The I’lm Diary
Open in Telegram
এই চ্যানেলটি উস্তাযা নায়লা নুযহাত এবং বোন উমাইমাহ মুহাম্মাদের একটি উদ্যোগ। এখানের যেকোনো ম্যাটেরিয়াল যদি কেউ শেয়ার করতে চান, রেফারেন্স সহ শেয়ার করার অনুরোধ করা যাচ্ছে। লিংক: t.me/theilmdiary
Show more3 368
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
No data30 days
Posts Archive
3 368
আমরা দশ মিনিটে কী কী আমল করতে পারি?
দোয়া করতে পারি। দশ মিনিট কিন্তু অনেক সময়- এই সময়টায় আমরা অনর্থক কাজ না করে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছে দ্বীনের এবং দুনিয়ার যেকোনো প্রয়োজন নিয়ে চাইতে পারি।
3 368
জ্ঞান চর্চার আদব:
১) ইখলাস
একজন ছাত্রের দ্বীনের জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্য হবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার সন্তুষ্টি।
দ্বীনের জ্ঞান অর্জনের পথে আমরা যেই সার্টিফিকেট নেই, সেগুলো কি তাহলে নেয়া যাবে না?
কারো নিয়ত যদি হয় দ্বীন-শিক্ষার এই সার্টিফিকেট পাওয়ার মাধ্যমে মানুষের কাছে দ্বীনের জ্ঞান পৌঁছে দিবে আরো সহজে (যেহেতু এখন মানুষ সার্টিফিকেট আছে এমন কারো ওপর বেশি ভরসা করে) তাহলে সমস্যা নেই। (কিন্তু সেটা যেন লোক দেখানোর জন্য অথবা নিজের জ্ঞান জাহির করার জন্য না হয়।)
একজন ছাত্র আল্লাহর নির্দেশের আনুগত্য হিসেবেই দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করবে।
(চলবে)
—————
শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ এর كتاب العلم অবলম্বনে
3 368
দ্বীনের জ্ঞান অর্জনের হুকুম কী?
~যে সকল জ্ঞান ফরয ইবাদত, অথবা যেকোনো ইবাদত কেউ যখন করতে চাইছে, সেটা সঠিকভাবে করার জন্য জানা জরুরী সেগুলো অর্জন করা ফরযে আইন। অর্থাৎ জানা ফরয।
যেমন, কেউ যখন সালাত আদায় করবে, তখন সেটা কিভাবে আদায় করলে তার সালাত শুদ্ধ হবে এটা জানা তার জন্য ফরয। অজু কিভাবে করতে হবে এটা জানা ফরয।
~আর সাধারণভাবে দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করা ফরয কিফায়া - অর্থাৎ সমাজে কেউ কেউ সেটা করলে বাকিদের ওপর সেটা করা বাধ্যতমূলক থাকবে না।
3 368
সন্তানদেরকে দ্বীনের জ্ঞানের পথে উৎসাহিত করা অনেক জরুরী কারণ এখন:
-বিদআত এবং তার ক্ষতি অনেক বেড়ে গিয়েছে
- যে কেউ যেকোনো বিষয়ে ফতোয়া দিয়ে বসে, জ্ঞানের ভিত্তি না থাকলেও
- তর্ক-বিতর্ক বেড়ে গিয়েছে। যাদের জ্ঞান আছে তাদের কাছে বিষয়গুলো পরিষ্কার হলেও যাদের জ্ঞান নেই তারা প্রচুর তর্কে লিপ্ত হন
3 368
আমরা দশ মিনিটে কী কী আমল করতে পারি?
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার যিকির করতে পারি। সকাল-সন্ধ্যার যিকির, ঘুমের আগে যিকির- ইত্যাদি আমরা মন দিয়ে করতে পারি। তেমনি যখন আমরা হয়ত কিছু করছি না, এমনিই বসে আছি, অথবা কিছু করছি কিন্তু তার সাথে যিকির করাও সম্ভব, এই সময়গুলোকে আমরা যিকির দিয়ে পূর্ণ করতে পারি।
3 368
ইবাদতের ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো:
কোনো কিছুকে ইবাদত হিসেবে নেয়া যাবে না যতক্ষণ না কুরআন অথবা সুন্নাহ দ্বারা সেই কাজটি ইবাদত হিসেবে প্রমাণিত।
3 368
ইবাদত কবুল হওয়ার শর্ত দুইটি:
১) ইখলাস: অর্থাৎ সেই ইবাদত শুধুমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার জন্য হতে হবে।
২) আল্লাহর রাসূলের ﷺ নির্দেশিত পথে হতে হবে।
—————
কেউ একটি ইবাদত শুধু আল্লাহর জন্য করতে পারেন, কিন্তু সেটা হয়ত এমন কোনো ইবাদত যা আল্লাহর রাসূল ﷺ শিখিয়ে যাননি। অর্থাৎ তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী না। সেক্ষেত্রে সেই ইবাদত কবুল হবে না- কারণ এক্ষেত্রে দ্বিতীয় শর্তটি পূরণ হয়নি।
3 368
আকিদার উৎস হলো কুরআন এবং সুন্নাহ- এর মাঝে মানুষের বুদ্ধি প্রয়োগ করে কিছু উদ্ভাবন করার কোনো স্থান নেই।
~ كتاب العلم
3 368
আল্লাহর রাসূল ﷺ সাহাবাদের যখন এমন কিছু নিয়ে বলতেন যা তাদের কাছে আপাতদৃষ্টিতে অদ্ভুত বা অসম্ভব লাগতে পারে, তাঁরা সেসব নিয়ে প্রশ্ন তুলতেন না। তিনি যা বলতেন তাঁরা সেটা সত্য বলে মেনে নিতেন, অন্তর থেকে।
উদাহরণস্বরূপ, এখন যদি কাউকে বলা হয় রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা নেমে আসেন পৃথিবীর আসমানে, অনেক প্রশ্ন আসবে। অথচ সাহাবারা কেউ প্রশ্ন করেননি সেটা কিভাবে হবে? তাহলে আরশের কী হবে? অথচ এখন অনেকে এসব নিয়ে প্রচুর প্রশ্ন করবেন।
আমাদের দায়িত্ব হলো আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলﷺ যা কিছু আমাদের জানিয়েছেন, তা বিশ্বাস করা, মেনে নেয়া- কারণ গাইবের বিষয়গুলো সম্পূর্ণরূপে বুঝে উঠতে পারা আমাদের জন্য সম্ভব না। এরকম তথ্যের ক্ষেত্রে একজন মুমিন সেই তথ্য মেনে নিবে, বিশ্বাস করবে।
~كتاب العلم للشيخ محمد بن صالح العثيمين رحمه الله، ص٣٤
3 368
اللَّهُمَّ انْفَعْنِي بِمَا عَلَّمْتَنِي، وَعَلِّمْنِي مَا يَنْفَعُنِي، وَزِدْنِي عِلْمًا
হে আল্লাহ! যা কিছু আমাকে শিখিয়েছ, তার দ্বারা আমাকে উপকৃত কর এবং আমাকে সেই জ্ঞান দান কর, যা আমাকে উপকৃত করবে। আর আমার ইলম আরো বৃদ্ধি কর।
3 368
Repost from Reflections
গতকালকের AI দিয়ে শায়খের কণ্ঠ নকল করার কথাটা ভাবছিলাম। শয়তান যেহেতু সবসময়ই ছিল, যুগে যুগে নানা প্রকার ফিতনাও ছিল, থাকবে। আজকে AI, কালকে BI, CI হবে... আরো কিছু হবে।একেকটা ফিতনা থেকে বাঁচার পথ আমরা বের করবো- যেমন এখন এই AI এর ফিতনা বাঁচিয়ে কিভাবে চলবো আমরা জানছি। কিন্তু, তারপর?
যখন AI ছিল না তখনও কোনো না কোনো ফিতনায় মানুষ পড়েছে- সেই ফিতনা ধরে শিরক পর্যন্ত করেছে, করছে। কবর পূজা, মাজার পূজা এসব আমাদের অজানা না, অজানা না ভন্ড পীরের কেরামতি দেখে মানুষের অযৌক্তিক মুগ্ধতা। কেন আমরা ফিতনায় বিভ্রান্ত হই?
একটা বড় কারণ- দ্বীনের জ্ঞানের অভাব। দ্বীনের জ্ঞান থাকলে আমরা জানবো কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা। হক আর বাতিলের পার্থক্য জানবো। কেউ এসে কিছু বললেই গা ভাসিয়ে দিবো না কেন সেটা জানবো।আর জ্ঞান না থাকলে? সবটাই ধোঁয়াশা।
AI এর ধোঁকা থেকে কিভাবে বেঁচে থাকবো- সেটা প্যারাসিটামল। কাজে দিবে তখনকার মত। আর অজ্ঞতা নামের ক্যানসারের চিকিৎসা দ্বীনের জ্ঞান অর্জনে। অনেক তো হলো ফেসবুকের এক চিমটি দ্বীনের কথা পড়া আর সম্মোহিতের মত স্ক্রল করা। অনেক তো হলো একটা একটা করে আসা ফিতনায় একটা একটা করে ওষুধ গেলা।
আসুন এবার অজ্ঞতা নামের ক্যানসারের বিনাশ করি। আসুন এবার নিষ্ঠার সাথে, অধ্যবসায়ের সাথে দ্বীনের জ্ঞান চর্চা করা শুরু করি।
~ উস্তাযা নায়লা নুযহাত
3 368
আমরা দশ মিনিটে কী কী আমল করতে পারি?
যাদের পক্ষে যাওয়া সম্ভব, সালাতুল জানাজায় যেতে পারি। অনেক সময় আমরা অপরিচিত কারো জানাজা হতে দেখলে শরিক হই না- অথচ এটা অত্যন্ত ভালো কাজ এবং অন্তরের ওপর ভালো প্রভাব ফেলে এমন একটি কাজ।
