1 997
Subscribers
+224 hours
+47 days
+230 days
Posts Archive
1 997
ধার দেওয়ার সময় যা যা করবেন-
1) লিখিত চুক্তি করুন
ধার যাকে দিচ্ছেন তার সঙ্গে একটি লিখিত ধার চুক্তি (Loan Agreement) করা বাধ্যতামূলক।
♦চুক্তিতে থাকতে হবে-
ধারদাতার নাম–ঠিকানা
ধারগ্রহীতার নাম–ঠিকানা
মোট টাকার পরিমাণ
টাকা দেওয়ার তারিখ
টাকা ফেরতের নির্দিষ্ট তারিখ
প্রয়োজনে সুদের হার
ফেরত না দিলে করণীয় (আইনি ব্যবস্থা)
2) সাক্ষী রাখুন
কমপক্ষে দুইজন সাক্ষী চুক্তিতে সই করাবেন।
সাক্ষী থাকলে পরবর্তীতে প্রমাণ দেখানো সহজ হয়।
3) অর্থ লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে করুন
ক্যাশে দেওয়ার চেয়ে ব্যাংক ট্রান্সফার/চেক/মোবাইল ব্যাংকিং ভালো।
লেনদেনের প্রমাণ ভবিষ্যতে আইনি কাজে লাগে।
4) জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করুন
ধারগ্রহীতার
NID কপি
মোবাইল নম্বর
ঠিকানা নিশ্চিত করুন।
5) নিরাপত্তা বন্ড বা জামানত নিন (যদি প্রয়োজন হয়)
যদি টাকার পরিমাণ বড় হয়, তাহলে—
জামানত (যেমন: গাড়ির কাগজ, জমির দলিলের কপি) বা
গ্যারান্টর চুক্তিতে উল্লেখ করতে পারেন।
6) ফেরত না দিলে আইনি নোটিশ
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা না পেলে—
প্রথমে আইনি নোটিশ পাঠানো যায়,
এরপর সিভিল মামলা (টাকা আদায়ের জন্য) করা যায়।
যদি চেক দেওয়া থাকে এবং তা বাউন্স হয়, তাহলে চেক ডিজঅনার মামলা করা যায়।
7) আবেগে নয়, প্রমাণে ধার দিন
বন্ধু/আত্মীয় হলেও,
“মুখের কথা নয়, লিখিত প্রমাণ”—এটাই নিরাপদ।
.................................
এডভোকেট মিঠুন সাহা
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
এলএলবি(অনার্স),এলএলএম(ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
01575187288 01317341863
01744527023 01625480564
1 997
আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের হাসিনাকে বাচানোর একটা আইডিয়া দিতে পারি যদি চান। একদম ফ্রি।
ফৌজদারী কার্যবিধি (Criminal Procedure Code) ধারা ৩৮২-তে বলা আছে, যদি একজন মহিলা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয় এবং সে গর্ভবতী থাকে তাহলে উচ্চ আদালত (High Court Division) মৃত্যুদণ্ডের কার্যকরীকরণ স্থগিত করতে পারে।
হাসিনা তো আছেন ই দিল্লী। এখন না মানে দেখেন যেটা ভালো মনে করেন আপনারা।
JOY Bangla 🥹
1 997
হলে মন্দ হতো না।
**
স্পর্শহীনতার ইউনিক ব্যপারটা হলো, যে এতে আক্রান্ত, তার লাইফের অনেক ব্যপার এটার কারণে প্রভাবিত হয়, কিন্তু সে নিজেই বুঝে উঠতে পারে না কেন হচ্ছে। একটা টিনেজ ছেলে, মাত্র কলেজ শেষ করলো। পুরোনো সার্কেল, ফ্যামিলির লোকেরা - এদের সাথে সম্পর্কের একটা পরিবর্তন হয়। অনেককেই বাড়ী ছাড়া লাগে। নারী যে তার লাইফে এতবড় ইস্যু হয়ে দাঁড়াবে, সে ভাবতেও পারে নি।
আমাদের কালচারে মন খারাপের কোনো স্বীকৃতি নেই। এক ভাই বলেছিলো, ঘরবাড়ী ছেড়ে সারাদিন দুনিয়া ঘেঁটে সন্ধ্যায় যখন ঘরে ফিরি, ফাঁকা ঘরটায় পা রাখা মাত্রই লোনলিনেস আবার ফেরত আসে। পেইন এত তীব্র, বুকে ফিজিক্যাল পেইন অনুভূত হয়। পেইন কমাতে মায়ের কাছে ফোন করলে মা বলে, গ্যাসের ওষুধ খা!
ফোন না করাই ভালো ছিলো।
****
পুরুষের প্রায় সব ইমোশনই বটল্ড-আপ মুখবন্ধ ইমোশন। স্পর্শের বেলায় অক্সিটোসিন রিলিজ হতে পুরুষের তিন গুণ সময় বেশী লাগে নারীর তুলনায়।
একই কারণে স্পর্শহীনতায় ভোগা পুরুষের ডিপ্রেশনে পড়ে যাবার হার 2.5 গুণ বেশী (ক্লিনিকাল ডিপ্রেশন)।
আমাদের তরুণদের সবচেয়ে বড় সংকট ডিসিপ্লিনের সংকট। আর বার বার চেষ্টা করেও ডিসিপ্লিনে ফিরতে না পারার বড় কারণ এই স্পর্শহীনতা। কারণ আপনার মাইন্ড যত শক্তিশালীই হোক না কেন, আপনার বডির স্টারভেশনের কারণে একটা ইমব্যালান্স তৈরি হচ্ছে। যেদিন কাজ-ওয়ার্কআউট করতে ইচ্ছে করবে না, সেদিন কেউ আপনাকে ফোর্স করবে সেই লোকটাই আপনার নেই। আমি শুধু নারীর কথা বলছি না, ইভেন আপনার আশেপাশে সমমনা লোকও নেই। আপনার গড়ে ওঠার জন্য নারীর হ্যান্ডআউট জরুরী নয়। কিন্তু অবশ্যই কিছু গাইডিং-রিওয়ার্ডিং-পানিশিং ফোর্স আপনার আশেপাশে থাকতে হবে, যেমনটা আর্মিতে থাকে।
****
স্পর্শ একটি ফিজিক্যাল মেমোরি। মানুষের ফিজিক্যাল মেমোরি ও মাইন্ড বেইসড মেমোরির পার্থক্য হলো, ফিজিক্যাল মেমোরির রিকল ভ্যালু হচ্ছে অ্যাকুরেট ও ইন্সটান্ট। অর্থাৎ, অনেকদিন পরেও ঠিক এক্সাক্ট মুহুর্তে মানুষ ফিরে যেতে পারে যখন মেমোরি তৈরী হয়েছিলো। যেমন কোনো দুর্ঘটনা বা ছিনতাইয়ের পর কিছুদিন পর্যন্ত মানুষ চমকে ওঠে। আপনার নিজের অভিজ্ঞতা থাকলে ফিল করতে পারবেন, ছিনতাইকারীর হাত ফিল করতে পারবেন।
এই কারণে কোনো ব্যাভিচারিকে বিয়ে করবেন না। আপনি তার ফেইস দেখে বুঝতে পারবেন না, সে আসলে সেই অতীতের এক্সাক্ট মোমেন্ট ফিল করছে তাও ১০০% অ্যাকুরেসির সাথে।
ফিজিক্যাল মেমোরি রিপ্লেস করা প্রায় অসম্ভব। সুতরাং, ৫ বছর আগের ঘটনা হলেও আপনি ঠকবেন, ওই মেমোরিতে আপনার প্রবেশাধিকারই নেই।
*****
স্পর্শহীনতার সমাধান হিসেবে স্পর্শের কয়েকটি উৎসঃ
১। সন্তানঃ আসলে বাবা না হওয়ার আগ পর্যন্ত এটা ফিল করা অসম্ভব। আপনার স্ত্রী, সমস্ত স্বজন, অন্য ফলাফল দিতে পারে। কিন্তু নিজের নাবালক সন্তানকে জড়িয়ে ধরার অনুভুতি সবসময়ই পজিটিভ পাবেন আপনি।
২। স্ত্রীঃ এই বিষয়ে কিছু বলার দরকার নেই আসলে, সবই জানেন। তবে এখানে ছোট পরামর্শ দিই, দেশী অনেক ফ্যামিলি তাদের ঘরের ছেলে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরুক - এটা ইজিলি নেয় না। তাদের গোনার দরকার নেই। সবার সামনে মাত্রাছাড়া ইন্টিমেট হওয়া অসভ্যতা, কিন্তু দেশী স্বজনেরা যতটুকুতে মুখ ভেংচায় সেটা স্টুপিডিটি। তাদের মুখ রাখতে গেলে একসময় বন্ধ ঘরেও আপনার অস্বস্তি লাগবে। সংসার শুরুর থেকেই প্র্যাকটিস রাখা উচিত, নইলে পুরোটা কেবলই আপনার লস।
৩। ভাই-ব্রাদারঃ ২০২০ সালের এক রিসার্চ অনুযায়ী, বন্ধু-ব্রোদের সাথে ৩ সেকেন্ডের হ্যান্ডশেক পুরুষের টি লেভেল ২৫% পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। কোলাকুলির মাধ্যমে সেলিব্রেশনের চর্চা করা উচিত, সবারই উপকার হবে।
~Unfazed
1 997
স্পর্শহীনতা
------
একটি বাচ্চা কাঁদছে। আপনি কাছে গিয়ে বলতে লাগলেন, কাদে না বাবা, কোনো ভয় নেই।
কান্না কিছুতেই থামছে না।
আপনি বাচ্চাটিকে কোলে নিলেন। কান্না থেমে গেলো।
কী ঘটলো এখানে?
কথায় না থামলেও কোলে নেওয়াতে থামার মানে হলো, সে আপনার প্রথম ভাষাটা বোঝে না। কিন্তু পরের ভাষাটা জানে।
সেটা স্পর্শের ভাষা। কোলে নেওয়ার পর আপনি যদি বলেনও, কাঁদো বাবু, সারাদিন কাঁদো, সম্ভাবনা আছে সে কাঁদবে না।
মানুষে-মানুষে যোগাযোগের সবচেয়ে আদিমতম উপায় কী?
সেটা কথা নয়, চিঠি নয় - স্পর্শ।
স্পর্শ কেবল আদিমতমই নয়, এটি যোগাযোগের সবচেয়ে শক্তিশালী ভাষা। যেখানে যোগাযোগের বাকি সব মাধ্যম আর কাজ করে না, সেখানে শেষ উপায় স্পর্শ। আমরা এক্সট্রিম আবেগ প্রকাশ করতে স্পর্শ করে থাকি। যেমন, মরা বাড়ী গিয়েছেন? সেখানে দেখবেন কেবল মুখের কথাতেই নয়, জড়িয়ে ধরে সান্তনা দেওয়া হয়। আবার অতিরিক্ত আনন্দ, যেমন পছন্দের টিম জিতলে আশেপাশের লোকজনের সাথে গলা জড়িয়ে উদযাপন করা হয়।
কারো সাথে ৫ঘন্টা ভিডিওকলে কথা বলেও এত ইফেক্টিভ হয় না যেটা ১ মিনিটের সাক্ষাতে হয়। খেয়াল করুন, ভিডিওতে যে ভয়েস, ফেইস ছিলো এখানেও তাই। তাহলে ছিলো না কী? ছিলো না উপস্থিতি। আর উপস্থিতির সবচেয়ে বড় প্রমাণ স্পর্শ।
স্পর্শ এত শক্তিশালী হবার কারণেই আমাদের লাইফে এটার দরকার আবশ্যক। কিন্তু আমাদের তরুণেরা এক স্পর্শ-দুর্ভিক্ষে ভুগছে। এই লেখাতে আমরা ব্যপারটা ভালোভাবে বোঝার ট্রাই করবো।
****
এটা মোটামুটি আপনারা সবাই জানেন, বিশ্বজুড়ে তরুণদের মধ্যে একাকীত্বের এক মহামারী চলছে। আনফরচুনেটলি, মুসলিম তরুণদের মধ্যে এই হার গ্লোবাল এভারেজের চেয়ে বেশী।
আমরা যদি তরুণদের একাকীত্বের বৈশিষ্ট্যগুলোর দিকে খেয়াল করি, একাকীত্বের একটি বৈশিষ্ট্য হলো, এটি অনেকগুলো ক্ষুধার সমষ্টি (Sum of Starvation)। এর মধ্যে ভিজ্যুয়াল স্টারভেশন আছে, উপস্থিতির স্টারভেশন আছে, প্লে স্টারভেশন, টাচ স্টারভেশন - আরো অনেকগুলো আছে।
ভিজ্যুয়াল স্টারভেশন বা দেখার ক্ষুধা, এটা মোটামুটি তীব্র। লাইফে অনেকবার এমন ফিল হয়, ধরা না, ছোঁয়া না - কাউকে কেবল সামনে বসিয়ে দেখতে ইচ্ছে করে। এটা সবচেয়ে ভালো বুঝতে পারবেন বিয়ের প্রথম কয়েক সপ্তাহে, বিশেষ করে অ্যারেঞ্জ ম্যারেজে।
আমাদের তরুণেরা ভিজ্যুয়াল স্টারভেশন কাটাতে পর্নের হেল্প নিতে যাচ্ছে। কিন্তু ব্যাপারটায় প্রবলেম হলো, এই স্টারভেশন কেবল চোখের খিদে না, এটা একটা প্যাকেজ। যেমন, স্ক্রিনের মেয়েটার থেকে সে কোনো উপস্থিতি পাচ্ছে না, ইমোশনাল কানেকশন পাচ্ছে না, মেয়েটার উপর কোনো অথরিটি পাচ্ছে না কারণ আরোও অনেকেই তাকে দেখছে। যেটা একটা জ্যান্ত মানুষের বেলায় পাওয়া যেতো। ফলে তার চোখ বিশ্রাম না পেলেও ভিজ্যুয়ালি সে অনাহারে থেকে গেলো। যেই খিদে সেই খিদেই রইলো।
যাইহোক, এটা সাইডের আলাপ। আমরা কথা বলতে এসেছি টাচ স্টারভেশন নিয়ে। কোনো ভালো বাংলা প্রতিশব্দ পেলাম না। এজন্য স্পর্শহীনতা বলেছি।
*****
এটা সেনসেটিভ টপিক। পুরুষের ইমোশন নিয়ে কথা বলা দুইধারি তলোয়ার। একদিকে ফেমিনিস্ট গোষ্টির চাওয়া, পুরুষ যেন নারীর সামনে ভেউভেউ করে কাঁদে (জীবনেও এই ভুল করবেন না)। আবার পুরোপুরি মুখ বন্ধ রাখাও ভালো নয়।
সবার উপরে বলতে, আমাদের ভাইব্রাদারেরা কষ্টে আছে। সেটার স্বীকৃতি নেওয়া যাক।
কিছু তথ্য। একটা স্ট্রিট রিসার্চ। প্রশ্ন ছিলো, লাস্ট ৬ মাসে আপনি কাউকে জড়িয়ে ধরেছেন কিনা?
প্রায় ৭০% মেয়ের জবাব ছিলো, হ্যাঁ।
কত % ছেলে হ্যাঁ বলেছে? মাত্র ২৪%! মানে ৭৬% ইয়াং ছেলে লাস্ট ছয় মাসে জড়িয়ে ধরার মত কাউকে পায় নাই। ভয়াবহতা বুঝতে পারছেন?
পুরুষের জন্য স্পর্শ কোনো বিলাসিতা না। এটা একটা বায়োলজিকাল দরকার। দীর্ঘদিন জ্যান্ত মানুষের স্পর্শ ছাড়া থাকার কারণে অক্সিটসিন হরমোনের ঘাটতি তৈরী হয়। টি-লেভেল পড়ে যায়। নিজেকে অদৃশ্য মনে হয়।
কখনো বহু মানুষের মাঝখানে, বাজার, অডিটোরিয়ামে, নিজেকে হঠাৎ একা মনে হয় না?
ভার্সিটির ফ্রেশাররা লোনলিনেস কাটাতে নানা সংগঠনে যায়। দিনে হাজার লোকের সাথে মিট করলেও রাতে ঠিক আরো একা ফিল হয়। এটা এই স্পর্শহীনতা বা স্কিন হাঙ্গারের কারণে। আপনি চোখ দিয়ে দেখছেন শত শত মানুষ কিন্তু আপনার বডিকে এটা নিশ্চিত করা হয় নি। সে নিজেকে একা কন্সিডার করেই বসে আছে।
পুরুষ স্পর্শ ব্যাবহার করে অ্যালায়েন্স তৈরির কাজে। যুদ্ধ শুরু হতে যাচ্ছে, মৃত্যুর রিয়েল ঝুঁকি সামনে। তখন কিন্তু সহযোদ্ধাদের মুখের কথায় কাজ হয় না। কাধে হাত রেখে হাত শক্ত করে ধরে আস্থা দেওয়া হয়।
এখানে বলে নিই, কাঁধে হাত মানুষের আরেকজনের প্রতি ইমিডিয়েট আস্থা তৈরী করে দেয়। আপনি নিজে ট্রাই করে দেখতে পারেন বন্ধুবান্ধবের সাথে।
****
আপনার ফ্রেন্ড সার্কেলে যেই বন্ধুটি সবচেয়ে বেশী 'ফিজিকাল', গায়ে হাত দেওয়া ছাড়া কথাই বলতে পারে না, সার্কেলের বাকি কাউকে মিস করুন বা না করুন - আপনি তাকে মিস করবেন। আবার অন্য কোন সার্কেলে যদি দেখেন, তারা ঘুষোঘুষি করছে, বা কখনো ফুলস্কেল রেসলিং ম্যাচ চলছে, আপনি জেলাস ফিল করবেন। চাইবেন আপনার সার্কেলটা অমন
1 997
নববধূর করণীয়:
মানসিক প্রস্তুতি:
শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার আগেই মাথায় রাখতে হবে যে সেখানকার পরিবেশ তাঁর এত দিনের চেনা পরিবারের মতো না। যেমন—সেই পরিবারের আচার-আচরণ, খাবারদাবার, জীবনযাপনের ধরণ, রুচি ইত্যাদি। এ ক্ষেত্রে আগেই যদি তিনি শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ নিয়ে স্বামী বা অন্য কারও কাছ থেকে ধারণা নিয়ে রাখেন, তবে মানিয়ে নিতে সুবিধা হবে।
সময় নিন:
শ্বশুরবাড়ির সব বিষয়ে জড়িত হওয়ার আগে সময় নিন। পরিবারের সবার মনমানসিকতা বোঝার চেষ্টা করুন। আপনার কাছে তাঁরা কী আশা করেন, সেটা জানার চেষ্টা করুন। একই সঙ্গে আপনাকেও তাঁদের বুঝতে দিন। নিজের ভালো লাগা, মন্দ লাগার বিষয়গুলো গল্পচ্ছলে জানান।
যোগাযোগ স্থাপন:
শ্বশুরবাড়ির মানুষের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলুন। নিজের পরিবারের সঙ্গে যেভাবে মিশতেন, সেভাবে মেশার চেষ্টা করুন।
শ্বশুরবাড়ির ত্রুটি-বিচ্যুতি:
শ্বশুরবাড়ির কোনো কিছু ভালো না লাগলে সে বিষয় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া না দেখানোই ভালো। মনে রাখবেন, সবকিছুরই ভালো-মন্দ থাকে। তাই খারাপটাকে উপেক্ষা করে যদি ভালো দিকগুলোর প্রতি মনোযোগী হন, তবে অনেক কিছুই সহজ হয়ে যায়। সুতরাং, তাঁদের ভালো দিকগুলো গ্রহণ করুন। যে বিষয়গুলো আপনার ভালো লেগেছে, তার প্রশংসা করুন। সামান্য প্রশংসা আপনার জন্য অনেক কিছু সহজ করবে।
অন্যের সমালোচনায় যোগ না দেওয়া: শ্বশুরবাড়ির কেউ অন্য কারও সমালোচনা করলে আপনি তাতে যোগ দেবেন না। একজনের কথা অন্যজনকে বলা থেকে বিরত থাকুন।
রূঢ় আচরণে প্রতিক্রিয়া:
কারও আচরণে কষ্ট পেয়ে থাকলে মনের মধ্যে পুষে রাখবেন না। তবে সেটা এমনভাবে প্রকাশ করুন, যাতে সেই ব্যক্তির মনে আঘাত না লাগে বা লজ্জা না পায়; কিন্তু বুঝতে পারেন যে আপনি কষ্ট পেয়েছেন। এ ক্ষেত্রে রূঢ় হওয়া বা অতিমাত্রায় নমনীয় থাকা—কোনোটাই ঠিক নয়।
সমালোচনার ক্ষেত্রে:
কেউ আপনার সমালোচনা করলে তর্ক করবেন না। মনোযোগ দিয়ে তাঁর কথা শুনুন। সমালোচনা গ্রহণযোগ্য হলে ভুল স্বীকার করুন। গ্রহণযোগ্য না হলে উপেক্ষা করুন।
নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সময় নিন:
মনে রাখবেন, শুধু শ্বশুরবাড়ি নয়, যেকোনো পরিবেশে খাপ খাওয়াতে সময় লাগবে। এ সময়টুকুতে আপনি আপনার নিজস্বতা ঠিক রেখেই যদি গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে পারেন, তবে সময়ের সঙ্গে অনেক কিছুই আপনার অনুকূলে চলে আসবে। তাই এই প্রাথমিক মানিয়ে নেওয়ার সময়টাতে আপনার ধৈর্য, বিবেচনা আর সহনশীলতাই নির্ধারণ করবে শ্বশুরবাড়ির অচেনা পরিবেশটা কতটুকু আপনার নিজের হয়ে উঠল।
স্বামীর ভূমিকা:
স্ত্রী এবং শ্বশুরবাড়ির সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে নাজুক ও টানাপোড়েনের জায়গাটিতে থাকেন স্বামী। তবে তাঁর বিচক্ষণতা, বুদ্ধিমত্তা এই জটিল বিষয়টিকে অনেক সহজ করতে পারে। মনে রাখুন, নিজের পরিবার ছেড়ে আসার কষ্ট এবং সেই সঙ্গে নতুন পরিবেশকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা—এই দুই-ই স্ত্রীর জন্য বেশ কঠিন। এ সময়ে স্ত্রীর জন্য স্বামীর আন্তরিক চেষ্টা এবং ভালোবাসার কোনো বিকল্প নেই।
প্রথমেই স্ত্রীর প্রতি আপনার সহযোগী মনোভাব ব্যক্ত করুন। তাঁর যেকোনো সমস্যায় আপনি তাঁর পাশে আছেন, সে বিষয়ে আশ্বস্ত করুন।
বাড়ির পরিবেশ, নিয়ম-রীতি এবং সবার সম্পর্কে স্ত্রীকে প্রাথমিক ধারণা দিন। তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে তাঁর কী রকম দায়িত্ব হবে, সেটা স্পষ্ট করে বলুন।
স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের সমান মনোযোগ দিন। কারও সামনে কাউকে হেয় করবেন না। স্ত্রী সম্পর্কে পরিবারের সামনে অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস প্রকাশ থেকে বিরত থাকুন।
নতুন পরিবেশে স্ত্রী কোনো অসুবিধা বোধ করলে সেটা বোঝার চেষ্টা করুন। মনোযোগ দিয়ে তাঁর কথা শুনুন। তাঁর সমস্যা আপনি বুঝতে পেরেছেন, সেটা প্রকাশ করুন এবং মানিয়ে নিতে সাহায্য করুন।
স্ত্রীর সঙ্গে একান্ত সময় কাটান, গল্প করুন, বাইরে বেড়ান। এ ক্ষেত্রে পরিবারের সমালোচনা উপেক্ষা করুন। একই সঙ্গে তাঁদের প্রতি মনোযোগ বাড়িয়ে দিন। তাঁদের প্রতি আপনার ভালোবাসা যে আগের মতোই আছে, সেটা নানাভাবে প্রকাশ করুন।
শ্বশুরবাড়ি, মানে স্ত্রীর পরিবারের প্রতি আন্তরিকতা দেখান। তাঁদের খোঁজখবর নিন। তাঁদের পারিবারিক অনুষ্ঠানে যান। স্ত্রীর কাছে তাঁদের সমালোচনা থেকে বিরত থাকুন।
নতুন পরিবেশে স্ত্রীর মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টাকে প্রশংসা করুন। অন্যের সামনে তাঁর সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকুন।
গল্পচ্ছলে আপনার কাছে আপনার পরিবারের গুরুত্বের কথা স্ত্রীকে জানান।
মা, ভাবি বা বোনের গুণের সঙ্গে স্ত্রীকে তুলনা করবেন না।
কোনো ভুলত্রুটি করলে তাঁর আত্মমর্যাদাবোধকে সম্মান করে বুঝিয়ে বলুন।
লেখাটি ভালো লাগলে আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করে দিন।
ডিজাইন ও পরিমার্জন—প্রিয়জন
1 997
প্রায়োরিটি, ক্লারিটি, প্রোডাকটিভিটি
আমরা অনেক কিছুই জানি বুঝি কিন্তু কিছু করতে পারি না। সেই ছোটবেলা থেকেই যখন পরীক্ষার সময় আসতো, বিশেষ করে পরীক্ষার আগের রাতে সেই লেভেলের ছাত্র হয়ে যেতাম। তুমুল পড়ালেখা। আমাদের সময় পরীক্ষার পূর্ব রাত্রি রচনাই ছিল, এখনও আছে কী না জানা নেই।
তারপর রেজাল্টের সময় আসলে অনেকে নামাজীও হয়ে যেতো। লম্বা লম্বা দোয়া, আল্লাহ ইজ্জত যেন রাখে। এবারের মত পাড় করে দাও, সামনের বার আর এরকম ভুল করবো না। শুরু থেকেই রুটিন করে পড়ালেখা করবো। অনেককে দান সদাকা করতেও দেখেছি।
আমার এক বন্ধু ছিল, এখনও আছে- আমরা একসাথে থাকতাম। আমার সেই বন্ধুটিকে দেখেছি পরীক্ষার ১ মাস আগে থেকে প্রায় প্রতিদিনই রুটিন করতে। রুটিনে হিসাব মিলতো না। এজন্য বন্ধুটির পড়ালেখা শুরু করা হতো না।
শেষমেষ পরীক্ষার কয়েকদিন আগে বন্ধুটি হাল ছেড়ে দিত- না এবার রুটিন দিয়ে আর কাজ হবে না। মামলা এতদিনে রুটিনের বাইরে চলে গেছে। রুটিনটি আবার বন্ধুটি পরের সেমিস্টারের জন্য জমা রাখতো, একদম সেমিস্টারের শুরুতেই করবে। প্রতি সেমিস্টারে আমি একই অবস্থাই দেখেছি, কোন হেরফের নেই।
বন্ধুটির খাতায় যত না লিখা তার থেকে বেশি রুটিন।
সেই বন্ধুটি এখনও রুটিন করে জীবনের রুটিন, এখনও হয়তো হিসাব মেলে না।
আমরা সবাই কিন্তু আসলে জানি আমাদের কী করতে হবে! কিন্তু কী যেন একটা অদৃশ্য শক্তি আমাদেরকে পেছন থেকে ধরে রাখে। আমরা জানি ভাল করে পড়ালেখা করলে রেজাল্ট ভাল হবে। কিন্তু কজনাই বা করতে পারে? যে করে না সেও কিন্তু জানে এবং মানে পড়ালেখার ফজিলত কত। এ ব্যক্তিটিই পরীক্ষার আগের রাতে পড়ে ফাটিয়ে ফেলে।
একবার চিন্তা করে দেখুন আমাদের প্রতিটা রাত যদি পরীক্ষার আগের রাত হত! আমার আপনার কি অবস্থা হতো? আমরা কোথায় থাকতাম?
যে সিগারেট খায় সে কি জানে না- এটা কত ক্ষতির! কেন ছাড়তে পারছে না? যে লোকটা অফিসে মন দিয়ে কাজ করে না, ফাকি ঝুকি করে - সে কি জানে না, ভাল করে কাজ করলে, তার ইনক্রিমেন্ট হবে বা প্রমোশন হবে? এমন না যে তার এটার দরকার নেই, এজন্য করতে পারছে না। তারও দরকার কিন্তু কেন যেন সে করছে না, করতে পারছে না। করে ছাড়ে, এই অবস্থা।
এই অবস্থা শুধু উনার একার না , অধিকাংশের।
আসলে পুরো পৃথিবীটা এমনভাবে সাজানো - আপনি ডিফোকাসড থাকবেন, যেটা আপনি প্রায়োরিটি মনে করবেন সেটাতে আপনি সময় দিতে পারবেন না। আপনি একটা ডিলিউশনের মধ্যে থাকবেন। আপনি নানা কিছুতে বুঁদ হয়ে থাকবেন। আপনাকে এরকমই করে রাখা হচ্ছে।
আসলে টোটাল কালচার, সমাজ ব্যবস্থাই এমনভাবে তৈরী যাতে করে এরকম মিনিয়েচার টাইপের, ধামাধরা মানুষই যেন বেশি থেকে বেশি প্রডিউস হয়। যাতে করে অল্প কিছু মানুষ যারা পৃথিবীকে কন্ট্রোল করতে চাইছে, তাদের সুবিধা হয়।
প্রবল ইচ্ছাশক্তি সম্পন্ন একদমই অল্প কিছু মানুষ পৃথিবীর দরকার, তদেরকে পৃথিবী এ ব্যবস্থাপনার মধ্যেই পেয়ে যাচ্ছে। এবং প্রমাণিতও হয়ে যাচ্ছে এরাই আসলে প্রবল ইচ্ছাশক্তি সম্পন্ন মানুষ। এটা একটা ফিল্টারিং ব্যবস্থাও বলা যায়।
একজন রাজা হলে বাকিদের তো প্রজা হতেই হবে। রাজা লাখে লাখে কোটিতে কোটিতে প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন হলো প্রজা।
ঠিক এই কারণে আপনি চাইলেও প্রোডাকটিভ হতে পারছেন না কারণ আপনি আপনাকে কন্ট্রোল করছেন না । ইউ আর কন্ট্রোলড বাই সামথিং এলস। আপনি বুঝতেছেন আপনার প্রায়োরিটি কিন্তু প্রায়োরিটি অনুযায়ী কাজ করতে পারছেন না।
আমি এখানে অল্প কিছু হিন্টস দিলাম।
আপনি যদি ধামাধরা লাইফ লিড করতে চান, এটা একদমই সহজ যা যেভাবে করছেন, এভাবেই করতে থাকুন- ইনশাআল্লাহ হয়ে যাবে।
আপনি স্টুডেন্ট, চাকরিজীবি, ব্যবসায়ী, অন্ট্রপ্রেণর, ফ্রি লান্সার - আপনি যাই হোন না কেন- আপনি যদি স্পেশাল কিছু করতে চান, বড়সড় কিছু এচিভ করতে চান, একজন ইফেকটিভ মানুষ হতে চান- আপনাকে এই বৃত্ত ভাঙতে পাড়তে হবে।
ইনশাআল্লাহ, আমি আপনাকে এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে পারি। আপনার হয়তো মনে পারে এই লোক আবার কে, প্রোফাইলে কোন বিদেশি ভার্সিটি নাই, কোন দেশে যায় নাই, বড় কোন ডিগ্রী নাই- সেটাও মনে করতে পারেন।
আমাকে যে অল্প কয়েকজন মানুষ চেনে জানে , তারা আমাকেই ভালমতই চেনে জানে। আমি এইগুলোকে আমও করতে চাই না। খুব অল্প কিছু মানুষকে এই সার্ভিসটা দিতে চাই। সবাই ভাল থাকবেন।
#nextlevelinnerengineeringprogrambyshafishawon
1 997
ChatGPT মস্তিষ্ককে কীভাবে বদলে দিচ্ছে?
সম্প্রতি MIT-এর প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে ChatGPT ব্যবহার করে লেখালেখি শুধু আমাদের চিন্তার ধরনই বদলায় না, বরং আমাদের মস্তিষ্কের কাজ করার পদ্ধতিও পরিবর্তন করে দিতে পারে।
গবেষণায় ৫৪ জন অংশগ্রহণকারীকে তিন দলে ভাগ করা হয়েছিল। প্রথম দল ChatGPT ব্যবহার করেছে, দ্বিতীয় দল Google সার্চ থেকে তথ্য নিয়ে লিখেছে, তৃতীয় দল নিজস্ব চিন্তা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে লিখেছে। এরপর EEG (Electroencephalogram) দিয়ে তাদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ মাপা হয়। ফলাফল অত্যন্ত উদ্বেগজনক!
১. ChatGPT ব্যবহারকারীদের মস্তিষ্কে সবচেয়ে কম neural connectivity দেখা গেছে যা চিন্তা, পরিকল্পনা এবং বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ার দুর্বল সংযোগ নির্দেশ করে।
২. নিজস্ব বিশ্লেষণে লেখা গ্রুপে মস্তিষ্কের সক্রিয়তা ও সংযোগ সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল।
৩. ChatGPT গ্রুপ সবচেয়ে কম মানসিক পরিশ্রম করেছে কারণ AI তাদের হয়ে চিন্তা, শব্দচয়ন, গঠন ইত্যাদি সম্পন্ন করেছে।
৪. ChatGPT দিয়ে তৈরি লেখা ব্যবহারকারীরা অল্প সময় পরই মনে রাখতে পারেনি।
৫. তাদের contextual memory দ্রুত দুর্বল হয়েছে, অর্থাৎ তথ্যের প্রেক্ষাপট বুঝে রাখা এবং প্রয়োগ করার সক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে।
৬. ChatGPT ব্যবহারকারীরা নিজেদের লেখাকে নিজেদের বলে মনে করেনি কারণ মস্তিষ্ক নিজে চিন্তা না করলে ownership কমে যায়।
৭. ChatGPT গ্রুপের লেখায় একই ধরনের শব্দ, একই flow, একই ধরনের বাক্য দেখা গেছে যা AI এর ডিফল্ট ভাষার প্রতিফলন।
৮. AI ব্যবহারে বাক্যগঠন ও ভাষার কাঠামো ChatGPT-এর পূর্বনির্ধারিত pattern এর দিকে ঝুঁকে গেছে যা মৌলিকতা হ্রাস করে।
৯. Google সার্চ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের সক্রিয়তা মাঝারি ছিল কারণ তারা তথ্য খুঁজে নিজের চিন্তার মাধ্যমে সেটি বিশ্লেষণ করেছে।
১০. যারা আগে হাতে লিখে পরে AI ব্যবহার করেছে তাদের মস্তিষ্কে বেশি neural activation ছিল কারণ প্রাথমিক চিন্তা তাদের নিজস্ব ছিল।
১১. কিন্তু যারা শুরুতেই AI ব্যবহার করেছে এবং পরে হাতে লিখেছে, তাদের মস্তিষ্ক প্রায় নিষ্ক্রিয় ছিল কারণ শুরুতেই চিন্তার দায়িত্ব AI-এর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
১২. নিজস্ব বিশ্লেষণে লেখা গ্রুপ neural signal, ভাষার গুণমান এবং human evaluator সব দিক থেকেই সর্বোচ্চ স্কোর করেছে।
১৩. ChatGPT গ্রুপ linguistic, cognitive এবং AI evaluator সব ক্ষেত্রেই সবচেয়ে নিচে অবস্থান করেছে।
১৪. AI বেশি ব্যবহার করলে নিজের চিন্তার মালিকানা এবং আত্মবিশ্বাস কমে যায়।
১৫. দীর্ঘমেয়াদে AI-এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মানুষের মস্তিষ্ককে কম চিন্তা করতে শেখায় যা ধীরে ধীরে গভীরভাবে চিন্তা, বিশ্লেষণ এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা কমিয়ে দিতে পারে।
তা হলে কি ChatGPT খারাপ? না।
খারাপ হলো অতিরিক্ত AI নির্ভরতা, চিন্তা না করে ব্যবহার এবং নিজের মস্তিষ্কের চিন্তা বন্ধ করে দেওয়া।
গবেষণার মূল বার্তা
ChatGPT বা অনুরূপ LLM ব্যবহারে Cognitive Debt বা বুদ্ধিবৃত্তিক ঋণ তৈরি হয়। অর্থাৎ আপনি যত বেশি AI-এর উপর চিন্তার দায়িত্ব ছেড়ে দিবেন, আপনার মস্তিষ্ক নিজে নিজে তত কম চিন্তা করবে। এটি সাময়িকভাবে সময় বাঁচালেও দীর্ঘমেয়াদে আপনার সৃজনশীলতা, স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ এবং সমালোচনামূলক চিন্তার ক্ষমতা ধীরে ধীরে ক্ষয় করে দেয়।
তাই AI সহযোগী হিসেবে ব্যবহার করুন, নিয়ন্ত্রক হিসেবে নয়!
🔗 আর্টিকেলের লিংক কমেন্টে দেওয়া আছে!!
--------------
Azizul Haque
সহকারী অধ্যাপক
Yeungnam University, দক্ষিণ কোরিয়া
1 997
যে জিনিসগুলো তুমি কন্ট্রোল করতে পারো না,ওগুলো নিয়ে স্ট্রেস নিও না। সবকিছুই আল্লাহর কন্ট্রোলে।
তুমি আল্লাহকে বলো কী চাও,আর ট্রুলি বিলিভ করো যে তিনি তোমার দো’আ কবুল করবেন।
It will be your time soon.আল্লাহ তোমার জন্য যে সব লিখে রেখেছেন ওগুলো খুব তাড়াতাড়ি প্রকাশ পাবে।
Bear a little more.Leave the matter to Him. Everything will work out in the end.
1 997
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থাকলে ব্যক্তির লিঙ্গ উত্থান ব্যাহত হতে পারে। এসব রোগের ফলে ব্যক্তির মনোবল কমে যায়, যৌন ক্রিয়া কমে যাওয়ার এটাও একটা কারণ।
বিভিন্ন অসুস্থ'তার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ যৌন আগ্রহ ও সক্ষমতার ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া করতে পারে। যে কোন ঔষধ ব্যবহারে এ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, তবে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: এন্টিহিস্টামিন, এন্টিহাইপারটেনসিভ, এন্টিডিপ্রেজেন্টস, এন্টিসাইকোটিকস ইত্যাদি। যে কোন ঔষধ সেবনের পর যৌন আগ্রহ বা সক্ষমতায় পরিবর্তন লক্ষ্য করলে তা ডাক্তারকে জানাতে হবে।
বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে ব্যক্তির মধ্যে 'বুড়িয়ে গেছি' ধরনের মনোভাব সৃষ্টি হলে ব্যক্তি যৌন ক্রিয়ার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে। সাধারণত: ৪৫-৫০ বছর বয়সে নারীর মাসিক ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় তারা 'আর নারী নই' জাতীয় মনোভাবে আক্রান্ত হয় এবং 'যৌন ক্রিয়া এ বয়সে আর মানান সই হবে না' ভেবে এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে না। বস্তুতঃ বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরবৃত্তীর সব কাজের মত যৌন বিষয়ে ভাটিরটান লক্ষ্য করা যায়। তবে অনেক পুরুষের সক্ষমতা ৮০-৯০ বছর বয়সের পরও বজায় থাকতে পারে।
স্ত্রী গর্ভবতী হলে অনেক দম্পতির যৌনক্রিয়ায় কমতি দেখা দেয়। গর্ভকালে যৌন ক্রিয়া উচিৎ কিনা, তা সন্তান ও মায়ের কোন ক্ষতির কারণ হবে কিনা এসব ভেবে এবং সন্তান ধারণের ফলে স্ত্রী ও স্বামীর পক্ষে আগের মত দেহসঞ্চালন অসম্ভব হয়ে পড়ার ফলে যৌনক্রিয়ায় কমতি দেখা দিতে পারে। এছাড়া গর্ভাবস্থায় হরমোনের প্রভাবে স্ত্রীর মধ্যে যৌন ক্রিয়ার প্রতি অনীহা দেখা দিতে পারে।
সন্তান জন্মের পর স্ত্রীর দেহের স্বাভাবিকতা ফিরে আসতে কিছু সময়ের দরকার হয় এ সময়টা দম্পতি যৌন মেলামেশা এড়িয়ে চলেন, কালক্রমে এই এড়িয়ে চলা স্বভাবে পরিণত হয়- যৌন ক্রিয়ায় কমতি দেখা দেয়। সন্তান জন্মের পর সন্তানকে ঘিরে স্ত্রীর ব্যস্ততা বেড়ে য়ায়, ঘুম ও বিশ্রামে অনিয়ম দেখা দেয়। অনেক স্ত্রী এ সময় স্ত্রীর ভূমিকার চেয়ে মায়ের ভূমিকাকে বেশী গুরুত্ব দেয়। সব মিলিয়ে সারা দিনের কাজের শেষে চরম ক্লান্তি নিয়ে স্ত্রী যখন বিছানায় যান তখন ঘুম ছাড়া অন্য কিছুতে তিনি মনোযোগ দিতে পারেন না। স্ত্রীর এরকম অনাগ্রহ দেখে স্বামীর মধ্যেও ইচ্ছার অভাব সৃষ্টি হতে পারে।
সন্তানের দুগ্ধদান কালে স্বামী একটা বিশেষ সমস্যায় পড়ে। তা হচ্ছে শৃঙ্গারের সময় স্ত্রীর স্তন আগের মত ব্যবহার করতে পারে না। স্তন এড়িয়ে শৃঙ্গার করার ফলে স্ত্রী যথেষ্ট উত্তেজিত হয় না, স্ত্রী চরম তৃপ্তি লাভ করে না। এতে স্ত্রীর মধ্যে যেমন যৌন ক্রিয়ার প্রতি অনাগ্রহ দেখা দেয়, স্বামীর মধ্যে ও হতাশা দেখা দেয়। ফলাফল-যৌন সমস্যা।
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
২৩ বছরের অভিজ্ঞ সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ডাক্তার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি ডিপার্টমেন্ট থেকে সাইকোথেরাপিউটিক কাউন্সিলিং এবং কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি ফর ডিপ্রেশনের উপরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ।
আমেরিকার ওয়েস্টার্ন স্টেট ইউনিভার্সিটি , ক্যালিফোর্নিয়া তে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন অ্যাপ্লাইড সাইকোলজি অধ্যায়নরত ।
বড়দের যৌনশিক্ষা, বয়সন্ধিকালের যৌন শিক্ষা সহ আটটি বইয়ের লেখক ।
⚠ সতর্কতা: কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে!
✅ আমাদের মোবাইল নাম্বার:
01972-859950,
01712-859950
এই নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন।
যারা আমার সাথে ফোনে সরাসরি কথা বলতে চান, তারা
প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত 01712-859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলতে পারবেন।
#সিজোফ্রেনিয়া #বিষন্নতা #ডিপ্রেশন #মনোরোগ #ডাক্তার #চিকিৎসা #মানসিক_সমস্যা #ফাইজুল #Depression #faijul #faijulhuq #কাউন্সিলিং #CBT #সিবিটি #সেক্স #যৌন #OCD #ওসিডি #সাইকো_থেরাপি #দূর্বলতা
1 997
৩। জ্ঞানের অভাবঃ
যৌনজীবন মানুষের একান্ত গোপনীয় জীবন। ফলে এ বিষয়ে অন্যদের সাথে আলোচনা হয় না মানুষের। যতটুকু আলোচনা হয় তাও ভাসাভাসা, হাস্যরস পর্যায়ের আলোচনা। এসব আলোচনা থেকে যৌন বিষয়ে কারো বিজ্ঞানভিত্তিক স্বচ্ছ ধারণা হওয়া সম্ভব নয়।
পৃথিবীতে এমন কোন কাজ নেই যা করতে জ্ঞান অর্জন ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন পড়ে না। তাই মানুষ যে কোন কাজ করার আগে সে সম্পর্কে জ্ঞান লাভ ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। যৌন বিষয়ে এ নিয়ম মানুষ মানে না। বিয়ে হল- নারী পুরুষকে একান্তে থাকার ব্যবস্থা করা হল। কিন্তু একান্তে থাকাটা যে কি, কিভাবে তা শুরু করতে হয়, কিভাবে ব্যাপারটা জমাতে হয়, শেষ হয় কিভাবে এসব বিষয়ে প্রায় কেউই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করে না। ফলে দেখা যায় স্বামী স্ত্রীকে যথেষ্ট ভাবে তৈরী করার আগেই সঙ্গমে লিপ্ত হচ্ছে। এমন কি অনেক পুরুষ জানে না যে তৃপ্তিপূর্ণ সঙ্গমের জন্য স্ত্রীকে তৈরী করতে হয়। অপরপক্ষে অধিকাংশ স্ত্রী জানে না যৌনক্রিয়ায় তার ভূমিকা কি হওয়া উচিৎ। তাদের ধারণা যা কিছু করার সবই স্বামী করবে, তাদের করার কিছু নেই। এ ধারণা ভুল। যৌন ক্রিয়ায় স্বামী এবং স্ত্রী উভয়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। একথা না জানা থাকায় তাদের মধ্যে যৌন বিষয়ে অতৃপ্তি দেখা দেয়।
৪। দম্পতিদের সাধারণ সম্পর্কে টানাপোড়েন: সুখী যৌন জীবনের জন্য দম্পতির মধ্যে সৌহার্দ্য পূর্ণ সম্পর্ক অপরিহার্য। যে সব দম্পতির মধ্যে পরস্পরিক বিশ্বাস, আস্থা, আকর্ষণ কম, নানা বিষয়ে অমত ও দ্বন্দু বিদ্যমান তাদের যৌন সমস্যা বেশী হয়। তবে অনেক সময়ই পারস্পরিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে যৌন সমস্যা দেখা দিয়েছে না যৌন সমস্যার কারণে সাধারণ সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে তা নির্ণয় করা মুশকিল। সাধারণ ভাবে দেখা যায় যে সৰ দম্পতির মধ্যে ঝগড়া ফ্যাসাদ তর্কাতর্কি লেগেই থাকে তাদের যৌন সমস্যা বেশী হয়। স্ত্রীর পক্ষ থেকে যৌন সম্পর্কের শীতলতা স্বামী অনেক সময় লক্ষ্য করেন না, কারণ স্ত্রীর তৃপ্তি অতৃপ্তির প্রতি তিনি মনোযোগ দেন না বা স্ত্রী যৌন তৃপ্তি পাওয়ার ভান করে। এমন অনেক স্ত্রী পাওয়া যায় যারা ১০-১২ বছর ধরে সংসার করছেন কিন্তু কোন দিন স্বামীকে তাদের যৌন অতৃপ্তির কথা বলেন নি। অনেক পুরুষের ধারণা এই যে, দীর্ঘ সময় ধরে বেশ জোরালো রকমের সেক্স করতে পারলে স্ত্রীরা আর কিছুই চায় না। এ ধারণা ভুল। স্ত্রীরা স্বামীদের কাছে উদারতা, সহানুভূতি, খেলামেলা সম্পর্ক আশা করে। স্বামী এ বিষয়গুলোর প্রতি নজর দিলে যৌন বিষয়ে স্বামীর অপারগতায় অনেক স্ত্রী কিছু মনে করেন না, মেনে নেন। কিন্তু সংকীর্ণমনা অনুদার অশ্রদ্ধাশীল স্বামী শুধু যৌন পারঙ্গমতার কারণেই স্ত্রীর পরম আরধ্য হয়ে উঠবে একথা ঠিক না।
স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যে কেউ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত থাকলে তাদের মধ্যে যে টানাপোড়েন দেখা দেয়। তার ফলশ্রুতি হিসেবে সঙ্গীর প্রতি অনীহা অনাগ্রহ বা ঘৃণা থেকে যৌন আগ্রহ নষ্ট হতে পারে। এছাড়া দম্পতিদের মধ্যে যিনি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত তিনি তার নতুন সংগীর প্রতি অধিক আকর্ষণ বোধ করায় দাম্পত্য জীবনের যৌনক্রিয়ার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
৫। নিজের সম্পর্কে ধারণা: ব্যক্তি নিজের দেহ ও পারঙ্গমতা সম্পর্কে কতটুকু আস্থাশীল তা যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ, যেমন যদি স্ত্রীর মনে এই ধারণা জন্মে যে তার দেহের ওজন, স্তন বা যৌনাঙ্গ ইত্যাদি তার স্বামীর পছন্দ মাফিক নয় তা হলে সে স্বামীর সাথে যৌন সম্পর্কে সহজ বোধ নাও করতে পারে। বিপরীত পক্ষে স্বামীর ক্ষেত্রেও অনুরূপ ব্যাপার ঘটতে পারে। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে এক সঙ্গী অপর সঙ্গীর সমস্যার জন্য নিজেকে দায়ী মনে করতে পারে,
যেমনঃ স্বামীর লিঙ্গ যথেষ্ট দৃঢ়তার সাথে উত্থিত না হলে বা যথেষ্ট সময় ধরে দৃঢ় না থাকলে স্ত্রী মনে করতে পারে এর অর্থ স্বামীর কাছে সে আর আগের মত আকর্ষণীয় নয়। যদিও মূলে হয়তো ব্যাপারটা মোটেই তা নয়।
তাই দম্পতির মধ্যে খোলামেলা সম্পর্ক অত্যন্ত জরুরী। তারা তাদের আশা আকাঙ্খা ইচ্ছা অনিচ্ছা ভাল লাগার বিষয়গুলো পরস্পরের সাথে আলোচনা করবে। যেন তারা পরস্পরের পছন্দ অপছন্দ সর্ম্পকে জানতে পারে এবং সে অনুযায়ী নিজেকে তৈরী করতে পারে। সব সময় নিজেকে সঙ্গীর ইচ্ছামত পরিবর্তন করতে হবে এমন নয়, যদি নিজেকে পরিবর্তন করা সম্ভব না হয় সততার সাথে তা সঙ্গীর সাথে আলোচনা করতে হবে।
৬। অসুখ বিসুখ ও নানা শারীরিক পরিবর্তন: সাধারণ জ্বরজারি সর্দিকাশি থেকে শুরু করে যে কোন ধরনের শারীরিক রোগ, বিশেষতঃ যে সব রোগে ব্যথা বেদনা হয়, ব্যক্তির যৌন ইচ্ছাকে কমিয়ে দিতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার কারণে শরীর চালনা কষ্টদায়ক হয় বলে যৌন ইচ্ছা থাকলেও তা কাজে পরিণত করার ক্ষেত্রে অনীহা দেখা দেয়। এ ছাড়া কিছু কিছু শারীরিক অসুস্থতার পর ব্যক্তির মধ্যে যৌন ক্রিয়ার বিষয়ে ভীতি দেখা দিতে পারে, যেমন হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, প্রোষ্টেটের অপারেশন বা অন্য যে কোন ধরনের বড় অপারেশনের পর ব্যক্তি যৌনক্রিয়া করতে ভয় পেতে পারে, ভাবে যৌন ক্রিয়ার ফলে শরীরের বিশেষ ক্ষতি হতে পারে। ডায়াবেটিস রোগাক্রান্ত হলে, বিশেষতঃ
1 997
যৌন সমস্যার কারণ: যা জানলে আপনার কখনোই যৌন সমস্যা হবে না।
.
কি কি কারণে নারী পুরুষের মধ্যে যৌন সমস্যা দেখা দেয়া তা জানার আগ্রহ মানুষের অনেক দিনের। এ বিষয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে। গবেষণায় কোন একটি মাত্র বিষয়কে যৌন সমস্যার কারণ বলে চিহ্নিত করা যায়নি। বরং দেখা গেছে বিভিন্ন কারণের সম্মিলিত ফল হিসাবে ব্যক্তি যৌন সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং বিভিন্ন মানুষের ক্ষেত্রে যৌন সমস্যার কারণ ভিন্ন ভিন্ন। তবে সাধারণ ভাবে কিছু বিষয়কে যৌন সমস্যার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আমরা এখন ঐ সব কারণ সম্পর্কে সাধারণ আলোচনা করবো। পরে প্রতিটি যৌন সমস্যা সম্পর্কে আলোচনার সময় ঐ যৌন সমস্যার কারণ আলাদা ভাবে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
যৌন সমস্যার সাধারণ কারণগুলো হচ্ছেঃ
১। পারিবারিক কারণ
২। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা
৩। জ্ঞানের অভাব
৪। দম্পতিদের দৈনন্দিন সম্পর্কের টানাপোড়েন
৫। অসুখ বিসুখ
১। পারিবারিক কারণ:
ক) সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গী: একজন ব্যক্তির যৌনবোধ, যৌন দক্ষতা, যৌন দৃষ্টিভঙ্গী কেমন হবে তা অনেকাংশে নির্ভর করে যৌন বিষয়ে তার পারিবারিক দৃষ্টিভঙ্গীর ওপর। এমন অনেক পরিবার আছে যেখানে বাবা মা যৌন বিষয়টিকে সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখেন। পরিবারের বড়রা কথায় কাজে আকার ইঙ্গিতে এমন ভাব প্রকাশ করেন যেন যৌন বিষয়টি খুব খারাপ ব্যাপার, গর্হিত কাজ, এটা অবশ্যই বর্জনীয়। ফলে এ পরিবারের মধ্যে বেড়ে ওঠা শিশুটি সময়ের সাথে সাথে এই সংকীর্ণ পরিবারিক দৃষ্টিভঙ্গীতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে দাম্পত্য জীবন যাপনের সময় তার এতদিনের লালিত সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গীর সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের যৌন চাহিদার দ্বন্দু দেখা দেয়। ফলাফল-যৌন সমস্যা।
খ) পারিবারিক কলহ: অনেক পরিবারে মা-বাবার মধ্যে দ্বন্দু-ঝগড়া ফ্যাসাদ লেগেই থাকে। যদি মা বাবা প্রকাশ্যে ঝগড়া করে, পরস্পরের প্রতি অশালীন উক্তি ও অশ্রদ্ধা প্রকাশ করে, বিশেষতঃ যদি পরস্পরের প্রতি ভালবাসার দৈহিক প্রকাশ (যেমন : অসুস্থতার সময় মাথায় হতে বুলানো, স্বাভাবিক সময়ে চুল আঁচড়ে দেয়া এবং অন্যান্য বন্ধুত্বপূর্ণ শারীরিক স্পর্শ) না করে তা হলে ঐ পরিবারে বেড়ে ওঠা শিশুর মনে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক সম্বন্ধে বিরূপ ধারণা গড়ে ওঠে। আমরা এমন অনেক ছেলেমেয়েকে পেয়েছি যারা বিয়ে করতে রাজী নয়। কারণ হিসেবে তারা বলে 'মা বাবাকে তো চোখের সামনেই দেখছি, বিয়ে মানে সারাক্ষণ ঝগড়াঝাটি মারামারি করা, আমরা এ রকম কোন সম্পর্কে যেতে চাই না।' এসব পরিবারের ছেলেমেয়েরা যখন বিয়ে করে তারা দাম্পত্য জীবনে স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে না। দম্পতিদের মধ্যে দৈনন্দিন সম্পর্ক ভাল না থাকলে তাদের মধ্যে সাবলীল যৌন সম্পর্ক গড়ে ওঠে না।
গ) সন্তানদের সাথে খোলামেলা সম্পর্কের অভাব: অনেক মা আছেন যারা তাদের বেড়ে ওঠা কন্যার সাথে মাসিক ঋতুস্রাবসহ বয়ঃপ্রাপ্তির পর মেয়েদের শারীরিক পরিবর্তনের জন্য বিশেষ বিশেষ করণীয় সম্পর্কে নিঃসংকোচে আলোচনা করতে পারেন না। ফলে সদ্য বয়ঃপ্রাপ্ত কন্যা বুঝে ওঠে না তাকে কি করতে হবে। ঝি চাকর বন্ধু বান্ধবদের কাছে শোনা ছিটে ফোঁটা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তাদেরকে বিষয়টা সামাল দিতে হয়। ফলে যৌবন প্রাপ্তির পুরো ব্যাপারটা তার কাছে একটা বাড়তি ঝামেলা মনে হয়। তাই এ বিষয়ে তার বিরক্তি সৃষ্টি হয়।
ছেলেদের বেলায় এ সমস্যা আরো বেশী দেখা যায়। বয়ঃপ্রাপ্তির ফলে তার ঘুমে বীর্যস্খলন হয় এবং হস্তমৈথুনের অভ্যাস তৈরী হয়। এদুটো বিষয় কতটা স্বাভাবিক কতটা অস্বাভাবিক, ভাল না মন্দ, পাপ না স্বাভাবিক, তা বুঝে উঠতে পারে না সদ্য যৌবনপ্রাপ্ত বালক। ছেলের সাথে বাবা মার খোলামেলা সম্পর্ক না থাকার ফলে বাবা মা ছেলেকে কিছু বুঝিয়ে বলতে পারেন না (অবশ্য অধিকাংশ বাবা মা নিজেরা এ বিষয়ে কিছুই জানেন না)। ফলে ছেলেটি পড়ে মহা ফাপরে। তার মধ্যে পাপবোধ ও নিজের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখা দেয়। পরবর্তী জীবনে যৌন সম্পর্কের সফলতা নিয়ে সে হতাশ হয়ে পড়ে, তার মনোবল ভেঙ্গে যায়। সে যৌন সম্পর্কের বিষয়টি সুন্দর ভাবে এগিয়ে নিতে পারে না।
২। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা:
পূর্ণ বয়স্ক হিসেবে যৌন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভূমিকা অপরিসীম। ছোট বেলা থেকে বেড়ে ওঠার নানা পর্যায়ে ব্যক্তি যৌন বিষয়ে যে সব তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা অর্জন করে তা তার পরবর্তী যৌন জীবনে প্রতিফলিত হয়। দেখা গেছে শিশুকালে যারা বয়স্ক বা সমবয়সীদের দ্বারা যৌনভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, বয়ঃপ্রাপ্তির পর তারা যৌন সমস্যার সম্মুখীন হয়। তাদের মনোবল ও আত্মবিশ্বাস থাকে কম, লজ্জা ও জড়তা থাকে বেশী। বিশেষতঃ মেয়েদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বেশী পড়ে। তাই এ বিষয়ে মা বাবাকে সতর্ক থাকতে হবে। যতই বিশ্বস্ত মনে হোক, যত আপনজনই হোক শিশুকে একা বাড়ীতে তার সাথে রেখে না যাওয়া ভাল, রাতে অন্য কারো সাথে শিশুকে এক বিছানায় ঘুমাতে না দেয়া উচিৎ। এতে শিশু অনেক অবাঞ্চিত অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পাবে। যৌন বিষয়ে তার ভীতি বা ঘৃণা জন্মাবে না।
1 997
পেটের মেদ যতটা ভাবেন তার চেয়ে বেশি বিপজ্জনক
এটি শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়। ভিসেরাল ফ্যাট বা গভীর স্তরের চর্বি হলো সেই মেদ যা আপনার অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর চারপাশে জমে। এই চর্বি ত্বকের নিচের সাধারণ মেদের মতো নিরীহ নয়—এটি শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর।
ভিসেরাল ফ্যাট শরীরে নানা ধরনের হরমোন ও প্রদাহজনিত রাসায়নিক নিঃসরণ করে, যা স্বাভাবিক শারীরিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে পারে। কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ, দেখুন:
হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়: উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি এবং ধমনীতে চর্বি জমার সম্ভাবনা বাড়ে।
টাইপ–২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়: এটি ইনসুলিনের প্রতি শরীরের সংবেদনশীলতা কমিয়ে দেয়।
শরীরে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ সৃষ্টি করে: যা নানা দীর্ঘমেয়াদি রোগের কারণ হতে পারে এবং দ্রুত বার্ধক্য ডেকে আনে।
হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে: ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনে প্রভাব ফেলে, ফলে সহজেই ওজন বেড়ে যেতে পারে।
ভালো খবর হলো, ভিসেরাল ফ্যাট কমানো তুলনামূলক দ্রুত সম্ভব। নিয়মিত ব্যায়াম (হাঁটা, দৌড়, সাইক্লিং বা HIIT) ভালো ঘুম, স্ট্রেস কমানো (কারণ কর্টিসল হরমোন ভিসেরাল ফ্যাট বাড়ায়) এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস খাওয়া এবং চিনি, সাদা ময়দা ও প্রসেসড খাবার কমানো -এসবই এ ধরনের মেদ কমাতে কার্যকর।
1 997
যে আপনার কথা শোনার জন্য প্রস্তুত নয়, তাকে কিছু শেখাতে যাবেন না; সে ঠকবে, ভুল করবে, ধাক্কা খাবে; তারপর একসময় ঠিকই আপনার মূল্য বুঝতে পারবে।
1 997
যাদের দিনের লম্বা সময় ধরে বসে থাকতে হয়, এই পোস্ট তাদের জন্য।
লম্বা সময় ধরে বসে থাকা আপাতদৃষ্টিতে খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার হলেও বাস্তবিক অর্থে ব্যাপারটা মোটেই স্বাভাবিক না। বরঞ্চ, লম্বা সময় ধরে বসে থাকা সরাসরি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বেড়ে যাওয়ার সাথে যুক্ত।
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সটা কি??
এটা এমন একটা অবস্থা যখন আপনার শরীরে ইনসুলিন তার স্বাভাবিক একশন হারিয়ে ফেলে, ফলে রক্তে থাকা গ্লুকোজ লিভার ও মাসলে প্রবেশ করতে পারে না। এই পরিস্থিতি লম্বা সময় ধরে চলমান থাকলে তা ডায়বেটিস, হাইপারটেনশান থেকে শুরু করে অসংখ্য মেটাবলিক ডিজর্ডারের জন্ম দেয়।
বুঝতেই পারছেন, লম্বা সময় ধরে বসে থাকা কোন স্বাস্থ্যকর ব্যাপার না তাহলে। ঐতিহাসিকভাবে পৃথিবীতে এমন কোন যুগ ছিল না যখন লম্বা সময় ধরে বসে থাকা মানুষেরা হেলদি ছিল।
এই বসে থাকা সবচেয়ে বেশি সমস্যা সৃষ্টি করে খাবার পর আপনার ব্লাড গ্লুকোজ বাড়িয়ে দিয়ে। এটা নিয়ে একটা মজার স্টাডি আছে।
দুটো ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপকে স্টাডির জন্য বেছে নেয়া হল। এক গ্রুপকে খাওয়ার আগের দুই ঘন্টা বসে থাকতে বলা হল, আরেক গ্রুপকে আগের দুই ঘন্টা বসে থাকা অবস্থায়ই মাঝে মাঝে বসা থেকে উঠে ২-৩ মিনিট হাটতে বলা হল।
গবেষনা শেষে দেখা গেল যারা দুই ঘন্টা পুরোপুরি বসে ছিলেন, তাদের খাবার দুই ঘন্টা পরের ব্লাড গ্লুকোজ অন্যদের তুলনায় ৪৫% বেশি বেড়েছে।
বুঝতেই পারছেন, যথেষ্ট নড়াচড়া না করে আমাদেরকে কত সহজে ডায়বেটিসের কাছে নিয়ে যায়!
এখন, যাদের রোজই লম্বা সময় বসে থাকা লাগে তাদের করনীয় কি??
গবেষনায় দেখা গেছে, খাবার দু ঘন্টা আগে থেকে ২০ মিনিট পরপর যদি কেউ ২ মিনিট করে হাটে, তাহলে এই যে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ইফেক্ট পুরোপুরি স্বাভাবিকে ফিরে আসে।
কত সহজ না??
আরো আছে। খাবার পর যদি আপনি ১০ মিনিট্রর মত খুবই হালকা চালে হাটেন, এটা আপনার ব্লাড গ্লুকোজ বেড়ে যাবার প্রবনতা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমিয়ে আনে। একটা না, সাত সাতটা গবেষনায় এটা দেখা গেছে। এই হাটাটা আপনাকে হাটতে হবে খাওয়া শেষ করার ৩০ মিনিট থেকে ৯০ মিনিট পরে।
যাদের ডায়বেটিস, ফ্যাটি লিভার বা ওবিসিটি আছে, তারা কিন্তু চাইলেই এই টেকনিকগুলো ফলো করতে পারেন।
1 997
যে দোয়াটির উসিলায় আবুল হাসান আলী মিয়া নদভী এত বড়....
আমার ওস্তাদ এবং প্রথম শায়েখ হযরতুল আল্লাম সৈয়দ আবুল হাসান আলী মিয়া নদভী রহঃ কে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, হযরত, আপনি এত সুউচ্চ মাকাম কিভাবে অর্জন করলে ? এর পেছনে কারো দোয়া বা কোন বিশেষ আমল কার্যকর ছিল কি ?
তখন তিনি বলেছিলেন , আমার আম্মা আমাকে ছোট্টবেলায় শিক্ষা দিয়েছিলেন যে আলী ,যখনই তুমি পড়তে বসবে পড়া শুরু করার আগেএই দোয়াটি অবশ্যই পড়ে নেবে। দোয়া টি হলো
দোয়া: اَللَّهُمَّ آتِنِى أَفْضَلَ مَا تُؤْتِيْ عِبَادَكَ الصَّالِحِيْنَ।
উচ্চারণ: "আল্লাহুম্মা আতিনি আফদলা মা তু'তি 'ইবাদাকাস সোয়ালিহীন"।
অর্থাৎ, হে আল্লাহ আপনি আপনার নেক বান্দাদেরকে যে বিশেষ অনুগ্রহ দান করে থাকেন আমাকে তার সেরাটা দান করুন।
উল্লেখ্য, উক্ত দোয়াটি হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সমর্থিত জনৈক সাহাবি কৃত দোয়া। যা ইমাম ইবনে হিব্বান তার সহীহ গ্রন্থে এবং ইমাম নাসায়ী আসসুনানুল কোবরা গ্রন্থে উল্লেখিত।
ক্রেডিট — হযরত Nurul Alam Nadwi Mazaheri দামাত বারাকাতুহুম
1 997
আসসালামু আলাইকুম!
ইমারজেন্সি একটা সাহায্য প্রয়োজন। আমার এক রিলেটিভ ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি বাচ্চা হয়েছে এখন ইমার্জেন্সি AB- অথবা O- ব্লাড প্রয়োজন। বাচ্চাটার জন্ডিস হয়েছে এবং জন্ডিসের কারণে পুরো শরীর হলুদ হয়ে গেছে, এখন ডক্টর বলেছে ইমার্জেন্সি ব্লাড চেঞ্জ করতে হবে। যারা ঢাকা মেডিকেলের আশেপাশে রয়েছেন দয়া করে সারা দিন প্লীজ। আপনার ছোট একটি উপকারে বেঁচে যাবে একটি প্রাণ। আপনাদের সবার সহযোগিতা কামণা করছি 🙏🙏🙏🙏
যোগাযোগ - 01723624358
1 997
দ্রুত বীর্যপাত থেকে বাঁচার জন্য ঘরোয়া টিপস ও এক্সারসাইজ
দ্রুত বীর্যপাত একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এটি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। প্রাকৃতিক উপায়ে এবং কিছু নিয়মিত এক্সারসাইজের মাধ্যমে আপনি এই সমস্যার মোকাবিলা করতে পারেন। এই পোস্টে আমরা আপনাকে দিচ্ছি কিছু কার্যকরী ঘরোয়া টিপস এবং এক্সারসাইজের বিস্তারিত ব্যাখ্যা, যা আপনাকে দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে।
❤️ ঘরোয়া টিপস:
🔹 আয়ুর্বেদিক হারবাল চা
আয়ুর্বেদে কিছু বিশেষ উপাদান রয়েছে, যেমন তুলসী, লবঙ্গ, মেথি, এগুলো যৌন শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এগুলোর মধ্যে মেথি ও তুলসী যৌন উত্তেজনা বাড়াতে সহায়ক এবং বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
কীভাবে বানাবেন?
এক কাপ গরম পানিতে তুলসী, মেথি, ও লবঙ্গ মিশিয়ে চা তৈরি করুন।
এই চা প্রতিদিন রাতে নিয়মিত পান করুন।
এটি আপনার শরীরের শক্তি বাড়াতে এবং দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে।
🔹 পেঁপে ও মধু
পেঁপে এবং মধুর মিশ্রণ আপনার যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়ক।
কীভাবে খাবেন?
এক পিস পেঁপে ভালোভাবে চটকে মধুর সাথে মিশিয়ে খাবেন।
প্রতিদিন এই মিশ্রণ খেলে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, যা যৌন শক্তি বৃদ্ধি করবে এবং বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে রাখবে।
🔹 লবঙ্গ ও দুধ
লবঙ্গ যৌন শক্তি বাড়ানোর জন্য খুবই কার্যকরী।
কীভাবে খাবেন?
এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে ২-৩টি লবঙ্গ দিন।
এটি প্রতিদিন সকালে বা রাতে পান করলে যৌন শক্তি বৃদ্ধি হবে এবং বীর্যপাত কমে আসবে।
❤️ এক্সারসাইজ:
🔹 কেগেল এক্সারসাইজ
কেগেল এক্সারসাইজ একটি বিশেষ ব্যায়াম যা পেশী শক্তিশালী করে, যার ফলে যৌন কর্মকাণ্ডের সময় পেশী নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।
কীভাবে করবেন?
1. প্রথমে প্যান্টের ভিতরে আপনার পেশী ( পেলভিক ফ্লোর মাসল) টেনে ধরুন, যেমন আপনি প্রস্রাব রোধ করার সময় করেন।
সঠিক মাসল চিহ্নিত করুন – প্রস্রাব করার সময় মাঝপথে বন্ধ করার চেষ্টা করুন। যেই মাসল টান অনুভব করবেন, সেটাই পেলভিক ফ্লোর মাসল। (প্রস্রাব বন্ধ করে পরীক্ষা করবেন না!)
2. এই অবস্থায় পেশী 5 সেকেন্ড ধরে টেনে ধরে রাখুন এবং তারপর ছাড়ুন।
3. এই ব্যায়ামটি 10-15 বার করুন এবং দিনে অন্তত 3 বার পুনরাবৃত্তি করুন।
এটি আপনার পেশী শক্তিশালী করবে এবং দ্রুত বীর্যপাত প্রতিরোধে সহায়ক হবে।
🔹 পাইরামিড এক্সারসাইজ
এই এক্সারসাইজটি পেশী নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং দ্রুত বীর্যপাত রোধে সহায়ক।
কীভাবে করবেন?
1. শুয়ে পড়ুন বা দাঁড়িয়ে থাকুন।
2. শ্বাস নিতে নিতে, আপনার পেশী ধীরে ধীরে শক্ত করুন এবং 5 সেকেন্ড ধরে রাখুন।
3. তারপর শ্বাস ছাড়ার সময় পেশী ধীরে ধীরে শিথিল করুন।
4. এটি প্রতিদিন 10-15 বার করুন এবং আপনি দীর্ঘমেয়াদী ফল দেখতে পারবেন।
🔹 ডিপ ব্রিদিং (গভীর শ্বাস প্রশ্বাস)
গভীর শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে আপনার শরীরকে শান্ত রাখা এবং যৌন কার্যকলাপের সময় চাপ মুক্ত রাখা সম্ভব।
কীভাবে করবেন?
1. সোজা হয়ে বসুন এবং চোখ বন্ধ করুন।
2. একেবারে গভীর শ্বাস নিন এবং 5 সেকেন্ড ধরে রাখুন।
3. তারপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।
4. এটি 5-10 মিনিট করুন এবং শিথিল হয়ে থাকুন।
🔹 স্পট জগিং ও সাইক্লিং
রোজকার স্পট জগিং বা সাইক্লিং করার ফলে শরীরের পেশী সুস্থ থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, যা দ্রুত বীর্যপাত প্রতিরোধে সহায়ক।
কীভাবে করবেন?
প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট স্পট জগিং বা সাইক্লিং করুন।
এটি শারীরিক ক্ষমতা বাড়াবে এবং যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।
❤️ অতিরিক্ত টিপস:
🔸 স্ট্রেস কমান: মানসিক চাপ শরীরের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শিথিল হতে কিছু সময় কাটান এবং গভীর শ্বাস নিন।
🔸 সঠিক খাদ্যাভ্যাস: পুষ্টিকর খাবার, যেমন শাকসবজি, ফলমূল, বাদাম ও মাছে ভরপুর খাবার গ্রহণ করুন।
🔸 হাইড্রেশন: পর্যাপ্ত পানি পান করুন, যাতে শরীর সব সময় সুস্থ থাকে।
🔴 সতর্কতা:
আমি ডা: মো: ফাইজুল হক ( Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক )
কিছু প্রতারক আমার ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে মানুষকে প্রতারণা করছে। তাই, দয়া করে সতর্ক থাকুন ।
🔹 আমাদের সত্যিকারের মোবাইল নম্বর:
✅ 01972859950
✅ 01712859950
📞 সন্দেহ হলে ভিডিও কল করুন: 01712859950 (WhatsApp-এ)
📢 সবাইকে সতর্ক করুন এবং শেয়ার করুন! 🚀
#যৌনস্বাস্থ্য #বীর্যপাত #আয়ুর্বেদ #এক্সারসাইজ #স্বাস্থ্যকরজীবন #সুস্থথাকুন
Available now! Telegram Research 2025 — the year's key insights 
