en
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Open in Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel Abdullah bin bashir

Channel Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 11 290 subscribers, ranking 8 155 in the Religion & Spirituality category and 2 033 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 11 290 subscribers.

According to the latest data from 21 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by 76 over the last 30 days and by -3 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 18.18%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 7.96% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 2 052 views. Within the first day, a publication typically gains 899 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 49.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 22 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

11 290
Subscribers
-324 hours
+387 days
+7630 days
Posts Archive
সেনাপ্রধানের দাঁড়ি নিয়ে পুরো উম্মাহের আবেগ একদিকে আর হিযবুত তাহরিরের ভাইদের আবেগ আরেকদিকে। তাহরিরের এক ভাই তো এই দাঁড়ি দেখে, বাংলাদেশকে রীতিমতো ইয়াসরিবের সাথে তুলনা করে ফেলছে! ভাইরে ভাই! খেলাফতের নুসরা আপকামিং! কোন লেভেলের ডার্ক কমেডি যে দুনিয়াতে আছে, তা এগুলো না দেখলে বুঝা কঠিন!

বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের দাড়ির ছবি নিয়ে হিযবুত তাহরিরের এক ভাই পোষ্ট দিছে, "এদেশের সামাগ্রিক পরিবেশ ইয়াসরিবের মত" । ইয়াসরিব মানি বুইজ্জেননি? ইয়াসরিব মানি হইলো মদিনা। কোন মদিনা জানেন? রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগের মদিনা। . এগুলো দেখতেই ফেসবুকে আসি। একটা দল নিজেদের কোন লেভেলের কমেডিতে রূপান্তর করতেছে! আল্লাহগো আল্লাহ!

আফগানের খোশত প্রদেশে বিমান হামলা করেছে পাক বাহিনী। বিশের মত নারী ও ছোট শিশু মারা গেছে। পাকিস্তানের বাচ্চাগুলোর তাকদির কত ভালো। ওদের কিছু হলে আলেমদের চোখে পানি আসে। বড় বড় সম্পাদকীয়ের পাতায় রক্ত দিয়ে লেখা হয় দাস্তান। আর আফগানি বাচ্চাগুলো তো ভারতের দালাল। নিউক্লিয়ারধারী একটি ইসলামি বাহিনীর হাতে মৃত্যু তো সৌভাগ্যের।

বিভিন্ন শয়তান আর দেবদেবীর সিম্বলসহ পতাকা উড়ছে আশপাশে। পুরো দেশে। এর থেকে বাঁচতে রুকইয়া হিসেবে কালিমার পতাকাও খুব বেশি মনে হয় উড়ানো যাইতে পারে। বাকি যেকোনো ঔষধেরই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। সেটার কারণে তো আর ঔষধ খাওয়া বন্ধ করা যাবে না। . রোগ থেকে বাচার জন্য এগুলো করা যাইতেই পারে, যাদের অন্তরে দেবদেবী ও কু*ফ*রের প্রতিকি বহন করা পতাকা দেখলে ঈমানি রোগ হয়, তারা ঔষধ ও যার যার শক্তি হিসেবে যেকোনো কিছুই গ্রহণ করতে পারেন। ঔষধের জন্য কখনো কখনো অনেক হারামও হালাল হয়ে যায়। কী কন।

গেন্ডিয়া যদি এই অঞ্চলের হিজ্রাইল হয় তাহলে পাকিস্তান এই অঞ্চলের মিশর। এই সহজ হিসেবটা বুঝা অত্যন্ত জরুরী।

অনৈসলামী সরকারগুলোর মতো ইসলামী সরকার কেবল 'সামষ্টিক ইচ্ছা'র (General Will) অনুগামী হয় না, বরং এটি সামষ্টিক ইচ্ছাকে সঠিক পথের দিশা দেখায়। কারণ জনগণের ইচ্ছাই ইসলামী সরকারের অস্তিত্বের প্রকৃত কারণ নয়, বরং এর মূল উৎস ইসলামী আইন। সরকার সেই আইনেরই অনুগত থাকে; কোনো ব্যক্তিগত বা সামষ্টিক আকাঙ্ক্ষার কাছে বন্দী হয় না। ধরা যাক, কোনো এক জনপদের সব মানুষ তাদের শাসকের ওপর প্রচণ্ড অসন্তুষ্ট, কিন্তু সেই শাসকের মধ্যেই কেবল দেশ পরিচালনার সঠিক যোগ্যতা রয়েছে এবং তিনি ইসলামী মূলনীতি অনুযায়ী শাসন পরিচালনা করছেন-তবে সেই জনগণের দায়িত্ব থাকে তাঁকেই নিজেদের শাসক হিসেবে মেনে নেওয়া; যদিও সেটা তাদের ব্যক্তিগত মর্জির বিরোধী হয় না কেন। একইভাবে যদি কোনো জনপদের এক হাজার মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে কোনো ইসলামী আইন ভেঙে ফেলতে চায়, তবে ইসলামী সরকার সরকার' হিসেবে সেই আইন কার্যকর রাখবে এবং সামষ্টিক চাওয়ার দোহাই দিয়ে তাতে কোনো পরিবর্তন আনবে না। . সিয়াসাত বিষয়ে প্রকাশিতব্য একটি বইয়ের পাণ্ডুলিপি থেকে। শীঘ্রই আসবে চেতনা প্রকাশন থেকে

জামাতে ইসলামকে দল হিসেবে কওমী বিদ্বেষী বলে ছোট করাটা ঠিক না। এটা তাদের প্রতি অন্যায়। তাদেরকে বলতে হবে “আলেম বিদ্বেষী”। অর্থাৎ তাদের প্রদত্ত যেই মডার্ন ফিলোসোফি, এর বাহিরে দুনিয়ায় যেই আলেমই বলবে, সেই জামাতের ভাইদের কাছে মূর্খ। বাকী শিয়াদের মহব্বতকারী জামাতের ভাইদের মধ্যে যেহেতু তাকিয়া, যার আধুনিক ভার্সন গুপ্ত, প্রচুর পরিমানে আছে, সেই হিসেবে তা অনেকে বুঝতে পারে না।

আগামীকালের রোজা খুবই ফাজিলপূর্ণ। যথাসাধ্য তা যেনো আমাদের কারো থেকে না ছুটে যায়, সেই বিষয়ে চেষ্টা করি। একটু হিম্মত করলেই হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। এই রোজার ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ، أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السّنَةَ الّتِي قَبْلَهُ، وَالسّنَةَ الّتِي بَعْدَهُ. আরাফার দিনের (নয় যিলহজ্বের) রোযার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করি যে, (এর দ্বারা) আগের এক বছরের এবং পরের এক বছরের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৬২

বকলম খানের বন্ধু দিগম্বর সেনের কথা আপনাদের আগে বলা হয়নি। ভদ্রলোকের বয়স ৫০ এবং তাকে দেখলে মনে হয় আরো ৫০ বছর বাঁচবেন। বাহ্যত বকলম খানের সাথে তার কোনো মিল নেই কারণ দিগম্বর সেন পেশায় একজন পরিবেশকর্মী। পরিবেশকর্মী বিষয়টা একটু খুলে বলা যাক। কোথাও পরিবেশ দূষণ না হলে পরিবেশকর্মীর কোনো কাজ থাকে না, ফলে কাজের স্বার্থেই পরিবেশ দূষণ নিশ্চিত করতে হয়। দিগম্বর সেন ত্রিশ বছর ধরে কাজটি গুরুত্বের সাথে করে আসছেন। বকলম খান চিন্তিত শিশুদের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে, দিগম্বর সেন চিন্তিত পরিবেশ দূষণ নিয়ে। কিন্তু দুজনের চিন্তা এসে এক বিন্দুতে মিলিত হয়, তা হলো কুরবানি। কুরবানির পশু জবাই থেকে উদ্ভূত দুটি সমস্যা নিয়েই তাদের কাজকারবার। দিগম্বর সেনের দৈনিক রুটিন বেশ সরল। সকালে উঠে তিনি নদীর পাড়ে ওয়াকওয়ে ধরে হাঁটেন। এটি বানানো হয়েছে বছর কয়েক আগে, নদীর জায়গা কিছুটা ভরাট করে। দিগম্বর সেন নিজেকে সান্ত্বনা দেন , উন্নয়নের জন্য কিছুটা মূল্য দেয়া খারাপ নয়। শহরের বেশিরভাগ ফ্যাক্টরির বর্জ্য এসে নদীতে পড়ছে। নদীর পানি কালো হয়ে উঠছে গত ক'বছরে। শোনা যায় এখন নাকি নদিতে মাছই নেই। ‘পলিসি ফেইলিউর' আপনমনে ভাবেন দিগম্বর সেন। দিগম্বর সেন একবার পাহাড়ে গিয়েছেন বেড়াতে। দেখলেন পাহাড় আগের মত নেই। বন কেটে উজাড়। মাটি কেটে সমতল করে ফেলা হয়েছে অনেক জায়গায়। সেদিন তিনি ফেসবুকে লিখেছিলেন, প্রকৃতির প্রতি আমাদের সংবেদনশীল হতে হবে। কদিন আগে পত্রিকায় পড়লেন ঢাকার বায়ু এখন বিশ্বের অন্য যে কোনো শহর থেকে বেশি দূষিত থাকে। আমাদেরকে সতর্ক হতে হবে, সেদিন রাতে বন্ধুদের আড্ডায় বলেছিলেন তিনি। তবে সারাবছর কোনোভাবে কেটে গেলেও জিলহজ মাস এলেই দিগম্বর সেন মাঠে নেমে পড়েন। কুরবানির কথা শোনামাত্র তিনি আঁতকে উঠেন। তার চোখে আগুন জ্বলে ওঠে। তার ভাব দেখে মনে হয় তিনি একাই যেন পৃথিবীর শেষ অক্সিজেন সিলিন্ডার পাহারা দিচ্ছেন। প্রায়ই তিনি ফেসবুকে লেখেন, কুরবানি? উফ, রক্ত আর রক্ত। পুরো শহরে হাজার হাজার মৃত গরু। দেখার কেউ নেই। রক্ত, বর্জ্য, দুর্গন্ধে শহরে চলা যায় না। এই দূষণের কারণেই এন্টার্কটিকায় বরফ গলছে। অবিলম্বে এটি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। ঈদের সকালে গরু দেখলেই তার চেহারায় এমন বেদনা ফুটে ওঠে, যেন জাতিসংঘের মহাসচিব তাকে ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে বলেছেন, ওরে দিগম্বর, পৃথিবী আর বাঁচলো না। তিনি ফেসবুকে প্রায়ই লেখেন, মানুষ প্রকৃতির ভাষা ভুলে গেছে। সাধারণত তিনি এই পোস্ট দেন গাড়ির ভেতরে বসে, এসি চালিয়ে, প্লাস্টিকের কাপে কোল্ড কফি খেতে খেতে। একবার তিনি এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন যে একটি গরুর সামনে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করে ফিসফিস করে বলেছিলেন, আই অ্যাম সরি…’ । দুঃখের বিষয় হলো, গরুটি তখন সম্পূর্ণ নির্লিপ্তভাবে ঘাস চিবাচ্ছিল। দিগম্বর সেনের ভেতরে একধরনের সিনেম্যাটিক পরিবেশবাদ কাজ করে। তিনি চান পৃথিবী বাঁচুক, কিন্তু এমনভাবে বাঁচুক যেন ইনস্টাগ্রামে ভালো লাগে। অর্থাৎ গরু থাকবে, সবুজ মাঠ থাকবে, পেছনে কোথাও হালকা টুং টাং শব্দ হবে। কোথাও কোনো গরু জবাই হবে না। দিগম্বর সেনের সবচেয়ে বড় প্রতিভা হলো, যে কোনো সাধারণ বিষয়কে তিনি আন্তর্জাতিক সংকটে রূপ দিতে পারেন। একবার গরুর হাম্বা শুনে তিনি বলেছিলেন, দেখেছো? এ হচ্ছে সাফারিংয়ের ভাষা। পাশে দাঁড়ানো গরুর মালিক বললো, না ভাই, ও খড় চাচ্ছে। এই এক বাক্যে দুটি সভ্যতার মাঝে সংঘর্ষ বেঁধে গেলো। দিগম্বর সেনের কথা পরিষ্কার। তিনি স্টেক পছন্দ করেন, কাচ্চি খেতে চান। কালোভুনা আর লালভুনা খেতেও আপত্তি নেই তার। শর্ত হলো কোথাও কোনো গরু জবাই হতে পারবে না। তিনি এমন এক খাদ্যচক্রের স্বপ্ন দেখেন, যেখানে গরুগুলো সকালে ঘুম থেকে উঠে স্বেচ্ছায় নিজেদের বিরিয়ানি বা কাচ্চিতে রূপান্তর করবে।

বকলম খান সাহেব জীবনে তিনটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি ভয় পান। এক, পারমাণবিক যুদ্ধ। দুই, চিনি ছাড়া চা। তিন, কুরবানির দিন শিশুদের জবাই দেখা। প্রথম দুটি বিষয় নিয়ে তিনি সারাবছর চিন্তা করেন। কিন্তু তৃতীয়টি নিয়ে তিনি শুধু জিলহজ মাসে চিন্তা করেন। জিলহজ মাস শুরু হলেই তার চেহারায় আতংক ফুটে উঠে যেন শহরের প্রতিটি গলিতে শিশুরা ধারালো ছুরি হাতে 'প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস' শুরু করতে যাচ্ছে। বকলম খান দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, কোনো শিশু যদি একবার কুরবানি করার দৃশ্য দেখে ফেলে, তাহলে তার কোমল মন চিরতরে হারিয়ে যাবে। আজ গরু কাটতে দেখবে, কাল নিজেই মুরগি কাটবে, পরশু আশপাশের লোককে সন্দেহজনক দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করবে। বকলম খান সাহেব বিষয়টি নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা করেছেন। নিজের খাতায় তিনি এ বিষয়ে কিছু নোট করেছেন। প্রথম পৃষ্ঠায় বড় করে লিখেছেন, শিশু + ছুরি = সভ্যতার সমাপ্তি? প্রশ্নবোধক চিহ্নটি তিনি দিয়েছেন বিনয়ের খাতিরে। মূলত এ বিষয়ে তিনি শতভাগ নিশ্চিত। বকলম খান প্রতিবছর জিলহজ মাসে শিশুদের অভিভাবকদের সতর্ক করে লেখালেখি করেন। তার ইচ্ছা আছে নিয়মিত ভিডিওতে আলোচনা করার। সস্তা ওয়েবক্যামে চেহারা অনেকটা বদলে যায় তাই সাহস করতে পারছেন না। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা তাকে গভীরভাবে ব্যাথিত করে। একবার তিনি এক শিশুকে আটকালেন কারণ সে দৌড়ে কুরবানি দেখতে যাচ্ছিল। তিনি যেভাবে ছুটে গিয়ে শিশুটিকে আটকালেন তাতে মনে হচ্ছিল শিশু নয়, রাষ্ট্রীয় কোনো গোপন নথি পাচার হয়ে যাচ্ছে। তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, না বাবা! ওদিকে না! শিশুটি বিস্ময়ে বলল, কেন? বকলম খান চারদিকে তাকিয়ে নিচু গলায় বললেন, ওখানে… জবাই হচ্ছে। শিশুটি তড়িৎ জবাব দিলো, কিন্তু আম্মু তো বলছে গরু কাটবে। এই সরল বাক্যটি বকলম খানকে গভীরভাবে আহত করলো। তিনি বুঝলেন, সমাজ ইতিমধ্যে শিশুটির কোমল ভাষাবোধ নষ্ট করে ফেলেছে। শিশুটির চোখে চাপা উল্লাস দেখে তিনি যারপরনাই মর্মাহত হলেন। তিনি যেন কল্পনার চোখে দেখছিলেন ভবিষ্যৎ জীবনে শিশুটি সিরিয়াল কিলার হয়ে উঠছে। কিছুদিন আগে বকলম খান একটি ওয়ার্কশপ করিয়েছেন। শিরোনাম ছিল, শিশুর মন, সহমর্মিতা ও অতিরিক্ত ধারালো বস্তু। আলোচনার সময় তিনি একটি চার্ট সাথে এনেছিলেন। সেখানে তীরচিহ্ন দিয়ে দেখানো হয়েছে, কুরবানি দেখা → ছুরির প্রতি আগ্রহ → মুরগির দিকে কৌতূহলী দৃষ্টি → সামাজিক অবক্ষয়। একজন মুরুব্বি চার্টটি অনেকক্ষণ দেখে বললেন, এখানে সামাজিক অবক্ষয়ের আগে মুরগি কেন আসছে? বকলম খান গম্ভীরভাবে বললেন, সব বিপর্যয়ের শুরু ছোট থেকে হয়। মুরব্বি হাসি আড়াল করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেন। বকলম খান না দেখার ভান করলেন। তিনি বিশ্বাস করেন, পৃথিবীর সব বড় বড় যুদ্ধের পেছনে শৈশবে জবাই দেখার প্রভাব আছে। নেপোলিয়ন হয়তো ছোটবেলায় গরু জবাই দেখেছিল। চেঙ্গিস খান সম্ভবত আরেকটু কাছ থেকে দেখেছিল। হালাকু খান সম্ভবত নিজেই ছোটবেলায় জবাই করেছিল। ভাবতে ভাবতে বকলম খান দীর্ঘশ্বাস ফেলেন।

পড়তে পারেন।
+2
পড়তে পারেন।

সহজ ও সিম্পল কথা, যত সহজে বুঝবেন নিজের দ্বীন ও ঈমানকে হেফাজত তত বেশি করতে পারবেন, “ইউসুফ কারযাবি, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন, এই উম্মাহের জন্য তার লেখনীর মাধ্যমে যত কল্যাণ রেখে গেছেন, তার থেকে বেশি ক্ষতিই রেখে গেছেন। শায আর বিচ্ছিন্নমতের যেই ভাণ্ডার তিনি রেখে গেছেন ইসলামের নামে, সেগুলোর আলোকে যে ইসলাম থাকে সেটা আদতে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহের ইসলাম না, সেটা পশ্চিমের তৈরি এক নতুন ইসলাম।” . মিউজিক থেকে শুরু করে নারী পুরুষের সহবস্থান, এমন কোনো মর্ডার ইস্যু নাই, যেখানে কারযাবী সাহেবের কলম পশ্চিমার চাহিদার বিপরীত গিয়েছে।

কুরআন ও হাদীসের নীতিমালার আলোকে ইলমের ধারক বাহকগণ যে নির্দেশনাগুলো যুগ যুগ ধরে দিয়ে আসছেন এবং এখনো দিয়ে চলেছেন, আল্লাহর ইচ্ছায় যার ধারাবাহিকতা কেয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে, সে নীতিমালার বাইরে পা রাখার অধিকার কারো নেই। নির্দেশক ও নির্দেশিত কারো জন্যই সে অধিকার নেই। কুরআন সুন্নাহর নীতিমালা তার গতিতে সচল থাকবে। ব্যক্তি তার নিজেকে বদলাতে হবে। পরিবেশ বদলাতে হবে। সমাজ বদলাতে হবে। রাষ্ট্রের নীতিমালা বদলাতে হবে। নিজেকে ও সমাজকে বদলাতে না পারলে তা অপরাধ ও দুর্বলতা। এ অপরাধকে স্বীকার না করে শরীয়তের নীতিমালাকে বদলানোর মানসিকতা অপরাধের চূড়ান্ত পর্ব। শরীয়তের স্বীকৃত নীতিমালাকে বদলে দেয়ার জন্য শুযূযের তালাশ, অতীতের পদস্খলনসমূহের তালাশ, পরিত্যক্ত ও পরিত্যজ্য মতামতকে প্রতিস্থাপন করা খেয়ানত। ইলমের তাহকীকের সঙ্গে তামাশা। নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর নিরক্ষরতাকে পুঁজি করে নতজানু মানসিকতা প্রতিষ্ঠার অপপ্রয়াস। দ্বীন ও ইলমে দ্বীনের স্বার্থে একে অপরকে সতর্ক করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দলিলের আালোকে সঠিক অনুশীলন ও সঠিক রাহনুমায়ী আমাদের দায়িত্ব। ঠেলা ধাক্কা ও গাল মন্দের পরিবর্তে বস্তুনিষ্ঠ দলিলনির্ভর সমালোচনা ও পর্যালোচনা এখন সময়ের দাবি। অতীতেরে যেকোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি জরুরী। মাওলানা যুবায়ের হোসাইন হাফিজাহুল্লাহ

এই ছবি আর সাক্ষাত নিয়ে পথভ্রষ্ট জামাতি আর কওমীর কিছু আবালগুলোকে কোনো সমালোচনা করতে দেখেছেন? যারা ইমারতের একটা সাক্ষাত নিয়ে অন
এই ছবি আর সাক্ষাত নিয়ে পথভ্রষ্ট জামাতি আর কওমীর কিছু আবালগুলোকে কোনো সমালোচনা করতে দেখেছেন? যারা ইমারতের একটা সাক্ষাত নিয়ে অনলাইন-অফলাইন, পুরো দুনিয়া কাপিয়ে ফেলেছে!

আমার চেনাজানা একজন গায়রতমান্দ আলেম সাথী ভাই একটি অন্যায় মামলার শিকার হয়েছেন। ১২/১৩ হাজার টাকা বেতন পাওয়া মানুষটির পক্ষে প্রতি মাসে ২০/৩০ হাজার টাকা মামলা কেন্দ্রিক পরিশোধ করা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। যা আরও ৬ মাসের মতো পরিশোধ করে যেতে হবে (প্রায় আড়াই লাখ টাকা)। দীর্ঘদিন যাবত দ্বীনের খেদমতে নিয়োজিত সাথী ভাইটির জন্য করার মতো আমার সামর্থ্যের মধ্যে খুব বেশি কিছু নেই। তাই আপনাদেরকে জানালাম। আমরা সাধ্যমাফিক অর্থ যোগানের একটু চেষ্টা করলেই ভাইটির মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিম হবে এবং সবকিছু সহজ হবে ইনশাআল্লাহ। সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: {বিকাশ/নগদ/রকেট} ০১৭১৬-২৫০৬৩৫ ©আবু উসামা জাফর ভাই

আল-মুতামাদ থেকে পিঠা পাঠিয়েছে। স্বাদ বেশ ভালো মাশা-আল্লাহ। যাদের এই পিঠার প্রতি লোভ আছে অর্ডার করতে পারেন৷ . মুতামাদের পেইজ ল
আল-মুতামাদ থেকে পিঠা পাঠিয়েছে। স্বাদ বেশ ভালো মাশা-আল্লাহ। যাদের এই পিঠার প্রতি লোভ আছে অর্ডার করতে পারেন৷ . মুতামাদের পেইজ লিংক : https://www.facebook.com/share/17AFziSg6P/

প্রাচ্যবাদ বিষয়ে যে সকল তালেবে ইলমদের ধারণা একদমই শুণ্য তারা ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটির “প্রাচ্যবাদ” অধ্যায়টি পড়ে নিতে পারে
প্রাচ্যবাদ বিষয়ে যে সকল তালেবে ইলমদের ধারণা একদমই শুণ্য তারা ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটির “প্রাচ্যবাদ” অধ্যায়টি পড়ে নিতে পারেন।

ইসলামি রাজনীতি নিয়ে এখনো পর্যন্ত আমার দেখা বাংলাভাষায় সবচেয়ে চমৎকার কাজটি দ্রুতই আসতেছে। আল্লাহ সাদিক ফারহান ভাইকে কবুল করুক,
ইসলামি রাজনীতি নিয়ে এখনো পর্যন্ত আমার দেখা বাংলাভাষায় সবচেয়ে চমৎকার কাজটি দ্রুতই আসতেছে। আল্লাহ সাদিক ফারহান ভাইকে কবুল করুক, বহু কষ্ট করেছেন, এমন পিডিএফ থেকে এই কাজটি উদ্ধার করতে গিয়ে। ভূমিকার একটি লাইন দেখুন, //ইসলামী রাজনৈতিক ব্যবস্থায় কেবল কিছু মূলনীতিই কাম্য নয়, বরং এর বাহ্যিক কাঠামোর একটি বিশাল অংশও কাম্য এবং অপরিবর্তনীয়। কিছু কাঠামোর সাথে মূলনীতির এমন গভীর সম্পর্ক থাকে যে, একটিকে বাদ দিলে অন্যটির অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। ফলে এমনটি বলা—ইসলামে খিলাফতের নির্দিষ্ট কোনো রূপ নেই, যেকোনো রূপে সরকার গঠন করলেই তা ইসলামী হয়ে যাবে, মূলত এই ব্যবস্থার গুরুত্বকে অস্বীকার করার নামান্তর।// . বইটি আসবে ইনশাআল্লাহ চেতনা প্রকাশন - Chetona Prokashon থেকে।

পুঁজিবাদী সমাজে থাকতে থাকতে যখন আমরা উন্নয়ন বলতে শুধু বিল্ডিং, রাস্তা আর টেকনোলজি বুঝি, অথচ বাস্তব উন্নয়ন তো এগুলো! এই পরিমাণ
পুঁজিবাদী সমাজে থাকতে থাকতে যখন আমরা উন্নয়ন বলতে শুধু বিল্ডিং, রাস্তা আর টেকনোলজি বুঝি, অথচ বাস্তব উন্নয়ন তো এগুলো! এই পরিমাণ ডলার দিয়ে দেশের কত কত অবকাঠামো দাঁড় করানো সম্ভব!

গুরুত্বপূর্ণ কাজটি পূর্ণাঙ্গ হয়ে ছেপে এসেছে, কারো কোনো সাড়াশব্দ নাই দেখি! দ্রুতই সংগ্রহ করবো ইনশাআল্লাহ।
গুরুত্বপূর্ণ কাজটি পূর্ণাঙ্গ হয়ে ছেপে এসেছে, কারো কোনো সাড়াশব্দ নাই দেখি! দ্রুতই সংগ্রহ করবো ইনশাআল্লাহ।