en
Feedback
The I’lm Diary

The I’lm Diary

Open in Telegram

এই চ্যানেলটি উস্তাযা নায়লা নুযহাত এবং বোন উমাইমাহ মুহাম্মাদের একটি উদ্যোগ। এখানের যেকোনো ম্যাটেরিয়াল যদি কেউ শেয়ার করতে চান, রেফারেন্স সহ শেয়ার করার অনুরোধ করা যাচ্ছে। লিংক: t.me/theilmdiary

Show more
3 368
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
No data30 days

Data loading in progress...

Similar Channels
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Tags Cloud
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Incoming and Outgoing Mentions
---
---
---
---
---
---
Attracting Subscribers
March '24
March '24
+2
in 0 channels
February '24
+43
in 0 channels
Get PRO
January '24
+68
in 0 channels
Get PRO
December '23
+80
in 1 channels
Get PRO
November '23
+87
in 1 channels
Get PRO
October '23
+3 304
in 0 channels
Date
Subscriber Growth
Mentions
Channels
04 March0
03 March0
02 March+1
01 March+1
Channel Posts
2
একজন সাধারণ মানুষের গীবত করা যদি কবিরা গুনাহ হয়, তাহলে একজন আলেমের গীবত করা আরো গর্হিত কবিরা গুনাহ। একজন সাধারণ মানুষের গীবত তার ব্যাপারে নেতিবাচক ধারণা দেয় শুধু। কিন্তু একজন আলেমের গীবত সেই আলেমের ব্যাপারে এবং তিনি যা ধারণ করেন- শরিয়ত, এই দুইটি বিষয়ের ওপর মানুষের মনকে খারাপভাবে প্রভাবিত করে। একজন আলমকে নিয়ে যখন খারাপ ধারণা করবে মানুষ, তখন সেই একই ধারণা তার শেখানো কথা নিয়ে করবে। আলেমের বদনাম মানুষ আর তার শেখানো শরিয়ত এর সত্য কথার মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়াবে, যার ক্ষতি মারাত্বক। ~ "কিতাবুল ইলম", শায়খ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন রহিমাহুল্লাহ বইটির ইংরেজি অনুবাদ এর প্রথম খণ্ড পাওয়া যাবে: https://www.fatwa-online.com/wp-content/uploads/the-book-of-knowledge.pdf
1 364
3
মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (অনলাইন)এ শরিয়াহতে স্নাতক ডিগ্রীতে আমার শেষ টার্ম চলছে, আলহামদুলিল্লাহ। চার বছর আগে এই প্রোগ্রামের খোঁজ দিলেন এক দ্বীনি বোন। যখন ভর্তি হবো কিনা ভাবছি, পরামর্শ করেছিলাম আমার একজন শিক্ষিকার সাথে। তিনি বুরাইদা শহরের একজন ফিকহের শিক্ষিকা। আমার প্রশ্নটা এমন ছিল, "উস্তাযা, আমি তো এই বিষয়গুলো পড়তে পারবো নিজেও- আর আগেও পড়েছি এসব নিয়ে। তাহলে কেন ভর্তি হব, একটা ডিগ্রী পাওয়া ছাড়া আর কী হবে?" আমি আসলে অনেক ভয় পেয়েছিলাম, চার বছরের জন্য কোনো প্রোগ্রাম নিতে। টানতে পারবো কিনা, আসলে এটা কেন দরকার এসব ভাবনা ভিড় করেছিল। উস্তাযা - তিনি আমাকে আজ পর্যন্ত যত উপদেশ দিয়েছেন, সবটুকু সবসময় কাজে এসেছে- বললেন, “ভর্তি হও। এখানে তুমি একত্রে এমন কিছু বিষয় গুছিয়ে শিখতে পারবে, যা নিজে নিজে আসলে হয়ত পড়বে না, বা জানবেই না। এটা একটা ফাউন্ডেশন তৈরি করে দিবে, এরপর বাকি জীবন তুমি নিজে নিজে পড়বে সমস্যা নেই। এরপর তুমি যখন কোনো কিছু পড়বে, বেসিক বিষয়গুলো তোমার জানা থাকবে, যার ওপর ভিত্তি করে তুমি সঠিক দিকে চলতে পারবে, আল্লাহর ইচ্ছায়।” সত্যিই দ্বীনের জ্ঞান অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। কনফিউসন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য হোক, কোনো পরিস্থিতিতে কী করতে হবে বুঝতে পারার জন্য হোক, অনেক রকমের মতামত যখন একত্রে ভিড় করে তখন সত্যের ওপর দৃঢ় থাকার জন্য হোক, দ্বীন শিক্ষা করা প্রয়োজন। আমরা যখন জানবো না, আমরা মানতেও পারবো না। সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া অথবা কোনো বিষয়ে আবেগের বসে ঝাঁপ না দেয়া- কোনোটাই আমাদের দ্বারা হবে না। তাই, সকলে দ্বীন শিক্ষা করার চেষ্টা করুন। কী কী বিষয়ে পড়া জরুরি, সে প্রসঙ্গে ইন শা আল্লাহ পরবর্তীতে এখানে পোস্ট দেয়া হবে।
1 649
4
https://naylanuzhat.wordpress.com/2023/09/01/lostmind/
1 330
5
আপনি আল্লাহকে ভালোবাসতে চাইলে আপনার আল্লাহ সম্পর্কে জানতে হবে। কারো সম্পর্কে না জেনে তাকে ভালোবাসা যায় না।
1 292
6
sticker.webp
1 212
7
অর্থাৎ বল, যারা জানে এবং যারা জানে না তারা কি সমান? [সূরা যুমার: ৯] (ফটো: মারকায হুফফাজ আস-সুন্নাহ, বুরাইদা)
অর্থাৎ বল, যারা জানে এবং যারা জানে না তারা কি সমান? [সূরা যুমার: ৯] (ফটো: মারকায হুফফাজ আস-সুন্নাহ, বুরাইদা)
1 429
8
আমরা দশ মিনিটে কী কী আমল করতে পারি? ইসলামী লেকচার শুনতে পারি। এমনি এমনি সময় পার করার চাইতে সেই সময়ে আমরা কোনো ইসলামী লেকচার শুনতে পারি, এর মাধ্যমে আমরা কিছু শিখবো অথবা জানা কোনো তথ্য আবার শোনার মাধ্যমে রিভিশন হবে।
1 421
9
sticker.webp
1 386
10
আমরা দশ মিনিটে কী কী আমল করতে পারি? রক্তের সম্পর্ক রক্ষা করতে পারি- খোঁজ করার মাধ্যমে, মেসেজ দেয়ার মাধ্যমে। তাদেরকে ভালো কিছু শেখানোর মাধ্যমে।
1 643
11
sticker.webp
1 715
12
জ্ঞান চর্চার আদব ৮) উলামাদের যথাযথ সম্মান করা (চলবে) ————— শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ এর كتاب العلم অবলম্বনে
1 833
13
sticker.webp
1 718
14
জ্ঞান চর্চার আদব ৭) সবর জ্ঞান অর্জনে তলিবুল ইলমের সবর রাখা অনেক জরুরি। আল্লাহ বলেছেন: ‘এসব গায়েবের সংবাদ আমরা আপনাকে ওহী দ্বারা অবহিত করছি, যা এর আগে আপনি জানতেন না এবং আপনার সম্প্রদায়ও জানত না। কাজেই আপনি ধৈর্যধারণ করুন। নিশ্চয় শুভ পরিণাম মুত্তাকীদেরই জন্য।’ [সূরা হুদ:৪৯] (চলবে) ————— শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ এর كتاب العلم অবলম্বনে
1 948
15
sticker.webp
1 452
16
জ্ঞান চর্চার আদব ৬) হিকমাহ একজন তলিবুল ইলম মানুষকে দ্বীনের পথে ডাকার উত্তম এবং উপযুক্ত পন্থা অবলম্বন করবে। (চলবে) ————— শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ এর كتاب العلم অবলম্বনে
1 880
17
ইবন মাস্’ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ﷺ কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তা’আলা সে ব্যক্তির মুখ উজ্জ্বল করুন যে আমার কোন কথা শুন
ইবন মাস্’ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ﷺ কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তা’আলা সে ব্যক্তির মুখ উজ্জ্বল করুন যে আমার কোন কথা শুনেছে এবং যেভাবে শুনেছে ঠিক সেভাবেই অন্যের কাছে তা পৌঁছে দিয়েছে। অনেক সময় যাকে পৌঁছানো হয় সে শ্রোতা থেকে অধিক স্মরণকারী হয়। (তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ্)
2 425
18
ফরয সালাত আদায়ের পাশাপাশি সুন্নাহ সালাত নিয়মিত আদায় করতে চেষ্টা করবো আমরা ইন শা আল্লাহ। এই জীবন দ্রুত শেষ হয়ে আসছে আমাদের, এখনও যদি আমরা সালাত নিয়ে অলসতা করি তাহলে আমাদের আমলনামায় আর থাকলো কী?
2 386
19
sticker.webp
2 424
20
অনেকে কেন সৎকাজে আদেশ আর মন্দ কাজে নিষেধ করতে পারেন না? অনেক কারণ থাকতে পারে।কিছু কমন কারণ যা অভিজ্ঞতা থেকে বুঝেছি, সেসব হলো: 🔍️নিজে সেই বিষয়টি নিয়ে সিরিয়াস না হওয়া। অর্থাৎ, বিষয়টি নিজের কাছেই হারাম না, তাই অন্যকে বলেন না। অথবা নিজে ওয়াজিব মনে করেন না তাই অন্যকে বলেন না। যেমন: কেউ মনে করেন না নন মাহরামের সামনে লিপস্টিক দেয়া হারাম। তাই অন্যকে তিনি মানা করেন না, এবং পারলে অন্যকে মন্দ কাজে আদেশ দেন। এক্ষেত্রে: "লিপস্টিক দেও কী সমস্যা" - এমন কিছু বলেন। এই প্রসঙ্গে বলে রাখি যে, নিজের ভিত্তিহীন মতামত কখনো ইসলামী দলিল না। ✅এর সমাধান: দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করুন, আলেমদের থেকে। হালাল-হারাম নিয়ে জানলে, আল্লাহর হক কী আমাদের ওপর জানলেই কেবল এই বিষয়গুলো আমরা গুরুত্ব সহকারে নিতে শিখবো। 🔍কেউ জানেন কোনো একটা কাজ হারাম, অথবা ওয়াজিব (অবশ্য পালনীয়), কিন্তু নিজে মেনে চলেন না তাই অন্যকে বলতে লজ্জা পান। লজ্জা পাওয়া ঠিক আছে, কিন্তু অন্যকে উপদেশ না দেয়া ঠিক নেই। আপনি সিগারেট খাবেন বলে অন্যকে বলবেন না যে এটা হারাম- এতে তো সিগারেট খাওয়া আর অন্যকে মানা না করা দুইটা কাজের গুনাহ হচ্ছে! অবশ্যই অন্যকে মানা করবেন। কিন্তু নিজেরও ছাড়তে হবে- নাহলে নিজে কাজটি করার গুনাহ হতে থাকবে। ✅ এর সমাধান: দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করুন, এবং সেই জ্ঞান জীবনে প্রয়োগ করুন।তখন নিজেই বুঝতে পারবেন এরকম ক্ষেত্রে কেন অন্যকে উপদেশ দিতে হয়, আর কেন গুনাহ ছাড়াটা জরুরি। 🔍 কী বলতে হবে আর কতটুকু বলতে হবে বুঝতে না পারা। ✅এর সমাধান: দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করুন। কোথায় কতটুকু বলতে হবে না হবে না এটা তো না শিখলে বুঝা সম্ভব না! 🔍 বলার সাহস না পাওয়া। সামনের জনকে উপদেশ দিলে সে কী মনে করবে, কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে, সম্পর্কের ওপর কী প্রভাব পড়বে- ইত্যাদি ভেবে ভেবে বলার সুযোগটা হারিয়ে ফেলা। ✅এর সমাধান: দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করুন।তখন জানতে পারবেন কেন আল্লাহর সীমা রক্ষা করা জরুরি, কেন সৎকাজে আদেশ আর মন্দ কাজে নিষেধ করা এত জরুরি। 🔍কেউ নিজে দ্বীনের বিষয়গুলো জানেন এবং মানেন- কিন্তু অন্যকে উপদেশ দেয়ার গুরুত্ব অনুভব করেন না। ✅এর সমাধান: দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করুন। আল্লাহর অধিকার জানলে, আল্লাহর সীমার গুরুত্ব বুঝলে উপদেশের গুরুত্বও আমরা বুঝতে পারবো। 🔍নিজেরই কানকাটা তাই। অনেকে ভাবেন "ওকে কী বলবো সন্তানকে হারাম পরিবেশে না পাঠাতে, আমারটাও তো যাচ্ছে!" আপনারটা যাচ্ছে, তাকেও মানা করুন, উপদেশ দিন, সাহায্য করবেন না। আর অন্যকেও মানা করুন। সে যদি আপনার দিকে আঙুল তোলে, বলুন যে সেখানেও আপনি যা হক সেটাই বলেছেন, কেউ মানুক আর না মানুক। ✅এর সমাধান: দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করুন। হকের পক্ষে কথা বলতে শিখবেন, ঘরে এবং বাইরে। 🔍 হারামের উপস্থিতি ঘৃণা করাই যথেষ্ট মনে করেন অনেকে- যেহেতু মন্দ কাজে বাধা দেয়ার সর্বনিম্ন স্তর সেটাই। সর্বনিম্ন স্তর- কিন্তু আমরা কি নিশ্চিত যে এর চেয়ে বেশি আর কিছুই করা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না? না কিন্তু। ওটা আমরা করি সবচেয়ে সহজ বলে। মুখে কোনো মন্দ কাজ বাধা দেয়া কঠিন বলে ঘৃণা করাটা আমাদের কাছে easy way out। আরেকটা কথা: ভালোবাসার তো কিছু প্রমাণ লাগে, আলামত দেখা যায়।যেমন প্রিয় কাউকে দেখলে মুখ উজ্জ্বল হওয়া। আমাদের ঘৃণার আলামত কী? মুখ লাল হয় কি? হারামের মাঝে বসতে ঘেন্না হয় কি? যে অকপটে হারাম করছে তার সাথে ঐ মুহুর্তে কথা বলতে আটকায় কি? যেই ঘৃণার আলামত না চেহারায় আসে না অন্তরে, না নিজের মনে- সেটা কি আসলেই ঘৃণা? নাকি সর্বনিম্ন স্তরে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য আমাদের মনের কোনো চাল? ✅এর সমাধান: দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করুন। সর্বনিম্ন স্তরে থাকার যোগ্যতা কিসে হয় আর কখন হয়, জানুন। 🔍 সামনের মানুষটির প্রতি অধিক ভালোবাসা। জি। এই ভালোবাসায় আমরা হেরে যাই - অন্যায় ঘটতে দেই, সহ্য করি, অনেকসময় সাহায্যও করি। সন্তান তো! স্বামী তো! স্ত্রী তো! ফ্রেন্ড তো! ভুলে যাই যে কিয়ামতে এসব সম্পর্ক কাজে আসবে না যারা একে অপরকে হারামের ওপর চলতে সহায়তা করেছে। ✅এর সমাধান: দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করুন। নাহলে জানা যাবে কিভাবে, এসব সম্পর্কের দোহাই দিয়ে সহ্য করা অন্যায় আমাদের কী কী ক্ষতি করতে পারে? ক্ষতি বুঝলে আমরা অবশ্যই উপদেশ দিবো। —————— দেখা যাচ্ছে, সৎকাজে আদেশ আর মন্দ কাজে নিষেধ করতে পারার পথ দ্বীনের জ্ঞান অর্জনে। যেসব কারণে আমরা উপদেশ দিতে পারিনা, সেসবের আড়ালে ঘুরে ফিরে আমাদের অজ্ঞতাই মূল সমস্যা। তাই আসুন, এই অজ্ঞতা দূর করি- যেই অজ্ঞতার কারণে আমরা একদল মেরুদন্ডহীন মুসলিমে পরিণত হয়েছি। ~ উস্তাযা নায়লা নুযহাত
2 645