en
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Open in Telegram

🙂🙂🙂

Show more
1 996
Subscribers
No data24 hours
+47 days
+330 days
Posts Archive
⚠ জরুরি সতর্কবার্তা! ⚠ তারাবির নামাজের সময় (রাত ৮টা - ১০টা) দূ'র্বৃ'ত্ত'রা ডা'কা'তি, খু'ন ও ধ'র্ষ'ণের মতো ভয়ংকর অ'প'রাধ ঘটাতে পারে!পুরুষরা মসজিদে নামাজে ব্যস্ত থাকলে বাসাবাড়ি পুরুষশূন্য থাকবে – এটিই অপরাধীদের সুযোগ! . ❗ এখনই সতর্ক হোন ❗ ✅ তারাবির নামাজে গেলে মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখুন। ✅ বাসায় থাকা নারী ও শিশুদের সতর্ক থাকতে বলুন। ✅ দরজা-জানালা শক্তভাবে বন্ধ রাখুন, অপরিচিত কাউকে দরজা খুলবেন না। ✅ অপরিচিত ও সন্দেহজনক কাউকে দেখলেই দ্রুত পুলিশের কাছে রিপোর্ট করুন। ✅ প্রতিবেশীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন, প্রয়োজনে একে অপরকে সাহায্য করুন। ⚠ আপনার সামান্য অসতর্কতা ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনতে পারে! ⚠ সবাইকে সতর্ক করুন, পোস্টটি শেয়ার করুন, পরিবার-প্রতিবেশীদের জানিয়ে দিন! 🚨 জীবন রক্ষা করুন – সবাই সতর্ক থাকুন, নিরাপদ থাকুন! 🚨

রমাদান বরাবরই পছন্দের একটা মাস। সাইকোলজিক্‌লি ও ফিজিক্‌লি ব্যপক পরিবর্তন আসে এ মাসে। প্রতিদিন একই সময়ে খাওয়া, ঘুমানো, তারাবীর এফোর্ট— বছরের অন্য সময় হয়ে ওঠে না। কিন্তু নিয়মের বাইরে চলে যায় খাদ্যাভ্যাস। অনেকেই আশা করেন রোজায় ওজন কমবে। কিন্তু মাস শেষে ওজন কমে না, বরং বেড়ে যায়। অনেকে দুর্বল হয়ে যান। এমনকি যুব ছেলেপেলেরাও। এমন কি হওয়ার কথা? ধরুন হিমেল একজন স্বাভাবিক বিএমআইয়ের মোটামুটি পরিশ্রমী ছেলে। সে যেন দুর্বল না হয় (মাসল লস), অন্তত সেটুকু সুস্থতার জন্য দিনে তার ৫০৪ ক্যালরি প্রোটিন, ৯০০ ক্যালরি কার্বোহাইড্রেট আর ৬৬ গ্রাম ফ্যাট খেতে হবে। সব মিলিয়ে ২,০০০ ক্যালরি/প্রতিদিন। সে সেহরিতে আলুর চপ, বেগুনি, মুড়ি, জিলাপি আর ছোলাভুনা খেলো। রাতে ডিনার করল, সেহরি করল। এতে তার শরীরে ৩০০০ ক্যালরি ঢুকে যাবে। মনে হতে পারে হিমেল তার ক্যালরি পূর্ণ করেছে, সে সুস্থ থাকবে। কিন্তু না। সে ক্যালরি টার্গেট পূরণ করলেও তার খাবারে প্রোটিন, ফ্যাট আর কার্বের ব্যালেন্স ছিল না। সে প্রোটিন তো খায়ইনি, কার্বও খেয়েছে প্রয়োজনের অনেক কম, ফ্যাট খেয়েছে সবচেয়ে বেশি। ফলে ওজনও বাড়ছে (ফ্যাট-গেইন), কার্বের অভাবে বাড়ছে দুর্বলতাও। অন্যদিকে প্রোটিনের অভাবে হচ্ছে লং-টার্ম সমস্যা। রোজায় দেহের ভারসাম্য রাখতে রাতে ডিনার করা জরুরি নয়। তবে ইফতারে অবশ্যই কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে। যেমন, খেজুর অথবা ভাত। চিড়া-মুড়িও ভালো, তবে এগুলো খুব অল্পই খাওয়া হয়। খাবারের পরিমাণ সঠিক রাখা জরুরি। দুধ-কলা-ভাত ভালো অপশন। খিচুরিও ভালো। ভাজাপোড়া, বিরিয়ানি, কাচ্চি এসবও খাওয়া যাবে, তবে সপ্তাহে একবারের বেশি নয়। ফল, সবজি (ভাইটামিন, ফাইবার) আর পানির কথা আলাদাভাবে বলার দরকার নেই। রোজার সৌন্দর্য্য বজায় রাখাটা ইবাদতের পাশাপাশি খাদ্যগ্রহণের ওপরও নির্ভর করে। সুন্দর ইবাদতের জন্যও খাওয়া-দাওয়ার লাগাম হাতে রাখা জরুরী। রমাদান হেলদি কাটুক। তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়। #ramadan2025 #eathealthy #bigyanpriyo

photo content

কিভাবে স্বামীকে আদর করবেন:- যৌন মিলনে সুখি হতে চাইলে সব দায়ভার কখনোই স্বামীর উপর ছেড়ে দিবেন না যদিও স্বভাবজাতভাবে স্বামী মুখ্যভূমিকা পালন করে থাকে আর স্ত্রীর ভূমিকা গৌন। কিন্তু স্ত্রী যখন স্বামীর আবেগকে বুঝবে, নিজেকে শুধুমাত্র নিজের স্বামীর কাছেই যৌন আবেদনময়ী করে উপস্থাপন করবে, স্বামীকে উত্তেজিত করে তুলবে, চুপচাপ বিছানার এককোণে পরে থাকবে না আশা করা যায় যৌনমিলন ভরপুর একসুখের সীমানায় নিয়ে যাবে। # স্বামীর জন্য সাজুন, স্বামীকে ভালবাসুন, স্বামীর মেজাজকে বুঝতে চেষ্টা করুন। # স্বামীকে সারপ্রাইজ দিতে মাঝে মাঝে খোলামেলা পোশাক পড়ুন, স্বামীর সামনে নিজের সৌন্দর্য কে ফুটিয়ে তুলুন। # লাজুকতা থাকবে, এটা নারীর সৌন্দর্য। তবে বিছানায় ঝেড়ে ফেলুন। উগ্রতা মাঝে মাঝে কামনীয়, রোমান্টিক কথা, স্ত্রীর চিৎকার স্বামীকে পাগল করে দেয়, স্বামীর যৌন অক্ষমতা থেকে হিফাজত করে, সেক্স হরমোন রিলিজ করে, লিঙ্গকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত দৃঢ়, মজবুত করে রাখে। # স্বামীকে দিয়েই আদর শুরু করুন, তার বিশেষ বিশেষ জায়গায় বিদ্যুৎ চমকায় দিন, তাকে গরম করে ছেড়ে দিন, যখন আপনার পালা আসবে তখন স্বামীর উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হয়ে যাবে যা দ্রুত বীর্যপাত কমিয়ে দিবে। # স্বামীর যৌন পার্ফমেন্স কে প্রশংসায় ভাসিয়ে দিন।স্পেশাল জিনিসটি নিজের প্রিয় জিনিস বানিয়ে নিন, আর স্বামীর কানে কানে সেটা জানিয়ে দিতে ভুলবেন না। # স্বামীর পোশাক খুলতে সহায়তা করুন, প্রয়োজনে আপনি নিজে খুলে দিন, আর আপনারটা যেন আপনার স্বামী খুলে দেয়, তাকে যৌনতার শুরে অনুরোধ করুন। # বডি মেসেজ এটা করতে ভূলবেন না, প্রচুর পরিমানে করুন, পরস্পরের সেক্সের আনন্দ বাড়িয়ে দিবে বহুগুন, স্বামীর সেনসেটিভ জায়গায় ভালোমত মেসেজ দিলে আশা করি দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যাটা আস্তে আস্তে কমে যাবে। # হঠাৎ হঠাৎ স্বামীকে ঘুমের মধ্যে নিজে থেকে আদর করুন, উত্তেজিত করে, তার যৌনক্ষুধা বাড়িয়ে দিন। # মাঝে মাঝে উঠতে বসতে হালকা যৌনালাপ করুন, মন মেজাজ ফুরফুরে থাকবে, সারাদিনের একঘেয়েমি দূর হয়ে যাবে, যৌনতাকে পরস্পরের মধ্যে মনখুলে ভালোবাসুন। নিজেদের মধ্যে গোপন রাখুন, মাঝে মাঝে সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করুন, যা শুধু আপনারা ছাড়া দুনিয়ার কেউই যেন না বুঝে। # হঠাৎ হঠাৎ সেক্সুয়াল টেক্সট করুন, বলুন তাকে খুব মিস করছেন, কাছে পেতে খুব ইচ্ছে করছে। # স্বামীর চরম পুলক অর্থাৎ বীর্যপাতের সময় বেশি আপন করে নিন, শক্ত করে জড়

একজন শিশুর বয়স ৭ বছর হবার পর থেকে তাদের একটা গুরুত্বপূর্ণ নিউট্রিশন হ্যাক শেখাতে হয়, যা প্রায় কোন বাবা মা শেখান না। এই লাইফ হ্যাক হল, শুধুমাত্র স্পষ্ট ক্ষুধা লাগলেই খাওয়া, ক্ষুধা না লাগলে না খাওয়া। স্পষ্ট ক্ষুধা বলতে আমি কি বুঝিয়েছি?? স্পষ্ট ক্ষুধা বলতে বুঝিয়েছি, যখন সে অনুভব করবে তার পেটে আর কিছুই নেই এবং যাই দেখবে তাই খেতে ইচ্ছা করবে। এটা প্রথম প্রথম তৈরি হতে সময় লাগে, কিন্তু এটা তৈরি করিয়ে নিতে হয়। একবার এটা হয়ে গেলে পরে অটোমেটেড মেকানিজমের মত চলতে থাকে। বাচ্চাদের চেয়েও এটা এখন বেশি প্রয়োজন হয়ে উঠেছে বড়দের জন্য। দেখুন, বড়রা এখন স্বভাবের দিক দিয়ে শিশুসুলভ হয়ে যাচ্ছে। জ্ঞান এবং প্রাজ্ঞতা আমাদের মধ্যে এখন প্রায় দুর্লভ। বড়রা কথায় কথায় খায়। ঢাকায় যারা সারাদিন ঘরের বাইরে থাকেন তারা অনেকেই দিনে ৭-১০ বার খান। এত খাওয়ার কারন কি?? আমি বোঝাই। ১)আপনি আসলে পুষ্টিকর খাবার খেলে এত বেশি ক্ষুধা লাগবে না, এত ঘনঘন খেতেও পারবেন না। ব্রেইন নিজেই তখন ক্ষুধাকে রেগুলেট করবে। ২)সোশ্যাল প্রতিটা এনগেজমেন্টে আপনাকে কিছু একটা খেতে হচ্ছে। ফলে, আপনি ক্ষুধা না থাকার পরেও খাচ্ছেন। আপনি যদি সুস্পষ্টভাবে ক্ষুধা না লাগা পর্যন্ত না খান, আমার ধারনা, এক বছরের মধ্যে সমস্ত শহরের মানুষের ওজন ৩-৬ কেজি এমনিতেই কমে যাবে। আমি একটা সময় দিনে ১০-১২ বার খেতাম। সামনে যা পেতাম তাই খেতাম। এখন আমি দিনে ৩ বারের বেশি খাই না, অধিকাংশ দিন কেবল ২ বার খাই। আমার খাবার খরচ কমে গেছে অনেক, আর সেই সাথে, কারো সাথে বাইরে খাওয়ার কথা থাকলে সেটা মেইন মিল টাইমেই খাই। কোন আফটারনুন ট্রিট বা প্রি ডিনার ট্রিট হিসেবে না। কোথাও দাওয়াত খেলে সকালে খাই, যেন তা সারাদিনে শরীরের কাজে লাগে। রাতের বেলা দাওয়াত খাওয়া মানে পুরোটা ক্যালরি শরীরে জমানো। দিনে ২-৩ বারের বেশি খাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। মগজকে প্রশিক্ষন দিন, আপনার শরীর আপনার অনুগত হয়ে যাবে।

আমাদের বাসার ড্রাইভার একবার এক সিলিন্ডার গ্যাস গাড়িতে ভরে সেই গাড়িতে তার বউ নিয়ে পুরো শহর ঘুরেছে। পরদিন আমার বাবাকে কল দিয়ে বলেছে "প্রিয়া আপা সকালে বাইর হইসে। সারাদিন বাইরে ছিলো। উনিই খরচ করসে গ্যাস। গ্যাস আবার ভরতে হইবো। আমারে টাকা দিয়েন।" ওইদিন সকালে আমি গাড়িতে করে বের হয়েছিলাম ঠিকই, কিন্তু আমি জানতাম আমার বাসায় ফেরার টাইমের ঠিক নেই, তাই আমি ড্রাইভারকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। আর সেদিন সব কাজ শেষ করে সিএনজি করেই বাসায় ফিরেছিলাম। ড্রাইভারের কথা শুনে আব্বু প্রথমে বাসায় এসে আম্মুকে ফোনে খুব মারাত্মকভাবে বকলো, এরপর ড্রাইভারের সামনেই আমাকে ভীষণ গালিগালাজ করলো। আমি একবার বলার চেষ্টা করেছিলাম। জানাতে চেয়েছিলাম সত্যটা। লাভ হয়নি। আব্বু আম্মু ততোক্ষণে কনভিন্সড হয়ে গেছে যে আমিই আব্বুর চোখ ফাঁকি দিয়ে গাড়ি দিয়ে পুরো শহর ঘুরে বেড়িয়েছি। সেইরাতে আমি ভেবে বের করতে চেয়েছিলাম কেন একজন ড্রাইভার এই সাহসটা পাবে যে সে আমার নাম দিয়ে এতো বড় ঘটনার দায় সেরে ফেলবে? পরে আমার মাথায় এসেছিলো, এই ড্রাইভার প্রায় তিন বছর আমাদের গাড়ি চালিয়েছে। এই তিনবছরে অজস্র দিন আমার আব্বু অকথ্য ভাষায় আমাকে ড্রাইভারের সামনে গালিগালাজ করেছে। কোচিং ক্লাস থেকে পাঁচ মিনিট লেট করে বের হওয়াতে, কোনো শপিংয়ে গিয়ে বাসায় আসতে দশ মিনিট লেট করাতে, উত্যাদি ইত্যাদি আরো নানা কারণে। অনেক দিন আব্বুর বকা শুনে আমি পুরো পথ ফ্যাচফ্যাচ করে কাঁদতে কাঁদতে বাসায় আসতাম। এই ড্রাইভারই একবার আমার আব্বুকে বলেছিলো আমি সারা রাস্তায় মুখ বাহির করে দিয়ে রাখি তাই ছেলেরা আমাকে টীজ করে। মুখ বাহির করে দিতাম কারণ আমার ছিলো সাইনাসের সমস্যা। দমবদ্ধ লাগতো গাড়িতে। কিন্তু এরপর থেকে আব্বু গাড়ির কাঁচ তুলে দিতো। এসি গাড়ি আর লেমন এয়ার ফ্রেশনারের গন্ধে আমি স্কুলে পৌছেই আগে বমি করতাম। আমার ড্রাইভার এই কাজগুলো করার সুযোগ পেয়েছিলো কারণ সে দেখতে পেতো প্রতিনিয়ত আমার ঘরের মানুষ কিভাবে আমাকে অপদস্থ করে৷ কিভাবে আমার আম্মু ড্রাইভারকে ফোন দিয়ে আমার কথার সত্যতা ভেরিফাই করে। উনি বুঝে গিয়েছিলো সামহাউ, আমার পরিবারে একজন ড্রাইভারের দখল আমার চাইতে বেশি। এবং সে সেটারই সুযোগ নিয়েছিলো। আমার মা দেশের বাইরে যাওয়ার মাস দুয়েক পর শ্বশুড়বাড়িতে প্রথমবার আমাকে যখন জিজ্ঞেস করেছিলো, "তোমাকে কি পালক আনছে তোমার বাসায়? মানুষের ফ্যামিলি থেকে মাঝেমধ্যে ভুলেটুলেও কল দেয়, তোমার জন্য দেখি কেউ একবার কলও দেয়না!" আমি ভীষণ কষ্ট পেয়েছিলাম। এভাবে কেন বলবে কেউ? এতোটা ইনসেনসিটিভ কেন হবে? এরপর এক এক করে আরো আট দশ মাস চলে গেলো। শ্বশুরবাড়িতে আমার বাসা থেকে একটা কলও গেলো না। আমি বুঝতে পেরেছিলাম, আমি ওই কথায় ভীষণ কষ্ট পেয়েছিলাম কারণ কথাটা সত্য ছিলো। আর সত্য কথা সবসময় শুনতে ভালো লাগেনা। বাইরের মানুষ আমাদেরকে কিভাবে ট্রীট করবে সেটা অনেকাংশেই নির্ভর করে আমাদের ঘরের মানুষ আমাদের কিভাবে ট্রীট করে সেটার উপর। কাছের মানুষেরাই যখন আমাদেরকে তাদের স্বার্থের কারণে বিক্রি করে দেয়, তখন অন্য কাউকে আমাদেরকে কিনে নেয়ার জন্য তাদেরকে আমরা দোষ দিই বা কি করে? ০৮.১০.২০২৪ রাত ১১.৩৩টা। ~শামসুন নাহার প্রিয়া

প্রশ্নঃ আপনাদের বিভিন্ন ভিডিওতে যে সাউন্ড ট্র‍্যাক ব্যবহার করেন তা কি কোনো মিউজিক? উত্তরঃ আমরা হালাল বিটস থেকে কিছু সাউন্ড ট্র‍্যাক কিনে আমাদের ভিডিওতে ব্যবহার করি যা হালাল বলে বিবেচিত। ড্রামের মত কিছু শব্দ আছে যা দফ নামে পরিচিত। মুখে কিছু বিশেষ ধ্বনি এবং দফ বাজানোর মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করি ভিডিওকে যেন আকর্ষনীয় করে তোলা যায়। ইসলামে বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিয়ে বিভিন্ন মতামত রয়েছে, এবং এটি প্রেক্ষিত ও প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে। "দাফ" বা "ডফ" (ড্রাম) ইসলামি ঐতিহ্যে একটি বিশেষ বাদ্যযন্ত্র হিসেবে পরিচিত। ইসলামের প্রাথমিক যুগে বিশেষ করে আনন্দঘন পরিবেশে, যেমন বিবাহ বা উৎসবে, দাফ বাজানো অনুমোদিত ছিল বলে বহু হাদিসে উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে এ বিষয়ে কয়েকটি মূল দিক বিশদে বলা যেতে পারে: ১. হাদিসে দাফের উল্লেখ: ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বিশেষ করে ঈদ, বিবাহ এবং নবজাতকের জন্ম উপলক্ষে দাফ বাজানোকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে কয়েকটি হাদিস থেকে জানা যায়। হযরত আয়েশা (রা.)-এর একটি হাদিসে উল্লেখ আছে যে নবী (সা.)-এর ঘরে বিবাহ উপলক্ষে নারীরা দাফ বাজাচ্ছিল, এবং নবী (সা.) এটি অনুমোদন করেছিলেন। ২. উৎসব এবং বৈধতা: দাফ বাজানোর অনুমোদন প্রধানত উৎসবমুখর মুহূর্তের জন্য প্রযোজ্য। তবে এটাও মনে রাখা উচিত যে সব ধরনের বাদ্যযন্ত্র ইসলামি আইনানুযায়ী অনুমোদিত নয়। কিছু মতানুযায়ী, শুধুমাত্র দাফ ছাড়া অন্যান্য বাদ্যযন্ত্র নিষিদ্ধ বলে বিবেচিত হয়, কেননা এগুলো আল্লাহর স্মরণ থেকে মানুষকে দূরে সরিয়ে দেয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ৩. পুরুষ এবং নারীর জন্য নিয়ম: অনেক ক্ষেত্রে দাফ বাজানোর অনুমতি নারীদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল, বিশেষ করে যেসব অনুষ্ঠান শুধুমাত্র নারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তবে পুরুষদের জন্যও কিছু বিশেষ অনুষ্ঠানে দাফ বাজানোর অনুমতি ছিল, তবে সেই অনুষ্ঠানগুলো ছিল সামাজিক ও ধর্মীয় নৈতিকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৪. অন্যান্য বাদ্যযন্ত্রের প্রসঙ্গে: ইসলামের বিভিন্ন ফিকহের ইমাম ও আলেমদের মতামত অনুসারে, দাফ ছাড়া অন্যান্য বাদ্যযন্ত্র সাধারণত নিষিদ্ধ হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এগুলো মানুষকে গাফলতিতে নিমজ্জিত করতে পারে। ইমাম মালিক, ইমাম শাফি, ইমাম আহমদ এবং ইমাম আবু হানিফা (রহ.) বিভিন্নভাবে বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহারকে সীমাবদ্ধ করেছেন। তবে, কিছু আধুনিক আলেম বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহারে নমনীয়তা দেখিয়ে থাকেন, বিশেষ করে যদি তা কোনো হারাম কাজে লিপ্ত না করে। ৫. সারমর্ম: ইসলামে দাফ বাজানো হালাল হিসেবে স্বীকৃত, বিশেষ করে উৎসবমুখর বা অনুমোদিত পরিবেশে। তবে এটি অন্য বাদ্যযন্ত্রের মতো নয় এবং এটির ব্যবহারে সঠিক বিধি-বিধান অনুসরণ করা উচিত। [ ১. সহিহ বুখারি: 5135 ২. সহিহ মুসলিম: 892 ৩. সুনান আন-নাসাঈ: 3388 ]

কনের সেন্স অফ হিউমার, আইকিউ লেভেল, এবং পার্সোনালিটি বুঝতে সহায়ক কিছু মজাদার এবং চিন্তাশীল প্রশ্ন তৈরি করা যেতে পারে। নিচে এই ধরনের কিছু প্রশ্ন দেওয়া হলো: সেন্স অফ হিউমার যাচাইয়ের প্রশ্ন: 1. তুমি যদি কোনও জাদুকর হতে পারতে, কী ধরনের মজার যাদু ব্যবহার করতে? 2. ধরো, তুমি একটা নতুন ভাষা আবিষ্কার করেছো। প্রথম তিনটি শব্দ কী হবে? 3. যদি তোমাকে কারও চেহারা নিয়ে একটা মিম বানাতে বলা হয়, কাকে বেছে নিতে? 4. ধরো, তোমার প্রিয় অভিনেতার সাথে একদিন কাটাতে পারবে, কী করবো? 5. যদি তোমার একটা পোষা ড্রাগন থাকত, তার নাম কী রাখবে আর কেন? আইকিউ লেভেল বা চিন্তাভাবনার দক্ষতা যাচাইয়ের প্রশ্ন: 1. ধরো, তুমি একটা বনের মধ্যে হারিয়ে গেছো এবং তোমার কাছে কেবল একটা কাঁটাচামচ আর একটি পানির বোতল আছে। কীভাবে তুমি নিরাপদে বের হবে? 2. একটা ক্লাসিক লজিক্যাল পাজল: তুমি যদি এমন একটা জায়গায় থাকো, যেখানে তিনটা দরজা আছে - একটা তোমাকে সুন্দর বাগানে নিয়ে যাবে, আরেকটা তোমাকে সরাসরি মরুভূমিতে, এবং শেষটা আছেই না। কোন দরজা বেছে নেবে এবং কেন? 3. একটা ক্রিয়েটিভ প্রশ্ন: পৃথিবীতে যদি তিনটি জিনিস চিরতরে বিলুপ্ত করতে পারতে, সেগুলো কী হবে? 4. তোমার সামনে এক অদ্ভুত খেলা আছে, যেখানে চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে ৫টা কঠিন সমস্যা সমাধান করতে হবে। সবচেয়ে ভালো কোন সমাধান পদ্ধতি ব্যবহার করবে? পার্সোনালিটি বা ব্যক্তিত্ব বোঝার জন্য প্রশ্ন: 1. তুমি যদি একটা সুপার পাওয়ার পেতে পারতে, তবে কোনটা বেছে নিতে? কেন? 2. তোমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মূল্যবোধ কী? 3. কোন গুণটা তোমার মতে সবচেয়ে প্রিয়জনের মধ্যে থাকা উচিত? 4. ধরো, তুমি একটা বড় কোম্পানির সিইও, তোমার কর্মীদের মধ্যে কোন গুণগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করবে? 5. তুমি জীবনে সফলতা বলতে কী বোঝো? প্রশ্নগুলো করার সময় যেন সেগুলো মজার ও স্বাভাবিক থাকে, যাতে আলোচনা স্বাভাবিকভাবে গড়ায় এবং একে অপরকে বোঝা সহজ হয়। ChatGPT 🤐

উত্তর ঃ মুখে তালাক দিলে যেমনিভাবে তালাক পতিত হয়, ঠিক তেমনিভাবে মেসেজের মাধ্যমে তালাক পাঠালেও তালাক পতিত হয়। ফকীহ উলামায়ে কেরামগণ বলেন, إن الكتابة يقع بها الطلاق، ولو كان الكاتب قادرا على النطق، فكما أن للزوج أن يطلق زوجته باللفظ، فله أن يكتب إليها الطلاق. নিশ্চয় চিঠি (ম্যাসেজ) দ্বারাও তালাক পতিত হয়। যদিও লেখক বলতে সক্ষম হয়। সুতরাং যেমনিভাবে স্বামী মুখে তালাক দিতে পারে, তেমনিভাবে লিখিতভাবেও দিতে পারে। (ফিকহুস সুন্নাহ ৩/১৬৫) দ্বিতীয় কথা হল মেসেজের মাধ্যমে তালাক পাঠালে কখন কার্যকর হবে? এর জবাব হল তালাক কার্যকর হওয়া নির্ভর করবে মেসেজ লেখার ধরনের ওপর। যদি মেসেজে এভাবে লেখা হয় যে, ‘যখন আমার এই বার্তা তোমার কাছে পৌঁছবে তখন থেকে তুমি তালাক’ তাহলে স্ত্রীর কাছে মেসেজ পৌঁছার পরই তালাক হবে- স্ত্রী মেসেজটি পাঠ করুক বা না করুক। সুতরাং স্ত্রীর কাছে মেসেজ পৌঁছার আগেই যদি স্বামী তা ডিলেট করে দেয় তাহলে আর তালাক হবে না। আর যদি লেখে- ‘তুমি তালাক’ তাহলে লেখার পর থেকেই তালাক হয়ে যাবে- মেসেজ স্ত্রীর কাছে পৌঁছুক বা না পৌঁছুক। সূত্র: সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং-২০৩৯, ফাতাওয়া শামী-৪/৪৫৬ (জাকারিয়া) বাদায়েউস সানায়ে-৩/১০৯. ফাতাওয়া হিন্দিয়া-১/৩৭৮, ফিকহুস সুন্নাহ ৩/১৬৫. কাওয়াইদুল ফিকহ-১৩০ (দারুল কিতাব) ফাতাওয়া তাতারখানিয়া-৪/৫২৮ (জাকারিয়া), আল মহিতুল বুরহানী-৪/৪৮৬

বুদ্ধি আর প্রেম আলাদা উপকরণে তৈরি। বুদ্ধি মানুষকে এক বাঁধনে বাঁধে আর তাতে কোন ঝুঁকি নেই, কিন্তু প্রেম সব জটকে গুলিয়ে ফেলে আর তাতে পুরোটাই ঝুঁকি আছে। বুদ্ধি সদাই সতর্ক আর পরামর্শ দেয়, ‘অত্যধিক ভাবাবেশ থেকে সাবধান’ আর প্রেম কেবল বলতে থাকে, ‘আহা, একদম ভেবো না! ঝাঁপিয়ে পড়ো!’ বুদ্ধি সহজে ভেঙে পড়ে না, অথচ প্রেম অনায়াসে নিজেকে ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলে। তবে গুপ্তধন লুকিয়ে থাকে ধ্বংসস্তুপেই। একটি ভগ্ন হৃদয়েই গুপ্তধন লুকানো থাকে। -শামস তাবরিজি 💜

একবার মক্কায় একজন ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ হলো যিনি বেশ শখ করে বাচ্চার নাম রেখেছেন ‘আবরাহা’। নামটা শুনে আমার তো আসমান থেকে পড়বার জোগাড়। আমি চোখমুখ কপালে তুলে জিগ্যেস করলাম, ‘ভাইজান, ছেলের নাম কী বললেন?’ তিনি তখনও খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে পুনরায় বললেন, ‘আবরাহা’। ‘আবরাহা’ নামটা শুনতে একটু স্মার্ট স্মার্ট শোনায়৷ অনেকটা ইংরেজির ‘আলেকজান্ডার’ টাইপ নাম। সম্ভবত নামের মধ্যে থাকা স্মার্টনেসের কারণেই তিনি নামটাকে নিজের বাচ্চার জন্য পছন্দ করে ফেলেছিলেন। আসল কথা হলো, আবরাহা নামের নেপথ্য ঘটনা তিনি জানতেন না। সারাটা জীবন সূরা ফীল পড়েছেন বটে, কিন্তু সেই সূরার প্রেক্ষাপট কোনোদিন জানার সুযোগ তার হয়ে উঠেনি। আমি সময় নিয়ে তাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বললাম। এই নাম যে কতো বিধ্বংসী এক অত্যাচারীর নাম যাকে ধ্বংসের কথা সরাসরি কুরআনেও এসেছে—সেসব বুঝিয়ে বলার পর তিনি বুঝতে পারলেন। বাচ্চার নাম নির্বাচনে আমরা অনেকেই এই ভুলটা করে থাকি। নামের অর্থের দিকে না তাকিয়ে আমরা স্মার্টনেস, খানিকটা আধুনিক ভাব আর বৈশিষ্ট্যের কথা ভাবতে গিয়ে মাঝেমধ্যে এমন নাম বাছাই করে ফেলি যে—নামটার ভালো কোনো অর্থ আর অটুট থাকে না৷ বাচ্চার সুন্দর, অর্থপূর্ণ নাম রাখতে ইসলাম বেশ গুরুত্ব দেয়৷ কিয়ামতের দিন প্রত্যেককে তাদের নিজ নিজ নাম ধরেই ডাকা হবে। সুতরাং, একটা সুন্দর আর অর্থপূর্ণ নাম পাওয়াটা বাবা-মা’র ওপরে বাচ্চার একেবারে প্রথম অধিকার। আমাদের দেশের বাবা মায়েরা বাচ্চাদের এমন নামও রাখেন যেসব নাম অনেকসময় শিরক আর কুফরের দিকেও নির্দেশ করে ফেলে৷ অনেকে তো আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট করা নামগুলোই বাচ্চার নাম হিশেবে রেখে দেন। একটু খেয়াল করলে দেখবেন, আমাদের চারপাশে ‘রাব্বী’ নামের অনেক মানুষ আছে। অথচ, রাব্বী বলে আমরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাকেই ডাকি। নামের প্রভাব ব্যক্তিজীবনে ভালোভাবেই পড়ে বলে হাদিস থেকে জানা যায়। একবার আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন লোকের কাছে নাম জিগ্যেস করলে, তিনি যে নাম বললেন তার অর্থ হলো—রাগান্বিত৷ নবিজি তার নাম বদলে এমন একটা নাম বললেন যার অর্থ দাঁড়ায় প্রশান্তি। কিন্তু সে সেটা মানলো না। আগের নামে বহাল থাকলো। জানা যায়, জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সে ওইরকম রাগের মেজাজে ছিল। আমাদের দেশের বাবা মায়েদের আরেকটা বাতিক হলো, বাচ্চার নাম রাখার জন্য তারা এমন নাম রাখতে চান যা তাদের বংশে আর কেউ ব্যবহার করেনি ইতোপূর্বে। যেমন, যদি আপনি বলেন—‘বাচ্চার নাম ইবরাহিম রাখতে পারেন।’ তারা বলবে, ‘এটা তো আমার বড় জেঠার মেয়ে তার ছেলের জন্য রেখে দিয়েছে’ অথবা, যদি বলেন—‘বাচ্চার নাম খালিদ রাখতে পারেন বা ইসমাইল অথবা ইয়াহইয়া। মেয়ের নাম আয়িশা বা মারইয়াম রাখতে পারেন।’ তাদের জবাব হবে, ‘খালিদ তো আমার খালাতো ভাইয়ের ছেলের নাম। ইসমাইল আমার ছোট বোনের ছেলের নাম৷ ইয়াহইয়া নামের এক ছেলে আমাদের পাশের বাড়িতেই আছে। আয়িশা তো আমাদের প্রতিবেশির মেয়ের নাম৷ মারইয়াম নামের দুইজন তো আমাদের বংশেই আছে’। মোদ্দাকথা, তাদের এমন নাম চাই যে নাম গোটা বংশ বা আশেপাশের দশগ্রামে আর কেউ তাদের বাচ্চাদের জন্য রাখেনি। কিন্তু, আল্লাহর রাসুলের সময়ে ব্যাপারটা এরকম ছিল না। এমনকি, আরবে এখনো এধরণের চর্চা নেই৷ সেখানে ঘরে ঘরে আপনি আবদুল্লাহ, মুহাম্মাদ, আলি, খালিদ, মুসা, মুয়াজ, আয়িশা, মারইয়াম, ফাতিমা, আছিয়া, খাদিজা—এই নামগুলো দেখতে পাবেন। বাচ্চার সুন্দর নামকরণ করুন৷ সেটা তার হক আপনাদের ওপরে। আর, সেই নামটা ধরেই তাদেরকে কিয়ামতে ডাকা হবে৷ তাই, আধুনিকতার চেয়ে অর্থপূর্ণ নাম যেন হয়—সেদিকেই আমাদের নজর দেওয়া উচিত।

কদিন আগে আমার এক বন্ধুর মায়ের সঙ্গে কথা হচ্ছিলো। দুনিয়ার যাবতীয় ফ্রাস্ট্রেশন ঝেড়ে আন্টিকে বললাম "আন্টি, আমার জন্য দোয়া করেন আল্লাহ যেন আমাকে ধৈর্য দেন" উনি বললেন "আল্লাহর কাছে কখনো ধৈর্য চাইবা না। আল্লাহর কাছে তুমি যেটাই চাবা আল্লাহ তোমাকে সেইটাই দিবে। ধৈর্য চাইলে ধৈর্য দিবে, ধৈর্যের পরীক্ষাও নিবে। অনেক কঠিন পরিস্থিতি দিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে আল্লাহ তোমার ধৈর্য বাড়াবেন। আল্লাহর কাছে দোয়া করবা আল্লাহ যেন সবকিছু তোমার জন্য সহজ করে দেন"। আমি কথাটা শুনে খানিক্ষণ চুপ করে ছিলাম যে আসলেই তো। ধৈর্য কেন চাই আমরা আল্লাহর আছে। ধৈর্য মানেই তো কঠিন সময় এক্সেপ্ট করে নেওয়া, অথচ চাইলেই তো আল্লাহ সব সহজ করে দিতেন। এইটা মনে হয় আমার জীবনে শোনা সুন্দরতম মোটিভেশন। আমি আর আল্লাহর কাছে ধৈর্য চাই না। আল্লাহ যেন আমাকে এমন পরিস্থিতি না দেন যেখানে ধৈর্য লাগে। আল্লাহ আমার জন্য, আমাদের জন্য যেন সবকিছু সহজ করে দেন। ©️

যুক্তরাজ্যে ভিসার জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি। এটি আপনার ফান্ডের প্রমাণ দেয় এবং দেখায় যে আপনি আপনার পড়াশোনা এবং জীবনযাত্রার খরচ মেটাতে সক্ষম। এখানে UK ভিসার জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হলো: --- ১. প্রয়োজনীয় ফান্ডের পরিমাণ কত টাকা দেখাতে হবে? টিউশন ফি: আপনার কোর্সের প্রথম বছরের টিউশন ফি বা বাকি যত টাকা দিতে হবে। জীবনযাত্রার খরচ: লন্ডনে: প্রতি মাসে £1,334 (প্রতি বছর £16,008)। লন্ডনের বাইরে: প্রতি মাসে £1,023 (প্রতি বছর £12,276)। উদাহরণ: যদি টিউশন ফি £15,000 হয় এবং আপনি লন্ডনে পড়াশোনা করেন: £15,000 (টিউশন) + £16,008 (লিভিং কস্ট) = £31,008। আপনার অ্যাকাউন্টে এই ফান্ড থাকতে হবে এবং এটি কমপক্ষে ২৮ দিন ধরে ধরে রাখতে হবে। --- ২. ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রস্তুত করার নিয়ম ব্যাংক স্টেটমেন্টের বৈধতা: ব্যাংকের স্টেটমেন্ট সর্বশেষ ৩০ দিনের মধ্যে ইস্যু হওয়া প্রয়োজন। ব্যালেন্স কমপক্ষে ২৮ দিন ধরে থাকা আবশ্যক। স্টেটমেন্টে যে তথ্য থাকতে হবে: 1. ব্যাংকের নাম এবং লোগো। 2. অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের নাম। 3. অ্যাকাউন্ট নম্বর। 4. ব্যালেন্সের বিবরণ এবং স্টেটমেন্টের তারিখ। 5. ব্যালেন্সের সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় পরিমাণ। 6. ব্রাঞ্চের যোগাযোগের তথ্য। --- ৩. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট টাইপ কোন ধরনের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যাবে? 1. সেভিংস অ্যাকাউন্ট। 2. কারেন্ট অ্যাকাউন্ট। 3. শিক্ষার্থী ঋণের অ্যাকাউন্ট (যদি প্রযোজ্য)। 4. অভিভাবক বা পরিবারের অ্যাকাউন্ট (স্পনসর লেটার থাকতে হবে)। --- ৪. স্পন্সরশিপ বা শিক্ষা ঋণ যদি আপনার টিউশন ফি বা জীবনযাত্রার খরচ স্পন্সর করেন কেউ, তবে প্রয়োজন: 1. স্পনসরশিপ লেটার স্পন্সরের নাম এবং সম্পর্ক। ফান্ড প্রদানের প্রতিশ্রুতি। 2. ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা ফান্ডের প্রমাণ (স্পন্সরের অ্যাকাউন্ট)। 3. এডুকেশন লোনের ক্ষেত্রে: ব্যাংকের লোন স্যাংশন লেটার। --- ৫. বাংলাদেশ থেকে ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রস্তুত করার পরামর্শ 1. বৈধ ব্যাংক বেছে নিন: বাংলাদেশের স্বীকৃত ব্যাংক (যেমন ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, ইত্যাদি)। 2. ডলার বা পাউন্ড একাউন্ট: লেনদেন ডলার বা পাউন্ডে হলে সহজে গ্রহণযোগ্য। 3. স্টেটমেন্টের অনুবাদ: যদি স্টেটমেন্ট ইংরেজিতে না থাকে, একটি পেশাদার অনুবাদক দিয়ে ইংরেজিতে অনুবাদ করাতে হবে। 4. ব্যাংকের সিল এবং স্বাক্ষর: ব্যাংকের স্টেটমেন্টে অফিসিয়াল সিল এবং ম্যানেজারের স্বাক্ষর থাকতে হবে। --- ৬. সাধারণ সমস্যাগুলো এড়ানো পর্যাপ্ত ফান্ড না থাকা: নিশ্চিত করুন যে স্টেটমেন্টে ফান্ড ২৮ দিন ধরে আছে। অ্যাপ্লিকেশনের সময়কাল: ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার সময় স্টেটমেন্ট ৩০ দিনের মধ্যে ইস্যু করা হওয়া দরকার। ফেক স্টেটমেন্ট: কোনভাবেই ভুয়া বা মিথ্যা তথ্য দিবেন না। এটি ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণ হতে পারে। --- ৭. ভিসার জন্য অতিরিক্ত তথ্য কিছু বিকল্প ফান্ডের উৎস: ফিক্সড ডিপোজিট (সার্টিফিকেট সহ)। এডুকেশন লোন। অফিশিয়াল স্কলারশিপ লেটার। --- ৮. স্টেটমেন্টের উদাহরণ ফরম্যাট --- সংক্ষিপ্ত টিপস 1. পরিকল্পনা করুন: ব্যাংকে ফান্ড রাখার পর ২৮ দিন অপেক্ষা করুন। 2. ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন: আপনার চাহিদা অনুযায়ী স্টেটমেন্ট ঠিকঠাক করতে বলুন। 3. বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশিকা অনুসরণ করুন: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আলাদা ফান্ড প্রদর্শনের শর্ত থাকতে পারে। আপনার আরও কোনো প্রশ্ন থাকলে জানাবেন।

শীতের সময় পানি কম খাওয়া হয়। সেজন্য বহু শারিরীক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেমন : কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে, সেটা থেকে পাইলস ফিসার হতে পারে!! পানিস্বল্পতার জন্য রক্তরস কমে যায়, প্রেসার কমতে পারে, আপ-ডাউন হতে পারে, তাতে হার্ট এটাক, স্ট্রোক করার রিস্ক থাকে অনেকটাই। যাদের আগে থেকে রিস্ক আছে, তাদের আরও সতর্ক হতে হবে, একবার হুয়ে গেলে আর আগের মতো ভালো হবে না!!! আবার ত্বক রুক্ষ, মলিন হয়ে যায়। বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ এর কার্যক্রমের উপর বিরূপ প্রভাব পরতে পারে। এমনকি পুরুষদের পুরুষত্বে প্রভাব পরতে পারে!! তাই প্রাপ্ত বয়স্ক এভারেজ ৬০ কেজি ওজনের ব্যক্তিকে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টায় ১০ গ্লাস পানিপান করতে হবে। Dr. Maruf, MBBS(RpMC) FCPS mid. (Internal Medicine) Experienced in Skin, problem Medical officer, Rajshahi Medical College Hospital

আমি মনে করি, জ্ঞান হলো সকল কষ্টের মূল। আপনি যত কম জানবেন ততই সুখে থাকবেন। যেমন আপনি জানেন না যে আপনার শরীরে ক্যান্সার গ্রো করছে। অথচ আপনি দিব্যি আছেন। খাচ্ছেন, দাচ্ছেন, ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথবা ক্যান্সারের কথা বাদ দিন। আমরা কেউই জানি না আমরা কবে কীভাবে মারা যাবো। এবং জানি না বলেই আমরা একদম নিশ্চিন্তে, রিল্যাক্সে বেঁচে আছি। যখনই আপনি জানবেন আপনার মরণ কখন কীভাবে হবে, তখনই আপনার জীবন থেকে সব খুশি কর্পূরের মতো উবে যাবে। ক্ষণে ক্ষণে আপনি না চাইলেও আপনার অবচেতন মন আপনাকে আপনার মৃত্যুর সময়ের কথা মনে করিয়ে দিতেই থাকবে। ধরা যাক, আপনি খুব ভালো ক্রিকেট খেলেন। কোনভাবে আপনি জেনে গেলেন যে হঠাৎ একদিন ক্রিকেট বল মাথায় লেগে আপনি মরবেন। এক্স্যাক্ট সেই জ্ঞান অর্জনের মুহূর্ত থেকেই কিন্তু আপনি আর ক্রিকেট খেলা কে এনজয় করতে পারবেন না। একটা অন্যরকম অবসাদ আপনাকে পেয়ে বসবে। তাহলে কী দাঁড়ালো? জ্ঞানই যতো নষ্টের মূল। যতো কম জানবেন, মন ততো কম চিন্তা করবে, মাথায় ততো কম চাপ পড়বে, দেহ ততো ভালোভাবে নিজের ফাংশন গুলো পরিচালিত করবে, আয়ুষ্কাল ততো দীর্ঘ হবে। It's quite simple. তাই আমি জ্ঞানার্জনের বিরুদ্ধে। Ashik foysal sojib

০ টাকায়, যেকোনো স্কিল শেখা সম্ভব 💯 ২০২৪ শেষেও যদি, 'কোর্স করার টাকা নেই' বলে বসে থাকেন; তাহলে সেটা বোকামি! --- এই সম্পূর্ণ ফ্রি, ২৭ টি লার্নিং রিসোর্স আপনাকে অনেকগুলো স্কিলে দক্ষ করে তুলতে সাহায্য করবেঃ 🌐 Memrise - গেইম খেলতে খেলতে ফ্রিতে শিখুন, যেকোনো ভাষা 📚 Project Gutenberg - ফ্রিতে পড়ার মতো বইয়ের ভান্ডার পাবেন এখানে 🎓 Kaggle - ডেটা সায়েন্স আর ম্যাশিন লার্নিং নিয়ে সম্পূর্ণ ফ্রিতে শেখা সম্ভব এখানে 🤖 Google AI - গুগলের ম্যাশিন লার্নিং সংক্রান্ত ফ্রি রিসোর্স 🧠 Bartleby Learn - বিভিন্ন অ্যাকাডেমিক বিষয়ের ফ্রি রিসোর্স পাবেন এখানে 🧮 Desmos - ফ্রিতে গণিত শেখার জন্য সেরা একটা প্লাটফর্ম 🚀 Launch School - যারা ফ্রিতে ভালোমানের কোডিং শিখতে চাইছেন, তাদের জন্য 🌐 BBC Learning English - ইংরেজি দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সেরা একটি ফ্রি প্লাটফর্ম 📖 BibMe - অ্যাকাডেমিক রাইটিংয়ে দক্ষ হওয়ার জন্য সেরা একটি ফ্রি প্লাটফর্ম 🌍 GeoGuessr - ভূগোল শিখুন, সম্পূর্ণ ফ্রিতে 🖌️ Inklewriter - কোডিং ছাড়াই ইন্টারেকটিভ কন্টেন্ট তৈরি করুন ফ্রিতে 🧬 OpenStax - পৃথিবীর বিভিন্ন কলেজের বই আর রিসোর্স ফ্রিতে অ্যাক্সেস করুন 🎭 Theatrefolk - যারা নাটক, অভিনয় নিয়ে কাজ করতে চাইছেন; তাদের জন্য ফ্রি রিসোর্স 🎵 Flat - নিজে নিজে মিউজিক এডিটিং ও তৈরি শেখার ফ্রি প্লাটফর্ম 🎨 Pixlr Education - ছবি এডিটিং শেখার ফ্রি রিসোর্স 🌳 Code Org - মাইনক্র্যাফট খেলতে খেলতে ফ্রিতে শিখুন কোডিং 📰 NewseumED - সাংবাদিকতা নিয়ে প্রচুর ফ্রি লার্নিং রিসোর্স পাবেন এখানে 🧘 Smiling Mind - ফ্রিতে মেডিটেশন শেখার সেরা অ্যাপ 🤖 IBM Quantum Challenge - কোয়ান্টাম কম্পিউটিং শেখার ফ্রি লার্নিং রিসোর্স 🌊 Oceanography for Everyone - ম্যারিন সায়েন্স আর সমুদ্র নিয়ে যারা ফ্রিতে শিখতে চাইছেন 🎵 Teoria - ফ্রিতে মিউজিক থিওরি শেখার সেরা প্লাটফর্ম 🌐 Internet Archive: Wayback Machine - ফ্রিতে অনলাইন বিজনেসের জন্য সেরা রিসার্চ প্লাটফর্ম 🚀 NASA's Eyes - মহাকাশ নিয়ে ফ্রিতে শিখুন, নাসার এই ফ্রি লার্নিং রিসোর্স থেকে 🏞️ Wildscreen Arkive - যারা পশুপাখি নিয়ে আরো জানতে চান, তাদের জন্য ফ্রি প্লাটফর্ম 🧠 BrainBashers - ফ্রিতে মেন্টাল ওয়ার্কআউট করুন, এই প্লাটফর্ম থেকে 🎮 Unity Learn - ইউনিটি গেইম ইঞ্জিন দিয়ে গেইম তৈরি শিখুন, ফ্রিতে 🎭 The Royal Society of Chemistry - সম্পূর্ণ ফ্রিতে রসায়ন শিখুন এই প্লাটফর্ম থেকে --- লিস্টটা সেইভ করে, শেয়ার করুন! শেয়ার করলে, নিজের দক্ষতা কমে যায় না 🙏 শুভকামনা, লার্নারস 🖤

হযরত নকশবন্দী বুখারী রহ.-কে কেউ প্রশ্ন করেছিল যে, 'হযরত, মানুষ কখন বালেগ হয়?' তিনি বললেন, 'শরীয়তের দৃষ্টিতে নাকি তরীকতের দৃষ্টিতে?' সে বলল, 'হযরত উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই আমাকে বিস্তারিত বুঝিয়ে দিন।' তিনি বললেন, 'শরীয়তের দৃষ্টিতে মানুষ তখন বালেগ হয় যখন তার বীর্যপাত হয়। আর তরীকতের দৃষ্টিতে মানুষ তখন বালেগ হয় যখন সে বীর্যতাড়না থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিতে সক্ষম হয়।' অর্থাৎ জৈবিক চাহিদা-সংশ্লিষ্ট গুনাহসমূহ থেকে বেঁচে থাকে। এ থেকে বোঝা যায়, যখন আল্লাহর ওলী হওয়ার নূর অন্তরে প্রবেশ করে তখন জৈবিক তাড়নার অস্থিরতা বিদূরিত হয়ে প্রবৃত্তি স্থিতিশীল অবস্থায় চলে আসে। কামনা-বাসনার তরঙ্গে হাবুডুবু খাওয়ার অবস্থা দূর হয়ে যায় এবং সালেক লাও করে এক পূত ও পবিত্র জীবন। আর এই গুণ অর্জনই আল্লাহর ওলী হওয়ার উদ্দেশ্য এবং এর পূর্বশর্ত। [এখন যৌবন যার : ৩৯]

জীবন বদলে দেওয়ার মতো শেখ সাদীর ১৫ টি বিখ্যাত উপদেশ। ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাভাষী পাঠকের কাছে অতি প্রিয় কবি। শুধু বাঙালিই নয় বিশ্বজুড়ে তিনি অত্যন্ত সমাদৃত। তার ১৫টি বিখ্যাত উপদেশ যা কিনা আপনার জীবনকে বদলে দিবে। ১. তিন জনের নিকট কখনো গোপন কথা বলিও না- (ক) স্ত্রী লোক. (খ) জ্ঞানহীন মূর্খ. (গ) শত্রু। ২. অকৃতজ্ঞ মানুষের চেয়ে কৃতজ্ঞ কুকুর শ্রেয়। ৩. আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভয় পাই, তার পরেই ভয় পাই সেই মানুষকে যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না। ৪. এমনভাবে জীবনযাপন করে যেন কখনো মরতে হবে না, আবার এমনভাবে মরে যায় যেন কখনো বেচেই ছিল না। ৫. হিংস্র বাঘের উপর দয়া করা নিরীহ হরিণের উপর জুলুম করার নামান্তর। ৬. যে সৎ, নিন্দা তার কোন অনিষ্ঠ করতে পারে না। ৭. প্রতাপশালী লোককে সবাই ভয় পায় কিন্তু শ্রদ্ধা করে না। ৮. দেয়ালের সম্মুখে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় সতর্ক হয়ে কথা বলো, কারন তুমি জান না দেয়ালের পেছনে কে কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে। ৯. মুখের কথা হচ্ছে থুথুর মত, যা একবার মুখ থেকে ফেলে দিলে আর ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই কথা বলার সময় খুব চিন্তা করে বলা উচিত। ১০. মন্দ লোকের সঙ্গে যার উঠা বসা, সে কখনো কল্যানের মুখ দেখবে না। ১১. দুই শত্রুর মধ্যে এমন ভাবে কথাবার্তা বল, তারা পরস্পরে মিলে গেলেও যেন তোমাকে লজ্জিত হতে না হয়। ১২. বাঘ না খেয়ে মরলেও কুকুরের মতো উচ্ছিষ্ট মুখে তুলে না। ১৩. ইহ- পরকালে যাহা আবশ্যক তাহা যৌবনে সংগ্রহ করিও| ১৪. কোন কাজেই প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করিও না| ১৫. অজ্ঞের পক্ষে নীরবতাই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম পন্থা। এটা যদি সবাই জানত তাহলে কেউ অজ্ঞ হত না।