ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 327 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 901 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 063 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 327 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 28 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 67، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -8، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 15.07‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.70‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 708 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 646 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 35.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 29 أغسطس, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 327
المشتركون
-824 ساعات
+157 أيام
+6730 أيام
أرشيف المشاركات
লাল মসজিদ নিয়ে কথা বলার পর থেকে অনলাইনে আমার ৯৯% ফলোয়ার আমার বিরোধী হয়ে গেছে। -মাওলানা তারেক মাসুদ . হাসতেই আছি। পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটির এক অধ্যাপক রশিদ আরশাদ সাহেব চমৎকার বলেছে তারেক মাসুদ সাহেবরা হলো শোবিজের লোক।

‘ধর্ম প্রত্যেকের ব্যক্তিগত বিষয়' কথাটির উপর্যুক্ত ফলাফল থেকে অবশ্যম্ভাবী আরেকটি ফলাফল বেরিয়ে আসে-সামাজিক জীবনে নেকি ও গুনাহ সমপর্যায়ের। অর্থাৎ নেকি কামানো বা গুনাহে লিপ্ত হওয়া সামাজিক জীবনে একটি অনর্থক আলাপ! নেকি ও গুনাহ সত্তাগতভাবে কোনো বিষয় নয়; বরং প্রত্যেকের জীবনে যে যেটাই গ্রহণ করুক, উভয়টি সমাজজীবনে সমস্তরের। সেক্যুলার রাষ্ট্রে একজন মানুষ কুরআনের হাফেজ হয়ে আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়ে এলে যেমন সম্মানের অধিকারী হয়ে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা পেতে পারে, তেমনি কোনো নারী বেহায়াপনার সর্বোচ্চ কোনো মডেল শোতে পুরস্কার জিতে এলে সেও রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা পেতে পারে। সমাজ ও রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে এখানে কোন কাজটি নেকি আর কোনটি গুনাহ, সেটা দেখার বিষয় নয়। আর নেকি ও গুনাহের ভিত্তিতে কাউকে রাষ্ট্র সম্মান করা ও অসম্মান করার অর্থই হলো, ধর্মকে ব্যক্তি পরিসর থেকে বের করে এনে সামাজিকভাবে আলাদা মূল্যায়ন করা, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যা করার অধিকার রাখে না। পৃথিবীর প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চিত্র এটিই। প্রতিবছর নায়ক-নায়িকা-গায়িকাদের জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত করছে, আবার আলেমদেরও দেশের প্রচার-প্রসার কাজে অবদান রাখার কীর্তিস্বরূপ রাষ্ট্রীয় সম্মানে কৃতার্থ করছে। এই নীতি কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াতের সম্পূর্ণ বিপরীত, وَلَا تَسْتَوِي الْحَسَنَةُ وَلَا السَّيِّئَةُ ভালো ও মন্দ সমান নয়। সুতরাং এই নীতিকে স্বীকার করার অর্থ হলো কুরআনের এ-জাতীয় সকল আয়াত অস্বীকার করা। . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা: দুই জীবনদর্শনের সংঘাত অধ্যায় : সেক্যুলারিজম

পাঠক রিভিউ : جزاك الله أحسن الجزاء... বেহদ উপকারী একটি বইয়ের সঙ্গে বাংলা ভাষাভাষীদেরকে পরিচয় করালেন। পয়সা উসুল, আলহামদুলিল্লা
পাঠক রিভিউ : جزاك الله أحسن الجزاء... বেহদ উপকারী একটি বইয়ের সঙ্গে বাংলা ভাষাভাষীদেরকে পরিচয় করালেন। পয়সা উসুল, আলহামদুলিল্লাহ। চেতনা প্রকাশনকে অনেক অনেক ধন্যবাদ বইটিকে এতোটা সহজলভ্য করার জন্য। ফন্ট-সাইজ পরিবর্তন করে অনায়াসেই দুই আড়াইশ পৃষ্ঠার বই বানানো যেতো, কিন্তু চেতনা প্রকাশন এমন কিছুই করেনি,মাশাআল্লাহ। ধর্মনিরপেক্ষতা ও ইন্টারফেইথের চেতনার ভয়ানক বিস্তারের কারনে প্রত্যেক সচেতন মুসলিম ভাই এই বইটি সংগ্রহ করা অতীব জরুরী। দ্বীনের এতবড় গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে এমন কাফী-শাফী আলোচনায় সমৃদ্ধ একটি কিতাব আপনি কিছুতেই মিস করতে পারেন না।

বস্তুত এসব মিথ্যা পূজার মূলে রয়েছে নফসপূজা বা খাহেশাতপূজা। অর্থাৎ আল্লাহপ্রদত্ত বিধিবিধান বাদ দিয়ে মন যা চায় তা-ই করতে থাকা-এটাই প্রতিটি শিরক, বরং সকল মন্দ কাজ ও সমস্যার মূল। তাই বলা যায়, সবচেয়ে বড় মূর্তি হলো নফস। (৩৪৬) আল্লাহ আমাদের ফেতনাকে ফেতনা হিসেবে চিহ্নিত করার এবং তার থেকে বেঁচে থেকে নিজ ঈমানকে রক্ষা করার তাওফিক দান করুন। আমিন। বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক : আব্দুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

জাতীয়তাবাদ যখন মতবাদ থেকেও বেশি কিছু জাতীয়তাবাদ শুধুই একটি মতবাদ না। জাতীয়তাবাদের প্রবক্তারা এই মতবাদটিকে আরও বড় কিছু, আরও আধ্যাত্মিক কিছু হিসেবেই দেখে। সাইয়েদ আবুল হাসান নদভি রহ. লেখেন- 'ধর্মের প্রতি যে পরিমাণ আবেগ-উদ্দীপনা, উচ্ছ্বাস-উত্তেজনা ও প্রশ্নাতীত পবিত্রতার অনুভূতি মানুষের অন্তরে থাকে, জাতীয়তাবাদের পক্ষে সেগুলো পূর্ণ মাত্রায় সক্রিয় ছিল; বরং বলা চলে, একটি নতুন ধর্মরূপেই যেন তা আত্মপ্রকাশ করেছিল।... জাতীয়তাবাদ নামক এ নতুন ধর্মের প্রথম বিশ্বাসই ছিল এই যে, জাতি ও জাতীয়তা হচ্ছে সবকিছুর উর্ধ্বে। আমার জাতির চেয়ে উত্তম এবং আমার দেশের চেয়ে সুন্দর কোনো দেশ ও জাতি পৃথিবীতে নেই। জাতীয়তাবাদকে যে ব্যাখ্যা বা অবয়বেই হাজির করা হোক না কেন, সর্বাবস্থায় তা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক ও একটি ভয়ংকর ফিতনা। পাশাপাশি এই উম্মাহের পুনর্জাগরণের পথে একটি বড় বাধা, যা ইসলামের নেকাব লাগিয়ে মুসলিম জাতিকে ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই দিচ্ছে না। তাই এমন একটি ফিতনাকে সমূলে উৎখাত করে ইসলামি আকিদা পুনঃস্থাপন করা ব্যতীত মুসলিম উম্মাহর হারানো গৌরব ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। মুফতি তাকী উসমানি দা. বা. লেখেন- 'জাতীয়তাবাদের দর্শন মূলত সেক্যুলার গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত। যার সাথে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। রাজনৈতিক ঐক্যের জন্য তার (সেক্যুলার গণতন্ত্রের) নিকট কোনো মৌলিক ভিত্তি নেই। তাই ঐক্যের জন্য তারা দেশ ও গোত্রকে ঐক্যের ভিত্তি রেখেছে। আর এটাই হলো সেই মূর্তি যা মুসলিম উম্মাহকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে। ইতিহাসের যত জায়গায় মুসলমানরা লাঞ্ছিত ও পরাজিত হয়েছে, সব জায়গায় জাতীয়তাবাদী স্লোগানই ছিল তার আসল কারণ। সর্বশেষ মাওলানা মানজুর নোমানী রহিমাহুল্লাহের একটি ঈমানী আহ্বান দিয়েই আলোচনাটি শেষ করছি। তিনি তার বিখ্যাত দ্বীন ও শরিয়ত গ্রন্থে লেখেন-'বর্তমান যুগে ইউরোপের প্রভাব মানুষকে পূর্ববর্তী যুগের শিরক থেকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে; কারণ, পূর্ববর্তী শিরকের মূলভিত্তি ছিল নিছক নফসের পূজা এবং মূর্খতার গোঁড়ামি। বর্তমান যুগে পড়ালেখা-করা প্রতিটি লোক-যদি তার ভেতর ন্যূনতম অনুভূতি বা কোনো বিষয়ে চিন্তা-গবেষণা করার সামান্যতম যোগ্যতা থেকে থাকে-সে মূর্তিপূজা, নক্ষত্রপূজা, বৃক্ষপূজা, নদীপূজা, পশুপূজা ইত্যাদিকে সর্বোচ্চ স্তরের বোকামি ও নির্বুদ্ধিতা মনে করবে। যদিও রীতিনীতি হিসেবে অথবা সামাজিক সংস্কৃতির অংশ মনে করে সে নিজে এসবের পূজা করে, তবুও ভেতরে ভেতরে সে এগুলোর প্রতি ঘৃণাই রাখে। কিন্তু সমস্যা হলো, ইউরোপের প্রভাবে পৃথিবীর বুকে পুরোনো ও সেকেলে সেই মূর্তির পরিবর্তে নতুন কিছু মূর্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আজকাল এগুলোরই পূজা করা হচ্ছে। এ মূর্তিগুলোর নাম হলো-জাতি, দেশ, জাতীয় স্বার্থ, দেশের স্বার্থ, উদর, সম্পদ, শাসনক্ষমতা ইত্যাদি ইত্যাদি। বাস্তব কথা হলো, স্বজাতি ও স্বদেশের প্রতি টান ও ভালোবাসা থাকা মোটেই মন্দ বিষয় নয়; বরং এটি স্বভাবগত বিষয়। আর নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত এ ব্যাপারে আদেশও করা হয়েছে। অনুরূপভাবে জাতীয় স্বার্থ ও স্বদেশের স্বার্থের প্রতি লক্ষ রাখা, সেখানে বসবাস নিয়ে চিন্তা-ফিকির করা, পৃথিবীর বুকে স্বাচ্ছন্দ্য ও সম্মানের সাথে জীবনযাপন করার আকাঙ্ক্ষা রাখা-এগুলো দূষণীয় নয়; যদি হালাল-হারাম যাচাই করে এবং অন্যের হক ঠিক রেখে চলা হয়। এমনিভাবে কোনো সৎ-উদ্দেশ্য পূর্ণ করা, যেমন: ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করার জন্য অথবা আল্লাহর মাখলুকদের খেদমত করার নিয়তে শাসনক্ষমতা অর্জনের চিন্তা করা এবং এর পেছনে শ্রম ব্যয় করা ভুল কাজ নয়। আম্বিয়ায়ে কেরাম এগুলো থেকে বিরত থাকেননি। (বরং এগুলো কীভাবে করবে) সেক্ষেত্রে বিধিবিধান দিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমাদের বর্তমান সময়ে এসব বিষয় এত ওপরে গিয়ে ঠেকেছে যে, এগুলো মাবুদ (উপাস্য) এবং তাগুতের স্থান দখল করে নিয়েছে। বর্তমান সময়ে জাতিরাষ্ট্রের কল্যাণ ও স্বার্থে সবকিছু করা একধরনের মূলনীতি ও বিশ্বাসে পরিণত হয়েছে। এক্ষেত্রে (জাতি ও রাষ্ট্রের স্বার্থে) যত ধরনেরই বে-ইনসাফি করা হোক, অন্যের ওপর যত জুলুমই হোক না কেন, সেগুলো দেখার বিষয় নয়। এভাবে পেটপূজা ও সম্পদপূজা এবং শাসনক্ষমতার উচ্চাকাঙ্ক্ষার ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধিবিধানকে অপ্রয়োজনীয় মনে করা হয়; যেন পেট হলো তার মা'বুদ (উপাস্য), তাই তার পূজা করতে যা করা হবে তা-ই সঠিক, এবং সম্পদ ও রাজত্ব হলো এমন এক দেবী, যার জন্য ধর্ম ও সকল প্রকার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য বিসর্জন দিতে কোনো সমস্যা নেই। আজকাল অনেক মানুষই এ সকল বস্তুকে নিজেদের মা'বুদ বানিয়ে নিয়েছে, পুরো বিশ্বই এভাবে চলছে। এই দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদ, পেটপূজা, সম্পদপূজা, শাসনপূজা-বর্তমান সময়ের এক নতুন শিরক। ইসলাম ধর্মে এর কোনো স্থান নেই। এসব বিষয় থেকে ইবরাহিম আলাইহিস সালাম সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। সেটি কুরআনে কারিমে এভাবে বিবৃত হয়েছে- إِنَّا بُرَءَ ؤُا مِنكُمْ وَمِمَّا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ আমরা তোমাদের থেকে এবং আল্লাহ ছাড়া তোমরা যাদেরকে মা'বুদরূপে গ্রহণ করো তাদের থেকে সম্পর্কমুক্ত।

মাহাস প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমদ ইয়াসিন তার জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে বলেন— ‘আপনি জানেন, আমি আমার পুরো জীবন যাপন করেছি একটি আশা নিয়ে। আল্লাহ যেনো আমার উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান। তাঁর সন্তুষ্টি তাঁর আনুগত্য ছাড়া সম্ভব নয়। জিহাদের মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্য করা যায়। যে জিহাদ হবে পৃথিবীতে আল্লাহর কালিমা উঁচু করার জন্য এবং যে জমিনকে আল্লাহর শত্রুরা নৈরাজ্য সৃষ্টি করে কলুষিত করে রেখেছে তা থেকে পবিত্র করার উদ্দেশ্যে। যখন আমি প্রথম টার্গেট বাস্তবায়ন করব, অর্থাৎ ইসলামি ভূখণ্ডকে দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত করতে সক্ষম হব, তখন সেই ভূখণ্ডে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে৷ এটি আমার আকাঙ্ক্ষা, যে জন্য আমি সংগ্রাম করছি এবং এর উপর থাকা অবস্থাতেই আমি আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করা আশা করি। এটি যদি বাস্তবায়িত হয়ে যায়, তাহলে তো তা হবে আল্লাহর পক্ষ থেকে অনুগ্রহ। আর বাস্তবায়নের আগেই যদি মারা যাই, তাহলে আমি বলতে পারব, সেই পথে চলা শুরু করেছি এবং কয়েক কদম অগ্রসরও হয়েছি! "আল্লাহ তাঁর সিদ্ধান্তে প্রবল। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না। (সুরা ইউসুফ: ২১)’ সূত্র: আহমদ ইয়াসিনের জবানবন্দি পৃ. ২৮৭ .

নাপাক আর্মি যুদ্ধ বন্ধের জন্য আআলোচনার টেবিলে বসেই গাদ্দারি করেছে। বিমান আক্রমণ করে আফগান সাধারণ নাগরিকদের হত্যা করেছে। আফগান
নাপাক আর্মি যুদ্ধ বন্ধের জন্য আআলোচনার টেবিলে বসেই গাদ্দারি করেছে। বিমান আক্রমণ করে আফগান সাধারণ নাগরিকদের হত্যা করেছে। আফগানরা এবার হয়তো আরো শক্ত জবাব দিবে। . গাদ্দারির ইতিহাসে ভরা এই নাপাক আর্মির সম্পর্কে জানতে নীচের এই বইটি আপনাকে সহযোগিতা করবে ইনশাআল্লাহ। বইটি রিহাবের স্টলে/দোকানে পেয়ে যাবেন৷

পাকিস্তান_রাষ্ট্রের_শরয়ী_অবস্থান.pdf1.19 MB

কুদস খ্রিস্টানদের দখলে থাকা অবস্থায় ইমাদুদ্দিন জেনকি রহ. ও তার পুত্র নুরুদ্দিন জেনকি রহ. বিভক্ত মুসলিম দেশ সিরিয়ার বিভিন্ন শহরে আক্রমণ করে সেগুলোকে একত্রিত করতে থাকেন। কুদস খ্রিস্টানদের হাতে থাকা অবস্থায় সালাহ উদ্দিন আইয়ুবি রহ. সিরিয়া থেকে মিশর আক্রমণ করেন এবং শিয়াদের ফাতেমি রাষ্ট্রের পতন ঘটান। পরবর্তীতে মিশর থেকে আবার সিরিয়া আক্রমণ করে সিরিয়া এবং মিশরকে এক পতাকার নিচে নিয়ে আসেন। কেননা এই দুটো অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে না থাকলে জেরুজালেম জয় করা ভৌগলিক ও ঐতিহাসিক কারণেই অসম্ভব। দীর্ঘ যুদ্ধের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন মুসলিম শহরগুলো নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর তিনি চুরান্ত ভাবে জেরুজালেম আক্রমণে মনোনিবেশ করেন এবং আল্লাহর ইচ্ছায় বাইতুল মুকাদ্দাস উদ্ধার করেন। এর আগ পর্যন্ত ফাতেমি এলাকার বট বাহিনী ফেইজবুকে লিখতে থাকে "সালাউদ্দিন ক্রুসেডারদের সৃষ্টি। পাশেই জেরুজালেম রেখে মুসলমান ভুমিতে আক্রমণ করে কিসের জি*হা*দ করে আমরা বুঝি না?" তারপর আইয়ুবি সেনাদের বিভিন্ন পোস্টের কমেন্টে গিয়ে গিয়ে রাজা বাল্ডুইনের সাথে করা আইয়ুবিদের শান্তি চুক্তির ছবি পোস্ট করে প্রমাণ করতে থাকে সালাহ উদ্দিন মুলত ক্রুসেডারদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ©

এক পাকিস্তানি পাকিস্তানের যুদ্ধ নিয়ে লেখছে, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ যত ভালো লাগে, পাক-আফগান যুদ্ধ এত ভালো লাগে না। পাক-ভারত যুদ্ধে দুপুরে ভারত লাহোর দখলের সংবাদ দেয়, বিকালে পাকিস্তান কাশ্মীর দখলের সংবাদ দেয়। টানটান উত্তেজনা থাকে। আর আফগানিরা তো মিডিয়ায় আর মিথ্যা কিছুই প্রচার করলো না, যা যা করেছে প্রমাণসহ বলে দিছে। এদিকে পাকিস্তান মিডিয়াতে তো যুদ্ধের শুরু থেকেই পাকিস্তান জিতে বসে আছে। মজা লাগল না এবারের যুদ্ধে।

দারুল উলুম করাচির এক সিনিয়র উস্তাদ আফগান-ভারতের সম্পর্কে নিয়ে পোষ্ট দিয়েছে। পাক প্রধানমন্ত্রীর নির্লজ্জ ট্রাম্পের প্রশংসা করা, লাহোরে অসংখ্য মুসলমানদের নির্মম হ ত্যা করা, আফগানের পতিত সরকারকে নিয়ে কেনো পাক অফিসিয়ালভাবে আফগানের শান্তি মিশনের জন্য বৈঠক করা নিয়ে করাচির কোনো উস্তাদদের পোষ্ট নজরে না পড়লেও ( অন্তত যে কয়জনের আইডি আমি চিনি, যার সংখ্যা কম নয়, এবং তারা নিয়মিতই আফগান ইস্যুতে লেখতেছে) আফগান ইস্যুতে তারা সরব। . তার সে পোষ্টের খোলসা হলো, আফগান যারা নেফাজে শরিয়তের কথা বলে তাদের পাকিস্তান বাদ দিয়ে ভারতের সাথে এই সম্পর্ক করা সহিহ হয়নি, শরিয়তের দৃষ্টিতেও নয় বরং পাশ্ববর্তী মুসলিম রাষ্ট্রের চিরশত্রু হিসেবে ভারতের সাথে এমন আচরণ শরীয়তের দাবীদার কোনো রাষ্ট্রের জন্য খুবই খারাপ একটা কাজ। . চির শত্রু ভারতের এম্বাসি এখনো পাকিস্তানে আছে, চির শত্রু ভারতের সাথে এখনো বিলিয়ন ডলার প্রতিবছর লেনদেন করতে পারে, চির শত্রু ভারতের কাছে সময়ে সময়ে মুজাহিদদের বিক্রি করে দিয়ে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ উদ্বার করা যেতে পারে, কিন্তু প্রতিবেশি রাষ্ট্র চিরশত্রুর সাথে সাধারণ ব্যবসায়ীক সম্পর্কও করতে পারবে না! এই হলো তাদের ইনসাফপূর্ণ লেখা। এই ইনসাফপূর্ণ লেখার বিপরীত কিছুই বলতে পারবেন না। . পাকিস্তানি আলেমরা কেনো আফগানের এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারছে না এর একটা ইল্লতে খফিয়্যাহ আছে। জানেন কী? সেটা হলো পাকিস্তানি সেকুলার বলেন আর আলেম বলেন অধিকাংশই এই ধারণা পোষণ করে যে, আফগানি শুধুই পাঠান কামলা, তারা লড়বে,মারামারি করবে, কিন্তু সকল চিন্তা ও পলিসি ম্যাকিংয়ে এরা পাকিস্তানের মুখাপেক্ষী হতে হবে। এর বাহিরে কিছুই না৷ এখন যেহেতু তারা স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিতে চলছে এটা পাকিস্তানিদের জলে যাচ্ছে। আর সে জ্বলে যাওয়ার ইজহারটা এখন ভারতের ইস্যুতে উঠে আসতেছে। আগে বললে তো, জনগনের হাতেই জুতা খেতো। বাস্তবতা হলো পাকিস্তানিরা কখনোই আফগানকে ভ্রান্তিত্বের দেশ হিসেবে নয়, বরং নিজেদের একটা গোলাম রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়। যাহেদ রাশেদী সাহেবের একটা লেখায় তো অনেকটা স্পষ্টই বলেছে, আফগানিদের উচিত পাকিস্তানের সাথে পরামর্শ করে তাদের পলিসি ঠিক করা। . পাকিস্তানের বেশ কিছু আলেম, বিশেষত করাচির আলেমদের পাকিস্তানপ্রীতির যে দুর্গন্ধ, সেটা সময়ে সময়ে এমন বোমির মাধ্যমে বের হয়ে আসে কিন্তু পুরো শেষ হয় না৷

মডার্নিজমের ইসলামিকরণের কিছু মৌলিক প্রবণতা মডার্নিজমের আলোকে ইসলামের বিভিন্ন বিধানকে ব্যাখ্যা করার কিছু মৌলিক প্রবণতা নওমুসলিম লেখিকা মরিয়ম জামিলা তুলে ধরেন- ১. মডার্নিস্টদের মতে আমাদের মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও খোলাফায়ে রাশেদার সময় ইসলাম ছিল খুবই উদার, প্রগতিশীল ও যুক্তিনির্ভর ধর্ম। কিন্তু আমাদের ইমাম, কাজি, ঐতিহ্যবাদী ধর্মতত্ত্ববিদদের হাতে ইসলাম সেকেলে, অযৌক্তিক, সংকীর্ণ, অচল ও প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে পড়েছে, যা আমাদের বর্তমান দুর্বলতা ও অবমাননার জন্য দায়ী। এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মডার্নিস্টরা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, মুসলিম বিশ্বের সকল অনিষ্টের মূলে রয়েছে ওলামা ও ধর্মীয় পণ্ডিতরা। এরা সময়ের প্রয়োজনে ইসলামকে অবাধে মিশে যেতে না দিয়ে নিশ্চল করে রেখেছে। এর ফলে তারা এটা বলতে চায়, সমকালীন পৃথিবীকে সামনে রেখে যুক্তির আলোকে কুরআনের ব্যাখ্যা করতে যারা অপারগ, এমন ব্যক্তিদের থেকে কুরআনের ব্যাখ্যা নেওয়া আমাদের ছেড়ে দিতে হবে। আমরা নিজেরা কুরআন বুঝে তার ব্যাখ্যা করে ইসলামকে সঠিকভাবে রক্ষা করতে পারব। এবং ইসলাম যে সেকেলে ধর্ম না, বরং ইসলামও স্বাধীনতা ও সাম্যের কথা বলে এটা সকলের সামনে পেশ করতে পারব। মোটকথা, আবু হানিফা, মালিক, শাফেয়ী, আহমদ ইবনে হাম্বল, বুখারি, গাজালি এবং ইবনে তাইমিয়াদের মতো মহান মনীষীরা ইসলাম বুঝতে ভুল করেছেন এবং এই পশ্চিমা সভ্যতায় প্রভাবিত আধুনিকমনারাই ইসলামকে সঠিকভাবে বুঝেছে। তাই যত দিন মুসলিমরা পূর্ববর্তী সালাফ ও তাদের অনুসারী বর্তমান আলেমদের শ্রদ্ধা করবে এবং এদের দেওয়া ইসলামের ব্যাখ্যা মেনে নেবে, তত দিন তারা ভুলের ওপর থাকবে। ২. আধুনিক জীবনের সাথে সংঘাতময় ইসলামের সব চিরন্তন নীতি ও আইনকানুন পৃথক করে নিতে হবে। এগুলো নবীর যুগের প্রাথমিক অবস্থার জন্য ছিল; যা আমাদের মতো অগ্রসর সমাজের জন্য অবান্তর ও অযোগ্য। সুতরাং এগুলো বাদ দিতে হবে। এমনকি নামাজ, রমজানের রোজা, যাকাত এবং হজ্জের মতো প্রশ্নাতীত অপরিহার্য ইবাদতের মাঝে এমন শিথিল ও নমনীয় ব্যাখ্যা করতে হবে, যাতে এগুলো পালনের বাধ্যবাধকতা না থাকে। ৩. মধ্যযুগে ইউরোপের সাংস্কৃতিক জীবনে মুসলমানদের এতই উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে যে, তাদের ছাড়া আজকের আধুনিক সভ্যতার বিকাশ সম্ভব হতো না। অপর কথায়, ইসলাম ছিল পশ্চিমা সভ্যতার জনক। পশ্চিমা সভ্যতা তারই নীতি ও মূল্যবোধের আরও উন্নত সংস্করণ। যদিও মুসলমান নামধারী নয় পশ্চিমা সভ্যতার অনুসারীরা, কিন্তু মুসলমানদের চাইতেও সত্যিকার ইসলামি প্রেরণায় তারাই উজ্জীবিত। তাই মুসলিমদের উচিত আধুনিকতা গ্রহণ করে প্রকৃত উত্তরাধিকার ফিরিয়ে নেওয়া। . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা : দুই জীবনদর্শনের সংঘাত অধ্যায়: মডার্নিজম; খোদাদ্রোহী এক জীবনদর্শন

জশির ভাইদের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা আমার ভালো লাগে। জাশির একটা উল্লেখযোগ্য কর্মীর কাছে শারা গেহুদিদের দালাল/ অথবা গাদ্দার। এদিকে আবার গতকাল শারা গণতন্ত্রের ব্যাপারে ইতিবাচক বক্তব্য দেওয়ার পর থেকে সে হয়ে গেলো গণতন্ত্রের জন্য দলিল। . এদিকে শারা জুব্বা বাদ দিয়ে প্যান্ট-শার্ট ধরার পরে হুজুরদের চোদ্দগুষ্টি উদ্বার করেছিলো নিজেদের প্যান্ট-শার্টের কারণে। আবার ইরান প্রেমের কারণে গেহুদিদের দালালও বলতেছিলো। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা ও তুরস্কের সাথে থাকায় ভালোই লাগে। সাবেক জি*হা*দি হওয়ার কারণে আবার জঙ্গীও লাগে। . মেধাবী সংগঠন এমনই হয়। অনেক বই না পড়লে এমন দূরদর্শিতা সম্ভব হয় না আসলে। জিও-পলিটিক্সকে গিলে না ফেললে এমন স্ট্যান্ড আসলে সম্ভব না।

বই সংগ্রহে বিভিন্ন প্রকাশনী ওমরার অফার দিচ্ছে। আমি দিল বড় মানুষ। আমি আপনাদের আমার ‘ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা’ বইটি সংগ্রহে হজের অফার দিচ্ছি। . অফার হলো, আপনারা কুটি কুটি এই বই সংগ্রহ করেন, যাতে বইয়ের রয়েলেটি দিয়ে আমি ২০২৮ সালে হজটা করে ফেলতে পারি। . দেখেন, আপনারা যা ভালো মনে করেন।

ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে এটি বোঝা কঠিন নয়, যুদ্ধই একমাত্র বাস্তবতা। বর্তমান বিশ্ব এমন এক রেখায় দাঁড়িয়ে, যেখানে পেছনে ফেরার সুনির্দিষ্ট কোনো পথ নেই শুধু অগ্রসর হওয়া ছাড়া। এবং সেই পথ সংঘাতপূর্ণ। অর্থাৎ, পৃথিবী উত্তপ্ত হওয়ার মধ্য দিয়েই শীতল হবে। - Saeed Abrar সিরিয়া বিপ্লবী জি হ দের আদ্যোপান্ত পৃ. ৯২

পছন্দের একটি ছবি ❤️ . জিও-পলিটিক্সের একটি আদর্শ উদাহরণ। . যারা বেন্দুত্ববাদীদের হাতে হাত মিলায় তাদের কখনোই আমরা বিশ্বাস করবো
পছন্দের একটি ছবি ❤️ . জিও-পলিটিক্সের একটি আদর্শ উদাহরণ। . যারা বেন্দুত্ববাদীদের হাতে হাত মিলায় তাদের কখনোই আমরা বিশ্বাস করবো না। তারা গেন্দুত্ববাদীদের গোলাম। -বন্ধু মফিজের গণতান্ত্রিক বন্ধু।

কবিরাহ গুনাহ.pdf3.55 MB

যারা মেলায় যাবেন, বইটি সংগ্রহ করতে ভুলবেন না।
যারা মেলায় যাবেন, বইটি সংগ্রহ করতে ভুলবেন না।

এটোম শক্তির অধিকারী পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইসলামের রক্ষক পাক সেনাবাহিনীর ঐতিহাসিক আক্রমনে আফগানের কাবুল তাবাহ হয়ে গেছে। এখনো পর্যন্ত পাওয়া সংবাদ অনুযায়ী ৩টি দোকান ধ্বংস হয়েছে। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। . ভয় পাও ইমারাহ ভয় পাও!

লি বা রে লি জ ম হলো একটি দাজ্জালি (ধোঁকায় ভরা) মতবাদ। এটি দাজ্জালের ওই সকল অনুসারীর ধর্ম যারা বড় দাজ্জালের জন্য প্রস্তুতি গ্র
লি বা রে লি জ ম হলো একটি দাজ্জালি (ধোঁকায় ভরা) মতবাদ। এটি দাজ্জালের ওই সকল অনুসারীর ধর্ম যারা বড় দাজ্জালের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। মূল দাজ্জাল আসার আগে তারা ধোঁকায় পুরো পৃথিবী ভরে ফেলবে- ইতর আর দুষ্ট শ্রেণীর মানুষেই হবে তখন কোটিতে। যাতে তারা সহজেই দাজ্জালের আহ্বানে সাড়া দেয়। বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির প্রচ্ছদ মূল্য: ৪৮০৳ অফার মূল্য: ৩৩৬৳ চেতনা প্রকাশন।। স্টল নং: ১১২-১১৩