en
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Open in Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel Abdullah bin bashir

Channel Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 11 297 subscribers, ranking 8 145 in the Religion & Spirituality category and 2 031 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 11 297 subscribers.

According to the latest data from 22 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by 77 over the last 30 days and by 3 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 19.38%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 8.20% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 2 188 views. Within the first day, a publication typically gains 926 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 47.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 23 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

11 297
Subscribers
+324 hours
+327 days
+7730 days
Posts Archive
১৯৮৯ সালে আলজেরিয়ায় ইসলামি শরিয়াহ প্রতিষ্ঠার দাবিতে একটি আন্দোলন শুরু হয়। ওই আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ—বিশেষ করে শায়খ আলি বালহাজ শরিয়াহ বাস্তবায়নের ডাক দিলে গোটা দেশে আন্দোলন ছড়িয়ে যায়। তার আবেগঘন বয়ান-বক্তৃতায় আলজেরিয়ার মুসলিমদের অন্তরে দীনের ভালোবাসা এতটা স্থান করে নেয় যে, তারা যেকোনো মূল্যে শরিয়াহ বাস্তবায়নের জন্য উঠে দাঁড়ায়। ওই সময় গোটা দেশে সিটি নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। আলজেরিয়ার প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী যে দল সিটি নির্বাচনে জয়লাভ করবে, অবশ্যই পার্লামেন্ট নির্বাচনে সে দল জয়ী বিবেচিত হবে। শায়খ আলি বালহাজ কিছু সঙ্গী-সাথির পরামর্শ অনুযায়ী সিটি নির্বাচনে এ কারণে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন যে, যদি নির্বাচনের মাধ্যমে দীনদার শ্রেণি জয়ী হয়, তাহলে শরিয়ত বাস্তবায়নে কোনো বাধা থাকবে না। ১৯৯০ সালে সিটি নির্বাচনে গোটা দেশে শায়খ আলি বালহাজের দল Islamic Salvation Front ৭০% এর অধিক আসন লাভ করে। অতঃপর ১৯১৯ সালে পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রথম পর্যায়েও তার দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। সরকার গঠনের শেষ পর্যায়ে তার দল ক্ষমতা গ্রহণের কথা ছিল। এমতাবস্থায় ১৯৯২ সালে ফ্রান্সের আলজেরীয় তাবেদার সেনাবাহিনী গোটা দেশে জরুরি অবস্থা চালু করে মার্শাল ল’ জারি করে। নির্বাচন মুলতবি করে এবং দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দলের শত শত নেতাকর্মীকে শহিদ করে। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ-সহ ৪০ হাজারের অধিক নেতাকর্মীকে আফ্রিকার বড় মরুভূমিতে বন্দি করে। শায়খ আলি বালহাজও গ্রেফতার হন এবং প্রায় ১৩ বছরের অধিক সময় জেলে কাটান। সেনাবাহিনী ক্রুসেডারদের ইশারায় শরিয়ত বাস্তবায়নের এই আন্দোলন জোরপূর্বক নির্মূল করে দেয় এবং বাহ্যিকভাবে ওই দল নিষেধাজ্ঞার শিকার হয়ে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই সবকিছুই জনসাধারণের সামনে স্পষ্ট করে দেয়, জালেম সেনাবাহিনী পশ্চিমাদের দালাল। তখন শীঘ্রই সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র জি-হা-দে-র দাওয়াত ছড়াতে আরম্ভ করে। অপরদিকে মুসলিমদের কাছে ইতিমধ্যে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ইসলাম প্রতিষ্ঠার দাবি মরীচিকা ছাড়া আর কিছু নয়। উদ্বিগ্ন ও বিক্ষুব্ধ জনসাধারণ দলে দলে পাহাড়ে-পর্বতে-মরুভূমিতে এবং জঙ্গল অভিমুখে যাত্রা করে। তারা সুশৃঙ্খল গেরিলা যুদ্ধ শুরু করে। সেনাবাহিনী এবং সেনা সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরম্ভ করে। দ্রুততার সাথে জিহাদ বিস্তার হতে থাকে। গোত্রের পর গোত্র মুজাহিদদের সমর্থন ও সাহায্য করতে থাকে। সেনাবাহিনীর মাঝে যাদের মধ্যে ঈমানি জজবা ছিল, তারাও চাকরি ছেড়ে মু-জা=হি দ দের অন্তর্ভুক্ত হতে আরম্ভ করেন। উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা বই থেকে।

প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ ও আখেরাতকে বাদ দিয়ে জীবনকে দেখার যে এক নতুন ধারা, সেটাই হলো মডার্নিজম বা আধুনিকতাবাদ। নওমুসলিম মরিয়ম জামিল
প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ ও আখেরাতকে বাদ দিয়ে জীবনকে দেখার যে এক নতুন ধারা, সেটাই হলো মডার্নিজম বা আধুনিকতাবাদ। নওমুসলিম মরিয়ম জামিলা বড় সুন্দর বলেছেন, ‘কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই আধুনিক মতাদর্শ অতীন্দ্রিয় মূল্যবোধকে অস্বীকার করে। অপর কথায়, সত্য নির্ণয়নের কোনো চূড়ান্ত মাপকাঠি নেই; বরং সততা, নৈতিক মূল্যবোধ আপেক্ষিক বিষয়। সময়, স্থান ও অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের যথার্থতা সীমিত। “ওহী”-ভিত্তিক সমাজব্যবস্থাকে মডার্নিষ্টরা গতিহীন এবং অসার বলে অভিহিত করে। বই: ইসলাম ও পশ্চিম সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির প্রকাশিতব্য আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা ২০২৫

মুফতি ইয়াসির নাদিম আলওয়াজেদি হাফিজাহুল্লাহের দরসর সংকলন 'সাইন্টিজম। পিডিএফ ফাইলের প্রথম পৃষ্ঠায় 'সিনের' পর একটা 'ইয়া' অতিরিক্ত যুক্ত হয়ে গেছে যা ভুল। কোনোভাবেই এটা কাটতে পারতেছি না।

শায়খ আবু সাইয়াফ একবার আমাকে এক বিস্ময়কর ঘটনা শুনিয়েছিলেন। তিনি বলেন, আমি তখন চিকিৎসা পয়েন্টে ছিলাম, চিকিৎসক ভাইদের কাজে সাহায্য করছিলাম। এমন সময় একদল মুজাহিদ পেছন দিক থেকে ধাওয়া করে সব রুশ সৈন্যদের বন্দি করে নিয়ে এল। ভাইয়েরা যখন বন্দিদের সামনে আনলেন, তখন মুজাহিদরা তাদেরকে প্রশ্ন করলেন, তোমরা বন্দি হওয়ার সময় একটিও গুলি চালালে না কেন? বিস্মিত বন্দিরা জবাব দিল, আমরা যখন তাদের দিকে তাকাই, তখন এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখি। তারা আমাদের চোখে ছিল বিশাল, দীর্ঘদেহী, সাদা পোশাক পরিহিত। তাদের গলা আকাশ ছুঁয়ে যাচ্ছিল, তাদের হাতে ছিল তলোয়ার। আমরা ভয়ে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম, তাই কোনো ফায়ার করতে পারিনি। ভাইয়েরা তখন অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তারা কোথায়? কি এখনো আমাদের সামনে আছে? বন্দিরা বলল, না, তারা আড়ালে চলে গেছে। এখন আমাদের সামনে নেই। ভাইয়েরা আবার জিজ্ঞেস করলেন, তারা কি সেই ভাইয়েরা, যারা তোমাদের বন্দি করেছে? না-কি তারাই মুজাহিদদেরকে তোমাদের আটক করার নির্দেশ দিয়েছে? বন্দিরা উত্তর দিল, না, যারা আমাদের বন্দি করেছে তারা তো মানুষ। কিন্তু যাদের আমরা দেখেছিলাম, তারা অন্য কেউ। তারা ছিল অদ্ভুত আকৃতির, ভয়ঙ্কর শক্তিধর কেউ। তখন ভাইয়েরা বুঝতে পারলেন, তারা ছিলেন আল্লাহর ফেরেশতা। আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহে ফেরেশতারা রুশ সৈন্যদের তাড়িয়ে এনে বন্দি করে দিয়েছেন। এটি ছিল সেখানকার মু-জা-হি-দ ভাইদের জন্য ঘটে যাওয়া একটি কারামাত। ময়দানে এমন হাজার হাজার কারামত কিংবা অলৌকিক ঘটনাবলি ঘটেছিল। শায়খ উ-সা-মা বিন লা den রাহিমাহুল্লাহর স্মৃতিচারণের অংশ। প্রকাশিতব্য বই 'উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা' থেকে।

আল্লাহু আকবর! প্রিয় তালেবে ইলম ভাইরা! দীনটাকে বিকৃত কইরেন না, কোথা থেকে যে আওয়াজ উঠবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। . কত সহজ এই দীন, যে রব আমার জীবনের যাবতীয় বিধান দিয়েছে, তিনি আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বিধান দিতে পারবেন না?

কথাগুলো এভাবে আর কতজন বলতে পারে!? . আল্লাহ ভাইকে অবিচল রাখুক, যেমনটা তার অসংখ্য নেক বান্দাদের রেখেছেন।

উস্তাদ আহমাদ ফারুক রহ.-এর সবচেয়ে কাছের বন্ধু ছিল কুরআনে কারিম। তিনি কুরআনের তিলাওয়াত করতেন তিলাওয়াতের যথার্থ পন্থায়। এক আয়াত নিয়ে চিন্তা করতেন, এরপর সামনে অগ্রসর হতেন। কুরআনের আয়াত থেকে দৈনন্দিন জীবনে শিক্ষা নেওয়া ছিল তার স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য। যখন কুফফার জোট ও মুনাফিক পাক-বাহিনী মিলে আ-ল-কা-য়ে-দা উপমহাদেশের কেন্দ্রগুলোতে ড্রোন হামলা করতে থাকে, তখন অনেক সাথিই শহিদ ও বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়। তার ওপর মু-জা-হি-দ-দে-র প্রিয় নেতা হাজি অলিউল্লাহ ইমরান সিদ্দিকি রহ.-এর শাহাদাতের সংবাদ এলে অনেকেই শোকে ও দুশ্চিন্তায় ডুবে যায়। এ অবস্থায় উস্তাদ আহমাদ ফারুক রহ. কুরআন থেকেই তাদেরকে উজ্জীবিত করে এক পত্রে লেখেন, ‘আপনি নিম্নোক্ত আয়াত নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করুন এবং দেখুন আয়াতের উদ্দেশ্য কী : فَأَثَابَكُمْ غَمًّا بِغَمٍّ لِّكَيْلَا تَحْزَنُوا عَلَىٰ مَا فَاتَكُمْ وَلَا مَا أَصَابَكُمْ. ‘অতঃপর তোমাদের ওপর এলো শোকের ওপরে শোক, যাতে তোমরা হাত থেকে বেরিয়ে যাওয়া বস্তুর জন্য দুঃখ না করো এবং যার সম্মুখীন হচ্ছ সেজন্য বিমর্ষ না হও।’ এই আয়াতে ‘শোকের ওপর শোক’ অংশের নিচে দাগ টেনে তিনি বলেন, ‘দেখুন ভাই, আল্লাহ তাআলা এক কষ্টের পর আরেক কষ্ট পাঠাচ্ছেন, যেন আমরা আল্লাহর তাকদিরের প্রতি রাজি হয়ে যাই এবং আমাদের মাঝে কোনো দুঃখ-কষ্ট না থাকে। দুনিয়াতে কোনো কিছুর প্রতি ভালো লাগা যেন শুধু আল্লাহর জন্যই হয়। আল্লাহ আমাদেরকে যখন যেভাবে রাখেন, তাতেই যেন আমরা সন্তুষ্ট থাকি।’ প্রকাশিতব্য বই 'উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা' থেকে।

ইতিহাস ও বৈশিষ্ট্যের আলোকে মডার্নিজমের যে পরিচয় আমাদের সামনে ফুটে উঠে তা সংক্ষিপ্ত শব্দে উঠে এসেছে পাকিস্তানি গবেষক ড. আহমদ নাদিমের লেখায়। তিনি লেখেন, ‘মডার্নিজম বা আধুনিকতা হলো এমন আলোকায়ন ও মানবতাবাদ, যা ঐশি যেকোনো সত্তা ও ঐতিহ্যের কর্তৃত্বকে অস্বীকার করে। এটি কেবল আকল ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকেই চূড়ান্ত কর্তৃত্ব হিসেবে মেনে নেয়। আর তা এই ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত যে, মানুষই হলো স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং তার আকলই হলো সত্যের একমাত্র উৎস।’ . বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা প্রকাশিতব্য আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা ২০২৫

আমাদের প্রচলিত নাশিদের সুর না। একটু ভিন্ন! খালি গলার নাশিদও কতটা সুন্দর হতে পারে তার জন্য এটা শুনতে পারেন। https://www.youtube.com/watch?v=0MEUbWIz_hM

আহমদ রাইসুনি অনুবাদ হচ্ছে। বেশ ভালো কথা। কিন্তু অনুবাদটা এমনভাবে হচ্ছে যেনো, আহমদ রাইসুনিকে এর আগ কেউ পাঠ করেনি। ইসলামের শুরা ব্যবস্থাকে জগাখুচিরি বানিয়ে গণতন্ত্রকে ইসলামি বানানোর তার প্রস্তাবিত বিষয়গুলো কেউই জানে না! অথচ বাস্তবতা হলো এগুলো অনেকটা পচা মাল। যে থিউরী রাইসুনিরা দিতে চাইতেছে এগুলো আরবে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে। রাইসুনি হলো আরবের বিশিষ্ট মাকাসেদি, যারা মাকাসেদে শরয়ীয়্যাহকে একটা ফিতনাহের পর্যায়ে নিয়ে গিছে। কীভাবে, তাদের কাছে মাকাসেদে শরয়ীয়্যাহ মানিই হলো এর নাম করে ফকিহদের স্পষ্ট সমাধানকে পাশ কেটে গিয়ে স্টাবলিষ্ট জীবনব্যবস্থাকে ধরে রাখা। তাদের জীবনের সব সমাধানই পশ্চিমের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যেই থাকে। তো, এমন একজন মানুষের বই অনুবাদ করা হচ্ছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যার যা ইচ্ছে সে অনুবাদ করতেই পারে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সাথে এগুলোও উম্মাহের জেনে রাখা দরকার রাইসুনি হলো ঐ ব্যক্তি যে, ইজরাইলের সাথে ফিলিস্তিনের শান্তিপূর্ণ অবস্থানের প্রবক্তা! যার বিরুদ্ধে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও আলেম আলী মুহিউদ্দি আল কারদাগীসহ বেশ কিছু আলেম খণ্ডনও করেছেন! এই রাইসুনি হলো সেই যার মত, যেহেতু আধুনিক জাতী রাষ্ট্রে শরীয়া বাস্তবায়ন অসম্ভব তাই শরীয়া বাস্তবায়ন মুসলিমদের জন্য আর আবশ্যক থাকে না। কারণ অসম্ভব বিষয় তো আবশ্যক নয়! . তার যে বই অনুবাদ করা হয়েছে সেটা নিয়ে আলাপ করি আসেন। তার পুরো বইয়ের খোলাসা হলো, এই যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র আর তার যে নেজাম আছে ভোট, পার্লামেন্ট, নারীদের পার্লামেন্টে যাওয়া, নারীদের ভোট দেওয়া ইত্যাদি যা যা আছে এই সবকিছুই ইসলামে আছে। শুধু আছেই নয়, বরং ইসলাম মূলত এটাই চায় এবং এভাবেই রাষ্ট্র চালাতে চায়! একটা বলি শুধু, নারীদের শুরার সদস্য হওয়া অর্থাৎ, আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদ হওয়া। এখন সালাফদের অসংখ্য বক্তব্য তো পাওয়া যায়, নারীরা শুরার সদস্য হতে পারবে না। তাই রাইসুনি এটাকে কী করবে, সে মত আমাদের সালাফরা আসলে এই মাসআলাগুলো ঠিক মতো বুঝে নাই, এগুলো সঠিকভাবে মুনাকাশা করে নাই। তাই এখন আর ফকিহদের বক্তব্য নেওয়া যাবে না, আমরা সরাসরি সিরাত আর সাহাবাদের থেকে নিজেই নিয়ে নিবো। দুনিয়ার সমস্ত শয়তানী এভাবেই শুরু হয়। সালাফদের ইবারত ও সমাধানকে সামনে রাখলে তো আর পশ্চিমের জীবনব্যবস্থা মেনে নেওয়া সম্ভব না। তাই তাদেরকেই সাইট করে দেও। শুরার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমান এটার দলিল সে কী দিছে জানেন? যে সমস্ত আয়াতে আল্লাহ নারী-পুরুষকে সমানভাবে সৃষ্টি করেছেন, তাই নারী পুরুষ সমান। মুসা আ.কে ভাড়ায় রাখার জন্য শুয়াইব আ.-এর মেয়েরা যে পরামর্শ দিয়েছে, এখান থেকে প্রমাণিত হয় নারীরাও রাষ্ট্রের মূল কর্তৃত্বে অর্থাৎ, পার্লামেন্টে যেতে পারবে। শুধুই কী পারবে! বাকীটা আর না বললাম! গণতন্ত্রকে ইসলামিকরনে পুরো বইতে এইধরনের দলিলই পাবেন ইনশাআল্লাহ। আর এগুলো পড়ে ভাববেন, আহা! আমাদের হুজুররা কত মূর্খ! গণতন্ত্রকে এভাবে কু*ফ*র বলে! আর জি*হা*দের কথা যারা বলে সেগুলোতো নষ্ট! পড়তে থাকেন ইনশাআল্লাহ, চমৎকার ইলম!

প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ ও আখেরাতকে বাদ দিয়ে জীবনকে দেখার যে এক নতুন ধারা, সেটাই হলো মডার্নিজম বা আধুনিকতাবাদ। নওমুসলিম মরিয়ম জামিলা বড় সুন্দর বলেছেন, ‘কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই আধুনিক মতাদর্শ অতীন্দ্রিয় মূল্যবোধকে অস্বীকার করে। অপর কথায়, সত্য নির্ণয়নের কোনো চূড়ান্ত মাপকাঠি নেই; বরং সততা, নৈতিক মূল্যবোধ আপেক্ষিক বিষয়। সময়, স্থান ও অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের যথার্থতা সীমিত। “ওহী”-ভিত্তিক সমাজব্যবস্থাকে মডার্নিষ্টরা গতিহীন এবং অসার বলে অভিহিত করে।’ ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সংঘাত ( প্রকাশিতব্য )

মাওলানা আসিম উমর রহ. মাজহাব ও ইসলামি আইনশাস্ত্রের দিক থেকে হানাফি ছিলেন এবং দৃষ্টিভঙ্গি ও ধর্মীয় ঘরানার দিক থেকে উলামায়ে দেওবন্দের আকাবিরদের মতাদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন; কিন্তু সেই সঙ্গে অন্যান্য ধর্মীয় ঘরানার উলামায়ে কেরামের প্রতি তার মাঝে শ্রদ্ধাভাব বিদ্যমান ছিল এবং প্রয়োজনের সময় তাদের রচনাবলি ও লেখালেখি থেকেও তিনি উপকৃত হতেন। মাওলানা রহ. কেন্দ্রগুলোতে— ‘সার বুলান্দ সার বুলন্দ, দেওবন্দ দেওবন্দ।’ অর্থাৎ দেওবন্দের জয়জয়কার—এমন স্লোগানের ব্যাপারে সকলকে বলেন, ‘আমি চাই না, মুজাহিদদের জামাতে কোনো বিশেষ ধর্মীয় ঘরানার ছাপ থাকুক এবং অন্য ঘরানাকে অপছন্দনীয় বলে বিবেচনা করা হোক; বরং এমন হওয়া উচিত যে, আমরা গোটা উম্মাহর জন্যই সম্পদ। যদি কোনো বেরেলভি মাহবুব সরদারে মাদানি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতকে রক্ষা করার জন্য আমাদের সঙ্গে আসতে চায়, তাহলে আমরা তার সঙ্গে বুক মিলিয়ে নেব।’ কতবার এমন হয়েছে যে, কোনো ভারসাম্যপূর্ণ রুচি প্রকৃতির অধিকারী এবং অন্য ঘরানার ব্যাপারে মধ্যমপন্থা অবলম্বনকারী সালাফি ভাইকে মাওলানা আসিম রহ. নামাজের ইমামতি করানোর জন্য সামনে এগিয়ে দিয়েছেন, তার ইমামতিতে নিজেও নামাজ আদায় করেছেন এবং অন্যদেরকেও পড়তে বলেছেন। যখন কোনো সালাফি ভাই তার নিকট কোনো ফিকহি বিষয় জিজ্ঞেস করত, তখন তাকে তাদের ঘরানার উলামায়ে কেরামের রায় বর্ণনা করতেন। তিনি কখনোই কোনো সালাফি ভাইকে তার ধর্মীয় ঘরানা পরিবর্তন করার এবং দেওবন্দের উলামায়ে কেরামের পন্থা অনুসরণ করার দাওয়াত দেননি। অথচ তিনি নিজে দেওবন্দের উলামায়ে কেরামের চিন্তাধারা ও অবস্থানকে হক ও সত্যের সবচেয়ে কাছাকাছি বলে মনে করতেন। তিনি বলতেন, ‘আমরা আমাদের আকাবিরদের কাছ থেকেই শিখেছি, আমরা নিজেদের ঘরানাকে হক বলে মনে করি; কিন্তু এখানে কোনো ভুলের সম্ভাবনাকে অস্বীকার করি না; একই সঙ্গে অন্য মাজহাবকে ভুল মনে করি; কিন্তু সেখানে সঠিক বিষয় থাকার সম্ভাবনাকে অস্বীকার করি না।’ আলকা----- য়ে --দা উপমহাদেশের আমির মাওলানা আসিম উমর রাহিমাহুল্লাহর জীবনীর অংশ। . উম্মাহের তরে জীবন দিলেন যারা বই থেকে (প্রকাশিতব্য)

ওয়ায়েল হাল্লাক অনুবাদ হচ্ছে, এটা বেশ সুখের কথা। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এটা বাংলাভাষায় অনুবাদ হোক, এমনটা খুব চাইতাম। কয়েক প্রকাশককে বলেছিও। কিন্তু সিয়াসাত বিষয়ে কিছু কিতাব উল্টানো ও পূর্বে ওয়ায়েল হাল্লাকের এই বইটা উর্দু ও আরবী থেকে একটা উল্লেখযোগ্য অংশ যেহেতু পড়েছি, সেই উপলব্ধি থেকে কয়েকটা কথা বলা জরুরি মনে করছি। . যাদের ইসলামি সিয়াসাত এবং মডার্ন রাষ্ট্রের ব্যাপারে সাধারণ ধারণাও নাই তারা ওয়ায়েল হাল্লাকের বইয়ের কয়েকশ হাত কাছেও যাবেন না। এটা জনসাধারণের জন্য লেখা কোনো বই না। এটা সম্পূর্ণ একাডেমিক লেখা বই, শুধুই একাডেমিক না বহু একাডেমিকের জন্যও এই বই পড়ে মর্ম উদ্ধার করা বেশ কষ্টসাধ্য বিষয়। অন্যের বিষয় জানি না, আমি নিজে যে কয়েকটি অধ্যায় পড়েছি, বেশ কষ্ট করে একটি বিষয় উদ্ধার করেছি। . ওয়েক হাল্লাক বেশ ভালো আলোচনা করেছ্বন, জাতীরাষ্ট্রের অনেক বাস্তবতা চোখে আঙ্গুল দিয়্ব দেখিয়েছেন কিন্তু সবকিছুর পরেও সে একজন অমুসলিম। তার ব্যাপারে ব্যাপারে যেনো আমাদের মুগ্ধতা লেভেল ছাড়িয়ে না যায়। একটি পর্যায় থাকে। আমি কী বলতে চাচ্ছি, বুঝতে পেরেছেন আশা করি। পশ্চিমা একাডেমিশিয়ানদের কাছে স্বীকৃত সকলের ব্যাপারেই আমি এই পরামর্শ দিবো সাধারণ ভাইদের। . ওয়ায়েল হাল্লাকের পুরাতন পাঠক যারা আছেন, তাদের পরামর্শ দিবো ইসলামি সিয়াসাতকে তার তুরাছের জায়গা থেকে আরো মজবুতির সাথে পড়ুন। অন্যথায় এধরণের একাডেমিশিয়ানদের ফিতনায় পড়া আপনাদের জন্য পানি ভাত হয়ে যাবে। . হাল্লাকের বইটি দুটো প্রকাশনী থেকে আসতেছে—কালান্তর ও সিয়ান। যার যে প্রকাশনীর উপর আস্থা আছে, সে ওই প্রকাশনীরটাই সংগ্রহ করবেন। উভয় প্রকাশনীই বাংলাভাষী উম্মাহের সামগ্রিক কল্যাণকামী হয়েই এই কঠিন ও কাটখোট্টা একাডেমিক বইটি আনার রিক্স নিয়েছেন। তাই এটা নিয়ে বিশেষ বিতর্কে না গিয়ে যার যেটা ভালো লাগে সেটা সংগ্রহ করে পড়বেন। একেক প্রকাশনীর একেকে বৈশিষ্ট্য অবশ্যই রয়েছে।

এই বইটি আমি অনুবাদ করিয়েছি মূলত বিভিন্ন দাওয়াহ সার্কেলের ভাইদের জন্য। ভাইরা ইনশাআল্লাহ খুব নিশ্চিন্ত মনে বইটি নিজেদের পাঠ্য ত
এই বইটি আমি অনুবাদ করিয়েছি মূলত বিভিন্ন দাওয়াহ সার্কেলের ভাইদের জন্য। ভাইরা ইনশাআল্লাহ খুব নিশ্চিন্ত মনে বইটি নিজেদের পাঠ্য তালিকায় যুক্ত করে নিবেন। . বইটি অনুবাদ করেছেন মাদরাসাতু আলীর ইফতা বিভাগের শিক্ষক উস্তাদে মুহতারাম Ariful Islam সাহেব৷

১ম খণ্ডে যাদের জীবনী এসেছে : মো ল্লা উ মর ইলি য়াস কাশ্মিরি আহমাদ ফারুক আসিম উমর শাইখ উ সা মা আতিয়া তুল্লাহ লিবি আদম ইয়াহইয়া (
১ম খণ্ডে যাদের জীবনী এসেছে : মো ল্লা উ মর ইলি য়াস কাশ্মিরি আহমাদ ফারুক আসিম উমর শাইখ উ সা মা আতিয়া তুল্লাহ লিবি আদম ইয়াহইয়া (আয যাম আল আমরিকি) আবু লা ইস ২য় খণ্ডে যাদের জীবনী এসেছে : আবদুল্লাহ আ য যা ম মুখতার আবু যুবায়ের আ ই মা ন আজ-জা ও য়া হিরি আবু মু সআ ব আ স সু রি আন ও য়ার আ ল-আও লাকি সামির খান আবু হাফস আবু মুস আব যার কাভি মোস্তফা আবু ইয়াজিদ

غلبۂ_دین_کا_راستہ_ـ_مولانا_محمد_مثنیٰ_حسّان_ـ_نوائے_غزوۂ_ہند.pdf2.50 MB

ইমরান রাইহান ভাইয়ের খিলা*ফাহ বইটা পুরোটা পড়লাম। বাংলাভাষায় একটা প্রয়োজনীয় কাজ হয়ে গেছে। আলহামদুলিল্লাহ। বই আসুক, বিস্তারিত আর
ইমরান রাইহান ভাইয়ের খিলা*ফাহ বইটা পুরোটা পড়লাম। বাংলাভাষায় একটা প্রয়োজনীয় কাজ হয়ে গেছে। আলহামদুলিল্লাহ। বই আসুক, বিস্তারিত আরো কথা হবে। . আমরা আমাদের রাজনীতি আমাদের তুরাসি ভাষাতেই বুঝবো এবং এই ভাষাতেই দীনকে বিজয়ী করবো। পরাজিত থাকা অবস্থায় আমরা ইজতিহাদের রাস্তা খুলবো না৷

ভারতের সরকার বিরোধী আন্দোলনের সফলতার জন্য জুমআর নামাজ পরবর্তী পুরো দেশে গণদোয়ার জন্য আহবান জানালেন “ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবন দর্শনের সংঘাত” বইয়ের লেখক শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বশির।

আমার মতে- ইসলামী বিশ্বের ইতিহাসে এর চেয়ে বড় দূর্ঘটনা ঘটেনি। বাগদাদ পতন, তা*লেবা*ন পতন, এবং উসমানি খেলাফত পতন অপেক্ষা এটি বড় দূর্ঘটনা। কারণ, খেলাফত দ্বিতীয়বার প্রতিষ্ঠা হতে পারে, কিন্তু এই উ*সা*মা আর থাকবে না। সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ূবি এবং অন্যান্য মুসলিম সেনাপতির শাহাদাত অপেক্ষাও এটি বড় দূর্ঘটনা। কেননা তাঁদের পরে এমন সেনাপতির জন্ম হয়েছে, যে তাঁদের স্থান দখল করতে পেরেছে। কিন্তু, পুরো ইসলামী বিশ্বে উ*সা*মার মতো সেনাপতি আমি আজও দেখিনি। আল্লাহ উম্মতের এ অবস্থায় তাদের প্রতি রহম করুন। . *উ*সা*মা এমন ব্যক্তি ছিল, যে কা]ফে]র গুষ্টির চোখে চোখ তুলেছে। তাঁর শাহাদাতে ইহুদি ও বিন্দু মা*লা*উনরা উচ্ছাস করেছে। শেষ পর্যন্ত আমাদের বেকুব শাসকরাও বলেছিল- ‘‘অনিষ্ঠের মূল মাথা ধ্বংস হয়েছে।’’ —সামিউল হক হক্কানি রহ. হায়াতে জাওদানী কে হামেল পৃ.৩০৬