en
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Open in Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel Abdullah bin bashir

Channel Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 11 298 subscribers, ranking 8 092 in the Religion & Spirituality category and 2 030 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 11 298 subscribers.

According to the latest data from 27 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by 71 over the last 30 days and by 4 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 19.52%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 7.72% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 2 206 views. Within the first day, a publication typically gains 873 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 46.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 28 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

11 298
Subscribers
+424 hours
+97 days
+7130 days
Posts Archive
আকাশে বসে সুইচ টিপে বম্বিং করে মানুষ মারায় সিদ্ধহস্ত, কিন্তু মাটিতে পা রাখতে, কিংবা ট্যাংকের ভেতর থেকে বের হতে প্যান্ট ভিজে যায় -- এরকম একটা বাহিনী গত এক মাস ধরে অনেক হম্বিতম্বি করছে। কুরআনের একটি আয়াত এমন লোকদের কথা মনে করিয়ে দেয়। لَا يُقَـٰتِلُونَكُمْ جَمِيعًا إِلَّا فِى قُرًۭى مُّحَصَّنَةٍ أَوْ مِن وَرَآءِ جُدُرٍۭ ۚ بَأْسُهُم بَيْنَهُمْ شَدِيدٌۭ ۚ تَحْسَبُهُمْ جَمِيعًۭا وَقُلُوبُهُمْ شَتَّىٰ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌۭ لَّا يَعْقِلُونَ "এরা কখনো ঐক্যবদ্ধ হয়ে তোমাদের সাথে লড়াই করতে আসবে না, (যদি করেও তা করবে) কোনো সুরক্ষিত জনপদের ভেতরে বসে, (অথবা) নিরাপদ পাচিলের আড়ালে থেকে। এদের নিজেদের পারস্পরিক শত্রুতা খুবই মারাত্মক। তুমি তো মনে করছো এরা বুঝি ঐক্যবদ্ধ, কিন্তু এদের অন্তর শতধা বিভক্ত, কেননা এরা হচ্ছে নির্বোধ সম্প্রদায়।" (সূরা হাশর, ১৪) কপি।

একজন মুহাজির আলেম। যিনি সৌদি থেকে সিরিয়ায় গিয়েছেন। সিরিয়ার এক মসজিদে খুতবায় কথাগুলো বলেছেন। ভিডিওটা বাংলা সাবটাইটেল দেওয়া আছে। আশা করি সকলেই শুনবেন। https://www.youtube.com/watch?v=faLN3aLHTeA

আল্লাহ মাওলনা মঞ্জুর মেঙ্গল দা.বা.কে হেফাজত করুক। আমীন।

photo content

যতগুলো পর্ব লেখেছি সবগুলো এখানে একসাথে পিডিএফ করা হয়েছে।

প্রফেসর হযরত (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) তার জানাজা ও দাফন-কাফনের ইন্তেজামের অছিওয়াতের মাধ্যমেও আমাদের কে অনেক কিছু শিখিয়ে গেলেন। ১. ইন্তেকালের পর যতোদ্রুত সম্ভব জানাজা ও দাফন-কাফন সম্পন্ন করা। চাইলে আগামীকাল বাদ জুমা জানাযা আয়োজন করা যেত। লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হত। কিন্তু না। যেদিন ইন্তিকাল সেদিন ই জানাযা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। ২. জানাজা সামনে নিয়ে যতো বড় ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন লোক হোকনা কেন কোন রকমের আলোচনা বা বক্তৃতা না দেওয়া। আজ দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম উপস্থিত ছিলেন। যাত্রাবাড়ির হযরত মুফতি মাহমুদুল হাসান, ঢালকানগরের হযরত মাওলানা শাহ আব্দুল মতিন বিন হুসাইন, মুফতি হিফজুর রহমান সাহেন, মুফতি মানসুরুল হক সাহেব , প্রফেসর মাওলানা গিয়াসুদ্দিন সাহেব, মুফতি উবাইদুল্লাহ সাহেব, মুফতি মিযানুর রহমান সাইদ, মুফতি আরশাদ রহমানি, মুফতি সুহাইল সাহেব, মুফতি জাফর আহমদ সাহেব ঢালকানগর, মাওলানা ইসমাইল সাহেব কিশোরগঞ্জ, মুফতি আবদুল মালেক সাহেব, মুফতি দেলোয়ার হুসাইন সাহেব হাফিযাহুল্লাহ সহ ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের বহু বড় আলেমে দ্বীন উপস্থিত ছিলেন। এমনকি উত্তরার সংসদ সদস্যসহ বহু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হয়েছেন। কিন্তু কাউকে কোনরকমের কোন কথা বলার অবকাশ দেওয়া হয়নি। যথাসম্ভব সঠিক সময়ে জানাযা শুরু হয়েছে। ৩. কোন ধরণের সামাজিকতার দোহাই দিয়ে সুন্নতের খেলাফ করা যাবেনা। মাইকে বারবার বারবার ঘোষণা হতে থেকেছে যে কোন ধরণের ছবি তোলা নিষেধ। প্রফেসর হযরত সারা জীবন ছবি তোলার বিরুদ্ধে ছিলেন। ইন্তেকালের পরেও আমাদের সে সবক দিয়ে গেলেন। আল্লাহ তাঁর কবরকে নুর দিয়ে পরিপূর্ন করে দেন এবং জান্নাতুল ফিরদাউসের আ'লা মাকাম নসীব করেন। (সাওবান) @

আপনারা অনেকে বারবার বলতেছেন আমি যেন আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের বই ধরে ধরে রদ করি। আসলে ভাই ছবির এই বিষয়গুলো নিয়ে কীভাবে রদ
আপনারা অনেকে বারবার বলতেছেন আমি যেন আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের বই ধরে ধরে রদ করি। আসলে ভাই ছবির এই বিষয়গুলো নিয়ে কীভাবে রদ লেখবো, সেরকম ভাষা আমার জানা নেই। . এগুলোরও ব্যাখ্যা অনেকের কাছে আছে, আমার কাছে ব্যাখ্যাও নেই রদের ভাষাও নেই। আমি অক্ষম ভাই।

আহকামে তিব (চিকিৎসা সংক্রান্ত বিধিবিধান) নিয়ে খুবই সুন্দর একটি বই। লেখকের পাকিস্তানের জনপ্রিয় একজন আলেম ডা. আব্দুল ওয়াহেদ সাহেব রহ.। কোনো তালেবে ইলম ভাই যদি এই চ্যানেলে থাকেন তাহলে ইনশাআল্লাহ এই কিতাবটি থেকে খুবই উপকৃত হতে পারবেন। আমাদের দেশে এসংক্রান্ত একটি কিতাবই খুব জনপ্রিয়, মুফতি দিলাওয়ার সাহেব দা.বা.-এরটি। ইফতা বিভাগগুলোতে সেটাই পড়ানো হয়। তবে এই বইটি আরো জামে ও মুদাল্লাল মনে হয়েছে আমার কাছে। মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা প্রিন্ট করে বা পিডিএফ থেকে সরাসরি উপকৃত হতে পারেন।

মাননীয় সুলতান মহাদয় কাল চমৎকার, রেটরিক ভাষণ দিয়েছেন। তুর্কীর রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ভাষণের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। কাজের মাধ্যমের চাইতে আবেগী ভাষণে সহজে নাগরিকের মন জয় করা যায়। সুলতান মহাদয়ের ভাষনটি সত্যিই প্রশংসনীয়। তার থেকে আমি এত বেশি আশা করিনি। এরদোয়ানের মত সুন্দর ভাষণ দেয়ার ক্ষমতা নেতানিয়াহুর নেই, কিন্তু আছে প্রবল জিলাসি ও আত্মসম্মানবোধ। সুলতান মহাদয় ২০ দিন ধরে ফিলিস্তিনি রক্তের সাগর প্রবাহিত হতে দেখছেন, কিন্তু ইসরাইলি এম্বেসিকে তলব করা বা তাড়িয়ে দেয়া, এবং ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার মত আত্মমর্যাদা বোধ তার তৈরি হয়নি। অন্যদিকে সুলতানের একটা কড়া ভাষণ শুনেই জবাবে নেতানিয়াহু তুর্কী এম্বেসিডরকে ঝেটিয়ে বিদায় করে দিলেন। গাযাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ জ্বালানি, খাদ্য এমনকি পানি পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু তুর্কীর পাইপলাইন থেকে ইসরাইলের ৪০% জ্বালানি খুব সুন্দর ও নিরাপদে সচল আছে। তবুও মহান সুলতানকে মজলুমের পক্ষে কিছু কথা বলবার জন্য ধন্যবাদ। কায়সার ভাই, https://t.me/ka_ege

লেখাটি আমার সাইট থেকে পড়তে পারেন। সাইটটিতে বেশকিছু লেখা আছে, পড়তে পারেন। কোনো পরামর্শ থাকলে এখানে জানাতে পারেন ইনশাআল্লাহ । https://abdullahbinbashir.me/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae/

জবাব: অমুসলিমদের থেকে সাধারণ ফলমূল বা মিষ্টান্ন দ্রব্য হাদিয়া গ্রহণ করা শরীয়তে নাজায়েয কিছু নয়। এজন্য সাহাবায়ে কেরাম তা গ্রহণ করেছেন। সাহাবায়ে কেরামের গ্রহণ করা ফলমূল কোনো দেবদেবি বা গাইরুল্লাহের নামে উৎসর্গিত ছিলো না। কারণ গাইরুল্লাহের নামে উৎসর্গিত বস্তু যদি কোনো মুসলিমও করে তাও তা হারাম হয়ে যায়। বহু ফকিহ এই বিষয়টি স্পষ্ট বলেছেন। ইবনে নুজাইম রহ. (মৃত্যু: ৯৭০ হি.) লেখেন, وأما النذر الذي ينذره أكثر العوام على ما هو مشاهد كأن يكون لإنسان غائب أو مريض، أو له حاجة ضرورية فيأتي بعض الصلحاء فيجعل سترة على رأسه فيقول يا سيدي فلان إن رد غائبي، أو عوفي مريضي أو قضيت حاجتي فلك من الذهب كذا، أو من الفضة كذا، أو من الطعام كذا، أو من الماء كذا، أو من الشمع كذا، أو من الزيت كذا فهذا النذر باطل بالإجماع لوجوه منها أنه نذر مخلوق والنذر للمخلوق لا يجوز؛ لأنه عبادة والعبادة لا تكون للمخلوق ومنها أن المنذور له ميت والميت لا يملك ومنها إن ظن أن الميت يتصرف في الأمور دون الله تعالى واعتقاده ذلك كفر.... فإذا علمت هذا فما يؤخذ من الدراهم والشمع والزيت وغيرها وينقل إلى ضرائح الأولياء تقربا إليهم فحرام بإجماع المسلمين ما لم يقصدوا بصرفها للفقراء الأحياء قولا واحدا. (البحر الرائق 2/521، كتاب الصوم، فصل ما يوجبه العبد على نفسه) অর্থাৎ, বহু সাধারণ মানুষ গাইরুল্লাহের নামে যে মান্নত করে, ‘হে বাবা! আমার অমুক কাজ হলে আমি মাজারে এটা দিবো, সেটা দিবো; এটা সর্বসম্মতিক্রমে হারাম। যদি এই মান্নত এই বিশ্বাস রেখে দেওয়া হয় এই মৃত ব্যক্তি আল্লাহর বিভিন্ন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার শক্তি রাখে তাহলে তা কুফর হবে। এথেকে জানা গেলো, বিভিন্ন আউলিয়াদের মাজারে যে টাকা-পয়সা, মোমবাতি ইত্যাদি মান্নতের নামে দেওয়া হয় তা সকল মুসলমানের ঐক্য মতে হারাম। -আলবাহরুর রায়েক ২/৫২১, যাকারিয়্যাহ বুকডিপো ফকিহ ইবনে আবেদিন শামী রহ.-এর ছেলে আলাউদ্দিন ইবনে আবেদিন রহ. (মৃত্যু: ১৩০৬ হি.) বলেন, 1. واعلم أن النذر الذي يقع للأموات من أكثر العوام وما يوْخذ من الدراهم والشمع والزيت ونحوها إلى ضرائح الأولياء الكرام تقربا إليهم، ...فهو باطل وحرام، لأنه نذر للمخلوق وهو لايجوز، لأنه عبادة، والعبادة لا تكون إلا لله تعالى لا للمخلوق، জেনে রাখা ভালো—অনেক সাধারণ মানুষ মৃত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে যে সকল মান্নত করে থাকে, এবং আওলিয়ায়ে কেরামের কবরে দিরহাম, মোমবাতি, তৈল ইত্যাদি নিয়ে যায় তাদের নৈকট্য অর্জনের জন্য, যেমন তারা বলে—হে অমুক বাবা!/নেতা! আপনি যদি আমার হারিয়ে যাওয়া বস্তু ফিরিয়ে দেন, অথবা আমার অসুস্থতা দূর করে দেন, কিংবা আমার প্রয়োজন পূরণ করে দেন, তাহলে আপনাকে এই পরিমান স্বর্ণ, রূপা, মোমবাতি অথবা তৈল দিবো। সুতরাং এগুলো বাতিল এবং হারাম, কেননা এগুলো গাইরুল্লাহর উদ্দেশ্যে মান্নত করা হয়েছে, অথচ সেটা জায়েয নেই। কারণ, মান্নত ইবাদত, আর ইবাদত আল্লাহ ব্যতীত কোনো মাখলূকের জন্য হতে পারে না। - আল হাদিয়্যাতুল আলাইয়্যা পৃ. ১৪২ যেখানে মুসলমানদের গাইরুল্লাহের নামে মান্নত হারাম হয়ে যাচ্ছে, সেখানে অমুসলিমদের দেবদেবির নামে উৎসর্গিত বস্তু হালালের প্রশ্নই উঠে না। আর কোনো নসে এমন নেই যে, গাইরুল্লাহের নামে উৎসর্গিত বস্তু সাহাবায়ে কেরাম খেয়েছে। তাই ফলমূল গ্রহণের নসগুলোকে এই অর্থেই গ্রহণ করতে হবে যে, সেগুলো গাইরুল্লাহের নামে উৎসর্গিত ছিলো না বরং সাধারণ ফলমূল ছিলো। তাই হিন্দুদের উৎসবের দিনে দেবতাদের জন্য উৎসর্গ ছাড়া ও তাদের জবাইকৃত পশু ব্যতিত অন্যান্য খাবার গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে। তবে এসব উৎসবের দিলগুলোতে তাদের থেকে কোনো খাবার গ্রহণ করা থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকাই উচিত ও এটা হারাম থেকে বাঁচতে বেশি নিরাপদ। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক। আমীন। আল্লাহু আলাম।

আয়াতের বাহ্যিকতার দাবী হলো প্রত্যেক ঐ বস্তুই হারাম হবে যাতে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নাম নেওয়া হয়েছে। "أهل" শব্দটির অর্থ হলো নাম নেওয়া ও আলোচনা করা। নবভূমিষ্ট বাচ্চা যখন চিৎকার করে আরবীতে তাকে استهلال الصبي বলা হয়; এথেকেই ‘উহিল্লা’ শব্দটিকে আওয়াজ করা বা নাম নেওয়ার অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। আরবরা পশু জবাইতে মূর্তির নাম নিতো তাই তা হারাম করতে এই শব্দটি ব্যবহার হয়েছে। তেমনি প্রত্যেক ঐ জিনিষ যাতে আলাহ ছাড়া অন্য কারো নাম নেওয়া হয়েছে চাই তা যার নামেই হোক তা হারাম করতেও এখানে আয়াতে তা ব্যবহার হয়েছে। -আহকামুল কুরআন ২/৩৮২, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ তৃতীয়ত, গাইরুল্লাহের নামে মান্নতের মধ্যে অন্যতম প্রসিদ্ধ হলো বিভিন্ন পশু বা জীবজন্তু দেবদেবির নামে উৎসর্গ করা বা জবাই করা। আর আরবের মাঝে সে প্রচলন ছিলো। তাই পশু ও জবাই অর্থটি অন্য অর্থ থেকে প্রসিদ্ধ হয়েছে। আর যে সকল মুফাসসির জবেহ অর্থ করেছেন তারা প্রসিদ্ধ অর্থের দিকে লক্ষ্য রেখে তা করেছেন, অর্থের মাঝে নির্দিষ্ট করা বা সীমাবদ্ধতা উদ্দেশ্য নয়। কুরআনের বর্ণিতশব্দের এই সূক্ষ পার্থক্যের দিকে লক্ষ্য করেই সম্ভবত বহু সংখ্যক মুফাসসির আয়াতটিকে জবাই করা বা পশুর অর্থ না করে ব্যাপক অর্থে আয়াতের ব্যাখ্যা করেছেন। উদাহরণ স্বরূপ ইবনুল জাওযি রহ. (মৃত্যু: ৫৯৭ হি.)-এর ইবারত দেখা যেতে পারে। তিনি ‌وَمَا ‌أُهِلَّ ‌لِغَيْرِ ‌اللَّهِ بِهِ -এর ব্যাখ্যা করেন, ومعنى وَما أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ: ما رفع فيه الصوت بتسمية غير الله আয়াতে ‌وَمَا ‌أُهِلَّ ‌لِغَيْرِ ‌اللَّهِ بِهِ (সেই বস্তু যার উপর আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নাম উচ্চারণ করা হয়েছে)-এর অর্থ হলো গাইরুল্লাহের নামে আওয়াজ উঁচু করা। -যাদুল মাসির ফি ইলমিত তাফসির ১/১৩৩, দারুল কিতাব আলআরাবি, প্রথম প্রকাশ: ১৪২২ হি. শাহ আব্দুল আজিজ দেহলবি রহ.-এর দিকে সম্পৃক্ত ‘ফাতাওয়ায়ে আজিজিয়া’তে বলা হয়েছে, بزمانہ نزول قرآن شریف جو لغت عرب کی تھی اور جو عرف وہاں کا تھا اس لغت اور عرف ميں ہرگز 'اھلال' بمعنی ذبح نہیں آیا ہے نہ کسی شعر میں ایسا آیا ہے نہ کسی عبارت میں۔ بلکہ 'اھلال' کا معنی لغت عرب میں یہ ہے "بلند کرنا آوازکا" اور "شہرت دینا" چناچہ 'اھلال' اس معنی میں بھی آیا ہے "لرکے کا بوقت پیدائیش اول مرتبہ آواز بلند کرنا" ... وغیرہ مستعمل ہے اور اگر کہا جائے" اھللت للہ" تو ہرگز اس کا معنی" ذبحت للہ" مفہوم نہ ہوگا۔ اور اگر 'اھلال' کا معنی ذبح کہا جائے تو یہ قباحت بھی ہے کہ اگر 'اھل' بمعنی ذبح کہا جائے تو ذبح لغیر اللہ معنی اس آیت کا ہوگا ارو ذبح باسم غیر اللہ اس آیت کا نہ ہوگا۔ কুরআন নাজিলের সময় আরবী ভাষা বা তাদের প্রচলনে শব্দটি জবাইয়ের অর্থ আসেনি। এমনকি কোনো আরবী কবিতাতেই এই শব্দটি জবইয়ের অর্থে ব্যবহার হয়নি। বরং শব্দটির মূল অর্থই হলো ‘আওয়াজ উঁচু করা’, ‘প্রসিদ্ধ করা’।…। " اھللت للہ" বাক্যের অনুবাদ যদি আল্লাহর জন্য জবাই করেছি অর্থে নেওয়া সঠিক হবে না। তখন আয়াতের অর্থ দাঁড়াবে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য জবাই করা, আল্লাহর নাম ছাড়া অন্য কারো নামে জবাইয়ের অর্থ আর থাকবে না। -ফাতাওয়া আজিজিয়া ৫৩৭, অধ্যায়: মাসায়েলে হজ্জ চতুর্থত, সূরা মায়েদার আয়াতে মুর্তির নামে জবাই করা বস্তুকে স্বতন্ত্র হারাম বলে ঘোষণা করা হয়েছে। তাই ‌وَمَا ‌أُهِلَّ ‌لِغَيْرِ ‌اللَّهِ بِهِ (সেই বস্তু যার উপর আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নাম উচ্চারণ করা হয়েছে)কেও যদি একই অর্থ ধরা হয় তাহলে এটার স্বতন্ত্রতা বাকি থাকে না। সূরা মায়েদার পুরো আলোচনা দেখুন, ﵟحُرِّمَتۡ عَلَيۡكُمُ ٱلۡمَيۡتَةُ وَٱلدَّمُ وَلَحۡمُ ٱلۡخِنزِيرِ وَمَآ أُهِلَّ لِغَيۡرِ ٱللَّهِ بِهِۦ وَٱلۡمُنۡخَنِقَةُ وَٱلۡمَوۡقُوذَةُ وَٱلۡمُتَرَدِّيَةُ وَٱلنَّطِيحَةُ وَمَآ أَكَلَ ٱلسَّبُعُ إِلَّا مَا ذَكَّيۡتُمۡ وَمَا ذُبِحَ عَلَى ٱلنُّصُبِ ﵞ তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত জন্তু, রক্ত শূকরের গোশ্ত ও সেই বস্তু যার উপর আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নাম উচ্চারণ করা হয়েছে এবং (হারাম করা হয়েছে) … ঐ পশু, যা পূজার বস্তুর কাছে জবেহ করা হয়। -সূরা মায়েদা : ৩ দ্বিতীয় আপত্তি : সাহাবায়ে কেরাম থেকে ও ফিকহের বিভিন্ন নসে স্পষ্ট আছে অমুসলিমদের উৎসবের দিনে তাদের জবাই করা পশু ব্যাতিত অন্যান ফলমূল বা মিষ্টান্ন গ্রহণ করতে কোনো অসুবিধা নেই। যেমন, আয়েশা রাযি.–কে এক মহিলা জিজ্ঞেস করল যে, আমাদের কিছু অগ্নিপূজারী প্রতিবেশি আছে, তারা তাদের উৎসবের দিন আমাদেরকে হাদিয়া দেয় (এটার বিধান কি)? তিনি বলেন, أما ما ذبح لذلك اليوم فلا تأكلوا ، ولكن كلوا من أشجارهم. اهـ ঐ দিন যা জবেহ করা হয় তা খেও না, তবে তাদের দেওয়া ফলফলাদি খেতে পারবে। -মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবাহ, বর্ণনা নং ২৪৮৫৬ এথেকে স্পষ্ট যে, প্রসাদ বা অন্যান্য ফলমূল বা মিষ্টান্ন খাওয়াতে কোনো সমস্যা নেই।

جو مٹھائی بتوں پر چڑہائی گئی ہو، اور ایسے ہی چڑھاوے کی مٹھائی کو یہ حضرات پرشاد کہتے ہیں، تو ان کا کھانا جائز نہیں، گو یہ ذبیحہ نہیں، لیکن قرآن مجید نے بتوں کے نام پر اور آستانوں پر ذبح کۓ گیۓ جانورں کو جس سبب سے حرام قرار دیا ہے، وہ یہی یے کہ ان کے ذریعہ شرک کی تعظیم کی گئی ہے، اور یہ بات پرشاد اور چرھاوے میں بھی پايئ جاتی ہے۔ মুর্তিকে উৎসর্গ করে যে মিষ্টান্ন পেশ করা হয় তাকে প্রসাদ বলা হয়। তা খাওয়া নাজায়েয। যদিও এটা উৎসর্গিত পশু নয়, কিন্তু কুরআন মুর্তির নামে উৎসর্গ করা পশুকে যে কারণে নিষিদ্ধ করেছে তা হলো, এর মাধ্যমে শিরককে সম্মান করা হয়। আর সেই একই কারণ প্রসাদের মাঝেও পাওয়া যায়। (তাই প্রসাদ খাওয়াও হারাম হবে)। -কিতাবুল ফাতাওয়া ১/৩০৩ ইমানিয়্যাত অধ্যায়, যমযম পাবলিশার্স, করাচি ২০০৭ ইং ৩. প্রসাদ খাওয়া বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের ফতোয়া হযরত থানভি রহ. (মৃত্যু: ) হযরত থানভি রহ. এক ফতোয়া হিন্দুদের দেবিদের জন্য উৎসর্গকৃত পানি খাওয়াও নাজায়েজ বলেছেন। পুরো ফতোয়াটি হলো, "سوال: موسمِ گرما میں اکثر اہل ہنود جگہ جگہ پانی پلایا کرتے ہیں، اس کے متعلق ایسا سنا ہے کہ وہ پانی دیوتاؤں کے نام پر پلاتے ہیں، تو اس پانی کا مسلمان کو پینا جائز ہے نہیں؟ الجواب: اگر محقق ہوجاوے کہ دیوتاؤں کے نام کا ہے تو "ما اهل لغیر اللّٰه" کے حکم میں ہے، لہذا ناجائز ہے۔" প্রশ্ন: গরমের মৌসুমে হিন্দুদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় পানি খাওয়ার ব্যবস্থা করে রাখা হয়। বলা হয়, তারা এই পানি মানুষকে দেব-দেবির নামে খাওয়ায়। মুসলমানদের জন্য কী এই পানি খাওয়া জায়েয হবে? উত্তর : যদি নিশ্চিতভাবে জানা যায় পানি দেবতাদের নামে উৎসর্গ করা তাহলে তা কুরআনে বর্ণিত “আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে উচ্চারণ করা হয়েছে” বিধানের অন্তর্ভুক্ত হবে। তাই তা পান করা জায়েয হবে না। - ইমদাদুল ফতোয়া ৮/৫৬৩, শাব্বির আহমদ কাসেমী সাহেবের তাহকিককৃত নুসখা ইউসুফ লুধিয়ানবি রহ. (মৃত্যু: হি.) বলেন, بتوں کے نام نذر کی ہوئی چیز شرعا حرام ہے، کسی مسلمان کو اس کا کھانا جائز نہیں মুর্তির নামে মান্নত করা বস্তু শরীয়তের দৃষ্টিতে হারাম। কোনো মুসলমানের জন্য তা খাওয়া জায়েয নয়। -আপকি মাসায়েল আউর উনকি হাল পৃ. ২/১৪০, অধ্যায়: গাইরে মুসলিম সে তায়াল্লুকাত, প্রকাশনী: মাকতাবায়ে লুধিয়ানবি ২০১১ ইং দারুল উলুম বানুরি টাউনের এক ফতোয়ায় বলা হয় : جب یقینی طور پر معلوم ہے کہ ہندو کی طرف سے دی گئی مٹھائی بت کے نام پر دی گئی ہے تو اس کا کھانا ہرگز جائز نہیں ہے۔ যদি নিশ্চিতভাবে জানা যাবে যে হিন্দুদের পক্ষ থেকে দেওয়া মিষ্টি মুর্তির নামে উৎসর্গ করা তাহলে তা খাওয়া কোনোভাবেই জায়েয নেই। দারুল উলুম দেওবন্দের এক ফতোয়ায় বলা হয়, غیر مسلم اپنی دیوی دیوتاوٴں پر جو مٹھائیاں وغیرہ چڑھاتے ہیں جسے وہ پرشاد کہتے ہیں مسلمانوں کے لیے اس کا کھانا ناجائز ہےاگر مٹھائی چڑھاوے کی نہ ہو تو اس کو لینے کی گنجائش ہے۔ অমুসলিমরা দেব-দেবীর সামনে যে মিষ্টান্ন ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য রাখে যাকে তারা প্রসাদ বলে মুসলমানদের জন্য তা খাওয়া জায়েয নেই। তবে যদি সাধারণ মিষ্টি হিন্দুরা হাদিয়া দেয় তাহলে তা গ্রহণ করার সুযোগ আছে। কিছু আপত্তি ও তার জবাব : প্রথম আপত্তি : কুরআনের যে আয়াত এখানে পেশ করা হচ্ছে প্রসাদ খাওয়া হারামের বিষয়ে সেখানে " أُهِلَّ" শব্দের মধ্যে মিষ্টান্ন বা ফলমূলকে অন্তর্ভুক্ত করা সঠিক নয়। কারণ আয়াতের উদ্দিষ্ট বিষয় হচ্ছে গাইরুল্লাহের নামে জবাই করা জানোয়ার। ফলমূল বা মিষ্টান্ন নয়। বিভিন্ন তাফসিরে জবাইয়ের বিষয়টি স্পষ্ট আছে। জবাব : কুরআনে বর্ণিত " أُهِلَّ" শব্দকে শুধু গাইরুল্লাহের নামে জবাইকৃত বস্তুর মধ্যে বা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে উৎসর্গিত জন্তুর মাঝে সীমাবদ্ধ করে দেওয়া সঠিক নয়। প্রতমত: শব্দটির মূল অর্থ জবাই নয় ও পশুও নয়। মূল অর্থ হলো আওয়াজ করা, নাম নেওয়া। যেহেতু সে সময়ের আরবের কাফেররা পশু জবাই করার সময় দেবদেবি আর মুর্তির নামে আওয়াজ করতো তাই শব্দটিকে এই অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, আল্লাহ তাআলা শব্দটিকে যে ব্যাপক ভঙ্গিতে বর্ণনা করেছেন, তা থেকে আয়াতের দাবী হলো প্রত্যেক ঐ বস্তুই হারাম হবে যেখানে গাইরুল্লাহের নাম নেওয়া হয়েছে। তা পশু হোক বা অন্যকিছু। ইমাম জাসসাস রহ. (মৃত্যু: হি.) বলেছেন, « قوله تعالى: {‌وما ‌أهل ‌لغير ‌الله به} فإن ظاهره يقتضي تحريم ما سمي عليه غير الله، لأن الإهلال هو إظهار الذكر والتسمية، وأصله استهلال الصبي إذا صاح حين يولد، ومنه إهلال المحرم; فينتظم ذلك تحريم ما سمي عليه الأوثان على ما كانت العرب تفعله، وينتظم أيضا تحريم ما سمي عليه اسم غير الله أي اسم كان»