা, মা-বাবাকে ছেড়ে এখানে এসেছি। কিন্তু তারা আমাকে আর থাকতে দিচ্ছে না।”
এই কথা বলতে বলতে যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।
পুলিশরা বলেছে: আমরা ভাবলাম, যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে। সে জ্ঞান হারানোর ভান করছে, হয়তো আবার পালানোর পাঁয়তারা করছে।
পুলিশ সদস্যরা কিছুক্ষণ পর যুবককে মাটি থেকে টেনে উঠাল। দেখল, সে সত্যিই অচেতন। মুখে পানি ঢেলে দিলেও যুবক আর নড়ছে না। তাদের মধ্যে একজন বলল: তার হয়তো স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। এক্ষুণি অ্যাম্বুলেন্স আনো।
অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল এবং যুবককে হাসপাতালেও নেওয়া হয়েছিল। ডাক্তার তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বললেন: আরও দেড় ঘণ্টা আগে যুবক এই পৃথিবী থেকে চলে গেছে, সে বেঁচে নেই।
পুলিশ সদস্যরা তখন কান্নায় ভেঙে পড়েছিল এবং বলছিল: আল্লাহর শপথ, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসার নমুনা অনুভব করতে পারিনি।
এরপর গোসল ও জানাযা শেষে যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে করে জান্নাতুল বাকিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়।
আলবেনিয়ার পথে রওনা দেওয়া যুবক, জান্নাতুল বাকিতে চলে গেলেন। রেখে গেলেন পৃথিবীবাসীর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভালোবাসার অনুপম উপমা।
~ আরবি থেকে অনূদিত
6 663
স্বামী-স্ত্রী উভয়েই “দ্বীনদার” কিন্তু সংসার করতে পারে না, এমন অনেক কেসই এখন দেখা যাচ্ছে। এমনটা হওয়ার কারণ কী?
বেশ কয়েকটা কেস দেখে আমি একটা প্যাটার্ন খুঁজে পেয়েছি প্রত্যেক দম্পতির মধ্যে। সেই হিসেবে জাস্ট আমার অবজারভেশনটা শেয়ার করি।
[১] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ স্বামীর অনুগত হওয়াকে দ্বীনের অংশ মনে করে না।
[২] “স্বামী” দ্বীনদার অথচ সে চায় স্ত্রী পরিবারে আর্থিক কন্ট্রিবিউশন রাখুক। মুখে না বললেও আচরণে এমনটা বুঝিয়ে দেয়।
[৩] “স্বামী” দ্বীনদার অথচ পুরুষ হিসেবে যেসব দায়িত্ব পালন করা উচিত সেগুলোর ব্যাপারে উদাসীন।
[৪] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ জবান লাগামহীন। সংসারের স্বার্থে অনেক কিছু করলেও জবান দ্বারা স্বামীকে এমনভাবে আঘাত করে যেটা মেনে নিয়ে সংসার করা সম্ভব হয় না।
[৫] “স্বামী” দ্বীনদার অথচ স্ত্রীর হক এবং পিতামাতার হকের মধ্যে ভারসাম্য করতে ব্যর্থ হওয়া।
[৬] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ। অথচ দ্বীনদারিতা স্বল্পে তুষ্টির ব্যাপারে সচেতন করার কথা।
[৬] “স্বামী” চায় স্ত্রী স্বপ্লে তুষ্ট হোক, পরিবারের বেলায় কৃপণতা করে অথচ অন্যান্য ক্ষেত্রে অপচয় করে।
[৭] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ সফট ফেমিনিজমে আক্রান্ত। সংসারের জন্য কীভাবে পরাধীনতাকে বরণ করে নিয়েছে, স্বাধীন জীবন কেন বেটার এসব জিনিস স্বামীকে কথা, কাজে বুঝিয়ে দেয়া।
[৮] “স্বামী” দ্বীনদার অথচ “সমান অধিকারের” বয়ান সামনে এনে স্ত্রীকে কটু কথা শোনায়। অথচ যে সমান অধিকার চায়, চাওয়া উচিত মনে করে, তাদেরকে ছাড়া বাকি নারীদেরকে শরীয়াহ যেসব এক্সট্রা ফ্যাসিলিটি দিয়েছে সেগুলো কোনো খোঁটা ছাড়াই প্রদান করতে হবে।
[৯] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ কথায় কথায় স্বামীর কাছে তালাক চায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেলে এই চাওয়া ভুলে যায়। অথচ বারবার তালাক চাওয়ার মাধ্যমেই কখনো স্বামীর আস্থাভাজন হতে পারে না।
[১০] ওয়াহিদার প্রতি দায়িত্ব, কর্তব্য ঠিকমতো পালন না করেই মাসনার ব্যাপারে বারবার চাপাচাপি করা। যদিও বাস্তবে এই কাজ করতে পারে না, তবুও বিষয়টাকে ঘিরে অবাস্তব ফ্যান্টাসি থেকে মনমালিন্যতা তৈরি করে।
বাহ্যিকভাবে দ্বীনদার হলেও, দ্বীনের দিক থেকে, প্র্যাকটিসের দিক থেকে অনেকভাবে আগানো হলেও সাংসারিক জীবনে অনেক সমস্যা দ্বীনকে পরিপূর্ণ ধারণ না করার কারণেই হয়ে থাকে। সমাধানের জন্য কুরআন সুন্নাহর পথ বাদ দিয়ে হাঁটার কারণে জটিলতা বাড়তে থাকে।
- মেরাজ হোসেইন
6 663
"তোমাদের প্রত্যেকেই যেন তার প্রতিটি অভাব পূরণের উদ্দেশ্যে তার রবের নিকট প্রার্থনা করে, এমনকি তার জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলে তাও যেন তাঁর নিকটে চায়।"
.
[জামে আত-তিরমিজি, ৩৬০৪]
6 663
হজরতওয়ালা করাচি রাহিমাহুল্লাহ তার সঙ্গী-সাথিদের নিয়ে হারামের চত্বরে বসে আছেন। এরমধ্যে একজন বলে উঠলেন, (সাদা হিজাব আর সাদা বোরকা পরিহিত তাওয়াফরত নারীদের দিকে তাকিয়ে) সুবহানাল্লাহ, মনে হচ্ছে এক ঝাঁক সাদা কবুতর আল্লাহর ঘরের তাওয়াফ করছে!!
কথাটা শুনে হজরতওয়ালা করাচি রাহিমাহুল্লাহ বললেন, 'তওবা করুন। এটাও কুদৃষ্টি। কাবার চত্বরে বসে আপনি নুরানি ধোঁকায় পড়েছেন। এখনই দিল থেকে এর জন্য তওবা-ইসতিগফার করুন!
- মেহেদী হাসান সৈকত
