en
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Open in Telegram

🙂🙂🙂

Show more
1 955
Subscribers
-124 hours
-67 days
-1730 days
Posts Archive
photo content

বদনজর /হিংসা কতটা ভয়ংকর! নিজের সাথে ঘটে যাওয়া একটি কেস! বাচ্চাদের নিয়ে বাহিরে এক জায়গায় সাময়িক সময়ের জন্য বেড়াতে গিয়েছি, সাধারণ কোথাও যাওয়া হয়না। অনেকে আছেন -বাবা 'মা 'র সামনে কেউ নিজ সন্তানদের প্রশংসা করলে খুব আনন্দিত হন, হ্যাঁ এটা আনন্দিত হবার বিষয় যদি সেই প্রশংসার সাথে উক্ত ব্যক্তি "মাশা আল্লাহ "আলহামদুলিল্লাহ বলে। প্রশংশাকারী ব্যক্তি যদি প্রশংসা করার সময় মাশা আল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ না বলে "যার সামনে প্রশংসা করা হচ্ছে সেই বাবা অথবা মায়ের উচিত তাদেরকে সতর্ক করা বা বলা প্রশংসা করার সময় "মাশা আল্লাহ "আলহামদুলিল্লাহ বলা প্রয়োজন, না হয় সেই প্রশংসা হতে আপনার সন্তানদের জন্য এক কষ্ট দায়ক যন্ত্রণা, খুব কষ্ট দায়ক। যা আপনি কল্পনা করতে পারবেন না। কয়কে ঘন্টা বেড়ানো শেষে যখনই বাসায় আসি "মেজ ছেলে বলে "আব্বু পেটে ব্যথা "বাচ্চার মাকে জিজ্ঞাসা করি সে কিছু খেয়েছে বেড়াতে যাওয়ার পর? বল্ল প্রয়োজন তুলনা একটু বেশী! যা সচরাচর বাসায় খাবারের চেয়ে বেশী, প্রশ্ন করলাম কেউ প্রশংসা করেছিল? বাচ্চার খাবার এবং কথাবার্তা নিয়ে? তখন কি মাশা আল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ বলেছিল? উত্তর ছিলো "না ব্যস বুঝতে আর বাকি নেই! বাচ্চাকে সামনে বসিয়ে প্রায় পনে দুই ঘন্টা রুকইয়াহ করি পাশাপাশি পানি পড়ে সেই পানি পান করাই -এতেই বাচ্চার বমি শুরু হয়। ছোট ছেলের অবস্থা একি রকম "খাবার খেতে চায়না এবং কান্নাকাটি, জ্বর, আপনার সামনে যাদি আপনার বাচ্চাদের প্রশংসা করে তবে খেয়াল রাখবেন, যেখানে মাশা আল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ বলার প্রয়োজন, তা বলছে কিনা! অন্যথায় আপনি স্বরন করিয়ে দিন এতে উভয়ের জন্য কল্যানকর হবে, তাছাড়া আপনি আপনার সন্তানদের নিয়ে সাফার করবেন যা অসহনীয় পর্যায়ে চলে যেতে পারে। এরকম পরিস্থিতি হলে রুকইয়াহ করার পাশাপাশি বাচ্চাদের ডাক্তারের চিকিৎসা ও নিবেন।গত দুই দিন বাচ্চাদের নিয়ে অনেকটাই সাফার করতে হয়েছে "এখন আলহামদুলিল্লাহ " আল্লাহ সুবহানাহু তা 'আলা প্রত্যকের সন্তান কে সুস্থ রাখুন।

বেতনের টাকা থেকে অল্প অল্প করে ৪০০০ টাকা জমিয়ে অনেক দিনের শখ, একটা ভালো হাত ঘড়ি কিনলেন। আপনার হাতে ঘড়িটা দেখেই পাশের ডেস্কে বসা সিনিয়র কলিগ বলে উঠলো - এটা কি কিনেছেন, আর ৫ টা হাজার টাকা দিলে তো অমুক ব্রান্ডের ঘড়ি পেতেন। আপনি প্রতি মাসের বাজার খরচ, শপিং খরচ বাচিয়ে ৬ মাস পরে ২৫০০০ টাকা দিয়ে মালয়েশিয়ান বোর্ডের একটা আলমারি কিনলেন। পাশের বাসার ভাবী এসে একবার দেখেই বললেন, ভাবী এইসব বোর্ড তো ভালো না। আর কয়টা টাকা দিলেতো অমুক ব্রান্ড থেকেই নিতে পারতেন। আপনি অনেক শখ করে একটা সাইকেল কিনলেন। এটা দিয়ে ভার্সিটি যাবেন, টিউশনে যাবেন, টুকটাক বাজার করবেন। আপনার বন্ধু প্রথম দেখায় বলল, কি বাচ্চাগো মতন সাইকেল কিনছস, এই বয়সে সাইকেল মানায়! এখন কিনবি মোটর সাইকেল। খুব শখ করে স্টোনের একটা ব্রেসলেট কিনলেন। বান্ধবী দেখেই বলে উঠলো, পাথরের এগুলা কি পড়স! গোল্ডের ব্রেসলেট হলে তোকে যা মানাতো না! বিলিভ করেন, এগুলা মানুষ না। এগুলার মাথায় ঘিলু তো নেই এমনকি গোবর ও নেই। গোবর কিন্তু খুব উর্বর, যাদের মাথায় গোবর থাকে তা থেকে একদিন কিছু না কিছু, ভালো আসবে তবে এদের থেকে কোনদিনই ভালো কিছু আসবে না। এরা থাকে শুধু আরেকজনকে কিভাবে একটু হেয় করা যায় সেই তালে। এদের মন খুবই বিষাক্ত। শুধু যে বিভিন্ন বস্তগত জিনিস নিয়ে এরা ইগোটিক আচরন প্রদর্শন করে তাও কিন্তু না। খুব খেয়াল করলে দেখবেন এরা এমনও বলে: কিরে মটকু, আর কত খাবি। পেট ফেটে গেলেতো আমরাও নোংরা হয়ে যাব আরে দোস্ত, তোর মাথা তো দেখি সুন্দর স্টেডিয়াম হয়ে গেছে। ইশরে বান্ধবী, তোর জামাইটা যদি আরেকটু ফর্সা হইতো, তাইলে তোদেরকে যা লাগতো না। কিরে হাফ ব্যাটারী, তুই রিকশায় উঠস কিভাবে। বান্ধবী তুই শ্যামলা হইলেও তোর চেহারায় খুব মায়া আছে। কিরে তোর চুলতো সব আমার দাদার মতন হয়ে গেছে। এই বয়সে কিসের এত টেনশন করিস! ভাবী আপনাকে দেখলে মনেই হয় না, আপনি ৩ বাচ্চার মা। ইশরে ভাবী আপনি এখনও কত ইয়ং আর ভাইরে এখনই কেমন বুড়া দেখায়। এগুলো সব বডি শেমিং। সবগুলোর মূল উদ্দেশ্যে আরেকজনের মনে খোচা দিয়ে তাকে কষ্ট দেওয়া আর নিজে মনে মনে খুশী হওয়া। এই মানুষগুলো থেকে আপনি নিজ দায়িত্বে দূরে থাকবেন, কারন নিজেকে নিজেরই ভালো রাখতে হবে। বিল্লাল হোসাইন ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৩

photo content

photo content

অনেক সময় সেক্সোলজিস্টরা কাউন্সিলিং করান কিন্তু ওনারা যেহেতু ডাক্তার তাই ওনারা সবাই কাউন্সিলিং এ দক্ষ হবেন এমন কথা বলা সম্ভব না । ওনারা মেডিকেশন বা ওষুধ বিষয়ে অভিজ্ঞ থাকেন এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। তবে শুধু মাত্র ওষুধের উপরে নির্ভরশীল হওয়ার পক্ষে আমি না । আজ এ পর্যন্তই লিখছি । আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন । আমি চেষ্টা করব সে সব প্রশ্ন নিয়ে আরও একটি লেখা লিখে ফেলতে । (প্লিজ এই পোষ্ট কপি করবেন না ) লেখা-Foring Camelia সূত্র - Sex Without Stress: A Couple's Guide to Overcoming Disappointment, sexualhealthalliance.com , Contemporary Sex Therapy: Skills in Managing Sexual Problems, Dr. Neha mehata's interview

সেক্স কাউন্সিলিং কি ? কখন করা উচিৎ ? কারা করান ? প্রথমে জেনে নেয়া যাক সেক্স কি ? - সেক্স হল এমন একটি ক্রিয়া, যা আমাদের শরীরে নির্দিষ্ট হরমোন উৎপন্ন হবার ফলে হয়ে থাকে। একটু সহজ করে বলার চেষ্টা করি , আমরা যখন কাউকে দেখে তার প্রতি শারীরিক ভাবে আকর্ষিত হই, কিংবা তাকে নিয়ে রোম্যান্টিক ভাবনা ভাবতে থাকি অথবা কোন ভিডিও, সিনেমা, এক্ট দেখে শারীরিক ভাবে নিজেকে সেই যায়গায় বসাই এবং রোম্যান্টিক ভাবনা ভাবতে থাকি, তখন আমাদের ব্রেইনে সেক্স হরমোন উৎপন্ন হয়। ছেলেদের ক্ষেত্রে, "টেস্টোস্টেরন" এবং মেয়েদের "প্রোজেস্টেরন", "ইস্ট্রোজেন" হরমোন উৎপন্ন হয়।মেয়েদের ক্ষেত্রেও সেক্স ড্রাইভ বাড়াতে টেস্টোস্টেরন কাজ করে। এর ফলে কি হয় ? এই হরমোন উৎপন্ন হতে হতে এক সময় আমাদের শরীরে যে রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেম আছে, তা এক্টিভ হয়ে যায়। তখন "পুরুষ অর্গানে" ইরেকশন হয় এবং "নারী অর্গান" উন্মুক্ত হয় এবং এক সময় ডিসচার্জ প্রডিউস হয়। এভাবে এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। কেন মানুষ ভেদে এই ক্রিয়া ভিন্ন হয়, কারো কারো ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হয় কিংবা ত্রুটিপূর্ণ হয় ? শারীরিক ত্রুটি বিষয়টি বাদ রেখে শুধু মানসিক বিষয় নিয়ে বলছি । যেহেতু সেক্স এর পুরো প্রক্রিয়াটা কেমন হবে তা নির্ভর করে অনুভূতির উপরে আর অনুভূতির উপরে ভিত্তি করেই যেহেতু হরমোন কম কিংবা বেশি প্রডিউস হয়, তাই সেক্স এক্ট করার সময় সেক্স সম্পর্কে যদি কারো প্রচুর ভুল ধারণা থাকে, অজ্ঞতা থাকে, তাহলে তার প্রভাব হরমোন উৎপাদনের উপরে পড়ে। যেমন কারো সেক্স ভীতি থাকলে তার ক্ষেত্রে হয়ত সেক্স হরমোন উৎপন্ন-ই হবে না, কিন্তু খুব ই কম উৎপন্ন হতে পারে। তখন, ছেলেদের ইরেকশনে সমস্যা হতে পারে , মেয়েদের ক্ষেত্রে পেইন হতে পারে, অর্গাজম হয় না ইত্যাদি না না ধরণের সমস্যা তৈরি হয় । সেক্স বিষয়ে বেশির ভাগ সমস্যার কারণ ই হল, এই বিষয়ে জানার অজ্ঞতা কিংবা সঠিক ধারনা না থাকা । সেই সাথে পারিবারিক , সামাজিক , আর্থিক নানা ধরণের প্রেশার মিলে মিশে পুরো বিষয়টাই প্রচণ্ড জগাখিচুড়ি টাইপ বিষয় হয়ে যায় এবং প্রফেশনাল হেল্প না নিয়ে আরও কোন উপায় থাকে না । এর চিকিৎসা কি ? চিকিৎসা ৩ ধরণের হয়ে থাকে । ১ । মেডিকেশন বা ওষুধ যা শুধুমাত্র সেক্সোলজিস্ট ( এই বিষয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তার) দিয়ে থাকেন ২ । সেক্স কাউন্সিলিং ৩ । সাইকো সেক্সূয়াল থেরাপি ( সমস্যার উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট থেরাপি কিংবা একাধিক থেরাপি করানো) সেক্স কাউন্সিলিং কি ? সেক্স কাউন্সিলিং হল খুব ই হালকা কিংবা মাইল্ড স্টেজের চিকিৎসা পদ্ধতি । যদি কারো শারীরিক ত্রুটি না থাকে এবং মানসিক সমস্যাগুলো অতি জটিল না হয়, সেক্ষেত্রে এই কাউন্সিলিং করা হয়। যেমন- বিয়ের আগে অনেকের ভয় থাকে যে আমার দ্বারা এই এক্ট হবে কিনা , কিংবা কারো কারো ক্ষেত্রে হুট করে আগ্রহ চলে যায় , মাইন্ড ব্লকেজ চলে আসে , আবার সেক্স বিষয়েই অনেক সময় কাঁপলদের মধ্যে নানা ধরণের ইস্যু তৈরি হয় , কিংবা মাষ্টার বেসন করতে গিয়ে পর্ণ এডিক্টেড হয়ে যান অনেকে , কোন কারণে সেক্স ট্রমা হয় কারো কারো , কেউ কেউ ভুল এক্ট করে বিব্রত থাকেন , অনেকে আছেন যাদের সেক্স বিষয়ে নানা ধরণের ডাউট ক্রিয়েট হয় ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই কাউন্সিলিং বেশ কাজ দেয় ইত্যাদি । আর একটা বিষয়ে কাউন্সিলিং খুব ই ভাল কাজ করে, যাদের সেক্স্যুয়াল এবিউজের হিষ্ট্রি থাকে সেটা ছেলে কিংবা মেয়ে দুজনার ক্ষেত্রেই হতে পারে , তাদের স্বাভাবিক সেক্স লাইফ ফেরাতে, সেক্স কাউন্সিলিং জরুরী । অনেক নারীরা তাদের ফাস্ট নাইটে স্বামী কিংবা প্রেমিকের ভুল আচরণে ফলে ট্রমাটাইজ হয়ে যান এবং সেটা বাড়তে বাড়তে এক সময় ভীতিকর পর্যায়ে চলে যায় । আবার কোন কোন ছেলেরা সেক্স এক্টে তার পার্টনারের বিদ্রূপের স্বীকার হয়ে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন, এই ধরণের বিষয়েও কাউন্সিলিং খুব ই উপকারী । এই কাউন্সিলিং কিভাবে করা হয় ? এই কাউন্সিলিং ওয়ান টু ওয়ান কিংবা গ্রুপেও হয়ে থাকে। ওয়ান টু ওয়ান মানে যার সমস্যা তার সাথে বসে আলাপ করা হয়, আর গ্রুপে হলে, সেটা ঐ একি ধরণের সমস্যা নিয়ে একি বয়সীদের সাথে গ্রুপ ডিসকাশনের মাধ্যমে যে ভুল ভ্রান্তিগুলো আছে সেগুলো শুধরানোর চেষ্টা হয়। তবে গ্রুপ কাউন্সিলিং এর চেয়ে ওয়ান টু ওয়ান কাউন্সিলিং বেশি ইফেক্টিভ কারণ সেখানে নির্দ্বিধায় আলাপ করার সুযোগটা অনেক বেশি থাকে। কাঁপলদেরো ওয়ান টু ওয়ান কাউন্সিলিং করা হয় । কারা এই কাউন্সিলিং করান ? যেহেতু সেক্স কাউন্সিলিং একটা বিশেষ ধরণের কাউন্সিলিং তাই সব সাইকোলজিস্টরা সেক্স কাউন্সিলিং করাতে পারেন না কিংবা করাবার দক্ষতা তাঁদের নেই । সেক্স কাউন্সিলিং সাইকোলজিস্টরা করালেও তারা শুধুমাত্র সাইকোলজি ব্যাকগ্রাউন্ডের হলেই হবে না , ওনাদের সেক্স কাউন্সিলিং বিষয়ে আলাদা এক্সপারটিজ মানে লেখা পড়া , কোর্স এবং দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়।

জ্বীন যখন ক্যান্সারের কারণ। কিছু জ্বীন আছে যারা ক্যান্সারের কারণ। একজন মহিলার ডান স্তনে ক্যান্সার ছিল, এবং ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত নেন যে এই অংশটি অপসারণ করা উচিত। বাস্তবেই এটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছিল। তারপর, অল্প সময় পরে, তার বাম স্তনে ব্যথা শুরু হয়। ডাক্তাররা ডাক্তারি পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেন যে, এটি ক্যান্সার এবং এই (অবশিষ্ট থাকা )অন্য স্তনের ক্যান্সার অবশ্যই নির্মূল করা উচিত। তখন তার পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং কোরআনের চিকিৎসার আশ্রয় নেয়। তার কাছে কুরআন তিলাওয়াত করার পর জ্বীন তার মুখে কথা বলে এবং আমাদের বলে যে, সেই তার এই রোগের কারণ ছিল । এমনকি এই পরিকল্পনাও করেছিলো যে, হাঁটুকেও স্তনের মতো এক‌ইভাবে আক্রান্ত করবে। . এরপর কুরআন দ্বারা চিকিৎসার মাধ্যমে জ্বিন এই মহিলাকে ছেড়ে বেরিয়ে যায় এবং মহিলার ব্যথাও চলে যায়। পুনরায় তারা পরীক্ষা করে দেখেছেন যে,মহিলা শতভাগ নিরাপদ ও সুস্থ। মাজমুউল ফাত‌ওয়া (৮/৩৬৪) - শায়খ আব্দুল আযীয বিন বায রাহিমাহুল্লাহ من أسباب مرض السرطان والأمراض هناك من الجن من يكون سبب في مرض السرطان إمرأة أصيبت بمرض السرطان في ثديها الأيمن وأقرَّ الأطباء ضرورة استئصال هاذا الجزء وبالفعل تم استئصاله بالجراحة ثم بعد قليل عاودها الألم في ثديها الأيسر وبإجراء التحاليل الطبية اقر الأطباء أنه مرض السرطان ولابد من استئصاله هو الآخر ففزع أهلها ولجؤا الي العلاج بالقرآن ،وبعد القراءة عليها نطق الجن علي لسانها وأخبرنا أنه هو الذي سبب لها هاذا المرض وان كان مخططا ان يصيب الركبة بمثل ما أصاب الثديين وبالعلاج القرآني خرج الجن وترك هاذه السيدة وزال الألم عن السيدة وبإعادة التحاليل وجدوا أنها سليمة مئة بالمائة. 📚مجموع فتاوي ومقالات متنوعة لسماحة الشيخ عبدالعزيز بن باز رحمه الله (8/364) ━━━━━━━━━━━━━━

মন ভালো করার কার্যকরী কিছু টিপসঃ 👇 ✅ বেশি করে পানি পান করুন ✅ সময় নিয়ে ভালো ভাবে গোসল করে নিন ✅ সুন্দর পরিস্কার কাপড় পরিধান করুন ✅ নিজের পছন্দের মানুষের সাথে সময় কাটান ✅ নিজের হাতে গাছ রোপণ করুন ✅ খালি পায়ে মাটিতে হাটুন ✅ মেডিটেশন করতে পারেন ✅ লম্বা দম নিন, আস্তে আস্তে দম ছাড়ুন ✅ অন্যের উপকার করুন ✅ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করুন, উপলব্ধি করুন- 👉 জীবন কি কি পেয়েছেন? 👉 কার কার কাছ থেকে উপকার পেয়েছেন? 👉 কি কি বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন? 👉 অন্য অনেক মানুষের থেকে আপনি কতটা ভালো আছেন অনুধাবন করুন (এই চিন্তা গুলো আপনাকে পজেটিভ থিংকিং এর প্রতি আকৃষ্ট করবে) ✅ নামাজ পড়ুন, রুকু, সেজদা লম্বা করুন ( প্রত্যেকের নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী ধর্মীয় কাজগুলো করুন) ✅ পথ শিশুদের কে নিয়ে রেস্টুরেন্টে গিয়ে, ওদের মন ভরে কিছু খাবার খাওয়ান, দেখবেন ওদের অকৃত্রিম হাসি দেখে আপনি নিমেষেই অনেক ভালো অনুভব করছেন। ✅ পাখি, বিড়াল কিংবা অন্য কোনো প্রাণীর সাথে কিছু মূহুর্ত তৈরি করুন, ওদের যত্ন নিন, দায়িত্ব নিন, ওদের খেতে দিন। দেখবেন ওদের অকৃত্রিম ভালবাসা আপনার মন ছুয়ে যাবে। ✅ একজন প্রফেশনাল সাইকোলজিস্ট এর সাহায্য নিন/ কনসাল্টেশন নিন। 🔆⁉️ কে কে কোন কোন টিপসের মাধ্যমে উপকার পাচ্ছেন আমাদের জানাতে ভুলবেন না কিন্তু❤️ 🌸 ভালো লাগলে শেয়ার করবেন অবশ্যই✊

বিপদে পরে টাকা চেয়েছেন কারো কাছে, সাথে সাথেই ব্যবস্থা করে দিয়েছে। তারমানে এই নয় যে আপনার জন্য অলস টাকা নিয়ে সে বসে ছিলো। কেউ আপনার খাবারের বিল আগে দিয়ে দিয়েছে, এর মানে এই নয় যে তার কাছে টাকার পাহাড় আছে। লোকাল বাসে আপনার ভাড়াটা পরিচিত কেউ দিয়ে দিয়েছে, মানে এই নয় যে তার মানিব্যাগ ভর্তি টাকা আছে। তার টাকার পাহাড় নেই কিন্তু পাহাড়ের চেয়েও উঁচু একটা মন আছে। কেউ আপনাকে বিনয়ের সাথে 'সরি' বলেছে মানে এই নয় যে সব দোষ তার। কিছু দোষ হয়তো আপনারও ছিল অথবা তার আসলে কোনো দোষই ছিল না, শুধু অহেতুক ঝগড়া করে সম্পর্কটা নষ্ট করতে চায়নি বলেই সে সরিটা নিজেই বলে দিয়েছে। এটা তার দুর্বলতা নয়, এটা তার বিনয়। কেউ আপনার সব কথা মেনে নিয়েছে মানে এই নয় যে, আপনি সবসময় যৌক্তিক কথা বলেন। বরং আপনাকে সে প্রচন্ড ভালোবাসে অথবা সন্মান করে বলেই আপনার যৌক্তিক অযৌক্তিক সব কথাই সে মেনে নেয়। যাতে আপনি এতটুকু কষ্ট না পান। কারণ আপনার কষ্ট আপনাকে যতটা না কষ্ট দেয় তার চেয়ে আপনার কষ্ট তার বুকে আঘাত করে বেশি৷ এটাই ভালোবাসা। সব কথার জবাব সবাই মুখে দেয় না। কেউ কেউ সময়ের হাতে ছেড়ে দেয়। কেউ একটু হেসেই চলে যায়। তার হাসির মানে এই নয় যে আপনার কথা তার ভালো লেগেছে। মনে রাখবেন - Silence is the best answer of all stupid question & smile is the best reaction in all critical situation. যার সম্পর্কে আপনি খুব মিথ্যা বাজে কথা বলেছেন তিনি সেসব শুনেও প্রতিবাদ না করে চলে গেছে মানে এই নয় যে, সে আসলেই তাই যা আপনি তার সম্পর্কে বলেছেন। বরং ব্যক্তিটার তার নিজের প্রতি সম্মানটা অনেক বেশি যার কারণে কারো নোংরা কথার জবাব দিয়ে তিনি তর্কে জড়াতে চায়নি। কেউ আপনাকে ক্ষমা করে দিয়েছে মানে এই নয় যে আপনি খুব ছোট ভুল করেছেন বা কোনো অপরাধই করেননি। বরং এমনও হতে পারে তিনি বিচারটা মহান আল্লাহর হাতেই তুলে দিয়েছেন। প্রতিশোধ না নেওয়াটাই কখনো কখনো বড় প্রতিশোধ হয়ে যায়। সংগ্রহঃ চৌধুরী মফিজুর রহমান

photo content

মিলনের উত্তম সময়ঃ- ১.স্ত্রীর মাসিকের চক্রের মাঝের সময়,কেননা এই সময়ে নারীর যৌ-ন হরমোন বেশি থাকে। ২.স্ত্রীর মন মানসিকতা ভালো থাকলে মিল-নে তৃপ্তি সহজে আসবে। ৩.শেষ রাতে মিলনে অ-র্গা-জ-ম সহজ হয়। ৪.নিরিবিলি পরিবেশ বা সময়ে স-হ-বা-স করা ভালো। ৫.অতিরিক্ত ভরা পেট বা খালি পেটে স-হ-বা-স করবেন না,মাঝামাঝি সময়গুলো বেশি ইফেক্টিভ হয়। #DrSRKhan

আপনাকে কেউ কল দিলে বন্ধ বললে এই সমস্যা হতে পারে: 1. সিগন্যাল সমস্যা: আপনার বাসা বা কাজের জায়গায় মোবাইল সিগন্যাল সমস্যা থাকতে পারে। অন্য জিপি সিম ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ করে দেখুন তারা কি একই সমস্যা করছে। 2. সিম সমস্যা: আপনার সিম কার্ডে সমস্যা হতে পারে। আপনি একটি নতুন সিম নিতে পারেন আপনার নিকটস্থ জিপি সেন্টার থেকে। 3. মোবাইল সমস্যা: আপনার ফোনে অভ্যন্তরীণ সমস্যা হতে পারে যা সিগন্যাল গ্রহণ করতে সমস্যা করছে। একটি অন্য ফোনে সিমটি প্রয়োগ করে দেখতে পারেন সমস্যা তা থেকেও হয় কিনা। 4. সফটওয়্যার সমস্যা: আপনার মোবাইলের সফটওয়্যার অপডেট বা অন্য সফটওয়্যার সমস্যা হতে পারে। আপনি নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন: 1. আপনার সিম কার্ডটি পুনরায় সেট করুন বা অন্য ফোনে প্রয়োগ করে সমস্যা হয় কিনা তা পরীক্ষা করুন। 2. আপনার মোবাইলটি পুনরায় চালু করুন। 3. আপনি আপনার মোবাইল নেটওয়ার্ক সেটিংস চেক করতে পারেন এবং সেটি 2G/3G/4G অথবা অটো মোডে সেট আছে কিনা তা দেখতে পারেন। 4. আপনি একটি নতুন সিম কার্ড নিতে পারেন এবং সমস্যা সল্ভ হয় কিনা তা দেখতে পারেন। 5. অবশেষে, আপনি জিপি গ্রাহক সেবা সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারেন। এই প্রক্রিয়াগুলি অনুসরণ করে আশা করি আপনি সমস্যা সমাধান করতে পারবেন।

হোস্টেলে থাকা মেয়েদের দেখা যায় সাধারণত একইসাথে সবার পিরিওড শুরু হয়.. কিংবা কাছাকাছি দিনে। রুমমেট বা সারাক্ষণ একসাথে থাকা বান্ধবীদেরও পিরিওড একসাথে কিংবা কাছাকাছি সময়ে শুরু হয়। তাছাড়া জেলখানায় নারীবন্দি কিংবা আর্মিতে থাকা নারী সেনাদেরও তাই ঘটে। তাদের পিরিওডের ডেট প্রথম দিকে ভিন্ন ভিন্ন হলেও কয়েক মাস একসাথে থাকার পর ধীরে ধীরে সবার একই বা কাছাকাছি ডেটে চলে আসে। এটাকে "মেন্সট্রুয়াল সিনক্রনি" বলা হয়। এক্ষেত্রে একই সাথে থাকা মেয়েদের মেন্টাল কানেকশন তাদের সবার শরীরের ফিজিওলজির উপরেও একই প্রভাব ফেলে। আবার ফেরোমেন থিওরি দিয়েও ব্যাখা দেয় অনেকে। তিব্বতে কিছু বৌদ্ধ ভিক্ষু আছে, যারা মাইনাস তাপমাত্রার মত বরফ পড়া আবহাওয়াতেও দিব্যি পাতলা পোশাক পরে চলাফেরা করে। কিভাবে তারা এটা করে এখনো রহস্য রয়ে গেছে। তবে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক ধারণা দিয়েছেন, মেডিটেশনের মাধ্যমে তারা ব্রেনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী অংশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। অর্থাৎ মন দিয়ে তারা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি, তারা শরীরের মেটাবলিজম প্রক্রিয়াকে ৬০ ভাগ পর্যন্ত নামিয়ে ফেলতে পারে, যেখানে স্বাভাবিক মানুষের ঘুমের ভেতর এটা নামে ১০-১৫ ভাগ। মানুষের মন জিনিসটা সত্যি অনেক অদ্ভুত ও শক্তিশালী একটি জিনিস। আপনি হয়তো কারো কথা খুব ভাবছেন মনে মনে। দেখা গেল ঠিক তখনই তার সাথে দেখা হয়ে গেল... কিংবা কাউকে ফোন দিবেন বলে তার নাম্বার ডায়াল করতে যাবেন, ঠিক সেই মুহুর্তেই সে আপনাকে ফোন দিল... এটা মানুষ-প্রাণীর মাঝেও হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, এক লোকের পোষা কুকুর ছিল। তিন বাসায় এসেই দরজা খুলে কুকুরকে দেখতে পেতেন। লোকটার বাসায় একটা ক্যামেরা সেট করে দেওয়া হল। আর সেদিন দুপুরে হঠাৎ করে লোকটাকে বাসায় যেতে বলা হল। দেখা গেল, লোকটা বাসায় যাওয়ার জন্য যেই মাত্র গাড়িতে উঠেছে, বাসার কুকুর দরজার কাছে এসে দাঁড়িয়ে গেছে। এগুলোকে অনেকে আবার টেলিপ্যাথি হিসেবে আখ্যায়িত করে। এগুলো কমবেশি সব মানুষের জীবনে মাঝেমাঝেই ঘটে। আসলে, কাছের মানুষদের মাঝে অটোমেটিক্যালি এক ধরনের আত্মিক একটা যোগাযোগ তৈরি হয়। এই জন্যই সন্তানের বিপদে মা বাবা দুরে থাকলেও টের পায়... স্বামীর কিছু হলে স্ত্রীর মন ছটফট করতে থাকে। এমনকি কাছের বন্ধুর কিছু হলে আরেক বন্ধুও সেটা বুঝতে পারে। যারা যত মনের দিক থেকে কাছে যেতে পারে, তাদের মধ্যে এই আত্মিক যোগাযোগ তত বেশি তৈরি হয়। তাই সম্পর্কের ভিত্তি হতে হয় মন নির্ভর, শরীর নির্ভর নয়। যত বেশি দুটো মন কাছাকাছি আসবে, তত বেশি আত্মিক টান তৈরি হবে। শরীরের সুখ সকলেই দিতে পারলেও মনের সুখ সবাই দিতে পারে না... --------- Dr.Taraki hasan mehedi

রুকইয়াহ শোনার নিয়ম। অজু করে নিয়ত করে চোঁখ বন্ধ করে শুনবেন টানা ব্রেক ছাড়া,পতিক্রিয়া যদি হয় তাহলে বার বার শুনতে থাকবেন প্রয়োজনে সময় বাড়িয়ে নিবেন।

সত্যি কথা বলতে কি "না" বলাটা খুব সহজ নয়। নিচে কয়েকটি কাল্পনিক পরিস্থিতিতে কীভাবে না বলা যায়, তার কিছু নমুনা বা উদাহরণ দেওয়া হলো। 💥 আপনি সবাইকে সাহায্য করতে চান। না বলা মানেই তো অন্যদের ফিরিয়ে দিলেন, তাই না ? এমন পরিস্থিতিতে বিনয়ের সাথে বলে ফেলুন, “আমি সত্যিই দুঃখিত, আমার এখন এত কাজ, নিঃশ্বাস ফেলার সময় পাই না। আপনাকে কিভাবে সাহায্য করব, বলুন?” 💥যদি কোনো বয়স্ক মানুষ আপনাকে কোনো অনুরোধ করেন, আপনি হয়তো সম্মানের খাতিরে তাঁকে না বলবেন না। অনেক সময় ভালো না লাগলেও অনুরোধে ঢেকি গিলতে হয়, সত্যি কি না বলুন ? অনুরোধে ঢেঁকি না গিলে বরং তাঁকে ভদ্রভাবে বলুন, “ইস্! এমন সময়ে আপনি বললেন, আমি অন্য কাজের মধ্যে ডুবে আছি। এটা পরে করলে হয় না ?” 💥আপনি শান্তিপ্রিয় মানুষ।বিবাদ এড়াতে চান। আপনার খেতে ইচ্ছা করছে মুরগি, বউ বলছে, আজকে মাছ রাঁধি। আপনি কি "না " বলবেন ? বউ বড়, না মুরগি? এমন পরিস্থিতি সত্যিই কঠিন।আপনি মিষ্টি করে বলুন, “তোমার হাতের রান্না খুবই চমৎকার।সেদিনের মুরগির স্বাদ এখনও জিভে লেগে আছে। আজ মুরগি খেলে কেমন হয়। 💥 আপনি চান সবাই আপনাকে পছন্দ করুক। বাসার সবাই বলছে, চলো, পিকনিকে যাই আর আপনি বলবেন, না, আমি ঘরে বসে টেস্ট ক্রিকেট দেখবো। ঠিক যেন গরম দুধে লেবুর রস! এরকম পরিস্থিতিতে বরং বলতে পারেন, “ খুবই ভালো আইডিয়া।কিন্তু আমার আজ বাইরে যেতে ইচ্ছে করছে না।” 💥 আপনি চান না উদ্ধত বা নাক উঁচু হতে। কেউ যেন না বলে ঐ ভদ্রলোকের দেমাগ বেশি I ঠিক আছে, ভদ্রতা বজায় রেখে সুন্দরভাবে বলতে পারেন, “ চমৎকার আইডিয়া আপনার, আমি আনন্দের সাথে এটা করতাম, কিন্তু হাতে এত কাজ।” অথবা অন্যভাবেও বলতে পারেন, “এ ব্যাপারে ভেবে দেখি, পরে জানাব আপনাকে।” 💥আপনি ভাবছেন, বস কোন কিছু করতে বললেন, যদি বসকে না বলেন বা তার কথা না মানেন, বেতন বৃদ্ধি বা প্রমোশনের সময় তিনিও নিশ্চয়ই না বলবেন! এটিও একটি জটিল পরিস্থিতি। এমন পরিস্থিতিতে না পারবেন বসকে খুশি করতে, না পারবেন নিজের আনুগত্য প্রমাণ করতে। বরং বিনয়ের সাথে বলুন, “বস, সত্যি বলতে কি, আমি এ ব্যাপারে একেবারে অনভিজ্ঞ। নিশ্চয় আমি এ বিষয়ে জানার ও শেখার চেষ্টা করবো।” 💥 আপনি একজন নারী।স্বল্প পরিচিত কিংবা অপরিচিত কেউ আপনার মুঠোফোনের নম্বর চাইছেন, আপনি দিতে চান না, এমন পরিস্থিতিতে কৌশল করে বলুন, “আমার স্বামী বা বয়ফ্রেন্ডকে জিজ্ঞেস করব, ও যদি অনুমতি দেয়, আপনাকে জানাবো, ঠিক আছে!” এই সাতটি উত্তর যদি মনের মতো না হয়, সরাসরি বলবেন, “সত্যি আমি দুঃখিত, আমি এটা পারব না।” ভয় পাবেন না, দেখবেন কিছুই হবে না, কেউ কিছু মনে করবেন না। আর মনে করলেও আপনার কিছু যায় আসে না। বরং এতে বেঁচে যাবে আপনার সময়, অর্থ, এমনকি সম্মান। সুতরাং মিষ্টি করে ‘না’ বলতে শিখুন।বিশ্বাস করুন, ‘না’ বলতে পারাটা এক ধরনের সাহস! ‘না’ বলা এক ধরণের শিল্পও বটে! তথ্যসূত্র: https://psychcentral.com/lib/learning-to-say-no#recap https://www.wikihow.com/Say-No https://www.scienceofpeople.com/how-to-say-no/

না বলতে শেখা কেন জরুরি? 🌿🌿🌿🌿🌿🌿 William Somerset Maugham এর The Luncheon গল্পে একজন উদীয়মান লেখক কিভাবে এক পেটুক মহিলার তোষামদিতে ভুলে বিপুল পরিমাণ অর্থ খুইয়েছিলেন, তার সরস বিবরণ আছে।লেখক বিষয়টি এভাবে বর্ণনা করেছেন,” I was flattered and was too young to have learned to say no to a woman.” আমরা অনেকেই অন্যকে না বলতে পারি না।কোনো কোনো পরিস্থিতিতে না বলা একটি মানসিক দক্ষতা। কিছু টিপস অনুসরণ করে যে কেউ আয়ত্ত এই দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। ‘না’ ছোট একটি শব্দ। তবুও না বলা কারো কারো জন্য সত্যিই কঠিন মনে হতে পারে - এমনকি জটিল। আমাদের অনেকের জন্য, না বলাটা ভুল মনে হয়! তাই, যখনই কেউ আপনাকে কিছু করতে বলে, আপনি মনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হয়তো বলে ফেলেন, “হ্যাঁ! অবশ্যই!” কিন্তু বাস্তবে, আপনি বিপরীত কিছু অনুভব করতে পারেন। হয়তো আপনি অন্য কিছু করতে চেয়েছিলেন। হয়তো আপনার জন্য এটা বলাই ভালো ছিল, “দুঃখিত, আমি এটা পারবো না।” আমরা অনেকেই জানি না, মনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হ্যাঁ বলা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। না বলা সত্যিই একটি দক্ষতা, যা আপনাকে আরো বেশি স্মার্ট করতে পারে। পরিস্থিতির দাবি অনুযায়ী আপনি না বললেই স্বাভাবিক বোধ করবেন। মনের চাপ কমবে। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে না বলার দক্ষতা তৈরি করার জন্য এই লেখাটিতে বেশ কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কেন না বলা কঠিন? ☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️ না বলা শুধু আপনার জন্য চ্যালেঞ্জিং নয়, আপনার মতই অনেকেই আছেন, যারা না বলতে পারেন না।সামাজিক মনোবিজ্ঞানী ডক্টর ভেনেসা কে. বোহনস ২০১৬ সালে অন্যদের উপর মানুষের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করে লিখেছেন, "অনেক মানুষ প্রায়ই অনুরোধে ঢেঁকি গিলে ফেলেন। এমন কিছু করতে সম্মত হন - যা তারা করতে পছন্দ করেন না। তারা এমন করেন শুধুমাত্র 'না' বলার অস্বস্তি এড়াতে।" “আমরা সম্পর্ক রক্ষার তাগিদে হয়তো হ্যাঁ বলে দিতে পারি। কারণ আমরা নিজেকে কঠিন হিসেবে দেখাতে চাই না।” বলেছেন ড. এমিলি আনহাল্ট নামে একজন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট। ডক্টর নিকোল ওয়াশিংটন নামে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং এলোসিন সাইকিয়াট্রিক সার্ভিসেসের চিফ মেডিকেল অফিসার বলেছেন, “আমরা একজন ভালো বন্ধুকে নিরাশ করতে চাই না বা কারো অনুভূতিতে আঘাত করতে চাই না, এজন্য না বলতে চাই না।” আরেকটি কারণ আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা আমাদেরকে হ্যাঁ বলতে শেখায়। মনোবিজ্ঞানী আনহাল্টের মতে, বড় হওয়ার সময়, আপনি নিজের পক্ষে ওকালতি করতে শেখেননি। “এটাও সত্যি যে আপনি হ্যাঁ বলেন, কারণ আপনি সাহায্য করতে চান। কিন্তু আপনি ভুলে যান যে আপনি চাইলেই একজনকে সব সময় সাহায্য করতে পারবেন না।” আনহল্ট বলেছেন। নিকোল ওয়াশিংটন বলেছেন, “আমরা এটা ভেবে উদ্বিগ্ন হই যে, না বলার মাধ্যমে আমরা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করার বিষয়ে আমাদের অক্ষমতা প্রদর্শন করি।” কেন না বলা ভালো ☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️ নিজেকে রক্ষা করতে কখনো কখনো ব্যক্তিগত বা পেশাগত পরিস্থিতিতে না বলতে হয়। ওয়াশিংটন বলেন, নিজের যত্নের জন্য না বলাটা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেছেন, না বলার কিছু সুবিধা আছে। 🔷 বিশ্রামের সুযোগ পাওয়া যায়। যা আমাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করে। 🔷 লক্ষ্যে অবিচল থেকে নিজের কাজে ব্যস্ত থাকা যায়। 🔷প্রিয়জন এবং সহকর্মীদের সাথে সম্পর্কের সীমানা নির্ধারণ করা যায়। চূড়ান্ত বিচারে, প্রয়োজন বুঝে না বলা আমাদের জীবনকে ব্যাপকভাবে এগিয়ে নেয়, আনহাল্ট বলেন। এটি আমাদেরকে নিজেদের মত করে একটি পরিপূর্ণ, অর্থপূর্ণ জীবন গড়ে তোলার সুযোগ দেয়। সর্বোপরি, আমরা কেবল নিজের উপর ক্ষমতার উপর আস্থা রাখতে পারি। কখন না বলা দরকার? ☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️ কখনও কখনও, আমরা না বুঝেই হ্যাঁ বলি। কারণ আমরা জানি না আমরা কী চাই। আমাদের নিজেকে জানতে হবে। বুঝতে হবে, কোন জিনিসগুলো মন সায় দিচ্ছে না। যেভাবেই হোক, কখন প্রত্যাখ্যান করা আপনার পক্ষে সর্বোত্তম তা নিয়ে ভাবা দরকার। কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে এগিয়ে যেতে হবে সে সম্পর্কে আপনি ইতিবাচক না হলে নিজেকে এই প্রশ্নগুলি জিজ্ঞাসা করুন: 🔷 হ্যাঁ বলা কি আপনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছুতে ফোকাস করতে বাধা দেবে? 🔷আপনার সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত আপনার মূল্যবোধ,বিশ্বাস, এবং লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না? 🔷আপনার মূল্যবোধ, বিশ্বাস এবং বর্তমান লক্ষ্যগুলি কী কী? 🔷হ্যাঁ বলা কি আপনাকে আরও ক্লান্ত বা পরিশ্রান্ত করে ফেলবে? 🔷হ্যাঁ বলা কি আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হবে? অথবা এটা কি আপনার জন্য খারাপ হবে? 🔷অতীতে, আপনি যখন হ্যাঁ বলেছেন, তারপরে আফসোস করেছেন কি? 🔷যা প্রত্যাখ্যান করা আপনার জন্য ভালো ছিল, অথচ আপনি তা গ্রহণ করেছিলেন কোন পরিস্থিতিতে? আপনি কিভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন? উপরের প্রশ্নগুলির উত্তর জানা থাকলে আপনি বুঝতে পারবেন কখন এবং কোন পরিস্থিতিতে না বলতে হবে। কিভাবে "না" বলবেন? ☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️