en
Feedback
Hidayat-হিদায়েত

Hidayat-হিদায়েত

Open in Telegram

ইসলামিক দাওয়াহ চ্যানেল

Show more
6 658
Subscribers
+424 hours
-47 days
-6430 days
Posts Archive
একজন রিযিকের আধিক‍্যতা চাইলো, তার ইনকাম বেড়ে গেলো। গাড়ি কিনলো, বাড়ি করলো। কিন্তু সেই সাথে যুক্ত হলো নতুন নতুন খরচ। মেডিকেল চে
একজন রিযিকের আধিক‍্যতা চাইলো, তার ইনকাম বেড়ে গেলো। গাড়ি কিনলো, বাড়ি করলো। কিন্তু সেই সাথে যুক্ত হলো নতুন নতুন খরচ। মেডিকেল চেকআপ, ৮/১০ টা ক্রেডিট কার্ডের বিল, বড় বড় ক্লাবের মেম্বারশীপ ফী। বোনাস হিসেবে আছে আরও নানা দুশ্চিন্তা আর অশান্তি। আরেকজন রিযিকের বারাকাহ চাইলো। তার চাকরীটা চলে গেলো। একজন আলিমকে হতাশ হয়ে প্রশ্ন করাতে জবাব দিলেন, হারাম ইনকামের চাকরী চলে যাওয়াটাই দুআ কবুলের প্রথম ধাপ। ছোট খাট আরেকটা চাকরী পেলেও ইনকাম আগের চেয়ে অর্ধেক। আয় কমলেও সেই সাথে সংকুচিত হতে থাকলো ব‍্যয়ও। দিন শেষে তার কোন সেভিংস থাকছে না, কিন্তু নতুন করে তার কোন লোনও যোগ হয় না। এই তো সেদিন ডাক্তার তার ঘুম আর প্রেসারের ঔষধের ডোজ কমিয়ে দিলেন। ঘুম এখন যদি নিয়মিত হয়, ঔষধ খাবেনই বা কেন। রিযিকের বারাকাহ এক অদ্ভুত রহমত। আধিক‍্যতা ছাড়াই যা পাওয়া সম্ভব। আল্লাহ! আপনি যা রিযিক দিবেন তাতে সন্তুষ্ট বানিয়ে দিন। এবং তাতে বরকত নাযিল করুন। ~ Rizwanul Kabir (Hafi.)

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 🤍
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 🤍

সুযোগ থাকা সত্বেও যদি আপনি পাপ কাজে না জড়িয়ে থাকেন, বুঝে নিতে হবে এটা আপনার উপর আল্লাহ তা'য়ালার খাস রহমত!

জুম্মার দিনে মিনিমাম ১০০০ বার দুরুদ পাঠ করা হয় তো? সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 🤍

চারটি বিষয় মাথায় রেখে দরুদ পড়ুন, আপনার দরুদের প্রতি আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইনশাআল্লাহ্! ১) আপনি যখনি রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর দুরুদ পড়েন, সাথে সাথে একজন ফেরেশতা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে গিয়ে আপনার নাম বলে। হ্যাঁ, স্বয়ং রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আপনার "নাম" বলে। ২) রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রতি একবার সালাম পাঠালে, স্বয়ং আল্লাহ, হ্যাঁ স্বয়ং আল্লাহ, আপনার উপর ১০ বার সালাম পাঠান। ৩) অবিরত দুরুদ পড়লে আপনার সমস্ত সমস্যার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিয়ে নেন। এমনকি যদি আপনি ঐসব সমস্যার জন্য আলাদা করে দুআ না ও করেন। ৪) আপনি তার প্রতি সালাম পাঠাচ্ছেন, যিনি শুধুমাত্র আপনাকে আমাকে জা*হান্নাম থেকে বাঁচানোর জন্য বারবার র*ক্তাত্ত হয়েছিলেন। যার সামনে তার প্রিয় সাহাবীদের (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) পি*টিয়ে হ*ত্যা করা হয়েছিল। সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। লেখা : সংগৃহীত

দুনিয়াতে কেউই ষোলোআনা আপন হয় না। একজনই আছেন, যাকে আপন করতে পারলে তিনি কখনো পর হন না। ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (র.)

বাবা! 🤍
বাবা! 🤍

একটা সত্যি কথা কি জানেন? আমাদের মধ্যে না আছে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা, না আছে ভয়। এমন একজনের কথা একটু আগে বাসায় বলছিলাম, যে কিনা আমাদের সময়েরই একটা ছেলে। এই ছেলে ইশার পরপরই ঘুমায়ে যায়, কারণ এটা রাসূলুল্লাহর (সা) সুন্নাহ। আর রাসূলুল্লাহর (সা) সুন্নাহই তার কাছে গাইডেন্স। আর গাইডেন্স ফলো করলেই সে সফল। নইলে তো সে মিসগাইডেড, ব্যর্থ! এই ছেলে প্রতি রাতে ঘুম থেকে সাড়ে বারোটায় উঠে যায়। ভোর পাঁচটা পর্যন্ত সে চুপিচুপি টানা সলাত করে। কিয়াম করে। কেন? কারণ, সে আল্লাহর প্রতি সত্যিই কৃতজ্ঞ। সে নিজের ভুল আর জাহান্নাম নিয়ে সত্যিই ভীত। এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে আর আশ্রয় চাইতে চাইতে সে দুই পা ফুলায়ে ফেলে। প্রতিদিন। একটা ট্যুরে ত্রিশদিনের একদিনও তার এই রুটিন মিস হয় নাই। তীব্র মশার প্রকোপেও আল্লাহর প্রতি ভালবাসা তাকে সুন্নাহর অনুসরণ থেকে থামাইতে পারে নাই। কোন পরিস্থিতি আর অজুহাতই তাকে আল্লাহর সাথে কথোপকথনের মিষ্টতা মিস করার দুঃসাহস দেয় নাই। মনিব নিজে নেমে আসবেন, কথা শুনতে চাইবেন, মাফ করতে চাইবেন, আর এই কথার উপরে ঈমান থাকলে দাস হয়ে সে ঘুমাবে, তা কী হয়? হয় না। এই ছেলেটা তাওহীদ "বুঝেছে"। আল্লাহকে চিনেছে। সফলতা দেখেছে। আর আমরা? আমরা বয়ান দিয়ে, বয়ান শুনেই বিন্দাস! ঠিক না? আল্লাহর জন্য বাঁচা! এতো সস্তা? ~মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর

নেককাজ করলেই কেউ আল্লাহর প্রিয় বান্দা হয়ে যায় না, বরং যে আল্লাহর জন্য হারাম কাজগুলো ছেড়ে দেয়, সে আল্লাহর প্রিয়পাত্র হয়। কেবল মুখলেস এবং আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দারাই গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে পারে। বাকি নেককাজ তো নেককার ও বদকার— সবাই কম বেশি করে। — সাহল আত-তুস্তারী (রহ.) [সূত্র : সিফাতুস সাফওয়া, ২/২৭২]

যে ১০ টি আমল যে কোন বালা মুসিবত ও বিপদ থেকে অবশ্যই মুক্তি দিবে, তাওবাহ! কুরআনে আছে , যে কোন বিপদ গুনাহের কারণে হয়ে থাকে। "মানুষের কৃতকর্মের কারণে জলে স্থলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে যাতে তিনি তাদেরকে তাদের কোন কোন কাজের শাস্তি আস্বাদন করান, যাতে তারা (অসৎ পথ হতে) ফিরে আসে।" - [ সূরা রুম - ৪১ ] গুনাহ থেকে তাওবাহ মানুষ কে বিপদ থেকে মুক্তি দান করে। তাকওয়া! ‘যে কেউ আল্লাহতায়ালার ব্যাপারে তাকওয়া অবলম্বন করবে, আল্লাহ তার জন্য সঙ্কট থেকে উত্তোরণের কোনো পথ তৈরি করে দেবেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে রিজিক দেবেন যা তার ধারণারও বাইরে।’ –সূরা তালাক: ২ তাওয়াক্কুল! ‘‘আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে, তিনিই তার জন্যে যথেষ্ট।’’ [সূরা আত-তালাক, আয়াত: ৩] সবর ও সলাত! আল্লাহ্‌ তা'আলা ই কুরআনে বলেছেন, সবর ও সলাতের মাধ্যমে সাহায্য চাইতে। 'হে মুমিনগণ! ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে তোমরা সাহায্য প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সহিত আছেন। ' (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ১৫৩)। দুয়া! যে কোন বিপদাপদ কাটিয়ে আল্লাহর কাছে দুয়া করা অত্যন্ত কার্যকর। হাদিসে আছে, সালমান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু'আ ব্যতীত অন্য কোন কিছুই ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারে না এবং সৎকাজ ব্যতীত অন্য কোন কিছুই হায়াত বাড়াতে পারে না। তিরমিযী ২১৩৯, হাদীস সম্ভার ৩৬৪৪ সহীহুল জামে’ ৭৬৮৭) সহিহাহ ১৫৪ ইবনে মাজাহ ৯০-৪০২২ আহমাদ ২১৮৮১, ২১৯০৭, ২১৯৩২ ইস্তিগফার! ‘যে ব্যক্তি নিজের জন্য ‘ইস্তিগফার’ (ক্ষমা প্রার্থনা) আবশ্যক করে নেবে, আল্লাহ তাকে সব দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেবেন, সব সংকীর্ণতা থেকে উদ্ধার করবেন এবং তাকে এমনভাবে জীবিকার ব্যবস্থা করবেন যা তার চিন্তার বাইরে। ’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৩৮১৯) দরুদ! একজন সাহাবি রাসূলকে বলেছিলেন, তিনি তাঁর উপর সর্বদা দরুদ পাঠ করবেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছিলেন, ‘‘যদি তুমি তাই করো, তবে তোমার সকল চিন্তা ও উৎকণ্ঠা দূর করা হবে (প্রয়োজন পূরণ হবে) এবং তোমার পাপসমূহ ক্ষমা করা হবে।’’ [তিরমিযি: ২৪৫৭, হাকিম: ২/৪৫৭, হাদিসটি সহিহ] দুয়া ইউনুস! সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলার নবী যুন-নূন ইউনুস (আঃ) মাছের পেটে থাকাকালে যে দু’আ করেছিলেন তা হলঃ “ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ- (সূরা আম্বিয়া ৮৭)। যে কোন মুসলিম লোক কোন বিষয়ে কখনো এ দু’আ করলে অবশ্যই আল্লাহ তা’আলা তার দু’আ কবুল করেন। [তিরমিজি ৩৫০৫] সদাকাহ! আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সদাকাহ আল্লাহ তা'আলার অসন্তুষ্টি কমিয়ে দেয় এবং অপমানজনক মৃত্যু রোধ করে। (তিরমিজি ৬৬৪) - সংগৃহীত

জোহরের সময় বাইরে থাকাতে অন্য একটা মসজিদে নামাজ পড়েছি। ফেরার সময় ভাবলাম অফিসে না ঢুকে অফিসে পাশের মসজিদে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকবো। তখন ঘড়িতে প্রায় সোয়া দুইটা। মসজিদে ঢোকার সময় দেখলাম একটা সাদা রংয়ের ল্যান্ড ক্রুজার V8 মডেলের একটা গাড়ি মসজিদের সামনে থামলো। পঞ্চাশোর্ধ বেশ হ্যান্ডসাম এক ভদ্রলোককে দুই জন ধরে গাড়ি থেকে নামালো। ভদ্রলোকের কোমড়ের দিকে ব্যান্ডেজ। সম্ভবত ডাক্তারের কাছ থেকে আসছেন। যে দুই জন সহকারী ছিল তারা একজন বললো, স্যার আপনার সার্জারি অল্প কয়েকদিন আগে হয়েছে। ডাক্তার মাত্রই বলল, আরো রেস্টে থাকতে। নামাজটা বাসায় যেয়ে পড়লে হত না?  ভদ্রলোক খুব শীতল গলায় বললো, না হত না। তোমাকে যতটুকু বলা হচ্ছে অতটুকু কর। আমাকে মসজিদ পর্যন্ত দিয়ে আসো। একটা ভালো চেয়ার বাছাই কর, যাতে পড়ে না যাই। দুই জন এসিস্ট্যান্ট মিলে ধরে ধরে তাকে মসজিদে ঢুকালো। একটা কোনায় নিয়ে চেয়ার সেট করে দিল। আমি তার থেকে একটু দূরেই টান টান হয়ে শুয়ে ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে থাকলাম। ভদ্রলোক বসে নামাজ শুরু করলেন। খুব ঠাণ্ডা ধীরস্থিরভাবে নামাজ পড়ছেন। যেন কোন তাড়া নেই, কোন অস্থিরতা নেই, চারপাশে কি হচ্ছে, না হচ্ছে তার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। উনার চোখের দিকে তাকালাম। একদম সিজদার দিকে তাকিয়ে আছে। দৃষ্টিতে কোন নড়চড় নেই। সাধারণত এত ধীরস্থিরভাবে আমি কাউকে নামাজ পড়তে দেখি না।  উনার দিকে কিছুক্ষন এভাবে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমার চোখ লেগে আসলো। সম্ভবত ঘুমায় গেছিলাম। ঘুম ভাংগলো হেচকির শব্দ শুনে। দেখি ভদ্রলোক হাত তুলে অঝোরে কাঁদছেন। কিছু একটা বিড় বিড় করছেন। একটু কাছে যেয়ে শোনার চেস্টা করলাম উনি কি বলছেন। খুব ভালো করে খেয়াল করার পর শুনলাম ভদ্রলোক বলতেছেন, ইয়া আল্লাহ তুমি আমার উপর এতটা অসন্তুষ্ট হয়ে গেলা যে তোমাকে প্রাণভরে সিজদা করার অধিকার কেড়ে নিলা? মালিক, আমাকে কি অসুখ দিলা যে, আমি মসজিদে আসতে পারি না, মাটিতে মাথা ঠেকায়ে প্রাণ ভরে তোমাকে সিজদা দিতে পারি না। এই চেয়ারের নামাজে আমার প্রাণ ভরে না মালিক। মালিক তুমি আমাকে এতটা সুস্থ করে দাও যাতে করে, আমি হেঁটেই মসজিদে আসতে পারি, প্রানটা ভরে যেন তোমার দাসত্ব করতে পারি। তুমি আমার উপর কোন কারনে অখুশী থাকলে আমাকে মাফ করে দাও কিন্তু তারপরও তোমার ঘরে আসার, তোমাকে সিজদা করার অধিকার কেড়ে নিও না। উনি কাঁদছেন আর কথাগুলো বলেই যাচ্ছেন। উনার দুইজন এসিস্ট্যান্ট টের পেয়ে তাড়াতাড়ি উনার কাছে ছুটে আসলেন। বললেন স্যার, আপনাকে স্ট্রেস নিতে নিষেধ করা হয়েছে। স্যার‍, কাইন্ডলি চলেন। আসতে আসতে ধরে উনাকে নিয়ে গেল। আমি ভাবলাম আমার নিজের ইমানের কথা। আমি কি এই ভদ্রলোকের মত এই প্যাশন নিয়ে, এত দরদ নিয়ে রবের ইবাদত করি, এত ভালোবাসা নিয়ে সিজদা দেই? আমার দোয়াতে কি এত মায়া থাকে? যারা সিজদার সুযোগ থেকে বঞ্চিত তারা নিজেদের নিয়ে ভাবি। আমার রব কি আমার প্রতি এতটাই অসন্তুষ্ট যে, আমার পা মসজিদ পর্যন্ত যাচ্ছে না, আমার মাথা রবের সমীপে অবনত হচ্ছে না? যদি আমার মাথা সিজদা পর্যন্ত না যেয়ে থাকে তাহলে নিশ্চিতভাবেই এটা আমার জন্য চিন্তার বিষয়। ভাইয়েরা/বোনেরা সময় থাকতে থাকতে রবের কাছে ফিরে আসি। সে সময় আসার আগে সতর্ক হয়ে যাই যে সময়ে চাইলেও সারা দুনিয়ার সব কিছুর বিনিময়ে একটা সিজদা দেয়া যাবে না। ~ সাদিব!

বয়ফ্রেন্ড আর গার্লফ্রেন্ড মানে বোঝেন? আমি বুঝিয়ে বলছি, শুনুন- বয়ফ্রেন্ড আর গার্লফ্রেন্ড মানে কাবিনবিহীন স্বামী-স্ত্রী। কাবিনে
বয়ফ্রেন্ড আর গার্লফ্রেন্ড মানে বোঝেন? আমি বুঝিয়ে বলছি, শুনুন- বয়ফ্রেন্ড আর গার্লফ্রেন্ড মানে কাবিনবিহীন স্বামী-স্ত্রী। কাবিনের পর স্বামী-স্ত্রী যা করে, তথাকথিত বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড কাবিন ছাড়াই তা করে। অন্য শব্দে বলতে গেলে, গার্লফ্রেন্ড নামক বে*শ্যা টাকা নয়; ভালোবাসার বিনিময়ে গতর বিক্রি করে বয়ফ্রেন্ড নামক কাস্টমারের কাছে। আরও ক্লিয়ার করে বলি? বয়ফ্রেন্ড মানে ব্যভিচারী। আর গার্লফ্রেন্ড মানে ব্যভিচারিণী। -মুফতি আমিনুল হক্ব কাসেমী হাফি.

আল্লাহর জন্য হারাম ছেড়ে দিলে, রিযিক কি বন্ধ হয়ে যায়? এক ব্যক্তি আরবের প্রখ্যাত আলেম শাইখ শা‘রাওয়ি (রহ.)-এর কাছে এসে বললেন– “শাইখ! আমি এমন একটি হোটেলে কাজ করি, যেখানে মাঝেমধ্যে মদ পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়া আমি আর কোনো কাজ জানি না।” শাইখ বললেন, “এই কাজ ছেড়ে দাও। কারণ এটি বৈধ নয়।” লোকটি বললেন, “কিন্তু আমি তো অন্য কোনো কাজ জানি না! আমার ছোট ছোট সন্তান আছে। আমি তাদের কী খাওয়াব?” শাইখ বললেন, “তুমি কি চাও, আমি নিজের মুখ দিয়ে হারামকে হালাল বলে দিই? এই কাজ কোনোভাবেই জায়েজ নয়।” এরপর তিনি আল্লাহ তা‘আলার এই বাণী স্মরণ করিয়ে দিলেন– “যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য (বিপদ থেকে) বের হওয়ার পথ তৈরি করে দেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন, যা সে কল্পনাও করতে পারে না।” (সূরা আত-তালাক : ২–৩) শাইখ আরও বললেন, “তোমার প্রথম কাজ হলো আল্লাহকে ভয় করা। এরপর আল্লাহর সাহায্যেই তুমি এই সংকট থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে পাবে।” লোকটি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সেই চাকরি ছেড়ে দিলেন। এরপর শুরু হলো পরীক্ষা। দীর্ঘ সাত মাস তিনি বেকার ছিলেন। কিন্তু এই কঠিন সময়েও তিনি হারাম পথে ফিরে যাননি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখেছেন এবং হালাল রিযিকের অপেক্ষায় থেকেছেন। অবশেষে আল্লাহ তাঁর জন্য এমন একটি দরজা খুলে দিলেন, যা তিনি কল্পনাও করেননি। তিনি একটি বড় হোটেলে ম্যানেজার হিসেবে চাকরি পেলেন। তাও আবার মসজিদে নববীর পাশেই! যে ব্যক্তি একসময় বলেছিলেন, “আমি তো অন্য কোনো কাজ জানি না, আমার সন্তানদের কী খাওয়াব?” আল্লাহ তাঁর জন্য এমন রিযিকের ব্যবস্থা করলেন, যেখানে তিনি হালাল উপায়ে নিজের পেশাতেই কাজ করার সুযোগ পেলেন। সুবহানাল্লাহ! হারাম ছেড়ে দিলে রিযিক কমে যায় না। বরং কখনো কখনো আল্লাহর জন্য ছেড়ে দেওয়া জিনিসের বিনিময়ে তিনি এমন কিছু দান করেন, যা বান্দার কল্পনারও বাইরে। তাই হারামকে আঁকড়ে ধরে রাখবেন না শুধু এই ভয়ে যে, “এটা ছেড়ে দিলে আমি কীভাবে চলব?” রিযিক চাকরির হাতে নয়, রিযিকের মালিক আল্লাহ। আপনি আল্লাহর জন্য কোনো হারাম জিনিস ছেড়ে দিন। তারপর দেখুন, আল্লাহ আপনার জন্য কিভাবে রিযিকের দরজা খুলে দেন! (আরবি থেকে অনূদিত) অনুবাদ : সালমান ফারসি

একদম! 🔥
একদম! 🔥

"ইবলিশ যদি কখনো ওয়াসওয়াসা দেয়, 'তুমি তো বহুবার দুআ করেছ। কিন্তু কয়বার কবুল হতে দেখেছ?', তখন তাকে বলবে 'দুআ আমার কাছে ইবাদত। দুআর মাধ্যমে আমি রবেরই বন্দেগী করি।'" . — ইবনুল জাওযী (রহ.) সূত্র: সাইদুল খতির, পৃঃ ২২২

মানুষের সাথে মেলামেশায় আত্মিক প্রশান্তি . ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.)-এর ৪ নীতি মেনে চলার কথা বলেছেন: “১. আপনি মানুষের সাথে যে আচরণ করতে যাচ্ছেন, তা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই করবেন। মানুষের ব্যাপারে আপনার সমস্ত আশা-আকাঙ্ক্ষা থাকবে এক আল্লাহর ওপর, মানুষের ওপর নয়। ২. অন্যের অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে আপনি একমাত্র আল্লাহকে ভয় করবেন। লোকে কী বলবে, এসব ভেবে নয়। ৩. আল্লাহর কাছে পুরস্কার পাবার আশায় মানুষের প্রতি উদার হবেন। মানুষের কাছ থেকে কোনো প্রতিদান বা কৃতজ্ঞতা পাবার আশায় নয়। ৪. আল্লাহকে ভয় করে তাদের ওপর অন্যায় করা থেকে বিরত থাকবেন, মানুষের ভয় বা প্রতিপত্তির কারণে নয়।” [মাজমুউল ফাতাওয়া: ১/৫১]